PDA

View Full Version : আওয়ামী ডিজিটাল-মুর্তাদ সরকারের কুফরীর তা



musafir2
12-08-2015, 09:21 PM
আওয়ামী ডিজিটাল-মুর্তাদ সরকারের কুফরীর তালিকা (অবিরত আপডেট হবে ইনশাআল্লাহ)

আস্*সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

এই থ্রেডে ইনশাআল্লাহ অনবরত বিএনপি, আওয়ামী লীগ ইত্যাদি মুর্তাদ সরকারের কুফরীর তালিকা তুলে ধরা হবে। সবাই কমেন্টসের মাধ্যমে নতুন আইটেম যোগ করবেন ইনশাআল্লাহ। সাথে রিলেটেড অডিও / ভিডিও / খবরের লিংক দিয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ।

নীচে কিছু তালিকা দেয়া হলো। কোন ভাই যদি এর জন্য প্রয়োজনীয় লিংক দিতে পারেন, তাহলে ভালো হবে ইনশাআল্লাহ।

---------------------------------

১। ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমান বলেছিলেন, সব ধরনের ফতোয়া নিষিদ্ধ করা হবে।

২। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, সম্পত্তিতে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করা হবে।

৩। একই বছর (২০০৯) পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, ধর্ম তামাক ও মদের মতো একটি নেশা।

৪। রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ব্যাঙের ছাতার মতো কওমী মাদরাসাগুলো গজিয়ে উঠেছে।

৫। ১০ ডিসেম্বর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া বলেছেন,
রাসুল (সা.) মসজিদের অর্ধেক জায়গা হিন্দুদের জন্য ছেড়ে দিয়েছিলেন।

৬। বিশ্বকাপের উদ্বোধন উপলক্ষে জাতীয় মসজিদের আসর, মাগরিব ও এশা এই ৩ ওয়াক্তের আযানের সময় মাইক বন্ধ রাখা হয়।

৭। প্রথম আলো- ০৪-১১-২০১১ *সংবিধান থেকে ধর্মের কালো ছায়াও একদিন মুছে ফেলবো' জাতীয় সংসদ উপনেতা ও
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী

৮। আমি হিন্দুও নই, মুসলমানও নই' আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ

৯। তারা বলেন, আমাদের ঈমানই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধিতা করেন তারা কুরআনকে অস্বীকার করেন।

১০। তারা বলেন, 'বাংলাদেশ-জিন্দাবাদ' কোনো ফজিলত নেই কিন্তু 'জয় বাংলা' শ্লোগানে বরকত ও ফজিলত আছে।(নভেম্বর ২৬, ২০০৯, নয়া দিগন্ত)

১১। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম ২ এপ্রিল আওয়ামী ওলামা লীগ আয়োজিত এক সভায় বলেন, দেশে ইসলাম টিকিয়ে রেখেছে একমাত্র আওয়ামী লীগ। আর এ ইসলামের প্রবর্তক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১২। সেনাবাহিনী ফেরেশতা নয় যে তারা এলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। সেনাবাহিনী কেন খোদ আল্লাহতায়ালা নেমে আসলেও কিছু
করতে পারবে না।'' -সিইসি

১৩। বাংলাদেশ জাতীয় মুফতি ঐক্য পরিষদ (বামুপ) থেকে ফতোয়ায় বলা হয়েছে "বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিরোধিতা করা তথা আওয়ামী লীগের সমর্থন না করা কুফরি" অতএব, আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করলে সে ইসলাম থেকে খারিজ
হয়ে যাবে, সে যত বড় আলেমই হোক না কেন। (নয়া দিগন্ত, নভেম্বর ৩১, ২০০৯)

১৪। "শেখ হাসিনার নির্দেশ মানা আলীগ ও ছাত্রলীগের জন্য ইবাদত" বলেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয় প্রতিমন্ত্রী এ বি তাজুল ইসলাম! (নয়াদিগন্ত,মে ৬, ২০১০)

১৫। বিসমিল্লাহ বললে কী হয়? প্রার্থনা দিয়ে কিছু হয় না। কেননা, ফিলিস্তিন মুক্ত করার জন্য মক্কায় যে প্রার্থনা করা হয় তা কবুল হলে এত দিনে ফিলিস্তিন মুক্ত হয়ে যেত।'

১৬। ইউনিসেফের বিশ্ব শিশু পরিস্থিতি রিপোর্ট প্রকাশনা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় পরিকল্পনাসচিব ভুঁইয়া শফিকুল ইসলাম ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২

১৭। "সভা সমাবেশে বিসমিল্লাহ বলা ও কুরআন পড়ার দরকার নেই এসব করলে পবিত্রতা নষ্ট হয়"

১৮। ঢাকা বিশ্ববিরমনার কালিমন্দির উদ্বোধনকালে আওয়ামী লীগ এমপি সুধাংশু শেখর হালদার বলেছিল, মাওলানা, মৌলভী ও মোল্লাদের কেটে তাদের রক্ত 'মা কালির ' পায়ের নিচে না দিলে মা কালি জাগবে না।

১৯। বায়তুল মুকাররম মসজিদের ভিতর বেলে নৃত্য।

২০। জয়ের রিপোর্ট - মাদ্রাসা শিক্ষার ব্যাপারে কথা ।

২১। তথাকথিত সংবিধানে তারা রাস্ট্রীয় ধর্ম, বিসমিল্লাহ ইত্যাদিও সহ্য না করা।

২২। বর্তমান শিক্ষানীতি, নারীনীতি।

২৩। নাস্তিক ব্লগার চক্রকে রক্ষা।

২৪। বিগত কয়েক বছর যাবত রাসুল (সাঃ) এর হেয়কারীদেরকে নিরাপত্তা দান।

২৫। 'জিহাদ' এর চরম বিরোধিতা, জিহাদকে অস্বীকার।


================== নতুন সংযোজন - ১ =====================


২৬। বিবিসি সংলাপে খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাহবাগ আন্দোলন সরকারের চোখ খুলে দিয়েছে। সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম বলা হলেও এটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী। বিভিন্ন কৌশলগত কারণে আওয়ামী লীগ সরকারকে এটা মানতে হলেও, আমরা কখনোই এটা বিশ্বাস করি না এবং অবশ্যই এ থেকে জাতিকে মুক্ত করবো আমরা।

২৭। শিখা চিরন্তন চালু রাখা।

২৮। দেশের অসংখ্য জায়গায় মূর্তি নির্মাণ।

২৯। মূর্তির সামনে নীরবে দাড়িয়ে থাকা।

৩০। গণতন্ত্র নামক কুফরি মতবাদ প্রতিষ্ঠার শপথ করা।

৩১। কুফফারদের বন্ধু হিসাবে গ্রহন করা এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে কুফফারদের সাহায্য করা।

৩২। মুসলিম-মুজাহিদিনদের হত্যা করা।

৩৩। আওয়ামীলীগের মন্ত্রী সুরঞ্জিতের ফতোয়াঃ বিসমিল্লাহ বলে বলির মাংস খাওয়া জায়েজ (আমারদেশ, ৮ই আগস্ট, ২০১২)।

৩৪। শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ অনুসরণ করে সত্য ও ন্যায়ের পথ অনুসরণ করতে হবেঃ অর্থ মন্ত্রী, আবুল মাল আব্দুল মুহিত আওয়ামী সরকার, (আমারদেশ, ১০, আগস্ট, ২০১২) ।

৩৫। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, গজে চড়ে মা দুর্গা আসায় ফসল ভাল হয়েছে (আমারদেশ ০১- নভেম্বর, ২০১১)। এ ব্যাপারে ৫০০১ জন আলেম ও বিভিন্ন সংগঠন এবং জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের ৫০১ মুফতি এক যৌথ বিবৃতিতে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তওবা করতে বলেন, অন্যথায় তিনি মুসলিম থাকতে পারবেন না (দৈনিক সংগ্রাম, ৭-নভেম্বর, ২০১১)

৩৬। মুসলমান নয়, আগে প্রথম পরিচয় বাঙ্গালী- (আওয়ামী) স্বাস্থ্য প্রতি-মন্ত্রী, ক্যাপ্টেন মুজিবুর রহমান ফকির, (শীর্ষ নিউজ ডট কম, ২৪ এপ্রিল, ২০১১)।

৩৭। আওয়ামী সিনিয়র বিচারপতি এ-এইচ-এম শামসুদ্দীন চৌধুরীঃ এক মুসলিম ডাক্তারকে লক্ষ্য করে বললেন, এটা সরবোচ্চ আদালত। টুপি খুলুন, কোর্টের সম্মান করুন। (আমারদেশ, ২৬-আগস্ট, ২০১১)।

৩৮। বিয়েতে ধর্ম ও সন্তানের ধর্মীয় পরিচয় বাদঃ আওয়ামী সরকার (ইনকিলাব, তারিখ অজানা)।

৩৯। পবিত্র কোরআন-বিরোধী মুসলিম-অমুসলিম বিবাহ আইন প্রবর্তন।

৪০। ইফা ডিজি- শামিম মোহাম্মাদ আফজালের জিহাদ সম্পর্কে কুফরি বক্তব্যঃ ফতোয়া বোর্ডের ৫০০ মুফতির যৌথ বিবৃতিঃ ইফা ডিজি নাস্তিক-মুরতাদের দোসরে পরিণত হয়েছে (আমারদেশ, ২৮-নভেম্বর, ২০১১)।

৪১। রসুল (সাঃ) হিন্দুদের পুজার জন্য মসজিদের অর্ধেক জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন- আওয়ামী ধর্ম প্রতি-মন্ত্রী, এডভোকেট মোহাম্মাহ শাহজাহান মিয়া। (আমারদেশ, ১১-ডিসেম্বর, ২০১১)

৪২। আওয়ামী সরকারের কর্তৃক বোরখাবিরোধী আইন প্রণয়ন- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অফিসে বোরকা নিষিদ্ধ। (আমারদেশ, ১০-আগস্ট, ২০১১)

৪৩। সংবিধান থেকে ধর্মের কালো ছায়াও একদিন মুছে ফেলবো- আওয়ামী নেত্রী, সাজেদা (আমারদেশ, ০২-নভেম্বর, ২০১১)

৪৪। আওয়ামী সরকারের কোরআন পাল্টানোঃ ছেলেহীন বাবার মেয়ে সন্তানকে পুরো সম্পত্তি দেয়ার বিধান করে মুসলিম পারিবারিক আইন সংশোধনের উদ্দ্যেগ পবিত্র কোরআন পাল্টানোর মতো চরম দুঃসাহস। (আমারদেশ, ২৬শে-এপ্রিল, ২০১২)

৪৫। শেখ মুজিবের মূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা (পুজা) সুত্রঃhxxp://www.dailynayadiganta.com/new/?p=133729

৪৭। নবম শ্রেণীর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বইয়ে "দেবদেবীর নামে উত্সর্গীকৃত পশুর গোশত খাওয়া হালাল! - আমার দেশ থেকে নেওয়া,- শুক্রবার ৮ মার্চ ২০১৩ - www.amardeshonline.com/pages/details/2013/03/08/190979#.UTjNrUqg0m0

৪৮। এবার জাতীয় সংসদে হজরত মোহাম্মদ (সা.) কে ধর্মনিরপেক্ষ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। - বামপন্থী নেতা জাসদের কার্যকরী সভাপতি মাইন উদ্দিন খান বাদল ও জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য নাসিম ওসমান এ কথা বলেন। সূত্রঃ আমার দেশ hxxp://www.amardeshonline.com/pages/details/2013/03/05/190611#.UTTvO0r_6Lk


=====================

ইনশাআল্লাহ আরো তালিকা দেয়া হবে।

নোটঃ

- সবার প্রতি অনুরোধ, আপনারা নতুন নতুন পয়েন্ট যোগ করুন এবং বিভিন্ন পয়েন্টের প্রমাণ কমেন্ট আকারে শেয়ার করুন।
- সবাই লিংকগুলো নিজের আর্কাইভে সেইভ করে রাখবেন।
- বিভিন্ন কমেন্টস থেকে উল্লেখযোগ্য কুফরীগুলি ইনশাআল্লাহ এই পোষ্টে যোগ করা হবে।

জাযাকাল্লাহু খাইরান।

এই পোস্টটি বেশ আগে বাবুল ইসলামে প্রকাশিত হয়েছিল। সর্বশেষ তালিকার পরেও অনেক কিছু ঘটেছে, যার যেটা মনে আছে সেটাই কমেন্টে পোস্ট করে দিতে পারেন । এতে দায়ী ভাইদের অনেক উপকার হবে ইনশা আল্লাহ।

musafir2
12-08-2015, 09:28 PM
ভারত ক্রিকেট দলের নিরাপত্তার জন্য মাদরাসা বন্ধ!
স্পোর্টস রিপোর্টার | ৬ জুন ২০১৫, শনিবার, ৩:১২

ভারতকে নিরাপত্তা দিতে সব রকম প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। ভারতকে নিরাপত্তা দিতে এবার এক অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একমাত্র টেস্টের ভেন্যু ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের আশপাশের মাদরাসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। টেস্ট চলাকালে মাদরাসা খোলা না রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তারা।
১০ জুন শুরু হবে সিরিজের টেস্ট। এবার বাড়তি সতর্কতা হিসেবে ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম ঘেঁষা রওজাতুন সালেহীন আলীম মাদরাসা ও এতিমখানা টেস্ট চলাকালীন পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২ জুন মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন সভা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। মূলত ভারতীয় ক্রিকেটারদের অধিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এ রকম সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে বিসিবির একটি সূত্রে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ড. মুহীদ উদ্দিন খন্দকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,‘আমরা নিরাপত্তার খাতিরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি টেস্ট চলাকালীন মাদরাসা বন্ধ রাখার জন্য। তারা পজেটিভ মনোভাব দেখিয়েছেন।’ এদিকে প্রশাসনের অনুরোধে মাদরাসা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও এতে ছেলেদের পড়ালেখার ক্ষতি হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, ‘আগেও এখানে খেলা হয়েছে। তখন তো মাদরাসা খোলা ছিলো। মাদরাসা খোলা থাকার কারণে খেলার কোনো সমস্যা হয়নি। এবার কি ভাবে তারা মাদরাসা বন্ধ রাখতে বললো আমরা বুঝতে পারছি না।’
সুত্রঃ http://mzamin.com/details.php?mzamin=NzgzODk=&s=NA==

musafir2
12-08-2015, 09:35 PM
তছবিহ পড়া ও শিরনি খাওয়া ছাড়া মাদরাসা ছাত্রদের কাজ নেই। মাদরাসা বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
নবীগঞ্জ নয় মৌজা তাহিরপুর ইত্তেফাকিয়া আলীয়া মাদরাসা মাঠে আপ্তাব-খুদেজা শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলে সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী।

http://islamicnews24.net/wp-content/themes/islamicnews24.net_beta/images/logo_header.png
প্রকাশিত: ৮:২০ অপরাহ্ণ,সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০১৪

