PDA

View Full Version : গযওয়াতুল হিন্দের চূড়ান্ত পর্ব শুরু হল বলে, আপনি প্রস্তুত তো?



hinder mujahid
04-10-2017, 07:21 AM
আসলে গযওয়াতুল হিন্দ তো বহু দিন ধরে চলছে, কিন্তু হিন্দুস্তানের চূড়ান্ত লড়াই শুরু হওয়া এখন আর সময়ের ব্যাপার মাত্র। যেকোনো সময় ভয়ানক লড়াইয়ের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠতে পারে। হিন্দুস্তান পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে তা খুব সহজেই ঠাহর করা যায়। গযওয়াতুল হিন্দ এবং এর পরবর্তী কিছু বিষয় সম্পর্কে শাহ নেয়ামতুল্লাহ কাশ্মীরী রহ. এর ভবিষ্যতবাণীর ভিত্তিতে আমি একটি বিশ্লেষণ তুলে ধরছি। এ বিশ্লেষণের সাথে আপনাদের দ্বিমত থাকাটাই স্বাভাবিক। আর কেউ যদি সহমত হন তাহলে সেটা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি কাউকেউ আমার মতামত মেনে নিতে বলব না।
১. যার নামের শুরু হরফ 'শীন' এবং শেষ হরফ 'নূন' তার দ্বারা হিন্দুদের সাথে 'পাপ চুক্তি'টা হয়েগেল গত কাল ৮ই এপ্রিল। ইতিপূর্বে বাংলাদেশের প্রশাসনের বড় বড় পদে হিন্দু এবং ভারতীয় দালালদেরকে বসিয়ে আর সশস্ত্র বাহিনীতে ইন্ডিয়ান হিন্দুদেরকে নিয়োগ দেয়ার মাধ্যমে এবং বহু বছর ধরে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে 'র' বাংলাদেশ দখলের সব আঞ্জাম প্রায় সমাপ্ত করে ফেলেছিল। এখন সামরিক চুক্তির মাধ্যমে সামরিক আগ্রাসনের একটা বৈধতার পথ রচনা হল। চলমান বছরের ঈদসহ আগামী ২০১৮ কিংবা ২০১৯ সালের দুই ঈদের মধ্যবর্তী কোনো সময়ে হিন্দুদের ব্যাপক হামলার মধ্য দিয়ে গযওয়াতুল হিন্দের চূড়ান্ত পর্ব শুরু হতে পারে। তাই আগামী রোযার ঈদগুোর পর কুরবানীর ঈদ শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সময় ভাইদেরকে বিশেষভাবে চোখ-কান খোলা রাখার আহ্বান জানাই।
২. যেহেতু যুদ্ধের শুরুর ২-৩ মাস মুসলিমগণ ব্যাপকভাবে গণহত্যার শিকার হবে, তাই এই সময়টায় নিজেকে এবং পরিবারকে হেফাজত করার জন্য পূর্বপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।বাকী আল্লাহ তাআলা যার ভাগ্যে শাহাদাত লিখেরেখেছেন, তার তো তা হাসিল হবেই। আর এই সময়টায় নিজেকে রাক্ষা করার নিয়ত হবে পরবর্তীতে মুজাহিদ ভাইদের সাথে যোগ দিয়ে মালুদের কচুকাটা করার মিশনে শরীক হওয়া; স্রেফ জানের ভয়ে পালানো নয়।
৩. মুহাররাম মাসের শুরু দিকে মুহতারাম 'উসমান' সাহেব এসে যখন জিহাদের বাইয়াত নিবেন, তখন তার বাহিনীতে শরীক হয়ে যাওয়া এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির সনদ অর্জন করে নেয়া। তখন খুরাসানী বাহিনীও মুজাহিদদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে। আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে খুরাসানী বাহিনী যে অবস্থায় আছে, তারা ইচ্ছা করলে হিন্দের মুজাহিদ ভাইদের সাহায্যের জন্য একটা কাফেলা পাঠাতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
