PDA

View Full Version : আনসার আল ইসলামের টুইট ঢাকা থেকে



musafir2
11-03-2015, 06:05 PM
আনসার আল ইসলামের টুইট ঢাকা থেকে
Updated : 3 November, 2015

http://dnn.news/wp-content/uploads/2015/07/dnn32.jpg

http://dnn.news/wp-content/uploads/2015/11/166150_1.jpg
আনসার আল ইসলামের টুইট ঢাকা থেকে
দুই প্রকাশকের ওপর হামলার পর রাজধানীর পুরান ঢাকা এলাকা থেকেই দায় স্বীকার করে টুইট করেছিল আনসার আল ইসলাম নামের জঙ্গি সংগঠনটি। এমন তথ্য পাওয়ার পর গোয়েন্দারা টুইটকারীদের অবস্থান নিশ্চিতের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তদন্তে সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে এর মালিক ফয়সল আরেফিন দীপনকে হত্যা ও লালমাটিয়ায় প্রকাশনা সংস্থা শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে মালিক আহমেদুর রশিদ টুটুলসহ তিনজনের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। কয়েক ঘণ্টা পর দুটি ঘটনারই দায় স্বীকার করে গণমাধ্যমকে ইমেইল ও টুইট করে জঙ্গি সংগঠনটি।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, শনিবারের দুটি হামলার পর আনসার আল ইসলামের নামে দায় স্বীকার করে যে টুইট বার্তা ইন্টারনেটে দেওয়া হয়েছিল সেটা আপলোড করা হয় পুরান ঢাকা এলাকার দুটি স্থান থেকে। তারা এরইমধ্যে এ বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেছেন।
তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের সাইবার নিরাপত্তা প্রকল্পের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেন তানভীর হাসান জোহা। সাইবার বিষয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও সহায়তা দিয়ে থাকেন বলে জানান তিনি।
দায়িত্বশীল একটি গোয়েন্দা সূত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা ট্রিবিউনকে। এ ব্যাপারে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে তারা বিভিন্ন দিক বিবেচনায় রেখে কাজ করছেন। কোথা থেকে কারা টুইট করেছিল সেটাও খতিয়ে দেখছেন তারা।


গোয়েন্দা নজরদারিতে সাত সন্দেহভাজন
Updated : 3 November, 2015


http://dnn.news/wp-content/uploads/2015/11/166146_1.jpg
গোয়েন্দা নজরদারিতে সাত সন্দেহভাজন
প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন ৬-৭ জনকে নজরদারিতে রেখেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তারা জামায়াত-উগ্রপন্থা অনুসারী। তবে একই দিনে প্রগতিশীল দুই প্রকাশকের ওপর হামলার পেছনে কারা রয়েছে সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নয় পুলিশ। এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য-উপাত্ত ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। দুই ঘটনার যে কোনো একটি গ্রুপকে ধরার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র।

