PDA

View Full Version : দারুল হারব/দারুল কুফরে জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় এবং উলামায়ে দ্বীনের অবস্থান ।



umar mukhtar
09-27-2016, 11:21 PM
দারুল হারব/দারুল কুফরে জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় এবং উলামায়ে দ্বীনের অবস্থান । (দারুল ইসলাম,দারুল হারবের আলোচনাসহ কিছুটা বিস্তারিত)

একজন জিহাদী আলিম(আল্লাহ্* উনাকে ত্বগুতের কারাগার থেকে মুক্ত করুন) বাংলাদেশকে দারুল কুফর বা দারুল হারব আখ্যা দিয়ে দ্বীন কায়েমের জন্য জিহাদ করার ঘোষণা দিয়েছেন । কিন্তু জনৈক মুফতী প্রশ্ন তুলেছেন,দারুল হারবে আবার জুমআ ও ঈদের সলাত পড়েন কীভাবে ?

বাংলাদেশ এবং এধরণের ভূখণ্ডগুলো দারুল কুফর বা দারুল হারব। কেনো বাংলাদেশ দারুল কুফর/দারুল হারব ?
বাংলাদেশ দারুল হারব কিনা এ ব্যাপারে উম্মতের উলামাদের বক্তব্যের আলোকে অসাধারণ এই নোটটি পড়ুন।
নোটের লিংক....... http://tinyurl.com/h5lhguy

উক্ত জিহাদী আলিম বাংলাদেশকে দারুল কুফর বা দারুল হারব ঘোষণা দেয়ার পর এবং এদেশে জিহাদ ফরযে আইন ঘোষণা দেয়ার পর কেনো জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করলেন,যা শরীয়তের খেলাপ বলে মন্তব্য উক্ত জনৈক মুফতীর ।
উক্ত মুফতী জিহাদী আলিমকে কটাক্ষ করে বলেন, "ইসলামী শরীয়া কা*য়ে*মের আহবায়ক নি*জেই শরীয়*তের বিধান*কে এভা*বে বৃদ্ধাঙ্গু*লি দেখালেন কেন?"

আসুন তাহলে একটু নযর বুলাই............
১। শাহ আব্দুল আযিয রাহঃ তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতকে দারুল হারব ঘোষণা দিয়ে তার ইন্তেকাল পর্যন্ত তিনি এবং অন্যান্য উলামাগণ জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করেছেন। সুতরাং শাহ আব্দুল আযিয রাহঃ ও ঐসময়ের আলিমগণ শরীয়তের খেলাফ করেছেন ???
২। শামেলীর লড়াইয়ের পর নিশ্চয়ই ভারতবর্ষ দারুল ইসলাম হয়নি। কিন্তু দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতা উলামায়ে কিরাম এবং ১৯৪৭ (এই পর্যন্তই ধরলাম আপাততঃ) সাল পর্যন্ত দেওবন্দের সকল উলামায়ে কিরাম ভারতে জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করেছেন। দেওবন্দের উলামারা কেনো শরীয়তের খেলাফ এই কাজ করলেন তার উত্তর চাই ???
৩। ১৯৮২ সালে রাশিয়া আফগানিস্তান দখল করে। নিশ্চয়ই কমিউনিস্ট রাশিয়া আফগানিস্তান দখল করার পর সেটি দারুল ইসলাম ছিলো না বরং নিঃসন্দেহে দারুল হারব ছিলো। আর সেই দারুল হারবে আফগানিস্তান,পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের সকল দেওবন্দী (এমনকি সমগ্র দুনিয়ার আলিমদের ঐকমত্যই বলা যায়) আলিমদের ঐক্যমতে সেখানে জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করা হয়েছে। এই সমস্ত দেওবন্দী উলামারা উক্ত জিহাদী আলিমের মতো শরীয়তের খেলাফ এই কাজ কীভাবে করলেন ???
৪। ২০০১ সালে আমেরিকা আফগানিস্তান দখল করার পর নিশ্চয়ই আফগানিস্তান দারুল ইসলাম ছিলো না বরং দারুল হারব ছিলো। সেই থেকে আজ পর্যন্ত আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের দেওবন্দী উলামাদের ঐকমত্যে আফগানিস্তানে জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করা হচ্ছে। এই সমস্ত দেওবন্দী উলামারা কীসের ভিত্তিতে বছরের পর বছর ধরে শরীয়তের খেলাফ কাজ করে যাচ্ছেন ???
৫। ২০১১ সাল থেকে সিরিয়ায় জিহাদ চলছে। সিরিয়ার একেকটি শহরকে এখন ধ্বংস হয়ে যাওয়া প্রাচীন নগরী বললে কম বলা হবে। সিরিয়া কী দারুল কুফর/দারুল হারব হয়নি ? এই দারুল কুফর/দারুল হারবে কিন্তু অদ্যাবধি জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করা হচ্ছে। সিরিয়ার হানাফী আলিমরা বছরের পর বছর ধরে শরীয়তের খেলাফ কাজ করে যাচ্ছেন ???
আর এই শরীয়তবিরোধী কাজ দেখে দেওবন্দের উলামাদের কোনো ফাতাওয়া আছে কিনা তাও জানা দরকার ! যদি না থেকে থাকে তাহলেতো বলতেই হয়,দেওবন্দীরা শরীয়ত বিরোধীরা কাজ দেখেও চুপ করে থাকে,যা হক্বের বৈশিষ্ট্য নয় !!
৬। ১৯৪৮ সাল থেকে আমাদের ফিলিস্তিন কেড়ে নিলো ইহুদীরা । ১৯৬৭ সালে মাসজিদে আকসাও দখল করলো নাপাক ইহুদীরা। আজকের অবরুদ্ধ বস্তি গাজা ও পশ্চিম তীর কী দারুল হারব নয় !! কিন্তু ১৯৪৮ সাল থেকেই সেখানে জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করা হচ্ছে। দেওবন্দীসহ গোটা দুনিয়ার আলিমরা কীভাবে যুগ যুগ ধরে এই শরীয়ত বিরোধী কাজ চালিয়ে যেতে দিচ্ছে !! আমিতো ক্লান্ত হয়ে গেলাম !!!
৭। ক্রুসেডার বাহিনী ও তাদের দালালদের সাথে সর্বাত্মক যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করা সোমালিয়ায়ও জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করা হচ্ছে। শরীয়তের খেলাফ এই কাজের ব্যাপারে কারো কোনো ফাতাওয়া আছে কী ? বিশেষ করে দেওবন্দী উলামাদের ??

