PDA

View Full Version : দারুল হরব সম্পর্কে জানতে চাই



এস্তেকামত
02-01-2019, 07:51 PM
বাংলাদেশ দারুল হরব কিনা ? যদি দারুল হরব হয়ে থাকে তাহলে দারুল হরবের সমস্ত মাসয়ালা এখানে পালন করা যাবে কি না ?
কুরআন হাদিসের দলিল সহ জানালে ভাল হয় ।

protected
02-09-2019, 06:24 AM
সম্মানিত মুফতি সাহেবদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আমাদের এই ইস্তেকামাত ভাইয়ের প্রশ্নের উপযুক্ত জবাব দেয়ার জন্য। যেন আমরাও ঐ সমাধান থেকে উপকৃত হতে পারি।

diner pothik
02-09-2019, 10:13 PM
দারুল হরব সম্পর্কে

সম্মানিত মুফতি সাহেবদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আমাদের এই ইস্তেকামাত ভাইয়ের প্রশ্নের উপযুক্ত জবাব দেয়ার জন্য। যেন আমরাও ঐ সমাধান থেকে উপকৃত হতে পারি।

bokhtiar
02-10-2019, 03:11 PM
(দারুল হারব) বলা হয় মুসলিমরা যেই রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত! বা যেই রাষ্ট্র মুসলিমদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত।

Bara ibn Malik
02-10-2019, 06:34 PM
ইলম ও জিহাদ ভাই এব্যাপারে সাহায্য করতে পারেন।

molla
02-10-2019, 07:43 PM
এই বিষয়ে যথেষ্ট কিতাব এবং প্রবন্ধ আছে। তাও এখানে পেষ্ট করা যেতে পারে।

s_forayeji
02-10-2019, 08:40 PM
ইলম ও জিহাদ ভাইয়ের স্বরণ পন্ন হচ্ছি। আশাকরি ভাই আমাদের ডাকে সারা দিবেন।

প্রিয় ভাই - "শরণাপন্ন হচ্ছি" - এবং এই শব্দ ব্যাবহার করার পরে - "আমাদের ডাকে সাড়া দেয়া" এমন কথা পুরা বাক্য টা অন্য রকম অর্থের দিকে নিয়ে যায়। শরণ অর্থ আশ্রয় চাওয়া। শুধু আশ্রয় নয়, মারাত্মক সময়ের মুখে যে আশ্রয় চাওয়া হয়, যখন সাহায্য করার আর কেউ থাকেনা তখন যে যার কাছে যে আশ্রয় চাওয়া হয় তাকে শরণাপন্ন হওয়া বলে। যেমন শরণার্থী। যখন কেউ তাদের আশ্রয় দেয়া না, তারা শরণার্থী হয়। মারাত্মক অসুখে মানুষ বলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছি যদিও কথাটা ভুল। এবং এর পরে যদি আপনি বলেন - আমাদের ডাকে সাড়া দেন তখন তা আরো বেশি ভুল অর্থের দিকে চলে যায়। কারণ আমরা "শরণ" এর যে অর্থ তা গ্রহন করলে এই শব্দটি অধিকাংশ সময়েই আল্লাহর জন্য প্রযোজ্য হবে। আর এরপরে যদি আসে আমাদের ডাকে সাড়া দেন - তবে তা এই দুই মিলিয়ে শুধু আল্লাহর জন্যই প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

ভাই আমি জানি আপনি ইলম ও জিহাদ ভাইয়ের জন্য মুহাব্বাত এবং সম্মান থেকেই এমন বলেছেন। কিন্তু এমন কথা আসলে ভাইয়ের জন্যও ক্ষতিকর! আপনি ভাইয়ের তাকওয়া (আল্লাহভীরুতা) এর উপরে শয়তান কে আঘাত করার সুযোগ করে দিচ্ছেন! ইনশা আল্লাহ, আল্লাহ ভাইকে হেফাযত করবেন, কিন্তু আমাদের কি আমাদের ভাইদের ব্যাপারে শয়তান কে সুযোগ করে দেয়া উচিত? ইমাম আহমাদ রহঃ এর মৃত্যুর সময়ে শয়তান বলেছিলো - ইমাম আহমদ তুমি আমার হাত ফসকে বেরিয়ে গেলে। ইমাম আহমাদ বলেছিলেন - "এখনো নয়" অর্থাৎ আমি মরে যাবার আগ পর্যন্ত আমি তোর (শয়তানের) ক্ষতি থেকে নিরাপদ নই। এই যদি হয়ে থাকে ইমাম আহমাদ এর উপলব্ধি তাহলে আমাদের হাল কেমন হতে পারে!

