Announcement

Collapse
No announcement yet.

পূর্বোক্ত মত প্রত্যাহার করছি। আমার নতুন অবস্থানঃ কাফিরের কুফরই তার রক্ত হালাল হবার ক&#

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পূর্বোক্ত মত প্রত্যাহার করছি। আমার নতুন অবস্থানঃ কাফিরের কুফরই তার রক্ত হালাল হবার ক&#

    আল্লামা সারাখসীর ও শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়্যার দুইটি বক্তব্যের কারণে আমার ধারণা হয়েছিল, কাফিরের রক্ত মৌলিকভাবে ঝরানো নিষেধ। কিন্তু এখন তাদের দুইজনের এই সম্পর্কে মতামত বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পর বুঝতে পারলাম, আমার ধারণা ভুল ছিল।
    ফোরামের সম্মানিত উলামা ভাইদেরকে শুকরিয়া জানাই। তাদের ঐকান্তিকতার কারণে আমি এই বিষয়ে আরো ঘাটাঘাটি করতে সক্ষম হয়েছি এবং অবশেষে সত্য অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছি, ইনশাআল্লাহ। ভাইদের কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করে থাকলে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

    ইনশাআল্লাহ ব্যস্ততা দূর হলে, এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখব।

    তবে একটি কথা – যদিও হারবী কাফিরের রক্ত হালাল, কিন্তু তাই বলে তাকে হত্যা করা উচিৎ না। কারণ হয়তবা সে একদিন মুসলিম হবে। কিন্তু তাকে হত্যা করার মধ্যে যদি মুসলিমদের স্বার্থ থাকে তবে হত্যা করতে কোন দোষ নেই।

    তবে, রক্ত হালাল হওয়ার জন্য জুমহুর উলামা কুফেরর পাশাপাশি আরেকটা শর্ত আরোপ করেছেন – তা হচ্ছে ঐ কাফিরকে যুদ্ধক্ষম হতে হবে। সে যদি নারী, শিশু, অতিবৃদ্ধ, পঙ্গু হয়, তবে তাকে হত্যা করা যাবে না।

    কিন্তু, আমার একটা সন্দেহ আছে, সেটা হল – রাসুল সাঃ সন্ন্যাসীদের হত্যা করতে নিষেধ করেছেন কেন? আল্লামা সারাখসী লিখেছেন, মুসলিমরা তার ব্যাপারে নিশ্চিত যে সে যুদ্ধে অংশ নিবে না, তাই নিষেধ করা হয়েছে।
    এখন, কেউ যদি বলে, অমুক কাফিরের ব্যাপারে আমি নিশ্চিত সে যুদ্ধ করবে না, এবং সেই কাফির সন্ন্যাসী নয়, তাহলে তাকে হত্যা করা কি জায়েয হবে?

    নাকি আমরা বলব, শুধু অনুমান যথেষ্ট নয়। সন্ন্যাসী সমাজ ত্যাগ করে গীর্জাতে নিজেকে নির্বাসিত করার মাধ্যমে অর্থাৎ তার কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে সে যুদ্ধে অংশ নিবে না। কিন্তু উক্ত কাফিরের এমন কোন কর্ম নেই, তাই সে যে যুদ্ধ করবে না, তার কোন প্রমাণ নেই। আর একারণেই তাকে হত্যা করা হবে।

    মাওলানা আবু মুহাম্মদ কিংবা মাওলানা যাকারিয়া আব্দুল্লাহ ভাই যদি জবাব দিতেন খুশি হতাম।

  • #2
    আল্লাহু আকবার, এইতো ! এটাইতো হলো আমাদের আদর্শ, আর এটাই হল আমাদের আকাবের তথা সালফে সালেহীন ওলামায়ে কেরামের আদর্শ, আমরা নিজের মতের উপর অটল থাকিনা,যদি তার বিপরিতে কোন দলীল পাওয়া যায়, আমরা ভুলের উপর ইস্তেকামাত থাকিনা, আমরা নিজের মতকে ত্যগ করি, দুনিয়ার কোন স্বার্থে নয়, একমাত্র দ্বীনের স্বার্থে, আর আফসোস !!! ঐসকল ব্যক্তিদের জন্য,যারা দুনিয়ার স্বামান্য লোভে নিজেদের দ্বীনকে বিক্রি করে দিচ্ছে, এবং গোয়েন্দা ও দাজ্জালী বাহিনীর ভয়ে, নিজে ফতোয়াকে পর্যন্ত ঘুরিয়ে দিচ্ছে, আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ইখলাসের সাথে দ্বীনের কাজ করার তাওফীক দান করূক। আমিন।।।।।
    দ্বীনকে আপন করে ভালোবেসেছে যারা,
    জীবনের বিনিময়ে জান্নাত কিনেছে তারা।

