Announcement

Collapse
No announcement yet.

এতদিন পর রাসুলের সাঃ ভবিশষ্যদ্বানী বাস্তবায়িত হলো - তিন বাহিনীর হাদীস

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • এতদিন পর রাসুলের সাঃ ভবিশষ্যদ্বানী বাস্তবায়িত হলো - তিন বাহিনীর হাদীস

    সুনান আবি দাউদ এর ২৪৮৩ নং হাদীসটি আমাদের মাঝে বেশ প্রসিদ্ধ। এই হাদীসে রাসুল সাঃ উম্মাহকে শাম, ইয়ামান এবং ইরাকের তিনটি বাহিনী সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বানী করেছিলেন। এতোদিন আমরা তাড়াহুড়া করে, এই ভবিষ্যদ্বানী বাস্তবায়িত হয়ে গেছে ইত্যাদি বলে বেড়িয়েছি। কিন্তু বাস্তবে সেই ভবিষ্যদ্বানী বাস্তবায়িত হয়েছে গতকাল! ওয়াল্লাহু আ'লাম ওয়া আতাম্ম ওয়া আকমাল ইলমান।

    কেন এই কথা বলছি? তার আগে হাদীসটি দেখা যাক।

    2483 - حَدَّثَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنِي بَحِيرٌ، عَنْ خَالِدٍ يَعْنِي ابْنَ مَعْدَانَ، عَنِ ابْنِ أَبِي قُتَيْلَةَ، عَنِ ابْنِ حَوَالَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «سَيَصِيرُ الْأَمْرُ إِلَى أَنْ تَكُونُوا جُنُودًا مُجَنَّدَةً جُنْدٌ بِالشَّامِ، وَجُنْدٌ بِالْيَمَنِ، وَجُنْدٌ بِالْعِرَاقِ»، قَالَ ابْنُ حَوَالَةَ: خِرْ لِي يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ أَدْرَكْتُ ذَلِكَ، فَقَالَ: «عَلَيْكَ بِالشَّامِ، فَإِنَّهَا خِيرَةُ اللَّهِ مِنْ أَرْضِهِ، يَجْتَبِي إِلَيْهَا خِيرَتَهُ مِنْ عِبَادِهِ، فَأَمَّا إِنْ أَبَيْتُمْ، فَعَلَيْكُمْ بِيَمَنِكُمْ، وَاسْقُوا مِنْ غُدُرِكُمْ، فَإِنَّ اللَّهَ تَوَكَّلَ لِي بِالشَّامِ وَأَهْلِهِ»

    হাদীসটি সম্পর্কে আল-আল্লামাহ আল-আলবানী রহঃ বলেছেন, صحيح جداً এটি অত্যন্ত সহীহ।

    অর্থঃ
    সাহাবী ইবনু হাওয়ালা রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসুল সাঃ বলেছেন, অবস্থা এমন রূপ পরিগ্রহ করবে যে তোমরা তিনটি পৃথক বাহিনীতে পরিণত হবে। একটি বাহিনী শামে, আরেক বাহিনী ইয়ামানে, একটি বাহিনী ইরাকে। ইবনু হাওয়ালা রাঃ বলেন, আমার জন্য একটি বেছে দিন ইয়া রাসুলুল্লাহ যদি আমি সেই সময় পেয়ে যাই। তিনি বললেন, শামকে বেছে নাও। কারণ এটা আল্লাহর নির্বাচিত ভূমি, তার নির্বাচিত বান্দাদের জন্যই তিনি এটাকে মনোনীত করেন। কিন্তু যদি বিরত থাক, তবে ইয়ামান। সেখানে তোমাদের কুপ থেকে পানি পান করিয়ো। নিশ্চয়ই আল্লাহ শাম ও তার বাসিন্দাদের যিম্মাদারী গ্রহণ করেছেন।

    আবু দাউদের প্রসিদ্ধ ব্যাখ্যাগ্রন্থে মুহাদ্দিস আযীমাবাদী লিখেন,

    جُنُودًا مُجَنَّدَةً أَيْ مُخْتَلِفَةً وَقِيلَ مُجْتَمِعَةً وَالْمُرَادُ سَتَصِيرُونَ فِرَقًا ثَلَاثَةً

    জুনুদান মুজান্নাদাহ অর্থ একে অন্যের বিরোধী কিংবা ঐক্যপূর্ণ। তবে উদ্দেশ্য হচ্ছে তিনটি পৃথক দলে (ফিরকাহ) পরিণত হবে

