PDA

View Full Version : ফোরামে আশঙ্কাজনক সাম্প্রদায়িকতা



সহীহ দাওয়াত
08-09-2016, 01:29 PM
দুঃখজনক ভাবে, আমি এই ফোরামে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প উদগীরণ করতে দেখছি অনেককে। অনেক ভেড়ার পোশাকের শেয়াল মুজাহিদদের কাতারে অনুপ্রবেশ করেছে। আমাদের আল কায়েদার মাশায়েখগণ জিহাদের ক্ষেত্রে ঐক্যের স্বার্থে আক্বীদা, মাযহাব, তাসাউফ, বিদআত সম্পর্কে চুপ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু অনেক কৌশলী একে তাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এই ফোরামেই এমন কয়েকজন দেখলাম। বেশ কয়েকমাস যাবতই আপনারা আমার রাডারে ধরা পড়েছেন। কিছু পোস্ট দ্বারা এটা প্রমাণ হয়।

১. ২/৩ মাস আগে এক লোক মাসিক আল কাউসার থেকে একটি লেখা প্রকাশ করে। লেখার বিষয়বস্তু ছিল আল্লামা আলবানীর সমালোচনা।

২. ঈদের কয়েকদিন আগে একজন পোস্ট করে ছয় তাকবীরের নামায সহীহ।

৩. আরেকজন পোস্ট করেছে, সাদাকাতুল ফিতর টাকা দিয়ে আদায় করলেও হবে।

৪. এর কিছুদিন পর দেখলাম এক লোক ওলীপুরীর ভিডিও আপলোড করেছে, যেখানে সে আহলে হাদীসদের কচুকাটা করেছে।

তানযীম কাঈদাতুল জিহাদ সহীহ সালাফী আক্বীদা, মানহাজের উপর প্রতিষ্ঠিত এটা কারো অজানা থাকার কথা না। কিন্তু উম্মার ঐক্যের স্বার্থে মতপার্থক্য এবং বিদ'আতের প্রতি নমনীয়তাকে যেন কেউ সুযোগ হিসেবে ব্যবহার না করে, সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। নয়ত ময়দানে যখন খেলা শুরু হবে, তখন অনেক বড় ফিতনা লাগবে। এখনই আমাদের সাথিভাইদের এগুলো নিয়ে মুযাকারা করা দরকার।

জাযাকাল্লাহ।

আবু মুহাম্মাদ
08-10-2016, 04:37 AM
তানযীম কাঈদাতুল জিহাদ সহীহ সালাফী আক্বীদা, মানহাজের উপর প্রতিষ্ঠিত এটা কারো অজানা থাকার কথা না।

ভাই আপনার কথা ঠিক আছে। কিন্তু বিডিতে বরতমানে ভন্ড সালাফী ও তাদের বিপরীত পক্ষ যে গাধার মত বকা-ঝকা ও ফাসাদ শুরু করেছে তাতে আল-কায়েদার মানহাজেরও অসংখ্য ভাই সহিহ সালাফী কি জিনিস জানেই না। বুঝাতে গেলে আরো ভূল বুঝে। তবে ভুল বুঝলেও তো সত্য বলা ছেড়ে দেয়া যাবে না, যেমন অনেকে বলে হিকমাতের কারনে গোরামী ওয়ালাদের অনুসরন শুরু করে দিতে। বরং আমাদেরকে আরো নরম ও আস্তে আস্তে সঠিকটা তাদেরকে বুঝাতে হবে।
আমরা যতই বলি তালেবান দেওবন্দের সিলসিলা। তালেবানদের প্রথম যোগের ব্যপারে উম্মাহর শ্রেষ্ঠ মানুষদের কথা শুনুন। যেমন আব্দুল্লাহ আজ্জাম। তাদেরকে কত কষ্ট করতে হয়েছে দেওবন্দ থেকে আসা মাসলাকগুলো তাদের থেকে ধুয়ে সাফ করতে। কন্দাহারে তারা কয়েক বছর ঢুকতেই পারি নি এই যতক্ষন তারা আক্বাবিরে (কবরবাসীরা) দেওবন্দের মাসলাকের উপর ছিল। এখন তারা আকিদায়ে সালাসাহ পরে । আল্লাহু আকবার। এখনো তাদেরকে কেউ দেওবন্দী বললে বুদ্ধির কমতি আছে বলেই ধরে নেয়া হবে।

একটা উদাহারন দেই,
যে সালতানাত কুফফাররা মুরসী ও এরদুগানের মত পা চাটা কুকুরদেরকেও দিতে সাহস করছে না, সে (ইসলামী!!!) হুকুমাত তারা পাকিস্তান নামক তোহফা সরূপ দিয়ে চলে গেল ?!!! আর আমাদের আক্বাবিররা (কবরবাসীরা) সাচ্ছন্দে জিন্নাহের মত এক শীয়া ইয়াহুদির নেতৃত্বে সাচ্ছন্দে মেনে চার দেয়ালে ভিতর চলে গেল !!! সত্যই সেলুকাস ! ভিলিব ইট আর নট !
আলোচনাঃ এটা যে কুফুরী কাজ ছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই। আর যার পাকিস্তান ভাগ হওয়া চায় নি তাদের উপরও আল-অয়ালা বারার কায়দা প্রয়োগ করে নিলেই।

tipo soltan
08-10-2016, 05:46 AM
দেওবন্দ আইডিধারী ভাই পোস্ট দেওয়ার পর টেনশনে আছি ।
কোনটা বলতে গিয়ে আবার কোনটা বলে ফেলি
কোনটা বললে কে আবার কোনটা মনে করে !
তাই দুদিন ধরে ভাবছি
কোনটা রেখে কোনটা বলবো
অনেক কিছুই বলার আছে।
তবে এসব রোগের চিকিৎসা ফোরামে সম্ভব নয়।
পারসোনাল পাইলে সহজ ।

আবু মুহাম্মাদ
08-10-2016, 06:13 AM
দেওবন্দ আইডিধারী ভাই পোস্ট দেওয়ার পর টেনশনে আছি ।
কোনটা বলতে গিয়ে আবার কোনটা বলে ফেলি
কোনটা বললে কে আবার কোনটা মনে করে !
তাই দুদিন ধরে ভাবছি
কোনটা রেখে কোনটা বলবো

ভাই ! একেবারে আমার মনের কথাগুলোই বলেছেন। জাযাকাল্লাহ।

দেওবন্দ
08-10-2016, 10:17 AM
মুহতারাম টিপু সুলতান এবং আবু মুহাম্মদ ভাই! আপনারা তো ফোরামে খুবই এক্টিভ এবং নিয়মিত।

যখন মাসিক আল কাউসারে আল্লামা আলবানীর সমালোচনা করে লেখা প্রবন্ধটা ফোরামে পোস্ট করা হলো, তখন আপনারা চুপ ছিলেন কেন? তখন কি বলা যেত না, "ভাই! এগুলো ব্যাক্তিগত পর্যায়ে থাক! ফোরামে আনা উচিৎ না।" কই আপনারা তো বলেন নি?

সালাফ আস সালিহিনের মানহাজ অনুসারীরা একমত, সাদাকাতুল ফিতর খাদ্যশষ্য দিয়ে দিতে হবে। এখন হানাফী ফিক্বহে ভিন্নমত আছে। আমরা এই মতপার্থক্যকে সম্মান করি, কিন্তু একে ফোরামে পাবলিকলি প্রচার কেন করা হল! আমি অত্যন্ত শংকাজনক ভাবে খেয়াল করেছি, এই পোস্টটা পোস্ট করেছেন এই ফোরামেরই এক মডারেটর!!!! নাম বললাম না।

ছয় তাকবীর-বারো তাকবীরের ক্যাচাল কি এই ফোরামে করার জায়গা? তবে কেন ঈদের আগে ছয় তাকবীরের দলিল দিয়ে পোস্ট করা হল? উল্লেখ্য আমি নিজে ছয় তাকবীরে নামায পড়ি। কিন্তু তাই বলে এটা ফোরামে প্রচার করতে যাব কেন??

কিছুদিন এক ভেড়ার পোশাকের শেয়াল পোস্ট করেছে, কোন আকীদার ভিত্তিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হব। এটা সবাই জানে, শায়খ আবু ক্বাতাদা ফিলিস্তিনি, শায়খ মাকদীসী, শায়খ আইমান আয যাওয়াহিরি সবার মতে সালাফী-আছারী আকীদাই একমাত্র সহীহ আক্বীদা। [দেখুন A Letter From Zawahiri to Zarqawi] আশারি-মাতুরিদি আকীদা বিদআত। কিন্তু এখন এটা তর্কের বিষয় না। কিন্তু উল্লিখিত পোস্টে প্রমানের চেষ্টা হয়েছে "আল কায়েদার মতে আশারী-আছারী সব আকীদাই সহীহ"!!! এগুলোকে যদি ভেড়ার পোশাকে শেয়াল না বলি, তাহলে কাকে বলব?

লুতফর ফরাজি একজন দেশখ্যাত মুরজিয়া। সে নির্বাচনে ভোট দেয়া ওয়াজিব। বাংলাদেশ দারুল আমান ইত্যাদি ফতোয়া উৎপাদন করেছে। এমন এক কালপ্রিটকে নিয়ে কেন পোস্ট করা হয়? একটা ভিডিও দেয়া হয়েছিল ওলীপুরির সেখানে খুঁজে দেখুন।

ভাই, ফোরামে যে এই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, সেটা আমরা পজিটিভলি নেই। ভাইদেরকে অনুরোধ করছি সাজিয়ে গুছিয়ে এই সংক্রান্ত আল কায়েদার নীতিমালা গুলো এখানে উল্লেখ করুন। আল কায়েদা কারো ওপরে আকীদা, ফিকহ চাপিয়ে দেয় না। কিন্তু একই সাথে সহীহ নয় এমন আকীদাকে আল কায়েদা সমর্থিত আকীদা বলে চালিয়ে দেয়াও সমর্থণ করে না।

mohammad umar
08-10-2016, 10:22 AM
দেওবন্দ ভাইয়ের পোষ্ট approve কইরেন না

সহীহ দাওয়াত
08-10-2016, 10:45 AM
দীর্ঘদিন যাবত আমি এই ফোরামে সাম্প্রদায়িক ফেতনা ছড়িয়ে বেড়ানোর দিকে খেয়াল করেছি। ফোরামের দায়িত্বশীল ভাইদের বারবার দৃষ্টি আকর্ষণ করার পরও তারা এড়িয়ে গেছেন। তারা শুধু বলেছেন, "এই ফোরাম উন্মুক্ত। সবাই আসবে। আহলে হাদীস, দেওবন্দী, ক্বওমী।" আমি কিছুতেই বুঝাতে পারছিলাম না - এই সাম্প্রদায়িকতা কত জঘন্য। তাই বাধ্য হয়ে আমি একটা কৌশল করেছি। দেওবন্দ নামের আইডি খুলে সেখান থেকে পোস্ট দিয়েছি। উদ্দেশ্য ছিলঃ এতে আমাদের মাঝে লুকিয়ে থাকা সাম্প্রদায়িকতা বেড়িয়ে আসবে। আইডির নাম থেকেই এটা বোঝার কথা, নরমাল কোন ব্যাক্তি দেওবন্দ নাম দিয়ে আইডি খুলবে না।

ভাই, এখনও ওপেনলি দেশে কিতাল শুরু হয় নি। এখনই মোক্ষম সময় আমাদের মানহাজ দুরস্ত করার। কারণ কিতাল চলাকালীন মতানৈক্য পরাজয়ের কারণ। তাই এখন আপাত দৃষ্টিতে ফোরামে সাময়িক যে ফিতনা তৈরি
হয়েছে, সেটাকে বড় কিছু মনে করবেন না। কারন আল্লাহর ইচ্ছায় এতে আমরা সঠিক পথ প্রদর্শিত হবো।

দেওবন্দ আইডি খুলে আমি আরেকটা জিনিস প্রমাণ করলাম, সেটা হচ্ছে - এই ফোরামে ফিতনা সৃষ্টি করা কত সহজ!! শত্রুদের যে কেউ এখানে একটা আইডি খুলে কী রকম কুরুক্ষেত্র তৈরি করতে সক্ষম, সেটা আপনাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলাম। কিন্তু আমার প্রশ্ন - আমাদের প্রত্যেকের মানহাজ যদি দুরুস্ত থাকে, তবে মুনাফিকদের শত প্রচেষ্টাও আমাদের মাঝে ফাটল ধরাতে পারবে না। কিন্তু দেখুন না, অলরেডি ফোরামে ফাটল ধরেছে।

ভাই এখন তো সবে শুরু, এখন এই ধরনের ফাটল কোন বিষয়ই না। কিন্তু এই ফাটল যদি আজকে থেকে ৫ বছর পর ধরে তাহলে কী অবস্থা হবে চিন্তা করে দেখেন!

শহীদ ইমাম আওলাকী রহিমাহুল্লাহ Hereafter সিরিজে একটা কথা বলেছিলেন, একজন লোক কম্পিউটার কিনে ২/৩ বছর খুব ভাল চালিয়েছে। এরপর একটা ভারী সফটওয়ার রান করতে গেলে কম্পিউটার নষ্ট হয়ে যায়। সেই লোক ভাবছে, আমার কত্ত ভাল কম্পিউটার ২/৩ বছর কিছুই হল না। অথচ আজকে নষ্ট হয়ে গেল!

