PDA

View Full Version : রক্ত ঝরানোর নিষেধাজ্ঞা (حقن الدم) এবং রক্তের নিরাপত্তা (العصمة) সম্পর্কে মূলনীতি



Anjem Chowdhury
07-19-2016, 08:56 PM
আমি এখানে উল্লিখিত অনেক অবস্থান থেকে সরে এসেছি।

polashi
07-20-2016, 04:02 AM
"বর্তমানে এর কোনটাই মুসলিমদের নেই। সুতরাং মুসলিমরা জন্য বর্তমানে যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন কোন কাফির রাষ্ট্রে আক্রমণ পরিচালনা করতে পারবে না এবং যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন কোন কাফিরকেও হত্যা করতে পারবে না।"

আচ্ছা আপনি আমার এই কথাটার উত্তর দিন ... মুজাহিদদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি বর্তমানে বিশ্বে কি এমন কোন রাষ্ট্র আছে ?

polashi
07-20-2016, 04:11 AM
আন্জেম চৌধুরী ! আল্লাহর ওয়াস্তে সারা বিশ্বের এমন একিট রাষ্ট্র দেখান যেটা কোন না কোন ভাবে বর্তমানে মুজাহিদদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি যেন আমরা সেই রাষ্ট্রটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা থেকে বিরত থাকতে পারি !!!

আল জিহাদ
07-20-2016, 07:15 AM
আন্জেম চৌধুরীকে বলব পলাশী ভাইয়ের উত্তর দিন। আপনি যেহেতু ফতোয়া দিয়েছেন, প্রতিটা প্রশ্নকারীর উত্তর দিবেন আশা করি।আপনি কোন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিচ্ছেন না। পাঠ বাই পাঠ উত্তর দেন। অনেক গুলো প্রশ্নের একটি উত্তর দিয়ে সকল কিছু গুলিয়ে ফেলছেন।
ভাইয়েরা যদি,
প্রশ্ন নং ১:
প্রশ্ন নং ২:
প্রশ্ন নং ৩:

এভাবে লেখেন তাহলে আন্জেম চৌধুরী প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন।

আবু মুহাম্মাদ
07-20-2016, 09:56 AM
মুহতারাম আখী,

আপনার কিছু কথার উত্তর এখানে দেখে নেনঃ-

https://dawahilallah.in/showthread.php?3688-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A7%9F-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A 6%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A 7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A 6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A 6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE&p=13686#post13686

বাকি গুলো আসছে।

Zakaria Abdullah
07-20-2016, 12:04 PM
৩. (এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ) কারো রক্তের নিরাপত্তা না থাকা, আর তার রক্ত ঝরানো হালাল হওয়া সমান কথা নয়। ঠিক তেমনি কারো রক্ত ঝরানো নিষিদ্ধ হওয়া মানেই তার রক্তের নিরাপত্তা আছে, এমনটিও নয়।

এটা আগে বিস্তারিত জানাতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

ibn mumin
07-20-2016, 12:29 PM
উফফ ভাই আঞ্জেম, আসলে আপনি কা চান আল্লাহ আর আপনি ছাড়া কেউ জানে না।
আপনাকে না আগেই এর জবাব দেয়া হয়েছে...

HeartTouching
07-20-2016, 12:34 PM
لَا يَسْتَأْذِنُكَ الَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَن يُجَاهِدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ ۗ وَاللَّهُ عَلِيمٌ بِالْمُتَّقِينَ [٩:٤٤]
আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতের প্রতি যাদের ঈমান রয়েছে তারা মাল ও জান দ্বারা জেহাদ করা থেকে আপনার কাছে অব্যাহতি কামনা করবে না, আর আল্লাহ সাবধানীদের ভাল জানেন।
﴿٤٤﴾

إِنَّمَا يَسْتَأْذِنُكَ الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَارْتَابَتْ قُلُوبُهُمْ فَهُمْ فِي رَيْبِهِمْ يَتَرَدَّدُونَ [٩:٤٥]
নিঃসন্দেহে তারাই আপনার কাছে অব্যাহতি চায়, যারা আল্লাহ ও রোজ কেয়ামতে ঈমান রাখে না এবং তাদের অন্তর সন্দেহগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, সুতরাং সন্দেহের আবর্তে তারা ঘুরপাক খেয়ে চলেছে।
﴿٤٥﴾

| Aya: | Page: Go |
۞ وَلَوْ أَرَادُوا الْخُرُوجَ لَأَعَدُّوا لَهُ عُدَّةً وَلَٰكِن كَرِهَ اللَّهُ انبِعَاثَهُمْ فَثَبَّطَهُمْ وَقِيلَ اقْعُدُوا مَعَ الْقَاعِدِينَ [٩:٤٦]
আর যদি তারা বের হবার সংকল্প নিত, তবে অবশ্যই কিছু সরঞ্জাম প্রস্তুত করতো। কিন্তু তাদের উত্থান আল্লাহর পছন্দ নয়, তাই তাদের নিবৃত রাখলেন এবং আদেশ হল বসা লোকদের সাথে তোমরা বসে থাক।
﴿٤٦﴾


لَوْ خَرَجُوا فِيكُم مَّا زَادُوكُمْ إِلَّا خَبَالًا وَلَأَوْضَعُوا خِلَالَكُمْ يَبْغُونَكُمُ الْفِتْنَةَ وَفِيكُمْ سَمَّاعُونَ لَهُمْ ۗ وَاللَّهُ عَلِيمٌ بِالظَّالِمِينَ [٩:٤٧]
যদি তোমাদের সাথে তারা বের হত, তবে তোমাদের অনিষ্ট ছাড়া আর কিছু বৃদ্ধি করতো না, আর অশ্ব ছুটাতো তোমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশে। আর তোমাদের মাঝে রয়েছে তাদের গুপ্তচর। বস্তুতঃ আল্লাহ যালিমদের ভালভাবেই জানেন।
﴿٤٧﴾