Ad NetworkTypes of advertising
এদিকে প্রকাশক দীপন হত্যা ও প্রকাশক আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুলসহ তিনজনকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার দুই দিন পরে দায়ের করা এ মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়েছে। দুটি মামলাই মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়নি খুনিরা। পুলিশ কাউকে গ্রেফতারও করতে পারেনি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন টুটুলসহ তিনজনের অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সূত্র জানায়, এক প্রকাশককে হত্যা ও আরেক প্রকাশকসহ তিনজনকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় একাধিক গোয়েন্দা টিম মাঠে নেমেছে। পুলিশের পাশাপাশি র*্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ছায়া তদন্ত করছেন। প্রযুক্তি সহায়তা ও ম্যানুয়াল সোর্সের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে। আজিজ সুপার মার্কেট থেকে কয়েকটি ভিডিও ফুটেজ জব্দ করে তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
এসব ঘটনায় জঙ্গিবাদকেই অন্যতম সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। কারণ প্রবাসী লেখক অভিজিৎ রায়ের বই প্রকাশ করা হয়েছে দীপনের জাগৃতি প্রকাশনী ও টুটুলের শুদ্ধস্বর থেকে। অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডে জঙ্গিদের বিশেষ করে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সম্পৃক্ততার সন্দেহ রয়েছে। অভিজিতের বই প্রকাশ করায় টুটুলকে হুমকিও দেয়া হয়েছিল। পাশাপাশি দীপন ও টুটুলের পারিবারিক, ব্যবসায়িকসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়েও তদন্ত চালানো হচ্ছে। কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, দীপন হত্যাকাণ্ডে ৬-৭ জন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে। তারা জামায়াত-জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। দুটি ঘটনায় আলাদা কিলার গ্রুপ হলেও নেপথ্যের নায়ক একই গোষ্ঠী বলে মনে হচ্ছে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একই সময়ে, একই কায়দায় দুটি জায়গায় হামলা চালানো হয়। এর একটি গ্রুপকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা গেলেই রহস্য বেরিয়ে আসবে।
ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুনতাসিরুল ইসলাম বলেন, দুটি হামলার ঘটনায় ডিবি সর্বাত্মক কার্যক্রম চালাচ্ছে। আমরা প্রযুক্তি সহায়তা এবং ম্যানুয়াল সোর্স নিয়োগের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার মানবকণ্ঠকে জানান, শুদ্ধস্বর কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় বেশি কিছু তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে। এসব বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। টুটুলের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, ব্যবসায়িক এবং জঙ্গি গোষ্ঠীর তৎপরতাসহ সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হলেও তদন্তে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, লেখক অভিজিৎ রায়ের বই প্রকাশ করায় হুমকি দেয়ার অভিযোগে ২৮ ফেব্রুয়ারি থানায় একটি জিডি করেছিলেন টুটুল। সে সময় তাকে নিরাপত্তা সহায়তা দেয়া হয়। এই হুমকিদাতা গোষ্ঠী না অন্য কোনো গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে তা বলা যাচ্ছে না। পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলে জানান বিপ্লব সরকার।
দুই মামলা: শাহবাগ থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, দুপুর সোয়া ২টায় নিহত দীপনের স্ত্রী ডা. রাজিয়া রহমান একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে কাজ করছে পুলিশ।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি জামাল উদ্দীন মীর জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুল বাদী হয়ে বেলা আড়াইটার দিকে মামলাটি দায়ের করেন। তার একজন স্বজনের মাধ্যমে এজাহারের অভিযোগটি তিনি থানায় পাঠিয়ে দেন। হত্যা চেষ্টার এই মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুনতাসিরুল ইসলাম জানান, মামলা দুটি রাতে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাবিতে চিকিৎসাধীর ৩ জনের অবস্থা উন্নতির দিকে: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. উজ্জ্বল কুমার সাধু খাঁ মানবকণ্ঠকে জানান, তিনজনই ভালো আছে। তাদের অবস্থা উন্নতির দিকে। এর মধ্যে তারেকের জীবন শঙ্কামুক্ত হলেও বাঁ হাতটি নিয়ে শঙ্কিত। সার্জারি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। হাতটি রক্ষার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। তার বাঁ পাঁজরে গুলি থাকলেও এখনই তা বের করা হচ্ছে না। আর টুটুলের ডান গাল ও কপালের ডান দিকে দুটি অস্ত্রে আঘাতের ক্ষত রয়েছে। তবে তার বাইপাস সার্জারি, ডায়াবেটিস ও হাইপ্রেসার থাকায় তা কখনো কখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তার অবস্থা ভালো। রণদীপমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
গত ৩১ অক্টোবর বেলা আড়াইটার দিকে রাজধানীর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর খুনিরা কার্যালয়টি বাইরে থেকে দরজা তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। দীপন জাগৃতির কর্ণধার। এর আগে লালমাটিয়ায় সি ব্লকের ৮/১৩ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলায় প্রকাশনা সংস্থা শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হামলাকারীরা একই কায়দায় কুপিয়ে আহত করে প্রকাশনার মালিক আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুল এবং তার দুই বন্ধু লেখক-ব্লগার তারেক রহিম ও রণদীপম বসু সুদীপকে। এ সময় গুলিও চালায় হামলাকারীরা। একটি গুলি তারেকের পাঁজরে বিদ্ধ হয়েছে। হামলার পর দরজার বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে যায় খুনিরা।
জাগৃতি থেকে ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়ের বিশ্বাসের ভাইরাস এবং শুদ্ধস্বর থেকে অবিশ্বাসের দর্শনসহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ করা হয়।
সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী লেখক, ব্লগার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অভিজিৎ রায়কে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি টিএসসির কাছে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একুশে বইমেলা থেকে বের হয়ে স্ত্রী বন্যাকে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। স্ত্রীকে কোপানো হলেও অল্পের জন্য বেঁচে যান তিনি।
উৎসঃ manabkantha

musafir2
11-03-2015, 06:08 PM
অন্ধকার হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ
দুটি ঘটনায় সোমবার দুপুরে শাহবাগ ও মোহাম্মদপুর থানায় দুটি মামলা হয়েছে। এসব মামলার এজাহারে নির্দিষ্ট কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি


ফয়সাল আরেফিন দীপনরাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কর্ণধার ফয়সাল আরেফিন দীপনকে হত্যা এবং লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে তিনজনকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের দুই দিনেও চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দুটি ঘটনার পর অন্ধকার হাতড়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ। এদিকে, দুটি ঘটনায় সোমবার দুপুরে শাহবাগ ও মোহাম্মদপুর থানায় দুটি মামলা হয়েছে। এসব মামলার এজাহারে নির্দিষ্ট কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি।
শাহবাগ থানার ওসি আবু বকর সিদ্দীক জানান, সোমবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে দীপনের স্ত্রী ডা. রাজিয়া রহমান নিজে থানায় এসে মামলা করেন। এ সময় তার কয়েকজন স্বজন উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ মামলা দায়ের করতে তাকে সহযোগিতা করেন। এরপর এজাহার লেখার পর মামলা নথিভুক্ত করা হয়। মামলা নাম্বার-৩। মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তার স্বামী ফয়সাল আরেফিন দীপনকে তার আজিজ সুপার মার্কেটের জাগৃতি প্রকাশনীর অফিসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
ওসি আরো জানান, আইন অনুযায়ী মামলার তদন্ত চলছে। দীপনের খুনিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ওদিকে, লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় অপর একটি মামলা হয়েছে। গুরুতর আহত আহমেদুর রশীদ টুটুল এই মামলার বাদী হয়েছেন। এই মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুরের দিকে মামলার এজাহার নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুলের কাছে যান তার ভায়রা সাজ্জাদ হোসেন। এ সময় টুটুল এজাহারে স্বাক্ষর করেন। বিকালের দিকে সেই এজাহার নিয়ে সাজ্জাদ হোসেন মোহাম্মদপুর থানায় পেঁৗছে দেয়ার পর মামলা নথিভুক্ত করা হয়। মামলা নাম্বার-৪। মামলার এজাহারে তিনিসহ তিনজনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে, পুলিশ, র*্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ঘটনার পর ব্যাপক তৎপরতা শুরু করলেও এখন পর্যন্ত অগ্রগতি শূন্য। শুধু আজিজ সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া মার্কেটের ৮টি সিসিটিভির ফুটেজ ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে। ফুটেজ দেখে খুনিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ দুটি ঘটনার সঙ্গে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের জড়িত থাকার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য-প্রমাণ জনসমক্ষে হাজির করতে পারেনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীপনকে খুনের পর শনিবার রাতেই ওয়েবসাইটে আনসার-আল-ইসলাম নামের একটি ধর্মীয় মৌলবাদী সংগঠন হত্যার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়। গোয়েন্দারা এ বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে। বাংলাদেশে এই সংগঠনের সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। এর পাশাপাশি আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের যেসব সদস্যকে ইতিপূর্বে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যেই মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশকে দেয়া হবে।
অপরদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশেষ তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত টুটুল, তারেক রহিম ও রণদীপম বসুর অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত বলে সোমবার দুপুরে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. রিয়াজ মোর্শেদ জানান, আহত তিনজনের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ৯ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে তাদের চিকিৎসা চলছে। এখন আর কারো অবস্থাই আশঙ্কাজনক নয়। আহত তারেক রহিমের অবস্থা রোববার পর্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু রাত থেকে তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তার দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের ৫-৬টি স্থানে গুরুতর জখম। হাতের বড় ক্ষতটি সারিয়ে তুলতে মেডিকেল বোর্ড আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ নিয়ে চিকিৎসকরা শঙ্কায় থাকলেও এখন অবস্থার উন্নতি হয়েছে। পেটের গুলিটি পরে অস্ত্রোপচার করে সরিয়ে ফেলা হবে। এখন টুটুল ও রণদীপম বসুর অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
উৎসঃ যাযাদি

musafir2
11-03-2015, 06:11 PM
http://dnn.news/wp-content/uploads/2015/11/166156_1.jpg