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://islamicnews24.net/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A 6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A 6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A 6%B0-%E0%A6%B7%E0%A7%9C/

musafir2
12-08-2015, 09:44 PM
মাদরাসার ছাত্ররা সারারাত তছবিহ পড়ে সকালে এক হাজার টাকা নিয়ে যায়। তছবিহ পড়া আর শিরনি খাওয়া ছাড়া তাদের কোনো কাজ নেই।
মাদরাসা শিক্ষা মানসম্মত নয় ও মাদ্রাসার ছাত্ররা কামিল পাস করে ইংরেজিতে প্রেসিডেন্টের নাম লিখতে পারে না। মাদরাসাগুলো তদন্ত করে বন্ধ করে দেয়া হবে।
মাদ্রাসা শিক্ষার দরকার নেই কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। মাদ্রাসার যে ছাত্র ইংরেজি নাম-ঠিকানা লিখতে পারে না তাদের দিয়ে আমাদের কোনো লাভ নেই। মাদরাসার হুজুর মানুষের বাড়ি দাওয়াত খাওয়া ছাড়া আর কোনো কাজ করেন না।
আগামীতে আমি হবিগঞ্জ মৌলভীবাজার এলাকার প্রত্যেকটি মাদরাসা পরিদর্শন করে যথাযথ শিক্ষার মান না পেলে সুপারদের মাদরাসা থেকে বাহির করে দেব। এ ব্যাপারে কোনো আপষ নেই, ভালো মানের শিক্ষা ছাড়া উপায় নেই। আধুনিক শিক্ষা ছাড়া দেশে সুনাগরিক গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

শনিবার দুপুরে তিনি নবীগঞ্জ নয় মৌজা তাহিরপুর ইত্তেফাকিয়া আলীয়া মাদরাসা মাঠে আপ্তাব-খুদেজা শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী
ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা লন্ডন প্রবাসী শামীম আহমদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের এমপি এমএ মুনিম চৌধুরী বাবু, হবিগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত আসনের এমপি এডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব দিলীপ কুমার বণিক, নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর চৌধুরী, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ লুত্ফুর রহমান, হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজের অধ্যক্ষ বিজিত কুমার ভট্রাচার্য্য, সিলেট মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, প্রয়াত মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজীর পুত্র হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা দেওয়ান শাহ নেওয়াজ মিলাদ গাজী, নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী।

musafir2
12-08-2015, 09:48 PM
“জামাত শিবিররাই এসব খুন খারাবি করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করছে। তাই সর্বপ্রথম দেশের সব মসজিদ মাদ্রাসায় তালা ঝুলিয়ে দিতে হবে। যতদিন পর্যন্ত দেশে ধ*ার্মিকতা থাকবে, ততদিন পর্যন্ত অরাজকতা থামানো যাবেনা।”
----- সুরঞ্জিত
http://www.shomoybarta24.net/shomoybarta24/themes/shomoybarta24.net/images/logo.png
স্থানীয় সময়-১০:৫৫ অপরাহ্ণ,মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৫

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.shomoybarta24.net/2015/11/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A 6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%B2/

musafir2
12-08-2015, 09:54 PM
ইসলামিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা বলতে কিছু নাই। ইসলামিক রাষ্ট্রের ধারণা ইহুদী-নাসারাদের থেকে পাকিস্তান হয়ে এসেছে। বিগত ১৪শ বছর ইসলামি রাষ্ট্র বলতে কিছুই ছিল না। নবী করীম (সা:) যখন থেকে নবুওয়াত পেয়েছেন তারপর থেকে শুরু করে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ১৩৩৭ বছরে এই ইসলামিক স্টেট ও মুসলিম স্টেটের কোন দর্শন ছিল না।
এখন যে ইসলামিক স্টেট ও মুসলিম স্টেট নামে দুটো শব্দ আবিস্কৃত হয়েছে তা ইহুদী-নাসারা এবং ইসলামের বিকৃত শক্তির সমন্বয়ে সৃষ্টি হয়েছে। আর এটা শুরু হয়েছে পাকিস্তানকে দিয়ে।
যেমন ধরুন-পাকিস্তানের সংবিধানে লেখা হয় ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান। আল্লাহ তো আল্লাহর রাসূল (সা:) কে পাঠিয়েছেন মানুষকে কালিমা শেখাতে। কুরআন সুন্নাহর আদলে জিবন ব্যবস্থা চালাবে । নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত, মানুষের জন্য । রাষ্ট্রের জন্য নামাজ নাই। রাষ্ট্রের জন্য রোজা নাই। রাষ্ট্রের গায়ে কালেমা লেখার দরকার নাই। জমিনের গায়ে ইসলাম লেখার জন্য তিনি আসেন নাই। পাকিস্তানের পর এটা শুরু করেছে ইরান, তারপরে চাদ, তারপরে আফগানিস্তান। এই চারটি রাষ্ট্র ছাড়া ওআইসিভূক্ত অপরাপর ৫৭টি রাষ্ট্রের কেউ এমনটি লেখেন না।
--------- শামীম আফজাল
ডিজি , ইসলামিক ফাউন্ডেশান
বেসরকারী টেলিভিশন “চ্যানেল ২৪” এর টকশোতে
স্থানীয় সময়-১:২৪ পূর্বাহ্ণ,রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৫
http://www.shomoybarta24.net/shomoybarta24/themes/shomoybarta24.net/images/logo.png

বিস্তারিত ও সুত্রঃ http://www.shomoybarta24.net/2015/12/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A 6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A 7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A 7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE/

musafir2
12-08-2015, 09:59 PM
বিশ্বের আর কোন দেশে মাদরাসা বোর্ড নামে কোন শিক্ষাবোর্ড নেই। অবিলম্বে মাদরাসা বোর্ড বন্ধের মাধ্যমে জঙ্গি উৎপাদনের কারখানা বন্ধ করা হবে
----------------------- আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম
২৪ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২৩
http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/css/images/logo.png

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/mnsakib/29206276

jajabor
12-08-2015, 10:02 PM
ভাই অসাধারন জাযাকাল্লাহ

musafir2
12-08-2015, 10:11 PM
বাংলাদেশে ইসলামী দলগুলোকে "বিদেশী সন্ত্রাসী সংগঠন" ঘোষণা করতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহবান জানিয়ে নিবন্ধ লিখেছেন
------ প্রধানমন্ত্রীর পুত্র ও উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়
উক্ত প্রবন্ধে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ" সম্বলিত পবিত্র কালেমার বানীকে তেলাপোকার গায়ে লিখেছে সে।
http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/YusufUnique/YusufUnique-1442470551-5dec9d4_xlarge.jpg

http://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/css/images/logo.png
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৯

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/YusufUnique/30071286

musafir2
12-08-2015, 10:19 PM
‘আবহমানকাল থেকেই এ ভূখণ্ডে মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করলেও উৎসব ছিল সকলের। বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে- এ দেশ সকল ধর্মের সকল মানুষের। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এটাই রীতি।’
‘বাঙালি জাতির অসাম্প্রদায়িক চেতনা সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধন হয়ে কাজ করছে।
‘ এ দেশের স্বাধীনতা অর্জনের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ সকলের অবদান রয়েছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য এ দেশের সব মানুষ সুখে থাকুক। সুন্দরভাবে বসবাস করুক। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সংবিধান থেকে ধর্ম নিরপেক্ষতা তুলে দেয়া হয়েছিল।’
---------------- রাশেদ খান মেনন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী
বুধবার ঢাকার কাওলায় সিভিল এভিয়েশন পূজামণ্ডপ, ঢাকেশ্বরী পূজামণ্ডপ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল পূজামণ্ডপ এবং রমনা কালিমন্দির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলে
বুধবার অক্টোবর ২১, ২০১৫, ০৫:৩০ পিএম
http://www.bdlive24.com/uploads/blog/936179614_1448534649.jpg

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.bdlive24.com/home/details/86940/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A 7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0:-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%A8

musafir2
12-08-2015, 10:24 PM
ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। এজন্য ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে মুসলমানদের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রীষ্ট্রান সম্প্রদায়ের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে যুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিল। বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। মুসলমানদের পাশাপাশি এ দেশের হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান ধর্মের লোকজন সকল সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে উদাপন করতে পারছে।
------------------------------ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম
সিরাজগঞ্জ শহরের মুজিব সড়কের মওলানা ভাসানী ডিগ্রী কলেজ মোড়ে শ্রী শ্রী কৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা উদ্বোধন ও প্রদীপ প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলে সে।
কেন্দ্রীয় পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি অঙ্কুরজিৎ সাহা নব’র সভাপত্বিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না, জেলা প্রশাসক মোঃ বিল্লাল হোসেন, পুলিশ সুপার মোঃ মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, পুজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক সন্তোষ কুমার কানু ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুকান্ত সেন,জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক,সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালেদ মোশারফ শাওন প্রমুখ।
২০১৫ সেপ্টেম্বর ০৫ ১৪:৩১:১৩
http://www.bd24live.com/bangla/images/logo_f.png

http://www.bd24live.com/bangla/article_images/2015/09/05/sirajgonj-photo-05.09.15.jpg

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.bd24live.com/bangla/article/59537/index.html

musafir2
12-08-2015, 10:30 PM
ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার ॥ প্রধানমন্ত্রী
http://edailyjanakantha.com/ejanakantha.jpg
প্রকাশিত : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৪

সব ধর্মই মানবতার কথা বলে। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। বাংলাদেশে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতির দেশ। এখানে আমরা সব ধর্মের মানুষ সহাবস্থানে বাস করি। বিশ্বের সকল খ্রিস্টভক্তকে জানাই বড়দিনের আগাম শুভেচ্ছা।
--------------------- শেখ হাসিনা
সোমবার গণভবনে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। বাংলাদেশ খ্রীস্টান এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিনের সভাপতিত্বে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, আর্চ বিশপ প্যাট্রিক ডি’ রোজারিও, জাতীয় চার্চ পরিষদের সভাপতি বিশপ পল শিশির সরকার, ..........................................

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.dailyjanakantha.com/details/article/103609/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE_%E0%A6%AF%E0% A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6% B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0 %A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A5 %A5_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE% E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7 %8D%E0%A6%B0%E0%A7%80

musafir2
12-08-2015, 10:36 PM
ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার-শাহরিয়ার আলম
http://www.fns24.com/images/common/logo.png
05 Sep 2015 08:17:23 PM Saturday BdST

বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সব ধর্মের মানুষই এখানে স্বাধীনভাবে মিলে মিশে বসবাস করছে। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বদ্ধ পরিকর। একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই মুসলমানদের পাশাপাশি এ দেশের হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান ধর্মের লোকজন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে উদযাপন করতে পারে।
----------------- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শাহরিয়ার আলম এমপি
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শনিবার সকালে রাজশাহীর জেলার উপজেলার নারায়নপুর পালপাড়া কেন্দ্রীয় সার্বজনীন দূর্গামন্দিরে উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলে প্রতিমন্ত্রী । উপজেলা পূজা উদযান কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ কমল পান্ডের সভাপত্বিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের উপসচিব রথিন্দ্রনাথ দত্ত, পৌর মেয়র আক্কাছ আলী, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল ইসলাম, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার বাকু পান্ডে। অধ্যাপক রাম গোপাল সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেযারম্যান, প্যানেল চেয়ারম্যান-১, মুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান শফি, আ’লীগ নেতা আজিজুল আলম, অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন নবাব, .............................................
সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.fns24.com/details.php?nssl=a94334aec8564d8a172c5782288d5069&nttl=0509201541709

musafir2
12-08-2015, 10:42 PM
'ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়'
http://www.u71news.com/images/logo.png
২০১৫ মে ০৩ ১২:৫০:২৭

ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয় “ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার”।
ধর্ম তার নিজের জায়গায় থাকবে এটা নিয়ে কেও বাড়াবাড়ি করবেন না। আমরা ধর্মকে সবার উর্দ্ধে রাখব, কারন ধর্ম আমার বিশ্বাস এটা নিয়ে কোন কথা নয়। বাংলা আমাদের ভাষা, বাংলা আমার কৃষ্টি এটাই আমাদের পরিচয়, ধর্মকে আমরা রাষ্ট্র ও সমাজিকভাবে না আনি এটা থাকবে সবার উপরে।
------------------ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি।
প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী
শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ফরিদপুরের শ্রী অঙ্গনে মহানাম সম্প্রদায় আয়োজিত তোরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠােন শ্রীমৎ কান্তিবন্ধু ব্রক্ষচারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে
শ্রী শ্রী জগদ্বন্ধুসুন্দরের ১৪৫তম শুভ আবির্ভাব উৎসবের আলোচনা সভায় বলে

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.u71news.com/?page=details&article=20.41955

musafir2
12-08-2015, 10:46 PM
ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার : ঢাকশ্বেরী মন্দির পরিদর্শনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী
http://bdtoday24.com/wp-content/uploads/2015/02/bdtoday-new-animated-logo-2015.gif
September 23, 2014

বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর নীতি হলো ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এবং এ নীতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনা করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত নীতি বাস্তবায়ন এবং প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন রা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে যা যা করা দরকার তা বর্তমান সরকার করবে এবং এ ব্যাপারে তিনি তার যা করণীয় তা করবেন।
------------------- : ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন শেষে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সভাকে মন্দির কর্তৃপ এবং হিন্দু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায়
ঢাকেশ্বরী মন্দির সম্প্রসারণের জন্য ৫৫.৮৮ শতাংশ ভূমি অধিগ্রহণের নিমিত্ত জটিলতা নিরসনের জন্য ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। যাতে যুগ্মসচিব (অধিগ্রহণ), মহাপরিচালক ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ.) ঢাকাকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়।

সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ঢাকেশ্বরী মন্দির সংলগ্ন ৫৫.৮৮ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং জাতীয় মন্দিরটি প্রত্নতাত্তিক গুরুত্বের বিষয়টিও প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রতিমন্ত্রী হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন এবং আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখ বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কমিটির সভা করে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://bdtoday24.com/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A 7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0/

omar fruque
12-08-2015, 10:47 PM
মোবাইল থেকে কিভাবে পোস্ট করে? (দুঃখিত)

musafir2
12-08-2015, 10:51 PM
ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার : রওশন
http://bangla.thereport24.com/images/logo.png
২০১৪ অক্টোবর ০১ ২২:০৪:০৪

‘বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক, উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার।’ ‘প্রতিটি ধর্মে নারীদের বিশেষ সম্মান দেখানো হয়েছে। অশুভ শক্তিকে বিলোপ সাধন করতে সম্মিলিত শক্তির প্রয়োজন। সনাতন ধর্মে এ সম্মিলিত শক্তি হলো দেবী দুর্গা।’
------------------ রওশন এরশাদ
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সনাতন ধর্মের বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বুধবার বিকেলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলে।
এতে আরও বক্তৃতা করেন- জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রমুখ। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাজল দেবনাথ।

পরে শ্রী রামকৃষ্ণ মিশন মন্দির পরিদর্শন করেন বিরোধীদলীয় নেতা। বিরোধীদলীয় নেতার রাজনৈতিক সচিব গোলাম মসীহ্, শ্রী রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশানন্দজী মহারাজ এ সময় উপস্থিত ছিলো।

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://bangla.thereport24.com/article/61363/index.html

musafir2
12-08-2015, 10:54 PM
জনাব আপনার উপর সালাম ও প্রশান্তি বর্ষিত হোক! আমিন। আপনি অরফক্স ব্যাবহারের দ্বারা মোবাইল থেকে সহজেই পোস্ট করতে পারবেন।সিস্টেম কম্পিউটারের মতই । আমি পরীক্ষা করেছি। জাঝাকাল্লাহ।

omar fruque
12-08-2015, 11:03 PM
আপনার উপরেও শান্তি বর্শিত হোক এবং আল্লাহ সুবঃ হেফাজত করুক।UC BROWSER দিয়ে কি পোসস্ট করা যাবে না? আর hotspot sheild কতটা নিরাপদ?

