PDA

View Full Version : প্রথম আলোর রিপোর্টঃ "নতুন বিন লাদেনের হুমকি?" (পড়া উচিৎ)



Green bird
09-11-2018, 11:06 AM
ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ডামাডোলে এত দিন আল-কায়েদার নাম তেমন একটা আলোচনায় আসেনি। তাই বলে আল-কায়েদা শেষ হয়ে যায়নি; বরং আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনটির পুনরুত্থান হয়েছে। তাদের বিস্তার, শক্তি-সামর্থ্য অনেক বেড়েছে। আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেনের ছেলে হামজা বিন লাদেন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি তাঁর বাবার হত্যার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া। এ জন্য হামজাকে নতুন হুমকি মনে করা হচ্ছে। সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ এবং জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হচ্ছে।

জাতিসংঘের একটি প্যানেল আল-কায়েদার হুমকির বিষয়ে সতর্ক করেছে। প্যানেল বলেছে, ইরাক ও সিরিয়ার শক্ত ঘাঁটি থেকে আইএস বিতাড়িত হওয়ার পর অঞ্চলটিতে পরবর্তী বড় সন্ত্রাসী হুমকি আল-কায়েদার কাছ থেকেই আসতে পারে।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদনটি নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া হয়েছে। গত মাসেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে আল-কায়েদাকে নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের কথা আছে।

আল-কায়েদার পুনরুত্থান
২০১১ সালে আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযানে নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পর অনেকটাই ‘ব্যাকফুটে’ চলে যায় জঙ্গি সংগঠনটি। পরবর্তী সময়ে সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রে চলে আসে আইএসের নাম। নৃশংসতা চালিয়ে তারা সব আন্তর্জাতিক মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হয়। অনেকটা আড়ালে চলে যায় আল-কায়েদার নাম। কিন্তু জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুসারে, আল-কায়েদা এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আল-কায়েদাকে এখনো একটি বৈশ্বিক জঙ্গি নেটওয়ার্ক হিসেবে দেখা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সোমালিয়া, ইয়েমেন, দক্ষিণ এশিয়ার মতো জায়গায় আইএসের চেয়ে আল-কায়েদা বেশি শক্তিশালী।

আল-কায়েদার ‘সরব উপস্থিতি’ বিশ্ববাসীকে জানান দিতে চলতি বছর একাধিক বক্তব্য প্রকাশ করেছেন সংগঠনটির নেতা জাওয়াহিরি। বিশ্বজুড়ে আল-কায়েদার তৎপরতা, সাংগঠনিক সক্ষমতা, সদস্যসংখ্যাসহ সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞ ব্রুস হফম্যান মনে করেন, সংগঠনটির পুনরুত্থান হয়েছে।

গত ৬ মার্চ নিউইয়র্কভিত্তিক থিংক ট্যাংক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের ওয়েবসাইটে ‘আল-কায়েদার পুনরুত্থান’ শীর্ষক একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। নিবন্ধে ব্রুস হফম্যান উল্লেখ করেন, চার বছর ধরে আইএস যখন খবরের শিরোনাম, তাদের নিয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা চিন্তিত, তখন আল-কায়েদা নীরবে নিজেদের পুনর্গঠিত করেছে। মূল ঘাঁটি থেকে আইএস বিতাড়িত হওয়ার পর সেই শূন্যস্থান নিচ্ছে আল-কায়েদা। বিশেষ করে প্রভাব-প্রতিপত্তি, মানুষের কাছে পৌঁছানো, জনবল ও ঐক্যের দিক দিয়ে আল-কায়েদার সঙ্গে এখন আর পেরে উঠবে না আইএস।

আল-কায়েদার ব্যাপারে একই মত ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের ইনটেলিজেন্স প্ল্যানিং ডিরেক্টর জেনিফার কাফারেলার। তাঁর ভাষ্য, ১৯৮৮ সালের ১১ আগস্ট আল-কায়েদা প্রতিষ্ঠিত হয়। ইরাক-সিরিয়ায় আইএসের পরাজয়ের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠার ৩০ বছরের মাথায় আল-কায়েদা পুনরুত্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তারা সম্ভবত বৈশ্বিক জঙ্গিবাদী তৎপরতার নেতৃত্ব নিচ্ছে।

