PDA

View Full Version : বিশ্ব হিন্দু পরিষদ লাভ জিহাদের নামে যে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে তা গাজওয়া-ই-হিন্দ এর ই পূর্ব প্রস্তুতি



theanalyser
06-03-2019, 07:51 PM
পশ্চিমবঙ্গে সরকারী স্কুলে সংখ্যালঘু মুসলিম বিদ্বেষী বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুবকদের। দেখুন ভিডিও সহ ( goo.gl/UWCT2T )
https://archive.org/details/WatchDiscover
যদিও লাভ জ্বিহাদ ঠেকানোর নাম করে তারা বেসামরিক লোকদের ট্রেনিং করাচ্ছে কিন্তু ষড়যন্ত্র আরো গভীরে! যারা ট্রেনিং করছে বা যাদের ট্রেনিং করানো হচ্ছে তারা হয়তো জানেনা সেই ষড়যন্ত্রের কথা। কিন্তু তাদের গুরুরা ঠিকই জানে তাদের কেন ট্রেনিং করানো হচ্ছে। গত বছর আমি আমাদের একটি গ্রুপে ভিডিও পোস্ট করেছিলাম যেখানে আমেরিকার CIA ইসরাইলের MOSSAD এবং ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী RAW এর উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে মুসলিমদের সাথে হিন্দুস্থানের একটি যুদ্ধ যা গাজওয়া-ই-হিন্দ (Ghazwa-e-hind) নামে পরিচিত। সেই যুদ্ধের ভবিষ্যদ্বাণী (হাদিস) নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। (আপনারা Ghazwa-e-hind লিখে ইউটিউবে সার্চ করলে পেয়ে যেতে পারেন youtube.com/watch?v=RqNbqfai9aE) তারা এই যুদ্ধ নিয়ে অনেক সচেতন হলেও আমরা মুসলিমরা এ বিষয়ে কিছুই জানিনা! বর্তমানে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ লাভ জিহাদের নামে যে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে তা গাজওয়া-ই-হিন্দ এর ই পূর্ব প্রস্তুতি। তারা জানে পয়গম্বরদের ভবিষ্যদ্বাণী মিথ্যে হয় না। যদিও তারা জনসম্মুখে তা স্বীকার করেন না। আমাদেরও উচিত এ বিষয়ে তাদের চেয়ে অধিক সচেতন হওয়া।
আল্লাহ্ তায়ালা প্রদত্ত ইলহাম এর জ্ঞান দ্বারা আজ থেকে প্রায় সাড়ে আটশ বছর পূর্বে ( হিজরী ৫৪৮ সাল মোতাবেক ১১৫২ সালে খ্রিস্টাব্দে) শাহ নেয়ামতুল্লাহ (রহঃ) তার বিখ্যাত কাব্যগুলো রচনা করেন, কাব্যগ্রন্থ লেখার পর থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রতিটি ভবিষ্যদ্বানী হুবহু মিলে গিয়েছে। ব্রিটিশ বড় লাট লর্ড কার্জনের শাসনামলে (১৮৯৯-১৯০৫) এর প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তিনি তার কাব্যে ভবিষ্যদ্বাণী করেন- 'হিন্দুস্তানের সাথে মুসলমানদের একটি যুদ্ধ হবে। হিন্দুস্তানের যুদ্ধের পুর্বে মুসলিমরা সর্বপ্রথম হিন্দুস্তানের কাছ থেকে একটি এলাকা দখল করে নেবে। এটা হচ্ছে পাকিস্তান সিমান্তলগ্ন পাঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মির এলাকা। একইভাবে হিন্দুস্তান প্রতিশোধ স্বরূপ সাবেক পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) দখল করে নিবে। সেখানে ধর্ষণ, হত্যা, লুটতরাজ এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে হিন্দুস্তান। মুসলিমদের কিছু নেতা থাকবে যারা উপরে উপরে মুসলিম থাকবে কিন্তু তারা দিল্লীবান্ধব হবে। তারা দিল্লীর সাথে গোপন চুক্তির মাধ্যমে মুসলমানদের স্বাধীনতা বিকিয়ে দিবে। বর্তমান বাংলাদেশ সরকার তার একমাত্র আলামত। অনেক দিন ধরে হিন্দুস্তান বাংলাদেশে তার হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাবে। এমন ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালাবে যে সারা পৃথিবীর মানুষ হিন্দুস্তানকে ধিক্কার দিতে থাকবে। তার একমাত্র প্রমাণ মুসলমান্দের শত্রু ইস্রাইলের-আমেরিকার সাথে হিন্দুস্তানের সখ্যতা, কাশ্মিরে হত্যাযজ্ঞ। মুসল্মানদের রক্ষার জন্য পশ্চিম দিক থেকে হাবীবুল্লাহ নামের এক সেনাপতি আসবেন। তার নেতৃত্বে মুসলিম সেনারা হিন্দুস্তান আক্রমন করবে। আক্রমণকারীরা ভারত উপমহাদেশের হিন্দু্সতান দখলকৃত এলাকার (বাংলাদেশের) বাইরে থাকবে এবং হিন্দু্সতান দখলকৃত এলাকা দখল করতে হুঙ্কার দিয়ে পঙ্গপালের মত ধেয়ে আসবে। হিন্দুস্তানের একজন প্রভাবশালী হিন্দু ব্যাক্তি ইসলাম গ্রহন করে মুসলমানদের পক্ষ নিবেন। ইরান এবং আফগান বাহিনী গোটা হিন্দুস্তান নিজেদের দখলে নিয়ে নিবে। গোটা হিন্দুস্তান মুসলমানদের দখলে চলে আসবে। বর্তমানে আফগানের তালেবান ইস্যুতে পাকিস্তান, ইরান