musafir2
12-08-2015, 11:03 PM
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে মেনন
ধর্ম যার যার উৎসব সবার
http://paimages.prothom-alo.com/contents/themes/public/style/images/Prothom-Alo.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: ০২:১২, অক্টোবর ২২, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম পালন করে। এই ভূখণ্ডের মানুষ প্রমাণ করেছে, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।
বাঙালি জাতির অসাম্প্রদায়িক চেতনা সব ধর্মের মধ্যে সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে। যে কারণে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। অশুভ শক্তি বারবার এই চেতনা বিনাশের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার—এটাই রীতি।
----------------- রাশেদ খান মেনন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী
গতকাল বুধবার ঢাকার কাওলায় সিভিল অ্যাভিয়েশন পূজামণ্ডপ, ঢাকেশ্বরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রমনা কালীমন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী এ কথা বলে।

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/662104/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0

musafir2
12-08-2015, 11:06 PM
ধর্ম যার যার উৎসব সবার : শিল্পমন্ত্রী
http://www.bhorerkagoj.net/online/wp-content/themes/bk02/images/bhorerkagoj_logo.gif
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০১৫

এ দেশে যুগ যুগ ধরে হিন্দু-মুসলমান একত্রে বসবাস করছে। নির্বিঘ্নে উৎসবমুখর পরিবেশে যে যার ধর্ম পালন করছে।
তবে দূর্গপূজা একটি সার্বজনীন উৎসব। এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমানভাবে আনন্দ করে। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে।
----------------------- আমির হোসেন আমু
শিল্পমন্ত্রী
বুধবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি শহরের পূজাম-প পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলে।

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.bhorerkagoj.net/online/2015/10/21/130467.php

musafir2
12-08-2015, 11:13 PM
দুঃখিত আমার ভাই! আপনি অনুগ্রহ পূর্বক মোবাইল টর ব্যাবহার করুন! এই জন্য প্লে স্টোর থেকে orbot ও orfox নামক দুটি সফটওয়ার নামিয়ে ইন্সটল করে নিন। প্রথমে একটু মাথা খাটিয়ে orbot ইন্সটল করুন তারপর orfox করুন। পেরেশান হওয়ার কিছুই নেই, খুব সহজ। UC BROWSER টা আমার যতটুকু জানা অনিরাপদ। আর hotspot sheild সম্পরকে আমার জানা নেই। আল্লাহ আপনার জন্য বিষয়টি সহজ করে দিন। আমিন।

musafir2
12-08-2015, 11:17 PM
ধর্ম যার যার উৎসব সবার : মহিউদ্দিন
http://www.dainikpurbokone.net/wp-content/themes/purbokone-innotech/images/logo-purbokone.png
অক্টোবর ২১, ২০১৫

ধর্ম পরিচয়ে আমরা কেউ হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ বা খ্রীষ্টান কিন্তু আমরা সবাই বাঙালি জাতিসত্তার অংশীদার। তাই ধর্ম যার যার উৎসব সবার।
---------------- এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী
মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বিভিন্ন শারদীয় পূজা ম-প পরিদর্শনকালে একথা বলে। সে গতকাল দুপুরে সদরঘাটস্থ পিকেশন ৭ তলা বিল্ডিংস্থ পূজা ম-পে মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে উপস্থিতির মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন পূজা ম-প পরিদর্শন করেন। এসময় তার সাথে ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা অমল মিত্র, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, মহানগর আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল হক সুমন, সাবেক ছাত্রনেতা শওকত হোসেন, মো. সালাউদ্দিন, মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ, প্রবীর দাশ তপু, তারেক ইমতিয়াজ ইমতু,..................

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.dainikpurbokone.net/56030/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BF/

musafir2
12-08-2015, 11:37 PM
বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় IUBAT-তে ধর্মীয় পোশাকে নিষেধাজ্ঞা
http://i-onlinemedia.net/wp-content/uploads/2014/12/logo.jpg
তারিখ: নভেম্বর ০৬, ২০১৫
পাঞ্জাবি, টুপি ও বোরকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজিতে (আইইউবিএটি)। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা পড়তে পারবে না এই ধর্মীয় পোশাক। ভর্তি হতে হলে পাঞ্জাবি, টুপি কিংবা বোরকা বাদ দিয়েই আসতে হবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের। এসব পোশাকের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে বলেই তার প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রেস কোড (পোশাকের নির্দেশনা) মেনে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে চাইলে হবে, পছন্দ না হলে তাদের জন্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে এগুলো অ্যালাউ (অনুমোদন) করা হয়। পাঞ্জাবি, টুপি ও বোরকার প্রতি নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আইইউবিএটি ভিসি বলেন, আমরা যে ড্রেস কোড দিয়েছি তা মেনেই সকলে এখানে ভর্তি হন। কারো যদি এই কোড পছন্দ না হয় তাহলে আমরা তাদের এখানে ভর্তি হতে বলছি না। তারা অন্য কোথাও ভর্তি হবে। তবে আমার এখানে ভর্তি হতে হলে ড্রেস কোড অবশ্যই মানতে হবে। আর দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলার জন্য পাঞ্জাবি, টুপি ও বোরকার মতো পোশাককে অন্তরায় হিসেবেও উল্লেখ করেন । ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান ও ড্রেস কোড মেনে চলবে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ড্রেস কোডে দেখা যায়, ছাত্রদের জন্য ট্রাউজার এবং হাফ বা ফুল শার্ট, কলারসহ টি-শার্ট, স্যুট-ব্লেজার, শীতকালে শোয়েটার বা জ্যাকেট থাকবে এবং ক্লিন শেভ হতে হবে। অন্যদিকে ছাত্রীদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে সালোয়ার-কামিজ এবং স্কার্ফ, শাড়ী, জিন্স-কুর্তা ও স্কার্ফ, শীতকালে শোয়েটার-জ্যাকেট পরতে পারবে।

সংবাদ সম্মেলনেই আলিমুল্লাহ মিয়ান বলেন, ছেলেদের তিনি জিন্স প্যান্ট পড়ার পক্ষে না কারণ এটা লেবারদের (শ্রমিক) পোশাক। তবে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রেস কোডেই মেয়েদের জন্য জিন্স প্যান্ট পড়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। যদিও গত বছরই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশনা জারি করে বলা হয়, কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় পোশাক পরতে বাধা দেয়া যাবে না এবং বাধ্যও করা যাবে না। আইইউবিএটিতে একটি মৌলবাদী ও জঙ্গি চক্র সংগঠিত হচ্ছে এবং জঙ্গি হামলার আশঙ্কা করে তিনি বলেন, আমি আমার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। জঙ্গি হামলার আশঙ্কা করছি। কাউকেই একা একা চলতে এবং প্রতিদিন একই পথে যেতে নিষেধ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা রক্ষী বৃদ্ধি করেছি, ৩৫টি সিসি ক্যামেরা আছে আরও ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে, মেটাল ডিটেক্টরসহ নিরাপত্তার যাবতীয় সরঞ্জাম নেয়া হচ্ছে। কাদেরকে তিনি মৌলবাদী ও জঙ্গি চক্র বলছেন এবং কাদের কাছ থেকে হামলার আশঙ্কা করছেন জানতে চাইলে আলিমুল্লাহ মিয়ান তাবলীগ জামায়াতের কথা উল্লেখ করেন। তাবলীগ জামায়াতের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় দখলের অভিযোগ করে বলেন, তাবলীগের পক্ষ থেকে আমার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে চাওয়া হচ্ছে। আমাকে বলা হয়েছে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গাটি আমাদের দিয়ে দেন এখানে আমরা বিদেশি মেহমানখানা বানাবো। তাদের এই প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। হামলা চালিয়ে একজন গার্ডকে, যিনি মুক্তিযোদ্ধা তাকে আহত করা হয়েছে। একটি জঙ্গি ও মৌলবাদী শ্রেণি তৈরি করার জন্য (যারা আমার কাছে এই জমি চেয়েছে) এবং তাদের আদর্শ প্রচার করার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীকে ফান্ডিং (অর্থায়ন) করছে। আর এই জায়গা দখলের জন্যই তারা কিছু শিক্ষার্থীকে দিয়ে (যারা ফেল করেছে এবং আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল) আমাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় পোশাক নিষিদ্ধের আন্দোলনে নামিয়েছে। জমি দখলের জন্যই তাবলীগ আইইউবিএটিকে অস্থিতিশীল করছে বলে তিনি স্পষ্টভাবে অভিযোগ করেন।
------------------ মুলে আছে প্রফেসর ড. আলিমুল্লাহ মিয়ান।

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://i-onlinemedia.net/archives/8424

কাল পতাকা
12-09-2015, 08:28 AM
যাজাকাল্লাহ আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

চালিয়ে যান।

কাল পতাকা
12-09-2015, 12:34 PM
পুলিশ সদর দফতর ও মানবাধিকার সংগঠন সূত্রে এ তথ্য জানা যায় ২০০৯ সালে সারা দেশে চার হাজার ২১৯ জন খুন হয়েছেন। ২০১০ সালে তিন হাজার ৯৮৮ জন, ২০১১ সালে তিন হাজার ৯৭০ জন। ২০১২ সালের প্রথম চার মাসে খুন হয়েছে প্রায় ১৩০০০ তের হাজার। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১১ জানুয়ারিতে খুন হয়েছেন ২৭৮ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২৮০, মার্চে ৩১৬, এপ্রিলে ৩২৭, মেতে ৩২৫, জুনে ৩৩৬, জুলাইয়ে ৩৪১, আগস্টে ৩৮০, সেপ্টেম্বরে ৩৫৮, অক্টোবরে ৩৫৬, নভেম্বরে ৩৪৬ এবং ডিসেম্বরে খুন হয়েছেন ৩২৭ জন। চলতি বছরও এই খুনের সংখ্যা কমেনি। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ৩০৪, ফেব্রুয়ারিতে ৩২০, মার্চে ৩৩৮ ও এপ্রিলে ৩৪১ জন খুন হয়েছেন।

কাল পতাকা
12-09-2015, 12:50 PM
বাংলাদেশে মহাজোট সরকারের ইসলাম নিধন অভিযান


(তথ্যসূত্র-আমারদেশঅনলাইন)

