PDA

View Full Version : আল-অয়ালা অয়াল বারা ।। আল্লাহর জন্য বন্ধুত্ব ও শত্রুতা ।। একজন মুসলিমের যা জানা আবশ্যক ।। পার্ট ১



আবু মুহাম্মাদ
09-15-2016, 07:45 AM
আল-অয়ালা অয়াল বারা

আল্লাহর জন্য বন্ধুত্ব ও শত্রুতা

একজন মুসলিমের যা জানা আবশ্যক


> ইহা আকীদার একটি মূল বিষয়। এর মাধ্যমেই অনেকে দ্বীন থেকে বের হয়ে গেছে এবং এর মাধ্যমেই দ্বীনে প্রবেশ করেছেন। আলী এর জামানায় এই আকীদার মাধ্যমেই খাওয়ারেজদের আত্বপ্রকাশ হয়েছে।

> এই আকীদার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি হয়েছে। আপনি যদি এখানে একটু হেলে যান তাহলে মুরজিয়া হয়ে যাবেন আবার অন্য দিকে হেলে গেলে কট্টরপন্থী হয়ে যাবেন।

ইংশাআল্লাহ ধারাবাহিক ভাবে এই মাসয়ালার বিভিন্ন দিক নিয়ে দলীল সহ প্রতিদিন আলোচনা করা হবে। আমাদের আলেম শাইখদেরকে সাথে থাকার অনুরোধ করব। ভূল হলে অবশ্যই জানিয়ে দিবেন।

আবু মুহাম্মাদ
09-15-2016, 08:20 AM
ওয়ালা অয়াল বারা


* আমরা বিশ্বাস করি যে, বন্ধুত্ব ও শত্রুতার মাপকাঠি হচ্ছে ইসলাম অন্য কিছু নয়। এবং একজন মুসলিমের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে হবে সে যেখানেই থাকুক না কেন। এবং কাফেরের সাথে শত্রুতা রাখতে হবে যেখানেই থাকুক না কেন। এবং যার ভিতর ঈমান আছে ও অবাধ্যতা আছে তাকে তার ঈমান অনুজায়ী বন্ধুত্ব করা হবে এবং অপরাধ অনুজায়ী শত্রুতা করা হবে।

* আমরা বিশ্বাস করি যে ব্যক্তি অমুসলিমের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে এর মাধ্যমে তার সামষ্টিক ঈমান ও তাউহীদকে ভেংগে ফেলেছে।

* ওয়ালা
শাব্দিক অর্থঃ- নিকটবরতী হওয়া। মহাব্বত ও সাহায্যের অর্থও হয়ে থাকে।

পারিভাষিক অর্থঃ- আল্লাহ তায়ালা, রাসূল, ইসলাম ও মুসলিমীনদেরকে মহাব্বত করা এবং আল্লাহ, রাসূল, ইসলাম ও মুসলমানদেরকে সাহায্য করে।

* বারা'
শাব্দিকঃ- শত্রুতা ও ঘৃণার সাথে দূরে সরে যাওয়া ও সম্পর্ক ছিন্ন করা।

পারিভাষিকঃ- আল্লাহ ছাড়া যে সমস্ত ত্বাগুতদেরকে ইবাদাত করা হয় তাদেকে ঘৃণা করা ( বাস্তবিক ও মানসিক, যেমন চিন্তা ও চাহিদা )। কুফুরের ( সমস্ত ধর্মের ) সাথে চরম বিদ্বেষ পোষন করা এবং তাদের অনুসারী কাফেরদের সাথেও। এবং এই সবগুলোর সাথে শত্রুতা করা।


*******************************

দলীলঃ

>>>> {{ আমরা বিশ্বাস করি যে, বন্ধুত্ব ও শত্রুতার মাপকাঠি হচ্ছে ইসলাম অন্য কিছু নয়। এবং একজন মুসলিমের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে হবে সে যেখানেই থাকুক না কেন }}

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ-

إِنَّمَا وَلِيُّكُمُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَالَّذِينَ آمَنُوا الَّذِينَ يُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَيُؤْتُونَ الزَّكَاةَ وَهُمْ رَاكِعُونَ [٥:٥٥]


তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ তাঁর রসূল এবং মুমিনবৃন্দ-যারা নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং বিনম্র। ( মায়েদাঃ৫৫)

>>> {{ কাফেরের সাথে শত্রুতা রাখতে হবে যেখানেই থাকুক না কেন }}

আল্লাহ তায়ালা আমাদের জন্য ঈবরাহীমের জীবনী অনুসরনের আদেশ দিয়ে বলেনঃ

{ قَدْ كَانَتْ لَكُمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ فِي إِبْرَاهِيمَ وَالَّذِينَ مَعَهُ إِذْ قَالُوا لِقَوْمِهِمْ إِنَّا بُرَآَءُ مِنْكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ كَفَرْنَا بِكُمْ وَبَدَا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةُ وَالْبَغْضَاءُ أَبَداً حَتَّى تُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَحْدَهُ إِلَّا قَوْلَ إِبْرَاهِيمَ لِأَبِيهِ لَأَسْتَغْفِرَنَّ لَكَ وَمَا أَمْلِكُ لَكَ مِنَ اللَّهِ مِنْ شَيْءٍ رَبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا وَإِلَيْكَ أَنَبْنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ (4) رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِلَّذِينَ كَفَرُوا وَاغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا إِنَّكَ أَنْتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ}

