PDA

View Full Version : ২০০৯-২০১৮: আ.লীগ সরকারের দশ বছরে খুন ৩৭ হাজার ৮৯৪টি



Saad ibn Muaz
10-12-2018, 11:10 PM
আওয়ামীলীগ সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই সারাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটতে থাকে। প্রশাসনে অতি দলীয়করণের কার্যক্রম চলতে থাকায় দেশব্যাপী মাঠ প্রশাসনে স্থবিরতা দেখা দেয়। গত দশ বছরে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই, দখলদারিত্ব ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধ বেড়েছে। সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থানায় থানায় পুলিশও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনা।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যানুসারে দেখা যায় ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সালের জুলাই পর্যন্ত খুন হয়েছে ৩৭৮৯৪ টি। এই বিশাল সংখ্যাই আমাদের ধারণা পেতে সহায়তা করে কী পরিমাণ আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে দেশে। এর মধ্যে ২০০৯ সালে ২৯৫৮ টি, ২০১০ সালে ৪০১৭টি, ২০১১ সালে ৩৯৮৮টি, ২০১২ সালে ৩৯৮৮টি, ২০১৩ সালে ৪৫৮৮টি, ২০১৪ সালে ৪৫২৩টি, ২০১৫ সালে ৪০৩৫টি, ২০১৬ সালে ৩৫৯১টি, ২০১৭ সালে ৩৫৪৯টি এবং ২০১৮ সালের জুলাই পর্যন্ত ২৬৫৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে।
প্রায় ৭০% মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। যেসব ঘটনায় খুনীরা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী সেসব ঘটনায় খুনীদের গ্রেপ্তারই করা হচ্ছে না। অন্যান্য ঘটনায় খুনীদের গ্রেপ্তার করা হলেও পুলিশের দূর্বল তদন্ত রিপোর্টের জন্য বেশিরভাগ খুনীরাই জামিন পেয়ে বের হয়ে যাচ্ছে এবং ভিকটিম পরিবারকে নানানভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে।
এসব খুনের মধ্যে সিংহভাগ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। খুনের একটা বড় অংশ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতেও ঘটেছে। গত দশ বছরে ২০৬৩ জন মানুষ খুন হয়েছে র*্যাব-পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে।
আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনগুলোর নিজেদের মধ্যেকার দলীয় কোন্দলে খুন হচ্ছে প্রচুর মানুষ। শুধু এই বছর ছাত্রলীগ খুন করেছে ২৭ টি। এর মধ্যে সবগুলো খুনই দলীয় কোন্দলের কারণে সংগঠিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্কুল ছাত্রও। গত বছরের শেষদিকে ছাত্রলীগ প্রতিটি স্কুলে তাদের তাদের স্কুল কমিটি দেয়ার ঘোষণা দেয়। এরপর তাদের নোংরা রাজনীতি শুরু হয় স্কুল পর্যায়ে। ১৮ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের নোংরা রাজনীতির বলি হয় কলেজিয়েট স্কুলের ১০ শ্রেণীর ছাত্র আদনান ইসফার। স্কুলে ছাত্রলীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে তাকে হত্যা করে চন্দনপুরা এলাকার ছাত্রলীগ নেতা সাব্বিরের অনুসারী মাঈন ও তার সহযোগীরা।
স্থানীয় যুবলীগ, আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নামধারী ক্যাডাররাও এলাকাভিত্তিক চাঁদাবাজি এবং দখলবাজি করছে। এসব ক্যাডার এলাকার ধর্নাঢ্য ব্যবসায়ীদের অথবা অবস্থাসম্পন্ন ব্যক্তিদের টার্গেট করে। তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। অনেকে প্রাণ ভয়ে গোপনে চাঁদা দেন। ক্যাডার বাহিনীর ভয়ে তারা থানা পুলিশকে এসব বিষয়ে অবহিত করেননি বা করেও কোন ফল হয়নি। উল্টো অভিযোগকারীকেই বিপদে পড়তে হয় এবং তাকে প্রকাশ্যেই খুন করা হয়।
কেউ বাড়ি নির্মাণের কাজ ধরলেই কয়েকদিনের মধ্যেই সেখানে চাঁদাবাজরা উপস্থিত হয়। প্রথমে তারা খোঁজ করে বাড়ির মালিককে। তাকে না পেলে খোঁজা হয় ঠিকাদারকে। তাকেও না পেলে খোঁজ করা হয় দারোয়ানকে। দারোয়ানের কাছে একটি চিরকুট ও মোবাইল ফোন নম্বর ধরিয়ে দিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করা হয়, তাদের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে চাঁদা নিয়ে হাজির হতে বলা হয়। কখনো বলা হয়, মালিককে চাঁদার টাকা নিয়ে প্রস্তুত থাকতে। সময় মতো এসে চাঁদার টাকা নিয়ে যাবে তাদের লোক। এতে কোনো রকম ব্যত্যয় ঘটলেও শুরু হয় এ্যাকশন। দারোয়ান অথবা নির্মাণ শ্রমিককে পায়ে গুলী করে ভয় দেখানো হয়। চাঁদা না দিলে এর পরিণতি কি হতে পারে বাড়ির মালিক ও ঠিকাদারের পরিণতি কি হতে পারে তা বুঝিয়ে দেয় তারা গুলী চালিয়ে। চাঁদা না দেয়ায় ৯ মে ২০০৯ গোপীবাগের ব্যবসায়ী আব্দুস সোবহানকে গুলী করে হত্যার চেষ্টা চালায় সন্ত্রাসীরা। গুলী লক্ষ্যভ্রস্ট হওয়ায় বেঁচে যান তিনি।
