Announcement

Collapse
No announcement yet.

সি চিন পিংয়ের ঢাকা সফরঃ মুসলিম হত্যাকারীদের সাথে এই শাসকবর্গের সখ্যতা বহু পুরনো।

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • সি চিন পিংয়ের ঢাকা সফরঃ মুসলিম হত্যাকারীদের সাথে এই শাসকবর্গের সখ্যতা বহু পুরনো।

    সি চিন পিংয়ের ঢাকা সফরঃ মুসলিম হত্যাকারীদের সাথে এই শাসকবর্গের সখ্যতা বহু পুরনো।
    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
    সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবা ও যারা তাঁর সাথে বন্ধুত্ব রাখে তাদের উপর।
    অতঃপর
    চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং আজ ১৪ অক্টোবর দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন। পূর্ব তুর্কিস্তানের মুসলিম হত্যায় অংশগ্রহণকারী একজন কমিউনিস্ট হন্তারকের মুসলিমদের ভুমি ঢাকা সফর, একজন মুসলিম হিসেবে আপনার কিছু বিষয় জানা উচিত ছিল!


    প্রাথমিক আলোচনা
    বিস্মৃতির গহ্বরে পূর্ব তুর্কিস্তান...
    পূর্ব তুর্কিস্তান সম্পর্কে ১০টি বাস্তব তথ্য আপনার জানা আছে কি?