لَقَدِ ابْتَغَوُا الْفِتْنَةَ مِن قَبْلُ وَقَلَّبُوا لَكَ الْأُمُورَ حَتَّىٰ جَاءَ الْحَقُّ وَظَهَرَ أَمْرُ اللَّهِ وَهُمْ كَارِهُونَ [٩:٤٨]
তারা পূর্বে থেকেই বিভেদ সৃষ্টির সুযোগ সন্ধানে ছিল এবং আপনার কার্যসমূহ উল্টা-পাল্টা করে দিচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সত্য প্রতিশ্রুতি এসে গেল এবং জয়ী হল আল্লাহর হুকুম, যে অবস্থায় তারা মন্দবোধ করল।

salahuddin aiubi
07-20-2016, 03:56 PM
৪. (ক) একজন কাফিরের রক্ত ঝরানো হালাল হয় (مباح الدم) তখনই, যখন সে নিজে কিংবা তার জাতি ইসলাম ও মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে (عرض القتال)। কিন্তু যদি সে কিংবা তার জাতি মুসলিমদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত না হয়, তবে তার নিরাপ্ততা না থাকা স্বত্তেও তার রক্ত ঝরানো বৈধ নয়।
বর্তমানে এর কোনটাই মুসলিমদের নেই। সুতরাং মুসলিমরা জন্য বর্তমানে যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন কোন কাফির রাষ্ট্রে আক্রমণ পরিচালনা করতে পারবে না এবং যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন কোন কাফিরকেও হত্যা করতে পারবে না।

anjem ভাই! আপনার কাছ থেকে এই নতুন কথাটি শুনলাম, আপনি দ্লিল দিয়েন ভাই!

murabit
07-20-2016, 06:26 PM
فإن الأصل أن دمّ الآدمي معصوم وكان دم الكافر في أول الإسلام معصوماً بالعصمة الأصلية وبمنع الله المؤمنين من قتله قال تعالى :- { ألم تر إلى الذين قيل لهم كفوا أيديكم } , ولقوله - صلى الله عليه وسلم - :- (لم أُؤْمر بالقتل بعد ) وكدم القبطي الذي قتله موسى - عليه السلام - ودم الكفار الذين لم تبلغهم الدعوة في زماننا ... ولأن بلوغ الدعوة استتابة عامة من كل كفر ، وإنا لانجيز قتل كافر حتى نستتيبه فإن قتل من لم تبلغه الدعوة غير جائز لقوله تعالى :- { قل للذين كفروا إن ينتهوا يغفر لهم ما قد سلف } وهذا معنى الإستتابة .
إنجاح حاجة السائل (ص: 23)

"মৌলিক ভাবে মানুষের রক্ত সুরক্ষিত আর কাফেরের রক্তও ইসলামের প্রারম্ভিক সময়ে সংরক্ষনেরএইমূলের আওতায় ছিলো,এবং এই কারনে ও যে তখন আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে মুমিন্দের জন্য যুদ্ধের ব্যপারে নিষেধাজ্ঞা ছিল, যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন (আপনি ওদের দেখেন নি যাদের কে বলে হয়েছে যে হাত গুটিয়ে রাখ) এবং রাসুল সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া ছাল্লাম ও বলেছেন আমাকে এখন পর্যন্ত যুদ্ধের নির্দেশ দেয়া হয়নি। এবং কিবতির রক্ত যাকে মুসা আলাইহিচ্ছালাম হত্যা করে দিয়েছিলেন, এবং বর্তমান সময়ে সে সব কাফেরদের রক্ত যাদের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌছেনি। আর এই কারনে যে দাওয়াত পৌছে যাওয়া এটাই প্রত্যকটা ফাফেরে জন্য তওবার ব্যপক আহবান হিসেবে গন্য।আমরা তাওবার ডাকের আগে কাফেরের হত্যা বৈধমনে করিনা। কারন যার নিকট দাওয়াত পৌছেনি তাকে হত্যা করা বৈধনা। আল্লাহ তায়ালা বলেন "কাফেরদের বলে দিন যদি তারা কুফর থেকে ক্ষান্ত হয় তাহলে তাদের পুর্ব কৃতগুলো মাফ করে দেয়া হবে",আর এটাই হলো তাওবার ডাকের অর্থ ।"
আল্লাহ তায়ালার পক্ষথেকে এই আয়াত নাযিল হয়ে যাওয়া এর অর্থ হলো তাওবার ডাক হয়ে গিয়েছে ,আর ইসলামের সংবাদ যে কোন ভাবেকোন দেশে সাধারন ভাবে তাদের নেতৃবৃন্দের নিকট পৌছে গেলে সবার কাছে পৌছে গিয়েছে বলে ধরে নেয়া হবে। সাহাবায়ে কিরাম দায়াত পৌছিয়েছেন কিসরা কায়সার বাদশার কাছে রাজধানিতে, আক্রমন করেছেন সিমান্ত অঞ্চলে নিজেদের নিকটবর্তি গ্রামে গঞ্জে,
حتى يبعث فى امها رسولا
আপনার রাব্ব কোন জন পদ ততক্ষন ধংশ করেন না যতক্ষন তাদের মূল ভূখন্ডে রাসূল প্রেরন না করেন।মূল ভূ খন্ডে রাসুল প্রেরন করা হয়ে গেলে সবার কাছে দাওয়াত পৌছে গিয়েছে ধরে নেয়া হবে।এইজন্য ফুকাহায়ে কিরাম লিখেছেন যে এমন কোন দ্বীপ যদি থাকে যেখানে বাস্তবেই ইসলামের ডাক কোন ভাবেই পৌছেনি, তাদের সাথে যুদ্ধ শুরু করার আগে দাওয়াত দিয়ে নিতে হব, যদি মুসলমানদের ক্ষতির আসংকা না থাকে তবে দাওয়াত দিতে গেলে আগাম সতর্ক হয়ে যাওয়ার কারনে যদি মুসলমান বেকায়দায় পড়েযেতে হয় তাহলে সেখানে ও অতর্কিতে হামলা করা যাবে। এছাড়া সারা পৃথিবীতে বর্তমানে দাওয়াত পৌছে গিয়েছে ।এই জন্য ইমাম আহমাদ ইবনে হানবাল রাঃ সেই তার যামানায় বলে গিয়েছেন
لااعلم احدا يدعى اليوم
বর্তমানে কাহাকেও দাওয়াত দেয়ার জরুরাত রয়েছে আমার জানানেই।তাহলে এখন!? রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ও্য়া সাল্লাম বলেছেন ঈহুদি খৃষ্টান বা কেহ আমার আগমনের কথা শুনেছে অতঃপর ঈমান আনেনি সেই জাহান্নামে যাবে। তাদের ইসলামের ব্যপারে সংবাদ শুনা হয়ে গিয়েছে, হুজ্জত কায়েমের জন্য এই টুকুই যতেষ্ঠ। বাকি সম্পুর্ন হাকিকত সহ সব প্রশ্নের জবাব সহ বুঝা এটা মুসলমানের কয়জনের হয়েছে।এটা চলমান প্রক্রিয়া এর শেষ নেই।
فاقتلو المشركين حيث وجدتموهم
মুশ্রিকদের যেখানে পাও বধ কর এই আয়াতের দ্বারা কাফেরের আসলি মাহকুনুদ্দাম হওয়া রহিত হয়ে গিয়েছে।
أنَّ الأصل في الكافر أنه حلال الدم والمال وأنَّ الشريعة الإسلامية قد أباحت للمسلمين قتله وأخذ ماله واستراق امرأته ولا يحرم دم الكافر أو ماله وعرضه إلاّ بحكم شرعي طارئ على هذا الأصل كالذمة والعهد والهدنة والأمان.
التأصيل الشرعي لأحداث أمريكا ـ حسين بن محفوظ (ص: 10)
কাফেরের ব্যপারে মূলনীতি হলো তার রক্ত সম্পদ হালাল, শরিয়াতে ইসলামি মুসলমানদের জন্য বৈধকরে দিয়েছে যে সে তাকে হত্যা করবে এবং তার সম্পদ নিয়ে নিবে এবং তার স্ত্রী বাঁদি বানিয়ে নিবে। আর কাফেরের জান মাল ইজ্জত নিরাপদ নয়, কিন্তু যদি এই সাভাবি মৌলিক অবস্থার পরে শরিয়তের অস্থায়ি কোন নিয়মচলে আসে তাহলে সেই নিয়মে আবার নিরাপত্তা লাভ করবে যেমনঃ জিয়ায়া দিয়ে জিম্মি হয়েগেল,চুক্তি করলো, সন্ধি হলো,নিরাপত্ত্বার প্রতিশ্রুতি অর্জন করলো।
এখন রহিত হয়ে যাওয়া বিধান উল্ল্যেখ করে কোন ধরনের খিদমাত আঞ্জাম দেওয়া হচ্ছে আল্লাহ তায়ালা ভালো জানেন।
৪. (ক) একজন কাফিরের রক্ত ঝরানো হালাল হয় (مباح الدم) তখনই, যখন সে নিজে কিংবা তার জাতি ইসলাম ও মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে (عرض القتال)। পৃথীবির কোন রাষ্ট্রটি এমন আছে যারা মুসলিমদের বিরোদ্ধে/মুসলিম তায়েফায়ে মুকাতিলার বিরোদ্ধে যুদ্ধে লিপ্তনয়? জাতি সংঘের সমর্থক কোন রাষ্ট্র/ এর বাইরের কোন রাষ্ট্র?
আমেরিকার বলয়ের কোন রাষ্ট্র / রাশিয়ার বলয়ের কোন রাষ্ট্র?
/