শায়খ বলেন, আসলে কম্পিউটার প্রথম দিন থেকেই নষ্ট ছিল। কিন্তু আজকে ভারী সফটওয়ার চালানোয় রোগ বেড়িয়ে এসেছে। তদ্রুপ আমরাও নিজেদের ব্যাপারে ধারণা করি, আমাদের সব কিছু ওকে। কিন্তু পরীক্ষায় পড়লে আসলটা বেড়িয়ে আসে।

আমার এই কৌশল ভাইদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য ছিল না। নাউযুবিল্লাহ। তাহলে আমি আগেভাগেই বলতাম না। আমার উদ্দেশ্য ছিল বিভেদের কারণগুলো ভাইদের সামনে প্রকাশ করা, যেন দ্রুতই এর ব্যাপারে অবস্থান নেয়া যায়। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।
[/B]

murabit
08-10-2016, 11:28 AM
ليست قرابة المسلم أباه وأمه وأخاه وزوجه وعشيرته، ما لم تنعقد الآصرة الأولى في الخالق، فتتصل من ثم بالرحم: {يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيراً وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ} ... [النساء:1]
ولا يمنع هذا من مصاحبة الوالدين بالمعروف مع اختلاف العقيدة ما لم يقفا في الصف المعادي للجبهة المسلمة، فعندئذ لا صلة ولا مصاحبة، وعبد الله بن عبد الله بن أبي يعطينا المثل في جلاء:روى ابن جرير بسنده قَالَ ابْنُ زَيْدٍ، فِي قَوْلِ اللَّهِ لَيُخْرِجَنَّ الْأَعَزُّ مِنْهَا الْأَذَلَّ قَالَ: كَانَ الْمُنَافِقُونَ يُسَمُّونَ الْمُهَاجِرِينَ: الْجَلَابِيبَ؛ وَقَالَ: قَالَ ابْنُ أُبَيٍّ: قَدْ أَمَرْتُكُمْ فِي هَؤُلَاءِ الْجَلَابِيبِ أَمْرِي، قَالَ: هَذَا بَيْنَ أَمَجٍ وَعُسْفَانَ عَلَى الْكَدِيدِ تَنَازَعُوا
عَلَى الْمَاءِ، وَكَانَ الْمُهَاجِرُونَ قَدْ غَلَبُوا عَلَى الْمَاءِ؛ قَالَ: وَقَالَ ابْنُ أُبَيٍّ أَيْضًا: أَمَا وَاللَّهِ لَئِنْ رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ لَيُخْرِجَنَّ الْأَعَزُّ مِنْهَا الْأَذَلَّ لَقَدْ قُلْتُ لَكُمْ: لَا تُنْفِقُوا عَلَيْهِمْ، لَوْ تَرَكْتُمُوهُمْ مَا وَجَدُوا مَا يَأْكُلُونَ، وَيَخْرُجُوا وَيَهْرُبُوا؛ فَأَتَى عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَلَا تَسْمَعُ مَا يَقُولُ ابْنُ أُبَيٍّ؟ قَالَ: " وَمَا ذَاكَ؟ " فَأَخْبَرَهُ وَقَالَ: دَعْنِي أَضْرِبْ عُنُقَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ: " إِذًا تَرْعَدُ لَهُ آنَفٌ كَثِيرَةٌ بِيَثْرِبَ ". قَالَ عُمَرُ: فَإِنْ كَرِهْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْ يَقْتُلَهُ رَجُلٌ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ، فَمُرْ بِهِ سَعْدَ بْنَ مُعَاذٍ، وَمُحَمَّدَ بْنَ مَسْلَمَةَ فَيَقْتُلَانِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم -: " إِنِّي أَكْرَهُ أَنْ يَتَحَدَّثَ النَّاسُ أَنَّ مُحَمَّدًا يَقْتُلُ أَصْحَابَهُ، ادْعُوا لِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَيٍّ ". فَدَعَاهُ، فَقَالَ: " أَلَا تَرَى مَا يَقُولُ أَبُوكَ؟ " قَالَ: وَمَا يَقُولُ بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي؟ قَالَ: " يَقُولُ لَئِنْ رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ لَيُخْرِجَنَّ الْأَعَزُّ مِنْهَا الْأَذَلَّ "؛ فَقَالَ: فَقَدْ صَدَقَ وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنْتَ وَاللَّهِ الْأَعَزُّ وَهُوَ الْأَذَلُّ، أَمَا وَاللَّهِ لَقَدْ قَدِمْتَ الْمَدِينَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَإِنَّ أَهْلَ يَثْرِبَ لَيَعْلَمُونَ مَا بِهَا أَحَدٌ أَبَرَّ مِنِّي، وَلَئِنْ كَانَ يُرْضِي اللَّهَ وَرَسُولَهُ أَنْ آتِيَهُمَا بِرَأْسِهِ لَآتِيَنَّهُمَا بِهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم -: " لَا ". فَلَمَّا قَدِمُوا الْمَدِينَةَ، قَامَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَيٍّ عَلَى بَابِهَا بِالسَّيْفِ لِأَبِيهِ؛ ثُمَّ قَالَ: أَنْتَ الْقَائِلُ: لَئِنْ رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ لَيُخْرِجَنَّ الْأَعَزُّ مِنْهَا الْأَذَلَّ، أَمَا وَاللَّهِ لَتَعْرِفَنَّ الْعِزَّةُ لَكَ أَوْ لِرَسُولِ اللَّهِ، وَاللَّهِ لَا يَأْوِيكَ ظِلُّهُ، وَلَا تَأْوِيهِ أَبَدًا إِلَّا بِإِذْنٍ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ؛ فَقَالَ: يَا لِلْخَزْرَجِ ابْنِي يَمْنَعُنِي بَيْتِي يَا لِلْخَزْرَجِ ابْنِي يَمْنَعُنِي بَيْتِي فَقَالَ: وَاللَّهِ لَا تَأْوِيهِ أَبَدًا إِلَّا بِإِذْنٍ مِنْهُ؛ فَاجْتَمَعَ إِلَيْهِ رِجَالٌ فَكَلَّمُوهُ، فَقَالَ: وَاللَّهِ لَا يَدْخُلُهُ إِلَّا بِإِذْنٍ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ، فَأَتَوُا النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَأَخْبَرُوهُ، فَقَالَ: " اذْهَبُوا إِلَيْهِ، فَقُولُوا لَهُ خِلِّهِ وَمَسْكَنَهُ "؛ فَأَتَوْهُ، فَقَالَ: أَمَا إِذَا جَاءَ أَمْرُ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَنَعَمْ ". ( تفسير الطبري - مؤسسة الرسالة - (23/ 405) فيه ضعف) ..
فإذا انعقدت آصرة العقيدة فالمؤمنون كلهم إخوة، ولو لم يجمعهم نسب ولا صهر: {إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ} .. على سبيل القصر والتوكيد: {إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَهَاجَرُوا وَجَاهَدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَالَّذِينَ آوَوْا وَنَصَرُوا أُولَئِكَ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ} ... [الأنفال:72]
__________

وهي ولاية تتجاوز الجيل الواحد إلى الأجيال المتعاقبة، وتربط أول هذه الأمة بآخرها، وآخرها بأولها، برباط الحب والمودة والولاء والتعاطف المكين: {وَالَّذِينَ تَبَوَّأُوا الدَّارَ وَالْأِيمَانَ مِنْ قَبْلِهِمْ يُحِبُّونَ مَنْ هَاجَرَ إِلَيْهِمْ وَلا يَجِدُونَ فِي صُدُورِهِمْ حَاجَةً مِمَّا أُوتُوا وَيُؤْثِرُونَ عَلَى أَنْفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ وَمَنْ يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ، وَالَّذِينَ جَاءُوا مِنْ بَعْدِهِمْ يَقُولُونَ رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْأِيمَانِ وَلا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلّاً لِلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنَا إِنَّكَ رَؤُوفٌ رَحِيمٌ} [الحشر:9 - 10]
ويضرب الله الأمثال للمسلمين بالرهط الكريم من الأنبياء الذين سبقوهم في موكب الإيمان الضارب في شعاب الزمان: {وَنَادَى نُوحٌ رَبَّهُ فَقَالَ رَبِّ إِنَّ ابْنِي مِنْ أَهْلِي وَإِنَّ وَعْدَكَ الْحَقُّ وَأَنْتَ أَحْكَمُ الْحَاكِمِينَ، قَالَ يَا نُوحُ إِنَّهُ لَيْسَ مِنْ أَهْلِكَ إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ فَلا تَسْأَلْنِ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ إِنِّي أَعِظُكَ أَنْ تَكُونَ مِنَ الْجَاهِلِينَ، قَالَ رَبِّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أَسْأَلَكَ مَا لَيْسَ لِي بِهِ عِلْمٌ وَإِلَّا تَغْفِرْ لِي وَتَرْحَمْنِي أَكُنْ مِنَ الْخَاسِرِينَ} ... [هود:45 - 47]
{وَإِذِ ابْتَلَى إِبْرَاهِيمَ رَبُّهُ بِكَلِمَاتٍ فَأَتَمَّهُنَّ قَالَ إِنِّي جَاعِلُكَ لِلنَّاسِ إِمَاماً قَالَ وَمِنْ ذُرِّيَّتِي قَالَ لا يَنَالُ عَهْدِي الظَّالِمِينَ} ... [البقرة:124]
{وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَذَا بَلَداً آمِناً وَارْزُقْ أَهْلَهُ مِنَ الثَّمَرَاتِ مَنْ آمَنَ مِنْهُمْ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ قَالَ وَمَنْ كَفَرَ فَأُمَتِّعُهُ قَلِيلاً ثُمَّ أَضْطَرُّهُ إِلَى عَذَابِ النَّارِ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ} ... [البقرة:126]
ويعتزل إبراهيم أباه وأهله حين يرى منهم الإصرار على الضلال: {وَأَعْتَزِلُكُمْ وَمَا تَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ وَأَدْعُو رَبِّي عَسَى أَلَّا أَكُونَ بِدُعَاءِ رَبِّي شَقِيّاً} ... [مريم:48]
ويحكي الله عن إبراهيم وقومه ما فيه أسوة وقدوة: {قَدْ كَانَتْ لَكُمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ فِي إِبْرَاهِيمَ وَالَّذِينَ مَعَهُ إِذْ قَالُوا لِقَوْمِهِمْ إِنَّا بُرَآءُ مِنْكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ كَفَرْنَا بِكُمْ وَبَدَا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةُ وَالْبَغْضَاءُ أَبَداً حَتَّى تُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَحْدَهُ}. [الممتحنة:4]
والفتية أصحاب الكهف يعتزلون أهلهم وقومهم وأرضهم ليخلصوا لله بدينهم، ويفرُّوا إلى ربهم بعقيدتهم، حين عز عليهم أن يجدوا لها مكاناً في الوطن والأهل والعشيرة.
اتصلت وشيجة العقيدة بين المهاجرين والأنصار، فإذا هم أهل وإخوة، واتصلت الوشيجة بين المسلمين العرب وإخوانهم: صهيب الرومي، وبلال الحبشي، وسلمان الفارسي. وتوارت عصبية القبيلة، وعصبية الجنس، وعصبية الأرض. قَالَ عَمْرٌو سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - قَالَ كُنَّا فِى غَزَاةٍ - قَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً فِى جَيْشٍ - فَكَسَعَ رَجُلٌ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ رَجُلاً مِنَ الأَنْصَارِ فَقَالَ الأَنْصَارِىُّ يَا لَلأَنْصَارِ. وَقَالَ الْمُهَاجِرِىُّ يَا لَلْمُهَاجِرِينَ. فَسَمِعَ ذَاكَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ مَا بَالُ دَعْوَى جَاهِلِيَّةٍ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ كَسَعَ رَجُلٌ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ رَجُلاً مِنَ الأَنْصَارِ. فَقَالَ دَعُوهَا فَإِنَّهَا مُنْتِنَةٌ. فَسَمِعَ بِذَلِكَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَىٍّ فَقَالَ فَعَلُوهَا، أَمَا وَاللَّهِ لَئِنْ رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ لَيُخْرِجَنَّ الأَعَزُّ مِنْهَا الأَذَلَّ. فَبَلَغَ النَّبِىَّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَامَ عُمَرُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ دَعْنِى أَضْرِبْ عُنُقَ هَذَا الْمُنَافِقِ. فَقَالَ النَّبِىُّ - صلى الله عليه وسلم - دَعْهُ لاَ يَتَحَدَّثُ النَّاسُ أَنَّ مُحَمَّدًا يَقْتُلُ أَصْحَابَهُ وَكَانَتِ الأَنْصَارُ أَكْثَرَ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ، ثُمَّ إِنَّ الْمُهَاجِرِينَ كَثُرُوا بَعْدُ. قَالَ سُفْيَانُ فَحَفِظْتُهُ مِنْ عَمْرٍو قَالَ عَمْرٌو سَمِعْتُ جَابِرًا كُنَّا مَعَ النَّبِىِّ - صلى الله عليه وسلم - (صحيح البخارى) ..
وعَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ دَعَا إِلَى عَصَبِيَّةٍ وَلَيْسَ مِنَّا مَنْ قَاتَلَ عَلَى عَصَبِيَّةٍ وَلَيْسَ مِنَّا مَنْ مَاتَ عَلَى عَصَبِيَّةٍ (2). .. فانتهى أمر هذا النتن .. نتن عصبية النسب. وماتت هذه النعرة .. نعرة الجنس، واختفت تلك اللوثة .. لوثة القوم، واستروح البشر أرج الآفاق العليا، بعيداً عن نتن اللحم والدم، ولوثة الطين والأرض .. منذ ذلك اليوم لم يعد وطن المسلم هو الأرض، إنما عاد وطنه هو " دار الإسلام " الدار التي تسيطر عليها عقيدته وتحكم فيها شريعة الله وحدها، الدار التي يأوي إليها ويدافع عنها، ويستشهد لحمايتها ومد رقعتها .. وهي " دار الإسلام " لكل من يدين بالإسلام عقيدة ويرتضي شريعته شريعة، وكذلك لكل من يرتضي شريعة الإسلام نظاماً - ولو لم يكن مسلماً - كأصحاب الديانات الكتابية الذين يعيشون في " دار الإسلام " .. والأرض التي لا يهيمن فيها الإسلام ولا تحكم فيها شريعته هي " دار الحرب " بالقياس إلى المسلم، وإلى الذمي المعاهد كذلك .. يحاربها المسلم ولو كان فيها مولده، وفيها قرابته من النسب وصهره، وفيها أمواله ومنافعه.
وكذلك حارب محمد - صلى الله عليه وسلم - مكة وهي مسقط رأسه، وفيها عشيرته وأهله، وفيها داره ودور صحابته وأموالهم التي تركوها. فلم تصبح دار إسلام له ولأمته إلا حين دانت للإسلام وطبِّقت فيها شريعته.
هذا هو الإسلام .. هذا هو وحده .. فالإسلام ليس كلمة تقال باللسان، ولا ميلاداً في أرض عليها لافتة إسلامية وعنوان إسلامي! ولا وراثة مولد في بيت أبواه مسلمان.
{فَلا وَرَبِّكَ لا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجاً مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيماً}. [النساء:65]
هذا هو وحده الإسلام، وهذه هي وحدها دار الإسلام .. لا الأرض ولا الجنس، ولا النسب وإلا الصهر، ولا القبيلة، ولا العشيرة.لقد أطلق الإسلام البشر من اللصوق بالطين ليتطلعوا إلى السماء، وأطلقهم من قيد الدم .. قيد البهيمة .. ليرتفعوا في عليين.
وطن المسلم الذي يحن إليه ويدافع عنه ليس قطعة أرض، وجنسية المسلم التي يعرف بها ليست جنسية حكم، وعشيرة المسلم التي يأوي إليها ويدفع عنها ليست قرابة دم، وراية المسلم التي يعتز بها ويستشهد تحتها ليست راية قوم، وانتصار المسلم الذي يهفوا إليه ويشكر الله عليه ليس غلبة جيش. إنما هو كما قال الله عنه: {إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ، وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجاً، فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُ كَانَ تَوَّاباً} ... [سورة النصر]
إنه النصر تحت راية العقيدة دون سائر الرايات. والجهاد لنصرة دين الله وشريعته لا لأي هدف من الأهداف، والذياد عن " دار الإسلام " بشروطها تلك لا أية دار، والتجرد بعد هذا كله لله، لا لمغنم ولا لسمعة، ولا حمية لأرض أو قوم، أو ذود عن أهل أو ولد، إلا لحمايتهم من الفتنة عن دين الله: فعَنْ أَبِى مُوسَى قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنِ الرَّجُلِ
يُقَاتِلُ شَجَاعَةً وَيُقَاتِلُ حَمِيَّةً وَيُقَاتِلُ رِيَاءً أَىُّ ذَلِكَ فِى سَبِيلِ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - مَنْ قَاتَلَ لِتَكُونَ كَلِمَةُ اللَّهِ هِىَ الْعُلْيَا فَهُوَ فِى سَبِيلِ اللَّهِ (1). ...
وفي هذا وحده تكون الشهادة لا في أية حرب لأي هدف غير هذا الهدف الواحد .. لله .. وكل أرض تحارب المسلم في عقيدته، وتصدُّه عن دينه، وتعطل عمل شريعته، فهي " دار حرب " ولو كان فيها أهله وعشيرته وقومه وماله وتجارته .. وكل أرض تقوم فيها عقيدته وتعمل فيها شريعته، فهي " دار إسلام " ولو لم يكن فيها أهل ولا عشيرة، ولا قوم ولا تجارة.الوطن: دار تحكمها عقيدة ومنهاج حياة وشريعة من الله .. هذا هو معنى الوطن اللائق " بالإنسان ". والجنسية: عقيدة ومنهاج حياة. وهذه هي الآصرة اللائقة بالآدميين. إن عصبية العشيرة والقبيلة والقوم والجنس واللون والأرض عصبية صغيرة متخلفة .. عصبية جاهلية عرفتها البشرية في فترات انحطاطها الروحي، وسماها رسول الله - صلى الله عليه وسلم - " منتنة " بهذا الوصف الذي يفوح منه التقزز والاشمئزاز.
القرآن الكريم وقضايا العقيدة (ص: 5-11)

