PDA

View Full Version : দেশ জুড়ে সাড়াশি অভিযান চলছে......



Breaking news
06-10-2016, 06:18 PM
বিশেষ সংবাদদাতা : জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামছে পুলিশ। দেশব্যাপী এ অভিযান আজ শুক্রবার থেকে শুরু হবে। চলবে সাত দিন। চট্টগ্রামে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নেতৃত্বদাতা কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী হত্যাকা-ের পর গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এক বৈঠকে এই অভিযানের সিদ্ধান্ত হয়। এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী খুন হওয়ার পর ইতোমধ্যে সারাদেশে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে র*্যাব-পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ঢাকাসহ সারাদেশে ৭জন নিহত হয়েছে। নিহতরা জেএমবির সদস্য বলে র*্যাব-পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। গত রোববার সকালে চট্টগ্রামের জিওসি মোড়ে বাবুল আক্তারের স্ত্রীকে ছুরি মেরে ও গুলি করে হত্যা করে দুষ্কৃৃতিকারীরা। মর্মস্পর্শি এই হত্যাকা-ের পর পুলিশ এ ঘটনার জন্য জঙ্গিদের সন্দেহ করে। কার্যত সেদিন থেকেই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার র*্যাবের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ঢাকায় ২জন এবং পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে গাইবান্ধায় ১জন নিহত হয়েছে। র*্যাব ও পুলিশের দাবি নিহত তিন জনই নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবির সদস্য। এর আগে মঙ্গলবার পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনজন এবং বুধবার আরও একজন নিহত হয়। গতকাল পুলিশ সদর দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী হত্যা ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে করণীয় নির্ধারণে পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অতিরিক্ত আইজিপি ফাতেমা বেগম, সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেন, রেলওয়ে রেঞ্জের অতিরিক্ত আইজিপি মো: আবুল কাশেম, ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, সব কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি এবং ঢাকা, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, বগুড়া, ঝিনাইদহ ও নাটোর জেলার পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী প্রচারণা জোরদার করতে হবে। জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য কমিউনিটি পুলিশিংকে কাজে লাগাতে হবে। বাবুল আক্তারের স্ত্রী খুনের ঘটনাকে অত্যন্ত নির্মম, বর্বরোচিত ও দুঃখজনক ঘটনা বলে আখ্যায়িত করেন আইজিপি। তিনি এ নৃশংস হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন। তিনি দৃঢ় মনোবল নিয়ে পেশাদারীত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, টিম স্পিরিট নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সভায় দেশব্যাপী জঙ্গিদের তালিকা হালনাগাদ করা, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি বাড়ানো, ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিংকে কার্যকর করা, আগন্তুক ও ভাড়াটেদের ওপর নজরদারি বাড়ানো, বিদেশিদের নিরাপত্তা দেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুলিশের এই সভায় যোগদানের আগে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক রামপুরায় এসপি বাবুল আক্তারের শ্বশুড় বাড়িতে যান। এসপি বাবুল আক্তার তার মাতৃহারা দুই সন্তানকে নিয়ে সেই বাড়িতেই অবস্থান করছেন। আইজিপি শোক সন্তপ্ত পরিবারকে শান্তনা দেন এবং সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে বলেন। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের ওই বৈঠকে এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকান্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ বিষয়ে অনেকেই বক্তব্য রাখেন। তাতে বলা হয়, গত এক বছরে যেভাবে লেখক, প্রকাশক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, বিদেশিদের হত্যা করা হয়েছিল, গত ৫ মে সেই কায়দায়ই কুপিয়ে ও গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় এসপিপতী মাহমুদা আক্তার মিতুকে। পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল চট্টগ্রামে থাকাকালে জঙ্গিবিরোধি বিভিন্ন অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ কারণে এই ঘটনার সাথে জঙ্গিদের সম্পৃক্ততার জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এরই মধ্যে এই হত্যাকান্ড নিয়ে নানান ধরণের তথ্য এসেছে খোদ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বক্তব্য থেকেই। শুরুতে এই ঘটনার নেপথ্যে জঙ্গিদের সংশ্লিষ্টতার কথা বলা হলেও পরে বলা হয়, এর পেছনে দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র রয়েছে। এই হত্যাকান্ডের পর সারাদেশে জেএমবির ৭ সদস্য বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেও ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। গত বুধবার পর্যন্ত মামলার তদন্তের দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি বলে সিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এর মধ্যেই পুলিশ সদর দপ্তরে সহকর্মীর স্ত্রী হত্যার পর পরিস্থিতি নিয়ে বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন