PDA

View Full Version : কাফেরদেরকে সম্মান ও আচরণের ব্যপারে মুজাদ্দিদে আলফে সানীর ঐতিহাসিক ফতোয়া



Ahlos sogor
09-19-2018, 07:47 PM
কাফেরদেরকে সম্মান ও আচরণের ব্যাপারে মুজাদ্দিদে আলফে সানীর ঐতিহাসিক ফতোয়া

কাফেরদেরকে যে সম্মানিত করবে, মুসলমানদেরকে সে অসম্মানিত করল - মুজাদ্দিদে আলফে সানী রাহি:

মুজাদ্দিদে আলফে সানী তার এক কিতাবে লিখেন :

" আল্লাহ তায়ালা নিজের প্রিয় আলাহিস সালামকে বলেছেন: হে নাবী সাল্লাহু আলাইহিস সাল্লাম! কাফের এবং মুনাফেকদের সাথে জিহাদ কর। যেখানে নিজের প্রেরিত রাসূল; যিনি মহান আখলাকের অধিকারী অবিধায় ভূষিত, কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে এবং এই ক্ষেত্রে কঠোরতা করার আদেশ দিচ্ছেন। তো এর থেকে বুঝা যাচ্ছে, এই ক্ষেত্রে কঠোরতা করা উত্তম আখলাকের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং ইসলামের সম্মান মানেই কুফুর এবং কাফেরদের ধ্বংশ।

আর যে কাফেরদেরকে সম্মান করল সে মুসলিমদেরকে অপদস্থ করল। কাফেরকে সম্মান করার অর্থ এই নয় যে, তাকে শুধু তাকে সম্মান করবে ও উঁচু স্থানে বসাবে। বরং নিজেদের মাজলিসে তাদেরকে জায়গা দেয়া, ভাল আচরণ করা, কথা-বার্তা বলা সবই কুফফারদেরকে সম্মানে অন্তর্ভুক্ত। কুত্তার (কুকুরের) মত তাদেরকে দূরে সরিয়ে দেয়া আবশ্যক। আল্লাহ তায়ালা কাফেরদেরকে নিজের ও নবীর দুশমান বলেছেন। সুতরাং রাসূলের দুশমানদের সাথে মিলিত হওয়া এবং মহাব্বত করা জঘন্য অপরাধ। আল্লাহর দুশমনদের সাথে বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক প্রত্যেককেই আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূলের সাথে দুশমনি পর্যন্ত পৌছিয়ে দেয়।

হিন্দুস্তানে কুফফারদের উপর থেকে জিজিয়া উঠিয়ে নেয়ার কারণ এটা যে, তারা (মুসলমান) বাদশাহদের সাথে সম্পর্ক করে নিয়েছে। তাদের থেকে জিজিয়া নেয়ার উদ্যেশ্য এটাই যে, তাদের জিল্লতি ও অপদস্থতা। এই অপমান এই পরিমান হবে যে তারা জিজিয়ার মূল্য থেকে ভাল কাপড় না পরতে পারে এবং সম্মান-মর্যাদার সাথে চলাচল না করতে পারে। আল্লাহ তায়ালা জিজিয়াকে কুফফারদের অপদস্থতার জন্য দিয়েছেন। এর দ্বারা উদ্দেশ্য তাদের অধঃপতন এবং মুসলমানদের উন্নতি ও বিজয়। আর কুফফারদের সাথে ঘৃনা ও বিদ্বেষ পোষণ করা ইসলামী রাস্ট্র প্রতিষ্ঠা হবার আলামত।

(মাকতুবাতে ইমাম রাব্বানী - খন্ড ১, পৃষ্ঠা ২৭৬-২৭৭)



সংগৃহীত

Taalibul ilm
09-20-2018, 07:35 PM
সুবহানাল্লাহ, খুবই গুরুত্বপূর্ণ...

ভাই কয়েকটি বানান ঠিক করে দিচ্ছি ইনশাআল্লাহ...

Harridil Mu'mineen
09-20-2018, 09:44 PM
জাযাকাল্লাহ খুবই উত্তম পোষ্ট।
সিনিয়র ভাইযেরা চলমান সময়ে ক্বওমীদের স্বীকৃতি নিয়ে একটি তথ্যবহুল, শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে ফায়সালা সম্বলিত পোষ্ট চাই।
যেহেতু ক্বওমীরা ত্বগুতদের সাধুবাদ জানাতে গিয়ে তাদের অতীত করুণ ইতিহাস বেমালুম ভুলে গেছে। ইন্নালিল্লাহ!!
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে অনেক আলেমরা এই ফতোয়াও দিয়ে দিলে যে, শাপলার শহীদদের বদলা নাকি এই সনদের মাধ্যমে হয়ে গেছে। লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ।
ফোরামের বড় ভাইয়েরা বিষয়টি দেখার অনুরোধ রইলো

soldier of Islam
09-21-2018, 03:16 PM
জাযাকাল্লাহ আখি, সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন। আমার ছাত্র ভাই আছেন তার সামনে ফরিদ উদ্দিন মাসুউদেএ বদনাম করলে খুব রাগ করে, বলে এই বেটা নাকি ভালো আলি,, আমি তাকে বলি শয়ত্বান ও অনেক বড় আলিম ছিল। এর পর আমি জেদ করি যে, এই ছাত্র ভাইকে বারবার জালাতন করব, সুযোগ পেলেই ফরিদ উদ্দিন মাসুদের বদনাম করতাম। একটা সময় দেখা গেলো আমাদের সমাজের সবাইই তার বদনাম করছে। ফলে ওই ছাত্র ভাইয়ের রাগ কিছুটা কমে গেছে। এই হলো অন্ধ বক্তের নমোনা। এরা অন্ধের মত অনুসরণ করে যাচ্ছে। আর মাদ্রাসা নামক গোহার ভেতর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা ছেড়ে দিয়েছে। বাইরের দুনিয়ায় কি হচ্ছে কিছু লোকের মোঠেও জ্ঞান নাই।

nuruddin janky
09-22-2018, 06:16 AM
mashallah vai, onek importent jinish jante parlam .

murabit
09-22-2018, 12:07 PM
কাফেরদেরকে যে সম্মানিত করবে, মুসলমানদেরকে সে অসম্মানিত করল - মুজাদ্দিদে আলফে সানী রাহি:

নিজেদের মাজলিসে তাদেরকে জায়গা দেয়া, ভাল আচরণ করা, কথা-বার্তা বলা সবই কুফফারদেরকে সম্মানে অন্তর্ভুক্ত।


হিন্দুস্তানে কুফফারদের উপর থেকে জিজিয়া উঠিয়ে নেয়ার কারণ এটা যে, তারা (মুসলমান) বাদশাহদের সাথে সম্পর্ক করে নিয়েছে।
ইনা লিল্লাহ ! এখন কাওমিরা ও তাগুতদের কিছু সুবিধা পেয়ে আবার ইতিহাসের পুনরাবর্তন করে দ্বীনের বিধানে কাটছাট শুরু না করে দেয়। আল্লাহ হিফাযত করেন।