কোথায় কত সদস্য
আল-কায়েদা ও তার অধিভুক্ত সংগঠনের অনুগত সদস্যসংখ্যা হাজারো বলে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তে দাবি করা হয়।
সিডনিভিত্তিক থিংক ট্যাংক লোই ইনস্টিটিউটের প্রকাশনা ইন্টারপ্রিটার ওয়েবসাইটে গত ১৩ মার্চ সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞ ব্রুস হফম্যানের আরেকটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। নিবন্ধে বলা হয়, ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার প্রায় সাত বছর পর আল-কায়েদা সংখ্যাগত দিক দিয়ে আগের চেয়ে বড় সংগঠনে পরিণত হয়েছে। অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি দেশে আল-কায়েদার উপস্থিতি রয়েছে। স্থানীয় ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার সক্ষমতা তাদের আছে। তারা মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ ও রাশিয়ায় শত্রুর বিরুদ্ধে হামলাও চালাচ্ছে।

ব্রুসের নিবন্ধের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আল-কায়েদার প্রায় ৪০ হাজার সশস্ত্র যোদ্ধা আছে। ১০ থেকে ২০ হাজার যোদ্ধা সিরিয়ায়। সাত থেকে নয় হাজার সোমালিয়ায়। পাঁচ হাজার লিবিয়ায়। চার হাজার ইয়েমেনে। মেগরেব ও সাহেল অঞ্চলে চার হাজার। ইন্দোনেশিয়ায় তিন হাজার। প্রায় এক হাজার যোদ্ধা আছে দক্ষিণ এশিয়ায়।

পুনরুত্থানের নেপথ্য
সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে আল-কায়েদার বর্তমান নেতৃত্ব কৌশলগত ধৈর্য দেখিয়ে চলছে বলে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। আল-কায়েদার আঞ্চলিক অধিভুক্ত সংগঠনগুলোও বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন করছে। তারা স্থানীয় ইস্যুতে নিজেদের যুক্ত করে গুরুত্বপূর্ণ ‘খেলোয়াড়’ হয়ে উঠছে।

আল-কায়েদা দীর্ঘমেয়াদি খেলায় মনোনিবেশ করেছে বলে মনে করেন ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের জেনিফার কাফারেলা। তাঁর ভাষ্য, আল-কায়েদার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য আছে। এই লক্ষ্য অর্জনে এখন তারা ধীর ও সতর্কতার নীতি অনুসরণ করছে।

সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞ ব্রুস হফম্যান আল-কায়েদার পুনরুত্থানের নেপথ্যে কারণ উদ্*ঘাটন করতে গিয়ে বলেছেন, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা জঙ্গি সংগঠনটিকে নিশ্বাস নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বিশেষ করে বসন্তের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী আল-কায়েদা।

তা ছাড়া আল-কায়েদার পুনর্গঠন নির্বিঘ্নে করতে সংগঠনের বর্তমান নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরির কিছু কৌশলগত সিদ্ধান্তও বেশ কাজ দিয়েছে। তিনি সংগঠনে বিকেন্দ্রীকরণ ও ক্ষমতায়নে গুরুত্ব দিয়েছেন। সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সুরক্ষায় কৌশলী হয়েছেন। বিশেষ করে বেসামরিক মুসলমান ব্যাপকভাবে হতাহত হয়—এমন ধরনের হামলা এড়াতে কড়া নির্দেশ দেন। তারা সামাজিক মাধ্যমে উপস্থিতি বাড়ান। আল-কায়েদা পরিকল্পিতভাবেই আইএসকে মনোযোগের কেন্দ্রে যেতে দিয়েছে। এই সুযোগে তারা সংগঠনের পুনর্গঠনে মন দিয়েছে।

নতুন হুমকি হামজা
আল-কায়েদাকে নিয়ে উদ্বেগের অন্যতম কারণ ওসামা বিন লাদেনের ছেলে হামজা বিন লাদেন। তাঁকে নিয়ে ভয়ের কথা জাতিসংঘের প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, আল-কায়েদার নেতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পথে রয়েছেন হামজা।