    (১) ঐতিহাসিকভাবে পূর্ব তুর্কিস্তান কখনোই চীনের অংশ ছিল না। বরং এই ভূমিকে 'হান' চীনারা (হান : চীনাদের একটি জাতিভেদ) উপনিবেশে পরিণত করেছিল, যেমনি ভাবে ব্রিটিশরা আমাদের উপমহাদেশকে উপনিবেশে পরিণত করেছিল। এই ভূমির অবস্থান চীনের মহা প্রাচীরের বাইরে। আমরা জানি, চীনের মহা প্রাচীর ছিল চীনের সীমানা নির্ধারক স্থাপনা যা বহিঃশত্রুদের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে চীনারা নির্মাণ করেছিল। পূর্ব তুর্কিস্তান যেমনি চীনের প্রাচীরের বাইরে, ঠিক তেমনি Jade Gate (জেড ফটক) এর পশ্চিমে। সুতরাং ইতিহাস সাক্ষী, কস্মিনকালেও পূর্ব তুর্কিস্তান চীনের অংশ ছিল না। তাই, শুধুমাত্র পূর্ব তুর্কিস্তান নাম পরিবর্তন করে যিনজিয়াং/ সিংকিয়াং (অর্থ- নতুন রাজ্য) রাখলেই অতীত ইতিহাস বদলে যাবে না।
    (২) বিগত দুই সহস্রাব্দের মধ্যে ১৮০০ বছরই পূর্ব তুর্কিস্তান চীনের কবল থেকে মুক্ত ছিল। আর ১০০০ বছর পুরনো ইসলামী ইতিহাসের কথা হিসাব করলে, দীর্ঘ ৭৬৩ বছর পূর্ব তুর্কিস্তানের মুসলিমরা স্বাধীন থাকলেও, বর্তমানে ও অতীতের বিভিন্ন সময় মিলিয়ে মোট ২৩৭ বছর তারা চীনের কাছে পরাধীন আছে।
    (৩) ১৯৪৯ সালের হিসাব অনুযায়ী পূর্ব তুর্কিস্তানের ৯৩% জনসংখ্যা ছিল উইঘুর বা তুর্কি মুসলিম। কিন্তু এ সংখ্যা কমে ৯৩ % থেকে বর্তমানে ৫৫% এ নেমে এসেছে। কারণ, বিগত ৬০ বছর যাবত চীনা কমিউনিস্ট সরকার মুসলিমদেরকে পূর্ব তুর্কিস্তান থেকে চীনের অন্যত্র স্থানান্তরিত হতে বাধ্য করেছে। বর্তমানে এখানে হান চীনাদের সংখ্যা ৪৫%, যেখানে কমিউনিস্টদের ক্ষমতা দখলের আগে অর্থাৎ ১৯৪৯ সালে যা ছিল মাত্র ৭%।
    (৪) ১৯৪৯ সালে যখন কমিউনিস্টরা চীনের ক্ষমতা দখলের পর থেকে বেশ কয়েকবার কমিউনিস্ট সরকার পূর্ব তুর্কিস্তানে চৈনিক জাতিশুদ্ধি অভিযান চালায়। যাতে প্রাণ হারায় প্রায় ৪৫ লক্ষ মুসলিম।
    (৫) চীনা সরকার এ পর্যন্ত নিজেদের নাগালে যতগুলো কুরআনের কপি কিংবা দ্বীনী কিতাব পেয়েছে, প্রত্যেকটাকে বাজেয়াপ্ত করেছে। চীনা কুফফাররা এ পর্যন্ত মোট ত্রিশ হাজার সাতশ টি (৩০,৭০০) মুদ্রিত আধুনিক ও হাতে লেখা প্রাচীন ইসলাম কিতাব আগুনে ভস্ম করেছে, আটাশ হাজার (২৮,০০০) মসজিদ বন্ধ করে দিয়ে সেগুলোকে বারে (মদের আড্ডা) পরিণত করেছে, আঠারো হাজার (১৮,০০০) মাদ্রাসা গুদামঘরে পরিণত করেছে, এক লক্ষ বিশ হাজার (১,২০,০০০) আলেমে দ্বীনকে হত্যা করেছে এবং চুয়ান্ন হাজার (৫৪,০০০) জনকে জোর করে ধরে নিয়ে গিয়ে লেবার ক্যাম্পের শ্রমিক-মজুর বানিয়েছে।
    (৬) চীনে কোন মুসলিমকে কুরআন শিক্ষা দেয়ার শাস্তি: ১০ বছরের কারাদণ্ড!
    (৭) মুসলিম মহিলাদের হিজাব পরিধান আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ! কোন মুসলিমা বোন হিজাব পড়ে যদি ধরা পড়েন, তাকে ৫০০০ ডলার জরিমানা দিতে হয়। অথচ পূর্ব তুর্কিস্তানের একজন মুসলিমের সারা বছরের গড় আয়ই কিনা কেবলমাত্র ১০০০ ডলার!
    (৮) চীন পূর্ব তুর্কিস্তানকে পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা করার জায়গা বানিয়েছে। এ পর্যন্ত তারা সেখানে মোট ৩৫ টি পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা করেছে, যার তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে দুই লক্ষ (২,০০,০০০) মুসলিম প্রাণ হারিয়েছে। অনবরত পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার কারণে পূর্ব তুর্কিস্তানে তেজস্ক্রিয়তার এমন প্রভাব পড়েছে যে এক বছরেই (১৯৯৮ সাল) সেখানে বিশ হাজারের (২০,০০০) উপর বিকলাঙ্গ ও প্রতিবন্ধী শিশু জন্মগ্রহণ করেছে। আর বিগত বছরগুলোতে পূর্ব তুর্কিস্তানে ক্যান্সার, প্যারালাইসিস এবং বেশ কিছু জীবন নাশক অজানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছে।
    (৯) বিশ এর কম বয়সী তরুণদের কুরআন শেখা, মসজিদে আসা, এমনকি জুমার নামায পড়াও নিষিদ্ধ!!! আর যাদের বয়স ২০ এর উপর তাদেরকে যদিও জুমা পড়ার সুযোগ দেয়া হয়, কিন্তু তাদেরকে নামায পড়ার জন্য মাত্র ২০ মিনিট সময় দেয়া হয়। ২০ মিনিটের চেয়ে ১ সেকেন্ড বেশী সময় মসজিদে থাকা আইনত নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয়!!!
    (১০) পূর্ব তুর্কিস্তানকে সদা 'শান্ত' রাখতে চীনা সরকার সেখানে সেনা ও পুলিশবাহিনীর ১০ লক্ষ সদস্যকে সর্বদা মোতায়েন করে রাখে।
    _________
    Resurgence বাংলা
    .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... ....
    আস-সাহাব উপমহাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত Resurgence ম্যাগাজিন অবলম্বনে।
    মূল আলোচনার সংক্ষিপ্ত রুপ-
    ১/ পূর্ব তুরকিস্তান বা জিনজিয়াং হচ্ছে একটি স্বতন্ত্র ইসলামী রাষ্ট্র।
    ২/ ১৯১১ সালে মাঙ্কু সম্রাজ্য উৎখাতের মাধ্যমে পূর্ব তুর্কিস্তানে চীনা শাসন চালু হয়। কিন্তু স্বাধীনচেতা বীর উইঘুররা এই বিদেশী শাসনের সামনে মাথা নোয়ায়নি। ৩/ ১৯৩৩ এবং ১৯৪৪ সালে তারা দুবার চীনাদের সাথে জিহাদ করে স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু ভাগ্য তাদের অনুকূলে ছিল না।
    ৪/ ফলে ১৯৪৯ সালে আবারো তারা চীনা কমিউনিস্টদের হাতে পরাজিত হয়।
    ৫/ ১৯১১ইং থেকে ২০১৬ ইং সাল পর্যন্ত ১০৫ বছর যাবত চীনারা সরকারীভাবে পূর্ব তুর্কিস্তানের মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আসছে।
    ৬/ ১৯২১ ইং থেকে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি এখনো অবধি ক্ষমতায় আছে। সুতরাং এটা নিঃসন্দেহে সাব্যস্ত হয় যে, পূর্ব তুর্কিস্তানের মুসলিম নির্যাতনের নেতৃত্বে এই পার্টি ও তার সরকার-ই রয়েছে।
    ৭/ ঢাকা সফরকারী সি চিন পিং এই পার্টির বহু পুরনো সদস্য। সে ২০০৭ সাল থেকে সরকারী ও পার্টির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব এবং বহু কাজ সে আঞ্জাম দিয়েছে। ২০১৯ সালে সে উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী হয় এবং বর্তমান চীনের রাষ্ট্রপতি ও পার্টি প্রধান। সুতরাং ২০০৭ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে বিশেষ করে গত ৩/৪ বছরে পূর্ব তুর্কিস্তানের উইঘুর মুসলিমদের নির্যাতনের যে অল্প কিছু চিত্র মিডিয়াতে এসেছে, তাতে এই সি চিন পিং নেতৃত্ব দিয়েছে ও পূর্ণমাত্রায় শরীক রয়েছে।
    সুত্রঃ


