PDA

View Full Version : খোরাসান সংবাদ -১৯-২০ ওমারী অপারেশনের দূর্দান্ত গতী : ক্রুসেডার ও তাবেদার শক্তি দিশেহারা।



abuusama
04-23-2016, 05:58 PM
বাগলান = হেভি মেশিনগান, চারটি ক্লাশিনকোভ ও বেশ অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে ১কমান্ডার সহ পাচ সেনা মুজাহিদদের সাথে মিলিত।
নাঙ্গরহার = পুলিশ চৌকিতে হামলা। তিন পুলিশ নিহত ও বেশ কয়েক জন আহত।
ফারইয়াব = কয়েক জেলায় হামলা। আলমার জেলায় পাচ সেনা নিহত। অন্যান্য জেলার সংবাদ এখনো আসেনি। এক মুজাহিদ ভাই আহত। ভীরু সেনারা প্রতিশোধ জিঘাংসায় সাধারণ জনগণের উপর মর্টার হামলা চালায়। এরপর তাদের সভাব অনুযায়ী ভয়ংকর মিথ্যাচারের আশ্রয় নেয়।
কাবুল = আল্লাহু আকবার !! আল্লাহু আকবার !!
৫ই রজব মোতাবেক ১২ই এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া মোবারক ওমারী অপারেশনের ধারাবাহিকতায় আজ তাগুত সরকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষিত স্থাপনা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স এর কেন্দ্রিয় অফিসে হামলা।
বিস্তারিত রিপোর্টে বলা হয় ১৯শে এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ইমারতে ইসলামিয়ার ফিদায়ী গ্রুপের তিন ভাই শহীদ জামাল উদ্দীন, সাইয়্যেদ আবদুল ওয়ালী, ও তার সাথী হালকা ও ভারী অস্ত্রে সুসজ্জিত হয়ে কাবুল শহরের সর্বোচ্চ সুরক্ষিত এলাকা প্রেসিডেন্ট ভবন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের পার্শ্ববর্তী ইন্টেলিজেন্স বিভাগের হেডকোয়াটারে হামলা চালান।
সর্বপ্রথম ফিদায়ী মুজাহিদ শহীদ জামালুদ্দীন (আল্লাহ তায়ালা ভাইকে কবুল করুন) অফিসের মেইন গেটের কাছে বিস্ফোরণ ঘটান। এতে আশ পাশের সকল পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা পালিয়ে যায়। এরপর কোন রুপ বাধাহীন পরিবেশে অপর দুই ফিদায়ী ভাই সাইয়্যেদ আব্দুল ওয়ালী ও তার সাথী কেন্দ্রের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েন। এবং সেখানে উপস্থিত উন্টেলিজেন্স বিভাগের বড় বড় কর্মকর্তা নবনিযুক্ত কমান্ডো, দেশ বিদেশের কুটনৈতিক সহ উচ্চস্তরের অফিসারদের উপর গোলাবর্ষণ । হামলা অব্যাহত থাকে পাচ ঘন্টা। শত্রু পক্ষের থেকেও কিছু ফায়ারিং হয়। এতে এক পর্যায়ে সাইয়েদ আব্দুল ওয়ালী ভাই শাহাদাত বরণ করেন। অপর সাথী আল্লাহর সাহায্যে অপারেশন শেষে মুজাহিদ ক্যাম্পে ফিরে আসতে সক্ষম হন ।
নির্ভর যোগ্য সুত্রে বলা হয়েছে - এই মোবারক হামলায় ইন্টেলিজেন্স বিভাগের উপরস্ত কর্মকর্তা সহ মোট ৯২ জন নিহত। এবং একশর বেশি আহত।
ফিরে আসা ভাই বলেন যখন অপারেশন শুরু হয় তখন ক্রুসেডারদের গোলামরা দিশেহারা হয়ে পালাতে থাকে । তিনি বলেন এলো পাতাড়ী গুলির মাঝে দৌড়াতে গিয়ে তারা উদুরের মত মরতে থাকে। আমার হাতেই ৫৮ শয়তান জীবন হারায়।
