PDA

View Full Version : এপ্রিল ফুল: ভুল ইতিহাস, ভুল বিশ্বাস



বদর মানসুর
05-21-2020, 02:00 PM
পহেলা এপ্রিল ‘এপ্রিল ফুল’–এ স্পেনে মুসলিম গণহত্যা হয়নি, মুসলিমদের বোকা বানানোর জন্য মানুষ এপ্রিল ফুল উদযাপনও করে না। চালাক-সচেতন সাজতে গিয়ে আপনিও আবার ‘এপ্রিল ফুল’ হচ্ছেন না তো?

…

আমরা ইতিহাস কম পড়ি। কম পড়ি বলে যে যা বলে সেটাই শুনে ‘প্রচার’ করে বেড়াই। একবার চেক করে দেখার প্রয়োজন অনুভব করি না, যা ‘প্রচার’ করছি সেটা সত্য কি-না। যার ফলে না ধরতে পারি ‘মিথ’ আর না ধরতে পারি মিথ্যা।

পহেলা এপ্রিল অনেকেই ফলাও করে প্রচার করেন- “এইদিন স্পেনে মুসলিমরা পরাজিত হয়, ইসাবেলা এবং ফার্দিনান্দ মুসলিমদেরকে বোকা বানিয়ে একটি মসজিদে ঢুকিয়ে হত্যা করেন। সেই থেকে খ্রিস্টানরা এই দিনে মুসলিমদের বোকা বানিয়েছে বলে তারা ‘April Fool’ বা ‘এপ্রিলের বোকা’ দিবস পালন করে।”

আমি মেনে নিতে কোনো সঙ্কোচ করছি না, এরকম ভিত্তিহীন তথ্য একসময় আমিও শেয়ার করেছি। এখন সত্যটা জানার পরও যদি মিথ্যাকে আঁকড়ে ধরি, তাহলে তো ঐ যে মুসলিমদেরকে যারা ‘বোকা’ বলে, তারা বলবে, আমরা তো ঠিকই বলি।

…

মুহাম্মদ তারিক গাজী নামের কানাডার একজন সাংবাদিক এবং ইতিহাসবিদ ‘এপ্রিল ফুল’ নিয়ে একটা আর্টিকেল লিখেন। তাঁর আর্টিকেলের শিরোনাম- Truth About April Fool’s day and Muslim Representative Method of Scientific Inquiry.

আর্টিকেলের প্রথমাংশে তিনি মুসলিমদের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্যতা নিয়ে আক্ষেপ করেন। কোনো প্রকার গবেষণা, প্রমাণ ছাড়া মুসলিমগণ একটা ভিত্তিহীন তথ্য দিনের পর দিন শেয়ার করে যাচ্ছে দেখে তিনি অবাক হোন। বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষজন তাঁর কাছে মেইল করে এটা নিয়ে লেখার জন্য। তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন, হয়তোবা সাধারণ মানুষজন এটা নিয়ে মাতামাতি করছে। কিন্তু যখন জানলেন বিশ্বের নামকরা মুসলিম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রফেসররা পর্যন্ত এই তথ্য প্রচার করছে, তখন তাঁর খারাপ লাগে। এই বুঝি আমাদের প্রফেসরদের ইতিহাসের দৌড়? আমাদের গৌরবময় গ্রানাডার পতন কবে হলো, সেই তারিখটিও কি তারা জানেননা?

…

স্পেনে মূরদের (মুসলিমদের) শাসনের পতন হয় ১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারি (পহেলা এপ্রিল নয়)। বিখ্যাত গবেষক ফিরাস আল-খাতিব তার ‘Lost Islamic History: Reclaiming Muslim Civilization from the Past’ বইয়ে গ্রানাডার পতনের তারিখ উল্লেখ করেন অবশ্য ১ জানুয়ারি ১৪৯২ [পৃষ্ঠা ১০২]।

Joseph F. O’Callaghan এর ‘A History of Medieval Europe’ বই থেকে উদ্ধৃত করলে আমরা দেখতে পাইঃ “১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারি ইসাবেলা আর ফারদিনান্দ গ্রানাডায় প্রবেশ করলেন। সেদিন তারা গ্রানাডার শাসক দ্বাদশ মুহাম্মাদের কাছ থেকে গ্রানাডার চাবি নেন।” B.B Synge তার ‘Brave Men and Brave Deeds’ আর্টিকেলে লিখেন- “আবু আব্দুল্লাহ (মুহাম্মাদ দ্বাদশ) জানুয়ারির দুই তারিখ (১৪৯২) আত্মসমর্পণ করেন।” সালমা খাদ্রা জায়ূসী সম্পাদিত ‘The Legacy of Muslim Spain’ বইয়ে Vincent Barletta তার আর্টিকেল ‘About the Moriscos’ এ লিখেন, “ক্যাথলিক যাজকরা দীর্ঘ আটশো বছর পর ১৪৯২ সালের জানুয়ারি মাসে গ্রানাডা পুনরুদ্ধার করে।”

বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ, গবেষকরা একমত যে, গ্রানাডায় মুসলিমদের (মূর) পতন হয় ১৪৯২ সালের জানুয়ারি মাসের ২ তারিখ (অথবা এর আগেরদিন)। গ্রানাডায় মুসলিমদের পতন ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডিগুলোর একটি। আমাদের বিজয়ের দিনগুলোর পাশাপাশি পতনের দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুসলিমকে জাগ্রত করা উচিত। তাই বলে, ভুল ইতিহাস বলার দরকার কী? যেটা সত্য সেটা বলুন।

…

ঐ ভুল ইতিহাসের রেফারেন্স দিয়ে সবাই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যান- সারা বিশ্বে ‘এপ্রিল ফুল’ পালন করা হয় মুসলিমদেরকে বোকা বানানো হয়েছে এজন্য। এটা হলো ইতিহাসের আরেকটা হাস্যকর উক্তি।

এপ্রিল ফুল কেন পালন করা হয় এটা নিয়ে বেশ কয়েকটি ‘থিওরি’ আছে। তারমধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় থিওরি হলো- ক্যালেন্ডার পরিবর্তন।

১৫৬৪ সালে ফ্রান্স তাদের ক্যালেন্ডারে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে মার্চের শেষে বছর শুরু হতো। কিন্তু, এটা পরিবর্তন করে বছর শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ১ জানুয়ারি থেকে। এই সিদ্ধান্ত অনেকেই মানতে পারলো না। তারা আন্দোলন শুরু করে বললো- ২৫ শে মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত তারা আগের মতো নিউ ইয়ার পালন করবে। যারা পরিবর্তন মেনে নিয়েছিলো, অর্থাৎ সরকারপক্ষ বিরোধী পক্ষের সাথে মজা নিতে চেয়েছিলো। যারাই নববর্ষ পালন করে বিরোধীতা করতে চেয়েছে, সরকারপক্ষ তাদের পিঠে কাগজের মাছ (Paper Fish) লাগিয়ে দিয়েছিলো। সেই থেকে ভিক্টিমদের বলা হতো- Poission d’Avril বা এপ্রিলের ফিশ [April Fool’s Day, Encyclopedia Britannica, Retrieved april 4, 2013]।

ক্যালেন্ডার থিওরি ছাড়াও এই দিনে মানুষকে বোকা বানানোর আরো কিছু থিওরি আছে। যেমনঃ রোমান মিথ, ব্রিটিশ গথাম থিওরি, জার্মান থিওরি, ডাচ থিওরি। ইউরোপ-অ্যামেরিকার বেশিরভাগ দেশে এই দিনে মানুষের সাথে Prank করে বোকা বানানোর প্রচলন আছে। ইউক্রেনের Odessa শহরে তো এপ্রিল ফুলের জন্য সরকারি ছুটি দেওয়া হয়!

কিন্তু, পারতপক্ষে একটা দেশেও ‘মুসলিমদের বোকা বানানোর উৎসব’ হিশেবে কেউ এপ্রিল ফুল পালন করে বলে আমার জানা নেই।

…

তাহলে এপ্রিল ফুল নিয়ে আমাদের ‘আকীদা’ কী হওয়া উচিত? এটা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট। এই দিন উপলক্ষে যা যা করা হয় সেগুলো মুসলমানদের বিশ্বাস এবং কর্মের সাথে যায় না। এই দিন মিথ্যা বলে মানুষকে বোকা বানানো হয়, একজন আরেকজনকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করে, তাকে সবার সামনে ‘অপদস্থ’ করে।

শুধু এপ্রিল ফুল কেনো, প্রতিদিনের জন্য আমাদেরকে এই হাদীসটি মনে রাখা দরকার।


রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “সেই লোক ধ্বংস হোক! যে মানুষকে হাসানোর উদ্দেশ্যে কথা বলতে গিয়ে মিথ্যা বলে। সেই লোক নিপাত যাক, সেই লোক নিপাত যাক!” [জামে আত-তিরমিজিঃ ২৩১৫]