পুলিশপ্রধান শহীদুল হক। বৈঠকে তিনি বলেন, এই ঘটনার (বাবুলের স্ত্রী খুন) সাথে যারা জড়িত, তাদের অত্যন্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আমাদের আনতে হবে। এজন্য বাহিনীর সব সদস্যকে একতাবদ্ধ হয়ে, দৃঢ় মনোবল নিয়ে, পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান পুলিশ প্রধান। পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় শোকাহত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এই ঘটনাকে ইতোমধ্যে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। যেকোনও উপায়ে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করতে গ্রহণ করা হচ্ছে সব ধরনের পদ্ধতি। পুলিশের প্রতিটি বিভাগকে দেওয়া হয়েছে এ বিষয়ে নির্দেশনা। আজ শুক্রবার থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু করবে যৌথবাহিনী। পুলিশ সদর দফতরের একাধিক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা এই প্রথম। পুলিশ সদস্য আক্রমণের স্বীকার হলেও তাদের পরিবার কখনও টার্গেট হয়নি। কিন্তু এবার সেটা হয়েছে। পুলিশ তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নাগরিকদের নিরাপত্তা দেবে। পুলিশের উপ-মহাপরিদরশক (ডিআইজি) একেএম শহিদুর রহমান বলেন, যেকোনও অপরাধের বিষয়ে পুলিশ জিরো টলারেন্স। পুলিশকে সেভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযানে র*্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা যৌথভাবে অংশ নেবে। সারাদেশে এই অভিযান চলবে বলেও জানান পুলিশ কর্মকর্তারা। র*্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২ রাজধানীর তুরাগ ও রামপুরায় র*্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছেন। তুরাগ থানার প্রত্যাশা ব্রিজ এলাকায় গতকাল ভোরে ও রামপুরায় বুধবার মধ্যরাতে পৃথক এ দুইটি ঘটনা ঘটে। র*্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক (এএসপি) মিজানুর রহমান জানান, তুরাগ থানার প্রত্যাশা ব্রিজের কাছে র*্যাবের চেকপোস্টের সামনে দিয়ে ভোরে মোটরসাইকেলে করে তিনজন যাচ্ছিল। র*্যাব সদস্যরা তাদের থামতে বললে তারা মোটরসাইকেল না থামিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং র*্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। র*্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় নজরুল ইসলামের (৪০) শরীরে গুলি লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং বাকিরা পালিয়ে যান। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। নিহত নজরুল নারী পাচারকারী, অজ্ঞানপার্টির নেতা ও ছিনতাইকারী বলেও জানান তিনি। এদিকে রামপুরা এলাকায় র*্যাবের টহল টিমের সঙ্গে ছিনতাইকারীদের একটা গ্রুপের গুলি বিনিময়ে কামাল পারভেজ (৪২) নামে ছিনতাইকারী দলের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশি রিভলভার ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয় বলেও জানান এএসপি মিজানুর রহমান। রামপুরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) দেলওয়ার হোসেন জানান, রাত পৌনে ১টায় র*্যাব-৩ এর সদস্যদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কামাল পারভেজ গুলিবিদ্ধ হন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন। জানা গেছে, নিহত কামাল বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কেনাই কাজীর ছেলে। তিনি উত্তরার আজমপুর এলাকায় থাকতেন। গোবিন্দগঞ্জে বন্দুকযুদ্ধে জেএমবি সদস্য নিহত গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা)উপজেলা সংবাদদাতা জানান, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্ধুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হয়ে জেএমবির এক সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতের বয়স ৩৫-৩৮ হবে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে গোলাবারুদসহ দেশী অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের মালঞ্চা গ্রামের জাহাঙ্গীরের বাড়িতে বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবী, নিহত ব্যক্তি নিষিদ্ধি ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির সক্রিয় সদস্য। গোপন বৈঠককালে পুলিশ অভিযান টের পেয়ে নিহত ব্যক্তিসহ সংঘবদ্ধ জেএমবির সদস্যরা পুলিশের উপর গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ঘটনাস্থলে জেএমবির সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, চিহ্নিত জেএমবির ক্যাডার মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়ীতে বুধবার দিবাগত রাতে বেশ কয়েকজন জেএমবি সদস্য সংগঠিত হয়ে নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছিল। খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল জাহাঙ্গীরের বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের উদ্দ্যেশে গুলি ছোড়ে জেএমবি সদস্যরা। এতে পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। এসময় অন্যরা পালিয়ে গেলেও গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই এক জেএমবির সদস্য নিহত হয়। তিনি আরও জানান, তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের নাম পরিচয় জানা যায়নি। তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থল থেকে গোলাবারুদসহ দেশী অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।



