PDA

View Full Version : মুজাহিদীন নিউজ ll ৬ই রমাদ্বান, ১৪৪০ হিজরী ll ১২ই মে, ২০১৯ ঈসায়ী।



Al-Firdaws News
05-13-2019, 05:42 PM
ভারতের আসাম রাজ্যের হাইলাকান্দি এলাকাতে উগ্রহিন্দু সন্ত্রাসীদের আক্রমণে ১ জন মুসলিম যুবক নিহত আরো ১৫ জন গুরুতর আহত !


http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/Screenshot_4-696x308.png (http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/Screenshot_4.png)




ভারতের আসাম রাজ্যে গত জুমআর দিন হাইলাকান্দি এলাকার কিছু মুসলিম যুবক, উগ্রহিন্দু সম্প্রদায়ের অত্যাচারের প্রতিবাদে জুমআর নামাজ রাস্তায় পড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এপ্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো যে, বেশ কিছু দিন যাবত হাইলাকান্দির উগ্রহিন্দু মৌলবাদী সন্ত্রাসীরা মুসলিম যুবকদের মোটরবাইক এবং অন্যান্য যানবাহনের ক্ষয়-ক্ষতি করছিল।

এই প্রসঙ্গে প্রশাসন-কে জানানো সত্ত্বেও কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাগুলোর প্রতিবাদে মুসলিম যুবকরা রাস্তায় নামাজ পড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। শান্তিপূর্ণভাবে নামাজ চলাকালীন সময় উগ্রহিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী সম্প্রদায়ের লোকজন মুসলিম যুবকদের উপর আক্রমণ করে। সন্ত্রাসী হিন্দুদের এই আক্রমণে স্থানীয় মুসলিম যুবক জসিমউদ্দিন (২৮) শহীদ হন এবং আরও ১৫ জন আহত হন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন

এরপর উগ্র ও মালাউন হিন্দু সন্ত্রাসীরা মুসলিমদের ১৫ টি যানবাহন ও প্রায় ১২ টি দোকান নষ্ট করে দেয়। পুলিশ এবং প্রশাসনের প্রচ্ছন্ন মদদে প্রায় ২ ঘন্টা সন্ত্রাসী হিন্দুরা এই তান্ডব চালায়। এই ঘটনার পরে স্থানীয় প্রশাসন আর্মিকে ডেকে এনে মুসলিম এলাকায় কর্ডন করে দেয়, যাতে মুসলিমরা কোনো ধরণের প্রতিবাদ করতে না পারেন। এই ঘটনা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হলেও উগ্র সন্ত্রাসী হিন্দুত্ববাদীদের প্রত্যক্ষ সমর্থক প্রশাসন একে সাধারণ ঘটনা বলে ধামাচাপা দেওয়ার ঘৃণ্য চেষ্টা করে।






সূত্র:http://gazwah.net/?p=22196

Al-Firdaws News
05-13-2019, 05:43 PM
ক্রুসেডার US এর ড্রোন হামলায় শহীদ হয়েছেন তালেবান কামান্ডার আসাদুল্লাহ (সাঙ্গারী) রহিমাহুল্লাহ্* !


http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/Screenshot_22.png (http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/Screenshot_22.png)


গত শুক্রবার ক্রুসেডার US এর সন্ত্রাসী বাহিনীর ড্রোন হামলায় শাহাদাত বরণ করেন তালেবান কামান্ডার আসাদুল্লাহ রহিমাহুল্লাহ্*। আল্লাহ্* তাআলা তার শাহাদাতকে কবুল করুন।

কামান্ডার আসাদুল্লাহ রহিমাহুল্লাহ পাকিস্থানের উত্তর ওয়াযীরিস্তানে TTP এর সিনিয়র কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বপালন করে আসছিলেন।

এছাড়াও বলা হয়ে থাকে যে, গত কিছুদিন পূর্বে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে তালেবান মুজাহিদদের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন।






সূত্র:http://gazwah.net/?p=22201

Al-Firdaws News
05-13-2019, 05:44 PM
আল-কায়দার জানবায মুজাহিদদের হামলায় মেজর খালিফ নূর নিহত !


http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/photo_2019-05-13_01-26-22.jpg (http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/photo_2019-05-13_01-26-22.jpg)


