PDA

View Full Version : ঢাকায় রামকৃষ্ণ মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাহায্য করবে ভারত



Breaking news
06-20-2016, 06:26 AM
আইএসের নামে চিঠি পাঠিয়ে ঢাকায় রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান ধর্মগুরুকে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে, রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীদের নিরাপত্তার জন্য শেখ হাসিনার সরকারকে সব ধরনের সাহায্য করবে ভারত। গতকাল শুক্রবার দেশটির আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকায় রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য উদ্যোগী হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দপ্তর মনে করছে, এটা গোটা দেশের পক্ষেই গভীর উদ্বেগ-উত্কণ্ঠার বিষয়। বিষয়টি নিয়ে গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে কথা বলেছেন নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন স্তরে গোয়েন্দা তথ্যের আদান-প্রদান চলছে। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক মহারাজ গতকাল প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন।

আনন্দবাজার জানায়, পররাষ্ট মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ গতকাল জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবারই ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন থেকে রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। যোগাযোগ করা হয় বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীদের নিরাপত্তার জন্য শেখ হাসিনার সরকারকে সব ধরনের সাহায্য করা হবে। কী কী কারণে ওই হুমকি দেওয়া হয়েছে বা সেই হুমকি কাদের কাদের কাছ থেকে আসতে পারে, সব কিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিকাশ স্বরূপ বলেন, আমরা ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখে চলেছি। আজ (শুক্রবার) সকালেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক দূত ঢাকায় রামকৃষ্ণ মিশনে গিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখে এসেছেন।

গত বুধবার আইএসের নামে চিঠি পাঠিয়ে ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের প্রধান ধর্মগুরু মৃদুল মহারাজকে হুমকি দিয়ে বলা হয়, ধর্ম প্রচার বন্ধ না করলে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে হত্যা করা হবে। ওই রাতেই নিরাপত্তা চেয়ে মৃদুল মহারাজ ওয়ারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর পরই মিশনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সূত্রঃ কালের কন্ঠ

tariq
06-20-2016, 07:44 PM
একটি উড়ো চিঠি পাল্টে দিয়েছে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বাভাবিক পরিবেশ। পুরোহিত ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিরাজ করছে আতঙ্ক। প্রধান ফটকে আরোপ করা হয়েছে কড়া নিয়ন্ত্রণ। যে কজন ভক্ত ও দর্শনার্থী মিশনে আসছেন তাদের মাঝেও চাপা আতঙ্ক। মিশন এলাকার প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমও কিছুটা কমে গেছে। নিত্য ব্যস্ত মিশনের ভেতরে এখন অন্যদিনের মতো স্বাভাবিক ব্যস্ততা নেই। বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা। প্রধান ফটকের ভেতরে অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। গত বুধবার পুরোহিত সেবানন্দকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে লেখা ওই চিঠি মিশনে পৌঁছানোর পর থেকে পুলিশ সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। তবে পুরোহিত বা সংশ্লিষ্টরা গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

গতকাল দুপুরে সরজমিন দেখা যায়, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রধান ফটক ভেতর থেকে বন্ধ। পকেট গেটও ভেতর থেকে বন্ধ রেখে একাধিক যুবক তা নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। কিছুক্ষণ পর পর পূজা ও দর্শনার্থীরা কড়া নাড়লেও তা খুলে দেয়া হচ্ছিল না। ভেতর থেকে জানিয়ে দেয়া হচ্ছিল ভেতরে যাওয়া যাবে না। সকালে বা বিকালে দুবেলায় আসুন। প্রধান ফটকের ভেতরে মাঠে বসে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন কয়েকজন পুুলিশ ও আনসার সদস্য। মিশন এলাকায় অবস্থিত রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়, রামকৃষ্ণ মিশন চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র, রামকৃষ্ণ মিশন ট্রেনিং সেন্টার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং পাঠাগারও বন্ধ দেখা গেছে। মিশন অফিসে দেখা হয় পুরোহিত সত্যাশ্চর্য্যের সঙ্গে। এ সময় তাকে বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। হুমকি ও নিরাপত্তার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি মানবজমিনকে বলেন, এসব বিষয়ে কোন কথাই বলা যাবে না। নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ারি থানার সঙ্গে কথা বলতে পারেন। সেখানে দায়িত্বরত ওয়ারি থানার উপ পরিদর্শক সুশান্ত মানবজমিনকে বলেন, হুমকির পর থেকে পুলিশ এখানে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। এখন পুলিশ ও আনসার সদস্যরা যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই নিরাপত্তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলা সদর থেকে বাংলাদেশে আসা ব্যবসায়ী সন্দ্বীপ রায় গতকাল রামকৃষ্ণ মিশন দেখতে আসেন। তার আত্মীয় ঢাকার বাসিন্দা অমূল্য সরকারকে নিয়েই মিশনে আসেন তিনি। প্রধান ফটক বন্ধ পেয়ে তারা ভেতরে ঢুকতে পারেন নি। কয়েকবার ডাকাডাকিতেও খুলে দেয়া হয়নি ফটক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অমূল্য সরকার বলেন, ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত এই মিশনে আসছি। কিন্তু এমনটা কখনও হয়নি। আমাদের তো ধর্ম-কর্মের অধিকার আছে। হুমকি বা হামলার আশঙ্কা থাকলে নিরাপত্তা জোরদার করে তল্লাশির মাধ্যমে ঢুকানোর ব্যবস্থা করতে পারে। পূজা বা দর্শনার্থীদের এভাবে বিরত রাখা হবে কেন?