লিংকঃ http://www.24livenewspaper.com/site/?url=www.dailyinqilab.com/

tariq
06-10-2016, 09:41 PM
গত ৭২ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন ৯ জন। সর্বশেষ বুধবার রাতে রাজধানীতে র*্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ জন এবং গাইবান্ধায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আরো ১ জন নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীর তুরাগ এলাকায় চেকপোস্টে তল্লাশি চালানোর সময় মোটরসাইকেল আরোহী তিন সন্ত্রাসীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে র*্যাব। এতে নজরুল ইসলাম (৩৭) নামে একজন নিহত হয়েছেন। প্রায় একই সময় রামপুরা বালুর মাঠ এলাকায় একইভাবে গুরুতর আহত হন কামাল পারভেজ (৪০)। রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে মধ্যরাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাতপরিচয় কথিত জঙ্গি সদস্য মারা গেছে।

পুলিশ ও র*্যাব সূত্র জানায়, গত বুধবার রাতে তুরাগ এলাকার প্রত্যাশা ব্রিজের কাছে র*্যাব চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছিল। এক পর্যায়ে মধ্যরাতে তিন মোটরসাইকেল আরোহী ওই চেকপোস্টের কাছে আসলে থামার জন্য যথারীতি সংকেত দেয়া হয়। কিন্তু মোটরসাইকেলটি না থামিয়ে দ্রুত চেকপোস্ট অতিক্রমের চেষ্টা চালায়। এসময় তাদের একজন পিস্তল বের করে র*্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র*্যাবও পাল্টা গুলি চালালে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যায়। বাকি দুজন পালিয়ে যায়। রাত পৌনে দুটায় তাকে টঙ্গী ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেয়া হলে মৃত বলে জানান চিকিৎসকরা। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। নিহত নজরুল ইসলাম পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের মৃত আব্দুল আজিজের পুত্র। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের উপ-পরিদর্শক খগেন্দ্র চন্দ্র সরকারও র*্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তার মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

এদিকে গত বুধবার একই রাতে রামপুরা থানার বালুর মাঠ এলাকায় র*্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কামাল পারভেজ (৪০) নামে অপর এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন র*্যাব সদস্যরা। পরে রাতে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পারভেজ বরিশাল জেলার গৌরনদী এলাকার কালু খলিফার ছেলে। তিনি উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টর ও ১০ নম্বর রোডের ৩৩০/এ নম্বর বাসায় থাকতেন। তবে তার ভাই নাজিম উদ্দিন বাবু বলেছেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং তাকে এমনিতেই গুলি করে মারা হয়েছে।

একই রাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জেএমবি ও পুলিশের গুলি ও পাল্টা গুলিবিনিময়ে অজ্ঞাতনামা এক জেএমবি সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গোলাবারুদসহ দেশে তৈরি অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের মালঞ্চা গ্রামের জেএমবি জাহাঙ্গীরের বাড়িতে কিছু জেএমবি সদস্য সংগঠিত হয়ে নাশকতার উদ্দেশে গোপন বৈঠক করছে। এ সংবাদে রাত ১টায় সেখানে একটি পুলিশ দল অভিযান চালায়। এসময় জেএমবি সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের উদ্দেশে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে জেএমবি সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অজ্ঞাতনামা এক জেএমবি সদস্যের লাশ উদ্ধার করে।