আবুল ফিদা
07-20-2016, 06:26 PM
৪. (ক) একজন কাফিরের রক্ত ঝরানো হালাল হয় (مباح الدم) তখনই, যখন সে নিজে কিংবা তার জাতি ইসলাম ও মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে (عرض القتال)। কিন্তু যদি সে কিংবা তার জাতি মুসলিমদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত না হয়, তবে তার নিরাপ্ততা না থাকা স্বত্তেও তার রক্ত ঝরানো বৈধ নয়।
বর্তমানে এর কোনটাই মুসলিমদের নেই। সুতরাং মুসলিমরা জন্য বর্তমানে যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন কোন কাফির রাষ্ট্রে আক্রমণ পরিচালনা করতে পারবে না এবং যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন কোন কাফিরকেও হত্যা করতে পারবে না।

anjem ভাই! আপনার কাছ থেকে এই নতুন কথাটি শুনলাম, আপনি দ্লিল দিয়েন ভাই!

ঠিক বলেছেন

আবু মুহাম্মাদ
07-20-2016, 06:51 PM
এটা আগে বিস্তারিত জানাতে পারেন ইনশাআল্লাহ। বিস্তারিত এখানে পাবেন ইংশাআল্লাহঃ- https://dawahilallah.in/showthread.php?3688-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A7%9F-%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A 6%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A 7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A 6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A 6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE&p=13745&posted=1#post13745

Anjem Chowdhury
07-20-2016, 08:34 PM
@ মুহতারাম যাকারিয়া আব্দুল্লাহ,


৩. (এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ) কারো রক্তের নিরাপত্তা না থাকা, আর তার রক্ত ঝরানো হালাল হওয়া সমান কথা নয়। ঠিক তেমনি কারো রক্ত ঝরানো নিষিদ্ধ হওয়া মানেই তার রক্তের নিরাপত্তা আছে, এমনটিও নয়।

দলীলঃ
وَلَوْ قُتِلَ وَاحِدٌ مِمَّنْ ذَكَرنَا أَنَّهُ لَا يَحِلُّ قَتْلُهُ فَلَا شَيْءَ فِيهِ مِنْ دِيَةٍ وَلَا كَفَّارَةٍ، إلَّا التَّوْبَةُ وَالِاسْتِغْفَارُ؛ لِأَنَّ دَمَ الْكَافِرِ لَا يَتَقَوَّمُ إلَّا بِالْأَمَانِ وَلَمْ يُوجَدْ

আর যাদের হত্যা করা বৈধ নয় বলে আমরা উল্লেখ করেছি, তাদের কাউকে হত্যা করলে কাফফারা, দিয়ৎ কোন দণ্ড নেই; তবে তাওবা এবং ইস্তিগফার করতে হবে। কারণ আমান ছাড়া কাফিরের রক্তের সুরক্ষিত হয় না, যা (আমান) তাদের মধ্যে পাওয়া যায় না।

বাদাই'উস সনাই' ৭/১০১

দেখুন, একই ব্যাক্তির ক্ষেত্রে আল্লামা কাসানী রহঃ বলছেন -
(১) তার রক্তের নিরাপত্তা নেই।
(২) তাকে হত্যা করা বৈধ নয়। হারাম কাজ করলেই তাওবা-ইস্তিগফার করতে হয়।

এতে কী বোঝা যায় না, নিরাপত্তা না থাকলেই হত্যা করা বৈধ হয়ে যায় না? এটাই আমার কথার প্রথম অংশের (কারো রক্তের নিরাপত্তা না থাকা, আর তার রক্ত ঝরানো হালাল হওয়া সমান কথা নয়) দলীল।

