PDA

View Full Version : ইরানকে যারা মার্কিনীদের শত্রু মনে করেন



Umar Faruq
08-31-2015, 10:11 PM
শিয়া ইরানকে যারা মার্কিনীদের শত্রু মনে করেন, সৌদি শাসকদেরকে যারা শিয়া বিরোধী মনে করেন তাদের জন্য তথ্যভিত্তিক চিন্তার খোরাক !!

**** ইয়েমেন****
সৌদি আরবের সীমান্ত সংলগ্ন অর্থনৈতিকভাবে দরিদ্র এক রাষ্ট্র ইয়েমেন। জনসংখ্যার প্রায় ৬৫-৭০% হচ্ছে আহলে সুন্নাহর অনুসারী মুসলিম, অবশিষ্ট প্রায় ৩০% হচ্ছে শিয়া ।ইয়েমেনের শিয়াদের প্রায় সবাই শিয়া মতবাদের ‘যায়েদিয়া’ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এই শিয়ারা গত কয়েকদিন পূর্বে ইয়েমেনের মুরতাদ সেনাবাহিনীর কোনো ধরণের প্রতিরোধ ছাড়াই রাজধানী সানার বেশিরভাগ দখল করে নেয়।মুরতাদ সেনাবাহিনী এসময় দর্শকের ভূমিকা পালন করে। তারপর শিয়ারা মধ্য ইয়েমেনের দিকে অগ্রসর হয়।

**** শিয়া ‘হূসি’রা যেভাবে ইয়েমেনের রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়ঃ

বর্তমানে ইয়েমেনের রাজধানীসহ উত্তরাঞ্চলের বিরাট এলাকা শিয়া ‘হূসি’দের(যারা নিজেদেরকে আনসারুল্লাহ বলে পরিচয় দিয়ে থাকে) দখলে।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পা চাঁটা গোলাম মুরতাদ সরকার এসব এলাকা শিয়া কুফফারদের হাতে তুলে দেয়।
মুরতাদ বাহিনী এসময় শিয়া ‘হূসি’দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাতো বহু দূরের কথা বরং উর্দ্ধতন নির্দেশে অস্ত্রশস্ত্রসহ তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলো শিয়া ‘হূসি’দের হাতে তুলে দেয়।

প্রমাণঃ বাইদা প্রদেশে অবস্থিত ইয়েমেনের ‘সাংস্কৃতিক রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত ‘তাইজ’ শহরে শিয়া ‘হূসি’রা পৌছুলে সেখানে অবস্থিত প্রাদেশিক বিমান ঘাঁটির কমান্ডারকে সরকারের পক্ষ থেকে শিয়া ‘হূসি’দের সাথে কোনো ধরণের লড়াই করতে নিষেধ করা হয়। এর পাশাপাশি সেই ঘাঁটিটি শিয়া ‘হূসি’দের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়। অতঃপর উক্ত কমান্ডার সেই ঘাঁটিটি শিয়া ‘হূসি’দের কাছে হস্তান্তর করে নিজেও পদত্যাগ করে । দেখুন ইয়েমেনের অনলাইন নিউজপেপার ‘Yemen Post’ এর রিপোর্টে....... “On the topic of Houthi developments, sources in Taiz said commander of the provincial Air Force Base Faisal Al-Subaihi has rendered his resignation after Houthis took control of Taiz Airport and some military camps.
Al-Subaihi was said to have revealed that Houthis looted military equipment from bases and that his resignation came after the armed forces had received official orders to avoid resisting Houthi militants।”
লিংক.... http://anonym.to/?http://yemenpost.net/Detail123456789.aspx?ID=3&SubID=8282

অথচ একই দিনে AQAP এর মুজাহিদরা শিয়া কুফফারদের মোকাবেলার অংশ হিসেবে ‘বাইদা’ প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিলে মুজাহিদদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ইয়েমেনের মুরতাদ সেনাবাহিনী বহু সৈন্য প্রেরণ করে। ‘Yemen Post’ এর সেই রিপোর্টে দেখুন..... “On the other hand, military forces were dispatched today to Baidha to fight AQAP militants, who control many parts of the city.”
লিংক.... http://anonym.to/?http://yemenpost.net/Detail123456789.aspx?ID=3&SubID=8282