তালিকাটা আর বেশী বড় করলাম না। উক্ত জিহাদী আলিম(আল্লাহ্* উনাকে ত্বগুতের কারাগার থেকে মুক্ত করুন), শাহ আব্দুল আযীয রাঃ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত গোটা দেওবন্দী উলামারা যা করেছেন,তাই করেছেন । তথা জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করেছেন। সুতরাং জনৈক মুফতীর বক্তব্য অনুযায়ী পুরো দেওবন্দের উলামারা কেনো শরীয়তের খেলাফ করলেন এবং এখনো করছেন,তার জবাব জানতে চাই ???

দেওবন্দের উলামাদের শরীয়তের খেলাফ থেকে উদ্ধার করার জন্য কারো কী গাইরাহ বা আত্মসম্মান অবশিষ্ট আছে !!!!
দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতা উলামাদের থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সকল উলামাদের উপর শরীয়তের খেলাফ কাজ করার অপবাদ প্রদানকারীকে প্রশ্নের মুখোমুখি করার মতো গাইরাহ বা আত্মসম্মান কী কারো অবশিষ্ট আছে !!!!!
আশ্চর্যের বিষয় কী জানেন, উক্ত মুফতী দারুল হারবের বিধান বর্ণনা করতে গিয়ে কোথাও লিখেননি যে,দারুল হারবে জুমআ ও ঈদের সলাত আদায় করা যাবে না !!
দেখুন........ http://tinyurl.com/h8ed2ky

এখন উনাদেরকে শরীয়তের খেলাফ করা থেকে বাঁচানোর একটা উপায় আছে ! আর তা হচ্ছে, ইংরেজদের দখলকৃত ভারত উপমহাদেশ,রাশিয়ার দখলকৃত আফগানিস্তান, আমেরিকার দখলকৃত আফগানিস্তান,নুসাইরী কাফির আসাদ দখলকৃত ধ্বংসস্তুপ সিরিয়া, ইসরায়েল দখলকৃত অবরুদ্ধ ফিলিস্তীন এবং ক্রুসেডার ও তাদের দালালদের দখলকৃত সোমালিয়াকে দারুল আমান(??) বলে ঘোষণা দিয়ে দেয়া !! যেমনটা উক্ত মুফতী আমেরিকা,ইউরোপ,ভারত,বাংলাদেশকে দারুল আমান বলে আখ্যা দিয়েছেন !!!
উক্ত মুফতীর আকীদা অনুযায়ী আমেরিকা,ইউরোপ,ভারতও দারুল আমান !! আর দারুল আমানে জিহাদ করা জায়েয নয় !! সুতরাং আমেরিকা,ইউরোপ ও ভারতে জিহাদ জায়েয নয় !!!
দেখুন তার সুস্পষ্ট বক্তব্য......
// বর্তমানে পৃথিবীর অধিকাংশ রাষ্ট্রই দারুল আমান। এমনকি আমেরিকা ইউরোপের রাষ্ট্রগুলোও। কারণ সেখানে সকল ধর্মাবলম্বীরাই স্বীয় ধর্ম পালনে ও প্রচারে স্বাধীন।রাষ্ট্র পক্ষ থেকে কোন প্রকার বিধি-নিষেধ নেই। যদিও সরকারী আইন ইসলামী নয়।
এ হিসেবে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ অধিকাংশ রাষ্ট্রই দারুল আমানের অন্তর্ভূক্ত।//
প্রমাণ....... http://tinyurl.com/h8ed2ky

