PDA

View Full Version : গাফফার চৌধুরী :: Lock The Target -:-



Alpha1
07-04-2015, 10:17 PM
কাফেরদের দেবতাদের নামে আল্লাহর ৯৯ নাম : গাফফার চৌধুরী ( নাউজুবিল্লাহ )

http://imagesrv1.amardeshonline.com/201507/news/13_5.jpg

কাফেরদের দেবতাদের নামে আল্লাহর ৯৯ নাম বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী পন্থী বুদ্ধিজিবী আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

নারীর পর্দা ও আরবী ভাষা নিয়েও বিরুপ মন্তব্য করেছেন তিনি।

নিউইয়র্কে ৩ জুলাই বিকেলে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘বাংলাদেশ : অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় করা এই মন্তব্য নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে নিউইয়র্কে হজ ও তবলিগ জামাত নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে মন্ত্রিত্ব হারিয়ে সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। তার ফাঁসির দাবিতে হেফাজতসহ কয়েকটি ইসলামী দল বিক্ষোভ করেছে। মন্ত্রিত্ব হারালেও লতিফ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য রয়েছেন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আব্দুল মোমেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘আজকের আরবী ভাষায় যেসব শব্দ; এর সবই কাফেরদের ব্যবহৃত শব্দ। যেমন- আল্লাহর ৯৯ নাম, সবই কিন্তু কাফেরদের দেবতাদের নাম। তাদের ভাষা ছিল আর-রহমান, গাফফার, গফুর ইত্যাদি। সবই কিন্তু পরবর্তীতে ইসলাম এডাপ্ট করেছিল।’

নারীদের বোরকা ও হিজাব নিয়েও বিরূপ মন্তব্য করে গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশে এটা হচ্ছে ওহাবিদের লাস্ট কালচারাল ইনভলব। আমি অবাক হচ্ছি। ক্লাস টুয়ের মেয়েরা হায়েজ-নেফাজ পড়বে! এটা আমাদের ধর্ম শিক্ষা হতে পারে?’

তিনি বলেন, ‘মুসলমান মেয়েরা মনে করে হিজাব, বোরকা হচ্ছে ইসলামের আইডিন্টিটি। আসলে কী তাই? বোরকা পরে যাচ্ছে কিন্তু প্রেম করছে। আবার ইন্টারনেটেও প্রেম করছে। আচরণ ওয়েস্টার্ন কিন্তু বেশভূষা ইসলামিক করে আত্ম-প্রতারণা করছে তারা।’

আওয়ামীপন্থী এই কলাম লেখক বলেন, ‘এখন যুগ পাল্টেছে। এখন বাংলাদেশে বোরকা পড়ার বিপক্ষে অনেকেই জেগে উঠেছে। এসব ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’

রাসুল আর রসুল্লাহ শব্দটি এক নয় দাবি করে গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘রসুল মানে দূত, অ্যাম্বাসেডর। রসুলে সালাম মানে শান্তির দূত। রসুল বললেই আপনারা মনে করেন হযরত মুহম্মদ (সা.), তা কিন্তু নয়। যখন রসুল্লাহ বলবেন তখন মনে করবেন আল্লাহর প্রতিনিধি। এখন মোমেন ভাই আমেরিকায় থেকে যদি বলেন কিংবা আমি নিজেকে রসুল দাবি করলে কল্লা যাবে।’

কিছুদিন মাদ্রাসায় পড়ার কথা উল্লেখ করে গাফফার চৌধুরী আরও বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি হাদিস সংগ্রহকারী আবু হুরায়রা নামের অর্থ হচ্ছে বিড়ালের বাবা। আবু বকর নামের অর্থ হচ্ছে ছাগলের বাবা। কাফেরদের মধ্যে যারা মুসলমান হয়েছিল পরবর্তীতে তাদের নাম পরিবর্তন করা হয়নি।’

গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘পুরো দেশ এখন দাড়ি-টুপিতে ছেঁয়ে গেছে। সরকারি অফিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে টুপি আর দাড়ির সমাহার। অথচ তারা ঘুষ খাচ্ছেন। এত বড় দাড়ি, এত বড় টুপি; কিন্তু ঘুষ না পেলে ফাইলে হাত দেন না- এটা কী ইসলামের শিক্ষা?’

ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার দায়ে মন্ত্রিত্ব হারানো আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে সাফাই গান তিনি। অনেকটা রসিকতার সুরে তিনি বলেন, ‘লতিফ সিদ্দিকী কী এমন বলেছিল? তাকে বিপদে পড়তে হয়েছে। তার জন্য আজকে দেশে আন্দোলন হচ্ছে। এসবই হচ্ছে ওহাবীয় মতবাদ ও মাওলানা মওদুদীর চাপিয়ে দেওয়া সংস্কৃতি, যা আমাদের বাংলা ভাষার মধ্যে ঢুকে পড়েছে।’

গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘মানুষের মগজধোলাই করে জামায়াত ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে। তারা প্রকৃত ইসলামী অনুশাসনে বিশ্বাসী নয়। এরা দীনে মোহাম্মদী নয়; দীনে মওদুদী। আবদুল ওহাব নামে কট্টর এক ব্যক্তির ধারায় এ অঞ্চলে ওহাবী মতবাদ চাপিয়ে দেয় সৌদি আরব।’

বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদের উত্থান প্রসঙ্গে এই লেখক বলেন, ‘আমেরিকা তালেবান সৃষ্টি করে বিপদে পড়েছে। আর ব্রিটিশরা ভারত বর্ষকে ভেঙে টুকরো করার পাশাপাশি ইসলামী মতবাদকেও বিভক্ত করেছে পাকিস্তানকে দিয়ে।’

তিনি জানান, পরবর্তীতে যা সৌদি ও ইরানের অর্থায়নে এ অঞ্চলে ওহাবী মতবাদ মাওলনা মওদুদীকে দিয়ে জামায়াতের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। অথচ এই পাকিস্তানই ৫০ হাজার কাদিয়ানী হত্যার দায়ে মাওলানা মওদুদীর ফাঁসির রায় দিয়েছিল। পরবর্তীতে যদিও ফাঁসি কার্যকর করতে পারেনি।

তিনি বলেন, ‘এভাবে মুসলমানে মুসলমানে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন ওহাবী ইজম। আমি তো মনে করি শেখ হাসিনার শত ভুলত্রুটি থাকলেও আজকে সিম্বল অব সেক্যুলারিজমের জনক হচ্ছেন তিনি। সে শক্ত হাতে এ সব দমন না করলে বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যেত।’

গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘যত দিন আমাদের মনে তিনটি প্রাচীর থাকবে, ততদিন বাংলাদেশ নিরাপদ। বাংলা ভাষা, রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু। এই তিনটি প্রাচীর থাকলেই তালেবানরা বাংলাদেশকে দখল বা ধ্বংস করতে পারবে না।’ আলোচনায় মূল বিষয়ের বাইরে গিয়ে আল্লাহ ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই বিব্রতবোধ করেন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের আহ্বায়ক আবদুল মুকিত চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা যে দল কিংবা মতের হই না কেন, আল্লাহ, নবী, ইসলাম ও নারীর পর্দা নিয়ে এ সব কথা বলা উচিত নয়।’
-----------------------------------------

সুত্রঃ- http://anonym.to/?http://www.amardeshonline.com/pages/details/2015/07/04/291232#.VZgAeFf7QdV

titumir
07-05-2015, 12:03 AM
নায়ুজুবিল্লাহ!!!
ইয়া অাল্লাহ এই সকল জিন্দিকদের থেকে তোমার দ্বীনকে নিরাপদ করতে তোমার বান্দাদের সাহায্য কর।

AbdulMajed
07-05-2015, 12:33 AM
হে আল্লাহ ! আমাদের হাত দ্বারা এই জিন্দিককে শায়েস্তা করুন। আমিন

মুক্তির পথে
05-05-2019, 04:45 PM
new target is loading:mad:

আদনানমারুফ
05-05-2019, 09:29 PM
নাস্তিক-মুরতাদদের এ জাতীয় কথাবার্তায় ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ সাধারণ মানুষদের ইমান-আকীদা নষ্ট হয়, এ জন্যই ইসলামে মুরতাদদের হত্যার বিধান দেওয়া হয়েছে, উসুলে ফিকহের কিতাবাদীতে বলা হয়েছে, مقاصد شرع বা শরিয়তের মৌলিক উদ্দেশ্য পাচটি, حفظ الدين والنفس والعقل والنسل والمال অর্থাৎ দ্বীন, জান, আকল, বংশ ও সম্পদের হেফাযত করা, আর দ্বীনের হেফাযত হয় কাফেরদের সাথে জিহাদ ও মুরতাদদের হত্যা করার দ্বারা। ইমাম যারকাশী (মৃ: ৭৯৪ হি.) বলেন,
المقاصد الخمسة وهي: حفظ الدين بشرعية القتل والقتال، فالقتل للردة وغيرها من موجبات القتل لأجل مصلحة الدين، والقتال في جهاد أهل الحرب، وحفظ النفس بشرعية القصاص، وحفظ العقل بشرعية الحد على شرب المسكر، وحفظ النسل بتحريم الزنا وإيجاب العقوبة عليه، وحفظ المال بإيجاب الضمان على المتعدي فيه، وبالقطع في السرقة.

শরিয়তের মৌলিক উদ্দেশ্য পাচটি,
১. হত্যা ও যুদ্ধের মাধ্যমে দ্বীনের হেফাযত, হত্যা করতে হয় রিদ্দাহর কারণে, আর যু্দ্ধ করতে হয় হারবীদের সাথে।
২. কিসাসের মাধ্যমে জানের হেফাযত।
৩. মদপানের শাস্তির মাধ্যমে আকলের হেফাযত।
৪. যিনার শাস্তির মাধ্যমে বংশের হেফাযত।
৫. সম্পদ নষ্ট করলে জরিমানা ও চুরির শাস্তি হাত কাটার মাধ্যমে সম্পদের হেফাযত। -তানশীফুল মাসামি’ বিজাময়িল জাওমায়ি’ , ৩/১৫ দারুল কুরতুবা।

শাহ ওয়ালিউল্লাহ রহিমাহুল্লাহু শরিয়তের হেকমত ও মাকাসেদের ব্যাপারে রচিত তার যুগান্তকারী গ্রন্থ হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগায় বলেন,
قوله صلى الله عليه وسلم: من بدل دينه فاقتلوه وذلك لأنه يجب أن يقام اللائمة الشديدة على الخروج من الملة وإلا لانفتح باب هتك حرمة الملة (حجة الله البالغة: 2/255 ط. دار الجيل)

যে ব্যক্তি ধর্মান্তরিত হয় তাকে কঠোর শাস্তি প্রদান করা আবশ্যক, নতুবা ধর্মের হুরমত ও মর্যাদা বিনষ্টের পথ খুলে যাবে, এজন্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ধর্মান্তরিত হয় তোমরা তাকে হত্যা করো। -হুজ্জাতু্ল্লাহিল বালেগা, ২/২৫৫

সুতরাং এ ধরণের নাস্তিক-মুরতাদদের একমাত্র প্রতিকার হলো চাপাতি। কিন্তু আবুল বাশার সাইফুল্লাহ সাহেবের মত আলেমরা এ বিষয়গুলো বুঝেন না, তারা নাস্তিক-মুরতাদদের সাথেও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দাওয়াত দেন, আর মাসিক আলকাউসারেও https://www.alkawsar.com/bn/article/2226/ তা ছাপা হয়। হায়, তাহলে আমরা কোথায় যাবো, কার উপর আস্থা রাখবো? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যি বলেছেন, بدأ الإسلام غريبا، وسيعود كما بدأ غريبا، فطوبى للغرباء গারীব (অপরিচিত, ও সাহায্যকারীবিহীন অবস্থায়) ইসলামের সূচনা হয়েছে, এবং অচিরেই তা আবারো গারীব হয়ে যাবে, কিন্তু গারীবদের জন্যই সুসংবাদ, সহিহ মুসলিম, হাদিস, ২৩২