Abu Khubaib
08-10-2016, 01:23 PM
ভাই - শায়খ আলবানির উপর পোস্টটী আমি দিয়েছিলাম... এবং পোস্টে উনাকে গোমরাহ প্রমাণ করা হয়নি।

পোস্টের মূল সারাংশ ছিল, মুহাদ্দিস আলবানি (রহ)'র শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে নিয়ে উনার ছোট-খাটো কিছু ভুলের পর্যালোচনা যা লিখেছেন উনারই ঘনিষ্ঠ শায়খ শু'আইব আরনাউত। বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়িমুক্ত একটী চমৎকার আলোচনা সেটি। যাতে আমরা সাধারণেরা ভক্তির ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি এবং সমালোচনার ক্ষেত্রে ছাড়াছাড়ির আশ্রয় না নেই।

কেন আপনি উদাহারণ হিসেবে এমন অসাধারণ একটি লেখার কথা টানলেন তা আমার বোধগম্য নয়। আল্লাহ তা'আলা সহজ করুন।

banglar omor
08-10-2016, 02:00 PM
সহীহ দাওয়াত

তানযীম কাঈদাতুল জিহাদ সহীহ সালাফী আক্বীদা, মানহাজের উপর প্রতিষ্ঠিত এটা কারো অজানা থাকার কথা না।
ভাই !আপনিতো আরেক ফেৎনার জন্ম দিচ্ছেন ।আল কায়দা সালাফী না মাযহাবী এটাতো আপনার কাছে কেউ জানতে চায়নি।
কেন শুধু শুধু এই বিষয়গুলো দিয়ে মানুষেকে দিধায় ফেলে দিচ্ছেন!
বন্ধ করুন এসব।

murabit
08-10-2016, 02:09 PM
وتساءل مع نفسك عن حظك من علامات العلم النافع هى
العمل به
كراهية المدح والتكبر على الخلق
تكاثر تواضعك
الهرب من حب الترأس والشهرة
هجر دعو العلم
اساءة الظن بالنفس واحسانه بالناس تنزها عن الوقوع بهم

Ahmad Faruq M
08-10-2016, 03:17 PM
যখন মাসিক আল কাউসারে আল্লামা আলবানীর সমালোচনা করে লেখা প্রবন্ধটা ফোরামে পোস্ট করা হলো, তখন আপনারা চুপ ছিলেন কেন? তখন কি বলা যেত না, "ভাই! এগুলো ব্যাক্তিগত পর্যায়ে থাক! ফোরামে আনা উচিৎ না।" কই আপনারা তো বলেন নি?

সালাফ আস সালিহিনের মানহাজ অনুসারীরা একমত, সাদাকাতুল ফিতর খাদ্যশষ্য দিয়ে দিতে হবে। এখন হানাফী ফিক্বহে ভিন্নমত আছে। আমরা এই মতপার্থক্যকে সম্মান করি, কিন্তু একে ফোরামে পাবলিকলি প্রচার কেন করা হল! আমি অত্যন্ত শংকাজনক ভাবে খেয়াল করেছি, এই পোস্টটা পোস্ট করেছেন এই ফোরামেরই এক মডারেটর!!!! নাম বললাম না।

সন্মানিত ভাই গণ!
কারো ভালোলাগা না লাগার উপর ভিত্তি করে আমরা পোষ্ট দেই না। আমরা একটা উত্তম মাকসাদেই পোষ্ট দিয়ে থাকি। আমাদের দেশের অনেক কুরবানী করনে ওয়ালা ভাই সালাফী স্ট্যান্ড থেকে জিহাদের পথে এসেছেন । বা এই সংক্রান্ত মাসয়ালা গুলোর দলীল না জানা থাকার কারণে অনেক সময় না জেনেই প্রতিপক্ষকে ভুল বুঝে থাকেন। তাই আমার মাকসাদ ছিল স্রেফ আহনাফ ভাইদের দলীল এইসমর্কিত দলীল গুলো জানানো। ঈদের আগ মুহুর্তে এই পোষ্ট টা আমি এই উদ্দেশ্যেই দিয়েছিলাম।
আমি জায়েজ বলেই দলীল উল্লেখ করেছি এর বেশি কিছু নয়। আমার মাকসাদ একে অপ্রকে জানা জানানোর ভিত্তিতে পরস্পর সহবস্থান । ভুল বঝাবুঝির অবসান। কারন আমি নিজেও এর ভুক্তভূগী ।

Abu Khubaib
08-10-2016, 04:33 PM
ভাই আপনার কথা ঠিক আছে। কিন্তু বিডিতে বরতমানে ভন্ড সালাফী ও তাদের বিপরীত পক্ষ যে গাধার মত বকা-ঝকা ও ফাসাদ শুরু করেছে তাতে আল-কায়েদার মানহাজেরও অসংখ্য ভাই সহিহ সালাফী কি জিনিস জানেই না। বুঝাতে গেলে আরো ভূল বুঝে। তবে ভুল বুঝলেও তো সত্য বলা ছেড়ে দেয়া যাবে না, যেমন অনেকে বলে হিকমাতের কারনে গোরামী ওয়ালাদের অনুসরন শুরু করে দিতে। বরং আমাদেরকে আরো নরম ও আস্তে আস্তে সঠিকটা তাদেরকে বুঝাতে হবে।
আমরা যতই বলি তালেবান দেওবন্দের সিলসিলা। তালেবানদের প্রথম যোগের ব্যপারে উম্মাহর শ্রেষ্ঠ মানুষদের কথা শুনুন। যেমন আব্দুল্লাহ আজ্জাম। তাদেরকে কত কষ্ট করতে হয়েছে দেওবন্দ থেকে আসা মাসলাকগুলো তাদের থেকে ধুয়ে সাফ করতে। কন্দাহারে তারা কয়েক বছর ঢুকতেই পারি নি এই যতক্ষন তারা আক্বাবিরে (কবরবাসীরা) দেওবন্দের মাসলাকের উপর ছিল। এখন তারা আকিদায়ে সালাসাহ পরে । আল্লাহু আকবার। এখনো তাদেরকে কেউ দেওবন্দী বললে বুদ্ধির কমতি আছে বলেই ধরে নেয়া হবে।

একটা উদাহারন দেই,
যে সালতানাত কুফফাররা মুরসী ও এরদুগানের মত পা চাটা কুকুরদেরকেও দিতে সাহস করছে না, সে (ইসলামী!!!) হুকুমাত তারা পাকিস্তান নামক তোহফা সরূপ দিয়ে চলে গেল ?!!! আর আমাদের আক্বাবিররা (কবরবাসীরা) সাচ্ছন্দে জিন্নাহের মত এক শীয়া ইয়াহুদির নেতৃত্বে সাচ্ছন্দে মেনে চার দেয়ালে ভিতর চলে গেল !!! সত্যই সেলুকাস ! ভিলিব ইট আর নট !
আলোচনাঃ এটা যে কুফুরী কাজ ছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই। আর যার পাকিস্তান ভাগ হওয়া চায় নি তাদের উপরও আল-অয়ালা বারার কায়দা প্রয়োগ করে নিলেই।

হজরত! যথার্থ বলেছেন... আমাদের উচিৎ রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো নিয়ে বেশী আলোচনা করা যাতে একই ভুলে বারবার আপতিত না হই...

umar mukhtar
08-10-2016, 05:23 PM
ভাই !আপনিতো আরেক ফেৎনার জন্ম দিচ্ছেন ।আল কায়দা সালাফী না মাযহাবী এটাতো আপনার কাছে কেউ জানতে চায়নি।
কেন শুধু শুধু এই বিষয়গুলো দিয়ে মানুষেকে দিধায় ফেলে দিচ্ছেন!
বন্ধ করুন এসব।
@সহীহ দাওয়াত ও দেওবন্দ নামক অদ্ভুত নামধারী ভাইয়েরাসহ অন্যান্য ভাইদের জেনে রাখা উচিত যে, সালাফি আল-কায়েদা দেওবন্দি তালেবানের হাতে বাইয়াহ দিয়ে রেখেছে।
আমাদের বুঝা উচিত, কে দেওবন্দি আর কে সালাফি তা না দেখে সকল মুসলিমকেই জিহাদের ময়াদানে নিয়ে আসার মেহনত করতে হবে।

omar bin Abdurrahman
08-10-2016, 05:46 PM
বাহ ! সত্যের আহবানে আজ আমরা একত্রিত হয়েছি । উদ্দেশ্য.. আল্লাহর কালিমা বুলন্দের জন্য দল-মত নির্বিশেষে আল্লাহর রাহে লড়াই করা...। তাই উম্মাহর ইজমাগুলো নিয়ে আলোচনা করাই ভালো মনে করছি.।

salahuddin aiubi
08-10-2016, 08:45 PM
ফেৎনা বন্ধ করতে হলে বা পথপ্রদর্শন করতে হলে নিজের কথা পক্ষপাতমুক্ত হতে হয়। যদিও তা সূক্ষ্ণ হয়। নিজেদেরকে বড় অবস্থানে রেখেই ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করা যায় না। পরিপূ্ণ ত্যাগ শিকার করতে হয়।

ibn mumin
08-10-2016, 09:20 PM
লা হাওলা ওলা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
কি শুরু হল ?
আমাদের এই ফোরামে গ্যাঞ্জাম লাগানোর মূল কারিগরদের আগমন হয়েছে হটাত করে। তারা আগুন্তুকের মত এসে এমন কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলে যা খুবই অবাক করার।
১ম তো এক ব্যক্তি এসে হারবি কাফের না মারার ব্যপারে এমনভাবে কথা বলতে লাগলো যাকে দেখে মনে হচ্ছিল সে আহলে হাদিস গ্রুপের।
ঠিক কয়েক দিন পরেই ২য় আরেক ব্যক্তি এসে এমনভাবে কিছু আলেমগনের নাম উল্লেখ করলো আর এমনভাবে কথা বলা শুরু করলো যাতে মনে হচ্ছে উনারা এমন একটা প্রতিষ্টানের একনিষ্ট ভক্ত, যাদের কোন ভুল নেই।
আসলে সমস্যার সুত্রপাত এখানেই। কিছু প্রতিষ্টান সম্পর্কে অতিরিক্ত ভালোবাসাই, উম্মাহর রক্ত ক্ষরণ দেখে সেই সব প্রতিষ্টান সম্পর্কে কিছু যুবকের যৌক্তিক প্রশ্ন উত্থাপনের পরই এই ফিতনার শুরু।
তাই আমার মতে আমাদের ফোরামে জিহাদে জরিত নয় এমন ব্যক্তিদেরকে বিশেষ বিশেষণে বিশেষায়িত না করে পোস্ট করলে ভালো হয়। হোক সে মদিনার বা ভারতের যে কেউ।
কারণ উম্মাহর রক্তাক্ত দেহ দেখে যে কেউ প্রশ্ন তুলতেই পারে যাদেরকে এমন বিশেষণে বিশেষায়িত করা হচ্ছে তাদের এই রক্ত বন্ধ করায় অবদান কি?? আর এই প্রশ্ন থেকেই সকল সমস্যার শুরু হয়েছে।
তাই আমার মতে যেসব আলেম!! জিহাদে নেই, নারী এবং দুর্বলদের সাথে পিছনে বসে আছে তাদের কোন লেখা এই ফোরামে পোস্ট না করা। সে যেই স্থানের বা যে সময়েরই হোক না কেন।

salahuddin aiubi
08-12-2016, 11:50 PM
তাই আমার মতে যেসব আলেম!! জিহাদে নেই, নারী এবং দুর্বলদের সাথে পিছনে বসে আছে তাদের কোন লেখা এই ফোরামে পোস্ট না করা। সে যেই স্থানের বা যে সময়েরই হোক না কেন।