বর্তমান মহাজোট সরকারের চার বছরে দেশে চরমভাবে বিদ্বেষের শিকার হয় ইসলাম, ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠান। ক্ষমতায় গেলে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন করা হবে না মর্মে নির্বাচনী ওয়াদা দেয়ার পর তা ভঙ্গ করে সরকার একের পর ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এতে হতবাক হয়ে যায় মানুষ। শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের এদেশে সংবিধান থেকে আল্লাহর ওপর আস্থা বাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিস্থাপন, কোরআন-সুন্নাহবিরোধী নারীনীতি প্রণয়ন, ইসলামবিরোধী ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতি চালু, বোরকাবিরোধী রায় ও পরিপত্র জারি, সরকারের কর্তাব্যক্তিদের ইসলামবিরোধী বক্তব্য, আল্লাহ, রাসুল (সা.) ও ইসলাম নিয়ে বিভিন্ন মহলের কটূক্তি, আলেমদের নির্যাতন, দাড়ি-টুপি ও বোরকাধারীদের হয়রানি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনে অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড, জেহাদি বইয়ের নামে অপপ্রচার, ইসলামী রাজনীতি দমন,হেফাজতে ইসলামকে দমন ও গণহত্যা এবং মাদরাসাবিরোধী ষড়যন্ত্রসহ সরকারের ব্যাপক ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষ। বর্তমান সরকার ইসলাম ধ্বংসের এজেন্ডা নিয়ে ক্ষমতায় এসে পরিকল্পিতভাবে ইসলামবিরোধী এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে ইসলামী দলের নেতারা মন্তব্য করেছেন।
হেফাজতের আলেম ওলামা গণহত্যা
এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নাস্তিক মুরতাদদের আস্ফালন ভয়ানকভাবে বেড়ে গেছে। কারণ আওয়ামী লীগ হচ্ছে নাস্তিক মুরতাদদের পৃষ্টপোষক। তারা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিভিন্ন অনলাইন,পত্র-পত্রিকাতে ইসলাম,আল্লাহ,রাসুল এবং ইসলামের বিভিন্ন বিধি বিধান নিয়ে ভয়ানকভাবে কটুক্তিতে নেমেছে নাস্তিকরা। এ ব্যাপারে ২০০১২ সালে মহামান্য হাইকোট এসব ব্লগ ও ব্লগারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারকে নিদেষ দিয়েছিল। কিন্তু সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে তাদেরকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় লালন-পালন করতে লাগলেন। আর এরকম কিছু ব্লগারের উদ্যোগে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেখান থেকে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী এবং ইসলামী ব্যাংক বন্ধের ঘোষনা দেয়া হয়। তাদের ইসলাম বিদ্বেষী কাজের কারণে এসব ইসলাম বিরোধী কাজের প্রতিরোধের জন্য হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশে নামের একটি সংগঠনের আবিভাব ঘটে। যাদের আন্দোলনে গণ মানুষের গণ সমথন মেলে। এরই প্রেক্ষাপটে তারা ৬এপ্রিল রাজধানীর শাপলা চত্বরে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সব মহাসমাবেশ আয়োজন তাক লাগিয়ে দেয়। সেই মহাসমাবেশ থেকে ১৩ দফা দাবী ঘোষনা করে তা বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে ৩০ এপ্রিল পযন্ত সময় দেয়। এবং পরবতী কমসূচী হিসাবে বিভিন্ন মহানগন ও জেলায় তারা শানে রাসুল (সাhttp://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/css/images/emot-slices_03.gif সম্মেলনের মাধ্যমে তারা তাদের দাবীর যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। কিন্তু সরকার তাদের দাবী গুলো সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেই ক্ষান্ত হন নাই, তাদের দাবীর বিরুদ্ধে সরকার সমথক সকল গোষ্ঠিকে মাঠে নামানো হয় হেফাজতকে দমনের জন্য। আর হেফাজতে ইসলামও তাদের দাবী বাস্তবায়নে অনড় অবস্থানে এরই প্রেক্ষাপটে তাদের পূব ঘোষিত কমসূচির অংশ হিসাবে গত ৫ই মে রাজধানী ঢাকা অবরোধের শান্তিপূণ কমসূচি তারা পালন করে। সেই কমসূচিতে সরকারী পুলিশ,আওয়ামী লীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের গোন্ডা বাহিনী সকাল থেকেই তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে নিবিচারে গুলি টিয়ারশেল গ্রেনেড দিয়ে হামলা করে তাদের কমসূচিকে ভন্ডুল করতে চেষ্ঠা করে। এর পরও তাদের কমসূচি অব্যাহত থাকে। তাদের কমসূচিকে বিতকিত করার জন্য যুবলীগের নেতৃত্বে পল্টনে বইয়ের দোকানে হামলা করে পবিত্র কোরআন শরীফ পোড়োনো হয়, স্বণের দোকানে লুটপাট করা হয়। এর পরও তারা ধৈয ধারণ করে রাজধানীর শাপলা চত্বরে অবস্থান গ্রহণ করে। এবং তাদের প্রতি সরকার ও সরকার দলীয় সন্ত্রাসের কারণে তাদের দাবী গ্রহণের আল্টিমেটাম দিয়ে তারা শাপলা চত্বরে দাবী আদায় না হওয়া পযন্ত অবস্থানের ঘোষনা দেয়।আর এতেই সরকারের হাটবিট বেড়ে যায়। তাদের এ অবস্থানের কারণে মুসাফির হিসাবে তাদের প্রতি সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্যই ঢাকা বাসী ও ১৮ দলীয় নেতাকমীদের প্রতি আহবান জানান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আর এতেই সরকারের হাটবিট আরো দ্বিগুন বেড়ে যায়। খালেদা জিয়ার আহবানের আগে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সন্ধার আগে ঢাকা ছাড়ার জন্য হেফাজতকে হুক্কার দেন। এরপরও হেফাজত নেতাকমীরা শাপলা চত্বরে অবস্থান গ্রহন করে। তারা সেখানে যিকির,দোয়া,তেলাওয়াত, বক্তব্য ইত্যাদীর মাধ্যমে রাত যাপনের সিদ্ধান্ত নেন। এরই প্রেক্ষাপটে সরকার নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ভারতের সহযোগিতায় গভীর রাতে হেফাজতে ইসলাম কে সরানোর জন্য ভয়ংকর যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে ঘুমন্ত নিরীহ তৌহিদী জনতার উপর ঝাপিয়ে পড়ে।রোববার মাঝ রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে জিকিররত আলেমদের বুকে একযোগে গুলি চালিয়েছে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও সরকারি দলের সশস্ত্র ক্যাডাররা। চারদিক থেকে আসতে থাকে ঝাঁকে ঝাঁকে হাজার হাজার রাউন্ড গুলি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুলি এসে বিঁধতে থাকে আলেমদের বুকে। গুলিবিদ্ধ পাখির মতো রক্তাক্ত অসংখ্য আলেমকে পড়ে থাকতে দেখা যায় রাস্তায়। আলেমদের সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি আর তসবিহ রক্তে ভিজে চুবচুব করছিল। মতিঝিলের পিচঢালা কালো রাস্তা আলেম-ওলামাদের রক্তে লালে লাল হয়ে যায়। এত রক্ত ধুয়ে রাস্তা পরিষ্কার করতে হিমশিম খেতে হয় সরকারি কর্মচারীদের। আল্লাহ-রাসুল (সা.)-এর ইজ্জত রক্ষার দাবি নিয়ে এসে এসব আলেমকে জীবন দিতে হলো।
রাত আড়াইটার দিকে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন পড়ে আছে অনেকের নিথর দেহ। আবার অনেকে বেঁচে থাকার আকুতি জানাচ্ছিলেন সরকারি বাহিনীর কাছে। বাধার কারণে ছবি তুলতে পারেনি ফটোসাংবাদিকরা। দিগন্ত টিভি কিছু কিছু ফুটেজ সরাসরি দেখাচ্ছিল বলে চ্যালেনটি তাত্ক্ষণিক বন্ধ করে দেয়া হয়। একই কারণে বন্ধ করে দেয়া হয় ইসলামিক টিভির সম্প্রচার। চতুদিক থেকে তাদের উপর বৃষ্টির মতো গুলি বোম ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তাদের বেপরোয়া হামলায় হাজার হাজার হেফাজতের নিরীহ নেতাকমী শাহাদাত বরণ করেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের সবাই একমত যে, মহাজোট সরকারের এ গণহত্যা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের গণহত্যাকেও হার মানিয়েছে। দেশী ও বিদেশী মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ অভিযানকে স্বাধীনতার পরে সবচেয়ে গণহত্যা হিসাবে অভিহিত করেছে। তাদের উপর ইতিহাসের ভয়ংকর গণহত্যা চালানোর পর তাদের লাশ গুলো গোপনে গুম করে ফেলা হয় তাদের নিষ্ঠুরতা লুকানোর জন। বিরোধী দলসহ দেশের সচেতন সকল মহল একে গণহত্যা আখ্যায়িত করে এর কঠোর নিন্দা জানান। দেশী বিদেশী মিডিয়ায় এ গণহত্যা নিয়ে তোলপাড় চললেও আমাদের দালাল মিডিয়াগুলো নিশ্চুপ। আর এ গণহত্যা ফাস হওয়ার ভয়ে ইতিমধ্যে দিগন্ত ও ইসলামিক টিভি বন্ধ করে দেয়া হয়। আওয়ামীলীগের এ নিষ্ঠুরতায় সারা দেশবাসী শোকাহত। কিন্তু এর মাধ্যমে তারা নিজেদেরই পায়ে নিজেরা কুড়াল মেরেছে। আর এর মাধ্যমে তারা তাদের সেই চির চিনা ইসলাম বিদ্বেষী মুখোশ জনসাধারণের সামণে আবারো উন্মোচন করল। এভাবে গণহত্যা চালিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ পার পায় নাই। আমরা ২৫শে মাচের কালো রাত্রি দেখি নাই,কিন্তু শেখ হাসিনার কল্যাণে সেই কালো রাত্রির ভয়াবহতা আমরা উপলব্ধি করতে পেরেছি। আর এসব গণহত্যা চালিয়ে তিনি প্রমাণ করলেন তিনি আসলে গণতন্ত্রের মানস কণ্যা নন, দেশরত্না নন, তিনি গণহত্যার নেত্রি! ইতিহাসে হয়ত তিনি এ নামেই খ্যাতী লাভ করবেন?
জামাত-শিবির নিধন অভিযান
আওয়ামী মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গত চার বছরে জামাত-শিবিরকে নিধন করার জন্য রাষ্ট্রীয় সকল শক্তি ব্যয় করে প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। *যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে জামাতের শীষ নেতাদের রাসুল (সাhttp://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/css/images/emot-slices_03.gif কে অবমাননার একটি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে আরো অসংখ্যা মামলায় জড়ানো হলো। যারা তাদের পুরো জীবনটাই রাসুল (সাhttp://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/css/images/emot-slices_03.gif এর আদশ বাস্তবায়নের জন্য নিবেদিত প্রাণ তাদেরকেই জড়ানো হলো রাসুল (সাhttp://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/css/images/emot-slices_03.gif এর অবমাননার মামলায়।এর পর থেকে শুরু হলো সারা দেশে জামাত-শিবির নিধন অভিযান। হামলা,মামলা আর দমন নিপীড়নের মাধ্যমে জামাত-শিবিরের উপর চালানো হয় মধ্যযুগীয় ববরতা। কিভাবে ট্রাইবুনালকে ব্যবহার করে জামাতের শীষ নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলানোর চক্রান্ত করা হচ্ছে তার উল্লেখ পাওয়া যায় স্কাইফি কেলেংকারীতে। যার দায় স্বীকার করে ইতিমধ্যে ট্রাইবুনাল চেয়ারম্যান নিজামুল হক পদত্যাগ করেছেন। ইতিমধ্যে ৩ জনের রায় দেয়া হয়েছে। জামাতের সাবেক নেতা মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ফাঁসির রায়, জামাত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লা কে যাবতজীবন কারাদন্ড, আর জামাতের নায়েবে আমীর আন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসীরে কোরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় দেয়া হয়েছে। এ রায়ের প্রতিক্ষিয়ায় ক্ষুব্ধ জনসাধারণকে দমনের জন্য পাখির মতো গুলি করে কয়েকদিনে প্রায় ১৭০ জনের মতো নিরীহ লোককে হত্যা করা হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনসাধারণের রোষানলে পড়ে ৭ জন পুলিশও নিহত হয়। শুধু আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায়ের দিন বিক্ষুব্ধ জনসাধারণকে দমনের জন্য গুলি করে ৫৬ জনকে হত্যা করা হলো। যা স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে এতো বড় গণহত্যার ঘটনা আর ঘটে নাই। যা নিয়ে দেশে বিদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়েছে। ফাঁসির রায়ের অপেক্ষায় আছেন জামাতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আজম,জামাতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রোটারী জেনারেল আলী আহসান মো: মুজাহিদ, জামাত নেতা কামারুজ্জমান সহ আরো কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা। জামাত শিবিরের নিধনের অভিযান হিসাবে জামাতের সকল কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে জেলা পযায়ের বড় বড় সব নেতাদের গ্রেফতার করে জড়ানো হয়েছে শত শত মামলায়। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেফতার করা হয়েছে শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে রিমান্ডের নামে ইতিমধ্যে তাকে ৩২ দিনের নিমম নিযাতন করনা হয়েছে। আরো রিমান্ডের নেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে তাকে সারা দেশের প্রায় ৩শ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এভাবে গণহত্যা,ফাঁসির রায়,মামলা হামলা ইত্যাদীর মাধ্যমে জামাত শিবিরকে নিধনের ভয়াবহ তৎপতায় মেতেছে সরকার। এভাবে কি একটি আদশিক দলকে নিধন করা সম্ভব হবে?
ইসলামবিরোধী আইন ও নীতি প্রণয়ন :

শুধু ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডই নয়, গত চার বছরে সরকার একের পর এক কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক বেশকিছু আইন ও নীতি প্রণয়ন করেছে। ধর্মপ্রাণ মানুষের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও গত চার বছরে সরকার কোরআন-সুন্নাহবিরোধী নারীনীতি প্রণয়ন, ইসলামবিরোধী জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর,
বোরকাবিরোধী তত্পরতা ও পরিপত্র জারি, সংশোধনীর নামে সংবিধান থেকে আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস বাদ দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা সংযোজনসহ বেশকিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ ধ্বংসে সরকার পরিকল্পিতভাবে এসব আইন করছে বলে মন্তব্য করেছেন সম্মিলিত ওলামা-মাশায়েখ পরিষদ নেতা ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী।
সরকার ক্ষমতায় আসার তিন মাসের মাথায় মরহুম অধ্যাপক কবির চৌধুরীর নেতৃত্বে যে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটি গঠন করেছিল, শুরু থেকেই তার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল বিভিন্ন সংগঠন। পরবর্তীতে ওই কমিটির ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতির যে রিপোর্ট দেয়তা প্রত্যাখ্যান করে সেটি সংশোধন বা বাতিলের জোর দাবি জানান সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু এসব দাবি ও আলেম-ওলামাদের মতামত উপেক্ষা করেই সরকার শিক্ষানীতি চূড়ান্ত করে এবং ২০১০ সালের ৭ ডিসেম্বর তা সংসদে পাস হয়। এতে সংশ্লিষ্ট মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ফলে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই বছর ২৬ ডিসেম্বর সম্মিলিত ওলামা-মাশায়েখ পরিষদ হরতালের ডাক দিলে সরকার দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলে তা স্থগিত করা হয়। কিন্তু সে দাবি আর বাস্তবায়ন করেনি সরকার।
নাটোরের সরকারি রানী ভবানী মহিলা কলেজে বোরকা পরে আসতে মানা শিরোনামে ২২ আগস্ট একটি দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার প্রেক্ষিতে এবং এ সম্পর্কে কোর্টের তত্পরতার পর সরকারও উদ্যোগী হয়। বোরকা পরতে বাধ্য করা যাবে না বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেও একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
নারী-পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করার ব্যাপারে ধর্মীয় দলগুলোর প্রতিবাদ উপেক্ষা করে সরকার গত বছরের ৭ মার্চ মন্ত্রিসভায় কোরআন-সুন্নাহবিরোধী নারীনীতির খসড়া অনুমোদন করে। এটি বাতিল বা সংশোধনের জন্য ব্যাপক আন্দোলন, এমনকি হরতাল পালিত হলেও এখনও পর্যন্ত সরকার অনড় অবস্থানে রয়েছে। এদিকে গত বছরের ৩০ জুন সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী গ্রহণ করে সংবিধানের মূলনীতি থেকে আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস বাদ দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিস্থাপন করা হয়। শুধু তাই নয়, এতে বিসমিল্লাহর বিকৃত অনুবাদ সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়া সংবিধান থেকে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন সংক্রান্ত ধারা বাদ দেয়া হয়েছে।

কর্তাব্যক্তিদের ইসলামবিরোধী বক্তব্য :

গত চার বছরে সরকারের কর্তাব্যক্তিদের লাগামহীন ইসলামবিরোধী ও বিতর্কিত বক্তব্যে সারাদেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। গত বছর অক্টোবরে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেনএবার গজে চড়ে মা দুর্গা আসায় ফসল ভালো হয়েছে। একই বছর ১৩ জুলাই এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ বলেছিলেনআমি হিন্দুও নই, মুসলমানও নই। আর সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী বলেছেনসংবিধান থেকে ধর্মের কালো ছায়া মুছে ফেলা হবে। ২০০৯ সালে পৃথক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমান বলেছিলেন, সব ধরনের ফতোয়া নিষিদ্ধ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, সম্পত্তিতে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করা হবে।

২০০৯ সালের ১ এপ্রিল একটি অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তব্যে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছিলেন, কওমী মাদরাসাগুলো এখন জঙ্গিদের প্রজনন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কওমী মাদরাসাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ বিস্তার লাভ করেছে। এসব কওমী মাদরাসায় যে শিক্ষা দেয়া হয়, তা কূপমণ্ডূকতার সৃষ্টি করছে। ৭৫-পরবর্তী সামরিক শাসনামলে বিভিন্ন সংশোধনী এনে ৭২-এর সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনাকে নস্যাত্ করার ফলেই এবং ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণার পর ধর্মের নামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়েছে। একই বছর পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, ধর্ম তামাক ও মদের মতো একটি নেশা। রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ব্যাঙের ছাতার মতো কওমী মাদরাসাগুলো গজিয়ে উঠেছে। গত ১০ ডিসেম্বর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া বলেছেন, রাসুল (সা.) মসজিদের অর্ধেক জায়গা হিন্দুদের জন্য ছেড়ে দিয়েছিলেন।
মন্ত্রীদের পাশাপাশি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি শামীম মোহাম্মদ আফজালের বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যও ছিল আলোচনার বিষয়। ২০০৯ সালের ২৮ মার্চ এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি বলেন, পৃথিবীতে যত সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রয়েছে, তার সবই ইসলাম ও মুসলমানদের মধ্যে (!)। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের মধ্যে কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নেই। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানরা সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত নয়। গত বছর ১০ ডিসেম্বর ইমামদের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রাসূল (সা.) মসজিদের অর্ধেক জায়গা ইহুদিদের জন্য ছেড়ে দিয়েছিলেন। এর কদিন আগে তিনি বলেছিলেন, জিহাদ বিদায় করতে হবে। ২০১০ সালের এপ্রিলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা আল্লাহর ক্ষমতা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। এছাড়া মার্চের দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াতের পরিবর্তে রবীন্দ্রসঙ্গীত দিয়ে শুরু করা হয়।

আল্লাহ, রাসুল ও ইসলাম নিয়ে কটূক্তি :

এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে ইসলাম নিয়ে কটুক্তির মহোৎসবে মেতেছে এক শ্রেণীর মানুষ। গত চার বছর সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন মহল থেকে আল্লাহ, রাসুল (সা.) ও ইসলাম নিয়ে অসংখ্য কটূক্তি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবিতে ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভ সত্ত্বেও সরকার তাদের শাস্তির পরিবর্তে অনেককে পুরস্কৃত করেছে। ২০১০ সালের ১ আগস্ট বিশ্বশান্তি পরিষদের প্রেসিডেন্ট দেবনারায়ণ মহেশ্বর পবিত্র কোরআন শরিফের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। রিট আবেদনে তিনি দাবি করেন, হজরত ইবরাহিম (আ.) তাঁর বড় ছেলে ইসমাইলকে (আ.) কোরবানির জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন বলে যে আয়াত পবিত্র কোরআন শরিফে রয়েছে, তা সঠিক নয়। তিনি দাবি করেন, হজরত ইবরাহিম (আ.) তাঁর ছোট ছেলে হজরত ইসহাককে (আ.) কোরবানি করতে নিয়ে যান। এ বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা ও কোরআনের আয়াত শুদ্ধ করার জন্য দেবনারায়ণ মহেশ্বর আদালতের কাছে প্রার্থনা করেন। আদালত রিট খারিজ করে দেয়ার পর দেবনারায়ণের এ চরম হঠকারি ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডে আদালতে উপস্থিত আইনজীবীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে দেবনারায়ণকে পুলিশের পাহারায় এজলাস থেকে বের করে তাদের ভ্যানে প্রটেকশন দিয়ে আদালত এলাকার বাইরে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যায়।
গত বছর ১৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর পিতৃভূমি টুঙ্গিপাড়ার জিটি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক শঙ্কর বিশ্বাস দশম শ্রেণীর ক্লাসে দাড়ি রাখা নিয়ে সমালোচনাকালে হজরত মোহাম্মদকে (সা.) ছাগলের সঙ্গে তুলনা করেন। এতে ওই ক্লাসের ছাত্রছাত্রীসহ এলাকাবাসীর মধ্যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে শঙ্কর বিশ্বাস টুঙ্গিপাড়া থেকে পালিয়ে যায়। একই বছর ২৬ জুলাই ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মদন মোহন দাস মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) এবং পবিত্র হজ নিয়ে কটূক্তি করেন। সহকর্মী শিক্ষকদের সঙ্গে এক সভায় তিনি মন্তব্য করেন, এক লোক সুন্দরী মহিলা দেখলেই বিয়ে করে। এভাবে বিয়ে করতে করতে ১৫-১৬টি বিয়ে করে। মুহাম্মদও ১৫-১৬টি বিয়ে করেছে। তাহলে মুসলমানদের মুহাম্মদের হজ করা স্থান মক্কায় গিয়ে হজ না করে ওই ১৫-১৬টি বিয়ে করা লোকের বাড়িতে গিয়ে হজ করলেই তো হয়। এ ঘটনায় ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে সরকার তাকে অন্যত্র বদলি করে শাস্তির আড়ালে পদোন্নতি দেয়।
একইভাবে মানিকগঞ্জে বিশ্বজিত মজুমদার কর্তৃক রাসুল (সা.) এর জন্ম এবং পবিত্র কোরআন নিয়ে কটূক্তি, বাগেরহাটের এক হিন্দু কাবা শরিফের হাজরে আসওয়াদকে শিব লিঙ্গের সঙ্গে তুলনা, খুলনার পাইকগাছায় আরেক হিন্দু মহান আল্লাহ সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য, নেত্রকোনার চন্দ্রনাথ হাইস্কুল গেটের কোরআনের আয়াত সংবলিত সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা, বাগেরহাটের কচুয়ায় এক হিন্দু কর্তৃক মহান আল্লাহর ছবি ব্ল্যাকবোর্ডে অঙ্কন করা, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে রাসুল (সা.) সম্পর্কে হিন্দু কর্তৃক চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শন এবং ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক হিন্দুর রাসুল (সা.) এর প্রতি কটূক্তিসহ বিভিন্ন মহল থেকে এ ধরনের ইসলামবিরোধী বক্তব্য স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড :

দেশের সর্ববৃহত্ সরকারি ইসলামী প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশনে গত তিন বছরে ব্যাপক দুর্নীতি, ইসলামবিরোধী ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সর্ব মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত না হয়েও জজ থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি হিসেবে শামীম মোহাম্মদ আফজাল নিয়োগ পাওয়ার পরপরই শীর্ষ আলেমরা তাকে একজন প্রতিষ্ঠিত মাজারপন্থি ও কবর পূজারি হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। নিয়োগ পাওয়ার পর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি অবশ্য একথার প্রমাণ দিতে সক্ষম হয়েছেন। দেশের একাধিক পীরের ঘনিষ্ঠ মুরিদ দাবিদার শামীম মোহাম্মদ আফজাল তার ধ্যান-ধারণা প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে এরই মধ্যে মাজার-খানকাপন্থিদের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছেন। এসব জায়গায় হাক্কানি আলেম-ওলামাদের দরজা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ইসলাম ও ইসলামী প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করতেই ইসলামী চিন্তা-চেতনা বিরোধী এই ডিজিকে আওয়ামী লীগ সরকার নিয়োগ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী।
২০১০ সালে রমজানে সম্পূর্ণ মনগড়াভাবে ইফার উদ্যোগে তাদের পছন্দের আলেমদের নিয়ে ১০০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হলে সারাদেশে বিতর্কের ঝড় ওঠে। একপর্যায়ে ফিতরার সর্বনিম্ন ১০০ টাকার স্থলে ৪৫ টাকা নির্ধারণে বাধ্য হয় তারা। দীর্ঘদিন ধরে হামদ, নাত ও ইসলামী সঙ্গীত তথা ইসলামী সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিশেষ ভূমিকা থাকলেও বর্তমানে সেই ঐতিহ্য ম্লান হতে চলেছে। এখন এসব সংস্কৃতির বদলে অশ্লীল নাচ-গানের আসরের আয়োজন করা হয়। ২০১০ সালের ১৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইফার ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়া। অনুষ্ঠানে কাঙ্গালিনী সুফিয়ার সঙ্গে করমর্দনও করেন ডিজি শামীম মোহাম্মদ আফজাল। কাঙ্গালিনী সুফিয়ার একতারা এবং শরীর দুলিয়ে নাচ-গানে বিব্রত অবস্থায় পড়েন উপস্থিত ইমামরা। এছাড়া ১২, ১৩ ও ১৪ এপ্রিল ইফার ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ে জাতীয় শিশু-কিশোরদের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে হামদ ও নাতের বিচারক হিসেবে এমন শিল্পীদের আনা হয় যাদের অনেকেই ইসলামি সঙ্গীতের ধারার সঙ্গে পরিচিত নয়। এ নিয়ে তাত্ক্ষণিকভাবে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
একইবছর ২৭ নভেম্বর ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ঘটে সবচেয়ে বড় ঘটনা। ওইদিন আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে আসে একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল। এই প্রতিনিধিদলের সম্মানে আয়োজিত অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে ডিজির অনুরোধে ইমামদের সামনে মার্কিন তরুণ-তরুণীরা পরিবেশন করে অশ্লীল ব্যালে নৃত্য। অবশ্য এ নিয়ে বিভিন্ন মহলের প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ জানায় ব্যালে ড্যান্স নয় ৩৫ সেকেন্ডের সুয়িং ড্যান্স পরিবেশন করা হয়। গত বছর ঈদে মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠান উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে ফাউন্ডেশনের পরিচালক হালিম হোসেন খান অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে জনতার হাতে আটকের ঘটনায় সারাদেশে নিন্দার ঝড় ও তাকে বহিষ্কারের দাবি ওঠে। আজ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ তেমন কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
২০১০ সালে বায়তুল মোকাররম মসজিদের বিতর্কিত খতিব অধ্যাপক মাওলানা সালাহউদ্দিন কর্তৃক জাতীয় ঈদগায় ঈদুল ফিতরের নামাজে ভুল করা নিয়ে চরম সমালোচনার মুখে পড়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।


জঙ্গিবাদী জিহাদি বই নিয়ে অপপ্রচার ও নির্যাতন :

বর্তমান সরকারের চার বছরে আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দমনে ব্যাপকভাবে জঙ্গি ও জিহাদি বই বিরোধী প্রচারণা চালানো হয়। সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী, বিরোধী মতকে দমন বা ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্রের অন্যতম হাতিয়ার ছিল এটি। পুলিশ যখন যাকে ইচ্ছা জিহাদি বই পাওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করে। এ সময় বিভিন্ন ইসলামী দলের অসংখ্য নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়। পুলিশ জিহাদি বই উদ্বারের নামে যেসব পুস্তক আটক করে এর কোনোটিই সরকারিভাবে নিষিদ্ধ নয়।

২০০৯ সালের ১৯ জুন রাজশাহীতে জঙ্গি সন্দেহে ১৫ নারী ও শিশুকে গ্রেফতার করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওইদিন বিকালেই মুচলেকা দিয়ে তাদের মুক্ত ঘোষণার পর আবার ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের সম্পর্কে ব্যাপক তদন্ত করেও জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য পায়নি। শেষপর্যন্ত আদালত তাদের বেকসুর খালাস দিলে জুলাই মাসের ১ তারিখে ১১ দিন কারাবাস শেষে ১৫ জন নিরপরাধ নাগরিক মুক্তি পান। এরপরও পুলিশ সারাদেশে কোরআন-হাদিস ও ইসলামী বইপত্রকে জিহাদি বই আখ্যায়িত এবং বাসা ও অফিসে অভিযান চালিয়ে ধর্মীয় বই সংরক্ষণকারীদের জঙ্গি অভিযোগে গ্রেফতার নির্যাতন চালায়।

আলেমদের গ্রেফতার নির্যাতন :

গত চার বছরে দেশকে অনৈসলামিকীকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সরকার আলেম-উলামাদের গ্রেফতার ও নির্যাতনের মাধ্যমে নিষ্ক্রীয় এবং ভীত-সন্ত্রস্ত করে রাখার চেষ্টা চালায় বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী। সরকারের ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে আলেমরা যাতে মাঠে নামতে না পারেন সে জন্যই নানা উদ্যোগ নেয়া হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ২০০৯ সালের মে মাসে মিথ্যা একটি মামলায় ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আন্দোলনের মুখে তাকে ছেড়ে দেয় সরকার। এরপরও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। কোরআন-সুন্নাহবিরোধী নারীনীতি প্রণয়নসহ সরকারের বিভিন্ন অনৈসলামিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে গত বছরের ৪ এপ্রিল মুফতি আমিনীর ডাকে সারাদেশে হরতাল পালনের পর ষড়যন্ত্রের মাত্রা বেড়ে যায়। কিছুদিনের মাথায় তার ছেলে অপহরণ, তাকে গৃহবন্দি এবং ভিত্তিহীন মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে রাখা হয়েছে।
২০১০ সালের ২৯ জুন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার কথিত অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আটক করা হয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমির ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী এবং সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে। ওই মামলায় জামিন পেলেও পরে তাদের অন্য মামলায় আটক ও রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। গত বছরের ৪ এপ্রিলের হরতাল উপলক্ষে আগের দিন যশোরে আলেমদের একটি মিছিল বের হলে পুলিশ তাতে হামলা ও গুলি চালায়। এতে এক মাদরাসা ছাত্র ও হাফেজ নিহত হয়।

দাড়ি, টুপি ও বোরকাধারীদের হয়রানি :

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই দাড়ি, টুপি ও বোরকাধারীদের হয়রানি বেড়ে যায়। তার প্রমাণ আবারও পাওয়া গেছে গত চার বছরে।
২০০৯ সালের ২৩ এপ্রিল বরিশালের নিউ সার্কুলার রোডের এক বাড়িতে র্যাব হানা দিয়ে বোরকা পরে ধর্মীয় শিক্ষার জন্য জড়ো হওয়ার অপরাধে ২১ নারীকে গ্রেফতার করে। র্যাব সাংবাদিকদের কাছে তাদের অভিযানের সংবাদ জানালে তা ফলাও করে ছাপা হয়। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য না পেয়ে ২১ পরহেজগার নারীকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান দেয়া হয়। ঘটনার দীর্ঘ ২ মাস পর ২৩ জুন আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেন। একইভাবে বোরকা পরার অপরাধে ২০০৯ সালের ৩ জুলাই পিরোজপুর জেলার জিয়ানগরে ছাত্রলীগের বখাটে কর্মীদের প্ররোচনায় পুলিশ জঙ্গি সন্দেহে তিন তরুণীকে গ্রেফতার করে। তারপর পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে তিন তরুণীকে ঢাকায় টিএফআই সেলে নিয়ে আসা হয়। ৫৪ ধারায় গ্রেফতারকৃত তরুণীদের বিরুদ্ধে মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন অমর সিংহ। এ সময় তাদের বোরকা খুলতে বাধ্য করে মহাজোট সরকারের দিনবদলের পুলিশ। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদেও কোনো জঙ্গি সংযোগের কাহিনী বানাতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফাইনাল রিপোর্ট দিতে বাধ্য হয়। দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দি থেকে অবশেষে তিন অসহায়, নিরপরাধ তরুণী মুক্তি পায়।
২০১০ সালের ৩ এপ্রিল সংবাদপত্রে খবর প্রকাশিত হয় যে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. একেএম শফিউল ইসলাম তার ক্লাসে ছাত্রীদের বোরকা পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। তিনি ক্লাসে মধ্যযুগীয় পোশাক বোরকা পরা যাবে না এবং এটি সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের কোনো পোশাক হতে পারে না বলে ফতোয়া জারি করেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটি বিভাগীয় কোনো সিদ্ধান্ত নয়, তবে আমার ক্লাসে কোনো ছাত্রীকে আমি বোরকা পরতে দেব না।
২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাজধানীর ইডেন ও বদরুন্নেছা কলেজে বোরকাধারী ছাত্রীদের হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনায় সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ইডেন কলেজে বোরকা পরা ছাত্রীদের ধরে বোরকা খুলে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়। একই বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলেও তল্লাশির নামে পর্দানশীন ও নামাজি ছাত্রীদের হয়রানির ঘটনা ঘটে। এসব প্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের রুম থেকে ইসলামী বই পুস্তককে জিহাদী বই বলে তা জব্দ করে নিয়ে যায় পুলিশ। প্রশাসনের সহায়তায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সারাদেশে বোরকাধারী ছাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পায়জামা-পাঞ্জাবি ও বোরকা পরে আসতে নিষেধ করেন এক শিক্ষক। সর্বশেষ এক সপ্তাহ আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শাইখুল ইসলাম জিয়াদ নামের এক শিক্ষক বোরকা পরায় তিন ছাত্রীকে ক্লাস থেকে বের করে দেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে বর্তমান সরকারকে ইসলামবিরোধী হিসেবেও আখ্যায়িত করেন সংশ্লিষ্টরা।

ইসলামী রাজনীতি দমন :

মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসেই ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের ষড়যন্ত্র শুরু করে। সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে এই নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়ার শুরুতে অনেক মন্ত্রী-এমপি ঘোষণা দেন। সরকারের এই মনোভাবে আতঙ্কিত হয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে তৎপর হয়ে ওঠে ইসলামী সংগঠনগুলো। এক পর্যায়ে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী হলেও ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের উদ্যোগ থেকে পিছিয়ে আসে সরকার। কিন্তু কৌশলে ধর্মীয় দলগুলোকে দমনের পথ বেছে নেয় তারা। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, যে সরকারের আল্লাহর ওপর আস্থা নেই, দুর্গার ওপর আস্থা থাকে তাদের আর কিছু বাকি থাকে না। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলনকে খতম করার জন্য প্রতিবেশী দেশের ইঙ্গিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ৪০ বছরের মীমাংসিত ইস্যু এনে গায়ের জোরে রায় দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, বৃহত্ ইসলামী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে ধ্বংসের উদ্যোগ নেয় সরকার। গত তিন বছরে দলের আমির মাওলানা নিজামী ও শীর্ষ অনেক নেতাসহ ৩ হাজারের মতো নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। পাইকারিভাবে হামলা-মামলা ও জামায়াতের রাজপথের কর্মসূচি দমন অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে দলের ১ শহস্রাধিক নেতাকর্মী কারাগারে রয়েছেন।
অপর দিকে গত তিন বছরে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৫ জন নিহত, বহু সংখ্যক আহত হয়। আটক হন ১০ হাজারের মতো নেতাকর্মী। এদের মধ্যে এখনও ২৮৫ জন কারাগারে রয়েছেন।
গত বছরের ৪ এপ্রিল মুফতি ফজলুল হক আমিনীর ডাকে সারাদেশে হরতাল পালিত হওয়ার সময় থেকেই ইসলামী ঐক্যজোট ও ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির কর্মকাণ্ডের ওপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজে ছাত্রীদের হিজাব পরে ক্লাস এবং ওয়ার্ডে ডিউটি নিষিদ্ধ করেছে কলেজ প্রশাসন। এছাড়া কলেজের নামাজ ঘরেও ঝুলিয়ে দিয়েছে তালা। এ কেমন নির্যাতন??