হামজার বয়স ২৯ বছর। তাঁর মা খাইরিয়া সাবার। ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে খাইরিয়া ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর হামজা প্রকাশ্যে ওয়াশিংটন, লন্ডন, প্যারিস, তেল আবিবে হামলা চালাতে আল-কায়েদার অনুসারীদের আহ্বান জানান।

ওসামা বিন লাদেনের দুই সৎভাই আহমাদ আল আত্তাস ও হাসান আল আত্তাসের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে গত মাসে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে গার্ডিয়ান। এই সাক্ষাৎকারে হামজা সম্পর্কে ভয়ংকর তথ্য উঠে আসে।

নাইন-ইলেভেনের হামলার শীর্ষ বিমান ছিনতাইকারী মিসরীয় নাগরিক মোহাম্মদ আত্তার মেয়েকে হামজা বিয়ে করেছেন বলে জানান আহমাদ ও হাসান। তাঁদের ধারণা, হামজা আল-কায়েদার শীর্ষ পদ পেয়েছেন। আর তিনি তাঁর বাবার হত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রতিজ্ঞা করেছেন।

আল-কায়েদার বর্তমান নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি। গার্ডিয়ান বলছে, জাওয়াহিরির একজন ডেপুটি হিসেবে হামজাকে দেখা হয়। হামজা এখন কোথায় আছেন, সে সম্পর্কে নিশ্চিত নন ওসামা বিন লাদেনের দুই সৎভাই। তবে হামজা আফগানিস্তানে থাকতে পারেন বলে তাঁদের ধারণা।

হামজার ব্যাপারে পশ্চিমা গোয়েন্দারা অবগত। তাঁরা দুই বছর ধরে হামজাকে খুঁজছেন। হামজাকে নিয়ে পশ্চিমা গোয়েন্দাদের ভয়ের অন্যতম কারণ হলো তিনি অন্যদের চেয়ে অনুসারীদের অধিক উদ্দীপ্ত করতে পারেন।

পশ্চিমা গোয়েন্দাদের বরাতে গার্ডিয়ান বলছে, আত্তার মেয়েকে হামজার বিয়ের বিষয়টিতে আল-কায়েদার বর্তমান চক্র সম্পর্কে একটা ধারণা দেয়। আর তা হলো নাইন-ইলেভেনের হামলার চক্রটি এখনো আল-কায়েদার কেন্দ্রেই রয়ে গেছে। ওসামা বিন লাদেনের উত্তরাধিকারকে ঘিরে আল-কায়েদা সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

হামজা যে বড় ধরনের হুমকি, তা যুক্তরাষ্ট্রও এক অর্থে স্বীকার করে নিয়েছে। গত বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র হামজাকে বিশেষ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

লিংকঃ https://www.prothomalo.com/international/article/1557041/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A 7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A6%BF

উলামায়ে দেওবন্দ
09-11-2018, 11:38 AM
যাজাকাল্লাহ

হিন্দের মুহাজির
09-11-2018, 04:55 PM
হিন্দের মুহাজির ভাই!
সামনের থেকে বড় কোন পোস্টকে কোড করে এভাবে রিপ্লাই দিবেন না, যেভাবে করেছিলেন, Reply With Quote ক্লিক করে রিপ্লাই দিলে স্বাধারণত এমন হয়, সামনের থেকে কোন ভাইকে এমন না করার অনুরোধ করা যাচ্ছে, কেহ করলে এডমিন ভাইগণ আপনার কমেন্টসহ ডিলেট করে দিতে পারেন।

হিন্দের মুহাজির
09-11-2018, 04:57 PM
যাজাকাল্লাহ
আমার
সম্মানিত উলামায়ে দেওবন্দ ভাই। শুধুমাত্র জাযাকাল্লাহ খাইরান বলতে নিষেধ করেছেন মডারেটর ভায়েরা।

মূসা হাফিজ
09-11-2018, 05:32 PM
হে আল্লাহ! তুমি কাফেরদের অন্তরে ভয় ঢুকিয়ে দাও।

Sadhin
09-12-2018, 01:11 AM
ইয়া অাল্লাহ অাপনি মুজাহিদের অারো শক্তিশালী করুন ৷ তামাম দুনিয়ার জুলুমের মূল উৎপাটনে মুজাহিদ ভাইদেরকে সাহায্য করুন ৷ অামাকে মুজাহিদ ভাইদের একজন হওয়ার তৌফিক দান করুন ৷