আজ ১২ই মে মধ্য সোমালিয়ার জালকাইয়ূ শহরে বুন্তাল্যান্ড এবং জালমাদেক্স-এর যৌথ কুফ্ফার বাহিনীর উপর হামলা চালান আল-কায়দা পূর্ব আফ্রিকান শাখা হারাকাতুশ শাবাব এর দুঃসাহসী মুজাহিদগণ।

মুজাহিদদের উক্ত অভিযানে কুফ্ফার বাহিনীর খালিফ নূর নামক এক মেজর নিহত হওয়াসহ অনেক কুফ্ফার সেনা হাতাহতের শিকার হয়।






সূত্র:http://gazwah.net/?p=22239

Al-Firdaws News
05-13-2019, 05:45 PM
লাতাকিয়ায় সন্ত্রাসী নুসাইরীদের আগ্রযাত্রাকে ব্যর্থ করে দিচ্ছেন মুজাহিদগণ।


http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/Screenshot_8-696x383.png (http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/Screenshot_8.png)


আজ ১২ই মে আল-কায়দা সিরিয়ান শাখা তানযীম হুররাসুদ-দ্বীন ও তাদের পরিচালিত ওয়া হাররিদ্বিল মূমিনীন অপারেশন রুম হতে অফিসিয়াল এক সংবাদ মাধ্যমে জানানো হয় যে, আল-কায়দার জানবায মুজাহিদগণ (HTS) ভাইদেরকে সহায়তার লক্ষ্যে লাতাকিয়ার কাবানাহ নামক এলাকায় সম্মিলিতভাবে অভিযান পরিচালনা করেছেন।

আলহামদুলিল্লাহ্*, মহান আল্লাহ তাআলার সাহায্য ও অনুগ্রহে মুজাহিদগণ তাদের যৌথ অভিযানের মাধ্যমে মুসলিমদের রক্তখেকো কুখ্যাত সন্ত্রাসী নুসাইরী বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছেন এবং সন্ত্রাসী নুসাইরী মুরতাদ বাহিনীর যুদ্ধ কৌশলকে মুজাহিদগণ ব্যর্থতার রূপ দিচ্ছেন।





সূত্র:http://gazwah.net/?p=22246

Al-Firdaws News
05-13-2019, 05:47 PM
সোমালিয়ায় হারাকাতুশ শাবাবের জানবায মুজাহিদদের হামলায় এক তুর্কি প্রকৌশলী নিহত !


http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/photo_2019-05-13_02-21-25-696x464.jpg (http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/photo_2019-05-13_02-21-25.jpg)




আজ ১২ই মে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে অবস্থিত তুর্কি সামরিক বেসে কর্মরত এক তুর্কি প্রকৌশলী ও কমান্ডারের গাড়ি লক্ষ্য করে সফলভাবে বোমা হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। যার ফলে তুর্কি বাহিনীর উক্ত কমান্ডার ও প্রকৌশলী নিহত হয় এবং তার দেহরক্ষী গুরতর আহত হয়।

পরে এই হামলার দায় স্বীকার করেন আল-কায়দার শক্তিশালী শাখা হারাকাতুশ শাবাব এর আল্লাহ্*ভীরু মুজাহিদগণ। ইতিপূর্বেও কয়েকবার তুর্কি সমরিক ঘঁটিতে হামলা চালিয়েছিলেন হারাকাতুশ শাবাব এর লড়াকু মুজাহিদগণ, প্রত্যেকবারই তুর্কি বাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছিল, যাতে করে তারা সোমালিয়ান মুরতাদ বাহিনীকে কোন ধরণের সহায়তা না করে। কিন্তু তুর্কি বাহিনী তা না মেনেই হারাকাতুশ শাবাব এর দুঃসাহসী মুজাহিদদের বিরুদ্ধে সোমালিয়ান মুরতাদ বাহিনীকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ সবধরণের সহায়তা করে যাচ্ছে।

গত মাসেও তুর্কি সামরিক ঘাঁটি হতে ৬০০শত সোমালিয়ান মুরতাদ সেনা তাদের প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছে। আর এই প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও সবধরণের সহায়তা বিনা মূল্যে সোমালিয়ান মুরতাদ বাহিনীকে দিচ্ছে মুসলিমদের কথিত বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র তুরষ্ক। তুরষ্ক গত বছর সোমালিয় সরকারের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যেখানে তুরষ্ক ১০হাজার সোমালিয়ান সেনাকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া থেকে শুরু করে যুদ্ধাস্ত্র ও তাদের সবধরণের খরচ বহন করার অঙ্গিকার করে।