তোমাদের জন্যে ইব্রাহীম ও তাঁর সঙ্গীগণের মধ্যে চমৎকার আদর্শ রয়েছে। তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমাদের সাথে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার এবাদত কর, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদের মানি না। তোমরা এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করলে তোমাদের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে চিরশত্রুতা থাকবে। কিন্তু ইব্রাহীমের উক্তি তাঁর পিতার উদ্দেশে এই আদর্শের ব্যতিক্রম। তিনি বলেছিলেনঃ আমি অবশ্যই তোমার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করব। তোমার উপকারের জন্যে আল্লাহর কাছে আমার আর কিছু করার নেই। হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তোমারই উপর ভরসা করেছি, তোমারই দিকে মুখ করেছি এবং তোমারই নিকট আমাদের প্রত্যাবর্তন। (৪) হে আমাদের পালনকর্তা! তুমি আমাদেরকে কাফেরদের জন্য পরীক্ষার পাত্র করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয় তুমি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (মায়েদাহ-৫)

* আল্লাহ তায়ালা কাফেরদের সাথে সম্পর্ক রাখতে মানা করেছে যদিও তারা মা-বাবা হয় না কেনঃ-

{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَتَّخِذُواْ آبَاءكُمْ وَإِخْوَانَكُمْ أَوْلِيَاء إَنِ اسْتَحَبُّواْ الْكُفْرَ عَلَى الإِيمَانِ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ * قُلْ إِن كَانَ آبَاؤُكُمْ وَأَبْنَآؤُكُمْ وَإِخْوَانُكُمْ وَأَزْوَاجُكُمْ وَعَشِيرَتُكُمْ وَأَمْوَالٌ اقْتَرَفْتُمُوهَا وَتِجَارَةٌ تَخْشَوْنَ كَسَادَهَا وَمَسَاكِنُ تَرْضَوْنَهَا أَحَبَّ إِلَيْكُم مِّنَ اللّهِ وَرَسُولِهِ وَجِهَادٍ فِي سَبِيلِهِ فَتَرَبَّصُواْ حَتَّى يَأْتِيَ اللّهُ بِأَمْرِهِ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَاسِقِينَ }

হে ঈমানদারগণ! তোমরা স্বীয় পিতা ও ভাইদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করো না, যদি তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরকে ভালবাসে। আর তোমাদের যারা তাদের অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা সীমালংঘনকারী। (২৩)
বল, তোমাদের নিকট যদি তোমাদের পিতা তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই তোমাদের পত্নী, তোমাদের গোত্র তোমাদের অর্জিত ধন-সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় কর এবং তোমাদের বাসস্থান-যাকে তোমরা পছন্দ কর-আল্লাহ, তাঁর রসূল ও তাঁর রাহে জেহাদ করা থেকে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা কর, আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত, আর আল্লাহ ফাসেক সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না। (তাওবা-২৪)





আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ-

{لا تَجِدُ قَوْمًا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَوْ كَانُوا آبَاءَهُمْ أَوْ أَبْنَاءَهُمْ أَوْ إِخْوَانَهُمْ أَوْ عَشِيرَتَهُمْ أُولَئِكَ كَتَبَ فِي قُلُوبِهِمُ الإِيمَانَ وَأَيَّدَهُمْ بِرُوحٍ مِنْهُ وَيُدْخِلُهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ أُولَئِكَ حِزْبُ اللَّهِ أَلا إِنَّ حِزْبَ اللَّهِ هُمُ الْمُفْلِحُونَ}

যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাদেরকে আপনি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যদিও তারা তাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা জ্ঞাতি-গোষ্ঠী হয়। তাদের অন্তরে আল্লাহ ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাদেরকে শক্তিশালী করেছেন তাঁর অদৃশ্য শক্তি দ্বারা। তিনি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। তারা তথায় চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। তারাই আল্লাহর দল। জেনে রাখ, আল্লাহর দলই সফলকাম হবে। ( মুজাদালাহ-২২)

নাবী আলাইহিস সালাম বলেনঃ

" أَلَا إِنَّ آلَ أَبِي يَعْنِي فُلَانًا ، لَيْسُوا لِي بِأَوْلِيَاءَ، إِنَّمَا وَلِيِّيَ اللَّهُ، وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ "

" সাবধান! নিশ্চয়ই অমুকের পরিবার আমাদের বন্ধু নয়। আমার বন্ধু একমাত্র আল্লাহ তায়ালা ও সত্ববাদী মুমিনরা "

কাজী ইবনে আয়াজ বলেনঃ- "এখানে উদ্দেশ্য করা হয়েছে হাকাম বিন আ'সকে" - আল্লাহু আ'লাম।