    ৮/ এই মুসলিম হত্যাকারী কমিউনিস্টদের সাথে বাংলাদেশের গাদ্দার শাসকবর্গের সখ্যতার কিছু চিত্র-
    # ১৯৭৫ সালের প্রথমার্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে একটি সরকারি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল ক্যান্টনের (বর্তমান গোয়াংজো) বাণিজ্য মেলায় যোগ দেয়। বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে কতটা গুরুত্ব দেবে, তারই একটা দৃষ্টান্ত ছিল ওই বাণিজ্য মেলায় যোগদানের ঘটনাটি।
    # চীনের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই পাকিস্তান আমল থেকেই চীন এই অঞ্চলের গাদ্দার শাসকবর্গের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব পোষণ করেছে। চৌ এন লাই, লিও শাওচি
    প্রমুখ চীনা নেতারা সেই সময়েই ঢাকা সফর করেছেন।
    # ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে বেইজিংয়ে প্রথম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর চুক্তি স্বাক্ষর
    # বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তাগুত শেখ হাসিনা ২০০৩ সালের নভেম্বর মাসে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে চীন সফর করেন। সেই সফরে চীন সম্পর্কে এবং বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ক উন্নয়নে, তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল।
    # প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ১৭ থেকে ২১ মার্চ চীনে সরকারি সফর করেন। সেই সময়কার অন্য সব সহযোগিতার মধ্যে আমাদের বিবিধ অবকাঠামো ও যাতায়াতব্যবস্থার উন্নয়নে চীনের সহায়তা দুই দেশের বিদ্যমান মৈত্রীবন্ধন জোরালো করেছিল।
    # প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে চীন থেকে আহরিত অস্ত্রসম্ভার চীনের শক্তি দৃঢ়তর করেছিল। ২০১৪ সালের ৬ থেকে ১১ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার চীন সফর করলেন। সফর শেষে তিনি বলেছিলেন, তাঁর বিশ্বাস, তাঁর সফর বিনিয়োগ, বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি ক্ষেত্রে চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দৃঢ়তর করবে। সেই সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে ‘স্ট্র্যাটেজিক’ সহযোগিতায় উন্নীত করার জন্য আলাপ-আলোচনা করেন।
    # প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের এই সফর হবে বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো একজন চীনা রাষ্ট্রপ্রধানের সফর। ১৯৮৫ সালের ৮ থেকে ১১ মার্চ চীনের রাষ্ট্রপতি লিশিয়েন নিয়েন বাংলাদেশ সফর করেন।
    সুত্র- http://www.prothom-alo.com/opinion/a...ফর
    # আমি আশা করি, এবারের সফরে আমি বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মান উন্নত করতে, দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার দিক নির্ধারণ করতে, চীন-বাংলাদেশ বিনিময় ও সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় খুঁজে বের করতে এবং সার্বিকভাবে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হব। - চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ঢাকা সফর উপলক্ষে প্রথম আলোকে দেওয়া তাঁর বিশেষ লেখা
    বিস্তারিত পরুন- http://www.prothom-alo.com/opinion/a...্য