ইবনে মুমিন ভাই আশ্চর্য কথা বললেন! আচ্ছা তাহলে ইমাম বুখারি রহঃও তো জিহাদ করেননি! ইবনে হাজার আসকালানি, ইবনে কাসির, ইমাম যাহাবি, আল্লামা শামী, ইবনে নুজাইম সহ ফিকহ, হাদিস ও তাফসিরের অসংখ্য ইমামগণই তো জিহাদ করেননি! অথচ এঁদের অধিকাংশের যামানায় কিছু কিছু ইসলামি ভূখন্ড কাফেরদের দখলে ছিল। তাহলে কি তাদের কিতাবগুলো গ্রহণহযোগ্য হবে না?

এমনটি হলে তো শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহঃ এর মত অল্প সংখ্যক আলেমের কিতাবাদি ছাড়া ইসলামি জ্ঞানভান্ডারের সকল কিতাবই বাদ হয়ে যাবে!

ভাই! একটু চিন্তা করুন!

সঠিক দাওয়াত
08-13-2016, 12:46 AM
সহীহ দাওয়াত ভাই
আপনি দেখা যায় সহীহ দাওয়াত দেওয়ার পরিবর্তে ভেজাল দাওয়াত দেওয়া শুরু করলেন ?
এই ফোরামে সব জনসাধারণের জন্য বাক স্বাধীনতা দেওয়ার মানে এই নয় যে এখানে সঠিক জ্ঞানের পরিবর্তে মানুষদেরকে ভুল ধারণা এবং ফিৎনায় ফেলে দেওয়া ।
আমি খুব ব্যস্ত হাতে সময় খুব কম তাই বেশি কিছু লিখতে পারলাম না ।

আপনি কি আর কোন নাম বাছাই করতে পারলেন না ?
আমার নামের সাথে রিলেটিভ নাম পছন্দ করলেন ?

ibn.abdullah1987
08-13-2016, 05:16 AM
bhai to pura amar moner kotha bole dilen.

Allah amader ke shokol fitna theke hefajot koruk

ibn mumin
08-13-2016, 06:32 AM
ইবনে মুমিন ভাই আশ্চর্য কথা বললেন! আচ্ছা তাহলে ইমাম বুখারি রহঃও তো জিহাদ করেননি! ইবনে হাজার আসকালানি, ইবনে কাসির, ইমাম যাহাবি, আল্লামা শামী, ইবনে নুজাইম সহ ফিকহ, হাদিস ও তাফসিরের অসংখ্য ইমামগণই তো জিহাদ করেননি! অথচ এঁদের অধিকাংশের যামানায় কিছু কিছু ইসলামি ভূখন্ড কাফেরদের দখলে ছিল। তাহলে কি তাদের কিতাবগুলো গ্রহণহযোগ্য হবে না?

এমনটি হলে তো শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহঃ এর মত অল্প সংখ্যক আলেমের কিতাবাদি ছাড়া ইসলামি জ্ঞানভান্ডারের সকল কিতাবই বাদ হয়ে যাবে!

ভাই! একটু চিন্তা করুন!

জাযাকাল্লাহ ভাই, প্রিয় ভাই, আমার কথা ব্যাপক অর্থে ছিল। জি তাদের সময় ভুখন্ড কুফফাআরদের দখলে থাকলেও তাদের মাঝে জিহাদ বিমুখতা দেখা যায় নি। এমন কি আপনি যদি ইতিহাস ঘাঁটেন তবে দেখতে পাবেন যে ইমাম গাজ্জালি (রাহিঃ) এর কাছে আন্দালুস থেকে ততকালীন উমাইয়া আমীর জিহাদের বিধান জানতে চেয়েছিলেন। তিনি তখন ফতোয়া দিয়েছিলেন আন্দালুসে ফরযে আঈন। আসলে আমি বুঝাতে চেয়েছিলাম যে একে তো যারা জিহাদ করে নি আর সাথে সাথে জিহাদের পক্ষে কোন ফতোয়াও দেয় নি। যেমনটা এখন করে থাকেন আমাদের কথিত হক্কানি আর সহীহরা।

সম্মানিত মোডারেটর ভাই, আপনাদের একটা কাজে খুবই কষ্ট পেলাম একবার বলেন এটা ওপেন ফোরাম তাই সবাই পোস্ট করতে পারবে। কিন্তু ে কেমন দ্বিমুখী কথা। আপনারা আমার পোস্ট অন্ধ দেওবন্দি বা সালাফিবাদ এটা ডিলেট করে দিলেন...
এটা কি এই কারণেই যে এই পোস্টের কারণে কিছু অন্ধভক্তের গাত্র দাহন শুরু হয়ে যায়>???পক্ষান্তরে এইখানে ঠিকই এইরকম পোস্ট দিয়ে রাখছেন?? আসলে ভাই। সব সময় এমনই হয় যাদের পাওয়ার বেশি থাকে মানুষ তাদেরকেই সাপোর্ট করে বেশি।
যার আরেকটি নমুনা হল ফেক সালাফি লেকচারটি। কারণ সালাফিদের যা ইচ্ছা তা বলা যাবে কারণ ওরা এই জমিনে মাইনরিটি। কিন্তু মেজরিটিদের দিকে যদি ঐতিহাসিক ভাবে সত্য প্রশ্নও তুলে ধরা হয় তবু পোস্টের টুটি চেপে ধরা হবে।। যাতে এইরকম প্রশ্ন আর ২য় কেউ তুলতে না পারে। ভালো থাকুন আপনারা ভাই। এই ফোরাম আপনাদেরই । যেমন ইচ্ছে হয় তেমনই আচারন হবে এবং এটাই সত্য। মাইনরিটি নিয়ে যে কেউ যা ইচ্ছে বলতে পারবে কিন্তু মেজরিটির কোন ভুল হতে পারে তা প্রকাশ করা যাবে না। প্রকাশ করলেই টুটি চেপে ধরা হবে যেখানেই হোক, হোক সেটা ফোরামে বা মসজিদের মিম্বারে। সালাম। দুয়া কইরেন ভাই। বেয়াদবি হইলে মাফ চাই।

আসলে আজকে শায়খ জসিম উদ্দিন রহমানি (হাফিঃ ) কে মনে পড়ে। তিন্ি যখন তাগুতের হাতে ধরা পড়লেন তখন কথিত হক্কানিরা শুদু এই কারণেই তার কাছ থেকে দূরে ছিল যে উনি মহান, নির্ভুল, আকাবীরদের কিছু ভুল তুলে ধরেছিলেন। অবশ্য দালাল সালাফিরাও কিছু করে নি কারণ ছিল শুধুই শায়খের জিহাদ সংক্রান্ত কথা।

যাই হোক আর কিইবা বলবো অলরেডি তো কেউ কেউ বলাই শুরু করে দিয়েছে যে আমার হয়তো দেওবদিদের সাথে কোন পারসোনাল বিদ্বেষ আছে।

মেজরিটির বিপক্ষে যেই প্রশ্নও তুলবে তারই টুটি চেপে ধরা হবে। যদিও কথা সত্য হোক।
মেজরিটি জিন্দাবাদ।
মাইনরিটি মুর্দাবাদ ।
জানি না আমার এই কমেন্টের টুটি চেপে ধরা হবে কিনা।
যদি চেপে না ধরেন তবে তা হবে আপনাদের দয়া।
আর টুটি চেপে ধরলে তবে ফোরাম তো আপনাদেরই
সালাম ভাই, ভুল বললে মাফ কইররেন। ভালো থাইকেন, দুয়া চাই।
হয়তোবা টুটি চেপেই ধরা হয় কিনা...

ibn mumin
08-13-2016, 06:39 AM
وتساءل مع نفسك عن حظك من علامات العلم النافع هى
العمل به
كراهية المدح والتكبر على الخلق
تكاثر تواضعك
الهرب من حب الترأس والشهرة
هجر دعو العلم
اساءة الظن بالنفس واحسانه بالناس تنزها عن الوقوع بهم

মুরাবিত ভাই, এই ফোরাম যারা ভিজিট করে তার ৮০ ভাগের মতই জেনারেল। তাই পোস্ট গুলো বাংলায় দিলে মনে হয় ভালো হয়।

Zakaria Abdullah
08-13-2016, 11:14 AM
ইবনে মুমিন ভাই আশ্চর্য কথা বললেন! আচ্ছা তাহলে ইমাম বুখারি রহঃও তো জিহাদ করেননি! ইবনে হাজার আসকালানি, ইবনে কাসির, ইমাম যাহাবি, আল্লামা শামী, ইবনে নুজাইম সহ ফিকহ, হাদিস ও তাফসিরের অসংখ্য ইমামগণই তো জিহাদ করেননি! অথচ এঁদের অধিকাংশের যামানায় কিছু কিছু ইসলামি ভূখন্ড কাফেরদের দখলে ছিল। তাহলে কি তাদের কিতাবগুলো গ্রহণহযোগ্য হবে না?

এমনটি হলে তো শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহঃ এর মত অল্প সংখ্যক আলেমের কিতাবাদি ছাড়া ইসলামি জ্ঞানভান্ডারের সকল কিতাবই বাদ হয়ে যাবে!

ভাই! একটু চিন্তা করুন!

উল্লেখিত এ সকল ইমাম ও উলামাগণের সময় জিহাদ ফরজে আইন ছিল না। এখন ফরজে আইন।
এটা একটা বড় পার্থক্য।

banglar omor
08-13-2016, 12:48 PM
ছোট খাট বিষয়ে তর্কে জড়ানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
আমরা আমাদের আসল মাকসাদ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।
আমরা তর্ক করে যে সময় নস্ট করছি তা অন্য কোন ভাল কাজে ব্যয় করতে পারতাম।
সহীহ দাওয়াত নামক আই ডি তার কর্মে সে সফল হয়েছে।আমাদের মাঝে ঝগড়া লাগিয়ে সে আমাদেরকে এসলাহ করতে চায়।ভাইকে আমি বলব আপনি এমন হীন কাজ থেকে বিরত থাকুন।শরীয়তে এটা সম্পূর্নরূপে অবৈধ।এমন কাজকে শরীত মুনাফিকি বলে সাব্যস্ত করেছে।
সত্যিই আপনার মেধার প্রসংসা করতে হয় কিন্তু তা যদি ভাল কাজে ব্যয় হত তাহলে আমাদের উপকার হত।
আল্লাহ আপনাকে এবং আমাদের সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

salahuddin aiubi
08-13-2016, 12:54 PM
উল্লেখিত এ সকল ইমাম ও উলামাগণের সময় জিহাদ ফরজে আইন ছিল না। এখন ফরজে আইন।
এটা একটা বড় পার্থক্য।


যাকারিয়া ভাই! আমি তো বলেছি, তাদের অধিকাংশের যামানায় কিছু কিছু আঞ্চল কাফেরদের দখলে ছিল তাহলে?

আর ইবনে মুমিন ভাই! আপনি তো কট্টর্, তাহলে শুধু ফাতওয়া দেওয়াই কি যথেষ্ট? এটা বলবেননা, যে অন্তত এতটুকু তো করেছে? কারণ আপনার মাঝে তো শিথিলতা নেই।
আর একটি বিষয় হল, বর্তমান কালের আলেমরা স্পষ্ট বিরোধিতা করছে; কিন্তু কিছুকাল আগের আলেমরা, যাদেরকে অনেকে আকাবির বলে, তারা নিজেরা না করলেও বিরোধিতা করেননি। শুধু তাই নয়; তাদের ৯৯% ই সমর্থন করেছেন ও ভালবেসেছেন। তাদের কারো কারো অবস্থান এরূপ ছিল যে, জিহাদ কাম্য; কিন্তু তার কেন্দ্র মাদ্রাসা হলে তা কৌশলগতভাবে ক্ষতিকর হবে। এ মতের ক্ষেত্রে তারা বিভ্রান্তিতে ছিলেন। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে জিহাদকে তো ভালবেসেন।
এ ছিল অধিকাংশের অবস্থা, কিন্তু মনে হয়, কারো কারো মাঝে দু:খজনক সমস্যাও ছিল।

যাইহোক তাহলে ঐ সকল লোকদের মাসআলা দলীলভিত্তিক হলে এবং পূর্ববর্তী ইমামদের কিয়াসের সাথে মিললে তা গ্র্রহণ করতে কিসে বাঁধা দেয়?!