    আওনুল মা'বুদ ফি শারহ আবি দাউদ- ৭/১১৬

    ফিরকাহ শব্দের উৎপত্তিই "ফারক্ব" থেকে যার অর্থ বিচ্ছিন্নতা, পার্থক্য।

    এতোদিন পর্যন্ত শাম, ইয়ামান, ইরাকে তিনটি বাহিনী থাকলেও শাম ও ইয়ামানের বাহিনী আল কায়েদার অধীনে মূলত একটি বাহিনীই ছিল। কিন্তু জাবহাতুন নুসরাহ আল কায়েদা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে "জাবহাতু ফাতহিশ শাম" ধারণ করার পর হাদীসের উদ্দেশ্য "তিনটি পৃথক বাহিনী" বাস্তবায়িত হয়ে গেছে।

    আল্লাহু আকবার!
    Last edited by Anjem Chowdhury; 07-26-2016, 03:04 PM.

  • #2
    জাজাকাল্লাহ ।
    কাঁদো কাশ্মিরের জন্য !..................

    Comment


    • #3
      Originally posted by Anjem Chowdhury View Post

      কিন্তু জাবহাতুন নুসরাহ আল কায়েদা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে "জাবহাতু ফাতহিশ শাম" ধারণ করার পর হাদীসের উদ্দেশ্য "তিনটি পৃথক বাহিনী" বাস্তবায়িত হয়ে গেছে।
      এতো উৎসাহী কেন এই ব্যাপারে?! এখনও কোন অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট আসে নি। আর ইরাকে কোন মুসলিম বাহিনী নেই যদি আপনি আইএস কে নির্দেশ করে থাকেন। তারা হাদিসে বর্ণিত মুসলিম বাহিনী নয় বরং তাড়া হাদিসে বর্ণিত খাওয়ারিজী বাহিনী। এদের দ্বারা ইসলাম বা মুসলিমদের কোনই উপকার হবে না বরং ক্ষতি হবে। এটাই হাদিসের কথা। আর সেটাই হচ্ছে।

      Comment


      • #4
        তারা হাদিসে বর্ণিত মুসলিম বাহিনী নয় বরং তাড়া হাদিসে বর্ণিত খাওয়ারিজী বাহিনী। এদের দ্বারা ইসলাম বা মুসলিমদের কোনই উপকার হবে না বরং ক্ষতি হবে। এটাই হাদিসের কথা। আর সেটাই হচ্ছে।
        কোথায় পাইলেন এইসব কথা???

        তাকফীরের ব্যাপারে সতর্ক হন। ইরাকে খাওয়ারিজরা কুফফার নয়। শায়খ যাওয়াহিরি হাঃ তাদের সাথে ঐক্যের আহবান জানিয়েছেন। তারাও মুসলিম বাহিনী। কিন্তু খাওয়ারিজ। আর হাদীসে ইরাকে যাওয়ার কথা বলা হয় নি। খেয়াল করে দেখেন, রিসার্জেন্সের ১ম ইস্যুতে শায়খ আবু দুজানা আল-পাশা এই হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন।

        রাসুল সাঃ স্রেফ বলেছেন তোমরা তিন বাহিনীতে পরিণত হবে। তিনি কোথায় বলেছেন, তিন বাহিনীই সহীহ মানহাজের উপর থাকবে??

        আন্দাজে কথা বলেন কেন??

        আল মানারাতুল বায়দ্বাহ জাবহাতুন নুসরাহর অফিসিয়াল মিডিয়া, তারা এটা নিয়ে অলরেডি সাক্ষাৎকার দিয়ে ফেলেছে। সুতরাং অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট না আসলেও এটা হয়ে গেছে, সেটা নিতান্ত নাদান ব্যাক্তিরও বুঝার কথা।

        Comment


        • #5
          Originally posted by Anjem Chowdhury View Post
          তিনি কোথায় বলেছেন, তিন বাহিনীই সহীহ মানহাজের উপর থাকবে??
          তাহলে আপনি বলতে চাচ্ছেন সহি মানহাজে না থাকা খারিজীদের দ্বারা ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে! অথচ রাসুল (সাঃ) তাদের কে লানত করেছেন !

          অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট না আসলেও এটা হয়ে গেছে
          আমার মনে হয় আপনার এই কথাটার আসলেই কোন যুক্তি নাই। যেখানে কোন এলাকা বিজিত হলে নুসরাহ স্টেটমেন্ট দিচ্ছে সেখানে এতো বড় ঘটনা ঘটবে তার স্টেটমেন্ট আসবে না! ওটি উৎসাহী হয়ে ফিতনা ছড়াবেন না। ওয়েট এন্ড সি ফোর সাম টাইমস
          Last edited by Egol; 07-26-2016, 10:46 AM.

          Comment


          • #6
            Originally posted by Egol View Post
            তাহলে আপনি বলতে চাচ্ছেন সহি মানহাজে না থাকা খারিজীদের দ্বারা ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে!
            আপনিও ভাই ভাল বাড়াবাড়ি করতে পারেন, আমি কখন বলেছি খারেজীরা ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবে?? যত্তসব...

            Comment


            • #7
              Originally posted by Anjem Chowdhury View Post
              আমি কখন বলেছি খারেজীরা ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবে?? যত্তসব...
              দেখুন ভাই হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা বা ভুল ভাবে হাদিস উপস্থাপন করবেন না। তিন বাহিনীর কথা বলা হয়েছে যাদের দ্বারা ইসলামের ভালো হবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠায় তাড়া অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সেক্ষেত্রে ইরাকে তেমন কোন বাহিনী নাই কিন্তু আপনি উল্লেখ করেছেন। ইরাকে যারা আছে মেইনলি আইএস তাড়া খাওয়ারিজি। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন কোথায় আপনার ভুল হয়েছে।

              Comment


              • #8
                Originally posted by Egol View Post
                দেখুন ভাই হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা বা ভুল ভাবে হাদিস উপস্থাপন করবেন না। তিন বাহিনীর কথা বলা হয়েছে যাদের দ্বারা ইসলামের ভালো হবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠায় তাড়া অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
                আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি, আপনার এই দাবীর স্বপক্ষে মুহাদ্দিসীনদের বক্তব্য থেকে পারলে কোন দলীল উল্লেখ করুন।

                Comment


                • #9
                  Originally posted by Anjem Chowdhury View Post
                  আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি, আপনার এই দাবীর স্বপক্ষে মুহাদ্দিসীনদের বক্তব্য থেকে পারলে কোন দলীল উল্লেখ করুন।
                  আপনি উত্তেজিত না হয়ে আপনি আগে দলিল উপস্থাপন করুন যে তিন বাহিনীর কথা বলা হয়েছে হাদিসে সেই তিন বাহিনীর একটি যে খাওরিজি হবে সেটা প্রমান করুন। কারণ এটি আপনার পোস্টে উপস্থাপন করে ঝামেলা সৃষ্টি করেছেন।

                  Comment


                  • #10
                    আনজিম চৌধুরী আপনি মনে হয় কিছু অগ্রীম জানেন ।
                    একটু বেশী বুঝেন ?

                    Comment


                    • #11
                      ঈগল এবং আন্জেম ভাই ! উভয়জন যেভাবে তর্ক শুরু করছেন এটা অশোভনীয়। আপনারা শান্ত হোন।
                      ঈগল ভাই তো একটু আগে বললেন সবর করার জন্য : এখন আবার উত্তেজিত হলেন কেন ?
                      আন্জেম ভাইয়ের সাথে আলোচনা এটাতো চলছেই ।
                      তাই বলে ঈগল ভাই গরম হবেন এটা আশা করিনি।
                      শামের বিষটি নিয়ে আমরা অত্যন্ত আগ্রহি এটা স্বাভাবিক।

                      Comment


                      • #12
                        কী হচ্ছে এসব ! আলোচনা না ঢিল ছোড়া-ছোড়ি ? এটা বিবেকবানদের থেকে কাম্য নয় ।
                        কাঁদো শামের জন্য...........

                        Comment


                        • #13
                          আমরা দলিলের মাধ্যমে আন্তরিকতার সাথে আলচনা করি ভাই। কেউ উত্তেজিত না হই ইনশাআল্লাহ।
                          হাদিসটির ব্যাখ্যা নিছের তুলে ধরা হলঃ-