হুমকির ঘটনায় ওয়ারি থানায় করা জিডির তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া উপ-পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান মানবজমিনকে বলেন, পুলিশ কর্মকর্তারা প্রতিদিনই রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শন করছেন। এসএ পরিবহনের নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী পুরোহিতকে হুমকি দিয়ে লেখা চিঠিটি দিয়ে গেলেও সে যে কুরিয়ারকর্মী নয় তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। চিঠিটিতে কুরিয়ার সার্ভিসের নয়, রাষ্ট্রীয় ডাক বিভাগের অধীন ওয়ারি ডাকঘরের সিল রয়েছে। আবার ওই ডাকঘরে ব্যবহৃত সিলের সঙ্গে চিঠির খামের সিলমোহরেরও মিল নেই। এতে সন্দেহটা বেড়েছে। হুমকিদাতার খোঁজে সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। তা অব্যাহত রয়েছে।

মানব জমিন

tariq
06-20-2016, 07:48 PM
রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে ধর্মগুরুকে হত্যার হুমকির পর সেখানকার নিরাপত্তার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে ভারত। সরকার ইতিমধ্যে আশ্রমটির সন্ন্যাসীদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করেছে।


এদিকে সরেজমিনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা রোববার রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শন করবেন।



http://www.bd-desh.net/records/news/201606/221859_1.jpg


রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষ ও মিশনের সম্পাদক স্বামী ধ্রুবেশানন্দ গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রামকৃষ্ণ মিশনের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বাড়তি এই নিরাপত্তার মধ্যে মিশনে প্রার্থনা করতে আসা লোকজনের স্বতঃর্স্ফুত উপস্থিতি ছিল। এ ছাড়া অন্য কাজকর্মও গতকাল স্বাভাবিক নিয়মে চলেছে।


বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গেটে পুলিশের সার্বক্ষণিক পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিকেলে মহানগর পুলিশের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ মিশন ঘুরে গেছেন।


কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ভারত রামকৃষ্ণ মিশনের হুমকির বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত শুক্রবার সরেজমিনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের প্রথম সচিব রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শন করেন।


ভারতীয় দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামকৃষ্ণ মিশনের অনুসারী বলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের নিরাপত্তার বিষয়টিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। গত বছরের জুনে ঢাকা সফরের সময় তিনি রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া কলকাতার রামকৃষ্ণ মিশনে বেশ কয়েকবার গেছেন নরেন্দ্র মোদি।

দিল্লির রামকৃষ্ণ মিশনের পক্ষ থেকে গত শুক্রবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হয়। মিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী এই হুমকিতে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত।


গত বুধবার সন্ধ্যায় ধর্ম প্রচার করলে হত্যার হুমকি দিয়ে রামকৃষ্ণ মিশনে একটি চিঠি আসে। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, তোমরা হিন্দু। বাংলাদেশ একটি ইসলামি রাষ্ট্র, এ দেশে ধর্ম প্রচার করতে পারবে না। তোমরা ভারতে যাও। না হলে তোমাদের কুপিয়ে হত্যা করা হবে।

