PDA

View Full Version : বাড্ডার জঙ্গিদের তথ্যে মোহাম্মদপুরে মিললো বিস্ফোরক



আহমাদ মুসা
02-20-2016, 05:57 PM
ঢাকার বাড্ডা থেকে গ্রেপ্তার আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সন্দেহভাজন দুই সদস্যের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের এক বাসায় অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরক উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিংয়ে ওই বাসায় পাওয়া বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে।

পুলিশের জঙ্গিবাদবিরোধী বিশেষ ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলামও ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন।

মোহাম্মদপুরের ওই বাসায় কী পরিমাণে কী ধরনের বিস্ফোরক পাওয়া গেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি মারুফ হোসেন সরদার।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে বাড্ডার সাতারকুল এলাকার এক বাড়িতে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার দুইজনের কাছেই মোহাম্মদপুরের এই বাড়ির খোঁজ পাওয়া যায়।

এরপর গভীর রাত থেকে ওই বাড়িতে পুলিশ অবস্থান নেয়। সকালে সেখানে অভিযান শুরু হয় বলে মারুফ হোসেন জানান।

জামাল হোসেন ওরফে কামাল এবং হিরণ নামে গ্রেপ্তার দুই যুবক আনসারুল্লাহা বাংলা টিমের সদস্য বলে পুলিশের ধারণা।
সুত্রঃ http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1107860.bdnews

আহমাদ মুসা
02-20-2016, 06:00 PM
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত নবোদয় হাউজিংয়ের একটি বাসা থেকে বেশ কিছু বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে এই বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। অবশ্য এখান থেকে কাউকে আটক করতে পারেনি তারা।

পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে বাড্ডায় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় দুজনকে আটক করে তারা। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মোহাম্মদপুরের ওই বাসা থেকে বোমাগুলো উদ্ধার করে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার প্রথম আলোকে বলেন, বোমা উদ্ধারের পর সেগুলো নবোদয় হাউজিংয়ের একটি ফাঁকা জায়গায় নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে। সেখানে পুলিশের নতুন ইউনিট কাউন্টার টেরোরিজমের প্রধান উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মনিরুল ইসলাম উপস্থিত আছেন। মারুফ জানান, বাড্ডায় আটক জঙ্গিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়।
http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/775282/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A 7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A 6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A 7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87

khalid-hindustani
02-20-2016, 06:38 PM
হে আল্লাহ! আপনি শত্রুর বিরুদ্ধে আমাদের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান।

omair
02-21-2016, 08:58 AM
রাজধানীর বাড্ডায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতারের পর এবার মোহাম্মদপুরে জঙ্গিদের বোমার কারখানা উদ্ঘাটন করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। নবোদয় হাউজিংয়ের একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে হ্যান্ড গ্রেনেড, বিপুল পরিমাণ বোমা ও বোমা তৈরির বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার রাত থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও নবগঠিত কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের যৌথ দল দুই দফা অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করে।

গোয়েন্দারা জানান, উদ্ধার হওয়া গ্রেনেড ও বোমাগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী। পরবর্তীতে গ্রেনেড ও বোমাগুলো নিস্ক্রিয় করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোমা ডিসপোজাল ইউনিট। অবশ্য ওই বাসা থেকে কাউকে আটক করতে পারেনি গোয়েন্দারা।

জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বাড্ডায় সাঁতারকুলে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানকালে জঙ্গিদের হামলায় আহত হন গোয়েন্দা পুলিশের এক পরিদর্শক। সেখান থেকে দুজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন - কামাল ওরফে শাহীন (২৬) ও শাহ আলম ওরফে সালাউদ্দিন (৩০)। তারা দুজনই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য। পরে সালাউদ্দিনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিংয়ের প্রধান সড়কের বি ব্লকের ২৮ নম্বর বাড়ির পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এই বাসাটি গত দেড় মাস আগে ভাড়া নেন সালাউদ্দিন। বাড়ির মালিকের নাম মাওলানা আব্দুল মালেক।