আর, দ্বিতীয় অংশের (ঠিক তেমনি কারো রক্ত ঝরানো নিষিদ্ধ হওয়া মানেই তার রক্তের নিরাপত্তা আছে, এমনটিও নয়) জন্য দলীল হলঃ
১. আমরা সবাই জানি, ইসলাম কিংবা আমান/আহদ/যিম্মাহ ছাড়া কোন ব্যাক্তি নিরাপত্তা লাভ করে না। যেমনঃ আল্লামা মারগিনানী বলেছেন - العاصم وهو الدين أو الإحراز হিদায়াহ ২/৩৭৯
২. আবার দেখুন, আল্লামা সারাখসী বলেছেন, فإن الآدمي في الأصل محقون الدم والإباحة بعارض القتال "নিশ্চয়ই যেকোন মানুষের রক্ত ঝরানো মৌলিকভাবে নিষিদ্ধ। আর বৈধতা অর্জিত হয় যুদ্ধে অংশ নেয়ার দ্বারা।" আল মাবসুত - ১২/১৬৫

এখন, আল্লামা সারাখসীর কথা একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। তিনি জানেন, ইসলাম কিংবা আমান ছাড়া রক্ত নিরাপদ হয় না, তারপরেও তিনি বলেছেন - আদমসন্তানের রক্ত মৌলিকভাবে ঝরানো নিষিদ্ধ। রক্তের নিরাপ্ততা না থাকলেই যদি রক্ত ঝরানো বৈধ হয়, তাহলে এই নিষেধাজ্ঞা কীভাবে আসলো??

এভাবে প্রমানিত হলঃ কারো রক্ত ঝরানো নিষিদ্ধ হওয়া মানেই তার রক্তের নিরাপত্তা আছে, এমনটিও নয়।

Anjem Chowdhury
07-20-2016, 08:41 PM
@ আবুল ফিদা, Salahuddin Aiubi


৪. (ক) একজন কাফিরের রক্ত ঝরানো হালাল হয় (مباح الدم) তখনই, যখন সে নিজে কিংবা তার জাতি ইসলাম ও মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে (عرض القتال)। কিন্তু যদি সে কিংবা তার জাতি মুসলিমদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত না হয়, তবে তার নিরাপত্তা না থাকা স্বত্তেও তার রক্ত ঝরানো বৈধ নয়।

আমার বক্তব্যের প্রথম অংশের (একজন কাফিরের রক্ত ঝরানো হালাল হয় (مباح الدم) তখনই, যখন সে নিজে কিংবা তার জাতি ইসলাম ও মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে (عرض القتال)) দলিলঃ

আল্লামা সারাখসী বলেছেন,
فإن الآدمي في الأصل محقون الدم والإباحة بعارض القتال

"নিশ্চয়ই যেকোন মানুষের রক্ত ঝরানো মৌলিকভাবে নিষিদ্ধ। আর বৈধতা অর্জিত হয় যুদ্ধে অংশ নেয়ার দ্বারা।"
আল মাবসুত - ১২/১৬৫

এই দলীলের দ্বারা প্রমাণিত হলঃ ব্যাক্তিগতভাবে যুদ্ধে অংশ নিলে তার রক্ত ঝরানো হালাল হয়। আর সে নিজে অংশ না নিয়ে যদি তার জাতি অংশ নেয়, তারপরেও তাকে তার জাতির একজন হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং ধরা হবে সেও যুদ্ধে অংশ নিয়েছে।

Anjem Chowdhury
07-20-2016, 08:44 PM
বর্তমানে এর কোনটাই মুসলিমদের নেই। সুতরাং মুসলিমরা জন্য বর্তমানে যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন কোন কাফির রাষ্ট্রে আক্রমণ পরিচালনা করতে পারবে না এবং যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন কোন কাফিরকেও হত্যা করতে পারবে না।


এ কথায় আপনার সমস্যা কেন??????

আপনি কি বলতে চাচ্ছেন, খলিফা ছাড়া আক্রমণাত্মক জিহাদ করা যায়? কুফফারদের যেই সকল দেশ মুসলিমদের বিরূদ্ধে এখনও যুদ্ধে লিপ্ত হয় নি, যেমনঃ চিলি, পাপুয়া নিউগিনি, সামোয়া আইল্যান্ড, বার্বাডোস ইত্যাদি। এসব দেশে আমরা আগ বেড়ে যুদ্ধ করতে পারব? তাহলে তো আর আমাদের জিহাদ দিফায়ী জিহাদ থাকছে না, আক্রমণাত্মক জিহাদ হয়ে যাচ্ছে।

যেই কাফেররা (নিজে কিংবা তার জাতি) মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত নয়, তাদের বিরূদ্ধে যুদ্ধ করতে খলিফা লাগবে, ইসলামী রাষ্ট্র লাগবে।

আবু মুহাম্মাদ
07-21-2016, 01:44 AM
দেখুন, একই ব্যাক্তির ক্ষেত্রে আল্লামা কাসানী রহঃ বলছেন -
(১) তার রক্তের নিরাপত্তা নেই।
(২) তাকে হত্যা করা বৈধ নয়। হারাম কাজ করলেই তাওবা-ইস্তিগফার করতে হয়।

এতে কী বোঝা যায় না, নিরাপত্তা না থাকলেই হত্যা করা বৈধ হয়ে যায় না? এটাই আমার কথার প্রথম অংশের (কারো রক্তের নিরাপত্তা না থাকা, আর তার রক্ত ঝরানো হালাল হওয়া সমান কথা নয়) দলীল।

ভাই আপনি এক ত্রেডে একটা লিখছে আরেক থ্রেডে আরেকটা, এরকম হচ্ছে কেন। আপনি যা বলছেন তা তো সহজ কথা। কুফুরীর কারণে তাদের সবাইকে রক্ত প্রবাহিত করা হালাল। কিন্তু যাদের ব্যপারে হারাম বলা হয়েছে তাদেরকে হত্যা করলে শুধু তাওবা করলেই হবে কারণঃ- কাফেরের রক্তের মূলনীতি অনুসারে হালাল হলেও অন্য/ভিন্ন দলীলের মাধ্যমে ১২ প্রকারকে বাদ দেয়া হয়েছে। তাওবা করতে হবে অন্য দলীলের মাধ্যমে তাখসীসের কারণে মূলনীতি পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার কারণে নয়। যেটা কাসানীর পূরা বক্তব্যে স্পষ্ট আছে।