    ৯/ যখন উম্মাহর গাদ্দার শাসকবর্গ পূর্ব তুর্কিস্তানের সেই ইসলামী রাষ্ট্র ও তাঁর জনগণকে ভুলে গিয়েছিল। তখন উম্মাহর কিছু গুরাবা মনীষী তাঁদের সেই হারানো মিনার উদ্ধারে নিজেদের জান ও মাল সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছিলেন, যাদের মধ্যে আল কায়েদার আমীর শায়েখ উসামা বিন লাদেন রহঃ, ও তাঁর সঙ্গীরা উল্লেখযোগ্য। নিম্নে তুর্কিস্তানের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র সংগ্রামে নেতৃত্ব দানকারী তুর্কিস্তান ইসলামিক পার্টির পরিচয় তুলে ধরা হল-
    প্রতিষ্ঠাঃ ১৯৯৭ সাল থেকে এখনো চলমান...
    নেতৃত্বঃ শায়েখ হাসান মাহসুম, শায়েখ আব্দুল হক হাফি, আব্দুশ শাকুর আত তুরকিস্তানি, শায়েখ আব্দুল্লাহ মানসুর।
    বর্তমান সদর দফতরঃ উত্তর ওয়াজিরিস্তান, পাকিস্তান
    জিহাদি কর্ম তৎপরতাঃ চীন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া ও শাম
    যাদের সাথে সম্পর্ক আছেঃ
    -তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান
    -জামাআত কায়েদাতুল জিহাদ
    - জাবহাতু ফাতহিশ শাম (সাবেক জাবহাতুন নুসরাহ)
    - তেহরিকে ইসলামী উজবেকিস্তান
    - East Turkistan Education and Solidarity Association (ETESA)
    তাঁদের শত্রু যারাঃ
    -চীনের কমিউনিস্ট সরকার
    - পাকিস্তানের মুরতাদ সরকার
    - সিরিয়ার দখলদার শিয়া সরকার
    - হিজবুল লাত, লেবানন
    - ইরানি রেভ্যুলেশনারি গার্ড
    - আফগানিস্তানের মুরতাদ সরকার
    - কাজিকিস্তানের মুরতাদ সরকার
    - কিরগিজিস্তানের মুরতাদ সরকার
    - উজবেকিস্তানের মুরতাদ সরকার
    - রাশিয়া
    সম্মানিত পাঠক এবারের উপরের তথ্যগুলো বিস্তারিত নিম্নের আলোচনায় দেখুন-

    প্রথম আলোচনাঃ উইঘুর : আরেক নির্যাতিত জাতি
    অনেকেই হয়ত জানেন না চীন দেশের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসরত মুসলমানদের কথা। আরাকানের মুসলমানদের মতো তারাও নিজ মাতৃভূমিতে পরদেশি হিসেবে বসবাস করছে ।
    অনেকদিন ধরে চীনা সরকারের নির্যাতন- নিপীড়নের স্টীম রোলার চলছে তাদের উপর । অপরাধ! তারা মুসলমান ।
    উইঘুর জাতির ইতিহাস অনেক প্রাচীন । মূলত এরা স্বাধীনপূর্ব তুর্কিস্তানের অধিবাসী। পূর্ব তুর্কিস্তান প্রাচীন সিল্ক রোডের পাশে অবস্থিত মধ্য এশিয়ার একটি দেশ, যার চারপাশে চীন, ভারত, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া ও রাশিয়ার অবস্থান। এ অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশেই উইঘুর সম্প্রদায়ের বাস রয়েছে। ২০০৯ সালের এক হিসাব অনুযায়ী এসব দেশের মধ্যে চীনের ঝিনঝিয়াংয়ে ১ কোটি ২০ হাজারের মতো উইঘুর লোক বসবাস করে। কাজাখস্তানে ২ লাখ ২৩ হাজার, উজবেকিস্তানে ৫৫ হাজার, কিরগিজস্তানে ৪৯ হাজার, তুরস্কে ১৯ হাজার, রাশিয়ায় ৪ হাজার, ইউক্রেনে ১ হাজারের মতো উইঘুর সম্প্রদায়ের লোক বাস করে।

