Announcement

Collapse
No announcement yet.

বাবুনগরী রাসূল (সাঃ)এর অবমাননাকারীদের হত্যাকে সন্ত্রাস বলেছেন !এ ব্যাপারে আপনাদের কি

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • বাবুনগরী রাসূল (সাঃ)এর অবমাননাকারীদের হত্যাকে সন্ত্রাস বলেছেন !এ ব্যাপারে আপনাদের কি

    প্রশ্ন# সম্প্রতি বাবুনগরী সাহেব রাসূলুল্লাহর ﷺ অবমাননাকারীদের গুপ্তহত্যাকে সন্ত্রাস হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আপনারা সঠিক হলে এরকম একজন শ্রদ্ধেয় আলিম আপনাদের বিরোধিতা করছে? এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি?
    .
    .
    #উত্তর – আলিমগণ নবীদের ওয়ারিশ। একারনে আলিমদের সম্মান প্রাপ্র্য। এছাড়া বয়সে প্রবীন ব্যক্তিদের সম্মান করাও শারীয়াহর নিয়ম। আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী একজন বর্ষীয়ান আলিম হিসেবে এ দুই অর্থেই সম্মানের পাত্র।
    .
    তবে আলিমদের সম্মানের ক্ষেত্রে আমাদের একটি বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। আর তা হল আলিমদের সম্মানের বিষয়টা কিসের সাথে সম্পর্কিত। আলিমদের ব্যক্তি পরিচয়ের কারনে আমরা তাদের সম্মান করি না। কোন আলিম কোন অঞ্চলের অধিবাসি, কোন শিক্ষাকেন্দ্রে তিনি পড়েছেন – এসবের উপর ভিত্তি করেও আলিমদের সম্মান করা হয় না।
    .
    আলিমদের সম্মান করা হয় নবীদের ওয়ারিশ হবার কারনে। আর নবীদের ওয়ারিশ হবার অর্থ নবীদের দায়িত্ব পালন করা। হক্বকে সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণনা করা আর বাতিলকে চিনিয়ে দেওয়া - ত্বাগুতকে অবিশ্বাস এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস নিজে করা এবং এর দিকে আহবান করা নববী দাওয়াতের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন -
    .
    আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। [আন-নাহল, ৩৬]
    .
    সুতরাং আলিমদের প্রতি সম্মানে বিষয়টি বংশীয় পরিচয়ের মতো কোন বিষয় না যা জন্মসূত্রে বা সার্টিফিকেটের মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব। এবং এ বিষয়টি এমন কিছু না যা একবার আপনি অর্জন করলে তা ক্বিয়ামত পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকবে। বরং এটি এমন একটি বিষয় যা কাজের সাথে সম্পর্কিত। আলিমদের সম্মানের বিষয়টি কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণের সাথে সম্পর্কিত।
    .
    যতোক্ষন একজন আলিম কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ করবেন ততোক্ষন তাকে সম্মান করা হবে। যতোক্ষন একজন আলিম নববী দাওয়াতের দায়িত্ব পালন করবেন ততোক্ষন তাকে নবীর ওয়ারিশ গন্য করা হবে। কিন্তু যদি কোন সম্মানিত আলিমও কুরআন ও সুন্নাহ বিরোধী কোন বক্তব্য দেন, তখন তাকে বর্জন করতে হবে। আলিমগণ কুরআন ও সুন্নাহ থেকে প্রাপ্ত ইলমের ধারক ও বাহক হবার কারনেই তাদের সম্মান করা হয়। অতএব তারা যদি কুরআন ও সুন্নাহর বিরোধিতা করেন তবে তাদের অনুসরণ করা হবে না। কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ করা হবে।
    .
    আর এটা অবাক হবার মতো কোন বিষয় না। বরং এরকম উদাহরণ ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই বিদ্যমান। আল্লাহ রাসূল ﷺ এর মিরাজের ঘটনার পর শুরুর দিকে ইসলাম গ্রহণ করা বেশ কিছু লোক মুরতাদ হয়ে যায়। অর্থাৎ এক পর্যায়ে এরা সাহাবা ছিল। কিন্তু রাসূলুল্লাহর ﷺ জীবদ্দশাতেই তারা মুরতাদ হয়ে যায়। এখন কেউ কি বলবে, এমন লোকের সম্মান করতে কারন তারা রাসূলুল্লাহ ﷺ কে সচক্ষে দেখেছিলেন, এবং ওয়াহী নাযিল হওয়ার সময়ে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রথম দিকে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন? অবশ্যই না।
    .
    হতে পারেন তিনি আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বা আল্লামা শফী, হতে পারেন শায়খ সাইফুল্লাহ মাদানী কিংবা শায়খ আবদূর রাজ্জাক বিন ইউসুফ , হতে পারেন মুফতি তাক্বি উসমানী কিংবা শায়খ বিন বায – আমরা তাদেরকে মূর্তি হিসেবে গ্রহণ করি না, যাদের অন্ধভাবে অনুসরণ করব, তারা যাই বলুক না কেন। সম্মানের কারনে হক্বকে আমরা ছেড়ে দিতে পারি না। সেই এখতিয়ার আল্লাহ আমাদের দেন নি। হক্ব হক্বের জায়গায়, সম্মান সম্মানের জায়গায়।

    .
    আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী নবীর ﷺ অবমাননাকারীদের হত্যা করার ব্যাপারে যা বলেছেন তা সম্পূর্ণ ভাবে শরীয়ত বিরোধী কথা। বরং রাসূলুল্লাহ স্বয়ং অবমাননাকারীদের হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, এবং সিরাতের গ্রন্থগুলোতে এরকম অসংখ্য উদাহরণ আছে। আল্লামা বাবুনগরী যদি বিস্মৃত হয়ে থাকেন তবে বিনীত ভাবে তাকে অনুরোধ করবো যেকোন সিরাতের গ্রন্থ খুলে আবার পড়ে নিতে।
    .
    একইভাবে গুপ্তহত্যার অসংখ্যা উদাহরণ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনি থেকে পাওয়া যায়। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে গুপ্তহত্যার আদেশ করেছেন, তিনি ﷺ নিজে অবমাননাকারীদের হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। ক্বুর’আন-সুন্নাহ এবং সিরাহ থেকে প্রাপ্ত দালীলের ভিত্তিতে চার মাযহাবের ইমামগণের ইজমা, ১৪০০ বছর ধরে মুসলিম উম্মাহর ইজমা হল অবমাননাকারীর শাস্তি হল হত্যা।
    .
    সুতরাং যদি নবী ﷺ এর অবমাননাকারীদের হত্যা করা সন্ত্রাস হয় তাহলে, ইতিহাস সাক্ষী থাকুক আমরা সন্ত্রাসী। কারন এই “সন্ত্রাস” একটি পবিত্র ইবাদাত আর গুপ্তহত্যা একটি সুন্নাহ, যা পালন করেছেন সাহাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া আজমাইন নবী কারীম ﷺ এর নির্দেশে। আর নিশ্চয় যে এ সত্য অস্বীকার করে হয় সে এ বিষয়টি সম্পর্কে অজ্ঞ অথবা তাঁকে শয়তান করেছে বিভ্রান্ত ।
    .
    সুতরাং দ্বীনের সুস্পষ্ট কোন বিধানের বিরোধিতা করা হলে, সেটা যেই করুক, তাতে সে বিধান পরিবর্তিত হয় না। বরং যে ব্যক্তি দ্বীনের সুস্পষ্ট বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, তা যে কারনেই হোক তার ব্যাপারে শারীয়াহ অনুযায়ী দৃষ্টিভঙ্গি এবং অবস্থানের পরিবর্তন হয়। ইসলাম জুনায়েদ বাবুনগরীর মুখাপেক্ষী না। জুনায়েদ বাবুনগরী ইসলামের মুখাপেক্ষী। আল্লাহর রাসূলের সম্মান ﷺ এমন একটি বিষয় যার জন্য জুনায়েদ বাবুনগরী কেন সমগ্র মানবজাতি যদিও এর বিরোধিতা করে তবুও ইন শা আল্লাহ মুজাহিদিনের অবস্থান এ ব্যাপারে পরিবর্তিত হবে না।
    .
    কারন মুজাহিদগণ ব্যক্তির কিংবা মানব রচিত মূর্তির অনুসরণ করে না। তারা অনুসরণ করে ক্বুরআন ও সুন্নাহর, উম্মাতের ইমামগণের ইজমার। অতএব যদি আল্লাহ রাসূলের সম্মানের জন্য সমগ্র দুনিয়া জ্বালিয়ে দিতে হয় তবে হাসি মুখে মুজাহিদগণ তা করবেন।
    .
    রাসুলুল্লাহ ﷺ এর জন্য আমাদের পিতামাতা কুরবান হোক। আল্লাহর কসম আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ﷺ জন্য আমাদের জীবন সস্তা। আল্লাহর কসম ! আমাদের এ জীবন অর্থহীন যদি আমরা বেঁচে থাকা অবস্থায়, আমাদের শরীরে উষ্ণ রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে এমন অবস্থায় মুরতাদ-কাফির-ইসলামবিদ্বেষীরা অবাধে, সগর্বে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর অবমাননা করবে আর আমরা চুপ থাকবো।
    .
    আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহর অবমাননাকারীদের হত্যার বিষয়টি ফিলিস্তীন, কাশ্মীর, আরাকান, সিরিয়া, আফগানিস্তান,দখলকৃত সকল মুসলিম ভূমি পুনরুদ্ধারের চাইতে মুজাহিদিনের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ, অধিক প্রিয়। আল্লাহর কসম নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীকে সাহায্যের চাইতেও নবীর অবমাননাকারীদের শাস্তি দেওয়া অধিক গুরুত্বপূর্ণ। কারন যদি উম্মাতের নবীকেই আক্রমন করা হয়, যদি নবীরও নিরাপত্তা না থাকে, তবে সে উম্মাতের আর বাকি কি থাকে?
    .
    সুতরাং জুনায়েদ বাবুনগরী কিংবা অন্য যেকোন কেউ যতোক্ষন পর্যন্ত এক্ষেত্রে ক্বুর’আন ও সুন্নাহ অনুযায়ী বক্তব্য পেশ না করছেন ততোক্ষন তাদের এ কথা বাতিল বলেই গন্য হবে। বরং দুর্ভাগ্যের বিষয় হল এ আলিমগণই নবীর অবমাননাকারীদের ফাঁসির দাবিতে ত্বাগুত হাসিনার কাছে দাবি জানিয়েছিল। আর জবাবে ত্বাগুত ও তার বাহিনী নির্বিচারে শাপলা চত্বরে তাদের আক্রমন করেছিল, হত্যা করেছিল, লাঞ্ছিত করেছিল, আক্ষরিক ভাবে কানে ধরে মুসলিমদের, তালিবুল ইলমদের বিতাড়িত করেছিল।
    .
    না মিডিয়া, না সুশীল সমাজ, না আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, না সরকার, না আওয়ামী লীগ, না বিএনপি, না জামায়েতে ইসলামী, না অ্যামেরিকা, না তুর্কী, না সাউদি, না ভারত, না পাকিস্তান – কেউ তখন এগিয়ে আসে নি এ যুলুম থামাতে। কেউ এগিয়ে আসেনি নবীর ﷺ অবমাননাকারীদের শাস্তি দিতে।
    .
    আল্লাহর ইচ্ছায় এগিয়ে এসেছিল মুজাহিদিন ফি সাবিলিল্লাহ। আল্লাহর ইচ্ছায় মুজাহিদিনরা একে হত্যা করেছেন অবমাননাকারীদের, তারা মুরতাদ-কাফিরদের শরীরকে আর মুমিনদের অন্তরকে শীতল করেছেন। যে দাবি ত্বগুতের কাছে জুনায়েদ বাবুনগরীরা নিয়ে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন, সে দাবি বাস্তবায়িত করেছেন মুজাহিদিন, এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর সাফল্য শুধুমাত্র তার পক্ষ থেকেই। অথচ আজ এসব নেতারা সরকারের মনরক্ষা করে বক্তব্য দেয় আর মুজাহিদিনের বিরোধিতা করেন। কিছু মানুষ উম্মাহর চক্ষুগুলোকে শীতল করে উম্মাহর অন্তরকে প্রশান্ত করে, আর কিছু লোক উম্মাহর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে। সত্য বলেছেন উম্মী নবী, সত্য বলেছেন রাহমাতুললিল আলামিন, সত্য বলেছেন আমার নবী, মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ আল আরাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম -
    .
    যদি তুমি কোন লজ্জা অনুভব না করো, তবে তোমার যা ইচ্ছে তাই করো। [বুখারি]
    .
    যদি রাসূলুল্লাহ ﷺ এর অবমাননাকারীদের হত্যা করা, তাদের অন্তরে ত্রাসের সৃষ্টি করা সন্ত্রাস হয় তবে ইতিহাস সাক্ষী থাক আমরা সন্ত্রাসী। ইন শা আল্লাহ এ সন্ত্রাস, এ অবমাননাকারীদের হত্যা আমাদের শরীরে এক বিন্দু রক্ত অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত চলবে ইনশাআল্লাহ।
    .
    আর উম্মতের যেসমস্ত বীর তরুণেরা এগিয়ে এসেছেন এ সমস্ত অবমাননাকারীদের তাদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দেবার জন্য, তাদের প্রতি আমি তাই বলি যা বলেছেন আল-কায়েদা জাজিরাতুল আরবের সম্মানিত ক্কায়েদ শায়খ আবু মিক্কদাদ আল কিন্দি (হাফিজাহুল্লাহ) –

    "এবং আল্লাহ তা'আলা তাদের পুরস্কৃত করুন যারা এই দ্বীন ও দ্বীনের পবিত্রতার জন্য উঠে দাড়িয়েছেন।
    আল্লাহ তা'আলা এই মহান মুজাহিদিনদের বরকতময় করুন যারা "ইসলামের বিজয় ও দ্বীনের পবিত্রতা" রক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
    এবং, আমাদের কোনো প্রশংসাসূচক শব্দই এসকল সম্মানিত ভাইদের সাহসিকতা ও ত্যাগের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না, যারা ভারতীয় উপমহাদেশে দ্বীনের উপহাসকারী ও রাসুল (সা) এর অবমাননাকারীদের হত্যা করেছেন।"
    সূত্রঃ "যদি তোমরা ফিরে আসো তবে আমরাও ফিরে আসব" শীর্ষক ভিডিও বার্তা, আল মালাহিম মিডিয়া

    (জংগীর সাথে কথোপকথন পেজ থেকে সংগ্রহিত)
    Last edited by banglar omor; 08-29-2016, 01:11 PM.
    শামের জন্য কাঁদো.....

  • #2
    হাসিনার কাছে তারা দাবী জানিয়েছিল শাতেম হত্যার অথচ হাসিনা এক মালাউন।
    আর যখন *মুজাহিদরা শাতেমদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দিচ্ছে তখন তারাই বলছে এটা সন্ত্রাস।
    আপনারাই বলুন এ আচরণ কাদের সাথে মিলে যাচ্ছে?
    Last edited by banglar omor; 08-29-2016, 03:24 PM.
    শামের জন্য কাঁদো.....

    Comment


    • #3
      রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম ৪৫ টি সারিয়া তথা গুপ্ত যুদ্ধাভিজান পরিচালনা করেছেন।আবু রাফে কাব বিন আশরাফ কে বিশেষ গুপ্ত সেল তথা স্লিপার সেলের মাধ্যমে হত্যা করিয়ে

      وفي الْمَبْسُوطِ السَّرِيَّةُ عَدَدٌ قَلِيلٌ يَسِيرُونَ بِاللَّيْلِ وَيَكْمُنُونَ بِالنَّهَارِ اه
      البحر الرائق (5/ 83)
      السرية) هي قطعة من الجيش من أربعة إلى أربعمائة.
      مأخوذة من السري وهو المشي ليلا.
      الدر المختار (4/ 333)
      السرية اسم لعدد قليل يدخلون أرض الحرب.
      سموا سرية لانهم يسرون بالليل ويكمنون بالنهار.
      السير الكبير (1/ 33)
      والمراد به العدد القليل الذين يخرجون من دار الاسلام متلصصين من غير أمر الامير.

      السَّرِيَّةُ عَدَدٌ قَلِيلٌ يَسِيرُونَ بِاللَّيْلِ وَيَكْمُنُونَ بِالنَّهَارِ .
      العناية شرح الهداية (7/ 449)

      والثاني لو دخل رجل مسلم دار الحرب واخذ شيئا بغير اذن الامام فانه له بغير خمس عليه
      وكذلك لو كانا رجلين او ثلاثة او اكثر حتى يكون الداخلون سبعة فيكون بذلك حكم السرية فيخمس ما اصابوا
      وهو قول محمد
      النتف في الفتاوى (2/ 723)
      السَّرِيَّةَ ) هِيَ قِطْعَةٌ مِنْ الْجَيْشِ مِنْ أَرْبَعَةٍ إلَى أَرْبَعِمِائَةٍ مَأْخُوذَةٌ مِنْ السَّرَى وَهُوَ الْمَشْيُ لَيْلًا دُرَرٌ
      رد المحتار (16/ 28)
      وفي المبسوط السرية عدد قليل يسيرون بالليل ويكمنون بالنهار انتهى وكان المراد من شأنهم ذلك إلا فقد لا يكمنون وكأنه مأخوذ من السرى وهو السير ليلا
      شرح فتح القدير (5/ 450)
      أجمع جمهور العلماء على أن أربعة أخماس الغنيمة للغانمين إذا خرجوا بإذن الامام.
      واختلفوا في الخارجين بغير إذن الامام وفيمن يجب له سهمه من الغنيمة ومتى يجب، وكم يجب، وفيما يجوز له من الغنيمة قبل القسم؟ فالجمهور على أن أربعة أخماس الغنيمة
      للذين غنموها خرجوا بإذن الامام أو بغير ذلك، لعموم قوله تعالى: * (واعلموا أنما غنمتم من شئ) * الآية.
      وقال قوم: إذا خرجت السرية أو الرجل الواحد بغير إذن الامام فكل ما ساق نفل يأخذه الامام، وقال قوم: بل يأخذه كله الغانم.
      فالجمهور تمسكوا بظاهر الآية، وهؤلاء كأنهم اعتمدوا صورة الفعل الواقع من ذلك في عهد رسول الله (ص)، وذلك أن جميع السرايا إنما كانت تخرج عن إذنه عليه الصلاة والسلام، فكأنهم رأوا أن إذن الامام شرط في ذلك، وهو ضعيف.
      بداية المجتهد (1/ 314)

      وقال الحسن البصري: إذا خرجت السرية بإذن الامام من عسكره خمسها وما بقي فلاهل السرية، وإن خرجوا بغير إذنه خمسها، وكان ما بقي بين أهل الجيش كله.
      بداية المجتهد (1/ 316)
      فَالْجُمْهُورُ عَلَى أَنَّ أَرْبَعَةَ أَخْمَاسِ الْغَنِيمَةِ لِلَّذِينِ غَنِمُوهَا ، خَرَجُوا بِإِذْنِ الْإِمَامِ أَوْ بِغَيْرِ ذَلِكَ ، لِعُمُومِ قَوْلِهِ تَعَالَى : ( وَاعْلَمُوا أَنَّمَا غَنِمْتُمْ مِنْ شَيْءٍ ) الْآيَةَ
      بداية المجتهد ونهاية المقتصد (ص: 321

      ابْنُ رُشْدٍ إنَّمَا جَازَ لَهُمْ أَنْ يُخْرِجُوا سَرَايَاهُمْ لِغُرَّةٍ تَبَيَّنَتْ لَهُمْ بِغَيْرِ إذْنِ الْإِمَامِ لِكَوْنِهِ غَائِبًا عَنْهُمْ عَلَى مَسِيرَةِ أَيَّامٍ ، وَلَوْ كَانَ حَاضِرًا مَعَهُمْ لَمْ يَجُزْ لَهُمْ أَنْ يُخْرِجُوهَا بِغَيْرِ إذْنِهِ إذَا كَانَ عَدْلًا ، انْتَهَى .
      مواهب الجليل في شرح مختصر الشيخ خليل (9/ 441)

      قَالَ ابْنُ رُشْدٍ وَهَذَا كَمَا قَالَ : إنَّ الْإِمَامَ إذَا كَانَ غَيْرَ عَدْلٍ لَمْ يَلْزَمْهُمْ اسْتِئْذَانُهُ فِي مُبَارَزَةٍ وَلَا قِتَالٍ ، إذْ قَدْ يَنْهَاهُمْ عَنْ غُرَّةٍ قَدْ ثَبَتَتْ لَهُ عَلَى غَيْرِ وَجْهِ نَظَرٍ يَقْصِدُهُ لِكَوْنِهِ غَيْرَ عَدْلٍ فِي أُمُورِهِ
      مواهب الجليل في شرح مختصر الشيخ خليل (9/ 440)

      القسم الثالث: أن يغزو واحد, أو اثنان بإذن الإمام فما حصل لهما من الغنيمة يختصان بأربعة أخماسها والخمس لأهله. هذا مذهبنا ومذهب جمهور العلماء فلا فرق بين أن تكون السرية قليلة أو كثيرة.
      الرابع: أن يغزو واحد, أو اثنان أو أكثر بغير إذن الإمام, فالحكم كذلك عندنا وعند جمهور العلماء. الخامس: أن يكون الواحد أو الاثنان ونحوهما ليسوا على صورة الغزاة, بل متلصصين فقد ذكر الأصحاب: أنهم إذا دخلوا يخمس ما أخذوه على الصحيح, وعللوه بأنهم غرروا بأنفسهم فكان كالقتال وهذا التعليل يقتضي أنه لم ينقطع في الجملة عن معنى الغزو.
      الأشباه والنظائر (1/ 118)

      وجعل مال الكفار على ثلاثة أقسام: غنيمة, وفيء, وغيرهما كالسرقة, فيتملكه من يأخذه, قياسا على المباحات ووافقه الغزالي على ذلك وهو مذهب أبي حنيفة
      الأشباه والنظائر (1/ 119)

      وقيل سميت السرية سرية لانها تستخفي في قصدها فتسرى ليلها، وهى فعلية بمعنى فاعلة، يقال سرى وأسرى ولا يكون إلا بالليل
      المجموع (19/ 268)

      السرية أنها قطعة من الجيش، قال القتيبى أصلها من السرى وهو سير الليل وكانت تخفى خروجها لئلا ينتشر الخبر فيكتب به العيون فيقال سرت سرية أي سارت ليلا.
      المجموع (19/ 365)

      السرية معروفة وهي قطعة من الجيش اربع مائة ونحوها ودومها سميت به لأنها تسري بالليل ويخفى ذهابها وهي فعيلة بمعنى فاعلة يقال أسرى وسرى إذا ذهب ليلا
      تحرير ألفاظ التنبيه - النووي (ص: 318)

      عِبَارَةُ الْمُغْنِي وَهِيَ طَائِفَةٌ مِنْ الْجَيْشِ يَبْلُغُ أَقْصَاهَا أَرْبَعَمِائَةٍ سُمِّيَتْ بِذَلِكَ ؛ لِأَنَّهَا تَسْرِي فِي اللَّيْلِ وَقِيلَ ؛ لِأَنَّهَا خُلَاصَةُ الْعَسْكَرِ وَخِيَارُهُ
      تحفة المحتاج في شرح المنهاج (39/ 490)

      السرية بفتح المهملة وكسر الراء وتشديد الياء التحتية هي التي تخرج بالليل والسارية هي التي تخرج بالنهار قال وقيل سميت بذلك يعني السرية لأنها تخفي ذهابها
      حاشية الجمل على المنهج لشيخ الإسلام زكريا الأنصاري (10/ 215)

      السرية معروفة وهي قطعة من الجيش أربعمائة ونحوها ودونها سميت بذلك لأنها تسري بالليل وتخفي ذهابها وهي فعلية بمعنى فاعلة يقال سرى وأسرى إذا ذهب ليلا ا ه
      حاشية الجمل على المنهج لشيخ الإسلام زكريا الأنصاري (10/ 215)

      وسميت السرية سرية لأنها تسري ليلا وقيل من الشيء السري , أي النفيس
      حاشية عميرة (4/ 218)

      بعث سرية» قال أبو السعادات: السرية: قطعة من الجيش يبلغ أقصاها أربعمائة، تبعث إلى العدو، وجمعها: سرايا. سموا بذلك لأنهم خلاصة العسكر وخيارهم من الشيء السريِّ: النفيس. وقيل: سموا بذلك، لأنهم ينفذون سراً وخفية، وليس بالوجه، لأن لام السر: راء، ولام السرية: ياء. آخر كلامه: ويحتمل أنهم سموا بذلك، لأنهم يسيرون. والله أعلم.
      المطلع على أبواب المقنع (ص: 153)

      السرية في دعوة رسول الله صلى الله عليه وسلم كان لها وقت قصير سرعان ما تجاوزته إلى الإعلان ,
      والسرية والحذر لا بد منهما مع النفر (خُذُوا حِذْرَكُمْ فَانفِرُوا .
      أن السرية مأمور بها في الحرب وشئون المعركة كما ذكرنا

      إدارة التوحش .. أخطر مرحلة ستمر بها الأمة (ص: 143)

      ما حدث من العبد الصالح أبي فيروز الديلمي رضي الله عنه مع الأسود العنسي

      القاعدة اتبعت ملة إبراهيم في إعلان البراءة من الطواغيت، وكتمت أعمالها السرية الذي يقتضيها المقام، وأيهما أسعد بملة إبراهيم: القاعدة، أو من عرف كفر الطواغيت وداهنهم؟
      لماذا اخترت القاعدة؟ ـ أبي مصعب محمد عمير الكلوي العولقي (ص: 20)

      الركون للمشركين وإظهار موالاتهم خوفاً على حظوظ الدنيا بلا إكراه، عمل ظاهره الكفر
      أصل دعوة النبي صلى الله عليه وسلم كانت إعلان البراءة من المشركين وأصنامهم زمن الاستضعاف وزمن التمكين
      ملة إبراهيم ودعوة الأنبياء والمرسلين (ص: 111)

      العزلة خير وأفضل من الدعوة المنحرفة عن طريق المرسلين
      ـ الصمت خير من المداهنة
      ـ العابد المعتزل خير من الداعية المداهن الملبس
      ملة إبراهيم ودعوة الأنبياء والمرسلين (ص: 112)
      متى يصحوا الدعاة؟؟؟ ومتى تنتهي الغفلات؟؟؟
      ملة إبراهيم ودعوة الأنبياء والمرسلين (ص: 112)
      استغلال كثير من العلماء والدعاة واستغفالهم وتجنيدهم لمحاربة أعداء الطواغيت
      ـ واستغلالهم في محاربة إخوانهم المسلمين أيضاً
      ـ إغراءهم بالمناصب والمراكز والألقاب
      ملة إبراهيم ودعوة الأنبياء والمرسلين (ص: 112)
      قس
      الموقف هؤلاء الخلف من حكام هذا الزمان وطواغيتهم القانونية مع
      ـ موقف السلف مع أمراء الجور في أزمنة الشريعة والفتوحات وانظر
      ـ هاوية مصلحة الدعوة أو خديعة ابليس
      ـ من معاني الركون إلى الظالمين

      وحيث لا مناص ولا مندوحة عن المقاومة؛ فإن الأسلوب الوحيد للمواجهة الذي يطرح نفسه في ظل هذا الواقع , هو أسلوب حرب العصابات السرية ذات الخلايا غير المترابطة. الخلايا المتعددة الكثيرة.
      دعوة المقاومة الإسلامية العالمية (1/ 84)
      Last edited by murabit; 08-29-2016, 09:57 PM.

      Comment


      • #4
        আল্লাহর রাসূলের সম্মান ﷺ এমন একটি বিষয় যার জন্য জুনায়েদ বাবুনগরী কেন সমগ্র মানবজাতি যদিও এর বিরোধিতা করে তবুও ইন শা আল্লাহ মুজাহিদিনের অবস্থান এ ব্যাপারে পরিবর্তিত হবে না।
        .
        অতএব যদি আল্লাহ রাসূলের সম্মানের জন্য সমগ্র দুনিয়া জ্বালিয়ে দিতে হয় তবে হাসি মুখে মুজাহিদগণ তা করবেন।


        আল্লাহু আকবার!
        আল্লাহু আকবার!!
        আল্লাহু আকবার!!!

        এই লাইনগুলোর লেখক এর সাথে আল্লাহ যেন আমাকেও কবুল করেন। এই লাইনগুলোর লেখক এর সাথে আল্লাহ যেন আমাকেও কবুল করেন। এই লাইনগুলোর লেখক এর সাথে আল্লাহ যেন আমাকেও কবুল করেন।

        কিয়ামতের দিন এই লাইনগুলো হয়তো এর লেখকের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে!! আল্লাহ যেন আমাকেও একই সাথে কবুল করে নেন।
        Last edited by Zakaria Abdullah; 08-29-2016, 06:32 PM.

        Comment


        • #5
          ক্বুর’আন-সুন্নাহ এবং সিরাহ থেকে প্রাপ্ত দালীলের ভিত্তিতে চার মাযহাবের ইমামগণের ইজমা, ১৪০০ বছর ধরে মুসলিম উম্মাহর ইজমা হল অবমাননাকারীর শাস্তি হল হত্যা।
          .
          সুতরাং যদি নবী ﷺ এর অবমাননাকারীদের হত্যা করা সন্ত্রাস হয় তাহলে, ইতিহাস সাক্ষী থাকুক আমরা সন্ত্রাসী। কারন এই “সন্ত্রাস” একটি পবিত্র ইবাদাত আর গুপ্তহত্যা একটি সুন্নাহ, যা পালন করেছেন সাহাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া আজমাইন নবী কারীম ﷺ এর নির্দেশে।এবং তাঁকে না জানিয়েও তাঁর সমর্থনে। আর নিশ্চয় যে এ সত্য অস্বীকার করে হয় সে এ বিষয়টি সম্পর্কে অজ্ঞ অথবা তাঁকে শয়তান করেছে বিভ্রান্ত

          Comment


          • #6
            অতএব যদি আল্লাহ রাসূলের সম্মানের জন্য সমগ্র দুনিয়া জ্বালিয়ে দিতে হয় তবে হাসি মুখে মুজাহিদগণ তা করবেন।
            রাসুলুল্লাহ ﷺ এর জন্য আমাদের পিতামাতা কুরবান হোক। আল্লাহর কসম আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ﷺ জন্য আমাদের জীবন সস্তা। আল্লাহর কসম ! আমাদের এ জীবন অর্থহীন যদি আমরা বেঁচে থাকা অবস্থায়, আমাদের শরীরে উষ্ণ রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে এমন অবস্থায় মুরতাদ-কাফির-ইসলামবিদ্বেষীরা অবাধে, সগর্বে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর অবমাননা করবে আর আমরা চুপ থাকবো।
            .
            আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহর অবমাননাকারীদের হত্যার বিষয়টি ফিলিস্তীন, কাশ্মীর, আরাকান, সিরিয়া, আফগানিস্তান,দখলকৃত সকল মুসলিম ভূমি পুনরুদ্ধারের চাইতে মুজাহিদিনের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ, অধিক প্রিয়। আল্লাহর কসম নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীকে সাহায্যের চাইতেও নবীর অবমাননাকারীদের শাস্তি দেওয়া অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
            Last edited by murabit; 08-29-2016, 07:34 PM.

            Comment


            • #7
              আসসালামু আলাইকুম। গুরুত্ত পূর্ণ পোষ্ট। ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রথমত আমরা ভালো কাইদার নেতৃত্তে গ্লোবাল জিহাদের করছি, যার শেইখ গন বাবুনগতির উস্তাদ্দেরকে তুল্ল, কাজেই উনাদের (সাপলার শহিদ্দের সাথে বেইমানী করেছে তাদের কথাই আমাদের কোন কতবেন নাম আল্লাহ তালা) কথাই কান না দেওয়াই ভালা। 2য় এরকম হত্তার জায়েজ হওয়ার এব্যপারে যত দলিল আছেন সবগুলা ফোরামে ও আমাদের ফেইজবুকে পোষ্ট করুন।

              Comment


              • #8
                আহ! দু:খজনক! বনী ইসরাঈলী আলেমদের হুবহু অনুসরণ সংক্রান্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীসেরই বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে এই সকল আলেমদের মাঝে। যাদের ঐতিহ্য অনেক ভাল ছিল, যাদেরকে সত্যের অনুসারী মনে করা হত। আহ! দু:খ! কি হবে এই জাতির!!!

                Comment


                • #9
                  আমরা নিজেদের ভীরুতাকে যতই হেকমত বা মাসলাহাত বলে প্রকাশ করি না কেন। অবশ্যই আল্লাহ তা এক সময় না এক সময় প্রকাশ করেই দিবেন।

                  ওহে কুফফারের দল শুনে রাখিস ইংশা আল্লাহ আমরা মুহাম্মাদ বিন মাসলামা (রাজিঃ) এর উত্তরসূরি
                  তোরা যদি মনে করিস এই সকল আলেমদের ফতোয়া আমাদের চাপাতির ধার কমিয়ে দিবে কিংবা বন্দুকের নল ঘুড়িয়ে দিবে
                  তাহলে তোরা দিবাস্বপ্ন দেখছিস।
                  আমরা তোদের উপর আঘাত করে যাবো যতদিন আমাদের মাঝের শেষ ব্যক্তি থাকবে বিযনিল্লাহ।
                  আমাদের মুজাহিদ ভাইদের চাপাতির ধার বৃদ্ধি পেতে থাকবে ইংশা আল্লাহ।
                  ভাবিশ না, তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলিশ না এটা দেখে যে এদের জনসমর্থন কমে যাচ্ছে
                  আল্লাহর কসম তোদের দিন গননা তো শুরু হয়ে গেছে।
                  কারণ মুজাহিদিনরা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সম্মানে নিজের জান বিক্রি করে দিছে।
                  এই কঠিন অবস্থায় যারা টিকে যাবে আল্লাহর দয়ায় তারাই তোদের কবর রচনা করবে্*, বিঈযনিল্লাহ।


                  আর ওহে কুফফারদের ভয়ে ভীত, আত্মমর্যাদাহহীন ব্যক্তি শুনে রেখ
                  তোমার মত হাজার মানুষের সম্মানকে আমরা আমাদের পায়ের তলে রাখতে একচুল পরিমান দ্বিধা করবো না
                  যদি তোমরা আমাদের রাসুল (সাঃ) এর উপর আঘাতে কষ্ট না পাও। হাসবুনাল্লাহি ওয়া নিঈমাল ওয়াকিল।

                  হে আমার প্রিয় ভাইয়েরা আপনারা ঘাবড়াবেন না, নিশ্চয় এটা আল্লাহর তরফ থেকে ইস্তেব্দাল এর সূচনা । এই সময়ে দৃঢ় থাকুন, আল্লাহর কাছে দৃঢ়পদতা চেয়ে দুয়া করুন।
                  নিশ্চয় যে ব্যক্তি সত্যিই হেদায়েত চায় তাকে আল্লাহ হেদায়েত থেকে বঞ্চিত করবেন না। ইংশা আল্লাহ।
                  "তুমি রবের বান্দার প্রতি দয়া কর
                  বান্দার রবও তোমার প্রতি দয়া করবেন।"

                  Comment

                  Working...
                  X