একই প্রদেশে অবস্থিত মুরতাদ বাহিনীর ‘মাজদ ব্রিগেড’কেও মুরতাদ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ দেয়া হয় তাদের ঘাঁটি শিয়া ‘হূসি’দের কাছে হস্তান্তর করার জন্য। কিন্তু ঐ ব্রিগেডের কমান্ডার তা সমর্পন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। দেখুন...... “In Baidha, reports said the forces at the Majd Brigade have rejected official orders from the Defense Ministry to hand over the brigade to Houthis. ”
লিংক..... http://anonym.to/?http://yemenpost.net/Detail123456789.aspx?ID=3&SubID=8290

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিতই আল-কায়েদার শাখা AQAP এর বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। আর এসব হামলায় সৌদি সরকারও যুক্ত থাকে। অথচ শিয়ারা রাজধানী সানা দখল করলো কিন্তু মার্কিন বা সৌদি আরব ইয়েমেনের সরকারকে বিন্দুমাত্র সাহায্য করলো না !!
AQAP এর শক্তিশালী অবস্থান হচ্ছে দক্ষিণ ইয়েমেনে যা সৌদি সীমান্ত থেকে অনেক দূরে,কিন্তু তারপরও সৌদি তাগুত সরকার AQAP এর মুজাহিদদের বিরুদ্ধে মার্কিন পরিচালিত ড্রোন হামলায় শরীক থাকে। অথচ শিয়া ‘হূসি’দের নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের ‘সা’দা’ এলাকা সৌদি সীমান্তের সাথে যুক্ত কিন্তু শিয়া ‘হূসি’দের বিরুদ্ধে একমুঠ বালিও নিক্ষেপ করেনি খাদেমুল হারামাইন দাবীদার এই ‘খাদেমুল আমরিকা’ । (ম্যাপে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের শিয়া অধ্যুষিত এলাকা যে একসাথে যুক্ত তা দেখে নিন।)

**** শিয়াদের রক্ষা করতে মুজাহিদদের বিরুদ্ধে মার্কিন ড্রোন হামলাঃ

মধ্য ইয়েমেনের রাদ্দা এলাকায় আল-কায়েদার শাখা AQAP এর মুজাহিদরা কমপক্ষে ৪০০ শিয়া ‘হূসি’কে ঘিরে ফেলেছিলো। অতঃপর তাদের রক্ষার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ড্রোন হামলায় কয়েক ডজন মানুষ শহীদ হয়েছে। শহীদদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। তবে তাদের মধ্যে কিছু মুজাহিদও রয়েছে ।
নিউজের লিংক..... http://anonym.to/?https://twitter.com/yementribune/status/526382269661851649
http://anonym.to/?https://twitter.com/yementribune/status/526383570726559746

এছাড়াও দেখুন AQAP এবং সুন্নী উপজাতি যোদ্ধারা শিয়া ‘হূসি’দের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুললে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র AQAP এবং সুন্নী উপজাতি মুজাহিদদের উপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এ সংক্রান্ত নিউজের লিংক..... http://anonym.to/?http://bit.ly/1s0rYY0