    ১৯১১ সালে মাঙ্কু সম্রাজ্য উৎখাতের মাধ্যমে পূর্ব তুর্কিস্তানে চীনা শাসন চালু হয়। কিন্তু স্বাধীনচেতা বীর উইঘুররা এই বিদেশী শাসনের সামনে মাথা নোয়ায়নি। এ কারণে ১৯৩৩ এবং ১৯৪৪ সালে তারা দুবার চীনাদের সাথে সাহসিকতা প্রদর্শন করে স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু ভাগ্য তাদের অনুকূলে ছিল না। ফলে ১৯৪৯ সালে আবারো তারা চীনা কমিউনিস্টদের হাতে পরাজিত হয়। ঝিনঝিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশে পরিণত হয়। তখন ঝিনঝিয়াংয়ে কমিউনিস্ট পার্টির গভর্নর ছিলেন সাইফুদ্দিন আজিজি ।
    ১৭৯০ সালের এক সমীক্ষায় চীনে প্রায় ৩০ হাজারের মতো মাদ্রাসা ছিলো।আর ১৯৯৮ সালের সমীক্ষায় চীনে প্রায় ৩২ হাজার ৭৪৯ মসজিদ ছিলো।যার মধ্যে জিন্জিয়াং প্রদেশেই ২৩ হাজার । বর্তমানে চীনে প্রায় ১০টির বেশি বিভিন্ন গোত্রীয় মুসলিম রয়েছে। চীনে বসবাসরত সব মুসলিমদের মধ্যে উইঘুর মুসলিমদের ইতিহাস অনেক সমৃদ্ধ।তারা চীনের পশ্চিমান্চলের জিনজিয়াং প্রদেশে বাস করে। তারাই এ এলাকার সংখ্যাগরিষ্ঠ।