যে দলিল দিয়ে বলা সত্তে স্পষ্ট অবদানকে মানে না, (কাল্পনিক যুক্তির মাধ্যমে- প্র্রতিষ্ঠানসহ ঘন্টা বাজিয়ে যেতে হবে। অথচ বুঝমান প্রতিটি ব্যক্তি তা মানবে!) তার থেকে গোড়ামি ছাড়া কি ই বা আশা করা যায়?

Ahmad Faruq M
08-13-2016, 08:18 PM
وتساءل مع نفسك عن حظك من علامات العلم النافع هى
العمل به
كراهية المدح والتكبر على الخلق
تكاثر تواضعك
الهرب من حب الترأس والشهرة
هجر دعو العلم
اساءة الظن بالنفس واحسانه بالناس تنزها عن الوقوع بهم

মুহতারাম !
আপনার অধিকাংশ পোস্ট এ অনুবাদ বিহীন আরবী থাকে। যা আমাদের অধিকাংশ সদস্যরাই পড়তে সক্ষম নন।
তাই মেহেরবানী করে আপনার মূল্যবান সময় থেকে কিছু সময় করে হলেও অনুবাদ সহকারে উপকারি ইলমের সোহবত আমরা কামনা করি। আল্লাহ তায়ালা আপনার কাজে বারাকাহ দান করুন। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

ibn mumin
08-13-2016, 08:34 PM
আর ইবনে মুমিন ভাই! আপনি তো কট্টর্, তাহলে শুধু ফাতওয়া দেওয়াই কি যথেষ্ট? এটা বলবেননা, যে অন্তত এতটুকু তো করেছে? কারণ আপনার মাঝে তো শিথিলতা নেই।
আর একটি বিষয় হল, বর্তমান কালের আলেমরা স্পষ্ট বিরোধিতা করছে; কিন্তু কিছুকাল আগের আলেমরা, যাদেরকে অনেকে আকাবির বলে, তারা নিজেরা না করলেও বিরোধিতা করেননি। শুধু তাই নয়; তাদের ৯৯% ই সমর্থন করেছেন ও ভালবেসেছেন। তাদের কারো কারো অবস্থান এরূপ ছিল যে, জিহাদ কাম্য; কিন্তু তার কেন্দ্র মাদ্রাসা হলে তা কৌশলগতভাবে ক্ষতিকর হবে। এ মতের ক্ষেত্রে তারা বিভ্রান্তিতে ছিলেন। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে জিহাদকে তো ভালবেসেন।
এ ছিল অধিকাংশের অবস্থা, কিন্তু মনে হয়, কারো কারো মাঝে দু:খজনক সমস্যাও ছিল।

যাইহোক তাহলে ঐ সকল লোকদের মাসআলা দলীলভিত্তিক হলে এবং পূর্ববর্তী ইমামদের কিয়াসের সাথে মিললে তা গ্র্রহণ করতে কিসে বাঁধা দেয়?!

যে দলিল দিয়ে বলা সত্তে স্পষ্ট অবদানকে মানে না, (কাল্পনিক যুক্তির মাধ্যমে- প্র্রতিষ্ঠানসহ ঘন্টা বাজিয়ে যেতে হবে। অথচ বুঝমান প্রতিটি ব্যক্তি তা মানবে!) তার থেকে গোড়ামি ছাড়া কি ই বা আশা করা যায়?


জানি না কিভাবে উত্তর দিব। গত কয়েকদিন আগে একটা লেখা পড়েছিলাম যে এই দ্বীন তাত্ত্বিকতার না। আমি নামাজ সাপোর্ট করি কিন্তু নামাজ পড়ি না, আমি জিহাদ সাপোর্ট করি কিন্তু জিহাদ করি না। গুড খুব ভালো এগিয়ে যান শায়খ। চলুক...

Ahmad Faruq M
08-13-2016, 09:20 PM
লা হাওলা ওলা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
কি শুরু হল ?
আমাদের এই ফোরামে গ্যাঞ্জাম লাগানোর মূল কারিগরদের আগমন হয়েছে হটাত করে। তারা আগুন্তুকের মত এসে এমন কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলে যা খুবই অবাক করার।
১ম তো এক ব্যক্তি এসে হারবি কাফের না মারার ব্যপারে এমনভাবে কথা বলতে লাগলো যাকে দেখে মনে হচ্ছিল সে আহলে হাদিস গ্রুপের।
ঠিক কয়েক দিন পরেই ২য় আরেক ব্যক্তি এসে এমনভাবে কিছু আলেমগনের নাম উল্লেখ করলো আর এমনভাবে কথা বলা শুরু করলো যাতে মনে হচ্ছে উনারা এমন একটা প্রতিষ্টানের একনিষ্ট ভক্ত, যাদের কোন ভুল নেই।
আসলে সমস্যার সুত্রপাত এখানেই। কিছু প্রতিষ্টান সম্পর্কে অতিরিক্ত ভালোবাসাই, উম্মাহর রক্ত ক্ষরণ দেখে সেই সব প্রতিষ্টান সম্পর্কে কিছু যুবকের যৌক্তিক প্রশ্ন উত্থাপনের পরই এই ফিতনার শুরু।
তাই আমার মতে আমাদের ফোরামে জিহাদে জরিত নয় এমন ব্যক্তিদেরকে বিশেষ বিশেষণে বিশেষায়িত না করে পোস্ট করলে ভালো হয়। হোক সে মদিনার বা ভারতের যে কেউ।
কারণ উম্মাহর রক্তাক্ত দেহ দেখে যে কেউ প্রশ্ন তুলতেই পারে যাদেরকে এমন বিশেষণে বিশেষায়িত করা হচ্ছে তাদের এই রক্ত বন্ধ করায় অবদান কি?? আর এই প্রশ্ন থেকেই সকল সমস্যার শুরু হয়েছে।
তাই আমার মতে যেসব আলেম!! জিহাদে নেই, নারী এবং দুর্বলদের সাথে পিছনে বসে আছে তাদের কোন লেখা এই ফোরামে পোস্ট না করা। সে যেই স্থানের বা যে সময়েরই হোক না কেন।

প্রিয় ভাই!
এই ফোরামের মূলনীতি গুলো মেনে চলি। মতবিরোধ ও দ্বন্ধ পরিহার করি। নিজের মতের উপর অন্যের মতকে প্রাধান্য দেই।


তাই আমার মতে যেসব আলেম!! জিহাদে নেই, নারী এবং দুর্বলদের সাথে পিছনে বসে আছে তাদের কোন লেখা এই ফোরামে পোস্ট না করা। সে যেই স্থানের বা যে সময়েরই হোক না কেন।

আপনার মতটির পক্ষে কি কোন প্রমান বা যুক্তি আছে ?! "আমার মতে /আমার বুঝ" এভাবে বলতে থাকলে আখি দ্বীনের বাড়োটা বাঝবে। এই ধরনের শর্তারোপ কিভাবে করলেন ? দ্বীনের বিষয়ে কথা বলতে উলামাদের থেকে জেনে নেওয়া উচিত। দয়া করে আপনি তাঞ্জীম আল কায়েদার মুজাহিদদের মানহাজ ভালোভাবে পড়ুন। উসুল আর ফুরুয়ের মধ্যে পার্থক্য বুঝার চেষ্টা করুন।
শাইখ জসীমুদ্দীন রাহমানী (আল্লাহ তায়ালা তাকে মুক্ত করুন) তানজীম আল কায়েদার মানহাজকে সন্মান করেন ও সমর্থন করেন। যেহেতু শাইখ উনার কিছু সালাফি আসক্ত অনুসারী ও ছাত্রদের মাধ্যমে সালাফি স্ট্যান্ড এর দিকে ফিকহী বিষয়ে ঝুকে গিয়েছিলেন। তথাপি তিনি স্বীকার করতেন যে, আমাদেরকে এই জমীনে আহনাফদের মাসলাক মেনেই কাজ করা উচিত।

শাইখ বলেছিল যে, "
আমি যেহেতু একটা অবস্থান নিয়ে নিয়েছি ওপেন দায়ী হিসেবে এটা পরিবর্তন করতে গেলে অনুসারীদের মাঝে ভুল বঝাবুজি সৃষ্টি হবে। তাই আমি সালাফিদের মাঝে দাওয়াত ও জিহাদের কাজ চালিয়ে যাই আপনারা আহনাফ সমাজে উলামায়ে কেরামদের মাঝে কাজ চালিয়ে যান ইনশাআল্লাহ ।"
এটা এই অধম শাইখ এর নিকট থেকে নিজ কানে শুনা কথা।

সুতরাং শাইখের নামে কোন রটনায় আমরা কান না দেওয়াই ভালো হবে। শাইখের ভুল ত্রুটি আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দিন।
মাজহাবী ও ফুরয়ী বিষয়ে শাইখ কিছু বয়ান ও বই লিখার কারণে বিতর্কিত হয়ে পড়েন। আর একটি কথিত ইসলামী দল উনাকে আরো কালার করার জন্য "হানাফি <> সালাফি" মুনাজারা বা বাহাছ জালিয়াতি নাটকের এর ফাদে ফেলে অপপ্রচার করে আহনাফ দের মাঝে আরো বেশী কালার করেছে। এই জমানায় বিচক্ষনতা ব্যতীত জিহাদ করা কঠিন বিশেষ করে উলামাদেরকে অনেক বেশি ইলমের বাস্তব প্রয়োগ বুঝতে হবে ও বিচক্ষন হতে হবে। কারন তারা ওপেন দাওাতের ময়দানে কাজ করেন। শত্রুরা বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন তকমা লাগিয়ে কালার করার শত চেষ্টা করে হকের দাওয়াতকে বন্ধ করে দিতে সচেষ্ট।

এক কথায় নবী রাসুল ব্যতীত কোন ব্যক্তি ভুলের উর্ধে না। তাই কোন ব্যক্তির মানহাজ ও ভুলের উর্ধে না। আমরা একটা গ্লোবাল জিহাদি কাফেলা ! এখানে আমাদের একটা তানজিমী লক্ষ্য উদ্দেশ্য অ মানহাজ রয়েছে যা কোন একক ব্যক্তির বুঝের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। জিহাদী ময়দানের এমন সকলের ইলম,হিলম, অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতার আলোকে এই মানহাজ ঠিক করা হয়েছে যা আল হামদুলিল্লাহ সর্বজন স্বীকৃত তার সুফল অয়ামরা দেখতে পাচ্ছি।। আলোচনা করতে গেলে কলেবর অনেক দীর্ঘ হয়ে যাবে। শাইখ আইমান আজ যাওয়াহিরী একটা পত্র লিখেছিলেন শাইখ আবু মুঅসয়াব আজ জারকাভী রাহিঃ এর নিকট সেখানে মানহাজগত কারণে জিহাদ ও উম্মাহর ঐক্যের স্বার্থে দীনের ছোটখাট, শাখাগত মতপার্থক্য ছাড় দেওয়া উচিত। এটাই সাহাবা ও উম্মতের সালাফদের মানহাজ ছিল।উসেখানে অতীতের কিছু উলামাদের ( ইমাম নাববী ও সালাহুদ্দীন আইয়বী......) আকীদাগত ভুল ত্রুটি তুলে ধরে বলেছেন যে, তাদের এই সমস্ত কিছু ভুলত্রুটি থাকা স্বত্বেও উম্মাহ তাদের দীনের অন্যন্য বড় বড়ো খেদমত থেকে কি পড়িমান ফায়দা পেয়েছেন। কৈ তাদের নিয়েতো কেউ কোন কথা বলেন নি! তাহলে আমরা কি বঝলাম ! আমরা কি করছি ! আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সহীহ মানহাজ বুহার তৌফিক দিন। আমীন।

আপনাদের নিকট আশা রাখবো এর পর থেকে কেউ এই ধরনের মতবিরধ বা ঝগড়া ফাসাদ থেকে বিরত থাকনে ইনশাল্লাহ।
মূল কাজের ব্যপারে আপনার খেদমত উম্মাহ আশা করছে উম্মাহর রক্ত ক্ষরনের এই ক্লান্তি লগ্নে এসব ছোট খাট বিষয়ে পড়ে থাকা আমাদের সাজে না ভাই। কোন বুদ্ধিমান মুসলিম এটা করতে পার না।
শয়তান আমাদের মাঝে বিবেদের আগুন জালাতে বসে আছে এটা যেন ভুলে না যাই ।

@ঈবনে মুমিন ভাই !
মডারেটো ভাইরা অযথা কোন পোষ্ট ব্লক বা এডিট / ডিলিট করেন না, হৌক সেটা আপনার বা অন্যের।সুতরাং ফোরামের মূলনীতি অ আদব বঝায় রেখে কমেন্ট করুন তাহলে দেখবেন আপনার পোষ্ট ঠীক থাকবে ইনশাআল্লাহ। অযথা মডারেটর বা এডমি এর বিরুদ্ধে ভুলবুঝ তৈরী করা থেকে বিরত থাকুন। াবেগ তারিত হয়ে পোষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। মুনাযারা মনোভাব থেকে বিরত থাকি। আমার জানা বা বুঝ ভুল অ হতে পারে। ঞ্জেকে শুধরানোর আরো বাকি থাকতে পারে সেটা সকলেই মা্থায় রাখবো ইনশাআল্লাহ তাহলেই দেখবেন সমস্যা হচ্ছে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ভাই ভাই হয়ে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাওার তাউফিক দিন। আমীন।
আমার কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা সন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
ওয়াস সালাম

ibn mumin
08-13-2016, 09:49 PM
প্রিয় বাংলার উমর ভাই জাযাকাল্লাহ আমাকে সুন্দরভাবে উত্তর দেওয়ার জন্য।

আপনি বলেছেনঃ দেওবন্দিদের প্রতি ইবনে মুমিন ভাইয়ের অন্তরে যে অনেক ক্ষোভ তা তার পোষ্টের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।তার ক্ষোভের কারণ হয়ত এই যে দেওবন্দিরা জিহাদ বিরোধী।
আমি বলছিঃ জী এতে কোন সন্দেহ নেই । বর্তমানের অধিকাংশ দেওবন্দিরাই জিহাদের অপব্যাক্ষা কারী শুধু কিছু আলেম বাঁধ দিয়ে। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছেঃ exception not example.