**** শিয়া ‘হূসি’দের সানা দখলের নেপথ্য ঘটনা ঃ

এটা জানার জন্য একটু পূর্বে যেতে হবে। প্রায় ৩৪ বছর শাসন করা আলী আব্দুল্লাহ সালেহ ছিলো একজন ‘যায়েদিয়া’ শিয়া । সেনাবাহিনীর অফিসার হওয়ার সুবাদে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলো এই স্বঘোষিত শিয়া ফিল্ড মার্শাল। সৌদি-শাসকগোষ্ঠীর সাথে তার সুদৃঢ় মহব্বত থাকার ফলে এই দীর্ঘসময় ইয়েমেন শাসন করতে তাকে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। আরব বসন্তের ছোয়ায় ২০১২ সালে পতন ঘটে এই স্বৈরশাসকের।সৌদি শাসকদের সাথে তার মহব্বতের মাত্রা কতটা গাঢ় ছিলো তা বুঝা যায় ২০১১ সালের জুনে মুজাহিদদের হামলায় এই শিয়া কুফফার গুরুতর আহত হওয়ার পর সৌদি আরবে গিয়ে চিকিৎসা নেয়ার মাধ্যমে। সেসময় সৌদি মহারাজার স্নেহধন্য রাজকীয় সাক্ষাৎকারও মিলেছিলো মার্কিনীদের দীর্ঘস্থায়ী ও একনিষ্ঠ সেবক এই শিয়া কুফফার স্বৈরশাসকের।
দেখুন তার প্রমাণ... http://anonym.to/?http://tiny.cc/wnljox
(ইন্টারনেটে Ali Abdullah Saleh and Saudi King লিখে সার্চ দিলে সালেহ ও সৌদি রাজার বহু অন্তরঙ্গ ছবি দেখতে পাবেন)
ইয়েমেনের সেনাবাহিনীতে সৌদি সরকারের অত্যন্ত ঘনিষ্ট সাবেক এই শিয়া স্বৈরশাসক আলী আব্দুল্লাহ সালেহ এর বহু অনুসারী ও যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। শিয়া ‘হূসি’দের ইয়েমেনের রাজধানী দখলে এই শিয়া স্বৈরশাসক তার অনুগত বাহিনী দিয়ে সরাসরি সাহায্য করে। এর মাধ্যমে সে পুনরায় ইয়েমেনের ক্ষমতায় আরোহণ করতে চায়।
লিংক..... http://anonym.to/?http://bit.ly/1wNSFnZ

**** ইরানের সাথে শিয়া ‘হূসি’দের সম্পর্কঃ

এটা এখন আর কোনো গোপনীয় বিষয় নয় যে শিয়া ইরান সরাসরি ‘হূসি’দেরকে অস্ত্রশস্ত্রসহ যাবতীয় সহায়তা দিয়ে ইয়েমেন দখলের পূর্ণ আয়োজন করেছে।
শিয়া ইরানের মুখপত্র ‘PRESS TV’ র নিম্নের রিপোর্টটিই তা বুঝার জন্য যথেষ্ট হবে বলে আশা করি।
লিংক.... http://anonym.to/?http://bit.ly/10B8YIS
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনীর সিনিয়র উপদেষ্টা আলী আকবর বেলায়েতি তেহরানে ইয়েমেনি শিয়াদের উদ্দেশ্যে বলেছে,
“The Islamic Republic of Iran supports the rightful struggles of Ansarullah in Yemen and considers this movement as part of the successful Islamic Awakening movements,” অর্থাৎ ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ইয়েমেনে আনসারুল্লাহর(শিয়া হূসিদের সংগঠনের নাম) যথাযথ সংগ্রামকে সমর্থন করে এবং এই আন্দোলনকে সফল ইসলামী জাগরণমূলক আন্দোলনের অংশ মনে করে।”
সে আরো বলে, “He expressed satisfaction with Yemeni people’s triumphs in the Arab country and offered Tehran's congratulations to the Yemenis on their victory. ”
“সে ‘হূসি’দের এই কৌশলগত অগ্রাভিযানকে আরব রাষ্ট্র ইয়েমেনে ইয়েমেনবাসীদের বিজয় বলে আখ্যায়িত করে এর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে এবং তাদের এই বিজয়ে ইরানের পক্ষ থেকে ইয়েমেনবাসীকে Congratulation বা অভিনন্দন জানিয়েছে।”

দেখুন.... তার আরো কিছু কথা.....
Noting that the Houthi fighters have initiated an “unprecedented” movement in the Arab country, Velayati added, “Victories in rapid succession by the Ansarullah indicate that this [movement] is a pre-planned and calculated undertaking and having learned from the past, they have been able to control the situation and remove the obstacles one after another.”
“অর্থাৎ ‘হুসি’ যোদ্ধারা আরব দেশটিতে এক অভূতপূর্ব আন্দোলন শুরু করেছে এটা উল্লেখ করে বেলায়েতি যোগ করেছে, আনসারুল্লার(শিয়া হূসিদের দলের নাম)এই দ্রুত ও ধারাবাহিক বিজয় ইঙ্গিত করে যে এই আন্দোলন একটি পূর্ব-পরিকল্পিত,সুচিন্তিত পদক্ষেপ এবং অতীত থেকে শিক্ষাপ্রাপ্ত, (যার ফলে) তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং একের পর এক বাঁধাগুলো দূর করতে সক্ষম হয়েছে।”
(বেলায়েতির বক্তব্যের লিংক উপরে দ্রষ্টব্য)

**** ইয়েমেনে মার্কিন-সৌদি-শিয়া একজোট !

ইয়েমেনে শিয়া-মার্কিন-সৌদির উদ্দেশ্য একটিই আর তা হচ্ছে কোনো অবস্থাতেই যাতে মুজাহিদরা প্রাধান্য লাভ করতে না পারে । উপরোক্ত তথ্য থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় মার্কিন-সৌদি শাসকগোষ্ঠী শিয়াদেরকে তাদের পথে কোনো ধরণের বাঁধা মনে করে না, বরং আহলুস সুন্নাহ ও মুজাহিদদেরকেই তাদের পথের কাটা মনে করে। আর এই কাটা সরিয়ে দিতেই বছরের পর বছর ধরে চলছে মার্কিন-সৌদি-ইয়েমেনের তাগুত বাহিনীর নির্বিচার ড্রোন ও বিমান হামলা। আর সেই একই উদ্দেশ্যে আজ ইয়েমেনে মুসলিমদের বিরুদ্ধে শিয়া ইরান-মার্কিন-সৌদি শাসকগোষ্ঠী একাট্টা। তারপরও কেউ যদি বলে শিয়াদের সাথে মার্কিন ও সৌদি শাসকগোষ্ঠীর শত্রুতা আছে, তাহলে কীই বা বলার আছে ! শিয়াদের সাথে মার্কিন ও সৌদি শাসকগোষ্ঠীর যদি শত্রুতা থাকে তাহলে বিমান হামলা হয় কেনো আহলুস সুন্নাহ মুজাহিদদের উপর ?? কেউ কী এমন কোনো প্রমাণ দেখাতে পারবে যেখানে মার্কিন কিংবা সৌদি শাসকগোষ্ঠী শিয়াদের উপর কোনো হামলা করেছে !

**** কোন পথে যাচ্ছে ইয়েমেন ?

বাহ্যিকভাবে ইয়েমেনে আহলুস-সুন্নাহ মুসলিমদের সামনে কঠিন সময় আসছে বলে মনে হচ্ছে ! কিন্তু আল্লাহর সাহায্যে এই উম্মাহ যুগে যুগে সকল কাঠিন্যের অন্ধকার দূর করে উষার আলো ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ্* । ঘোর অন্ধকারের মধ্যেও আশার আলো দেখতে অভ্যস্ত উম্মাহর ঈমানদীপ্ত আশাবাদীরা । শিয়া কুফফার কর্তৃক রাজধানী সানা সহ অনেক এলাকা দখলের পর ইয়েমেনের ঘুমিয়ে থাকা আহলুস-সুন্নাহ অনুসারীরা বুঝতে পেরেছে কারা তাদের শত্রু-মিত্র। আর তাই এতোদিন মুজাহিদদের পক্ষ না নিয়ে চুপ করে বসে থাকা মুসলিমরা এখন মুজাহিদদেরকেই তাদের আপন করে নিচ্ছে। ইয়েমেনের শক্তিশালী বিভিন্ন আহলুস সুন্নাহ গোত্র দলে দলে আল-কায়েদার আরব উপদ্বীপ শাখা ‘আল-কায়েদা ইন অ্যারাবিয়ান পেনিনস্যুলা’ বা AQAP এর পক্ষে ইসলামের দুশমনদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিচ্ছে। ইতোমধ্যে সুন্নী গোত্র ও AQAP এর মুজাহিদরা গত কয়েকদিনে শত শত শিয়া কুফফার যোদ্ধাকে খতম করেছে ।
আর এর ফলে মার্কিন ক্রুসেডার বাহিনী শিয়া 'হূসি'দের রক্ষা করতে সুন্নী গোত্র ও AQAP এর মুজাহিদদের উপর ব্যাপক ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

আল্লাহর ইচ্ছায় মনে হচ্ছে ইয়েমেনেও সিরিয়া-ইরাকের অনুরুপ ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে। সকল আহলে সুন্নাহর অনুসারীরা আল-কায়েদার মুজাহিদদের পতাকাতলে শামিল হয়ে জিহাদে অবতীর্ণ হলে শিয়া কুফফার ও মুরতাদ সরকারের পালানোর পথ থাকবে না ইনশাআল্লাহ । আল্লাহর ইচ্ছায় ইতোমধ্যে তার আলামত সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে।
সংগ্রহীত