আফ্রিকান ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম হতে জানা যায় এখন পর্যন্ত তুর্কি সামরিক ঘাঁটি হতে সোমালিয়ান মুরতাদ বাহিনীর ৭টি বেস তাদের প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছে, যেসকল সেনারা বর্তমানে মুসলিমদের প্রিয় মুজাহিদ দল হারাকাতুশ শাবাবের এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে যাচ্ছে। এছাড়াও গত বছর ৫০ সোমালিয়ান পাইলট ও ৩০০ সোমালিয়ান নারীকে তুরষ্ক নিজ দেশে নিয়ে স্পেশাল প্রশিক্ষণ দিয়েছিল।

তুর্কি বাহিনী সম্পর্কে হারাকাতুশ শাবাব এর দুঃসাহসী মুজাহিদদের সামরিক বিভাগের প্রধান শায়খ আব্দুল আযীয আবু মূসয়াব হাফিযাহুল্লাহ্* বলেন, আমাদের নিকট তুর্কি, মার্কিন, কেনিয়া ও ব্রিটেনের ক্রুসেডার সেনাদের মাঝে কোন পার্থক্য নেই (এরা সবাই কুফ্ফার বাহিনী) । কেননা এরা সবাই শারীয়াহ প্রতিষ্ঠাকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত। আমাদের উপর ওয়াজিব/আবশ্যক হল এদেরকে প্রতিহত ও হত্যা করা।

সোমালিয়ায় তুরষ্কের সামরিক ঘাঁটির কিছু চিত্র, যেখানে মুরতাদ সোমালিয়ান বাহিনীকে সবধরণের সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরষ্ক।


https://i.imgur.com/n5RAyVS.jpg


https://i.imgur.com/n0cj30j.jpg


https://i.imgur.com/CG5kNHY.jpg


https://i.imgur.com/rnAzXCv.jpg


https://i.imgur.com/Vqvqzbk.jpg







সূত্র:http://gazwah.net/?p=22251

Al-Firdaws News
05-13-2019, 05:49 PM
সিরিয়ার হামা সিটির পর এবার লাতাকিয়ার দিকে অগ্রসরের ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছে কুখ্যাত নুসাইরী মুরতাদ সন্ত্রাসী বাহিনী।


http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/Screenshot_2-696x292.png (http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/Screenshot_2.png)




সিরিয়ায় চলমান লড়াইয়ে মুজাহিদ ও বিদ্রোহী গ্রুপগুলোর প্রতিরোধ যুদ্ধের ফলে ৭৫০ কুখ্যাত নুসাইরী সন্ত্রাসী নিহত, আহত আরো অনেক !

সিরিয়ার ইদলিব ও হামা সিটিতে অভিযান চালানোর পর এবার কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মুরতাদ বাহিনী লাতাকিয়াতে অভিযান চালানো শুরু করেছে।

গত ৭দিনের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে নুসাইরী ও শিয়াজোট বাহিনী সুন্নী বিদ্রোহী ও মুজাহিদ গ্রুপগুলো হতে সিরিয়ার হামা সিটির বেশ কিছু এলাকা দখল করে নিয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- কাফার-নাবূদাহ, আল-কারকাত, কালাত আল-মাদিক, বাব আল-তাকা এবং শারিয়াহ নামক অঞ্চলগুলো । তবে এই অঞ্চলগুলো দখল করতে গিয়ে কুখ্যাত নুসাইরী সন্ত্রাসী বাহিনীর ৭৫০ এরও অধিক সেনাকে দোযখে ফেলতে হয়েছে। তা ছাড়া আহত হয়েছে আরো বহু সংখ্যক সেনা।

হামা সিটিতে কুফ্ফার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে চালিয়ে যাচ্ছেন আল-কায়দা মুজাহিদদের দ্বারা পরিচালিত ওয়া হাররিদ্বিল মূমিনীন অপারেশন রুম, তাহরীরুশ শাম, তুর্কিস্তান ইসলামিক পার্টি ও দুটি বিদ্রোহী গ্রুপ।