একমত হওয়া, হিন্দুস্তানের উগ্রবাদী বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসা, হিন্দুস্তানের মুস্লিমদের উপর অত্যাচার বেড়ে যাওয়া, বাংলাদেশ সীমান্তে হিন্দুস্তানের শক্তি বৃদ্ধি, ইসরাইলের সাথে সখ্যতা,, আরাকানে উগ্র বৌদ্ধদের প্রতি হিন্দুস্তানের সমর্থন, এবং সম্প্রতি আসামের মুস্লিমদের নিয়ে ষড়যন্ত্র প্রমাণ করে হিন্দুস্তানের সাথে যুদ্ধ অতি নিকটে। কাব্যগ্রন্থ ডাউলোড করে বিস্তারিত পড়ুন- goo.gl/4C2DtP কাব্যগ্রন্থে বলা হয়েছে, 'মুসলিমদের হামলার পর ভারতে হিন্দু ধর্ম পালনের কোন লোকই থাকবে/এমনকি কোন ধরনের হিন্দু রেওয়াজ পালন করার মত লোক থাকবেনা।
_____________________________________________
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে হিন্দুস্থানের জিহাদের (ভারত অভিযানের) ওয়াদা দিয়েছিলেন। যদি আমি তা (ঐ যুদ্ধের সুযোগ) পাই, তা হলে আমি তাতে আমার জান-মাল ব্যয় করব। আর যদি আমি তাতে নিহত হই, তাহলে আমি শহীদের মধ্যে উত্তম সাব্যস্ত হব। আর যদি আমি ফিরে আসি, তা হলে আমি হবো আযাদ বা জাহান্নাম হতে মুক্ত আবূ হুরায়রা।
সুনানে আন নাসায়ী/জ্বিহাদ অধ্যায়/হাদিস নং-৩১৭৩ /হাদিসের মান- দুর্বল হাদিস/ ihadis.com/books/nasayi/hadis/3173
_____________________________________________
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে হিন্দুস্থানের জিহাদের ওয়াদা দিয়েছেন। আমি তা পেলে তাতে আমার জান মাল উৎসর্গ করব। আর যদি আমি নিহত হই, তবে মর্যাদাবান শহীদ বলে গণ্য হব, আর যদি ফিরে আসি, তা হলে আমি হব আযাদ বা জাহান্নাম হতে মুক্ত আবূ হুরায়রা।
সুনানে আন নাসায়ী/জ্বিহাদ অধ্যায়/হাদিস নং-৩১৭৪/হাদিসের মান- দুর্বল হাদিস/ ihadis.com/books/nasayi/hadis/3174
_____________________________________________
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোলাম ছাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমার উম্মতের দুটি দল, আল্লাহ্ তাআলা তাদেরকে জাহান্নাম হতে পরিত্রাণ দান করবেন। একদল যারা হিন্দুস্থানের জিহাদ করবে, আর একদল যারা ঈসা ইব্ন মারিয়াম (আঃ)-এর সঙ্গে থাকবে।
সুনানে আন নাসায়ী/জ্বিহাদ অধ্যায়/হাদিস নং-৩১৭৫/হাদিসের মান- সহিহ হাদিস/ ihadis.com/books/nasayi/chapter/23
_____________________________________________
হযরত কাব (রাঃ ) এর হাদিস-
হযরত কাব (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে মুহাম্মাদ (সাঃ) বলেনঃ
জেরুসালেমের (বাইত-উল-মুক্বাদ্দাস) একজন রাজা তার একটি সৈন্যদল হিন্দুস্তানের দিকে পাঠাবেন, যোদ্ধারা হিন্দের ভূমি ধ্বংস করে দিবে, এর অর্থ-ভান্ডার ভোগদখল করবে, তারপর রাজা এসব ধনদৌলত দিয়ে জেরুসালেম সজ্জিত করবে, দলটি হিন্দের রাজাদের জেরুসালেমের রাজার দরবারে উপস্থিত করবে, তার সৈন্যসামন্ত তার নির্দেশে পূর্ব থেকে পাশ্চাত্য পর্যন্ত সকল এলাকা বিজয় করবে, এবং হিন্দুস্তানে ততক্ষণ অবস্থান করবে যতক্ষন না দাজ্জালের ঘটনাটি ঘটে ।
রেফারেন্সঃ নাঈম বিন হাম্মাদ (রঃ) উস্তায ইমাম বুখারী (রঃ) এই হাদিসটি বর্ণনা করেন তার আল ফিতান গ্রন্থে। এতে, সেই উধৃতিকারীর নাম উল্লেখ নাই যে কাব (রাঃ) থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছে । কিন্তু কিছু আরবী শব্দের ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এটা এর সাথে সংযুক্ত বলেই বিবেচিত হবে । এসব শব্দাবলী নিম্নরূপঃ (আলমুহকামউবনু নাফি-ইন আম্মান হাদ্দাসাহু আন কাবিরিন)।
_____________________________________________
ভারত এবং পাকিস্তান Ghazwa-e-hind নিয়ে অনেক সচেতন। দেখুন পাক ডিফেন্স পেইজে- defence.pk/pdf/threads/ghazwa-e-hind-myth-or-truth.95279
এই যুদ্ধে সহযোগী দেশগুলো হলো ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান।

lahul hukmu
06-04-2019, 04:41 AM
হে! আল্লাহ, তুমি আমাদের গাযওয়াতুল হিন্দে
যোগদান করার তাওফিক দাও!
আর আমাদের দ্বারা ঐ জাহান্নামের কিট, মালাউনের
গুষ্টির প্রতিশোধ নেওয়ার তাওফিক দান করুণ!
ও তাদের জন্য জাহান্নামের পথ সুগম করে তুলুন!
ওমা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ।(আমিন! আমিম!)