কালো পতাকা
09-12-2018, 06:13 AM
একজন ভাই একটি স্বপ্ন দিখেছিল স্বপ্নটি দেখেছেন এক আরব মুজাহিদ। তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ঠিক সেই অবয়বে দেখেছি যা হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমাদের উপর কাফেরদের জুলুম নির্যাতনের কথা বললাম। শুনে তিনি বললেন, এটা নিয়ে তুমি দুঃচিন্তা করো না। কারণ, তুমি হকের উপর আছো। ওরা শীঘ্রই ধ্বংস হয়ে যাবে।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে তখন সাদা দুটি পাথর ছিল। তার একটি এই মাত্র কাফেরদের উপর নিক্ষেপ করেছেন। আরেকটি তাঁর হাতেই আছে।
আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, ওদের উপর আমি প্রথম হামলাটি করেছি। এতেও তারা যদি সঠিক পথে না আসে তাহলে শীঘ্রই দ্বিতীয় হামলাটিও করবো। তখন তারা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যাবে।
ভিতরেরই এক মুজাহিদ ভাই স্বপ্নটির ব্যাখ্যায় বলেছেন, 9/11 এর হামলার মাধ্যমে কুফরের সরদার আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থা অর্ধেক ভেঙে পড়েছে। বাকিটুকু ইনশাআল্লাহ ইমাম মাহদি এবং হযরত ঈসা আ.র সময় হবে।

---------------------------
ইমাম মাহদীর বাহিনী আসছে তাদের মোকাবেল করার ক্ষমতা কারো নেই কারণ এটা যে আল্লাহর বাহিনী

কালো পতাকা
09-12-2018, 06:15 AM
আমার
সম্মানিত উলামায়ে দেওবন্দ ভাই। শুধুমাত্র জাযাকাল্লাহ খাইরান বলতে নিষেধ করেছেন মডারেটর ভায়েরা।

জি ভাই পোস্ট কমেন্ট দুটোই অনেক ভাইয়েরা দেখেন এ জন্য মডারেট ভাইদের এই সিদ্ধান্ত আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ন মনে করি

salahuddin aiubi
09-12-2018, 07:05 AM
জাযাকাল্লাহ ভাই! পোষ্ট বেশ উপকারী। পড়ে উদ্বীপ্ত হলাম। আল্লাহ বিশ্বের *মুজাহিদগণের হেফাজত করুন! ইসলামের বিজয় দান করুন!

Bara ibn Malik
09-12-2018, 08:21 AM
এক সময় জিহাদ শুধু আফগানেই সীমাবদ্ধ ছিলো এখন পুরো দুনিয়াতে ছড়িয়ে পড়েছে!

diner pothik
09-12-2018, 09:54 PM
হে আল্লাহ! তুমি কাফেরদের অন্তরে ভয় ঢুকিয়ে দাও।

mumtahina07
09-12-2018, 10:32 PM
হক বিজয়ী হবেই। সময় অতি নিকটে। মুমিনরা এমনই হুয়। সবরের মাধ্যমে এগিয়ে যায়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমীন।

murabit
09-15-2018, 11:32 AM
আল-কায়েদা পরিকল্পিতভাবেই আইএসকে মনোযোগের কেন্দ্রে যেতে দিয়েছে। এই সুযোগে তারা সংগঠনের পুনর্গঠনে মন দিয়েছে। ডোব দিয়ে সাতার কেটে শত্রু জাহাজের নিকটবর্তি হয়ে আঘাত করা আর ভাসমান ডিঙ্গি নিয়ে শত্রু জাহাজের মুকাবালা করা ।
আল কায়েদা মূল আইস বার্গ আর আই এস তার থেকে বিচ্যুত একটি ভাসমান খন্ড , সাধারন মানূষ ভাসমান খন্ডটিই দেখেছে বিশেষজ্ঞ দের দৃষ্টিতে মুলশিলাটিই রয়েছে।