    Comment


    • #3
      যাজাকাল্লাহ আখী, আমার খুশিতে কান্না চলে এসেছিল।

      মাওলানা আবু মুহাম্মদ
      আখী, শুরুতে মাওলানা না লাগিয়ে শেষে ভাই ব্যবহার করলে ভাল হত না ? আমরা তো ত্বালেবে ইলম হয়েই থাকতে চাই।
      মুমিনদেরকে সাহায্য করা আমার দায়িত্ব
      রোম- ৪৭

      Comment


      • #4
        জি ভাই, শুনে ভালো লাগলো। তবে ভাই খুশির বশে যেন আমরা সিকিউরিটির খেলাপ করে কোন ইনফো আদান প্রদান না করে ফেলি। সেইদিকে খেয়াল রাখা জরুরী ইংশা আল্লাহ। আর ভার্চুয়াল লাইফে কারো আচারনে খুব খুশি বা কষ্ট পাওয়ার দরকার নেই। কারন আপনি/ আমি কেউ জানি না যে অপর প্রান্তে যিনি অবস্থান করছেন তিনি আসলে কি/কে।
        বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট ।
        "তুমি রবের বান্দার প্রতি দয়া কর
        বান্দার রবও তোমার প্রতি দয়া করবেন।"

        Comment


        • #5
          Originally posted by Anjem Chowdhury View Post
          এখন, কেউ যদি বলে, অমুক কাফিরের ব্যাপারে আমি নিশ্চিত সে যুদ্ধ করবে না, এবং সেই কাফির সন্ন্যাসী নয়, তাহলে তাকে হত্যা করা কি জায়েয হবে? নাকি আমরা বলব, শুধু অনুমান যথেষ্ট নয়। সন্ন্যাসী সমাজ ত্যাগ করে গীর্জাতে নিজেকে নির্বাসিত করার মাধ্যমে অর্থাৎ তার কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে সে যুদ্ধে অংশ নিবে না। কিন্তু উক্ত কাফিরের এমন কোন কর্ম নেই, তাই সে যে যুদ্ধ করবে না, তার কোন প্রমাণ নেই। আর একারণেই তাকে হত্যা করা হবে।
          ভাই, এটা জানি না। আর ভাই আমি মাওলানা না। যদিও আমি দাওরা পরীক্ষা দিয়েছি।
          Last edited by Zakaria Abdullah; 07-21-2016, 08:08 PM.

          Comment


          • #6
            এটা পূর্বমত প্রত্যাহার নয়, বরং ধোকা মনে হচ্ছে। এবং প্রত্যাহারনামায়ও সংশয় সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। আল্লাহ আমাদেরকে দাজ্জালদের থেকে হেফাজত করুন!
            Last edited by salahuddin aiubi; 07-22-2016, 01:22 AM.

            Comment


            • #7

              জাযাকাল্লাহু খাইরান, মুহতারাম আঞ্জেম চোধুরী ভাইকে।
              যদিও একটি রিপ্লাইয়ে ভাই মুরাবিত ভাইকে (হা,হা,হা বলে) কিছুটা তাচ্ছিল্য করেছিলেন।যেটা কাম্য নয়। এখন সঠিক বুঝার জন্যে শুকরিয়া। আমরা কেউ ভুলের উর্ধে নই।
              তাই ভুলের রিপ্লাই তাচ্ছিল্যতে না হয়ে যেন দরদমাখা ইসলাহী মেজাজে হয় সচেষ্ট থাকি।
              এখানে আমরা এক মুসলিমের প্রতি আরেকজনের অধিকার ,সন্মান,ইজ্জতের প্রতি খেয়াল রাখব ইনশাআল্লাহ। শুধু সন্দেহ বা ধারনা করে কাউকে কোন ট্যাগ যেন না লাগাই।এদিকে কিছু ভাই মুহতারাম আঞ্জেম চৌধুরীকে নেগেটিব ভাবে নিলেও আমি ঠিকই বুঝতেছিলাম যে, এই ভাই আসলে হকের সন্ধান করছেন ও দলীলের ভিত্তিতে কথা বলছেন।যা বাংলার উমর ভাইও উল্লেখ করেছিলেন।