মাদরাসাবিরোধী ষড়যন্ত্র :

গত তিন বছর ধরে মাদরাসা ও এর শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে চলেছে নানা ষড়যন্ত্র। সংশ্লিষ্টদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকার প্রণীত নতুন ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয় শিক্ষানীতিতে ধর্মীয় ও ইসলামী শিক্ষাকে সংকুচিত করা হয়েছে। আধুনিকায়নের নামে মাদরাসা শিক্ষার বিরুদ্ধে করা হয়েছে নানা ষড়যন্ত্র। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত প্রথা বাদ দিয়ে অযৌক্তিক শর্তারোপের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ সংকুচিত করা হয়েছে।
গণজাগরণ মঞ্চ ও ব্লগের কেলেংকারী
মহাজোট সরকারের ইসলাম বিদ্বেষের সবশেষ প্রমাণ পাওয়া যায় শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ ও ব্লগে ইসলাম বিদ্বেষী নানা কেলেংকারীর মাধ্যমে। ফেব্রুয়ারীর ৫ তারিখে জামাত নেতা কাদের মোল্লার যাবতজীবন কারাদন্ডের পর থেকেই শাহবাগ নামক স্থানে ভারতের অথায়ন আর সরকারের সাবিক পৃষ্টপোষকতায় যুদ্ধ্পরাধীদের ফাঁসি আর জামাত শিবিরের রাজনীতিসহ সকল ধমীয় রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবীতে কিছু ব্লগারদের নেতৃত্বে গণজাগরণ মঞ্চ গঠন করা হয়।যা থেকে ৬ দফা দাবী তোলা হয়। এরই প্রেক্ষাপটে সারা দেশে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি করা হয়। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাড়িয়ে গণজাগরণ মঞ্চের এসব দাবীর প্রতি পূণ সমথন ব্যক্ত করে তা বাস্তবায়নের ঘোষনা দেয়া হয়। এর পরই যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের আইন সংশোধন করে রাষ্ট্র পক্ষের আপিলের বিধান যুক্ত করা হয় যা আগে ছিল না। আন্দোলনরত এসব ব্লগার যে ইসলামের চরম বিদ্বেষী ছিলো তা কয়েক দিনের মধ্যে নানা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত থাকে। এতে ফুঁসে উঠে সারা দেশের ইসলাম প্রিয় তৌহিদী জনতা। এরই একজন রাজিব হায়দার নামে একজন ব্লগারের মৃত্য হয় যার ব্লগের নানা ইসলাম বিদ্বেষী কথা নানা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাজিবের বাসায় গিয়ে তাকে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ আখ্যা দেন। এরই প্রেক্ষিতে হেফাজতে ইসলাম নামে একটি অরাজরনৈতিক সংগঠন নাস্তিক ব্লগারদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। তাদের এ আন্দোলনে সারা দেশের সকল ইসলামী দল ও সংগঠনসমূহ সমথন ব্যক্ত করে । যার ফলে এ আন্দোলন সারা দেশে ব্যাপক জনসমথন লাভ করে। এ দাবিতে তারা রাজধানীর শাপলা চত্বরে ঐতিহাসিক লংমাচ ও মহাসমাবেশ পালন করে। যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেও ব্যাপক প্রভাবিত করে।এতে তারা ১৩ দফা দাবী পেশ করে। এসব কারণে গণজাগরণ ও হেফাজতে ইসলাম পরস্পর মুখোমুখি দাড়ায়। এরই প্রেক্ষাপটে সরকার হেফাজতের বিপক্ষে গিয়ে সরাসরি গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ নেয়। ফলে হেফাজতের পক্ষ থেকে এ সরকারকে নাস্তিক ও মুনাফিক সরকার আখ্যা দেয়া হয়। সরকার এখন হেফাজতের এসব ঈমানী দাবীকে মধ্যযুগীয় আখ্যা দিয়ে হেফাজতকে দমনের কৌশল অবলম্বন করেছে। যাতে প্রকাশিত হয়েছে সরকার আসলেই নাস্তিকদের পৃষ্টপোষক। যদিও হেফাজতের লংমাচকে সরকার অনেক বাধা দান করেও দমতে পারে নাই। তাই এখন হেফাজতের *বিরুদ্ধে সরকার পন্থী নারীবাদী সহ সকল সংগঠনকে নামানো হয়েছে। আগামী ৫ই মে ঢাকা অবরোধ কমসূচিকে বানচাল করার জন্য সরকার উঠে পড়ে লেগেছে। ভারতের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার দেশের সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের ঈমান আকিদার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নাস্তিকদের পক্ষ অবলম্বন করে হেফাজত ইসলামের মহাজাগরণকে দমন এবং নাস্তিক ব্লগারদের লালনের কৌশল নিয়ে ভূল পথে পা বাড়িয়েছে।
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী সরকারের ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে বলেছিলেন, এ সরকার ইসলাম ধ্বংসে যত কাজ করার দরকার তার সবই অবলম্বন করছে। শেখ হাসিনার সরকার বাদশাহ আকবরের মতো দ্বীনে এলাহী প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে। তার কাছে মুসলামানদের কোনো দাম নেই, রবীন্দ্রনাথ ও নাস্তিক-মুরতাদদের দাম রয়েছে। আসলে এ সরকার ইসলাম ধ্বংসের এজেন্ডা নিয়েই ক্ষমতায় এসেছে এবং সেই কাজ করছে। তাই এ সরকারের পতন ছাড়া এ দেশে ইসলাম রক্ষার আর কোনো পথ খোলা নেই। খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে। গোড়া থেকেই তারা ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি বৈরী মনোভাব প্রকাশ করে আসছে। ইসলামের কথা শুনলেই তাদের মাথাব্যথা হয়। তাদের সময় দেব নারায়ণদের মতো ইসলাম বিদ্বেষীরা উত্সাহিত হয়। এভাবে ইসলাম বিরোধী কাজের মাধ্যমে বাক্ষ্রণ্যবাদী ভারতের পরিকল্পনা মাফিক দেশ থেকে ইসলাম নিধনের অভিযানে নেমেছে আওয়ামী মহাজোট সরকার। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় ইসলাম নিধন করতে গিয়ে মুসলিম নামদারী শাসকরাই ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। ইতিপূবে ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেও আওয়ামীলীগ সরকার তাদের ইসলাম বিদ্বেষী কাজের কারণে জনগণ কৃতক প্রত্যাখাত হয়েছে। তাই জরুরী সরকার ও ভারতের বস্তাভতি টাকার বিনিময়ে ক্ষমতায় আসতে হয়েছে। তাইতো ২০২১ সাল পযন্ত ক্ষমতায় থাকতে তারা দেশের ইসলাম পন্থীদের নিধনের মাধ্যমে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চায়। কিন্তু ৯০ ভাগ মসুলমানদের এ দেশে, পীর মাশায়েখদের এ পূণভূমিতে এটি কখনো সম্ভব নয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে দেশে জনসাধারণের যে গণজাগরণ শুরু হয়েছে তার স্রোতে বাংলাদেশে সকল ইসলাম নিধনের সকল অভিযান জন স্রোতে ভেসে যাবে ইনশাল্লাহ।

musafir2
12-10-2015, 06:27 PM
সম্পত্তিতে সম-অধিকার
http://static.bbci.co.uk/frameworks/barlesque/3.2.4/orb/4/img/bbc-blocks-dark.png
http://static.bbci.co.uk/news/1.103.0490/img/brand/generated/bengali-light.svg
বিবিসি বাংলা, ঢাকা
২৬ অক্টোবর ২০১৪

"বাংলাদেশের দুজন নারী দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ পদে রয়েছেন কিন্তু তারপরেও নারীর ক্ষমতায়নে কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে তা রাজনৈতিকভাবে মূল্যায়ন অত্যন্ত কঠিন।"
বিভিন্ন ধরনের আইন বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও নারীর অধিকার সহ অনেক বিষয় নিশ্চিত করা যায়নি। কারণ এসব বিষয়ের অনেকগুলোর ক্ষেত্রেই ধর্মীয় নীতি মেনে নেয়া হয়।
তবে মূলত আইনের শাসন নেই বলেই নারী তার অধিকার পায়না।
“সিডো সনদের যে অঙ্গিকার করেছে বাংলাদেশ তা করতে হলে আইন পরিবর্তন করতে হবে। কিন্তু পারেননা এ কারণে যে মানুষের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে”।
----------------- আসাদুজ্জামান রিপন
বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক
বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ

.................................................. .................................................. ..............

সম্পত্তিতে নারীর অধিকার বৈষম্য পূর্ণ। তবে সরকার সমানাধিকারের বিষয়ে ধীরে এগুতে চায়। এজন্য নারী উন্নয়ন নীতিমালার আলোকে কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন একবারেই এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হবেনা।
“আপাতত যে অধিকার আছে নারী কিন্তু সেটুকুও ভোগ করতে পারেননা। দেখা যায় গ্রামাঞ্চলে ভাইরা দখল করে নিয়ে যান বা নারীদের জোর কম বলে যেটুকু অধিকার সেটুকুও পাননা। যেটুকু আছে আমরা সেটুকু আগে নিশ্চিত করতে চাই”।
---------------- তারানা হালিম
আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য
বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ
সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.bbc.com/bengali/news/2014/10/141026_rh_sanglap88

musafir2
12-10-2015, 06:34 PM
হিন্দু মুসলমানদের সমান অধিকার

http://shibcharbarta.com/wp-content/uploads/2014/11/Shibchar-barta-logo.jpg

জননেত্রী শেখ হাসিনার নের্তৃত্বে হিন্দু মুসলমানদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। আমরা জঙ্গিবাদী শক্তির বিনাশ চাই। এটা জনগণের অধিকার। আর এই অধিকার আদায় করার জন্যই আওয়ামীলীগের রাজনীতি।
----------------আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম
মাদারীপুর-৩ আসনের এমপি ও কেন্দ্রীয় আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক
মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিন বঙ্গের সর্ববৃহৎ কালকিনির কুন্ডু বাড়ির মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলে।
সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://shibcharbarta.com/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A 6%87%E0%A6%AD/8231

musafir2
12-10-2015, 06:37 PM
‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে সব মানুষের সমান অধিকার’:প্রধানমন্ত্রী

http://bdview24.com/bn/wp-content/uploads/2015/09/logo-e1442106916633.png
20/10/2015

দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। এর মানে দেশের সব মানুষের সমান অধিকার। এর মাধ্যমে সবাই যার যার ধর্ম সুষ্ঠুভাবে পালন করবেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে জন্ম নেয়া প্রত্যেক নাগরিক সমান অধিকার নিয়ে বাস করবে।
----------------------- শেখ হাসিনা
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরীতে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা। পরে পূজামন্ডপ পরিদর্শন শেষে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় কালে তিনি একথা বলেন।
বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে আসেন প্রধানমন্ত্রী । এ সময় তাতে শঙ্খ বাজিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশা নন্দ মহারাজ এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে ক্রেস্ট দিয়ে অভ্যর্থনা জানান মিশন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বিচারপতি (অব.) গৌড় গোপাল সাহা, প্রবীর সাহা, মিশনের শিক্ষক জয় প্রকাশ প্রমুখ।

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://bdview24.com/bn/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A 6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D% E0%A6%B7%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AC/

musafir2
12-11-2015, 10:00 AM
সুলতানা কামাল : আমরা কি হাল্লা রাজার দেশে বাস করছি?

http://www.amardeshonline.com/img/amardesh.png

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৭:২৫ অপরাহ্ন

‘এখন কথা বলতে অনেক চিন্তা ভাবনা করতে হচ্ছে। বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বেশি শঙ্কা কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া হচ্ছে কি না।
অভিজিৎরা (ব্লগার অভিজিৎ রায়) নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। আর এসব ক্ষেত্রে রাষ্ট্র আশ্চর্যজনকভাবে নিশ্চুপ। ব্লগারদের প্রসঙ্গে পাল্টা কথা শুনতে হচ্ছে—আপনাদেরও সাবধান হওয়া উচিত ছিল।
ধর্মবিশ্বাস মানে যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। মানুষ মানুষকে কেন তার জন্য হত্যা করবে? যে সরকার নিজেকে গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে দাবি করে, সেই সরকারের আমলে এগুলো শোভা পায় না।
---------------- সুলতানা কামাল
নির্বাহী পরিচালক, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক)
বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে সুলতানা কামাল এসব কথা বলে.