আর তার ফাতাওয়া অনুযায়ী দারুল আমানে জিহাদ করা জাযেয নয়।সুতরাং আমেরিকা,ইউরোপ,ভারত এসব দেশে জিহাদ করা জায়েয নয় !! দেখুন প্রমাণ......
//দারুল হরবে সবার উপর জিহাদ ফরজ হয়। দারুল আমান বা দারুল ইসলামে নয়। আর বাংলাদেশ দারুল ইসলাম না হলেও দারুল আমান। তাই বাংলাদেশে জিহাদ ফরজ হয়ে গেছে, শসস্ত্র জিহাদে নামতে হবে বলা বিশৃংখা সৃষ্টি আর দ্বীনের অপব্যাখ্যা ছাড়া আর কিছু নয়।
বাংলাদেশ দারুল আমান। তাই এখানে শসস্ত্র জিহাদ বর্তমানে করা জায়েজ নয়।//
//৪- দারুল আমান রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধির ব্যাপারে মুসলমানদের প্রচেষ্টা করা জায়েজ আছে। যেমন সাহাবায়ে কেরাম আবিসিনিয়ার বাদশাকে সাহায্য করেছেন তার দুশমনদের বিরুদ্ধে। তবে শর্ত হল, রাষ্ট্রপক্ষ যেন কোন মুসলিম রাষ্ট্র ধ্বংসের কার্যকলাপে লিপ্ত না হয়।//
প্রমাণ....... http://tinyurl.com/gofkavn

কিন্তু আবারো সেই বিপত্তি বাধালেন দেওবন্দেরই এক মুরব্বী। মুফতী মাহমূদ হাসান গাঙ্গুহী রহঃ তো ব্রিটিশ শাসিত ভারতকে দারুল হারবই বলেছেন ??? এমনকি হিন্দুস্তান হওয়ার পরেও !!! এবার কী বলা হবে ???

"মুফতী মাহমূদ হাসান গাঙ্গুহী রঃ কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, হযরত! ইংরেজদের যামানায় হিন্দুস্তান আপনাদের মতে দারুল হরব ছিল কি ? ইংরেজদের পর বর্তমান সময়ে আগের হুকুমে কোন পার্থক্য এসেছে কি ?
হযরত জবাবে বললেন, "হ্যা! আমাদের মতে হিন্দুস্তান দারুল হরব ছিল ঐ সকল দলীলের ভিত্তিতে যা হযরত রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী রঃ ও শাহ আব্দুল আযীয রঃ লিখে গেছেন। বর্তমান যমানায়ও হিন্দুস্তান দারুল হরব। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার কারণে তা দারুল ইসলামে পরিণত হয়নি।"
(ফাতাওয়ায়ে মাহমূদীয়া খ:২০ পৃ:৩৬০)

এছাড়া.......
ইমাম কাসানী রাহঃ উনার সুবিখ্যাত কিতাব বাদাইউস সানায়ি তে হানাফী মাযহাব অনুযায়ী জুমআর জন্য মুসল্লীর সাথে যুক্ত নয় এমন অন্যান্য শর্ত বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, وَأَمَّا الشَّرَائِطُ الَّتِي تَرْجِعُ إلَى غَيْرِ الْمُصَلِّي فَخَمْسَةٌ فِي ظَاهِرِ الرِّوَايَاتِ ، الْمِصْرُ الْجَامِعُ ، وَالسُّلْطَانُ ، وَالْخُطْبَةُ ، وَالْجَمَاعَةُ ، وَالْوَقْتُ .
অর্থাৎ জুমআর একটি শর্ত হচ্ছে সুলতান তথা খলীফাহ বা তার প্রতিনিধি উপস্থিত থাকা। দেখুন......
وأما السلطان فشرط أداء الجمعة عندنا حتى لا يجوز إقامتها بدون حضرته أو حضرة نائبه
এদেশে তাহলে উনারা যে জুমআ পড়ান তাতে কোন সুলতান বা তার প্রতিনিধি উপস্থিত থাকে ???
উক্ত মুফতি সাহেব কী দেখাবেন কোথায় উনাদের দারুল আমানের(??) জন্য জুমআর অনুমতি দেয়া হয়েছে ????
উল্লেখ্য দারুল আমান বলে কোনো অবস্থা নেই। ফুকাহায়ে কিরামের মতে, একটি ভূখন্ডের অবস্থা দুটি। হয় দারুল ইসলাম অথবা দারুল কুফর/হারব। অনুসন্ধানীদের জন্য প্রখ্যাত হানাফী ফকীহ ইমাম কাসানী রহঃ এর বাদাইউস সানায়ি এর কিছুটা ইবারত তুলে ধরলাম। তারপর চ্যালেঞ্জ করতে আসাদের জন্য না হয় আরো দলীল সরবরাহ করা যাবে।
দেখুন...... فصل في بيان معنى الدارين دار الإسلام ودار الكفر
وأما بيان الأحكام التي تختلف باختلاف الدارين ، فنقول : لا بد أولا من معرفة معنى الدارين ، دار الإسلام ودار الكفر
(বাদাইউস সানায়ি,৭ম খণ্ড,পৃষ্ঠা-১৩০)
উক্ত জিহাদী আলীমতো হানাফী মাযহাবের বাইরে অন্যান্য ইমামদের অনেক কিছুর উপরও আমল করতেন। ফলে অন্য সকল মাযহাবের ইমামদের মতে, সুলতান বা দারুল ইসলাম কিছুই জুমআর জন্য শর্ত নয় বরং অন্যান্য ফরয সালাতের মতই। উনি না হয়,এক্ষেত্রে উক্ত ইমামদের অনুসরণ করে জুমআ পড়লেন ও পড়ালেন।
কিন্তু আপনারা কোন সুলতান বা তার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জুমআ আদায় করছেন ????