              তাই এটা থেকে আমাদের শিক্ষনীয় যে, আমার মতের বিপক্ষে কেউ কিছু বললেই বা লিখলেই যেন তাকে খারাপ মনে না করি যদি তার আলোচনা হয় দলীল ভিত্তিক। সত্য অপর প্রান্তেও থাকতে পারে যা আমার জানার বাহিরে।
              ইদানিং এই গরুত্বপূর্ন বিষয়গুলোতে আপনাদেরকে যথাযথ সময় দিতে পারিনি বলে ক্ষমা পার্থী।আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ভাই ভাই হয়ে চলার তৌফিক দিন।

              শাইখুল হাদীস আবু ঈমরান দাঃ বাঃ প্রায় ২/ ৩ বছর আগে এই ফতোয়ার উপরই মত দিয়েছিলেন যে, কাফেরের কুফুরিই তার রক্ত হালাল হওয়ার কারন। কারন কেবল কালেমাই (ইমান) একজন ব্যক্তির রক্তকে নিরাপদ করে (তবে ইসলামের অন্যন্য হক নষ্ট করলে ভিন্ন কথা) । যেমনটা আমরা কিতাবুল ইমান পর্বের হাদীছসমূহ থেকে জানতে পারি।


              الموسوعة الفقهية الكويتية (42/ 198)
              ( اتفق الفقهاء على أن دم الكافر الحربي - وهو غير الذمي والمعاهد والمؤمن - مهدر، فإن قتله مسلم فلا تبعة عليه إذا كان مقاتلا، أما إذا كان الكافر الحربي غير مقاتل كالنساء والصبيان والعجزة والرهبان وغيرهم ممن ليسوا أهلا للقتال أو لتدبيرها فلا يجوز قتله، ويعزر قاتله، إلا إذا اشترك في حرب ضد المسلمين أو أعانهم برأي أو تدبير أو تحريض)

              الموسوعة الفقهية الكويتية (35/ 16)
              (ففي غير حالة العهد يجوز قتل المقاتلين من الكفار، لأن كل من يقاتل يجوز قتله.
              ولا يجوز قتل النساء والصبيان والمجانين والخنثى المشكل باتفاق الفقهاء، وكذلك لا يجوز قتل الشيوخ عند جمهور الفقهاء.
              وصرح الحنابلة بأن الفلاح الذي لا يقاتل لا ينبغي أن يقتل لما روي عن عمر رضي الله عنه أنه قال: (اتقوا الله في الفلاحين الذين لا ينصبون لكم الحرب) وقال الأوزاعي: لا يقتل الحراث إذا علم أنه ليس من المقاتلة)
              Last edited by Ahmad Faruq M; 07-22-2016, 01:05 AM.

              Comment


              • #8
                النبي صلى الله عليه وسلم: " دع ما يريبك إلى ما لا يريبك، فمن رعى حول الحمى يوشك أن يقع فيه
                قيل لصوفي: ما صناعتك؟ قال: حسن الظن بالله، وسوء الظن بالناس.
                شاعر:
                وقد كان حسن الظن بعض مذاهبي ... فأدبني هذا الزمان وأهله
                أشار ابن عباس على علي رضي الله عنه بشيء فلم يعمل به ثم ندم فقال: ويح ابن عباس: كأنما ينظر إلى الغيب من وراء ستر رقيق.
                وعلي كرم الله وجهه ما أضمر أحد شيئاً إلا ظهر في فلتات لسانه وصحفات وجهه.
                وطالع بوادره في الكلام ... فإنك تجني ثمار الغيوب

                Comment


                • #9
                  তবে, রক্ত হালাল হওয়ার জন্য জুমহুর উলামা কুফেরর পাশাপাশি আরেকটা শর্ত আরোপ করেছেন – তা হচ্ছে ঐ কাফিরকে যুদ্ধক্ষম হতে হবে। সে যদি নারী, শিশু, অতিবৃদ্ধ, পঙ্গু হয়, তবে তাকে হত্যা করা যাবে না।
                  এই ব্যাপারে অবশ্য আরো কিছু কথা আছে। আশা করি সকলের আলোচনায় সেটা বের হয়ে আসবে।