وأما بيان من يحل قتله من الكفرة ومن لا يحل ، فنقول : الحال لا يخلو إما أن يكون حال القتال ، أو حال ما بعد الفراغ من القتال ، وهي ما بعد الأخذ والأسر ، أما حال القتال فلا يحل فيها قتل امرأة ولا صبي ، ولا شيخ فان ، ولا مقعد ولا يابس الشق ، ولا أعمى ، ولا مقطوع اليد والرجل من خلاف ، ولا مقطوع اليد اليمنى ، ولا معتوه ، ولا راهب في صومعة ، ولا سائح في الجبال لا يخالط الناس ، وقوم في دار أو كنيسة ترهبوا وطبق عليهم الباب ، أما المرأة والصبي ، فلقول النبي عليه الصلاة والسلام { لا تقتلوا امرأة ولا وليدا (http://library.islamweb.net/newlibrary/display_book.php?idfrom=3224&idto=3224&bk_no=12&ID=844#docu) } وروي أنه عليه الصلاة والسلام رأى في بعض غزواته امرأة مقتولة فأنكر ذلك وقال عليه الصلاة والسلام : { هاه ما أراها قاتلت ، فلم قتلت ؟ ونهى عن قتل النساء والصبيان ، (http://library.islamweb.net/newlibrary/display_book.php?idfrom=3224&idto=3224&bk_no=12&ID=844#docu) } ولأن هؤلاء ليسوا من أهل القتال ، فلا يقتلون ، ولو قاتل واحد منهم قتل ، وكذا لو حرض على القتال ، أو دل على عورات المسلمين ، أو كان الكفرة ينتفعون برأيه ، أو كان مطاعا ، وإن كان امرأة أو صغيرا ; لوجود القتال من حيث المعنى .

وقد روي { أن ربيعة بن رفيع السلمي رضي الله عنه أدرك دريد بن الصمة يوم حنين ، فقتله وهو شيخ كبير كالقفة ، لا ينفع إلا برأيه ، فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم ينكر عليه ، } والأصل فيه أن كل من كان من أهل القتال يحل قتله ، سواء قاتل أو لم يقاتل ، وكل من لم يكن من أهل القتال لا يحل قتله إلا إذا قاتل حقيقة أو معنى بالرأي والطاعة والتحريض ، وأشباه ذلك على ما ذكرنا ، فيقتل القسيس والسياح الذي يخالط الناس ، والذي يجن ويفيق ، والأصم والأخرس ، وأقطع اليد اليسرى ، وأقطع إحدى الرجلين ، وإن لم يقاتلوا ; لأنهم من أهل القتال ، ولو قتل واحد ممن ذكرنا أنه لا يحل قتله فلا شيء فيه من دية ولا كفارة ، إلا التوبة والاستغفار ; لأن دم الكافر لا يتقوم إلا بالأمان ولم يوجد وأما حال ما بعد الفراغ من القتال ، وهي ما بعد الأسر والأخذ ، فكل من لا يحل قتله في حال القتال لا يحل قتله بعد الفراغ من القتال ، وكل من يحل قتله في حال القتال إذا قاتل حقيقة أو معنى ، يباح قتله بعد الأخذ والأسر إلا الصبي ، والمعتوه الذي لا يعقل ، فإنه يباح قتلهما في حال القتال إذا قاتلا حقيقة ومعنى ، ولا يباح قتلهما بعد الفراغ من القتال إذا أسرا ، وإن قتلا جماعة من المسلمين في القتال ; لأن القتل بعد الأسر بطريق العقوبة ، وهما ليسا من أهل العقوبة ، فأما القتل في حالة القتال فلدفع شر القتال ، وقد وجد الشر منهما فأبيح قتلهما لدفع الشر ، وقد انعدم الشر بالأسر ، فكان القتل بعده بطريق العقوبة ، وهما ليسا من أهلها والله - سبحانه وتعالى - أعلم .

আবু মুহাম্মাদ
07-21-2016, 02:21 AM
আমার বক্তব্যের প্রথম অংশের (একজন কাফিরের রক্ত ঝরানো হালাল হয় (مباح الدم) তখনই, যখন সে নিজে কিংবা তার জাতি ইসলাম ও মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে (عرض القتال)) দলিলঃ

আল্লামা সারাখসী বলেছেন,
فإن الآدمي في الأصل محقون الدم والإباحة بعارض القتال

"নিশ্চয়ই যেকোন মানুষের রক্ত ঝরানো মৌলিকভাবে নিষিদ্ধ। আর বৈধতা অর্জিত হয় যুদ্ধে অংশ নেয়ার দ্বারা।"
আল মাবসুত - ১২/১৬৫

এই দলীলের দ্বারা প্রমাণিত হলঃ ব্যাক্তিগতভাবে যুদ্ধে অংশ নিলে তার রক্ত ঝরানো হালাল হয়। আর সে নিজে অংশ না নিয়ে যদি তার জাতি অংশ নেয়, তারপরেও তাকে তার জাতির একজন হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং ধরা হবে সেও যুদ্ধে অংশ নিয়েছে।

# ভাই আঞ্জেম চাউধুরী !!!

আপনি যার বক্তব্যের একটা মুজমালা অংশ দিয়ে প্রমান করতে চাচ্ছেন যে, তাদের রক্ত হালাল নয় ( এখানে কাফের স্পষ্ট করে বলেন নি)। সয়ং এই সারখসী রাহিমাঃ অন্য তার কিতাবে মুফাসসার লিখেছেন যে, কাফেরের রক্ত সর্বাবস্থায় হালাল, কয়েক প্রকারের হারাম করা হয়েছে মূলনীতি পরিবরতনের কারণে নয় বরং অন্য কারণে।