                          فإن هذا الحديث رواه أبو داود وأحمد وابن حبان والحاكم والبيهقي من حديث عبد الله بن حوالة رضي الله عنه. ولفظ أبي داود وأحمد هو: سيصير الأمر إلى أن تكون جنود مجندة: جند بالشام، وجند باليمن، وجند بالعراق. فقال ابن حوالة: خر لي يا رسول الله إن أدركت ذلك، فقال: عليك بالشام، فإنها خيرة الله من أرضه، يجتبي إليها خيرته من عباده، فأما إن أبيتم فعليكم بيمنكم واسقوا من غُدرِكم فإن الله توكل لي بالشام وأهله. وصححه الحاكم والذهبي وقال الألباني في تحقيقه لكتاب" فضائل الشام" : صحيح جدا. وبوب له أبو عمرو الداني في كتاب " السنن الواردة في الفتن" بقوله: باب ما جاء في الأجناد الكائنة بالأمصار. وقال العظيم آبادي في " عون المعبود": ( جنود مجندة) أي مختلفة وقيل مجتمعة، والمراد ستصيرون فرقا ثلاثة ( خر لي) أي خر لي خير تلك الأماكن، ومعناه بالفارسية يسندكن برأي من بهترين ازين أمكنه ( فإنها ) أي الشام ( خيرة الله) بفتح التحتية بوزن عنبة أي مختارته ( خيرته من عباده) أي المختارين منهم ( إذا أبيتم) أي امتنعتم من التزام الشام ( فعليكم بيمنكم) أي فالزموا اليمن ( من غدركم) كصرد جمع غدير وهو الحوض ( توكل ) أي تكفل وتضمن ( لي بالشام) بأن لا يخربه بالفتنة ( وأهله) أي تكفل لي بأهل الشام بأن لا تصيبه الفتنة، ولا يهلك الله بالفتنة من أقام بها. انتهى.

                          والله أعلم.

                          Comment


                          • #14
                            জি। আমি একটু উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলা, ক্ষমাপ্রার্থী।

                            Originally posted by Egol View Post
                            আপনি উত্তেজিত না হয়ে আপনি আগে দলিল উপস্থাপন করুন যে তিন বাহিনীর কথা বলা হয়েছে হাদিসে সেই তিন বাহিনীর একটি যে খাওরিজি হবে সেটা প্রমান করুন। কারণ এটি আপনার পোস্টে উপস্থাপন করে ঝামেলা সৃষ্টি করেছেন।
                            ভাই, তিন বাহিনীর একটি যে সহীহ মানহাজের উপর থাকবে না, সেটা এই হাদীস থেকেই বোঝা যায়। রাসুল সাঃ প্রথম চয়েজ হিসেবে শামে যেতে বলেছেন, আর দ্বিতীয় চয়েজ হিসেবে ইয়েমেনে যেতে বলেছেন, কিন্তু ইরাকে যেতে বলেন নি। এতেই প্রমাণ হয় - ইরাকের বাহিনী সহীহ মানহাজের উপর থাকবে না।

                            তাছাড়া মুসনাদ আহমাদের এই মর্মের অপর একটি হাদীসে শাম এবং ইয়েমেনের বাহিনীর উল্লেখ থাকলেও, ইরাকের বাহিনীর কোন উল্লেখ নেই।

                            20356 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ، مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، وَهَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، قَالَا: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَاشِدٍ، حَدَّثَنَا مَكْحُولٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوَالَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «سَيَكُونُ جُنْدٌ بِالشَّامِ، وَجُنْدٌ بِالْيَمَنِ» ، فَقَالَ رَجُلٌ: فَخِرْ لِي يَا رَسُولَ اللَّهِ إِذَا كَانَ ذَلِكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عَلَيْكَ بِالشَّامِ، عَلَيْكَ بِالشَّامِ - ثَلَاثًا، عَلَيْكَ بِالشَّامِ - فَمَنْ أَبَى فَلْيَلْحَقْ بِيَمَنِهِ، وَلْيَسْقِ مِنْ غُدُرِهِ، فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ تَكَفَّلَ لِي بِالشَّامِ وَأَهْلِهِ» ، قَالَ أَبُو النَّضْرِ مَرَّتَيْنِ: فَلْيَلْحَقْ بِيَمَنِهِ

                            এতেও বুঝা যায়, সহীহ মানহাজের উপর কেবল শাম এবং ইয়েমেনের বাহিনীই থাকবে। ইরাকের বাহিনীর যদি মানহাজ ঠিক থাকত, তাহলে রাসুল সাঃ ইরাকের কথাও উল্লেখ করতেন কিংবা সেখানে যেতে বলতেন।

                            Comment


                            • #15
                              দুনোজনকে বলতেছি মাতা গরম না করে থন্ডা মাথায় চিন্তা করুন।

                              Comment

                              Working...
                              X