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.amardeshonline.com/pages/details/2015/12/11/314577#

musafir2
12-11-2015, 10:54 AM
ইফা ছাড়া অন্য কারো হালাল সনদ দেয়ার এখতিয়ার নেই : ডিজি
http://www.dailynayadiganta.com/assets/images/logo.png

২৫ নভেম্বর ২০১৫,বুধবার, ১৮:৫১

বাংলাদেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনই হালাল সনদ প্রদানের একমাত্র স্বীকৃত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। অন্য কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের এ কার্যক্রম পরিচালনার কোনো এখতিয়ার নেই। অবৈধভাবে হালাল লোগো ও সনদ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হালাল পণ্য বিপনণের স্বার্থে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২০০৭ সাল থেকে অস্থায়ীভিত্তিতে হালাল সনদ প্রদান শুরু করে। মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে হালাল পণ্যের প্রতি আগ্রহ, হালাল সেক্টরের উন্নয়ন এবং ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের হালাল মার্কেটে বাংলাদেশী পণ্য রফতানির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন হালাল সনদ কার্যক্রম গতিশীল করছে।
----------------সামীম মোহাম্মদ আফজাল
মহাপরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)
ইসলামিক ফাউন্ডেশন আগারগাঁও সভাকক্ষে আজ বুধবার হালাল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায়

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/72412

musafir2
12-11-2015, 11:23 AM
আওয়ামীলীগের আমলে ইসলামকে নিয়ে কঠুক্তির কিছু নমুনাঃ
লেখক আবীর || সোমবার, ৬ জুলাই ২০১৫ - ১২:২৯am

1. তথাকথিত আল্লাহর শাসন দিয়ে কিছু হবেনা--সৈয়দ আশরাফ!
2. আগামীতে ক্ষমতায় আসলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামও তুলে দেব-- সুরঞ্জিত (( কালো বিড়াল))
3.কোরআনের তাফসিরের প্রকাশনা বন্ধ করতে হবে --ইফা ডিজি!
4.আগামীতে ক্ষমতায় এলে ধর্মের ছায়াটুকুও মুছে ফেলা হবে-- সাজেদা চৌধুরী!
5.ধর্ম হল নেশার মত--আব্দুল লতিফ (পাট মন্ত্রী)
6.রাসুল (সাঃ)কে কটুক্তি করা স্বাভাবিক বিষয়,এটা নিয়ে হৈচৈ করা ঠিক নয়-- তথ্যমন্ত্রীইনু!
7.রাসুল (সাঃ) হিন্দুদের পূজার জন্য মসজিদের অর্ধেক জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন--ধর্ম প্রতিমন্ত্রী!
8.রাসুল সাঃ ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন-- আওয়ামী এমপি বাদল!
9.মা দূর্গা গজে চড়ে এসেছিলেন বলে এবার ফলন ভালো হয়েছে-- শেখ হাসিনা!
10.গ্রামগন্জে ইসলামিক জলসা বন্ধকরতে হবে-- পঙ্কজ দেবনাথ!
12.মেয়েদেরকে বোরকার হাতথেকে রক্ষা করতে হলে,তাদের নাচগান শিক্ষা দিতে হবে-- হাসান মাহমুদ (বনমন্ত্রী)
13.বোরকার ব্যবহার ৫০০%বেড়েগেছে,বন ্ধ করতে হবে-- সজিব ওয়াজেদ জয়!
14.সেনাবাহিনীতেকওমী মাদ্রাসারছেলে বেড়ে গেছে,কমানোর আন্দোলন শুরু করে দিয়েছি- সজিব ওয়াজেদ জয়!
15. ২৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দু প্রধানমন্ত্রী চাই-সজিব ওয়াজেদ জয়!
16.সেনাবাহিনী থেকে ইসলামপন্থীদের বিতাড়িত করতে হবে--সজিব ওয়াজেদ জয়!
17.কুৎসিত চেহারা ঢাকতেই মেয়েরা বোরকা পরে-- ডেপুটি স্পীকার!
18.আমি মুসলিমও নই হিন্দুও নই-- সৈয়দ আশরাফ!
19.বঙ্গবন্ধু মদ জুয়া হারাম করেছেন-- নৌমন্ত্রী!
20.কওমী মাদ্রাসার ছেলেরা কিচ্ছুজানেনা,উজবুক,এরা শুধু মুখস্থ করে-- আবুল মাল আব্দুল মুহিত!
21.কওমি মাদ্রাসাগুলো জঙ্গী প্রজনন কেন্দ্র-- আইনমন্ত্রী!
22.ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি; সে ওলামাগনের সম্মেলনে নাচ- গানের জলসা আয়োজন করে এবং বলে,ইসলামে এত সন্ত্রাসীআছে, যা অন্যধর্মে নেই!
.
এছাড়াও রাতের আধারে আলেমদের উপর নির্মম গণহত্যা চালানো,ইসলাম বিরোধী নারী ও শিক্ষা নীতি আইন পাশ,ইসলামী সভা সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও নাস্তিকদের ছত্রছায়া প্রদান করা!..
.
০১. শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৫ সালে তাদের দলের নাম আওয়ামী মুসলিম লীগ শব্দ থেকে ‘মুসলিম’ বাদ দিয়ে শুধু আওয়ামী লীগ করে ।
০২. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে "ইকরা বিসমি রাব্বিকাল্লাজি খালাক" অর্থঃ"পড় সে প্রভুর নামে, যিনি তোমায় সৃষ্টি করেছেন" কোরআনের এই আয়াত তুলে দেন, ধর্মীয় শব্দ বলে
০৩. শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরমনোগ্রাম থেকে"রাব্বি জিদনী ঈলমা" অর্থ "প্রভু আমায় জ্ঞান দাও" কোরআনের এই আয়াতটিও তিনি তুলে দেন তার প্রচন্ড ক্ষমতা বলে ধর্মীয় শব্দের অযুহাতে
০৪. কবি নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে ‘ইসলাম’ বাদ দিয়েকবি নজরুল কলেজ করা হয় অপবাদ দেন ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির
০৫. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমূল্লাহ মুসলিম হল থেকে ‘মুসলিম’ শব্দ বাদদিয়ে সলিমূল্লাহ হল করা হয়, যা এখনও বিদ্যমানঅপবাদ ইসলাম ধর্মেরঅথচ ভারতের মত কট্টর তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী দেশে ২০০শত বছরের পুরানো বিদ্যাপীঠ আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালেয় নামের সাথে মুসলিম শব্দ আজও টিকে আছে
০৬. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের "আল্লামা ইকবাল হলের" নাম পরিবর্তন করে"সূর্যসেন হল" করা হয়।
০৭. ধর্মনিরেপেক্ষতার অজুহাত তুলে সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহর মত ছোট্ট একটি কোরআনের আয়াতকেও সহ্য করতে পারেনি

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.bishorgo.com/user/11029/post/3291

musafir2
12-11-2015, 11:41 AM
http://i1.wp.com/www.1newsbd.com/wp-content/uploads/2014/12/1-News-BD.jpg?resize=428%2C100

‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা’
11/08/2015


ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে লেখালেখি করলে ব্লগারদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
------------------ আসাদুজ্জামান খান কামাল
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী
রাজধানীর গেন্ডারিয়ার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অধীন ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলে।

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://www.1newsbd.com/2015/08/11/99022

musafir2
12-17-2015, 07:26 PM
সেই গণতন্ত্র তিরোহিত: ফখরুল

http://bangla.bdnews24.com/media/article574588.bdnews/BINARY/logo1.png

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2015-12-16 14:23:20.0 BdST Updated: 2015-12-16 14:35:41.0 BdST

“দেশে আজ গণতন্ত্র অনুপস্থিত। আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে গণতন্ত্র অর্জন করেছিলাম, সেই গণতন্ত্র আজ তিরোহিত হয়েছে।

সেই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে জনগণ যে আন্দোলন করছে, নিঃসন্দেহে তা লক্ষ্যে পৌঁছাবে এবং জনগণ তাদের অধিকার ফিরে পাবে। আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনব।”
---------------------------- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
বুধবার বিজয় দিবসে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সে বলে...

সুত্র ও বিস্তারিতঃ http://bangla.bdnews24.com/politics/article1073091.bdnews

musafir2
01-12-2016, 07:42 PM
‘ইসলামের সাথে জঙ্গীবাদের কোন সম্পর্ক নেই’

http://www.amadershomoys.com/unicode/wp-content/themes/respons1/images/logo.gif
আমাদের সময়.কম
10.01.2016
ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নামে যারা জঙ্গী তৎপরতায় মেতে উঠেছে তাদের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই । বর্তমান বিশ্বে মুসলিম উম্মাহ নানামুখী সংকট ও ষড়যন্ত্রের শিকার। ইসলামকে একটি সন্ত্রাসী ধর্ম হিসেবে তুলে ধরার জন্য ইসলাম বিদ্বেষী শক্তি আজ মরিয়া হয়ে উঠেছে।
ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নামে কেউ কেউ জঙ্গী তৎপরতায় লিপ্ত হচ্ছে। এই মুনাফেকী মুসলিম নামধারী গোষ্ঠীর কারনে ইসলামের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
-------------------------- সামীম মোহাম্মদ আফজাল
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক
রোববার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে মুসলিম উম্মাহর সংকট ঃ উত্তরনের উপায় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। গবেষণা বিভাগ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান।

বিস্তারিত
http://www.amadershomoys.com/unicode/2016/01/10/53213.htm#.VpT32hV95dg

ইব্রাহীম
01-12-2016, 11:14 PM
আলহামদুলিল্লাহ্* অনেক উপকারি পোস্ট। জাঝাকুমুল্লাহু খাইরান ।

আবু মুসাফির
01-19-2016, 05:57 PM
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published: 2016-01-19 17:15:22.0 BdST Updated: 2016-01-19 17:18:15.0 BdST

বাল্য বিবাহরোধে ভূমিকা পালনের জন্য স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়েছে, বিবাহ পড়ানোর ক্ষেত্রে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সম্পৃক্ত থাকতে দেখা যায়।

“বিয়ে পড়ানোর ক্ষেত্রে পাত্র-পাত্রীর বয়স আইনে নির্ধারিত বয়সের নিচে হলে সংশ্লিষ্ট পাত্র-পাত্রী ও অভিভাবককে এ ধরনের বাল্যবিবাহে নিরুৎসাহিত করার জন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।”

ন্যূনতম বয়স নিশ্চিত হয়ে বিয়ে পড়াতে এবং পাত্র-পাত্রীর বয়স সংক্রান্ত কাগজপত্র সংরক্ষণ ও বিয়ের রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিত করতেও পরিপত্রে সংশ্লিষ্টদের তাগাদা দেওয়া হয়েছে

link........ http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1091225.bdnews

আবু মুসাফির
01-19-2016, 06:01 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্লিপ্ততায় খাদ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2016-01-19 15:31:06.0 BdST Updated: 2016-01-19 15:31:06.0 BdST

“প্রথমে আমি নিন্দা জানাই আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর ভূমিকাকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেদিন যদি সাহসিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করত তাহলে এই ঘটনা এত দূর গড়াত না।
“আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্লিপ্তভাবে কাজ করছে। হামলাকারীদের কোনোভাবে প্রতিহত করে নাই। কোনো ধরনের কাঁদুনে গ্যাস ছোড়েনি। যার কারনে এই ঘটনা এত বেশি করে ছড়িয়েছে।”
“সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে হামলা করা হয়েছে এবং যেভাবে একাত্তরের ঘাতকদের বিচার শুরু হওয়ার পর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থানসহ সারাদেশে সাম্প্রদায়িক মৌলবাদি গোষ্ঠী তাণ্ডব চালিয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা এই ঘটনাগুলোর সঙ্গে একই সূত্রে গাঁথা।
“এটি কোনো বিচ্ছিন ঘটনা নয়। রামুর ঘটনাসহ অতীতে যতগুলো ঘটনা ঘটেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা তারাই ঘটিয়েছে। এ হামলায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা অর্থ দিয়ে পরিমাপ করা যাবে না। এগুলো নষ্ট করার মধ্য দিয়ে তারা আমাদের ঐতিহ্যের ওপর আঘাত হেনেছে।”
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে হবে
---------------- খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

ঢাকাস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসি মানববন্ধনে
রাহ্মণবাড়িয়ার সাংসদ রবিউল আলম মোক্তাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মিজানুর রহমান, দৈনিক আমাদের সময়ের সম্পাদক আবু হোসেন শাহরিয়ার প্রমুখ।

link............ http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1091130.bdnews

Ibn Abideen
01-20-2016, 02:15 AM
Eta khubi bhalo ekta udyog. Saudi Twageet-er bepareo eki udyog nile bhalo hoy, amar bhai musafir2!

আহমাদ মুসা
01-20-2016, 10:28 AM
Eta khubi bhalo ekta udyog. Saudi Twageet-er bepareo eki udyog nile bhalo hoy, amar bhai musafir2!

এই সাইটে যে কেউ উদ্যেগ নিতে পারে, ভাই ibn Abideen আপনি সৌদি তাগুতের মুখোস উন্মোচনে উদ্যেগ নেন ইনশাল্লাহ।

umar mukhtar
04-14-2016, 03:12 PM
বর্ষবরণ উৎসবের বিরোধিতাকারীদের সমালোচনায় প্রধানমন্ত্রী
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2016-04-14 14:42:46.0 BdST Updated: 2016-04-14 14:46:25.0 BdST

তারা আদৌ কোনো ধর্ম পালন করেন কি না- তা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন।

“আমাদের দেশে তো বহু পার্বণ আছে। আমরা ঈদ করি, সাথে সাথে আমাদের পহেলা বৈশাখ- এটাও আমরা উদযাপন করি। এখানে ধর্মীয় কোনো বাধা দেওয়ার কিছু নেই।

“যারা নিষেধ করে, তারা কেন করে তা করে আমি জানি না। তারা কোন ধর্ম পালন করে সেটা নিয়েও সন্দেহ।”

“এটাকে অনেকেই অনেক রকম মন্তব্য করার চেষ্টা করে। কেউ বলে ফেলে যে এটা হিন্দুয়ানি। আমরা মুসলমান হলেও বাংলাদেশের বাস করি। আমরা তো বাঙালি। কারণ বাঙালি হিসেবে যুদ্ধ করে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা বাঙালি হলে যে মুসলমান হতে পারবো না এ রকম তো কোনো কথা নেই। ধর্মে কোথায় লেখা আছে?”

শেখ হাসিনা বলেন, “আজকে পৃথিবীতে যেসব দেশে মুসলমান আছে সেই সব দেশের নামেই তো সেই জাতির নাম। আরব দেশের যারা তাদের অ্যারাবিয়ান বলেই তো সবাই ডাকে। প্যালেস্টাইনের যারা প্যালেস্টাইনি বলেই ডাকা হয়। প্রত্যেকেরই তো পরিচয় একটা একটা দেশ, ভৌগলিক সীমারেখায় সেই পরিচয় দেওয়া হয়।

‘তবে কি তাদের মুসলমানিত্ব চলে যাচ্ছে?’-এ প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তাদের মুসলমানিত্বতো চলে যাচ্ছে না।”
“আমাদের এই দেশে যুগ যুগ ধরে আমাদের যে সংস্কৃতি, আমাদের যে রীতি-নীতি, সেগুলো আমরা পালন করি। যার যার ধর্মীয় অনুশাসন অনুযায়ী ধর্ম পালন করে। একটা সহনশীলতা নিয়ে আমরা বসবাস করব, যেন আমাদের দেশে শান্তি বজায় থাকে। সবচেয়ে বড় কথা শান্তি। কারণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছাড়া কখনো উন্নতি হয় না।”

বাংলাদেশে এবারই প্রথম সরকারি চাকুরেদের জন্য বৈশাখী উৎসব ভাতা চালু হয়েছে। অন্যদিকে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে উন্মুক্ত স্থানে বিকাল ৫টার মধ্যে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান শেষ করতে বলা হয়েছে।

“আমাদের ধর্ম আমরা সবাই পালন করি। আর ইসলাম ধর্মেই নির্দেশনা আছে যে, যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। এখানে কারও ধর্মের ওপর আঘাত দেওয়ার কথাতো বলা হয়নি। নবী করিম (স.) তো বলেই গেছেন যে, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না।

“আর এই যে বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে নানা ধরনের কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা, থ্রেট করা, বোমা মেরে মানুষ হত্যা করা বা মানুষের জীবনের ওপর হুমকি দেওয়া- এটা ধর্মের কোথায় বলা আছে? যারা এ ধরনের হুমকি দেয় তারাই তো আমাদের ধর্মকে অবমাননা করে, ধর্মের বদনাম করে।”

“মানুষ খুন করার মধ্যে সমস্যার সমাধান নাই। একজন লিখল, আর একজন খুন করে প্রতিশোধ নেবে এটাও তো ইসলাম ধর্ম বলেনি।

“বিচার তো আল্লাহ করবে। আল্লাহই তো বলে দিয়েছেন, উনিই শেষ বিচার করবেন। যাদের আল্লাহর ওপর ভরসা নেই তারাই এই খুন-খারাবি করতে চায়। কারণ তারা আসলে আল্লাহ রসুলও মানে না, তারা নিজেরাই আল্লাহর কাজ করতে চেষ্টা করে। এটা তো শিরক।”