সারাখসী - সিয়ারে কাবীর - (৪/৫০) ;-



يقول الامام ابو بكر السرخسي في شرح السير الكبير (4/50 وما بعدها )
قَالَ : لَا يَنْبَغِي أَنْ يُقْتَلَ النِّسَاءُ مِنْ أَهْلِ الْحَرْبِ وَلَا الصِّبْيَانُ وَلَا الْمَجَانِينُ وَلَا الشَّيْخُ الْفَانِي ... إلى أن قال
وَإِنَّمَا حَرُمَ قَتْلُهُمْ لِتَوْفِيرِ الْمَنْفَعَةِ عَلَى الْمُسْلِمِينَ ، أَوْ لِانْعِدَامِ الْعِلَّةِ الْمُوجِبَةِ لِلْقَتْلِ ، وَهِيَ الْمُحَارَبَةُ ، لَا لِوُجُودِ عَاصِمٍ أَوْ مُقَوِّمٍ فِي نَفْسِهِ ، فَلِهَذَا لَا يَجِبُ عَلَى الْقَاتِلِ الْكَفَّارَةُ وَالدِّيَةُ ، وَإِلَى هَذَا أَشَارَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَآلِهِ وَسَلَّمَ فِي حَدِيثٍ بِقَوْلِهِ : { هُمْ مِنْهُمْ } يَعْنِي أَنَّ ذَرَارِيَّ الْمُشْرِكِينَ مِنْهُمْ ، فِي أَنَّهُ لَا عِصْمَةَ لَهُمْ وَلَا قِيمَةَ لِذِمَّتِهِمْ
(انتهى)


হত্যা করা উচিত নয় আহলে হারবের নারী, শিশু, শাইখে ফানী ............ এই পর্যন্ত বলেছেনঃ- নিশ্চয়ই তাদেরকে ( কাফেরদের এই ১২ প্রকারকে ) হারাম তাদের মাধ্যমে মুসলমানদের বিভিধ উপকার লাভের কারণে অথবা হত্যাকে আবশ্যককারী ( বিঃদ্রঃ জায়েজ নয়) কারণ না পাওয়ায়; আর সেটা মুহারাবা বা যুদ্ধ্যে অংশগ্রহনের সক্ষমতা ( আপনার দাবী অনুজায়ী শুধু অংশগ্রহন নয় )। {মূলঅংশ} এই কারণে নয় যে তাদের রক্তকে নিরপদ কারী বা শক্তিশালী কারী কোন জিনিস পাওয়া গেছে। ( কারণ তাদের রক্তের মূলনীতি হচ্ছে তা হালাল )। এই জনই হত্যাকারীর উপর কাফফারা বা দিয়্যাত নেই।
এ দিকেই আল্লাহর নবী এক হাদীসে ইশারা করেছেনঃ-{ তারা তাদেরই অন্তর্ভুক্ত }। অর্থাৎ মুশরিকদের পরিজন তাদেরই হুকুমের অন্তর্ভুক্ত। এই ভাবে যে তাদের রক্তের কোন নিরাপত্তা নেই এবং তাদের জিম্মাহর কোন মূল্য নেই। ( শেষ)

আবু মুহাম্মাদ
07-21-2016, 02:28 AM
যেই কাফেররা (নিজে কিংবা তার জাতি) মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত নয়, তাদের বিরূদ্ধে যুদ্ধ করতে খলিফা লাগবে, ইসলামী রাষ্ট্র লাগবে।

ভাই বাচ্চাদের মত আপনি স্বাধারন একটা শুবুহাহ উল্ল্যেখ করছেন। ভাই, আপনার কি জিহাদের স্বাধারন ইলম নেই।
যাই হোক আপনি আলোচনা আরেক দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছেন। আপনি একেক থ্রেডে একেক আলোচন করছেন। পারলে আগের গুলোর উত্তর দিন , না হয় আমরা আপনার সাথে নতুন কোন আলোচনায় জড়াতে আগ্রহী নই।

আপনি জিহাদ বিষয়ক মৌলিক কিতাব গুলো পড়ে আসুন।

murabit
07-23-2016, 08:27 AM
وأما القول بأن الأمريكان وغيرهم من الكفار معاهدين وذميين!! فهو قول غريب وعجيب إذ
(إن هؤلاء قد انتقض عهدهم بما قامت به حكومتهم من مظاهرة اليهود على المسلمين في فلسطين، هذا أولاً، و بما قامت به حكومتهم كذلك من حرب ضد المسلمين في أفغانستان والعراق، و أصبحت أمريكا دولة محاربة للإسلام و المسلمين بعد غزوها المباشر و الصريح لأفغانستان ثم للعراق و احتلالها له و بالتالي أصبح الأمريكيون حربيون كلهم، دماؤهم و أموالهم مباحة للمسلمين في جميع أنحاء العالم، و دليل هذا أن النبي صلى الله عليه و سلم حينما عقد الصلح بينه و بين قريش ـ كما هو معروف ـ في صلح الحديبية وقع الشرط: أنه من أحب أن يدخل في عقد رسول الله صلى الله عليه وسلم وعهده فعل ومن أحب أن يدخل في عقد قريش وعهدهم فعل فدخلت بنو بكر في عقد قريش وعهدهم ودخلت خزاعة في عقد رسول الله صلى الله عليه وسلم وعهده ... فخرج نوفل ابن معاوية الديلي في جماعة من بني بكر فبيت خزاعة وهم على الوتير فأصابوا منهم رجالاً وتناوشوا واقتتلوا وأعانت قريش بني بكر بالسلاح وقاتل معهم من قريش من قاتل مستخفياً ليلاً ... وخرج عمرو بن سالم الخزاعي حتى قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة فوقف عليه وهو جالس في المسجد بين ظهراني أصحابه فأنشده قصيدة يخبره فيها بالخبر و يستنصره، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نصرت يا عمرو ابن سالم.

و من ثمَّ غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشاً و وقع الفتح الأعظم فتح مكة.
و في هذا دليل على أن عهد قريش قد انتقض بسبب أن نفراً منها أعانوا بني بكر بالسلاح في قتلهم لرجال من بني خزاعة ـ تدل بعض الروايات ـ على أنهم كانوا مسلمين.