পুলিশ জানায়, পুলিশের আসার খবর পেয়ে দ্রুত সটকে পড়েন বোমা তৈরির ওই কারখানার জঙ্গি সদস্যরা। শুক্রবার রাত ১১টা থেকে ভোররাত তিনটা পর্যন্ত প্রথম দফার অভিযান চালায় যৌথ টিম। আজ শনিবার সকাল থেকে ফের দ্বিতীয় দফার অভিযানে নামে যৌথ টিম। এ সময় সেখান থেকে অন্তত আটটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। গ্রেনেডগুলো দেখতে টেনিস বলের মতো। এছাড়া প্রচুর বোমা ও বোমা তৈরির বিস্ফোরক মিলেছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের এডিসি সানোয়ার হোসেন ও এসি রহমত উল্লাহর নেতৃত্বে গ্রেনেড, বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম নিস্ক্রিয় করা হয়।

ওই বাড়ির প্রতিটি ফ্লোরে দুটি করে ফ্ল্যাট রয়েছে। পঞ্চম তলার বোমা কারখানার ফ্ল্যাটটির উল্টো দিকের ফ্ল্যাটটিতে একটি আউট সোর্সেংয়ের ব্যবসা। তবে পুলিশের দাবি, ওই ফ্ল্যাট এবং চারতলার অপর একটি ফ্ল্যাটে আউট সোর্সিংয়ের নামে ভিওআইপি ব্যবসা চলত। সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

তবে পুলিশের এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের কর্নধার। তিনি বলেন, নিরীহ কিছু আইটি কর্মীকে আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ।

আটককৃতদের মধ্যে নির্দোষ কেউ থাকলে যাচাই-বাছাই শেষে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

মোহাম্মাদপুরের ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বাড্ডার জঙ্গি আস্তানাটি মূলত আনসারউল্লাহ বাংলাটিমের হেড কোয়াটার্স হিসেবে ব্যবহৃত হতো। আর মোহাম্মাদপুরের বাসাটি তাদের বোমা তৈরির কারখানা।

আজ বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, পঞ্চম তলা বাড়িটির সামনে ডানপাশের ফ্ল্যাটে কারখানা বানিয়েছিল জঙ্গিরা। সকাল থেকে ডিবি ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যদের বিস্ফোরক জব্দ করে তা ধ্বংস করতে দেখা যায়। বেশ কিছু নতুন বালতি, বালির বস্তা ও বোমা নিস্ক্রিয়করণ যন্ত্র নিয়ে বাসার ভেতরে ঢোকে পুলিশ সদস্যরা। পরে বিস্ফোরকদ্রব্য নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে নিস্ক্রিয় করা হয়। এ সময় নিরাপত্তার স্বার্থে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের লাইন বন্ধ করা হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় ওই বাড়ির সামনের সড়ক ও দোকানপাট। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি দেখে জড়ো হন উৎসুক জনতা।

অভিযানে অংশ নেয়া কয়েকজন ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা জানান, বাড্ডায় আটককৃত জঙ্গিদের তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মাদপুর, উত্তরার আশকোনা ও গাজীপুরে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিটি অভিযানেই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হলেও কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

কর্মকর্তারা আরো বলেন, অন্য আর কোথায় কোথায় নিষিদ্ধ এই জঙ্গি সংগঠনটির আস্তানা রয়েছে তা বের করতে তদন্ত চলছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ধারণা, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় এধরনের আরও আস্তানা গেড়েছে জঙ্গিরা।

পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া গ্রেনেড, বোমা ও বিস্ফোরক দিয়ে বহুতল ভবন পর্যন্ত উড়িয়ে দেয়া সম্ভব। গ্রেনেডগুলো বেশ শক্তিশালী। টেনিস বল সাইজের এই ধরনের গ্রেনেডও নতুন আবিষ্কার।