সাবধান! মাঠে ৫শ আততায়ী
ধর্মীয় উগ্রবাদে দীক্ষিত আর অস্ত্র চালনায় প্রশিক্ষিত পাঁচ শতাধিক দুর্ধর্ষ জঙ্গি সারা দেশ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তারাই ধারাবাহিকভাবে খুন-খারাবিসহ নানা নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা হামলা-নাশকতার মাধ্যমে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে আতঙ্ক।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জঙ্গিরা একের পর এক অপরাধ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) দায়িত্বরত একজন (এসএস রাজনৈতিক) সিনিয়র পুলিশ সুপার জানান, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ এবং র*্যাবের হাতে সারা দেশে ২০০৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত এক হাজার ৬৭২ জন জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছে। বিচার শেষে এদের ছয়জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। বাকিরা দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দী রয়েছে। অনেকেই আবার জামিনে ছাড়া পেয়ে গা-ঢাকা দিয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যে সারা দেশে জঙ্গি নেটওয়ার্কে ১১টি নিষিদ্ধ সংগঠনে শীর্ষ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত ১০ সহস ক্ষাধিক সক্রিয় সদস্য রয়েছে। তাদের মধ্যে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে সমর্থ এক হাজার জনকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। র*্যাব শুরু থেকেই বিরামহীন অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের ৭ শতাধিক দুর্ধর্ষ সদস্যকে গ্রেফতার ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র, গোলা বারুদ উদ্ধার করে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ ও ২০১৪ সালের মধ্যেই ৬ শতাধিক জঙ্গি সদস্য আদালতের জামিন নিয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে গেছে। আইনজীবীদের জিম্মায় জামিন নিয়েই দুর্ধর্ষ জঙ্গিরা লাপাত্তা হয়ে গেছে।
২০১২ সালে জামিনে মুক্তির পর বর্তমান আমির গ্রুপের ফারুক হোসেন ও তার সেকেন্ড ইন কমান্ড শফিকুল ইসলাম শফিকের নেতৃত্বে ত্রিশালে পুলিশভ্যান থেকে সহযোগী জঙ্গিদের ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ফারুক-শফিক ছাড়াও মিলন, জাকারিয়া, সবুজ, সাজেদুর, মানিক, মাজিদসহ যে ১২/১৩ জন ত্রিশালের অপারেশনে অংশ নেয়, জানা গেছে তারা প্রায় সবাই জামিনে মুক্ত জঙ্গি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে জঙ্গি সদস্য হিসেবে গ্রেফতার হলেও ‘শিক্ষার্থী’ পরিচয় দিয়ে জামিন নিয়েছে তারা। বিভিন্ন আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে জঙ্গি সদস্যরা কেউ আর স্থায়ী ঠিকানার বসতবাড়িতে গেল না। ফের গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায় কারাগার থেকে বেরিয়ে সরাসরি সংগঠনের আস্তানায় ঠাঁই নিয়েছে। জঙ্গি টিমগুলো লোকালয়ের বাইরে দুর্গম পাহাড় বা বনাঞ্চলকে আস্তানা বানিয়ে প্রশিক্ষণ নিত। সে সব স্থানেই মাসের পর মাস কঠোর অনুশীলনসহ অস্ত্র চালনার নানা প্রশিক্ষণ শেষে রাজধানীসহ জনাকীর্ণ শহরের ব্যস্ততম এলাকাগুলোতেই তারা নতুন করে ঠাঁই নিয়েছে। সংঘবদ্ধভাবে অবস্থান না নিয়ে পাশাপাশি কয়েকটি বাসা-বাড়িতে আলাদা আলাদাভাবে ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে জঙ্গিরা। রাজধানী ঘিরে জঙ্গি ক্যাডারদের দুই শতাধিক ‘মেস ক্যাম্প’ গড়ে উঠেছে, এর মধ্যে ৪০টি মেস ক্যাম্প রীতিমতো দুর্গ স্টাইলের আস্তানায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সে সব ক্যাম্পে অবস্থান করছে কয়েকশ প্রশিক্ষিত সদস্য। যে কোনো মুহূর্তে রাজধানীজুড়ে একযোগে বড় ধরনের নাশকতা চালানোর পূর্ণ প্রস্তুতি তাদের আছে কি না সে সবও খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দারা। একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার তৈরিকৃত পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোপনীয় শাখায় পাঠানো ওই প্রতিবেদনের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সংস্থা চিহ্নিত মেসগুলোর ওপর নজরদারি শুরু করে। বিশেষ ওই গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, ছাত্র শিবিরের দুই শতাধিক মেসে নিষিদ্ধ ঘোষিত তিন জঙ্গি সংগঠনের ক্যাডাররা প্রায় স্থায়ী অবস্থানই নিয়েছে। শিবির কর্মীরা বেশির ভাগ মেসেই রাজনৈতিক পরিচয় গোপন রেখে একসঙ্গে বাস করে। সেখানে গোপনে তাদের মিটিংও চলে। এলাকা পর্যায়ে শিবিরের ক্যাডার নেতারা ‘জঙ্গিদের সঙ্গে সমন্বিত সম্পর্ক’ গড়ে তোলার মূল ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি গ্রেফতারকৃত জঙ্গি সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত হরকাতুল জিহাদের (হুজি) সদস্যরা এখন ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের’ পতাকাতলে সংগঠিত হয়ে নানা লক্ষ্যভেদ পূরণ করে চলছে। নতুন করে সংগঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় তারা প্রাধান্য দিচ্ছে। প্রথমত, ছদ্মবেশে জনমত গঠন, দ্বিতীয় পর্যায়ে টার্গেট করা ব্যক্তিদের হত্যা এবং সর্বশেষ জনবহুল এলাকায় বড় ধরনের নাশকতা চালানো। বিশেষ মিশন বাস্তবায়ন করতে তারা ইতিমধ্যে দ্বিতীয় ধাপে কাজ শুরু করেছে। প্রথম ধাপে কর্মীদের চাঙ্গা করতে তাদের একটি টিম সম্প্রতি সারা দেশ ঘুরে এসেছে। দ্বিতীয় ধাপে এখন তারা টার্গেট করা ব্যক্তিদের হত্যার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে। এক্ষেত্রে দেশের রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন পেশার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, মুক্তমনা ব্লগার, প্রকাশক তাদের টার্গেটে রয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে অপারেশন শেষ হলে জনসভা, শপিংমল, সিনেমা হলসহ জনসমাগম বেশি এমন স্থানে ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় তাদের বড় ধরনের হামলা চালানোর ফন্দি রয়েছে বলেও জানতে পেরেছে গোয়েন্দারা।
এদিকে কারাগার সংশ্লিষ্ট অপর একটি সূত্র জানায়, কারাগারে বসেই সারা দেশের জঙ্গি নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে মহিউদ্দিন ও গোলাম মাওলা। নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক হচ্ছেন অধ্যাপক মহিউদ্দিন। তার অবর্তমানে সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ড. গোলাম মাওলা। উভয়েই এখন কারাবন্দী।
উৎসঃ bd-protidin