    সমস্যার শুরু
    ১৯৪৯ সালে যখন চীন একটি গণপ্রজাতন্ত্রে রূপ নেয়,তখন থেকেই বড় ধরনের সাংস্কৃতিক
    পরিবর্তন হতে লাগলো।এভাবে একটা সময় যখন কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় তখন
    তারা মুসলমানদের উপর নির্যাতন শুরু করে।
    ধর্মীয় স্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ
    উইঘুর মুসলমানরা নিজেদের আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত বাধার মুখে পড়ছে। যেমন, পবিত্র রমযান মাসে সরকারি কর্মচারীরা রোজা রাখতে পারবে না, কেউ যদি আইন লঙ্ঘন করে রোজা রাখে, তাকে রোজা ভাঙতে বাধ্য করা হয়। কলেজ ছাত্রদের অবশ্যই সাপ্তাহিক রাজনৈতিক শিক্ষাক্লাসে যোগ দিতে হবে এবং সশস্ত্র পুলিশ কর্মকর্তারা কতৃপক্ষের অনুমোদনবিহীন মাদরাসাগুলোতে যখন ইচ্ছা হানা দিতে পারবে। সবচেয়ে বেশি উসকানিমূলক পদক্ষেপ হচ্ছে, নারীদের হিজাব ব্যবহার করা ও পুরুষদের দাড়ি রাখার বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান। যেসব ট্যাক্সিচালক বোরকা পরা নারীদের গাড়িতে নেবে, তাদের মোটা অংকের জরিমানা করা, মস্তকাবরণ সরাতে অনিচ্ছুক নারীদের চিকিৎসা সেবা দিতে ডাক্তারদের বারণ করা। বোরকা পরা নারীদের প্রশাসনকর্তৃক বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা। সরকারের আরেকটি খারাপ নীতি হচ্ছে নারী এবং ১৮ বছরের নিচের কোনো ছেলে মসজিদে যেতে পারবে না। সম্মিলিতভাবে কুরআন-হাদিস অধ্যয়নে সরকারি নিষেধাজ্ঞা এবং ধর্মীয় স্থাপনাগুলো সার্বক্ষণিক থাকে তাদের গোয়েন্দা নজরদারিতে। নামাজ পড়ার কারণে চাকরি চলে গেছে, এরকম ভুরিভুরি নজির আছে ঝিনঝিয়াংয়ের উইঘুর জনপদে। চাকরির ক্ষেত্রেও উইঘুর মুসলমানরা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। যা সাম্প্রতিক সময়ে পরিচালিত একটি জরিপ থেকে বোঝা যায় ।
    ধর্মীয় ক্ষেত্রে উইঘুর মুসলিমদের প্রতি চীন সরকারের নীতির কঠোর সমালোচনা করে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ২০০৯ সালের দাঙ্গার পর চীনা সরকারের সমালোচনা করে শান্তিপূর্ণভাবে মতামত প্রকাশের দায়ে চীন সরকার গোপনে বেশ কয়েকজন উইঘুর মুসলিম বুদ্ধিজীবীর বিচার করেছে। তারা আরো বলেছে, ধর্ম নিয়ন্ত্রণ এবং সংখ্যালঘুদের ভাষাশিক্ষা নিষিদ্ধ করার চীনা নীতি ঝিনঝিয়াংয়ে অস্থিতিশীলতার অন্যতম কারণ। মুসলমানরা অভিযোগ করছেন, তাদের স্বকীয়তা ও সংস্কৃতি মুছে ফেলার লক্ষ্যে তাদের নিজস্ব ভূভাগে সন্ত্রাসী হান সম্প্রদায়কে দিয়ে বসতি গড়ে তোলা হচ্ছে। ভূতত্ত্ববিদ আর সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, চীনা কর্তৃপক্ষের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে ১৯৪০ দশকে ঝিনঝিয়াংয়ের ৫ শতাংশ হান সম্প্রদায় বর্তমানে ৪০ শতাংশে পরিণত হয়েছে এবং সেখানে নিয়মিত মুসলিমবিরোধী দাঙ্গা হয়ে আসছে।