আপনি ভাইয়ের ইলম এবং কাজের বারাকাহ এর জন্য অফুরন্ত দুয়া করেন কোন সমস্যা নাই, বরং সেটাই উচিত। কিন্তু এমন কথা ভাই এর জন্য এবং আমাদের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে।

আল্লাহ আমাদের শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে হেফাযত করেন।

Bara ibn Malik
02-10-2019, 09:09 PM
s ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ। মনে হচ্ছে প্রতিটা নিশ্বাসেই ভুল কিছু বের হয়। প্রিয় ভাই,আজ অনেক কিছুই শিখলাম।আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

ইলম ও জিহাদ
02-11-2019, 11:16 PM
বাংলাদেশ দারুল হরব কিনা ? যদি দারুল হরব হয়ে থাকে তাহলে দারুল হরবের সমস্ত মাসয়ালা এখানে পালন করা যাবে কি না ?
কুরআন হাদিসের দলিল সহ জানালে ভাল হয় ।
মুহতারাম ভাই, ফোরামে ভিন্ন থ্রেডে আপনার জওয়াব দেয়া হয়েছে-
https://82.221.139.217/showthread.php?12374-%E0%A6%8F%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE&p=60890#post60890

حب الشهدا۶
02-12-2019, 09:18 AM
"দারুল উলুম দেওবন্দের চুরান্ত লক্ষ্য"
ভারত বর্ষে ইসলামের দুশমন ক্রসেডার ইংরেজদের কুফর ও ইলহাদের ভয়াবহ বিস্তার থেকে মুসলিমদের রক্ষা করতে ১৯৫৭ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের থানাভবন এলাকায় একটি স্বাধীন ইসলামী রাষ্ট্র ঘোষণা করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হয়।
যার নেতৃত্ব ছিল হাজ্বী এমদাদুল্লাহ মুহাজেরে মক্কী (রহ.) ,কাসেম নানুতুবী (রহ.) ও রশিদ আহমাদ গন্গুহী (রহ.) এর হাতে নেস্ত। আর এটি দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে,এই তিনজন মহান ব্যক্তিই ছিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা। শামেলির যুদ্বে যখন মুজাহিদদের সামরিক পরাজয় ঘটল, তখন উপরোক্ত ৩ মহান ব্যক্তিই ইংরেজদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ মেয়াদে লড়াইয়ের প্রস্তুতির লক্ষ্যে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। আর সেই মাদ্রাসাই হলো আজকের দারুল উলুম দেওবন্দ।
সুতরাং বুঝা গেল যে,দেওবন্দের উদ্দেশ্য ছিল বাতিলের সাথে আপোষ নয় বরং তরবারির বিধান নিশ্চিত করা। কিন্তু আজ আমরা দূখের সাথে লক্ষ্য করছি যে,তরবারি তো দূরের কথা বরং যাঁরা তরবারি হাতে নিল তাঁদের বিরুদ্ধে ক্ষেপে গেলেন আজকের উলামায়ে কেরাম।যার বাস্তব নমুনা তো সকলের কাছেই স্পষ্ট। কিছু দিন আগে বাংলাদেশ বেফাক বোর্ড কর্তৃক সারা দেশের আলেমরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে জঙ্গী বিরোধী মানববন্ধন করলেন।প্রশ্ন করা হলে তারা বলেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইসলাম সাপোর্ট করে না। অথচ আমরা ছোট বেলা থেকেই দেখে আসছি মুরগি মিলন, পিচ্চি হান্নান, রাইফেল তারু, এরশাদ শিকদারের মত বড় বড় সন্ত্রাস কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো আলেম কোন দিন মানববন্ধন করলেন না। যখন*ই রাজিব হায়দার ও ওয়াশিকুর বাবুর মত নাস্তিকদের বিরুদ্ধে উম্মাহর সিংহরা জেগে উঠেছে তখনই উনারা মানববন্ধনে নেমে পড়লেন। তাহলে এ থেকে আমরা কি বুঝতে পারি। আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক বুঝ দান করুন ।আমীন। এবং তাগুতের সংশ্রব থেকে হিফাযত করুন। আমীন।

Bara ibn Malik
02-12-2019, 10:02 AM
হুব্বুশশুহাদা ভাই,আপনাকে ধন্যবাদ।আমরা এমন জমানায় এসে উপনীত হয়েছে যেখানে ইলম শিখা হয় বিনোদনের জন্য। দ্বীনী ইলম কেনো অর্জন করতে হবে তালিবুল ইলম সেটাও জানে না। কুরআন, এমন গাধাদের উপমা খুব সুন্দর করে দিয়েছেন, গাধা কি জানে সে কী বহন করেছে। গাধার মত কিতাবের বোঝা বহন করার চেয়ে আফগানের ঐ যে কিছি জানে না, সে কতইনা উত্তম যে ট্রিগার টানতেটানতে শহিদ হয়ে গেলো। আজকে বলা যায় ফরিদ শয়ত্বান জিতে গেছে। এক সময়ের শুত্রুই হলো এখন প্রকৃত বন্ধু!!!!