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিথ্যা বলতে শুধু নিষেধই করছেন না, যে লোক হাসানোর জন্য মিথ্যা কথা বলে তাঁকে তিনি অভিশাপ দিচ্ছেন। এমন ‘এক্সট্রিম’ পাপ খুব কম আছে, যেগুলোর ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিশাপ দিয়েছেন। মিথ্যা কথা তারমধ্যে একটি।

মিথ্যার পরিণতি সম্পর্কে আরেকটি হাদীসে তিনি বলেন,

“মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, আর পাপ তাকে জাহান্নামে নিয়ে যায়। মানুষ মিথ্যা বলতে বলতে আল্লাহর কাছে ‘মহামিথ্যুক’ বলে গণ্য হয়।” [সহীহ বুখারীঃ ৬০৯৪]

…

আমরা এই দিন সবার সাথে তাল মিলিয়ে যেমন মিথ্যা খেলায় অংশগ্রহণ করবো না, তেমনি তথ্য-প্রমাণ ছাড়া কোনো কিছু প্রচারে মেতে উঠবো না। এই বিষয়েও নববী নির্দেশনা আছে।


রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “কোনো ব্যক্তির মিথ্যাবাদী সাভ্যস্ত হবার জন্য এতোটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে (যাচাই না করে) তা বলে বেড়ায়।” [সুনানে আবু দাউদঃ ৪৯৯২]

দেখুন, আপনি মানুষকে সচেতন করার জন্য একটা তথ্য শেয়ার দিচ্ছেন। আপনার উদ্দেশ্য সৎ। কিন্তু, সেই তথ্যটি যাচাই না করে শেয়ার দেবার জন্য আপনি নিজেই আবার ‘মিথ্যাবাদীর’ দলে নাম লেখাচ্ছেন। তারমানে, কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে।

…

তারমানে আমরা চারটি কনক্লুশন পেলাম।

১। ১৪৯২ সালের এপ্রিলের ১ তারিখ গ্রানাডায় মুসলিমদের পতন হয়নি, পতন হয়েছে জানুয়ারির ২ তারিখ।

২। ‘মুসলিমদের পরাজয় উদযাপন করতে খ্রিস্টানরা এপ্রিল ফুল পালন করে’ এই তথ্যটি মুসলিম ছাড়া আর কেউ জানে না! অর্থাৎ, এপ্রিল ফুল উদযাপনের আলাদা ইতিহাস আছে।

৩। তাই বলে আমরা এপ্রিল ফুল হোক আর যেকোনো দিন হোক, আমরা মিথ্যা কথা বলতে পারি না।

৪। কোনো কিছু প্রচার করার আগে সত্যমিথ্যা যাচাই করে নেওয়া আমাদের অবশ্য কর্তব্য।

পুনশ্চঃ

স্পেনে মুসলিমদের গৌরবময় ইতিহাস পড়তে রাগেব সারজানীর ‘আন্দালুসের ইতিহাস’ বইটি পড়তে পারেন। বইটি প্রকাশ করেছে মাকতাবাতুল হাসান।

ফিরাস আল-খাতিবের ‘লস্ট ইসলামিক হিস্ট্রি’ বইটি পড়তে পারেন। বইটি বাংলায় অনুবাদ হয়েছে প্রচ্ছদ প্রকাশনী থেকে।

________________________________________________
A history of medieval Spain এর উদ্ধৃতি অনুসারে ১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারি ইসাবেলা আর ফার্দিনান্দ গ্রানাডার ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

Henry Kamen এর Spain 1469-1714: A society of conflict বইতে তিনিও ১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারি ক্ষমতা হস্তান্তর করার তারিখ উল্লেখ করেন। সেখানে কলম্বাস উপস্থিত ছিলেন তিনিও সেখানে ১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারির কথা বলেছেন। এবং এটা শান্তিপূর্ণ চুক্তি বলে উল্লেখ করেছেন।

১৫০৮ সালে “ইনকুইজিশন” ঘোষণা করা হয়েছিল। অর্থাৎ মুসলিম ও ইহুদিদের হয় ক্যাথলিক হতে হবে নয়ত দেশ ত্যাগ করতে হবে। যদিও এই চুক্তি রক্ষিত হয়নি পুরোপুরি।