আপনি বলেছেনঃ এজন্য আমি তাকে কোন দোষ দিবনা বরং তার কাছে আমি জানতে চাই আপনি কয়জন দেওবন্দির কাছে আলকায়দার জিহাদি মানহাযের দাওয়াত নিয়ে গেছেন?

আমি বলছিঃ হুম। এর কোন উত্তর দিব না। আগে যা দিয়েছিলাম তা এডিট করে প্রত্যাহার করে নিলাম।

আপনি বলেছেনঃ আপনি কথায় কথায় অন্ধ শব্দটি ব্যবহার করে কি বুঝাতে চাচ্ছেন?আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন আপনিই শুধু চাক্ষুষমান?আল্লাহকে ভয় করুন।

আমি বলছিঃ না আমি কখনোই বলি নি যে আমি চক্ষুষ্মান। আমি বিলিভ করি আমার রব আমার সামনে হক তুলে ধরেছেন। আলহামদুলিল্লাহ। আমি এই নিয়ে নিজে অহংকার করি না, শুধু আমার রবের শুকরিয়া আদায় করা ছাড়া।
আপনি বলেছেনঃ আপনার পোস্ট দেখে মনে হল আপনি মুফতি জসিম উদ্দিন রহমানীর (আল্লাহ তার মুক্তিকে তরান্নিত করুন)একজন অন্ধ ভক্ত।
কিন্তু আপনি কতটুকো জানেন এই শায়েখ সম্পর্কে?আপনি কি মনে করেন শায়েখের সব কথা গুলোই ছহীহ?
আপনার এবং আপনার মত যারা তার অন্ধ ভক্ত শুধু তাদের জ্ঞাতার্তে বলতে বাধ্য হচ্ছি তার কথার মাঝে অনেক গুলু রয়েছে।আর এই কথাটি আমার নয় বরং শায়খুল হাদীস আবু ইমরান হাফিজাহুল্লাহর।

আমি বলছিঃ আমি জানি শায়খের কিছু বিষয়ে বাড়াবাড়ি ছিল যেমন মাজহাব, তাবিজ, রাফুল ইয়াদিন। না শায়খের সকল কথাই সহিহ ছিল না, কিন্তু এই বাড়াবাড়ির কারণে তার সাথে বারা করা এটা কেমন মূর্খতা। লা হাওলা ওলা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। তাদের মুখ অন্ধকার হোক যারা ফিকহি বাড়াবাড়ির কারণে বলে যে শায়খ বন্দি হওয়াতে ভালোই হয়েছে। আর আমি তো আপনার কথায় এটাই দেখতে পাচ্ছি যে আপনি সেই হতভাগাদের মৌন সম্মতি দিচ্ছেন, যারা বলে উনার এই বন্দিত্ব ঠিকই হয়েছে। আকাবিরদের দোষ ধরছে তাই আল্লাহর গযব পরছে, টাডা পড়ছে।
আর শায়খুল হাদিস আবু ইমরান (হাফিঃ) যা বলেছেন তা সত্য, এবং তিনি শুধু এই কারণে বলেছেন যে সেটা ফিকহি বিষয় ছিল। । কিন্তু আপনার ইরাদা কি তা বুঝা যাচ্ছে না। আপনি শায়খের কথাকে এখানে আপনার মৌন সম্মতিকে জায়েজ করার জন্য তুলে এনেছেন কিনা তা চিন্তার বিষয়।
আপনি তো আমাকে বললেন যে আমার মত শায়খের অন্ধ ভক্তদের জানার জন্য বলছেন যে শায়খের কিছু গুলু ছিল । তবে এই কথা কি আপনাদের ক্ষেত্রেও খাটে না যে আপনাদের অন্ধ দেওবন্দি প্রেম দেখে কিছু কথা আমিও বলেছি!!

হে আমার ভাই, আপনি এখনো কি আমাকে শায়খের অন্ধভক্ত বলবেন? কারণ আমি তার দোষ স্বীকার করেছি। এবং কোথায় কোথায় বাড়াবাড়ি ছিল তাও বলে দিয়েছি। আপনি এখন দুটি অপরাধ করেছেন এক আমার উপর অপবাদ দিয়েছেন, মিথ্যা বলেছেন যে আমি অন্ধভক্ত। নয়তো আমার সম্পর্কে না জেনে বোকার মত ধারনা করেছেন। আমি দেওবন্দকে এই জন্য বলছি কারণ ওরা এই দেশে প্রভাবশালী। সালাফিদের প্রভাব এই জমিনে নেই বললেই চলে, তাই যাদের প্রভাব বেশি তাদের ভুল দ্বারা মানুষ বায়াস্ট হয়ও বেশি। সেই জন্যই তাদের কিছু ভুলের দিকে নজর দেওয়া কি অপরাধ হয়ে গেছে...?? সকল কিছুর একটা সীমা আছে।সীমাতরিক্ত ভালোবাসা বা বিদ্বেষ কিছুই ভালো না। সম্মানিত মোডারেটর ভাইয়েরা যদি আমার পোস্ট ডিলেট না করতেন তাহলে আবারো সবাই দেখতে পেত কে সীমাতরিক্ত বিদ্বেষ দেখাচ্ছে আর কে সীমাতরিক্ত ভালোবাসা দেখাচ্ছে। আল্লাহ তাদের মুখে মজলুমদের রক্তের ছিটা ফেলুক যারা জিহাদ বিমুখ আলেমদের ! বন্দনা দিয়ে ফোরাম গরম করে ফেলছে।
ভুলে যাবেন না আমার রবের পরিবর্তনের সুন্নাহ যে কোন প্রভাবশালীর প্রভাবকে পরোয়া করে না।

আপনি বলেছেনঃ আপনি মোডারেট ভাইদেরকে মেজরটি আর মাইনেরটি শিখাচ্ছেন?
আমি বলছিঃ জী না। সকল মোডারেটর ভাইদেরকে না। যিনি আমার পোস্ট ডিলেট করেছেন তাকে বলেছি। কারণ তিনি আমার পোস্ট এই জন্য সরিয়ে দিয়েছেন যে ওটাতে দেওবন্দিদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল কিন্তু একজনও আমার প্রশ্নগুলো যথারত উত্তর দিয়ে আমার প্রশ্ন গুলোর অসারতা তুলে ধরা তো দুরের কথা বরঞ্চ এমন সব আবেগি কান্না শুরু করলো যার ফলে অনেকেই মূল কথা থেকে সরে তাদের আবেগি কান্নায় থমকে দাঁড়ালো। আর কেউ কেউ চুপ থাকলো।

আপনি বলেছেনঃ আপনি ইতিপূর্বে একটি পোষ্টে বলেছিলেন জেনারেল গাইড সম্পর্কে আপনার ভাল ধারণা রয়েছে কিন্তু আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনার কথা মিথ্যা প্রমানিত হল।
আমি বলছিঃ এর উত্তর সময় দিবে ইংশা আল্লাহ। আল্লাহর কাছে দুয়া কইরেন যেন আমি আমাদের জেনারেল গাইড লাইন ভালো করে বুঝতে পারি। কি করবেন তো ভাই!! নাকি কোন বদদুয়া করবেন। অলরেডি তো না বুঝে আমার সম্পর্কে বদ ধারনা করে বসেই আছেন যে আমি অন্ধ শায়খ ভক্ত।

আপনি বলেছেনঃ ভারত উপমহাদেশে দেওবন্দিরা সংখ্যাগুরু আর সালাফিরা হল সংখ্যালুঘু ।এখন যদি আলকায়দা এই উপমহাদেশে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করতে চায় তাহলে তাদেরকে অবশ্যই দেওবন্দিদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে ।এখতেলাফি বিষয়গুলোকে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলতে হবে।আর এটাই হল আলকায়দার মানহায ।
আমি বলছিঃ স্যালুট জানাই ভাই আপনাকে এতক্ষণে মূল কথায় আসার জন্য। মুহতারাম ইখতিলাফি বিষয় এড়িয়ে যাওয়াই কায়দাতুল জিহাদের মানহাজ। এখন আমাদের বুঝতে হবে এখতিলাফের বিষয় কোনগুলোঃ যেমন রফুল ইয়াদিন, জোরে বা আস্তে আমিন, এক চাঁদের ঈদ। কিন্তু জিহাদ এখন ফরযে আইন না কিফায়া এই বিষয়ে শুধু তারাই এখতেলাফ করবে যাদের অন্তর সত্য দেখে না অথবা যারা নিজেরাই চোখ বন্ধ করে রেখেছে যাতে পূর্ববর্তীদের মতের উপর আমল হয়, যার ভিত্তি হল জিহাদ করলে আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে।
নোটঃ ভাই অনেক কথা হল । কেউ যদি কিছু বুঝতে চায় তাহলে সে বুঝে নিবে।যাই হোক সকল অভিযোগ আল্লাহর কাছে।
প্রিয় ভাই আমার মনোভাব আপনাদের মাঝে চলে আসুক সেই জন্য আমি কমেন্ট বা পোস্ট দেই নি। আপনি অন্ধ দেওবন্দি হন বা সালাফি হন এটা আপনার ব্যাপার। শুধু কিছু ভাইয়ের মারাত্মক আকাবির প্রীতি দেখে কিছু প্রশ্ন তুলেছিলাম। যদি তাদের দ্বারা অন্ধ শায়খ প্রীতি দেখা যেত তবে আমার এই লেখায় তাদের হাই লাইট করতাম। কিন্তু আফসোস। এই কথা বারবার চিৎকার করে বলার পরেও আপনাদের মত জ্ঞানী মানুষেরা বারবার আমাকে বলেই যাচ্ছেন যে, আমি দেওবন্দের অন্ধ বিরোধী/ বিদ্বেষী।

Ahmad Faruq M
08-13-2016, 10:32 PM
জাযাকাল্লাহ ভাই, প্রিয় ভাই, আমার কথা ব্যাপক অর্থে ছিল। জি তাদের সময় ভুখন্ড কুফফাআরদের দখলে থাকলেও তাদের মাঝে জিহাদ বিমুখতা দেখা যায় নি। এমন কি আপনি যদি ইতিহাস ঘাঁটেন তবে দেখতে পাবেন যে ইমাম গাজ্জালি (রাহিঃ) এর কাছে আন্দালুস থেকে ততকালীন উমাইয়া আমীর জিহাদের বিধান জানতে চেয়েছিলেন। তিনি তখন ফতোয়া দিয়েছিলেন আন্দালুসে ফরযে আঈন। আসলে আমি বুঝাতে চেয়েছিলাম যে একে তো যারা জিহাদ করে নি আর সাথে সাথে জিহাদের পক্ষে কোন ফতোয়াও দেয় নি। যেমনটা এখন করে থাকেন আমাদের কথিত হক্কানি আর সহীহরা।

সম্মানিত মোডারেটর ভাই, আপনাদের একটা কাজে খুবই কষ্ট পেলাম একবার বলেন এটা ওপেন ফোরাম তাই সবাই পোস্ট করতে পারবে। কিন্তু ে কেমন দ্বিমুখী কথা। আপনারা আমার পোস্ট অন্ধ দেওবন্দি বা সালাফিবাদ এটা ডিলেট করে দিলেন...
এটা কি এই কারণেই যে এই পোস্টের কারণে কিছু অন্ধভক্তের গাত্র দাহন শুরু হয়ে যায়>???পক্ষান্তরে এইখানে ঠিকই এইরকম পোস্ট দিয়ে রাখছেন?? আসলে ভাই। সব সময় এমনই হয় যাদের পাওয়ার বেশি থাকে মানুষ তাদেরকেই সাপোর্ট করে বেশি।
যার আরেকটি নমুনা হল ফেক সালাফি লেকচারটি। কারণ সালাফিদের যা ইচ্ছা তা বলা যাবে কারণ ওরা এই জমিনে মাইনরিটি। কিন্তু মেজরিটিদের দিকে যদি ঐতিহাসিক ভাবে সত্য প্রশ্নও তুলে ধরা হয় তবু পোস্টের টুটি চেপে ধরা হবে।। যাতে এইরকম প্রশ্ন আর ২য় কেউ তুলতে না পারে। ভালো থাকুন আপনারা ভাই। এই ফোরাম আপনাদেরই । যেমন ইচ্ছে হয় তেমনই আচারন হবে এবং এটাই সত্য। মাইনরিটি নিয়ে যে কেউ যা ইচ্ছে বলতে পারবে কিন্তু মেজরিটির কোন ভুল হতে পারে তা প্রকাশ করা যাবে না। প্রকাশ করলেই টুটি চেপে ধরা হবে যেখানেই হোক, হোক সেটা ফোরামে বা মসজিদের মিম্বারে। সালাম। দুয়া কইরেন ভাই। বেয়াদবি হইলে মাফ চাই।

আসলে আজকে শায়খ জসিম উদ্দিন রহমানি (হাফিঃ ) কে মনে পড়ে। তিন্ি যখন তাগুতের হাতে ধরা পড়লেন তখন কথিত হক্কানিরা শুদু এই কারণেই তার কাছ থেকে দূরে ছিল যে উনি মহান, নির্ভুল, আকাবীরদের কিছু ভুল তুলে ধরেছিলেন। অবশ্য দালাল সালাফিরাও কিছু করে নি কারণ ছিল শুধুই শায়খের জিহাদ সংক্রান্ত কথা।

যাই হোক আর কিইবা বলবো অলরেডি তো কেউ কেউ বলাই শুরু করে দিয়েছে যে আমার হয়তো দেওবদিদের সাথে কোন পারসোনাল বিদ্বেষ আছে।

মেজরিটির বিপক্ষে যেই প্রশ্নও তুলবে তারই টুটি চেপে ধরা হবে। যদিও কথা সত্য হোক।
মেজরিটি জিন্দাবাদ।
মাইনরিটি মুর্দাবাদ ।
জানি না আমার এই কমেন্টের টুটি চেপে ধরা হবে কিনা।
যদি চেপে না ধরেন তবে তা হবে আপনাদের দয়া।
আর টুটি চেপে ধরলে তবে ফোরাম তো আপনাদেরই
সালাম ভাই, ভুল বললে মাফ কইররেন। ভালো থাইকেন, দুয়া চাই।
হয়তোবা টুটি চেপেই ধরা হয় কিনা...