৪. ২০১৭-২০১৯ এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হতে পারে। সেক্ষেত্রে ২০২৩-২৪ এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বিজয় সাধিত হবে ইনশাআল্লাহ। এই সময় মুজাহিদ ভাইয়েরা মোদী ও হাসিনাসহ বড় বড় মুশরিক ও তাগুত নেতাদেরকে বন্দি করে নিয়ে শামে যাবে। কারণ সেই সময় শাম মুজাহিদদের বড় মারকাজে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ। আর সেই আলামত তো এখনই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বন্দীদেরকে শামে নিয়ে যাওয়ার এই হাদীস দ্বারা পরোক্ষভাবে একথাও বুঝে আসে যে, ঐ সময় হিন্দুস্তান থেকে শাম পর্যন্ত সম্পূর্ণ এলাকা মুজাহিদদে নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অন্যথায় বন্দীদেরকে নিয়ে শামে যাওয়া হবে কীভাবে? শামে যাওয়ার পর ভাইয়েরা সংবাদ পাইবে যে, মক্কায় ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশ হয়েগেছে। অর্থাত ২০২৩-২৪ সাল কে ইমাম মাহদীর আগমনের সম্ভব্য সময় মনে করা যায়। ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশের পর পর কিংবা তার সামান্য পূর্বে আমেরিকা পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে। তার নামটা শুধু ইতিহাসে রয়ে যাবে। এটা হতে পারে রাশিয়া কর্তৃক পারমাণিব হামলার মাধ্যমে কিংবা অন্যকোনোভাবে।
৫. ২০২৩-২৪ সালে যদি ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশ হয়ে যায়, তাহলে তার সাত কিংবা নয় বছরের মাথায় দাজ্জালের আবির্ভাব হবে। সেক্ষেত্রে ২০৩০-৩২ সালের মধ্যে দাজ্জালের আবির্ভাব হতে পারে। এটা সম্ভবও বটে। কারণ তখন ২০০৪ সালে ফিলিস্তীনে জন্ম নেওয়া দাজ্জালের সাথে মুনাজারা করনেওয়ালা সেই শিশুর বয়স ২৬-২৮ হয়ে যাবে। আর যদি তাই হয়, তাহলে ঐ সময় ঈসা আ. এর আগমনও হবে। ঈসা আ. এর আগমনের অর্থই হল, পৃথিবীময় ইসলামের পূর্ণাঙ্গ বিজয় সাধিত হওয়া । আর ইসলামের বিজয় সাধিত হওয়ার ৭-১০ বছরের মধ্যে মুমিনদেরকে আল্লাহ তাআলা পৃথিবী থেকে উঠিয়ে নিবেন। এর মধ্যে কিয়ামতের অন্যান্য বড় বড় আলামতও প্রকাশ পেয়ে যাবে। এরপর এক পর্যায়ে কিয়ামত সংগঠিত হবে।
৬. ঈসা আ. এর অবতরণ যদি ২০৩০-৩২ এর মধ্যে হয়, তাহলে এর বছর খানেকের মধ্যেই পৃথিবীময় ইসলাম কায়েম হয়ে যাবে । সেক্ষেত্রে দুনিয়া থেকে মুমিনদের উঠিয়ে নেয়ার সময়টা ২০৩৮-৩৯ হতে পারে।
প্রিয় ভ্রাতাগণ! এটা নিছক আমার একটা ধারণা। এর পক্ষে আমার কোনো দলীল নেই। তবে বিশ্ব পরিস্থিতি যেভাবে দ্রুততার সাথে পরিবর্তন হচ্ছে, তাতে এই ধারণাটাকে একেবারে অমূলক বলা যায় না। যাই হোক এই লেখা দ্বারা উদ্দেশ্য হল, যারা ইসলামের বিজয় সম্পর্কে নিরাশায় ভুগছেন, তিমির রজনী শেষ হচ্ছে বলে যারা হতাশ, তাদের অন্তরে আশা জাগানো এবং গযওয়াতুল হিন্দের প্রস্তুতি গ্রহণ সম্পর্কে সচেতন করা। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে মুজাহিদ হিসাবে কবুল করুন। আমরা প্রত্যেকে যেন দুই হাজার কাফের-তাগুত সৈনিক হত্যা করে শহিদ হতে পারি। অসহায় ও নিরিহভাবে যেন শহীদ না হই। আমীন।
বন্ধুর পথের মুসাফির হে!
সময় বেশি নেই
গুছিয়ে লও নিজেকে ফের।

Abu fatema
04-10-2017, 09:21 AM
আল্লাহই ভাল জানেন-

ভাই হিন্দুস্তানের কাফের মুশরিকদের বেড়ী বেধে শামে নেয়ার পর সেখানে মুজাহিদীনরা ঈসা আঃ কে দেখতে পাবেন-- সুতরাং আমার মনে হয় ইমাম মাহদী আঃ খুব শীঘ্রই আত্মপ্রকাশ করতে পারেন, কেননা ঐ পর্যন্ত রাস্তায় সব ভূমি বিজয় ইমাম মাহদীই করবেন বিইজনিল্লাহ। যেমন কন্সটানটিনোপল। আল্লাহ আমাকে এবং সব মুজাহিদ ভাইদেরকে এই বরকতময় যুদ্ধে নিজের জান মাল সর্বস্ব দিয়ে জিহাদ করার তাওফিক দিন--আমিন