বর্তমানে হামা সিটিতে অগ্রসরের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নুসাইরী সন্ত্রাসী বাহিনী লাতাকিয়ার দিকেও অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে। তবে সেখানে তেমন একটা সফলতা পাচ্ছেনা নুসাইরী ও শিয়াদের সম্মিলিত সন্ত্রাসী জোট বাহিনী।

লাতাকিয়াতে বর্তমানে আল-কায়দা শাখা তানযীম হুররাসুদ-দ্বীন ও তাদের পরিচালিত অপারেশন রুমের ৪টি মুজাহিদ গ্রুপসহ আল-কায়দা মানহাযের কয়েকটি গ্রুপ এবং তাহরীরুশ শাম সম্মিলিতভাবে কঠিন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন। সেখানে বর্তমানে নুসাইরী বাহিনীর সকল রণকৌশলকে ব্যর্থতায় রূপ দিচ্ছেন মুজাহিদগণ।

আল্লাহ্* না করুন, নুসাইরী বাহিনী যদি হামা সিটির মত লাতাকিয়াতেও কয়েক কিঃমিঃ এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিতে পারে তাহলে ইদলিবের দিকে নুসাইরীদের অগ্রযাত্রার পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে, তখন ৩দিক থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে ইদলিব সিটি, যার ফলে কয়েক লক্ষ মানুষের প্রাণ বিপদের সম্মুক্ষিণ হবে। আর তখন মুজাহিদ ও বিদ্রোহী গ্রুপগুলোর জন্য ইদলিব সিটিতে প্রতিরোধ যুদ্ধ অনেকটাই কষ্টকর হয়ে পড়বে। এবিষয়গুলোকে সামনে রেখেই হয়তো নুসাইরী বাহিনী এখন লাতাকিয়ার দিকে অগ্রসর হওয়া চেষ্টা করছে।

তাই প্রত্যেক মুসলিম ভাই-বোন শামে অবস্থানরত মুজাহিদ ভাইদের জন্য বেশি বেশি দুআ করুন।






সূত্র:http://gazwah.net/?p=22257

Al-Firdaws News
05-13-2019, 05:50 PM
আলে সঊদের অনুগত পত্রিকায় সমসাময়িক মুজাহিদ ও ইখওয়ান নেতৃবৃন্দকে সন্ত্রাসী আখ্যাদান এবং আলে সঊদের বাস্তবতা !!


http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/photo_2019-05-13_00-22-03.jpg (http://gazwah.net/wp-content/uploads/2019/05/photo_2019-05-13_00-22-03.jpg)




আমেরিকার পা চাটা গোলাম আলে সঊদ (সৌদি সরকার/সৌদি রাজ পরিবার) এর অনুগত মাক্কাহ নিউজপেপার নামে একটি পত্রিকা গত কয়েকদিন পূর্বে (তাদের ভাষায়) বিংশ শতাব্দী ও একবিংশ শতাব্দীর ৪০ জন ইসলামপন্থী নেতাকে বিশ্ব সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করে। পত্রিকাটি প্রতিবেদনের শিরোনাম দিয়েছে, إرهابيا تعلموا في مدرسة الإخوان 40 অর্থ হচ্ছে- ইখওয়ানের প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিয়েছে যে ৪০ সন্ত্রাসী !

উক্ত পত্রিকাটি টুইটারে তাদের এই আর্টিকেলের যে শিরোনাম দিয়েছে তা হচ্ছে,
40 إرهابيا عالميا تأثروا بأفكار جماعة الإخوان অর্থ হচ্ছে- যে চল্লিশ বিশ্ব-সন্ত্রাসী ইখওয়ান দলের চিন্তাধারার মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েছে।
.
বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে, এই তালিকায় বিগত ও বর্তমান শতাব্দীর এমন সব আলেম, মুজাহিদ ও ইসলামপন্থীদের নাম রয়েছে, যারা ইসলামের জন্য এমনসব ত্যাগ ও কুরবানি করেছেন, যা ইসলামের চির-শত্রু ইহুদি-খ্রিস্টানদের রাগান্বিত ও ক্ষুব্ধ করেছে। যাদের কর্মকাণ্ড ইসলামের চির-শত্রু ইহুদি-খ্রিস্টানদের রাগান্বিত ও ক্ষুব্ধ করেছে, তারা ত্বগুত আলে সঊদের পত্রিকায় কেন সন্ত্রাসী আখ্যা পেলো ?! কাফির-মুশরিকদের সাথে আলে সঊদের সখ্যতা দেখলে যে কেউ আশা করি তা বুঝতে সক্ষম হবেন। এই তালিকায় সেইসব মুজাহিদ ও আলেমদের নামও রয়েছে, যারা তাদের ইল্*ম, কুরবানি ও জিহাদের জন্য দুনিয়ার মুসলিমদের অন্তরে জায়গা করে নিয়েছেন।