إننا لو تصورنا صحة الميثاق الذي بين الحكومات العربية و غير العربية مع الولايات المتحدة الأمريكية لكان هذا الميثاق منتقضاً بين أمريكا و بين المسلمين بما تقوم به أمريكا من دعم واضح و ظاهر لليهود على إخواننا المسلمين في فلسطين بشتى صور الدعم العسكري و السياسي و الاقتصادي فكيف و نحن نعتقد أن هذا الميثاق غير شرعي و أن الانخراط فيه و الاحتكام إليه هو من صور التحاكم إلى الطاغوت الذي يعتبر ناقضاً من نواقض الإسلام و كان يسع هذه الدول لو كانت حريصة على إسلامها أن تكون مع بقية دول عدم الانحياز التي لم تنخرط في هذا الميثاق الأممي الطاغوتي.
و إذا كان تصرف نفر يسير قاموا بمساعدة رجالٍ من بني بكر بالسلاح على قتل أشخاص من بني خزاعة أدى إلى أن يغزو رسول الله قريشاً كلها و يقاتلهم لا فرق بين من أعان و من لم يعن و بين من شارك في القتال و بين من لم يشارك طالما أن الجميع ساكت و راضٍ بما حصل فالحكم فيهم سواء. و هكذا لا فرق بين الحكومة الأمريكية و بين شعبها فالكل أصبح محارباً يستحق القتل، فالحكومة تباشر تقديم الدعم بجميع أنواعه لليهود الغاصبين المحتلين لبلاد الإسلام في فلسطين، و الشعب يدعم حكومته بأغلبية ساحقة في مواقفها هذه ـ و الحكم هنا للغالب ـ و لا عبرة بالقلة المعارضة فالشعب هنا يعتبر بمثابة الردء لحكومته، و جاءت الحروب الأخيرة التي شنتها أمريكا على أفغانستان و العراق و تأييد أغلبية الشعب لحكومته في شن هذه الحروب ليكون دليلاً آخر يؤكد على أن أمريكا و شعبها أصبحوا حربيين تباح دماؤهم و أموالهم في كل زمان و مكان.

و جاءت الحرب الأخيرة على العراق التي خالفت فيها أمريكا المواثيق الدولية فحربها كانت ظالمة بجميع المقاييس حتى عند الكفار أنفسهم، فهي بالتالي خارجة عن ما يسمى بالشرعية الدولية و القانون الدولي، فالعهد و الميثاق معها منتقض شرعا ـ وهذا نقوله لمن يأخذ بالشرع ـ و منتقض قانوناً و هذا نقوله للعلمانيين و سائر المنافقين و المرتدين و خطباء المنابر في الحرمين و غيرهما الذين يقدسون القانون الدولي و يدعون إلى حل قضايا و مشكلات المسلمين من خلاله، والله المستعان.

ومن هذا يتضح أنه ليس لهم عهد ولا ذمة، لا على أساس شرعي، ولا على أساس قانوني، فهذه الشبهة ساقطة على كل حال) (1).

قال ابن القيم رحمه الله تعالى : (وفيها (أي غزوة فتح مكة) انتقاض عهد جميعهم بذلك، ردئهم و مباشريهم إذا رضوا بذلك، وأقروا عليه ولم ينكروه، فإن الذين أعانوا بني بكر من قريش بعضهم، لم يقاتلوا كلهم معهم، ومع هذا فغزاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم كلهم، وهذا كما أنهم دخلوا في عقد الصلح تبعا، ولم ينفرد كل واحد منهم بصلح، إذ قد رضوا به وأقروا عليه، فكذلك حكم نقضهم للعهد، هذا هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم الذي لا شك فيه كما ترى.
وطرد هذا جريان هذا الحكم على ناقضي العهد من أهل الذمة إذا رضي جماعتهم به، وإن لم يباشر كل واحد منهم ما ينقض عهده، كما أجلى عمر يهود خيبر لما عدا بعضهم على ابنه، ورموه من ظهر دار ففدعوا يده، بل قد قتل رسول الله صلى الله عليه وسلم جميع مقاتلة بني قريظة، ولم يسأل عن كل رجل منهم هل نقض العهد أم لا؟ وكذلك أجلى بني النضير كلهم، وإنما كان الذي همَّ بالقتل رجلان، وكذلك فعل ببني قينقاع حتى استوهبهم منه عبد الله بن أبي، فهذه سيرته وهديه الذي لا شك فيه، وقد أجمع المسلمون على أن حكم الردء حكم المباشر في الجهاد).


قال ابن حزم رحمه الله وهو يعلق على حديث عطية القرظي رضي الله عنه حيث قال: (عرضت يوم قريظة على رسول الله صلى الله عليه وسلم فكان من أنبت قتل ومن لم ينبت خلى سبيله فكنت فيمن لم ينبت) (فهذا عموم من النبي صلى الله عليه وسلم لم يستبق منهم عسيفاً ولا تاجراً ولا فلاحاً ولا شيخاً كبيراً وهذا إجماع صحيح منهم رضي الله عنهم متيقن لأنهم في عرض من أعراض المدينة لم يخف ذلك على أحد من أهلها) (1).

ومن أراد الاستزادة في الرد على هذه الشبهة فليقرأ رسالة (برآة الموحدين من عهود الطواغيت والمرتدين) ورسالة (نصوص الفقهاء حول أحكام الإغارة والتترس) ورسالة (الخصائص الشرعية للجزيرة العربية) ورسالة (خصائص جزيرة العرب) ورسالة (حكم استخدام أسلحة الدمار الشامل) وكتاب (حقيقة الحرب الصليبية الجديدة) ففيه توضيح رائع لهذه المسألة والله الهادي إلى سواء السبيل.

shah jalal bangali
07-23-2016, 09:09 AM
আঞ্জেম ভাই !
আপনি আসলে কি চান ?
উদ্দেশ্য ভাল হলে আপনি সরাসরি কোন ভাল আলেমের সাথে আলচনা করে স্পষ্ট হন

shahin alom
07-23-2016, 09:20 AM
আঞ্জেম ভাই !
আরও ভালভাবে বোঝার চেষ্টা করেন
মনে হচ্ছে আপনি বুঝে-শুনেই এমন করতেছেন

Zakaria Abdullah
07-23-2016, 03:36 PM
@ মুহতারাম যাকারিয়া আব্দুল্লাহ,

... এতে কী বোঝা যায় না, নিরাপত্তা না থাকলেই হত্যা করা বৈধ হয়ে যায় না? এটাই আমার কথার প্রথম অংশের (কারো রক্তের নিরাপত্তা না থাকা, আর তার রক্ত ঝরানো হালাল হওয়া সমান কথা নয়) দলীল। ...

আর, দ্বিতীয় অংশের (ঠিক তেমনি কারো রক্ত ঝরানো নিষিদ্ধ হওয়া মানেই তার রক্তের নিরাপত্তা আছে, এমনটিও নয়) জন্য দলীল হলঃ ...

এখন, আল্লামা সারাখসীর কথা একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। তিনি জানেন, ইসলাম কিংবা আমান ছাড়া রক্ত নিরাপদ হয় না, তারপরেও তিনি বলেছেন - আদমসন্তানের রক্ত মৌলিকভাবে ঝরানো নিষিদ্ধ। রক্তের নিরাপ্ততা না থাকলেই যদি রক্ত ঝরানো বৈধ হয়, তাহলে এই নিষেধাজ্ঞা কীভাবে আসলো??