আমরা অমুসলিমদের লেখা ইতিহাসে আস্থা রাখতে না পারলে রান্না ঘরের জিনিসটাও বের করছি।

স্পেনে মুসলমানদের পরাজয়ের ঘটনার কয়েক দশক পরে আলজেরিয়ায় জন্ম নেয়া বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে মোহাম্মদ আল মাকারি (১৫৭৮-১৬৩২) স্পেনে মুসলমানদের আগমন, শাসন এবং পতন নিয়ে রচনা করেন The history of the Mohammedan Dynasties in Spain (extracted from the Nafhu-t-Tib Min Ghosni-l-Andalusi-r-Rattib. Volume 2) (মূল আরবি বইয়ের ইংরেজি অনুবাদ) ‘দ্য হিস্ট্রি অব দ্য মোহাম্মাদান ডাইনেস্টি ইন স্পেন’। এ গ্রন্থে তিনি অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভাষায় ধারাবাহিক বর্ণনায় স্পেনে মুসলমানদের পরাজয়ের বিষয়গুলো লিপিবদ্ধ করেছেন। কিন্তু কোথাও তিনি এপ্রিল ফুল জাতীয় কোনো ঘটনার কথা উল্লেখ করেননি। উল্লিখিত গ্রন্থের ৪৪ নং পৃষ্ঠায় তিনি The End of Islamic Garnata ‘ইসলামি গ্রানাডার সমাপ্তি’ শিরোনামে একটি অনুচ্ছেদে পরাজয়ের ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন এবং পরাজয় পরবর্তী সময়ে মুসলমানদের সঙ্গে খ্রিষ্টান শাসকরা কেমন আচরণ করেছেন সে বিষয়েও আলোকপাত করেছেন।

ঘটনার এতো নিকটবর্তী সময়ের একজন সমসাময়িক মুসলিম ঐতিহাসিক এমন বীভৎস ঘটনা ঘটে থাকলে তা উল্লেখ করবেন না- এমনটি ভাবা মূর্খতা। তার ওপর তার পূর্বপুরুষরাও ছিলেন স্পেনীয়। তিনিও বাস করতেন স্পেনের পার্শ্ববর্তী রাজ্যে। সুতরাং তার ইতিহাসগ্রন্থে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বাদ যাবে- তা হতে পারে না।

তিনি তার গ্রন্থের ৪৪ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন- After a series of negotiations and assurances that the Christians would safeguard the agreement that was about to be signed, the Garnata Capitulations were signed in 1491, (otherwise known as The Treaty of Garnata), and in 1492 the Christian forces took over the city, and thus Islamic rule of Andalus ended after almost 780 years of continuous rule. Albeit this did not mean that 1492 marked the end of the Muslim presence in Andalus… পুরো অনুচ্ছেদে মুসলমানদের মসজিদে ঢুকিয়ে আগুনে পুড়িয়ে মারার কোনো তথ্যই নেই বা এই জাতীয় কোনো ঘটনার কোনো প্রকৃত ইতিহাস পাওয়া যায়না।

এছাড়াও বিশিষ্ট মুসলিম ইতিহাসবিদ এস. এম. ইমামুদ্দিন রচিত A political history of Muslim Spain গ্রন্থেও আলোচিত এপ্রিল ফুল জাতীয় কোনো ঘটনার উল্লেখ করেননি।

স্পেনে মুসলমানদের নির্যাতন করা হয়েছে এটা সত্য কিন্তু এপ্রিল ফুলের সাথে এর ন্যূনতম সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় না। বাকি আপনাদের উপর।



(সংগৃহিত)

muhammad sadik
05-21-2020, 10:33 PM
বিষয়টি তাহলে গলদ মশহুর হয়ে গিয়েছিলো,,,!
আল্লাহ আমাদের মিথ্যাবাদি হওয়া থেকে হেফাজত করুন, আমীন ৷
শুভ কামনা ও আন্তরিক ভালোবাসা রইলো প্রিয়,,,
বারাকাল্লাহু ফী ইলমিকা ওয়া আমালিক ৷

বদর মানসুর
05-21-2020, 11:17 PM
বিষয়টি তাহলে গলদ মশহুর হয়ে গিয়েছিলো,,,!
আল্লাহ আমাদের মিথ্যাবাদি হওয়া থেকে হেফাজত করুন, আমীন ৷
শুভ কামনা ও আন্তরিক ভালোবাসা রইলো প্রিয়,,,
বারাকাল্লাহু ফী ইলমিকা ওয়া আমালিক ৷

জ্বি সম্মানিত ভাই, বিষয়টি গলদ মাশহুর হয়ে গিয়েছিল। সকলকে বিষয়টি সম্পর্কে সাধ্যমত ভুল ভাঙাতে হবে।
উহিব্বুকা ফিল্লাহ!
আল্লাহুম্মা আমীন।

alihasan
05-22-2020, 12:13 PM
জাযাকাল্লাহ আঁখি, গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য সামনে এনেছেন, এ ধরনের আরও কিছু বিষয় নিয়ে একটা পিডিএফ করলে মনে হয় ভালো হবে।