এছাড়া, পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে গত সোম ও মঙ্গলবার রাতে আরো ৬ জন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে শিবগঞ্জের বুড়িগঞ্জের জামতলী ব্রিজের কাছে বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের গুলিতে নিহত হন কাউসার আলী (২৫)। তিনি জেএমবি সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই রাতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আরো একজন পুলিশের ছোড়া গুলিতে নিহত হয়েছে। আগের দিন সোমবার রাতে রাজধানীসহ অন্যান্য স্থানে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আরো ৪ জন মারা গেছে। এর মধ্যে রাজধানীর পল্লবীতে তারেক হোসেন মিলু (৩৫)। তবে তার পরিবার জানিয়েছে বন্দুকযুদ্ধে নয়, বরং নিখোঁজের এক মাস পর তাকে মেরে ফেলা হয়েছে এবং গণমাধ্যমে সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে তার পরিচয় শনাক্ত করে পরিবার। একই রাতে রাজধানীতে সুলতান মাহমুদ (৪২) নামে অপর এক ব্যক্তি বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। ওই দিন কথিত বন্দুকযুদ্ধে রাজশাহীতে জামাল উদ্দিন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুবেল মিয়া (২৮) নামে অপর একজন নিহত হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়।

উৎসঃ মানবজমিন

tariq
06-10-2016, 09:43 PM
জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ধরতে, সারা দেশে শুরু হয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান। এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ৯ শতাধিক গ্রেফতারের খবর মিলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে রংপুরে বিভিন্ন মামলার ১৬২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া, সিলেটে ১৫১ আসামি, চট্টগ্রামে ১৫৮, দিনাজপুরে ১শ, টাঙ্গাইলে ৬৮, যশোরে ৬৮, কুষ্টিয়ায় ৫৭, রাজশাহীতে ৩১, নাটোরে ২৭, মাগুড়ায় ২৪, ঝিনাইদহে ১৭, নোয়াখালীতে ৫ ও লক্ষ্মীপুরে ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশব্যাপী এই অভিযান চলবে সাতদিন।

এর আগে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দফতরে পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বৈঠক হয়। এ বৈঠকে কমপক্ষে ১০ জেলার পুলিশ সুপারসহ উচ্চপদস্থ সব কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এ বৈঠক চলে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা।

সভায় বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি বাড়ানো, জঙ্গিদের তালিকা হালনাগাদ এবং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিংকে কার্যকর করা, আগন্তুক ও ভাড়াটেদের ওপর নজরদারি বাড়ানো, বিদেশিদের নিরাপত্তা দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে দেশের সব রেঞ্জের ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার ও জেলার পুলিশ সুপারদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যে পহেলা রমজান থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে পুলিশের বিশেষ অভিযান। ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে শপিংমল, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি, সড়ক-মহাসড়কে বিভিন্ন নামে চাঁদাবাজি, রেলস্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে পকেটমার ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধেও কাজ শুরু করেছে আইনশৃক্সখলা বাহিনী। এদিকে রমজানে মানুষের কেনাকাটার সুবিধার্থে এবং তারাবির নামাজের সময় অপরাধীদের তৎপরতা রোধ করতে গভীর রাত পর্যন্ত টহল দিচ্ছে পুলিশ। মহাসড়কে ডাকাতি রোধে বিশেষ ভূমিকা রাখছে হাইওয়ে পুলিশ। রোজায় পুলিশের পাশাপাশি তৎপর রয়েছে র*্যাবও।


(collected)

tariq
06-10-2016, 09:45 PM
ক্রসফায়ার দিয়ে র*্যাব-পুলিশের প্রতিরোধ?


বন্দুকযুদ্ধদেশের বিভিন্ন এলাকায় একই কায়দায় একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটা বেড়ে যাওয়ার পর হঠাৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ক্রসফায়ারে নিহতের সংখ্যাও বেড়েছে। গত তিনদিনে র*্যাব-পুলিশের সঙ্গে ক্রসফায়ারে ছয়জন নিহত হয়েছে। অপরাধ বিশ্লেষকরা দাবি করেছেন, আপাতত মনে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্রসফায়ার দিয়ে একটি প্রতিরোধ তৈরি করার চেষ্টা করছে। সাধারণ মানুষের জীবনরক্ষার্থে কিছু সন্ত্রাসীদের প্রাণহানি হয়তো হচ্ছে। তবে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে এটি একমাত্র উপায় হতে পারে না।

গত বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে একই কায়দায় ৪৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে৷ এতে মোট ৪৮ জন নিহত হন৷ গত আড়াই মাসে হত্যা করা হলো ১১ জনকে৷

প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এর সঙ্গে দেশীয় জঙ্গি সংগঠন দায়ী। কেউ বলেছেন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে।