>>> {{ যার ভিতর ঈমান আছে ও অবাধ্যতা আছে তাকে তার ঈমান অনুজায়ী বন্ধুত্ব করা হবে এবং অপরাধ অনুজায়ী শত্রুতা করা হবে। আমরা বিশ্বাস করি যে ব্যক্তি অমুসলিমের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে এর মাধ্যমে তার সামষ্টিক ঈমান ও তাউহীদকে ভেংগে ফেলেছে }}

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ-

{ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَىٰ أَوْلِيَاءَ ۘ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ }

হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না। মায়েদাহ - ৫১

* কেহ যদি এক দিক থেকে ভালবাসে ও অন্য দিক থেকে অপছন্দ করে তাহলে সে হচ্ছে এমন মুসলিম যে আমালে সালেহের সাথে খারাপকে মিশ্রিত করেছে। তখন আবশ্যক হবে তার ভাল অনুজায়ী বন্ধুত্ব করা ও খারাপ অনুজায়ী শত্রুতা পোষন করা। আর যে ইহা করতে পারে না তার ক্ষতিটা ভাল থেকে বেশি হয়ে যায়।

দলীলঃ-

عبد الله بن حمار وهو رجل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم - كان يشرب الخمر، فأتي به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلعنه رجل وقال: ما أكثر ما يؤتى به، فقال النبي صلى الله عليه وسلم (( لا تلعنه فإنه يحب الله ورسوله)) مع أنه صلى الله عليه وسلم لعن الخمر وشاربها وبائعها وعاصرها ومعتصرها وحاملها والمحمولة إليه

আব্দুল্লাহ ইবনে হিমার রাজিঃ মদ খেত। তাকে রাসূলের দরবারে আনা হলে একজন তাকে লা'নত করল। তখন আল্লাহর নবী বললেনঃ তাকে লা'নত করু না, কেননা সে আল্লাহ ও রাসূল্কে মহাব্বত করে। অথচ আল্লাহর নবীই অন্য সময় মদকে, তার পানকারী, বহনকারী, বিক্রেতা, নিংড়ানো ওয়ালা, যার জন্য বহন করা হয়েছে সবাইকে লা'নত করেছেন।

Mullah Murhib
09-15-2016, 08:56 AM
হে আল্লাহ! আবু মুহাম্মাদ ভাইকে উত্তম তাওফিক দান করুন। তাঁর প্রচেষ্টাকে অধিকতর সহজ করে দিন। আমীন!

রক্তাক্ত চাপাতি
09-15-2016, 11:58 AM
চালিয়ে যান ইয়া আখি , আল্লাহ আপনার উপকারী জ্ঞান বাড়িয়ে দিন

banglar omor
09-15-2016, 02:15 PM
জাজাকাল্লাহ্!খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট ।
মোহতারাম আবু মুহাম্মাদ ভাই!একটি বিষয় যদি একটু দেখতেন..

শাব্দিক অর্থঃ- নিকটবরতী হওয়া। মহাব্বত ও সাহায্যের অর্থও হয়ে থাকে।
অবিধানিক অর্থঃ- আল্লাহ তায়ালা, রাসূল, ইসলাম ও মুসলিমীনদেরকে মহাব্বত করা এবং আল্লাহ, রাসূল, ইসলাম ও মুসলমানদেরকে সাহায্য করে।

আমি যতটুকো জানি যে,“শাব্দিক অর্থ “ আর “আভিধানিক অর্থ” দুটি সমার্থক শব্দ।অর্থাৎ দুটি একই অর্থ প্রদান করে।
সম্ভবত আপনার দ্বিতীয় হেডলাইনটি এমন হবেঃ-
(পারিভাষিক অর্থঃ- আল্লাহ তায়ালা, রাসূল, ইসলাম ও মুসলিমীনদেরকে মহাব্বত করা এবং আল্লাহ, রাসূল, ইসলাম ও মুসলমানদেরকে সাহায্য করে।)
আপনি আমাদের এই ফোরমেন একজন মধ্যমণি।আল্লাহ আপনার দ্বারা আমাদের আরো উপকৃত করুন।

ABU SALAMAH
09-15-2016, 04:05 PM
মহান আল্লাহ আমাদের কাজে বরকত দান করুন। আমিন।

আবু মুহাম্মাদ
09-15-2016, 07:30 PM
আমি যতটুকো জানি যে,“শাব্দিক অর্থ “ আর “আভিধানিক অর্থ” দুটি সমার্থক শব্দ।অর্থাৎ দুটি একই অর্থ প্রদান করে।


যাজাকাল্লাহ, বাংলার উমর ভাই, আল্লাহ তায়ালা আপনাকে উমার রাজিঃ এর মত বানিয়ে দিক।

banglar omor
09-15-2016, 10:43 PM
যাজাকাল্লাহ, বাংলার উমর ভাই, আল্লাহ তায়ালা আপনাকে উমার রাজিঃ এর মত বানিয়ে দিক।
আল্লাহুম্মা আমীন
আল্লাহ আমাদের জিহাদের জন্য কবুল করুন।