musafir2
11-03-2015, 06:33 PM
চলছে ‘কমন মেথড’ তদন্ত:rolleyes:
http://www.breakingnews.com.bd/assets/img/logo.png
শাফি উদ্দিন আহমদ
০২ নভেম্বর ২০১৫, ৮:৩৭ অপরাহ্ন
ঢাকা: জাগৃতির প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপনকে হত্যা এবং শুদ্ধস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল ও তার দুই লেখক বন্ধুকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা চেষ্টাকারী দুর্বৃত্তদের এখনো শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। গতকাল সোমবার নিহত দীপনের স্ত্রী ডা. রাজিয়া রহমান জলি বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছেন। তবে এসব ঘটনা অনুসন্ধানে ‘কমন মেথড’ ব্যবহার করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সিসি টিভি’র ফুটেজ আর জঙ্গিবাদ, এই দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে চালানো হচ্ছে তদন্ত কার্যক্রম।

ঘটনা ও ঘটনাস্থল আলাদা হলেও তা একই গোষ্ঠীর কাজ বলে ধারনা পুলিশের। প্রকাশক দীপন হত্যা এবং অপর প্রকাশক টুটুলসহ তিন লেখককে একই কায়দায় হত্যাচেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। দুটি ঘটনাও প্রায় একই সময়ে হয়েছে। এটি নিষিদ্ধ কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীরই কাজ বলে ধারনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। এ জন্য তারা পৃথক দুটি ঘটনাস্থলের আশপাশের বাড়ি ও রাস্তা থেকে সংগৃহীত সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে খুনিদের শনাক্তের চেষ্টা .........
দীপন হত্যা মামলা থানা পুলিশ তদন্ত করলেও ছায়া তদন্ত করছে ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (ডিবি)।