সৌদির ঐ পত্রিকাটি উক্ত তালিকায় ৪০ জনের নাম প্রকাশ করে যাদের মাঝে উল্লেখযোগ্য হলেন
১) আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক আমীর শহীদ শাইখ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ্*।
২) বিংশ শতাব্দীতে জিহাদের মুজাদ্দিদ বা পূণর্জাগরণকারী এবং আরব-আজমের মাঝে ঐতিহাসিক সেতুবন্ধনকারী প্রখ্যাত মুজাহিদ আলেম শহীদ শাইখ ড.আব্দুল্লাহ আযযাম রহিমাহুল্লাহ্*।
৩) আল-কায়দার বর্তমান আমীর হাকীমুল উম্মাহ্* শাইখ আইমান আয-যাওয়াহিরী হাফিযাহুল্লাহ্*।
৪) আল-কায়দা গ্লোবাল জিহাদের সমর্থক আলেম শাইখ হানী আস-সিবাইয়ী হাফিযাহুল্লাহ্*।
৫) উস্তাজ সাইয়্যেদ কুতুব শহীদ রহিমাহুল্লাহ্*।
৬) উস্তাজ হাসান আল-বান্না রহিমাহুল্লাহ্*।
৭) টুইনটাওয়ারে হামলার পরিকল্পনাকারী আল-কায়েদার সম্মানিত মুজাহিদ দায়িত্বশীল শাইখ খালিদ শেখ মুহাম্মাদ (ফাক্কাল্লাহু আসরাহ)।
8) লেবাননে বন্দী জিহাদপন্থী আলেম শাইখ উমার বাকরি (ফাক্কাল্লাহু আসরাহ)।

এই তালিকায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের যেসব নেতৃবৃন্দের নাম রয়েছে, তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছেঃ-
১। হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শাইখ আহমাদ ইয়াসিন রহিমাহুল্লাহ্*।
২। হামাসের সামরিক প্রধান খালেদ মিশাল।
৩। হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ও গাজার প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল হানিয়া।
৪। ইসরায়েলের হাতে নিহত হামাসের নেতা আব্দুল আযিয রানতিসি।

এই তালিকায় ইখওয়ান/ব্রাদারহুডের যেসব নেতৃবৃন্দের নাম রয়েছে, তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছেঃ-
১। মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান মুহাম্মাদ বাদি।
২। মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও ব্রাদারহুড নেতা মুহাম্মদ মুরসি।
৩। মুসলিম ব্রাদারহুডের উপদেষ্টা স্কলার ইউসুফ আল-কারদাওয়ি।
৪। ব্রাদারহুডের কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মাদ বেলতাজি।
৫। ব্রাদারহুডের কেন্দ্রীয় নেতা খাইরাত আল-শাতের।
এছাড়া উক্ত রিপোর্টে ইখওয়ান/ব্রাদারহুডের আরো অনেক নেতৃবৃন্দের নাম রয়েছে।

এছাড়া এই তালিকায় উপমহাদেশে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদুদিরও নাম রয়েছে। তালিকায় আইএসের নেতা আবু বকর আল-বাগদাদিরও নাম রয়েছে।

রিপোর্টটি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হলে আলে সঊদের দালাল পত্রিকা তা রিমুভ করে দেয়। তবে নিম্নের লিঙ্কের মিডিয়ায় উক্ত রিপোর্টটি কপি করে প্রচার করা হয় যা এখনো বিদ্যমান।
দেখুন.. https://todayyemen.com/details.php?id=170980
.