কথা আর বাড়াচ্ছি না........
উত্তর আগেও পাইনি এবং সামনে পাবো বলে মনে হয় না। সে আশাও করি না।আর তাদের কাছে উত্তর জানার জন্য লিখেছি,তাও নয়। বরং শুধু সত্য বুঝা ও মিথ্যাচার পরিহার করার জন্য কিছুটা সহায়তা করলাম মাত্র। আশা করি সত্য গ্রহণ করবেন।

তবে উল্টোও হতে পারে(আল্লাহ,তেমনটি না করুন।), হয়তো আরো ব্যাপক প্রোপাগান্ডা করা হতে পারে।আমার উপর ধেয়ে আসতে পারে অপবাদের তীর বৃষ্টি। কিন্তু তাতে আমি পরোয়া করি না। আমি ভালো করেই জানি, সত্যের মুখোমুখি হওয়ার মতো সৎসাহস তাদের থাকার কথা নয়,যারা একজন কারাবন্দী মাজলুম আলিমের বিরুদ্ধে নিকৃষ্টতম মিথ্যাচার করতে পারে। যারা কুফফারদের পিছনে না লেগে জিহাদ ও মুজাহিদদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা চালায়। যাদের ফাতাওয়া কুফফারদের চাওয়ার সাথে মিলে যায়। যারা জিহাদের হুকুমকে বিকৃত করে, আর টুইনটাওয়ার হামলার মতো বরকতময় হামলাকে ইহুদীদের চক্রান্ত হিসেবে দেখে।
তারা যেনো ভালো করে জেনে রাখে, আমরা তাদের শত্রু নই। কারণ, কোনো মুসলিম আমাদের শত্রু নয়। বরং এই দ্বীনের হিফাযতের জন্য তালিবান,আল-কায়েদার মুজাহিদরা গোটা দুনিয়ায় রক্তের নদী উৎসর্গ করে যাচ্ছে।
অনুরোধ থাকলো, তাদের ইলম,ফাতাওয়া যেনো ইসলামের শত্রুদের পক্ষে না যায়। জিহাদ ও মুজাহিদদের সহায়তা না করুক,ক্ষতি যেনো না করেন।
আল্লাহ্* তাআলা আমাদেরকে সত্য সামনে আসার পর তা গ্রহণ করার তাউফীক্ব দান করুন।

<<পোস্টের উদ্দেশ্য বুঝতে কষ্ট হলে আমার টাইমলাইন একটু দেখে আসতে হবে>>

বিঃদ্রঃ দ্বীনী শিষ্টাচার বহির্ভূত কমেন্ট ডিলিট করা হবে এবং কমেন্টকারীকে ব্লক করা হতে পারে।
আরেকটা বিষয় আমি এদেশে তালিবান,আল-কায়েদার প্রতিনিধিত্ব করি না। মুজাহিদদেরকে ভালোবাসি,উনাদের সপক্ষে থাকার চেষ্টা করি। তাই স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে জিহাদ ও মুজাহিদদের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডার জবাব দিয়ে থাকি। সুতরাং আমার বক্তব্যকে আল-কায়েদার বক্তব্য মনে করার কোনো সুযোগ নেই।

https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=298325727217587&id=100011204868334

Mullah Murhib
09-28-2016, 07:38 AM
জাযাকাল্লাহ!