উল্লেখ্য যে, কাপুরুষ পুতুল সরকার বরাবরের ন্যায় এবার ও দাবী করে যে, এই হামলায় সাধারণ জনগণের বেশ ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। আমরা তাদের এই মিথ্যা দাবী জোড়ালো ভাবে প্রত্যাখান করছি। কারণ প্রেসিডেন্ট ভবন ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় সহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রীয় ভবন থাকায় এই এলাকাটি যথেষ্ট সুরক্ষিত ও নিরাপত্তা বেষ্টিত। এখানে সাধারণ মানুষ আসবে দূরে থাক একটা পাখিও ঢুকতে পারে না। তাই তাদের দাবী শুধুই মিথ্যাচার ও প্রতারণা পূর্ণ। তবে বিস্ফোরণ যেহেতু ভয়াবহ ও শক্তি শালী ছিল তাই আশ পাশের কয়েকটি ভবনের কিছু কাচ ভেঙ্গে গেছে এবং এতে কিছু মানুষ হালকা আহত হয়েছে।
খোস্ত = পুলিশ ও সেনা চৌকির উপর হামলা । তিন সেনা নিহত।
গজনী = পুতে রাখা বোমায় কমান্ডারের গাড়ী বিধ্বস্ত। কমান্ডার সহ চার সেনা নিহত।
পাকতিয়া - মায়দান ওয়ার্দাক = দুধর্ষ ও সেনাদের উপর হামলা। দুই সেনা ধ্বংস।
কাবুল = সেনা ক্যারাভানের উপর হামলা। তিন সেনা নিহত।
কোনার = কয়েটি সেনা চৌকি ও নবনিযুক্ত সেনাদের উপর হামলা। রেঞ্জার গাড়ী বিধ্বস্ত। ২সেনা নিহত।
বদখশান = পুতুল সরকারের সহযোগী স্থানীয় যোদ্ধা ও পুলিশ বাহিনীর উপর হামলা। বিহারিক ও রুদুজ জেলার মধ্যবর্তি অঞ্চলের মুজাহিদদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রন। শত্রু বাহিনীর ৩২ জন নিহত। বেশ সংখ্যক আহত। উল্লেখযোগ্য গনিমত লাভ।
কুন্দুজ = ওমারী অপারেশনের ধারাবাহিকতায় ইমারতে ইসলামিয়ার মুজাহিদগণ কুন্দুজ প্রদেশের কয়েকটি জেলায় হামলা চালায়। ১৮ তারিখ থেকে শুরু হয়ে রাজধানীতে এখনো হামলা অব্যাহত রয়েছে । এবং দুশমনরা যতেষ্ঠ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে। মুজাহিদরা আল্লাহর সাহায্যে রাজধানীর বন্দর গাহ থেকে পেট্রোলপাম্প পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলের উপর কন্ট্রোল প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন। দুশমনের জবাবী হামলায় তিন মুজাহিদ ভাই আহত। আল্লাহ তায়ালা ভাইদেরকে জলদি সুস্থ করে তুলুন।
ইমারার রিপোর্টে বলা হয়, কুন্দুজ প্রদেশের পূর্ব সীমান্ত থেকে আকসে দাউদ পর্যন্ত বিস্তুত এলাকা জুড়ে পাচ দিন যাবৎ মুাজাহিদদের অপারেশন অব্যাহত রয়েছে। এবং এ পর্যন্ত কুন্দুজ থেকে তাখার গামী মহাসড়ক পরিপূর্ণ মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।
অপরদিকে শত্রু বাহিনী সুযোগ বুঝে চারখাব জেলায় মুজাহিদদের উপর আক্রমন চালাতে এসে ভয়াবহ প্রতিরোধের মুখে পড়ে। অবশেষে জানমালের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি মাথায় করে এখান থেকে পালাতে বাধ্য হয়। রেঞ্জার গাড়ী বিধ্বস্ত । ১৮ সেনা নিহত । ও বেশ কয়েক জন আহত।
দাস্ত আরচি জেলা থেকে প্রাপ্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুজাহিদগণ তাজুকি ক্লাসিক অঞ্চল থেকে শত্রুদেরকে ঝেটিয়ে বিদায় করতে সক্ষম হয়। আলহামদুলিল্লাহ প্রচুর গনিমত সহ অত্র অঞ্চল মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রনে।