শীর্ষ নিউজ

tariq
06-20-2016, 07:50 PM
ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী স্বামী সেবানন্দকে খুনের হুমকি দিয়ে সন্দেহভাজন আইএস জঙ্গির পাঠানো চিঠি নিয়ে উদ্বিগ্ন রামকৃষ্ণ মিশন। ভারতের বেলুড় থেকে রামকৃষ্ণ মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুহিতানন্দ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। জানা গেছে, এর আগেও বাংলাদেশে মিশনের সন্ন্যাসীদের ফোন করে বা চিঠি পাঠিয়ে কতল করার হুমকি দেয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জে মিশনের সাটুরিয়া বালিয়াটি মিশনে এর আগে গত ডিসেম্বরের ১৫ তারিখে চিঠি দিয়ে সন্ন্যাসীকে খুনের হুমকি দেয়া হয়েছিল। তবে এবারের হুমকি চিঠিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ভারত সরকারও। বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সন্ন্যাসীদের নিরাপত্তার ব্যাপারে আশ্বস্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুহিতানন্দের চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে রামকৃষ্ণ মিশনের ১৪টি কেন্দ্র রয়েছে। এগুলি সে দেশে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে সেই কাজে বার বার বিঘ্ন ঘটছে। গত কয়েক মাস ধরেই মিশনের সন্ন্যাসীদের ফোন করে বা চিঠি পাঠিয়ে কতল করার হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ঢাকায় অবস্থিত মিশনে পাঠানো চিঠিতে হুমকির প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি নিজে স্বামী সুহিতানন্দজির সঙ্গে কথাও বলেছেন বলে জানা গেছে। তাঁর দপ্তরে চিঠি পৌঁছানোর পরে প্রধানমন্ত্রী তার দপ্তরের সহকারী সচিব ভাস্কর খুলবেকে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব দিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকেও হুমকির বিষয়টি জানানো হয়েছে। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে সেখানকার মিশনের প্রধান স্বামী ধ্রুবেশানন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকার হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা পররাষ্ট্র মন্ত্রককে একটি রিপোর্টও পাঠিয়েছেন।

ইসলামিক স্টেট (আইএস) বাংলাদেশের নামে রাজধানীর ওয়ারী থানাধীন রামকৃষ্ণ মিশনের পুরোহিত গুরু সোনান্দা ওরফে মৃদুল মহত্তরকে হত্যার হুমকিদাতার পরিচয় শনাক্ত হয়নি। ওয়ারী থানা পুলিশের সংগ্রহ করা রামকৃষ্ণ মিশনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে কেবল হুকমির চিঠি বহনকারী মোটরসাইকেলটি ঢুকতে ও বের হতে দেখা গেছে। তাতে আরোহীর মুখচ্ছবিও স্পষ্ট নয়। ফলে চিঠিদাতা মোটরসাইকেল আরোহীর পরিচয়ও শনাক্ত হয়নি। পড়া যায়নি মোটরসাইকেলের নম্বরটিও। পুলিশি অনুসন্ধানে চিঠিতে প্রেরণকারী আইএস সদস্যের ঠিাকানাও ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। ফলে প্রাণনাশের এই হুমকির রহস্যের কিনারা হয়নি। এদিকে গত বুধবার এই হুমকির পর থেকে রামকৃষ্ণ মিশনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বুধবার এই মিশনের গুরু সোনান্দকে হত্যার হুমকি সংবলিত চিঠিটি এক মোটরসাইকেল আরোহী মিশনে পৌঁছে দেয়। এরপর গুরু সোনান্দ ওয়ারী থানায় জিডি (৮৬১) করেন। জিডি ও ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক মাহমুদুল হাসান মানবজমিনকে বলেন, মিশনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে চিঠি বহনকারী বা হুমকিদাতার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। কেবল মোটরসাইকেলটির ঢোকা ও বের হওয়ায় বিষয়টিই ভিডিওতে আঁচ করা গেছে। নম্বরওটি উদ্ধার করা হয়নি। অনুসন্ধানে উল্লিখিত আইএসের ঠিকানাটিও ভুয়া। ওয়ারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভাষ কুমার পাল মানবজমিনকে বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত রামকৃষ্ণ মিশনে পুলিশ সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা অবস্থান করবে।

মানব জমিন