ডিএমপির মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম বলেন, নিহত প্রকাশক দীপন হুমকি পেয়েছিলেন, এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে ছিল না। লালমাটিয়ার হামলার সঙ্গে ওই হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র আছে কি-না তাও জানার চেষ্টা হচ্ছে। মনিরুল আরও বলেন, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) লোকেরাই বলেছে ব্লগার হত্যার সঙ্গে তাদের কর্মীরাই জড়িত। তবে অন্য কোনও জঙ্গি সংগঠন এর সঙ্গে জড়িত কিনা তা বিবেচনায় রেখে তদন্ত চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক অধ্যাপক অজয় রায়ের ছেলে ও গত ফেব্রুয়ারিতে একই কায়দায় নিহত লেখক ব্লগার অভিজিৎ রায়ের বইয়ের প্রকাশক থাকার কারণেই কি টার্গেট হয়ে ছিলেন দীপন, সেটাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

গত ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের তিনতলায় জাগৃতির প্রকাশনীর অফিসে ঢুকে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ফয়সাল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই সময়ে রাজধানীর লালমাটিয়ায় সি ব্লকের ৮/৩ নম্বর বাড়ির চারতলায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আহমেদুর রশীদ টুটুল ও তার বন্ধু কবি রণদীপম বসু এবং তারেক রহিমকে কুপিয়ে ও গুলি করে ভেতরে ফেলে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। দুটি ঘটনায় পৃথক মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে র*্যাব-পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে।

সোমবার দুটি ঘটনাস্থলই পরিদর্শন করেছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। তারা আশপাশের বাড়িতে লাগানো সিসি টিভির ফুটেজ সংগ্রহ করেন। কথা বলেন প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে। তবে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কোন কথা বলেননি। লালমাটিয়ার ঘটনাস্থলের ওই বাড়ির অন্যান্য বাসিন্দা এবং প্রতিবেশীদের মতে, বাড়িতে কোন দারোয়ান না থাকায় ঘটনাটি বুঝে উঠার আগেই পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, ওই বাড়িটিতে কোচিং সেন্টার থাকায় কখন কে আসে যায় তা নির্ণয় করা যায় না। বাসার গেট সবসময় খোলা থাকে বলেও স্থানীয়রা।

শুদ্ধস্বর প্রকাশকসহ তিনজনই শঙ্কামুক্ত : সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কর্ণধার আহমেদুর রশীদ টুটুল ও তার বন্ধু কবি রণদীপম বসু এবং তারেক রহিমকে অনেকটাই শঙ্কামুক্ত।

বাপ্পাদিত্য বসুকে হত্যার হুমকি :
নম্বরবিহীন এসএমএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির ছাত্র সংগঠন ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সভাপতি ও গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক বাপ্পাদিত্য বসুকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। গত রোববার রাত ৯ টা ৯ মিনিট ২৩ সেকেন্ডে তার মুঠোফোনে একটি নম্বরবিহীন এসএমএস আসে। ইংরেজিতে তাতে লেখা রয়েছে Be prepared... Next target you... । তবে এ ঘটনায় তিনি কোনো জিডি করেননি। বাপ্পাদিত্য বসু বলেন, লালবাগ ও শাহাবাগ থানায় আমার চারটি জিডি করা আছে। তাই নতুন করে আর জিডি করিনি। তবে মৌখিকভাবে পুলিশকে জানিয়ে রেখেছি। এর আগে সময় প্রকাশনীর কর্ণধার ফরিদ আহমেদকেও হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

jajabor
11-04-2015, 08:59 AM
আল্লাহ তায়ালা তাদের চক্রান্তকে ধূলিসাৎ করে দেক । আমিন !

al hasan
01-03-2016, 11:36 AM
আমরা প্রস্তুুত আছি তাগুত এর চেলা ফেলাদের ধংস করার জন্য আল্লাহ তা‘য়ালা আমাদেরকে আরও বেশি বেশি করে তৌফিক দান করুন । আমিন।