পারওয়ান = বাগরাম জেলায় আমেরিকান ফার্ম সেনাদের অতিক্রম কালে মুজাহিদদের মাইন বিস্ফোরণে অত্যাধুনিক ট্যাংক বিধ্বস্ত সহ বেশ কয়েকটি ক্রুসেড শয়তান জাহান্নামে।
যাবুল = আতগর জেলায় অভিযানরত বাহিনীর উপর হামলা। ১জন নিহত ২জন আহত।
বলখ = উভয় প্রদেশের কয়েটি জেলায় পুতুল সেনাদের উপর হামলা। ১৩ জন নিহত। বেশ কিছু আহত।
কুন্দুজ = ওমারী অপারেশনের ধারাবাহিকতায় ১৮ তারিখ থেকে শুরু হওয়া হামলায় আজ পর্যন্ত কিরগিজ অঞ্চলে সামরিক ঘাটি ও ৬টি চৌকি বিজয়।
কোনার = কয়েকটি চৌকির উপর হামলা । একটি বিজয় , বাকীগুলোতে এখনো হামলা অব্যাহত। নাড়া থেকে গাজিয়াবাদের মহাসড়ক মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রনে। মাঝপথে শত্রু বাহিনী অবরুদ্ধ।
কুন্দুজ = কোতরব্লাক এলাকায় আরো চার চৌকি বিজয়। সিকিউরিটি ফোর্সের উপর বহুমুখী হামলা। বেশ কয়েক জন মারাত্মক আহত। আহতদের নেয়ার জন্য এম্বুলেন্সের ভীর। এক মুজাহিদ ভাই শহীদ ।
নাঙ্গর হার = বারুদ বোমায় রেঞ্জার গাড়ী বিধ্বস্ত। তিন সেনা জাহান্নামে। আরেক স্থানে দুই সেনা মারাত্মক আহত।
খোস্ত - গজনী = পুতুল সেনাদের উপর বোমা হামলা। তিন সেনা নিহত।
তাখার = তাগুতের পোষ্য স্থানীয় যোদ্ধা বাহিনীর উপর হামলা। সামরিক গাড়ী বিধ্বস্ত। চার সেনা নিহত। বেশ কিছু আহত।
নাঙ্গরহার = স্থানীয় যোদ্ধা ও পুতুল সেনা চৌকির উপর হামলা। ৬জন নিহত। বেশ সংখক আহত।
গজনী = ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস কমিউনিকেসন অফিসার সহ তিন কর্মকর্তা নিহত। দুটি ট্যাংক ও একটি গাড়ী বিধ্বস্ত।
নিহতদের লাশ নিতে আসা সেনা বহরের উপর হামলা। ১৮ সেনা নিহত। ১০ জন আহত। আরেক স্থানে আকস্মিক হামলায় দুই সেনা নিহত ও দুই জন আহত।
কোনাড় - মায়দান ওয়ার্দাক = অভিযান রত বাহিনীর উপর হামলা। পুলিশ সুপার সহ তিন জন জাহান্নামে।
লোগমান = স্থানীয় যোদ্ধাদের চৌকির উপর হামলা। শত্রুদের জান মালের ক্ষয় ক্ষতি। ট্যাংক বিধ্বস্ত। আমেরিকান ক্যারাভান হামলার শীকার। ১ ক্রুসেডার জাহান্নামে। আরেক ক্রুসেডার অপেক্ষায় আছে।
বদখশান = স্থানীয় যোদ্ধা ও সিকিউরিটি ফোর্সের উপর হামলা। শত্রু পক্ষের শোচনীয় পরাজয়। ২১ সেনা জাহান্নামে । দুই জন গ্রেফতার।
প্রাপ্ত তথ্য মতে দুশমনের গুলিতে ৪ জন মুজাহিদ ভাই শহীদ । আল্লাহ তায়ালা ভাইদেরকে কবুল করুন।
কুন্দুজ = কমান্ডো এবং সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যরা কুন্দুজ প্রদেশের রাজধানীতে মুজাহিদদের উপর হামলা চালায়। মুজাহিদগণ প্রতিরোধ যুদ্ধে এগিয়ে আসলে তুমুল সংঘর্ষ বাদে। দীর্ঘক্ষন চলে যুদ্ধ । অবশেষে মুজাহিদগণ আল্লাহর সাহায্যে দুশমনদেরকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে। ১০জন কমান্ডো ১৮ জন স্থানীয় যুদ্ধাসহ আরো বেশ কয়েক জন পুলিশ নিহত।

আবু মুহাম্মাদ
04-23-2016, 06:15 PM
যাজাকাল্লাহ আখি। আল্লাহর সাহায্যে চালিয়ে যান।