সর্বশেষ চট্টগ্রামের জিইসি মোড়সংলগ্ন মিষ্টির দোকান ওয়েল ফুডের সামনে এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুকে প্রথমে ছুরি মেরে, পরে মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যান দুর্বৃত্তরা। এরপরই নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হত্যাকারীদের গ্রেফতারে সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগ ও বিশেষ পদ্ধতি গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে পুলিশ। গত তিন দিনে র*্যাব-পুলিশের সঙ্গে ক্রসফায়ারে ৬ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর মিরপুরের কালশীতে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত দুজন হলেন তারেক হোসেন মিলু ওরফে ইলিয়াস ওরফে ওসমান ও সুলতান মাহমুদ ওরফে রানা ওরফে কামাল। তারেকের বাড়ি জয়পুরহাটে এবং সুলতানের বাড়ি দিনাজপুরে। পুলিশের দাবি, নিহত দুজনই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য এবং তাদের একজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকীর অন্যতম খুনি।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম গত রোববার সকালে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হওয়ার ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় পর এই বন্দুকযুদ্ধ ঘটে।

এই ক্রসফায়ারের বিষয়ে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের বন্দুকযুদ্ধে তারেক ও সুলতান গুরুতর আহত হন, অন্যরা পালিয়ে যান।

মঙ্গলবার ভোর রাতে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামালউদ্দিন নামে জেএমবি'র আরেকজন সদস্য পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়৷ পুলিশের দাবি, জামাল উদ্দিন গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর রাজশাহীর বাগমারার একটি মসজিদে বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত৷

বুধবার ভোরাতে বগুড়ায় ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে জেএমবি'র আরেক সদস্য মো. কায়সার৷ সে-ও বগুড়ার শিবগঞ্জে গত বছরের ২৬ নভেম্বর শিয়া মসজিদে হামলার সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশ জানায়৷

এদিকে, বুধবারও রাজধানীর রামপুরা ও তুরাগে র*্যারে সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধ দুজন নিহত হন। র*্যাবের দাবি নিহতরা সবাই ছিনতাইকারী। নিহতরা হলেন, কামাল পারভেজ ও অজ্ঞাত এক যুবক।

এদিকে, একই দিনে, গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের মালঞ্চা গ্রামে পুলিশের সঙ্গে সন্দেহভাজন জেএমবির সদস্যদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। এতে একজন নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ।

তাই নতুন নতুন করে আবারো আলোচনায় এসেছে ক্রসফায়ার। চলতি মাসে সারা দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ১৯ জন।

এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গুপ্তহত্যা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা ঠিক আছে। তবে কিছু ক্রসফায়ারের ঘটনাও ঘটেছে। তবে সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষার্থে গুপ্তহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একমাত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ক্রসফায়ার হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি না। তিনি বলেন, জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে চলমান যে কার্যক্রম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরি ছিল, তা হয়তো বর্তমানে কার্যকর হচ্ছে না। তাই এই ব্যবস্তা নিতে পুলিশ বাধ্য হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবসময় তিনটি উপায়ে এই সন্ত্রাস প্রতিরোধ করতে পারে। প্রথমত প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা, দ্বিতীয়ত আক্রমণাত্মক ব্যবস্থা, তৃতীয়ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আক্রমণাত্মক অবস্থায় রয়েছে। নাগরিকদের বাঁচানোর জন্য এটা করতে হচ্ছে হয়তো। এই ব্যবস্থায় সন্ত্রাসীদের শিকার করতে হবে। না হলে হয়তো নিরীহ মানুষকে খুন করা বন্ধ হবে না। হয়তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাই করছে। তবে এটা একমাত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা হতে পারে না।


ক্রসফায়ারের বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া ও প্ল্যানিং বিভাগের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) একেএম শহিদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এনকাউন্টার ইজ এনকাউন্টারের কোনও সংজ্ঞা নেই। আজকের সভায় এনিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা আগে ভাবছি।

অপরাধ বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বলেন, ভবিষ্যতে এ সমস্যা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড থেকে সরে আসবে বলে আশা বিশ্লেষকদের।

পুলিশ সদর দফতরে মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হকের নেতৃত্বে একটি বিশেষ সভায় ইতোমধ্যে সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী সাতদিন দেশজুড়ে এই অভিযান চলবে।

উৎসঃ দি রিপোর্ট