অভিযানে অংশ নেয়া ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসি মাশরুকুর রহমান খালেদ সাংবাদিকদের বলেন, মোহাম্মাদপুরে উদ্ধার হওয়া গ্রেনেড ও বোমাগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী। জঙ্গিদের এ ধরনের আর কোনো আস্তানা আছে কি-না সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা আরো জানান, বাসাটিতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক রয়েছে। শনিবার সারাদিন অভিযান চালিয়ে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা না গেলে পর রোববার ফের তৃতীয় দফার অভিযান শুরু করা হবে। তবে রাতে অভিযান বন্ধ থাকবে।
- See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95498#sthash.wae5Llax.dpuf

omair
02-21-2016, 09:08 AM
রাজধানীর বাড্ডায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতারের পর এবার মোহাম্মদপুরে জঙ্গিদের বোমার কারখানা উদ্ঘাটন করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। নবোদয় হাউজিংয়ের একটি ফ্ল্যাট বাসা থেকে হ্যান্ড গ্রেনেড, বিপুল পরিমাণ বোমা ও বোমা তৈরির বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার রাত থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও নবগঠিত কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের যৌথ দল দুই দফা অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করে।

গোয়েন্দারা জানান, উদ্ধার হওয়া গ্রেনেড ও বোমাগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী। পরবর্তীতে গ্রেনেড ও বোমাগুলো নিস্ক্রিয় করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোমা ডিসপোজাল ইউনিট। অবশ্য ওই বাসা থেকে কাউকে আটক করতে পারেনি গোয়েন্দারা।

জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বাড্ডায় সাঁতারকুলে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানকালে জঙ্গিদের হামলায় আহত হন গোয়েন্দা পুলিশের এক পরিদর্শক। সেখান থেকে দুজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন - কামাল ওরফে শাহীন (২৬) ও শাহ আলম ওরফে সালাউদ্দিন (৩০)। তারা দুজনই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য। পরে সালাউদ্দিনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিংয়ের প্রধান সড়কের বি ব্লকের ২৮ নম্বর বাড়ির পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এই বাসাটি গত দেড় মাস আগে ভাড়া নেন সালাউদ্দিন। বাড়ির মালিকের নাম মাওলানা আব্দুল মালেক।

পুলিশ জানায়, পুলিশের আসার খবর পেয়ে দ্রুত সটকে পড়েন বোমা তৈরির ওই কারখানার জঙ্গি সদস্যরা। শুক্রবার রাত ১১টা থেকে ভোররাত তিনটা পর্যন্ত প্রথম দফার অভিযান চালায় যৌথ টিম। আজ শনিবার সকাল থেকে ফের দ্বিতীয় দফার অভিযানে নামে যৌথ টিম। এ সময় সেখান থেকে অন্তত আটটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। গ্রেনেডগুলো দেখতে টেনিস বলের মতো। এছাড়া প্রচুর বোমা ও বোমা তৈরির বিস্ফোরক মিলেছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের এডিসি সানোয়ার হোসেন ও এসি রহমত উল্লাহর নেতৃত্বে গ্রেনেড, বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম নিস্ক্রিয় করা হয়।

ওই বাড়ির প্রতিটি ফ্লোরে দুটি করে ফ্ল্যাট রয়েছে। পঞ্চম তলার বোমা কারখানার ফ্ল্যাটটির উল্টো দিকের ফ্ল্যাটটিতে একটি আউট সোর্সেংয়ের ব্যবসা। তবে পুলিশের দাবি, ওই ফ্ল্যাট এবং চারতলার অপর একটি ফ্ল্যাটে আউট সোর্সিংয়ের নামে ভিওআইপি ব্যবসা চলত। সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

তবে পুলিশের এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের কর্নধার। তিনি বলেন, নিরীহ কিছু আইটি কর্মীকে আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ।

আটককৃতদের মধ্যে নির্দোষ কেউ থাকলে যাচাই-বাছাই শেষে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