বরফশিলা তার ব্যপকতার দ্বারা চতুর্পার্শ্বের পানিকে ঠান্ডা বরফ বানিয়ে ফেলে আর খন্ডিত অংশ চতুর্পার্শ্বের পানির দ্বারা ধীরে ধীরে বিগলিত হয়ে যায়।

আফগানিস্থান থেকে আল-কায়েদা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তর কে তার মতাদর্শে নিয়ে এসেছে আলহামদু লিল্লাহ , আর আই এস আপন স্থানে বিগলিত হয়ে আফগানিস্থানে তাদের প্রায় ৪০ জনেরএকটি দল তালেবানের সামনে টিকতে না পেরে সরকারি সন্ত্রাসি বাহিনীর কাছে অস্ত্র সমর্পনের মাধ্যমে আত্নসমর্পন করে।

যেমন হাদিছে(যায়িফ) এসেছে المُنْبَتُّ মুম্বিত্ত(অতিদ্রুতির কারনে আপন সাথিদের পিছনে ফেলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া ব্যক্তি)গন্তব্যে ও পৌছাতে পারেনা আর তার বাহন জন্তুকে ও বাচাতে পারেনা ।
ان المنبت لا أرضا قطع ولاظهر أبقى
প্রতিটি বস্তুর মধ্যে একটি প্রবল উত্তেজনা রয়েছে আবার প্রতিটি উত্তেজনার জন্যই দুর্বলতাও রয়েছে , যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সরল সঠিক পথ ধরে আর সমন্বয় করে চলে তাহলে তার ব্যপারে আসাবাদি থেকো , আর যদি মানুষ তার দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে ( সবার আলোচনার শিরোনাম হওয়া শুরু করে উস্তাদের উপর গুরু বনে বসে) তাহলে আর তাকে হিসেবে নিয়োনা।
إِنَّ لِكُلِّ شَيْءٍ شِرَّةً ، وَلِكُلِّ شِرَّةٍ فَتْرَةً ، فَإِنْ كَانَ صَاحِبُهَا سَدَّدَ وَقَارَبَ فَارْجُوهُ ، وَإِنْ أُشِيرَ إِلَيْهِ بِالأَصَابِعِ فَلا تَعُدُّوهُ )
رواه الترمذي (2453) وحسَّنه الألباني في "صحيح الترغيب" (57) .

nazir as sams
05-07-2019, 01:15 AM
আল কায়দাই যেন ওদের ভয়ের কারণ।কেননা যে বা যারা আল্লাহকে ভয় করবে,সারা বিশ্ব তাদেরকে ভয় করবে।আর আমরা জানি আলকায়দা একমাত্র আল্লাহ তায়ালাকে ছাড়া আর কোন পরাশক্তিকে ভয় পায়না।।

salahuddin aiubi
05-07-2019, 02:34 PM
হামযা তার বাবার প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে-
না, বরং হামযা আল্লাহর দ্বীন বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। মুমিনদের পক্ষ থেকে কাফেরদের থেকে প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে।

আদনানমারুফ
05-07-2019, 05:56 PM
এক সময় জিহাদ শুধু আফগানেই সীমাবদ্ধ ছিলো এখন পুরো দুনিয়াতে ছড়িয়ে পড়েছে!

এটাই আল্লাহর তায়ালার ওয়াদা, يُرِيدُونَ أَنْ يُطْفِئُوا نُورَ اللَّهِ بِأَفْوَاهِهِمْ وَيَأْبَى اللَّهُ إِلَّا أَنْ يُتِمَّ نُورَهُ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ তারা মুখের ফুৎকারে আল্লাহর আলোকে নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তার নুরকে পূর্ণ করবেন, যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে। সূরা তাওবা, আয়াত, ৩২

musab bin sayf
05-26-2019, 11:11 AM
আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ
আজ চারদিকে জিহাদের দামামা বেজে উঠেছে নির্যাতিত উম্মাহের প্রতিশোধ স্পৃহা জেগে উঠেছে
আর তা হয়েছ তানজীম আল কায়দার মাধ্যমে আসলে আল্লাহ তায়ালা এভবেই চেয়েছেন
তাই তো আল কায়দা বাতিলের এত মাথা ব্যাথার কারন