প্রিয় ভাই,
উপরের কথা গুলো মনে হচ্ছে খুব রাগ আর ক্ষোভের সাথে লিখেছেন !
আপনি আমাদের কথাই বুঝতে পারেন নি তাহলে।
এই ফোরাম সবার জন্যে উন্মোক্ত মানে এই না যে, মূলনীতি ও নীতিমালার বাহিরে গিয়ে এখানে যে যা খুশি বলে বেড়াবে আর ফিতনা ছড়াবে আমরা চুপ করে সেটা দেখবো।তাহলে আর মডারেটর রাখার কি দরকার আছে ? ! মডারেটরদের কাজ কি !
"সবার জন্য উন্মোক্ত" মানে হচ্ছে এখানে সবাই আসবে ঐক্যের জন্য, বিবেদ সৃষ্টি করতে নয়। এখানে আসবে দ্বীনের মূল বিষয় ইলল ও আমল শিখতে শিখাতে,ইজতেহাদ ও মাজহাবগত দন্ধে জড়াতে নয় ; এখানে আসবে মুজাহিদ ও জিহাদের মানহাজ শিখতে ও মেনে চলতে ; ফিতনা করতে নয়। আপনি এটা বুঝতে ভুল করছেন আখি।

কি কারণে বা কি আচরনের কারণে মডারেটোর ভাইগণ আপনার পোষ্ট ডিলিট করেছেন তা আগে ফিকির করে দেখুন আখি।
আমার বিশ্বাস উনারা পক্ষপাতি করেন না। মুলনীতির বিরুদ্ধে গেলেই হস্তক্ষেপ করা উনাদের দায়ীত্ব।

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ {وَإِذَا قُلْتُمْ فَاعْدِلُوا}

আর যখন কথা বলবে তখন আদল ইনসাফের সাথে বলবে। (সূরা আল আনয়াম ১৫২)





সন্মানিত লোকদের সন্মান রেখে কথা বলা সুন্নাতের অংশ।
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (أنزلوا الناس منازلهم) رواه أبو داود في سننه

রাসুল সাঃ বলেনঃ মানুষের সাথে তাদের মর্যাদার লেভেল অনুযায়ী আচরণ কর। (আবু দাউদ)

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (( مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يُؤْذِ جَارَهُ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ )) أخرجه البخاري ومسلم

রাসূল সাঃ বলেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ অ আখেরাতের দিবসের প্রতি ইমাম রাখে .........তার উচিত হয় ভালো কথা বলবে নয়তো চুপ থাকবে।(বুখারী ও মুসলিম)

আপনি রীতিমত অনেক ইলজাম (আপবাদ) দিয়ে যাচ্ছেন মডারেটোর ভাইদেরকে। আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন।
আখি! কথার লাগাম টেনে ধরুন, না হলে এটা আপনার বিরুদ্ধে হুজত হয়ে যাবে একদিন আখি। আল্লাহ তায়ালা আমাদের কলমের কালিকে উপকারি কাজে ব্যায় করার তাইফিক দিন।

اللهم أصلح ذات بيننا ولا تجعل قلوبنا غلا لأحد.

رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلًّا لِلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنَا إِنَّكَ رَءُوفٌ رَحِيمٌ

শাইখ জসীমুদ্দীন রাহমানী (আল্লাহ তায়ালা তাকে মুক্ত করুন) তানজীম আল কায়েদার মানহাজকে সন্মান করেন ও সমর্থন করেন। যেহেতু শাইখ উনার কিছু সালাফি আসক্ত অনুসারী ও ছাত্রদের মাধ্যমে সালাফি স্ট্যান্ড এর দিকে ফিকহী বিষয়ে ঝুকে গিয়েছিলেন। তথাপি তিনি স্বীকার করতেন যে, আমাদেরকে এই জমীনে আহনাফদের মাসলাক মেনেই কাজ করা উচিত।

শাইখ বলেছিল যে, "
আমি যেহেতু একটা অবস্থান নিয়ে নিয়েছি ওপেন দায়ী হিসেবে এটা পরিবর্তন করতে গেলে অনুসারীদের মাঝে ভুল বঝাবুজি সৃষ্টি হবে। তাই আমি সালাফিদের মাঝে দাওয়াত ও জিহাদের কাজ চালিয়ে যাই আপনারা আহনাফ সমাজে উলামায়ে কেরামদের মাঝে কাজ চালিয়ে যান ইনশাআল্লাহ ।"

এটা এই অধম শাইখ এর নিকট থেকে নিজ কানে শুনা কথা।

সুতরাং শাইখের নামে কোন রটনায় আমরা কান না দেওয়াই ভালো হবে। শাইখের ভুল ত্রুটি আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দিন।

মাজহাবী ও ফুরয়ী বিষয়ে শাইখ কিছু বয়ান ও বই লিখার কারণে বিতর্কিত হয়ে পড়েন। যেটা করা উচিত ছিল না। আর একটি কথিত ইসলামী দল উনাকে আরো কালার করার জন্য "হানাফি <> সালাফি" মুনাজারা বা বাহাছ জালিয়াতি নাটকের এর ফাদে ফেলে অপপ্রচার করে আহনাফ দের মাঝে আরো বেশী কালার করেছে। এই জমানায় বিচক্ষনতা ব্যতীত জিহাদ করা কঠিন। বিশেষ করে উলামাদেরকে অনেক বেশি ইলমের বাস্তব প্রয়োগ বুঝতে হবে ও বিচক্ষন হতে হবে। কারন তারা ওপেন দাওাতের ময়দানে কাজ করেন। শত্রুরা বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন তকমা লাগিয়ে কালার করার শত চেষ্টা করে হকের দাওয়াতকে বন্ধ করে দিতে চায়।

এক কথায় নবী রাসুল ব্যতীত কোন ব্যক্তি ভুলের উর্ধে না। তাই কোন ব্যক্তির মানহাজ ও ভুলের উর্ধে না। আমরা একটা গ্লোবাল জিহাদি কাফেলা ! এখানে আমাদের একটা তানজিমী লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও মানহাজ রয়েছে যা কোন একক ব্যক্তির বুঝের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। জিহাদী ময়দানের এমন সকলের ইলম,হিলম, অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতার আলোকে এই মানহাজ ঠিক করা হয়েছে যা আল হামদুলিল্লাহ সর্বজন স্বীকৃত তার সুফল অয়ামরা দেখতে পাচ্ছি।। আলোচনা করতে গেলে কলেবর অনেক দীর্ঘ হয়ে যাবে।
শাইখ আইমান আজ যাওয়াহিরী একটা পত্র লিখেছিলেন শাইখ আবু মুঅসয়াব আজ জারকাভী রাহিঃ এর নিকট সেখানে মানহাজগত কারণে জিহাদ ও উম্মাহর ঐক্যের স্বার্থে দীনের ছোটখাট, শাখাগত মতপার্থক্য ছাড় দেওয়া উচিত। এটাই সাহাবা ও উম্মতের সালাফদের মানহাজ ছিল।উসেখানে অতীতের কিছু উলামাদের ( ইমাম নাববী ও সালাহুদ্দীন আইয়বী......) আকীদাগত ভুল ত্রুটি তুলে ধরে বলেছেন যে, তাদের এই সমস্ত কিছু ভুলত্রুটি থাকা স্বত্বেও উম্মাহ তাদের দীনের অন্যন্য বড় বড়ো খেদমত থেকে কি পড়িমান ফায়দা পেয়েছেন। কৈ তাদের নিয়েতো কেউ কোন কথা বলেন নি! তাহলে আমরা কি বঝলাম ! আমরা কি করছি ! আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সহীহ মানহাজ বুহার তৌফিক দিন। আমীন।

আপনাদের নিকট আশা রাখবো এর পর থেকে কেউ এই ধরনের মতবিরধ বা ঝগড়া ফাসাদ থেকে বিরত থাকনে ইনশাল্লাহ।
মূল কাজের ব্যপারে আপনার খেদমত উম্মাহ আশা করছে উম্মাহর রক্ত ক্ষরনের এই ক্রান্তি লগ্নে এসব ছোট খাট বিষয়ে পড়ে থাকা আমাদের সাজে না ভাই। কোন বুদ্ধিমান মুসলিম এটা করতে পার না।
শয়তান আমাদের মাঝে বিবেদের আগুন জালাতে বসে আছে এটা যেন ভুলে না যাই ।

@ঈবনে মুমিন ভাই !
মডারেটো ভাইরা অযথা কোন পোষ্ট ব্লক বা এডিট / ডিলিট করেন না, হৌক সেটা আপনার বা অন্যের।সুতরাং ফোরামের মূলনীতি অ আদব বঝায় রেখে কমেন্ট করুন তাহলে দেখবেন আপনার পোষ্ট ঠীক থাকবে ইনশাআল্লাহ। অযথা মডারেটর বা এডমি এর বিরুদ্ধে ভুলবুঝ তৈরী করা থেকে বিরত থাকুন। াবেগ তারিত হয়ে পোষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। মুনাযারা মনোভাব থেকে বিরত থাকি। আমার জানা বা বুঝ ভুল অ হতে পারে। ঞ্জেকে শুধরানোর আরো বাকি থাকতে পারে সেটা সকলেই মা্থায় রাখবো ইনশাআল্লাহ তাহলেই দেখবেন সমস্যা হচ্ছে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ভাই ভাই হয়ে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাওার তাউফিক দিন। আমীন।
আমার কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা সন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
ওয়াস সালাম

ibn mumin
08-13-2016, 11:07 PM
জী ভাই দুয়া কইরেন। সব দোষ আমারই ছিল। আমিই দোষী। থাক আর কিছু বলবো না। সুখে থাকি সীমাতরিক্ত ভালোবাসা নিয়ে।
সালাম।

banglar omor
08-13-2016, 11:11 PM
Ustad Ahmad Faruq
দায়িত্বশীলদের কাছে আমরা এরকম দায়িত্বশীল পোস্টই কামনা করি
জাজাকুমুল্লাহ

umar mukhtar
08-13-2016, 11:14 PM
Ustad Ahmad Faruq
দায়িত্বশীলদের কাছে আমরা এরকম দায়িত্বশীল পোস্টই কামনা করি
জাজাকুমুল্লাহ

জাজাকুমুল্লাহ

Zakaria Abdullah
08-14-2016, 11:14 AM
আমার মনে হচ্ছেঃ ইবনে মুমিন ভাইকে কিছু ভাই ভুল বুঝতেছেন। উনিতো এটা বলতেছেন না যেঃ

- এদেশে আহনাফ মাসলাক্ব না নিয়ে, সালাফী মাসলাক্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। কিংবা আহলে হাদিস / সালাফী মাসলাক্ব উত্তম।
- উনি এটাও বলতেছেন না যে, ফুরুয়ী ব্যাপারে আল-কায়েদার মানহাজ ঠিক নেই। বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ মুসলিমের অনুসৃত মাসলাক্ব অনুসরণ করা যাবে না।

তাই, উনার ব্যাপারে আলোচনায় ফিকহি ব্যাপারে ইখতেলাফ, শাইখ জসীম উদ্দিন রাহমানী এর মানহাজ কিংবা আফগান জিহাদের ক্ষেত্রে আব্দুল্লাহ আজ্জাম (রঃ) ক্বওল তুলে দেয়ার যৌক্তিকতা দেখছি না।

উনার নিজস্ব যে পোষ্ট ছিল, সেটা খুব পরিষ্কার ছিল।


যেভাবে অন্ধ সালাফীবাদ ঠিক না, ঠিক সেভাবে অন্ধ দেওবন্দীবাদও ঠিক না। ঠিক যেভাবে সালাফী আহলে হাদিসদের জিহাদবিরোধীদেরকে পরিত্যাগ করা উচিত, ঠিক তেমনি দেওবন্দের জিহাদ-বিরোধীদেরকে পরিত্যাগ করা উচিত। এই দেওবন্দ থেকে মোল্লা উমর (রঃ)ও এসেছেন, আর শাহবাগী ফরিদউদ্দিন মাসউদ গং রাও এসেছে।

এটা তো খুবই পরিষ্কার একটা কথা ছিল। কিন্তু কেন জানি কিছু কিছু ভাই, ব্যাপারটাকে অনেক গুলিয়ে ফেলেছেন এবং উনার এই কথার মধ্যে শুধু 'দেওবন্দী মাসলাক্ব' এর দোষ ধরা হয়েছে বলে মনে করছেন। কেউ কেউ এই রকম কথাও বলেছেন, 'আপনি শুধু দেওবন্দীদেরকে জিহাদ বিরোধী মনে করেন, আর বাকী সবাইকে জিহাদী মনে করেন' - ধরনের কিছু কথা।