    উইঘুর মুসলমান : খুন-হত্যা, গুম-অপহরণ যাদের নিত্যসঙ্গী
    তুর্কিস্তান থেকে চীনে আসা সম্প্রদায় উইঘুর। মঙ্গোলিয়া এবং তিব্বতের মাঝখানে এক পাহাড়ি ভূমিতে বসবাসকারী এই জাতিটি সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা হলো, তারা অতিমাত্রায় সাহসী যোদ্ধা এবং দুর্দমনীয়। একসময় এশিয়া মহাদেশের বড় অংশ যার দখলে ছিল, সেই চেঙ্গিস খাঁ এবং হালাকু খাঁর বাহিনীতে এদের যথেষ্ট সমাদর ছিল। কিন্তু ১৯৪৯ সালে তুর্কিস্তান চীনা বিপ্লবের সময় চীনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। চিরস্বাধীনচেতা ও মুসলিম সংখ্যাঘরিষ্ঠ এই জাতিটি বর্তমানে চীনের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ও স্বাধীনতার জন্য প্রাণপন লড়াই করছে। নিজস্ব ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার জন্য প্রতিবছর শতশত উইঘুর মুসলিম যুবক শাহাদতের অমীয় সুধা পান করছেন। আর চীন সাম্যবাদের নামে তাদের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে বিলুপ্ত করার এক রক্তক্ষয়ী হোলিখেলায় মেতে উঠেছে। শত শত নিহতের সংখ্যা প্রায়ই মাত্র ১২ জন, অথবা ১৭ জন নিহত বলে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রচার করছে। প্রতিরোধ করার নিমিত্তে অস্ত্র হাতে নিলেও তাদের অন্যায়ভাবে বিশ্বের সামনে ফলাও করে উপস্থাপন করা হচ্ছে উগ্রপন্থি, সন্ত্রাসী, মানবতার শত্রু আর দাঙ্গা সৃষ্টিকারী হিসাবে। ধর্মীয় এবং জাতিগত কারণে তারা বারবার চীনা প্রশাসনযন্ত্রের নির্যাতনে নিষ্পেষিত হলেও তাদের দিকেই তোলা হয় অভিযোগের তীর। মামলা হামলায় বিপর্যস্ত হয় তাদের সাধারণ জীবন। বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠার জন্য নমুনাস্বরূপ কয়েকটি ঘটনা নিম্নে তুলে ধরছি, যা থেকে ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে সামান্য ধারণা পাওয়া যাবে।
    হান সম্প্রদায় বরাবরই হামলা চালায় উইঘুর মুসলমানদের ওপর। বর্তমানে ঝিনঝিয়াংয়ের ৪৫ শতাংশ উইঘুর মুসলমান। স্বাধিকার প্রতিষ্ঠায় তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। এর ফলে চীনা প্রশাসনের মদদে সেখানে অবৈধভাবে বসতি স্থাপনকারী হান বৌদ্ধদের হাতে চরম জুলুম-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন উইঘুররা। তবে সবচেয়ে বড় দাঙ্গার ঘটনাটি ঘটে ২০০৯ সালের জুলাই মাসে। ওই সময় ঝিনঝিয়াংয়ের আঞ্চলিক রাজধানী উরুমকিতে মুসলমানদের ওপর হান সম্প্রদায়ের হামলায় অন্তত ২০০ জন উইঘুর প্রাণ হারায়। এ ঘটনায় আহত হয় ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি উইঘুর মুসলিম। চীনা কতৃপক্ষ ঝিনঝিয়াংয়ের সহিংসতার জন্য চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী উগ্রপন্থি মুসলমানদের! দায়ী করে। তবে উইঘুররা বিবিসি প্রতিনিধিকে জানান, সরকার তাদের ওপর কঠোর জুলুম-নিপীড়নকে বৈধতা দেয়ার লক্ষ্যে উগ্রপন্থিদের হুমকিকে অতিরঞ্জিত করে প্রচার করছে ।
    ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বরে উত্তেজনাপূর্ণ ঝিনঝিয়াংয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ৮ জন উইঘুর মুসলিম নিহত হন। যদিও কতৃপক্ষের অভিযোগ, ছুরি ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ে ৯ জন উইঘুর মুসলিম যুবক থানায় হামলা চালায় এবং গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। চীনের সরকারি বার্তাসংস্থা সিনহুয়ায় প্রশাসন এ অভিযোগ করলেও তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে উইঘুর কংগ্রেস বলেছে, এই হত্যাকা- শান্তিকামী সংখ্যালঘুদের ওপর চালানো নির্যাতনের আরেকটি ভয়ানক কাহিনি। ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট রাবেয়া কাদির গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন যে, সাম্প্রতিক ঘটনা থেকে স্পষ্ট প্রতিয়মান হয় যে, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় উইঘুর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য মুছে ফেলার লক্ষ্যে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে এই হত্যাকা- ঘটানো হয়েছে।
    একইভাবে ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর চীনা পুলিশ একই ভিত্তিহীন অভিযোগে ১৪ জন উইঘুর মুসলিমকে হত্যা করে। ২০১৩ সালের জুন মাসে ঝিনঝিয়াং অঞ্চলে এক রক্তক্ষয়ী দাঙ্গায় অন্তত ২৭ জন উইঘুর মুসলিম নিহত হন। পুলিশের সাথে এ সহিংসতার ঘটনা ঘটে। আঞ্চলিক রাজধানী উরুমকির ১২০ মাইল দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় শহর লুককুনে ভোর ৬ টার দিকে এই দাঙ্গার সূত্রপাত হয়। উইঘুর মুসলমানদের অভিযোগের তীর স্থানীয় প্রশাসন এবং হান সম্প্রদায়ের দিকেই ।
    ২২ মে ২০২৪ উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিত ঝিনঝিয়াং প্রদেশের আঞ্চলিক রাজধানী উরুমকির একটি ব্যস্ততম মার্কেটে বোমা হামলায় ৩১ জন নিহত হয়েছে। এ হামলায় ৯০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়। উইঘুর মুসলমান নিহত হলেও চীনা প্রশাসন তাদেরকে এই হামলার জন্য দায়ী করেছে। কিন্তু উইঘুর মুসলমানরা এটাকে তাদের ওপর চালানো দমন-নিপীড়নের অংশবিশেষ বলে মনে করে। এমনই মন্তব্য উঠে এসেছে বিবিসির প্রতিবেদনে।
    শুধু হত্যা আর খুন নয়, বরং তাদের বুদ্ধিজীবীদের গ্রেফতার করে তাদেরকে মনস্তাত্ত্বিকভাবেও চাপে রাখা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি চীনের পুলিশ খ্যাতনামা উইঘুর মুসলিম বুদ্ধিজীবী, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ইলহাম তোহতি ও তার মাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তার ব্যক্তিগত কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কাজগ-পত্র আটক করে। ইলহাম তোহতি বেইজিং ইউনিভার্সিটির ইকোনমিক্সের একজন খ্যাতনামা অধ্যাপক। তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, তিনি উইঘুর মুসলমানদের পক্ষে কাজ করেন। তেমনিভাবে চীনা কতৃপক্ষের নির্যাতনে আহত তরুণ উইঘুর মুসলিম নারী আইনজীবী গুলনার আব্দুল্লাহ মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে মারা যান।
    ২৭ মে ২০১৪ এক গণবিচারে ৫৫ জন উইঘুর মুসলমানকে দন্ডাদেশ দিয়েছে চীন সরকার। ঝিনঝিয়াং প্রদেশের ঈলি জেলার একটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই গণবিচার প্রত্যক্ষ করে প্রায় সাত হাজার স্থানীয় জনতা ও কর্মকর্তারা। খুন, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে যুক্ত হওয়ার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদন্ড ও অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেয়া হয়েছে। একই অভিযোগে আরো ৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ঘোষণা করে পুলিশ ।
    গত ২০১৩ সালের ২২ আগস্ট কাশগড় প্রিফেকচারে কতৃপক্ষের ভাষায় সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে দুই ডজন উইঘুর মুসলিমকে হত্যা করা হয়। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরের গোড়ার দিকে আকসু প্রিফেকচারের একটি থানার বাইরে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় কমপক্ষে ৩ জন মুসলিম ও আহত হয় ২০ জন ।
    সুত্রঃ http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/33346