উপরোক্ত রিপোর্টের প্রেক্ষাপটে সৌদি সরকার এবং তার অনুগতদের ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফিরদের সাথে সখ্যতা বুঝার জন্য উক্ত ৪০ জনের মধ্য থেকে শুধুমাত্র দুজন ব্যক্তির প্রসঙ্গে কিছু কথা বলবো।

প্রথম ব্যক্তিটি হচ্ছেন- বিংশ শতাব্দীতে জিহাদের মুজাদ্দিদ প্রখ্যাত মুজাহিদ আলেম শহীদ শাইখ ড.আব্দুল্লাহ আযযাম রহিমাহুল্লাহ্*, যিনি কুফফার রাশিয়াকে আফগানিস্তানে পরাজয়ের এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং ১৯৮৯ সালেই শহীদ হন। শাইখ ড.আব্দুল্লাহ আযযাম রহি. এর সঙ্গে আলে সঊদের তেমন কোনো সমস্যা ছিলোনা বললেই চলে।

তিনি সৌদি আরবে প্রকাশ্যে হজ্জ করতে গিয়েছেন। বহুবার শাইখ আব্দুল্লাহ্* বিন বায রহি. এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। আর এটি কোনো গোপনীয় বিষয় নয় যে, সেসময় সৌদি সরকার আফগান মুজাহিদদেরকে সহায়তাও করেছিল। তাহলে শুধুমাত্র রাশিয়া এবং ইহুদিদের বিরুদ্ধে জিহাদকারী শাইখ ড.আব্দুল্লাহ আযযাম রহি. কীভাবে বিশ্ব-সন্ত্রাসী হলেন ???

তার মানে যেই মুসলিম ও মূমিন ব্যক্তি আমেরিকা,রাশিয়া, ইহুদি ও ইসলামের চিরন্তন দুশমনদের কাছ থেকে সন্ত্রাসী ও জঙ্গির তকমা/উপাধি পেয়েছেন, তিনি আলে সঊদের কুকুরদের থেকেও একই তকমা/উপাধি পেয়েছেন। এতে প্রমাণিত হয় আলে সঊদ ইসলামের দুশমনদের পথের সুস্পষ্ট অনুসারী।
.
দ্বিতীয় ব্যক্তিটি হচ্ছেন, হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শাইখ আহমাদ ইয়াসিন রহিমাহুল্লাহ্*। হামাসের চিন্তাধারার সাথে হক্বপন্থী মুজাহিদদের ব্যাপক তফাৎ/ব্যবধান থাকলেও আমরা বলবো,
শাইখ আহমাদ ইয়াসিন শুধুমাত্র দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের জন্যই হামাস প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং হামাস শুধুমাত্র ইসরায়েলের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করে যাচ্ছে। দখলদার ইসরায়েল ছাড়া অন্য কোনো রাষ্ট্রের দিকে লক্ষ্য করে হামাস একমুঠো বালুও নিক্ষেপ করেনি।

তাহলে সেই হামাসের প্রতিষ্ঠাতা শাইখ আহমাদ ইয়াসিন কীভাবে সৌদি সরকারের মদদপুষ্ট পত্রিকার কাছে বিশ্ব-সন্ত্রাসী হয় ?? তার মানে যিনি দখলদার ইহুদিবাদী ইসরায়েলের কাছে বিশ্ব-সন্ত্রাসী, তিনি-ই কুফফারদের পা চাটা গোলাম আলে সঊদের কুকুরদের কাছে বিশ্ব-সন্ত্রাসী !!! এতে প্রমাণিত হয়, আলে সঊদ ইয়াহুদিদের সুস্পষ্ট দালাল ব্যতিত অন্য কিছু নয়।

এভাবেই ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে কাফিরদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে তাওহীদের ভূমি দখল করে রাখা ত্বগুত আলে সঊদ। আল্লাহ্* তাআলা পূণ্যভূমি মক্কা-মাদিনাকে ইসলামের দুশমনদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী কুকুরদের হাত থেকে রক্ষা করুন এবং সত্যিকার তাওহীদবাদী মূমিনদেরকে তার প্রতিনিধিত্ব দান করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।

https://i.imgur.com/DbgODhw.jpg







সূত্র:http://gazwah.net/?p=22233

হেলাল
05-14-2019, 11:00 AM
আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

সত্যের খুজে
05-14-2019, 03:25 PM
আল্লাহ পাক এইসব মুর্তাদদের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার তাওফিক দান করুন ৷

abu mosa
05-20-2019, 08:14 AM
আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
বিজয় আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে।