PDA

View Full Version : আমীরের শাহাতাদঃ আমেরিকার সংকল্প ও ইমারাতে ইসলামিয়ার ভবিষ্যৎ



Abu musa
09-09-2016, 06:42 AM
আমীরের শাহাতাদঃ আমেরিকার সংকল্প ও ইমারাতে ইসলামিয়ার ভবিষ্যৎ
ডাউনলোড
https://www.sendspace.com/file/vbwyya

Abu musa
09-09-2016, 06:49 AM
আমীরের শাহাতাদ; আমেরিকার সংকল্প ও ইমারাতে ইসলামিয়ার ভবিষ্যৎ

আমীরুল মো’মিনীন মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ মানসুর (রহিমাহুল্লাহ) একজন মানুষ ছিলেন। আল্লাহ্* তা’য়ালার বিধান অনুযায়ী নিদৃষ্ট সময় এবং নির্ধারিত জায়গায় তাঁর শরীর থেকে ‘রূহ’ আলাদা হয়েছে। আজ ইসলামীবিশ্ব খুবই সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। সব জায়গায় বিভিন্ন ধরণের বিস্তৃতি ও প্রসারতা লক্ষ্যণীয়। বিভিন্ন জায়গায় অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বিদ্যমান। হতাশার এই পৃথিবীতে যুদ্ধের যথসামান্য সরঞ্জাম নিয়ে ‘ইমারাতে ইসলামিয়া’ উম্মাহ্*র প্রতিরক্ষার জন্য বেরিয়ে পড়েছে। ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে বাস্তাবিক জিহাদের পর সমস্ত মুসলমানরা খুশি, কিন্তু অনিশ্চিত ছিলো যে, সরঞ্জামের দিক দিয়ে দুর্বল এবং সংখ্যার দিক দিয়ে স্বল্প মুজাহিদীন বিশ্বের বড় বড় পরাশক্তি গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলমান রাখতে সফল হবে(?)। কিন্তু যখন মহান আল্লাহ্* তা’য়ালা চেয়েছেন, তো এসব কিছু সম্ভব হয়েছে। সমস্ত মুসলমানের দৃষ্টি শুধুমাত্র এবং কেবলমাত্র ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতি নিবদ্ধ। এবং তাঁদের এটা একমাত্র বিশ্বাস যে, মুসলমানদের এই বড় দুশমনের পরাজয় এবং মুসলিম জনসাধারণের মুক্তি এই ইমারাতে ইসলামিয়ার স্থায়িত্বের উপর নির্ভরশীল।
আর এ কারণেই দুনিয়ার আত্মমর্যাদা সম্পন্ন মুসলমানরা ইমারাতে ইসলামিয়া কে মর্যাদার প্রতীক হিসাবে দেখে থাকে। তাঁদের অন্তরে ইমারাতে ইসলামিয়ার মহাপরিচালকের অনেক উচ্চ মর্যাদা রয়েছে। তাঁরা তালেবান মুজাহিদীনের সাথে সীমাহীন মুহাব্বত রাখে। তাঁদের সফলতা ও অগ্রযাত্রায় খুশি হয় এবং তাঁদের ব্যথায় ব্যাথিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আমীরুল মো’মিনীন মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ মানসুর (রহিমাহুল্লাহ)-র শাহাদাতে শুধু আফগানিস্তান নয়, বরং পুরো ইসলামীবিশ্ব ব্যথিত। এবং সবাই এই ঘটনায় ক্রন্দনরত। কিন্তু শাহাদাতের যে মৃত্যুতে তাঁর ইন্তেকাল হয়েছে, তা অনেক বড় মর্যাদা সম্পন্ন মৃত্যু’ই বটে। রাসুলুল্লাহ্* সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ধরণের মৃত্যুর’ই তামান্না করেছেন যে, “আমি তো এটা অনেক উত্তম মনে করি যে, আল্লাহ্*র রাস্তায় বারবার শহীদ হবো এবং বারবার জীবিত হবো”।
সত্য পথের প্রত্যেক মুজাহিদ ইসলামের ভূমি সমূহ, মুসলমানদের প্রতিরক্ষা এবং ইসলামের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য আল্লাহ্*র রাস্তায় লড়ে যাচ্ছে এবং এটাই তাঁর আসল টার্গেট। সে সর্বদা শাহাদাত পিয়াসী হয়। মানসুর সাহেবও (রহঃ) এমন একজন মুজাহিদ ছিলেন। এ পর্যন্ত যে আল্লাহ্* তা’য়ালা তাঁর হাতে মহৎ উদ্দেশ্য সমূহের অর্জন নিশ্চিত করেছেন এবং তাঁর আশাও পূর্ণ করেছেন।
(আমীরুল মুমিনীনের শাহাদাতের মধ্য দিয়ে) যে পর্যন্ত এভাবে ইমারাতে ইসলামিয়া কে ক্ষতি পৌছানো এবং অ্যামেরিকার বিজয়ী হওয়ার প্রশ্ন দেখা দেয়, তখন বাস্তবে সবকিছু দুনিয়ার সামনে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, মুজাহিদীন নেতৃবৃন্দের শাহাদাত আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে কোনো ধরণের প্রভাব ফেলতে পারেনি। কেননা এটি হলো জিহাদ, এটি এমন নয় যে, কোনো ব্যাক্তির উত্থান পতনে এই জিহাদেরও উত্থানপতন ঘটবে। মুজাহিদীনের আক্বিদা হলো, সবকিছু ঐ মহান সত্তার ইচ্ছা ও হুকুমে হয়েছে, যাঁর জন্য এই কাজ আঞ্জাম দেয়া হচ্ছে ।
মোল্লা মুহাম্মাদ উমর মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহ্* ইমারাতে ইসলামিয়ার সর্বোচ্চ নেতা এবং আফগান জিহাদী আন্দোলনের স্থপতি ছিলেন। তাঁর মৃত্যু স্মরণকালের বৃহত্তম দুর্যোগ ছিলো। দুশমনরা মিডিয়ায় এই প্রোপাগান্ডা চালিয়েছিলো যে, এখন ইমারাতে ইসলামিয়া শেষ হয়ে যাবে। অধিকাংশ মুজাহিদ অস্ত্র ত্যাগ করবে, আর যারা অবশিষ্ট থাকবে তাঁরা আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে পেরে উঠবে না। কমজুর এবং দুর্বল ঈমানের অধিকারী মুসলমানরা তাদের এই মিথ্যা প্রোপাগান্ডায় প্রভাবিত হয়ে পড়ে। সাধারণ খাটি মুসলমানদের মাঝে হতাশা ছেয়ে গিয়েছিলো এবং মুজাহিদীনের মাঝে ভাঙ্গনের খতরা অনুভূত হচ্ছিলো।

কিন্তু মোবারক হোক ইমারাতে ইসলামিয়ার নেতৃত্ব! এ সংকটময় মূহুর্তে ইহা তাঁর অসাধারণ তীক্ষ্ণ মেধার প্রকাশ ঘটিয়েছে। আল্লাহ্* তা’য়ালা তার সাহায্য করেছেন। তার প্রচেষ্টা সফল হয়েছে এবং ঐক্য অটুট রয়েছে। মুসলমানরা ঐ এক আমীরের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গেলো যাকে আমীরুল মু’মিনীন মোল্লা মুহাম্মাদ উমর মুজাহিদ রহ. নিজের স্থলাভিষিক্ত করেছিলেন। সত্য কথা হলো, আল্লাহ্* তা’য়ালা আমিরুল মু’মিনীন রহ. কে অসাধারণ তীক্ষ্ণবুদ্ধি ও বিচক্ষণতা দান করেছেন। তাঁর রহ. স্থলাভিষিক্ত তাঁর পরিপূর্ণ আশানুরূপ হয়েছেন। যদিও তাঁর নেতৃত্বের সময়কাল খুবই সংক্ষিপ্ত ছিলো, কিন্তু এই স্বল্প সময়ে অপ্রতিরুদ্ধ সংকল্প, মজবুত ঈমান এবং অগ্রযাত্রার এমন কাজ আঞ্জাম দিয়ে গেছেন যা সর্বদা অনুভূতিসম্পন্ন মুসলমান বিশেষ ভাবে মুজাহিদীনের জন্য গৌরবের বস্তু হয়ে থাকবে।
আমীরুল মুমিনীন রহ. দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে গেছেন, কিন্তু জিন্দেগীতে এমন কোনো সাধারণ ভুল এবং সামান্য পদস্খলন ঘটেনি যার দ্বারা মুজাহিদীনের গৌরবময় ইতিহাসে কালো দাগ লাগতে পারে। বরং তিনি স্বল্প সময়ে যা কিছু করেছেন তা মুসলমানদের জন্য অপার আনন্দের বিষয়। আমীরুল মু’মিনীনের শাহাদাতের পর অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অত্যন্ত দাম্ভিকতা ও অহংকারের সাথে তাঁর শাহাদাতের ঘোষণা দিয়েছিলো এবং বলেছিলোঃ ‘তালেবান নেতা মোল্লা আখতার মুহাম্মাদ মানসুরের মত যেই শান্তি আলোচনার অস্বিকৃতি জানাবে তাঁর পরিণাম এই নেতার মত হবে। ভবিষ্যতে অ্যামেরিকার স্বার্থ রক্ষার খাতিরে তালেবানের সর্বোচ্চ এই নেতার মত অন্যান্য নেতৃবৃন্দের উপরও আঘাত হানা হবে’।
এ কথাগুলোতে ওবামার বাচনভঙ্গি সীমাহীন কুরুচিপূর্ণ, অত্যন্ত অহমিকাপূর্ণ ও অনুভূতিহীন ছিলো। ওবামার পক্ষ থেকে কাবুল সরকারকে ‘জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত এবং সেটাকে জনগণের ইচ্ছাধীন শাসিত’ ঘোষণা দেয়া স্পষ্ট ভুল। যদি জনসাধারণের &#