অধিকাংশ কমেন্টকারী উনার বিরোধিতা করায়, মনে হচ্ছে মডারেটর ভাইও উনাকে একটু নসীহাহ দেয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সবগুলো কমেন্ট পড়ে মনে হয়েছে, উনার পাশাপাশি উনার বিরোধিতা যারা করেছেন, তারাও নসীহাহ পাবার বেশী উপযুক্ত। আল্লাহু আ'লাম।

ইবনে মুমিন ভাইকে বলবোঃ আপনি মন খারাপ করবেন না। আপনার কথাটা হয়তো অনেকে বুঝতে পারে নি। কিংবা ভুল বুঝেছে। তাতে কি হয়েছে? সকল কথা কি সবাইকে বুঝানো যায়? আপনি আপনার কাজ চালিয়ে যান ইনশাআল্লাহ।

আমরা তো আল্লাহর জন্য কাজ করি। কোন মানুষকে খুশী করা কিংবা কেউ নারাজ হলে আমাদের কিছু যায় আসে না। আপনার কোন সত্য কথার কারণে কোন কোন মেম্বার কষ্ট পেলে কিছু করার নাই, কোন কোন মডারেটর ভুল বুঝলেও কিছু করার নাই। চলতে থাকেন ইনশাআল্লাহ।

এই ফোরামই তো দুনিয়াতে কামিয়াবীর মাপকাঠি না। বাস্তবে কে কতটুকু কাজ ফি সাবিলিল্লাহ করতেছে, সেটাই আসল। হয়তো এই ফোরামে কেউ অনেক বড়, আমরা জানি না আল্লাহর চোখে তিনি ছোট নাকি বড়। হয়তো এই ফোরামে কেউ অনেক ছোট, তার কথাকে ফোরামে গুরুত্ব দেয়া হয় না, কিন্তু হয়তো তিনি আল্লাহর চোখে অনেক বড়।

ফি আমানিল্লাহ।

banglar omor
08-14-2016, 01:48 PM
ছোট খাট বিষয়ে তর্কে জড়ানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
আমরা আমাদের আসল মাকসাদ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি।
আমরা তর্ক করে যে সময় নস্ট করছি তা অন্য কোন ভাল কাজে ব্যয় করতে পারতাম।
সহীহ দাওয়াত নামক আই ডি তার কর্মে সে সফল হয়েছে।আমাদের মাঝে ঝগড়া লাগিয়ে সে আমাদেরকে এসলাহ করতে চায়।ভাইকে আমি বলব আপনি এমন হীন কাজ থেকে বিরত থাকুন।শরীয়তে এটা সম্পূর্নরূপে অবৈধ।এমন কাজকে শরীত মুনাফিকি বলে সাব্যস্ত করেছে।
সত্যিই আপনার মেধার প্রসংসা করতে হয় কিন্তু তা যদি ভাল কাজে ব্যয় হত তাহলে আমাদের উপকার হত।
আল্লাহ আপনাকে এবং আমাদের সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

Abu Khubaib
08-14-2016, 02:15 PM
@ইবনে মুমিন ভাই - আপনি হতাশ হবেন না ভাই।

--
দিনশেষে কিন্তু ঢালাওভাবে দেওবন্দি ও সালাফিদের অন্ধপ্রীতিই সামনে চলে আসলো। ইবনে মুমিন ভাই দেওবন্দ ও সালাফি মতবাদের অন্ধ অনুসরণের বিরোধিতা করেছেন যদিও তা কারো জন্য অতিরিক্ত সরাসরি মনে হতে পারে।

অথচ, শায়খ থানভি (রহ)'র ফতোয়া আছে যে ইংরেজ অধ্যুষিত ভারতিয় উপমহাদেশ দারুল আমান। পড়ূন, কামালাতে আশরাফিয়া।
শায়খ থানভি (রহ) আরও লিখেছেন, জিহাদের ফরজিয়াত আদায়ের জন্য নিয়ত করাই যথেষ্ট। পড়ূন- প্রাগুক্ত।

অবশ্যই শায়খ থানভি (রহ) আমাদের কাছে সম্মানের পাত্র। হতে পারে কিছু বুঝের মিস-আন্ডারস্ট্যন্ডীং। আমরা উত্তম ধারণাই করি। তবে উনাদের ভুল নিয়ে আলোচনা এবং শিক্ষাগ্রহণ আমাদের জন্য জরুরী।

এটা কীভাবে সম্ভব যে, দেওবন্দি আকাবির/আলেমদের এধরণের ভুল বক্তব্যের সমালোচনা করার সাথে সাথে আমরা জিহাদের জন্য উলামায়ে দেওবন্দের অবদান আলোচনা করে শুরু করে দেই!! আল্লাহু আকবার!

আর কিছু ভাই যত কথাই বলুক না কেন। ২০১৬ সালে দেওবন্দ বলতে দারুল উলুম দেওবন্দের ১৮৫৭ সালের অবস্থা বোঝায় কী?

বর্তমানের দেওবন্দ বলতে মাহমুদ মাদানি, কাশেম নোমানি, ফরিদ উদ্দিন মাস'উদ দেরকেই বোঝায়। আপনারা এটাকে যতভাবেই তাউইয়িল করার চেস্টা করেন না কেন।

এবং এজন্যই বর্তমানে ব্যাপকার্থে "দেওবন্দ একটি বাতিল ফিরক্কা" বলা হলে বাড়াবাড়ি হবে না। জামিয়া আজহারই যদি এখন বাতিল বলে গণ্য হয়। তাহলে আজহারুল হিন্দ কি করে সমালোচনার ঊর্ধ্বে চলে যাবে!!??

আর আজ পর্যন্ত! টিটিপি কিংবা তালেবানের মুজাহিদিনে কেরাম কী আমাদের মত এতবার ''দেওবন্দ দেওবন্দ'' করে মুখের ফেনা তুলেছেন?

আমরা উলামায়ে দেওবন্দের আদর্শকে ভালোবাসি। কিন্তু দেওবন্দকে ইটসেলফ হাক্কের চিরাচরিত মানদন্ড বানিয়ে নেয়ার পক্ষপাতি নই।

তাই শায়খ আবু ফিরাস আস সুরি (রহ) যা বলেছেন, "হাক্ক হাক্কের জায়গায়। সম্মান সম্মানের জায়গায়।"

*ইবনে মুমিন ভাই! ইমাম গাজ্জালি (রহ) উমাইয়াদের অনেক পরের আলেম। উনার তো ঐসময়ে ফতোয়া দেয়ার কথা না। ওয়াল্লাহু আ'লাম।

stranger
08-14-2016, 02:39 PM
vai kindly apnar help mail ta chek koren. je mail diye apni vai der sahajjo koren..

CallOfDuty
08-14-2016, 03:01 PM
@ইবনে মুমিন ভাইকে বলবো-
প্রিয় ভাই কিছু বিষয় আছে যা অন্তরে চেপে রাখতে হয় বলতে হয়না।
উপরে উল্লেখিত আলেমদের কাছে আমরা অনেক কিছুই চাই কিন্তু না পেয়ে আফসোস করা ছাড়া উপায় থাকে না।
আসলে এটা সালাফি কিংবা দেওবন্দি বিষয় না। ঐ সমস্ত আলেমরা অন্যান্য দিক দিয়ে দ্বীনের অনেক খেদমত ও সাধারন মুসলিমদের কাছে উনাদের অনেক গ্রহন যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা হওয়ার কারনেই তাদের কাছে আমাদের এই চাওয়া । ( "এটা সালাফি আলেম বিন বাযই (রঃ) বলেন আর দেওবন্দি আলেম মুহাম্মদ সফি (রঃ) ই বলেন না কেন" )
এ ব্যাপারে মাওলানা আসেম উমার (হাঃ) ইসলাম ও গনতন্ত্র বইয়ের শুরুতে যে রকম আফসোস করেছে তাই যথেষ্ট।
সুতরাং এই সব বিষয়ে কথা না বলে চুপ থাকাই শ্রেয়। কারন শয়তান এক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে বিভেদ ছড়ানোর সুযোগ পেয়ে যাবে।
ওয়াস'সালাম ।

সহীহ দাওয়াত
08-15-2016, 01:23 AM
১. আমরা অনেক সময় সহজভাবে অনেক কিছু শিখতে চাই না, ঠেকায় পড়ে শিখি। সুতরাং কেউ যদি শিখতে না চায়, তবে তার ভালোর জন্য তাকে কৃত্রিম ঠেকায় ফেলা উচিৎ।

২. আল কায়েদার মানহাজ স্পষ্ট ইখতেলাফী বিষয়য়ে কোন বাত-চিত হবে না। একদম চুপ। পুরো বিষয় ব্যাক্তিগর পর্যায়ে হবে।

৩. আছারি এবং আশারী আকীদার ইখতেলাফ উসুলি, ফুরুয়ী নয়। সুতরাং, বোঝা গেল - যেকোন ধরণের ইখতেলাফ উসুলি হোক কিংবা ফুরুয়ী, আমাদের চুপ থাকতে হবে।

৪. এই ফোরাম থেকেই শুরু হোক। ইনশাআল্লাহ কিতাল শুরু হলে ফল পাওয়া যাবে।

ক) কোন ধরণের ফিকহ এখানে প্রচার করব না। নো হানাফী ফিকহ, নো সালাফী ফিকহ। কেবল মাত্র মুত্তাফাক আলাইহি এবং মুজমা আলাইহি ফিকহই এখানে স্থান পাবে।

খ) এমন কোন ব্যাক্তি যিনি এক মাসলাকের কাছে পরম শ্রদ্ধেয় কিন্তু অন্য মাসলাকে সমালোচিত। এমন ব্যাক্তির প্রশংসা, নিন্দা কোনটাই আমরা এখানে করব না। সুতরাং, বিতর্কিত ব্যাক্তি যেমন আল্লামা আলবানী কিংবা হাকীমুল উম্মত থানভী কারও সমালোচনা এখানে হবে না। তাদের যদি জিহাদ এবং হাকিমিয়্যাহ আকীদা সংক্রান্ত ইরজাই বক্তব্য থাকে, তবে তাদের নাম উল্লেখ না করে, এগুলো খণ্ডন করব।

৩. জামাতবদ্ধ সাথীভাই দের ফিকহি-ইতেকাদি মতপার্থক্যের ক্ষেত্রে করনীয় শিক্ষা দিব।

আশা করি, এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আর কোন সমস্যা হবে না।

ভাই, আমাকে কেউ আপনাদের শত্রু ভাববেন না, আপনাদের মাঝেই যে কতগুলো গোড়া লুকিয়েছিল, সেটা বেড়িয়ে আসা কী উত্তম হয় নি? নিশচয়ি আমরা ভুল থেকে শিখি, এটা থেকেও শিখব ইনশাআল্লাহ।

omar bin Abdurrahman
08-15-2016, 10:33 AM
So sad😞😞😞😞😞😞😞😞😞😞😞😞😞😞😞😞😞😞

ibn mumin
08-15-2016, 11:34 AM
*ইবনে মুমিন ভাই! ইমাম গাজ্জালি (রহ) উমাইয়াদের অনেক পরের আলেম। উনার তো ঐসময়ে ফতোয়া দেয়ার কথা না। ওয়াল্লাহু আ'লাম।

ভাই আমি কিন্তু বলেছি আন্দালুসের উমাইয়া আমির। বলি নি মুসলিম খলিফা। কারণ উমাইয়াদের খিলাফত শেষ হয়ে যায় খুবই দ্রুত কিন্তু আন্দালুসে তাদের ইমারন টিকে থাকে প্রায় ১৪০০-১৫০০ খ্রিঃ পর্যন্ত । আর ইমাম গাজ্জালি (রাহিঃ) ১০০০ খ্রিঃ এর কিছু পড়ের সময়কার এবং সালাহ উদ্দিন আইয়ুবি (রাহিঃ) এর একদম সমসাময়িক। তাই আমি যা বলেছি তা সম্ভব :)
কারণ ১০০০ খ্রিঃ সময়ে আন্দালুসে উমাইয়াদের শাসন ব্যবস্থা অনেক শক্ত ছিল। এক কথায় তারা প্রতাপের সাথে ইসলামি ইমারা পরিচালনা করছিলেন। আপনি উমাইয়াদের সম্পর্কে খুব ভালো জানতে পারবেন ইসলামের ইতিহাস নামক একটি ইতিহাসের বই থেকে... এটা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের।
লেখকের নামটা মনে পড়ছে না। তবে একজন আলেমের লিখা।

ইফতি হাসান
08-19-2016, 08:41 PM
সন্মানিত ভাই গণ!
কারো ভালোলাগা না লাগার উপর ভিত্তি করে আমরা পোষ্ট দেই না। আমরা একটা উত্তম মাকসাদেই পোষ্ট দিয়ে থাকি। আমাদের দেশের অনেক কুরবানী করনে ওয়ালা ভাই সালাফী স্ট্যান্ড থেকে জিহাদের পথে এসেছেন । বা এই সংক্রান্ত মাসয়ালা গুলোর দলীল না জানা থাকার কারণে অনেক সময় না জেনেই প্রতিপক্ষকে ভুল বুঝে থাকেন। তাই আমার মাকসাদ ছিল স্রেফ আহনাফ ভাইদের দলীল এইসমর্কিত দলীল গুলো জানানো। ঈদের আগ মুহুর্তে এই পোষ্ট টা আমি এই উদ্দেশ্যেই দিয়েছিলাম।
আমি জায়েজ বলেই দলীল উল্লেখ করেছি এর বেশি কিছু নয়। আমার মাকসাদ একে অপ্রকে জানা জানানোর ভিত্তিতে পরস্পর সহবস্থান । ভুল বঝাবুঝির অবসান। কারন আমি নিজেও এর ভুক্তভূগী ।


আমরাও এখন এগুলো নিয়া মাতামাতি শুরু কইরা দিছি,,,,, তাহলে খেলাফার জন্য কে লড়বে???