মোহাম্মাদপুরের ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বাড্ডার জঙ্গি আস্তানাটি মূলত আনসারউল্লাহ বাংলাটিমের হেড কোয়াটার্স হিসেবে ব্যবহৃত হতো। আর মোহাম্মাদপুরের বাসাটি তাদের বোমা তৈরির কারখানা।

আজ বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, পঞ্চম তলা বাড়িটির সামনে ডানপাশের ফ্ল্যাটে কারখানা বানিয়েছিল জঙ্গিরা। সকাল থেকে ডিবি ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যদের বিস্ফোরক জব্দ করে তা ধ্বংস করতে দেখা যায়। বেশ কিছু নতুন বালতি, বালির বস্তা ও বোমা নিস্ক্রিয়করণ যন্ত্র নিয়ে বাসার ভেতরে ঢোকে পুলিশ সদস্যরা। পরে বিস্ফোরকদ্রব্য নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে নিস্ক্রিয় করা হয়। এ সময় নিরাপত্তার স্বার্থে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের লাইন বন্ধ করা হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় ওই বাড়ির সামনের সড়ক ও দোকানপাট। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি দেখে জড়ো হন উৎসুক জনতা।

অভিযানে অংশ নেয়া কয়েকজন ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা জানান, বাড্ডায় আটককৃত জঙ্গিদের তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মাদপুর, উত্তরার আশকোনা ও গাজীপুরে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিটি অভিযানেই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হলেও কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

কর্মকর্তারা আরো বলেন, অন্য আর কোথায় কোথায় নিষিদ্ধ এই জঙ্গি সংগঠনটির আস্তানা রয়েছে তা বের করতে তদন্ত চলছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ধারণা, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় এধরনের আরও আস্তানা গেড়েছে জঙ্গিরা।

পুলিশ বলছে, উদ্ধার হওয়া গ্রেনেড, বোমা ও বিস্ফোরক দিয়ে বহুতল ভবন পর্যন্ত উড়িয়ে দেয়া সম্ভব। গ্রেনেডগুলো বেশ শক্তিশালী। টেনিস বল সাইজের এই ধরনের গ্রেনেডও নতুন আবিষ্কার।

অভিযানে অংশ নেয়া ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসি মাশরুকুর রহমান খালেদ সাংবাদিকদের বলেন, মোহাম্মাদপুরে উদ্ধার হওয়া গ্রেনেড ও বোমাগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী। জঙ্গিদের এ ধরনের আর কোনো আস্তানা আছে কি-না সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা আরো জানান, বাসাটিতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক রয়েছে। শনিবার সারাদিন অভিযান চালিয়ে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করা না গেলে পর রোববার ফের তৃতীয় দফার অভিযান শুরু করা হবে। তবে রাতে অভিযান বন্ধ থাকবে।
- See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/95498#sthash.wae5Llax.dpuf

গাযওয়াতুল হিন্দ
02-22-2016, 12:05 AM
ঢাকা : রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযানকালে এক ডিবি কর্মকর্তা হামলার শিকার হয়ে আহত হওয়ার ঘটনা ছাড়াও অভিযানে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়া মোহাম্মদপুরে জঙ্গি আস্তানা অভিযানে সসপেন বোমাসহ ৫ ধরনের বোমা উদ্ধারের ঘটনায় আরো একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রোববার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক এসআই শফিকুল বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় মামলা দুটি দায়ের করেন।

গত শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বাড্ডায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযানকালে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তা বাহাউদ্দিন ফারুকীর (৪৫) ওপর হামলার ঘটনায় একটি এবং বোমা ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় অপর মামলাটি করা হয়।

মামলার বিষয়টি বাংলামেইলকে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের ডিসি মারুফ হোসেন সরকার।

এদিকে, পুলিশের অভিযানে আটক দুজকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে।
http://banglamail24.com/news/135169

murabit
02-22-2016, 12:55 AM
ربنااغفرلنا ذنوبنا واسرافنافى امرنا وثبت اقدامنا وانصرناعلى القوم الكافرين

Goraba
02-27-2016, 07:52 PM
اللهم اكفنا بما شئت