    ২য় আলোচনাঃ চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ও তার নেতাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। - উইকিপিডিয়া থেকে পরুন-



    ৩য় আলোচনাঃ ঢাকা সফরকারী সি চিন পিং এর বিস্তারিত ইতিহাস উইকিপিডিয়া থেকে -


    ৪র্থ আলোচনাঃ মুসলিম হত্যাকারীদের সাথে এই শাসকবর্গের সখ্যতা বহু পুরনো।
    সিআইএর এজেন্ট হিসেবে খ্যাত প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত দুটি লেখা-






    Last edited by umar mukhtar; 10-14-2016, 05:10 AM.

  • #2
    সম্মানিত ভাইয়েরা! রাতভর ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাঁটি করে এই লেখাটি তৈরি করলাম, আলোচনার বিষয়বস্তুর গতি ও অন্যান্য বিষয় হয়তো পরিপাটি নয়। বাকি আমি যা বুঝাতে চেয়েছি, সেটা যদি আপনাদের কাছে সুস্পষ্ট হয়, তাহলে কাজটি সার্থক বলে মনে করবো। জাঝাকুমুল্লাহ

    Comment


    • #3
      আপনাদের মত সম্মানিত ভাইদের কঠুর পরিশ্রমের কারনে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারছি।উইঘুর মুসলমানদের সম্পর্কে জানার আগ্রহ ছিল,আল্লাহ এই অজানাটি আপনার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন।
      নিশ্চয়, আল্লাহর কাছ থেকে এর প্রতিদান পাবেন।
      আমি সেই ভাইকে ভাই মনে করি না,যে নিজ ধর্মের শত্রুকে বন্ধু মনে করে।

      Comment


      • #4
        আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।
        মুমিনদেরকে সাহায্য করা আমার দায়িত্ব
        রোম- ৪৭

        Comment


        • #5
          আমার ভাই , লিখাটি সত্তি-ই খুব মেহনতি লিখা , আমি আসা করি আমার রব আপনাকে হতাশ করবেন না অর্থাৎ তিনি মহান প্রতিপালক আপনাকে এর উপযুক্ত বিনিময় দান করবেন
          হে সম্মানিত শাম, আত্মমর্যাদাশীল খোরাসান আর বরকতময় গাজওয়ায়ে হিন্দ তথা সাড়া বিশ্বের মুজাহিদীন

          আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও, তবে তোমরাই জয়ী হবে।
          আলে ইমরান (১৩৯)

          Comment

          Working...
          X