১৪২৩ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার গণভবনে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে গেলে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

http://bangla.bdnews24.com/politics/article1136293.bdnews

shotter torbary
04-14-2016, 09:19 PM
ভাই আপনাকে ধন্যবাদ তথ্যগুলো জমা করার জন্য। এখনও ওনেক মুসলমান বরং আলেম এমন আছে যারা এই জালিম সরকারের মন্দ বনাম কুফুরী কাজ খুঁজে পায়না।
আল্লাহ্* এদের অন্ধত্বকে দূর করে দিন। আমীন।

salahuddin aiubi
04-15-2016, 12:08 AM
ভাই! এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন!

salahuddin aiubi
04-15-2016, 06:02 AM
ডিজিটাল মুরতাদ সরকারেরর কুফরীগুলোর সাথে আমি একটি এড করছি:
গত ২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের অবরোধের পূর্বের দিনগুলোতে আওয়ামীলীগের মন্ত্রী নাসিম হেফাজতের ১৩ দফা দাবির মধ্যে নারী সংক্রান্ত দাবিগুলোর ব্যাপারে বলেছে: এগুলো মেনে নিলে তো আমাদেরকে আবার মধ্যযুগীয় অন্ধকারে ফিরে যেতে হবে।

umar mukhtar
05-10-2016, 01:39 PM
নওগাঁয় দুর্গাপুজা উপলক্ষ্যে জেলা পুলিশের লিফলেট বিতরন

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ২০, ২০১৫ , ৮:০৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রাজশাহী

http://www.nirapadnews.com/wp-content/uploads/2015/10/Naogaon_Pic-20.10.jpg

রায়হান আলম, ২০ অক্টোবর ২০১৫, নিরাপদ নিউজ :

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেযে় শারদীয় দুর্গাপুজা উপলক্ষ্যে সাধারন মানুষেরা যাতে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ন ভাবে করতে পারে সেজন্য শারদীয় পুর্গাপুজা চলাকালীন সব সময় সকল প্রকার মাদকদ্রব্য পরিবহন, সেবন ও ব্যবসা সংক্রান্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন, নওগাঁ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারন মানুষকে জন সচেতনতা উপলক্ষ্যে লিফলেট বিতরন
এতে প্রধান অতিথি হিসাবে লিফলেট বিতরন করেন, পুলিশ সুপার মোঃ মোজাম্মেল হক পিপিএম। তিনি বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। তাই সাধারন মানুষেরা এই উৎসব পালন করতে পারে সেজন্য জনসচতনতা মুলক পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। মঙ্গলবার সকালে শহরের কালীতলা মন্দির থেকে এই লিফলেট বিতরন শুরু করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সহকারী পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার ও মহসীন আলী, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাকিরুল ইসলাম, কালীতলা পুলিশ ফাঁড়ীর টিএস,আই মুজুরুল ইসলাম ভূইয়া, ট্রাফিক সার্জেন্ট শাহীন পারভেজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

http://www.nirapadnews.com/2015/10/20/news-id:99366/

umar mukhtar
05-10-2016, 01:42 PM
শর্তপূরণের পরও সিলেটে ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ
Published : Saturday, 13 February, 2016 at 12:00 AM, Update: 12.02.2016 10:16:30 PM
http://www.dailydinkal.net/2016/02/13/1455293601.jpg

সিলেট অফিস, দিনকাল :
আনজুমানে খেদমতে কুরআন একটি ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন, যা বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক রেজিস্ট্রেশনকৃত। এই সংগঠনটি ১৯৭৫ সাল থেকে অদ্যাবধি আত্মমানবতার সেবা, সামাজিক উন্নয়ন, দ্বীনি খেদমত এবং কুরআনের খেদমতসহ নানাবিধ কর্মসূচি পালন করে আসছে। সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা ময়দানে ১৯৭৫ সাল থেকে শুরু করে প্রায় প্রতি বছরই তাফসীর মাহফিলের মতো বৃহৎ দ্বীনি অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। এই মাহফিলের মাধ্যমে বহু বিধর্মী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। বাৎসরিক তাফসীর মাহফিলের ধারাবাহিকতায় এ বছরও মাহফিলের জন্য যথাযথ নিয়মে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে মাঠ ব্যবহারের অনুমতি ও স্থানীয় প্রশাসন থেকে লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে মৌখিক অনুমতি নেয়া হয়। তার আলোকে আনজুমান কর্তৃপক্ষ তাফসীর মাহফিলের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। ইতিমধ্যে আলিয়া ময়দানে প্যান্ডেল ও মঞ্চ নির্মাণ, মাঠে বিদ্যুৎ সংযোগ এবং প্রচারের জন্য সিলেট নগরী ও তৎপার্শবর্তী এলাকায় মাইকিং, লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সম্পন্ন করা হয়। কিšু কোন কারন ছাড়াই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনজুমানের সকল সদস্যের জীবন বৃত্তান্ত নিয়ে দেখা করার নির্দেশ দেয়া হয়। : আনজুমান কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সাক্ষাৎ করে মাহফিল বাস্তবায়নে সহযোগিতা চান। তখন পুলিশ প্রশাসন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কথা বলে মাহফিল বন্ধ করার নির্দেশ দেন। তাদের এমন নির্দেশের আলোকে তাফসীর বাস্তবায়ন কমিটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং ক্ষমতাসীন দলের সিলেটের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে দফায় দফায় সাক্ষাৎ ও আলোচনা করে বিনয়ের সাথে তাদের সকল শর্ত মেনে মাহফিল করার অনুমতি প্রদানের জন্য কাকুতি-মিনতি করেন। শেষ পর্যন্ত প্রশাসন কর্তৃপক্ষ তাদের দেয়া মাহফিল বন্ধের নির্দেশনায় অনড় থাকেন। পবিত্র কুরআনের মাহফিল বন্ধ করে দেয়ায় সিলেটের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। এই ধরনের কর্মকান্ডে সিলেটবাসী মর্মাহত-বিক্ষুব্ধ। মাহফিলের মতো একটি দ্বীনি কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে আসবে বলে সিলেটবাসী আশা ব্যক্ত করে। : শুক্রবার প্রশাসন কর্তৃক সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা ময়দানে ঐতিহাসিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিল বন্ধের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে উপরোক্ত বিবৃতি প্রদান করেন আন্জুমানে খেদমতে কুরআন সিলেটের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে আনজুমানে খেদমতে কুরআন সিলেটের সভাপতি মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী ও সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা মিফতাহুদ্দীন বলেন, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পর শুরুর প্রাক্কালে কুরআনের মোবারক মাহফিল বন্ধ করে দেয়ার ঘটনা দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেটের জন্য একটি হৃদয়বিদারক ও দুঃখজনক অধ্যায়ের সুচনা করেছে। প্রশাসনের কারণে মাহফিল বন্ধ করায় সিলেটবাসীর নিকট দুঃখ প্রকাশ করেন তারা। যারা অর্থ ও পরামর্শ দিয়ে এই মাহফিল সফলে কাজ করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান নেতৃবৃন্দ। কুরআনের মাহফিলের মতো দ্বীনি কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়ার মানসিকতা পরিহার করার জন্য সরকারের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। উল্লেখ্য, মানবতার মুক্তি সনদ মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের আলো সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার মহৎ উদ্দেশ্যে পূর্বঘোষিত তারিখ অনুযায়ী ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবার সিলেট নগরীর আলিয়া মাদরাসা মাঠে আনজুমানে খেদমতে কুরআনের ঐতিহাসিক তাফসীর মাহফিল সফলের লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। মাহফিল শুরুর প্রাক্কালে শুক্রবার সকালে প্রশাসন তা বন্ধ করে দেয়। :

http://www.dailydinkal.net/2016/02/13/23064.php

umar mukhtar
05-10-2016, 01:45 PM
দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানালেন খালেদা জিয়া
http://www.natunsomoy.com/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A 6%BE%20%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6% B0%20%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%9A %E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BE%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E 0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0% A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE %20%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/5939
নতুন সময় : শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিএনপি দপ্তরথেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে খালেদা জিয়ার এ শুভেচ্ছার কথা জানানো হয় । বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, যুগ যুগ ধরে শারদীয় দুর্গাপুজা উপমহাদেশ এবং বাংলাদেশসহ অন্যান্য বাংলাভাষী জনগোষ্ঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সুদীর্ঘকাল ধরে এইধর্মীয় উৎসবটি সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দুর্গাপুজা সব সময় উৎসব মুখর পরিবেশে পালিত হয়। তিনি আরও বলেন, যে কোন ধর্মীয় উৎসবই মানুষে মানুষে নিবিড় বন্ধন রচনা করে ও ভ্রাতৃত্ববোধজাগরিত করে। সকল ধর্মের মর্মবানী শান্তি ও মানব কল্যাণ। হিংসা-বিদ্বেষ, রক্তারক্তি পরিহারকরে সমাজে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় ব্রতী হওয়া মানুষ হিসেবে আমাদের সকলের কর্তব্য। বিএনপির চেয়ারপার্সন আরো বলেন, দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত বাণীই হচ্ছে হিংসা, লোভ ও ক্রোধরুপী অসুরকে বিনাশ করে সমাজে স্বর্গীয় শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে ন্যায় ও সুবিচারনিশ্চিত হবে। সেই বাণীকে আত্মস্থ করেই দুর্গাপুজার উৎসবের আনন্দ সকলে মিলে ভাগ করে নিতেহবে। বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেকোন ধরনের অশুভতৎপরতা সম্পর্কে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে সজাগ থাকতে হবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলএ দেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ‘সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু’তত্ত্বে বিশ্বাস করিনা। আমরা সবাই বাংলাদেশি- এটাই হোক আমাদের বড় পরিচয়। নতুন সময়/মনিরুল/জহ

http://www.natunsomoy.com/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A 6%BE%20%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6% B0%20%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%9A %E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BE%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E 0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0% A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE %20%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE/5939

umar mukhtar
05-10-2016, 02:04 PM
আজ দুর্গা পূজা : সিলেট নগরীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

সিলেট মহানগরের পাশপাশি সিলেট জুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে পূজা সম্পন্নের জন্যও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে সিলেট জেলা পুলিশ সূত্রে জানাগেছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে আনসার সদস্যরা পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা দিবেন। নগরীতে র*্যাব-৯ ও বিজিবি সদস্যদের টহল থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।



http://www.newsmirror24.com/news/details/Special_Occasion/13348

দুর্গা পূজা : বরিশালে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আসন্ন দূর্গাৎসবে বরিশালে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নগরীর পলিটেকনিক রোডের ডিবি কার্যালয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে দূর্গাৎসবকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সভা শেষে জানানো হয়, মেট্রোপলিটন এলাকায় ৬০টি সার্বজনীন ও ৬টি ব্যক্তিগতসহ ৬৬টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব পূজামন্ডপ সাধারন, গুরুত্বপূর্ণ ও অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী মেট্রোপলিটন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। সূত্রে আরও জানা গেছে, মেট্রোপলিটন এলাকায় আসন্ন দূর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অতিরিক্ত ১ হাজার ৬০ জন পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা কাজ করবেন। তারা আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন। এদেরমধ্যে নারী ও পুরুষ পুলিশ সদস্য মিলিয়ে ৬৭৯জন এবং ৩৮১ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।

http://www.ajkerbarisal.com/2015/10/13/837

আসন্ন দুর্গা পূজা উদযাপনে নিরাপত্তা রক্ষায় জেলা পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি
খুলনা মহানগরীতে দুর্গা পূজার মন্ডপ হবে ১১৫টি, নিরাপত্তার দৃষ্টিতে বিশেষ মন্ডপ ৪১টি

তিনি জানান, মহানগরীর ১১৫টি পূজা মন্ডপের মধ্যে ৪১টি মন্ডপকে বিশেষ মন্ডপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলি হ’ল খুলনা সদর থানা এলাকায় ২০টি, সোনডাঙ্গা মডেল থানা এলাকায় তিনটি, খালিশপুর থানা এলাকায় চারটি, দৌলতপুর থানা এলাকায় সাতটি, আড়ংঘাটা থানা এলাকায় চারটি এবং খানজাহান আলী থানা এলাকায় তিনটি। বিশেষ শ্রেণীর মন্ডপগুলিতে থাকবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা,

http://www.sundarbansamachar.com/2015/%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A 6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A 6%BE-%E0%A6%AA/

শারর্দীয় দুর্গা পুজা: ঝাউডাঙ্গায় ১৮টি মন্দিরের ৭টি ঝুঁকিপুর্ণ -

প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই সাথে ইউপি কার্যালয় থেকেও নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। -

http://patradoot.net/2015/10/09/120088.html

নড়াইলে শারদীয়া দুর্গা পূজা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া হবে- পুলিশ সুপার

http://khoborbitan.com/%E0%A6%A8%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A 7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A 7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A 6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%82/

পাইকগাছায় ১৪০টি মন্দিরে দুর্গা পূজা, থাকছে বাড়তি নিরাপত্তা

http://pnsnews24.com/news/towns/57245

umar mukhtar
05-10-2016, 02:11 PM
খুতবায় জঙ্গিবাদবিরোধী বক্তব্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ
ইসলামিক ফাউন্ডেশনে সেল গঠন

http://www.kalerkantho.com/online/world/2012/08/08/276370

পুলিশ প্রধানের দফতরে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভার সংবাদ ৬ ডিসেম্বর জাতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও সরকারের শুভাকাক্সিক্ষ একটি দৈনিক সংবাদটি ‘জঙ্গী ঠেকাতে নজরদারি বাড়ছে মসজিদ ও মাদরাসায়’ শিরোনামে প্রকাশ করে। উপশিরোনাম দেয় ‘খুতবায় জঙ্গীবাদে উস্কানি দিলে ইমামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’ এ ধরনের উপস্থাপন দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে উৎকণ্ঠার জন্ম দেয়।

http://www.bd2day.net/newsdetail/detail/200/175554

জঙ্গিবাদ রোধ ও উগ্রপন্থা দমন
খুলনায় ৫১০ মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন ও মক্তবের আরবি শিক্ষকের নামের তালিকা তৈরি

http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=220916


জঙ্গী ঠেকাতে নজরদারি বাড়ছে মসজিদ ও মাদ্রাসায়
প্রকাশিত : ৬ ডিসেম্বর ২০১৫
স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশে জঙ্গীবাদের বিস্তার ঠেকাতে নতুন করে কাজ শুরু করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন গঠিত জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ক বিশেষ সেলটি। তারই ধারাবাহিকতায় সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে দেশের তালিকাভুক্ত মসজিদ, মাদ্রাসা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।
https://www.dailyjanakantha.com/details/article/158361/%E0%A6%9C%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%80-%E0%A6%A0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A 7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A 6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%93

আলমডাঙ্গার ওসমানপুরে ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করে দিলো পুলিশ

http://www.mathabhanga.com/news/23016/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A 6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%93%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A 6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE

umar mukhtar
05-10-2016, 02:19 PM
ধর্ম সম্প্রদায়ের, উৎসব সবার: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published: 2015-10-22 14:51:26.0 BdST Updated: 2015-10-22 16:39:08.0 BdST

বাংলাদেশে কোনো উৎসব ও পার্বণ কখনো ধর্মের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকেনি মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ধর্ম যার যার হলেও উৎসব সবার।

http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1043652.bdnews