আওয়ামীলীগ সরকার গঠনের মাস খানেকের মধ্যে শুরু হয়েছে বেশ কয়েকটি হত্যাযজ্ঞ। ২০০৯-এর জানুয়ারি মাসে পুরনো ঢাকায় ডিশ ব্যবসায়ী আজগরকে হত্যা করে লাশ ১৫ টুকরো করে সন্ত্রাসীরা। ১১ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুরের চরকমলাপুরে চর দখল করা নিয়ে সংঘর্ষে আইয়ুব প্রামাণিক, আমিন প্রমাণিক, শিরজান প্রামাণিক ও মোসলেহ উদ্দিন নিহত হন। ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়িতে মা ও তার দুই মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। একই দিন রাতে ফকিরাপুল বাজারের সামনে ৩২নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমনকে আটকে গুলী করে সন্ত্রাসীরা। এভাবে খুনের মহোতসবের মধ্যে দিয়েই চলেছে দশটি বছর।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রখ্যাত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি তাদের পেশাগত দৃঢ় কর্মকাণ্ডের কারণে ঢাকায় নিজ বাসভবনে খুন হতে হয়। আজ পর্যন্ত এর কোন সুরাহা হয় নি। ততকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খুনীদের গ্রেপ্তার করার ঘোষণা দিলেও আজ পর্যন্ত খুনীদের শনাক্তই করেনি পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিষয়ে মন্তব্য করেন আমরা কারো বেড্রুম পাহারা দিতে পারবো না।
২০১২ সালের ৯ই ডিসেম্বর ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাতে দিনে দুপুরে খুন হন বিশ্বজিত দাস। বিশ্বজিত ছিলেন একজন দর্জি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা তাকে বিএনপি কর্মী মনে করে চাপাতি ও দা দিয়ে কুপিয়ে দিনে দুপুরে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে তাকে হত্যা করা হয়। এমন ঘটনা গত দশ বছরে প্রচুর ঘটেছে। কিন্তু বিশ্বজিত একজন হিন্দু হওয়াতে এবং অরাজনৈতিক ব্যাক্তি হওয়াতে এই খুনটি খুব আলোচিত হয়।
আলোচিত হত্যাকান্ডের মধ্যে রয়েছে নারায়ণগঞ্জে ৭ খুন। এ হত্যাকান্ডের পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে র*্যাব-১১ জড়িত ছিল। এর মধ্যে র*্যাব-১১ এর শীর্ষ তিন কর্মকর্তার নামও উঠে আসে। পরে তারা আদালতে বিষয়টি স্বীকারও করেছেন। র*্যাব সদর দফতরের তদন্তেও বিষয়টি উঠে আসে। ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বস্তাবন্দি ৭টি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর মধ্যে জেলা আইনজীবী সমিতির চন্দন সরকার ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামও রয়েছেন। এ ঘটনার মূল হোতা বলে পরে প্রকাশ পায় নূর হোসেনের নাম। তিনি আওয়ামী লীগ নেতা ও নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠজন।
আরেকটি আলোচিত হত্যাকান্ড হলো ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক হত্যা। ২০১৪ সালের ২০ মে একরামুলকে কুপিয়ে এবং পুড়িয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় পুরো দেশেই আলোড়ন সৃষ্টি হয়। অভিযোগের তীর উঠে স্থানীয় সংসদ সদস্য নিজাম হাজারীর বিরুদ্ধে।
এছাড়া হলি আর্টিজানে জঙ্গীদের হত্যাকাণ্ড, কুমিল্লার তনু হত্যা, কয়েকজন বিদেশী নাগরিক হত্যা, বাঁশখালীতে নির্বিচারে গুলি করে ৫ গ্রামবাসীকে হত্যা, প্রকাশ্য দিবালোকে চট্টগ্রামে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খুন, পুরান ঢাকায় মসজিদে বেলাল হোসেন নামের একজন মুয়াজ্জিনকে হত্যা এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র নাজিম উদ্দিন হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি ছিল খুব আলোচিত।
গত ১০ বছরে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল শোচনীয় পর্যায়ে। একের পর এক হত্যাকান্ড ঘটেছেই। মারামারি, হানাহানি, দখলবাজি, পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিশোধ নেয়া, প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলাসহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চলেছে দেশজুড়ে। বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিকান্ড, দখলবাজি ও প্রতিহিংসাবশত প্রকাশে খুনের ঘটনা শুরু হয় শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই। যেন একযোগে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মহোতসব শুরু হয় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত। প্রকাশ্যে বেরিয়ে পড়ে লাফিয়ে থাকা খুনি ও দাগী সন্ত্রাসীরা। বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসীরাও দেশে এসে আশ্রয় নেয় রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায়। খুনের তালিকায় রয়েছে রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অবুঝ শিশুসহ সাধারণ নাগরিক।


উল্লেখ্য এটি শুধু পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যানুসারে তৈরি হত্যার এক্টি রূপরেখা এছাড়াও আরো অসংখ্য মানুষ যাদেরকে গুম করা হয়েছে তাঁদের হিসাব এখানে নেই। এর মধ্যে ৬ মে শাপলা চত্বরেও খুন করা হয়েছে কমপক্ষে ৩ হাজার মানুষ । তাছাড়া জামায়াত শিবির কিনবা, জঙ্গি ট্যাগ দিয়েও খুন করা হয়েছে অসংখ্য মানুষকে। একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই জানেন এই ঘোর আমানিশার রাত্রিতুল্য সময় কিভাবে শেষ হবে!

আবু আহনাফ
10-13-2018, 06:46 AM
আর চাপাতি দিয়ে আমরা চারটারে মারলেই মিডিয়া পাড়া গরম হয়ে যায়৷
এখন কোনো সমস্যা নেই৷

খুররাম আশিক
10-13-2018, 06:48 AM
ত্বাগুতের এই দলটি মারাত্বক জগন্ন। এরা মানুষ মারতে কোনোরুপ চিন্তা করে না। কুত্তালিগের কুত্তারা অপরাধ করে করে ছাড় পেয়ে যাচ্ছে। অপরাধের শাস্তি না হওয়াই হচ্ছে বড় অপরাধ।

মো আলি
10-13-2018, 07:03 AM
ভাই যত দিন এই তাগুত সরকারের পতন ঘটবে না ততদিন এরকম হতেই থাকবে ।ভাইয়েরা এ জন্য আমাদের কিছু একটা করা দরকার।

খুররাম আশিক
10-13-2018, 07:12 AM
আমি, ভাইদের অনুরোধ করবো, এসব কিছু যেনো সেইভ করে রাখা হয়, প্রতিটি খুনের বিচার হবে ইনশাআল্লাহ।

gazwah
10-13-2018, 07:55 AM
ধন্যবাদ ভাইকে এমন আরো পোষ্ট সংরক্ষনে রাখবেন ইনশা আল্লাহ

molla
10-13-2018, 12:38 PM
সহমত পোষন করা ছাড়া ত আর উপায় নাই। ইখতেলাফ নাই।

খুররাম আশিক
10-14-2018, 09:43 AM
কুত্তালিগের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে, তার একটিমাত্র কারণঃ কুত্তালিগ করলে সাত খুন মাফ। নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মাফ।

ফানা ফিল্লাহ
10-14-2018, 03:01 PM
জাযাকাল্লাহ ভাই
এমন একটা পোষ্ট দেওয়ার জন্য।তবে তাদের কাজকে তাদের হালেই ছেড়ে দেওয়া হোক ।কারন আল্লাহ্* তাআলা কোন জাতিকে ততক্ষন পর্যন্ত নিঃশেস করেন না ,যতক্ষন না সে নিজ জুলুমের সীমাতিক্রম করে। আর এটা হলেই তার পতন হবে । এই জন্য আল্লাহ্*র কাছে আমরা এই দুয়া করতে পারি যে, যেন এমন জালিম হটানোর কাজে আমাদের শরিক করেন। এবং দ্বীন প্রতিষ্টা করতে পারি।

ফাতিহুল হিন্দ
10-14-2018, 07:21 PM
জাযাকাল্লাহ ভাই
এমন একটা পোষ্ট দেওয়ার জন্য।তবে তাদের কাজকে তাদের হালেই ছেড়ে দেওয়া হোক ।কারন আল্লাহ্* তাআলা কোন জাতিকে ততক্ষন পর্যন্ত নিঃশেস করেন না ,যতক্ষন না সে নিজ জুলুমের সীমাতিক্রম করে। আর এটা হলেই তার পতন হবে । এই জন্য আল্লাহ্*র কাছে আমরা এই দুয়া করতে পারি যে, যেন এমন জালিম হটানোর কাজে আমাদের শরিক করেন। এবং দ্বীন প্রতিষ্টা করতে পারি।
ভাই! কিভাবে প্রোফাইল পিকচার সেট করেছেন আপনি??? যদি একটু জানাতেন তাহলে চেষ্টা করে দেখতাম।

মূসা হাফিজ
10-14-2018, 08:01 PM
এরাই মনে হয় গাজওয়াতুল হিন্দে বাংলাদেশী মুজাহিদদের বিরোধীদল হবে। 😖😖😖😖😖😖😖😖😖😖😖😖

ফানা ফিল্লাহ
10-14-2018, 08:34 PM
ভাই
একদম উপরে দেখেন"সেটিং " আছে, ওখানে ক্লিক করলে হাতের বামে দেখবেন " মাই প্রোফাইল,এডিট প্রোফাইল, এডিট প্রোফাইল পিকচার" এমন আরো লেখা আসবে। আপনি এডিট প্রোফাইল পিকচারে ক্লিক করেবেন।তখন সামান্য নিচে( ডানে) দেখবেন যে,২ টা অপশন আসবে।১ম টা হল নেট থেকে পিক দিতে হয়।আর ২য় টা হল আপনার ডিভাইস থেকে দিতে হয়।
এর আপনার খুশি মত সব করে সেভ দিয়ে দিলেই হবে ভাই ইনশা আল্লাহ্*