                  Comment


                  • #10
                    @মুহতারাম আহমাদ ফারুক
                    الموسوعة الفقهية الكويتية (35/ 16)
                    (ففي غير حالة العهد يجوز قتل المقاتلين من الكفار، لأن كل من يقاتل يجوز قتله.
                    ولا يجوز قتل النساء والصبيان والمجانين والخنثى المشكل باتفاق الفقهاء، وكذلك لا يجوز قتل الشيوخ عند جمهور الفقهاء.
                    وصرح الحنابلة بأن الفلاح الذي لا يقاتل لا ينبغي أن يقتل لما روي عن عمر رضي الله عنه أنه قال: (اتقوا الله في الفلاحين الذين لا ينصبون لكم الحرب) وقال الأوزاعي: لا يقتل الحراث إذا علم أنه ليس من المقاتلة)
                    এই উদ্ধৃতিতে কিছু কথা সংশয় তৈরি করে। একটু ব্যাখ্যা করতে পারবেন?

                    যেমনঃ

                    كل من يقاتل يجوز قتله "যারা লড়াই করে, তাদের হত্যা করা জায়েয।" আচ্ছা, এখানে যারা বলতে কি শ্রেণী বা জিনস বুঝিয়েছে? মানে এখানে ব্যাক্তি উদ্দেশ্য নাকি গোটা শ্রেণী?

                    শ্রেণী হিসেবে নিলে, বলতে হয় - পুরুষরা যুদ্ধ/লড়াই করে, সুতরাং পুরুষ জাতি/শ্রেনী হিসেবে হত্যার হুকুম এই জাতির প্রত্যেকে সদস্য/ফারদ এর উপর বর্তাবে।

                    আর ব্যাক্তি হিসেবে (ইন্ডিভিজুয়ালি চিন্তা করলে) বলতে হয় - যে সকল পুরুষ কখনো যুদ্ধ করে নি, তারা এ হুকুমের বহির্ভূত।

                    ব্যাক্তি না শ্রেণী, এই সংশয় আরো ঘণীভূত হয় - عن عمر رضي الله عنه أنه قال: (اتقوا الله في الفلاحين الذين لا ينصبون لكم الحرب) وقال الأوزاعي: لا يقتل الحراث إذا علم أنه ليس من المقاتلة উমার রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন - কৃষকদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো, যারা তোমাদের বিরূদ্ধে যুদ্ধ করতে দাঁড়ায় না।

                    এই বক্তব্য পড়ার পর তো মনে হতে পারে, শুধু বালেগ পুরুষ জিনস/জাতির অন্তর্ভুক্ত হওয়াই যথেষ্ট না। ব্যাক্তিগতভাবেও যুদ্ধ করতে হবে, তবেই হত্যা জায়েয হবে!!

                    আমাকে এক ভাই, উমার রাঃ এর এই আছার দিয়ে আটকে দিয়েছিল, তার মতে বর্তমান সময়ে সামরিক বাহিনী ছাড়া বাকি সিভিলিয়ান জনগোষ্ঠী হাদীসে উল্লিখিত কৃষকদের মতই যুদ্ধ করে না, তাই তাদের মুক্বাতিলাহ/আহলুল ক্বিতালের হুকুম থেকে আলাদা করা উচিৎ। আপনি এর জবাব কীভাবে দিবেন? জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

                    Comment


                    • #11
                      কেউ ব্যাখ্যা দিতে পারবেন?

                      মুরাবিত ভাইয়ের কাছে মাফ চাচ্ছি।
                      সালাহুদ্দিন আইউবীকে বলব, মুক্ত হাওয়া-বাতাসে একটু হেটে বেড়াবেন সকাল-বিকাল। মনের পঙ্কিলতা, সংকীর্ণতা, দারিদ্র দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
                      মানুষ সম্পর্কে ভাল ধারণা করতে সুস্থ মন লাগে।
                      Last edited by Anjem Chowdhury; 07-24-2016, 01:08 PM.

                      Comment

                      Working...
                      X