এভাবে প্রমানিত হলঃ কারো রক্ত ঝরানো নিষিদ্ধ হওয়া মানেই তার রক্তের নিরাপত্তা আছে, এমনটিও নয়।

ভাই, আপনি যা প্রমাণ করতে চাচ্ছেন, সেটা একটা উসুলের মতো।

আর উসুল বা মূলনীতি উলামাদের ২/১ টা ক্বওল দিয়ে প্রমাণ হয় না। আর আমরা নিজেরা উলামাদের ২/১টা ক্বওল থেকে কোন উসুল / মূলনীতি আবিষ্কার করার চেষ্টা করাও এক ধরনের অনধিকার চর্চা বলে আমার কাছে মনে হয়। আমি জানি না, এমনকি শাইখ মাকদিসি কিংবা এ রকম বড় মুজাহিদ উলামাগণও নিজেরা এই রকম কোন মুলনীতি দাবী / প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন কিনা।

বরং এ ধরনের কোন মূলনীতি প্রমাণ করতে হলে, আমাদের প্রয়োজন এটা দেখানো - সালাফদের মধ্যে কেউ এই মূলনীতি বা উসুল দাবী বা উল্লেখ করেছেন। অথবা উসুলীয়িনদের মধ্যে এই মূলনীতি এর আলোচনা ছিল।

আর পূর্ববর্তী কোন আলেম কর্তৃক এই উসুল দাবী / প্রমাণ না হয়ে থাকলে, এর জন্য বর্তমান যুগের কোন আলেমের বিস্তারিত তাহক্বীক (অর্থাৎ এই সংক্রান্ত সকল আয়াত-হাদিস-তাফসীর-হাদিসের শরাহ-সকল মাজহাবের মুজাতাহিদ ইমামদের ক্বওল এর পূর্ণ বিশ্লেষণ) প্রয়োজন।

উপরের ২টার মধ্যে কোনটা না থাকলে আমরা নিজেরা ২/১ টা ক্বওল দিয়ে এ রকম কোন মূলনীতি দাবী করা বা প্রমাণ করার চেষ্টা উচিত হবে না। তা না হলে দেখা যাবে, কিছু ক্বওল দেখে একটি মতামত পেশ করে, সেটার পক্ষে যুক্তি-তর্ক চলছে, আবার আরো কিছু ক্বওল দেখে সেই মতামত থেকে ফিরে আসার ব্যাপারে পোষ্ট দেয়া হচ্ছে।

আল্লাহু আ'লাম।

Ahmad Faruq M
07-24-2016, 12:50 PM
আঞ্জেম ভাই !
আপনার উদ্দেশ্য যদি ভালো হয় তাহলে সঠিক ভাবে উত্তর আশা করছি।
আপনার নিশ্চুপ অবস্থান ,আপনার সন্দেহের কাতাফে ফেলে দিতে পারে। আর মুলনীতি নির্ধারন ,অনুবাদ ও ব্যখ্যা প্রদানে অথেন্টিক রেফারেন্স কাম্য।

Anjem Chowdhury
07-24-2016, 01:39 PM
আমি এখানে উল্লিখিত অনেক অবস্থান থেকে সরে এসেছি।

আহমাদ মুসা
07-24-2016, 09:53 PM
@ আবুল ফিদা, Salahuddin Aiubi

আমার বক্তব্যের প্রথম অংশের (একজন কাফিরের রক্ত ঝরানো হালাল হয় (مباح الدم) তখনই, যখন সে নিজে কিংবা তার জাতি ইসলাম ও মুসলিমদের বিরূদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে (عرض القتال)) দলিলঃ

আল্লামা সারাখসী বলেছেন,
فإن الآدمي في الأصل محقون الدم والإباحة بعارض القتال

"নিশ্চয়ই যেকোন মানুষের রক্ত ঝরানো মৌলিকভাবে নিষিদ্ধ। আর বৈধতা অর্জিত হয় যুদ্ধে অংশ নেয়ার দ্বারা।"
আল মাবসুত - ১২/১৬৫

এই দলীলের দ্বারা প্রমাণিত হলঃ ব্যাক্তিগতভাবে যুদ্ধে অংশ নিলে তার রক্ত ঝরানো হালাল হয়। আর সে নিজে অংশ না নিয়ে যদি তার জাতি অংশ নেয়, তারপরেও তাকে তার জাতির একজন হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং ধরা হবে সেও যুদ্ধে অংশ নিয়েছে।

Anjem Chowdhury ভাই আপনি বলেছেন, "আর সে নিজে অংশ না নিয়ে যদি তার জাতি অংশ নেয়, তারপরেও তাকে তার জাতির একজন হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং ধরা হবে সেও যুদ্ধে অংশ নিয়েছে।"

একজন ব্যাক্তির জন্য তার "জাতির" সকল লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যাবে- এ ব্যাপারে সালাফদের কোন কওল জানা থাকলে জানাবেন দয়া করে।

আবু মুহাম্মদ ভাই একটি দলীল দিয়েছেন আল্লামা কাসানী রাহিমাহুল্লাহ থেকে। একই রকম আরও দলীল জানা থাকলে সকল ভাইদের কাছে দলীলগুলো এখানে পোস্ট করার অনুরোধ করছি। জাজাকুমুল্লাহু খায়রান।

murabit
07-24-2016, 10:16 PM
amar mone hoy anje m saheb tar poste lekha gulo oposaron na korlei valo hoto, karon ei shongshoy aro oneker thakoote pare, tkhon tar jonno pokkher bipokkher doleel gulo ek sathe pawya shoj hoto.tini tar obosthan theke fire esesen eta tar maliker sathe tar somporrko.kinto masalati masala hisabe thakole onnora opokrito hote parto.

polashi
07-24-2016, 10:22 PM
ভাই আন্জেম চৌধুরী ! আপনি লিখেছেন ...
“কুফফারদের যেই সকল দেশ মুসলিমদের বিরূদ্ধে এখনও যুদ্ধে লিপ্ত হয় নি, যেমনঃ চিলি, পাপুয়া নিউগিনি, সামোয়া আইল্যান্ড, বার্বাডোস ইত্যাদি। এসব দেশে আমরা আগ বেড়ে যুদ্ধ করতে পারব? ”

আমি আপনার কাছে জানতে চাই ...

উপরোক্ত দেশগুলো কি মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত জাতিসংঘ বা এমন কোন সংঘের অন্তর্ভূক্ত নয় ?