PDA

View Full Version : মোদী ও হাসিনাসহ হিন্দুস্তানের কাফের মুশরিকদের বেড়ী বেধে শামে নেয়ার পর সেখানে মুজাহিদীনরা ঈসা আঃ কে দেখতে পা&#



কালো পতাকা
05-25-2017, 11:15 PM
ফোরামের দূটি পোস্ট আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে ভাইদের মন্তব্য জানতে চাই ?
একজন ভাই ফোরামে পোস্ট করে যেসব কথা বলেছিল তা সংক্ষিপ্ত ভাবে তুলে ধরা হল-
আজ থেকে ৮৫৭ বছর আগে অর্থাৎ ১১৫৮ সালে উপমহাদেশের বিশিষ্ট আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব শাহ নেয়ামতুল্লাহ (রহ.) একটি কাসিদা বা কবিতা রচনা করেন
ইংরেজ আমলে ব্রিটিশ শাসকরা এটি নিষিদ্ধ করে। এর দ্বারা যুগে যুগে মুসলমানেরা উজ্জীবিত হয়েছেন
শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ (রহ.) ভবিষ্যদ্বাণীতে বর্ণিত বহু বিষয় সংঘটিত হয়ে গেছে। অল্প কিছু বিষয় সামনে রয়েও গেছে। অতীতে সংঘটিত বিষয়াদির সাথে ভবিষ্যদ্বাণীর অসাধারণ মিল দেখতে পেয়ে, বিশ্ববাসী অবাক এখানে ৫৮ লাইন বিশিষ্ট কবিতার বিষয়বস্তু, সংঘটিত ঘটনাবলী, ভবিষ্যৎ ইশারা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে
শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ (রহ.) ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে আপনাদের দ্বিমত থাকাটাই স্বাভাবিক। আর কেউ যদি সহমত হন তাহলে সেটা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি কাউকেউ আমার মতামত মেনে নিতে বলব না।
ভবিষ্যদ্বাণীতে যার নামের শুরু হরফ 'শীন' এবং শেষ হরফ 'নূন' তার দ্বারা হিন্দুদের সাথে 'পাপ চুক্তি'টা হয়েগেল গত কাল ৮ই এপ্রিলে এছাড়াও ইতিপূর্বে বাংলাদেশের প্রশাসনের বড় বড় পদে হিন্দু এবং ভারতীয় দালালদেরকে বসিয়ে আর সশস্ত্র বাহিনীতে ইন্ডিয়ান হিন্দুদেরকে নিয়োগ দেয়ার মাধ্যমে এবং বহু বছর ধরে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে 'র' বাংলাদেশ দখলের সব আঞ্জাম প্রায় সমাপ্ত করে ফেলেছিল। যেমন বাংলাদেশেরএখন সামরিক চুক্তির মাধ্যমে সামরিক আগ্রাসনের একটা বৈধতার পথ রচনা হল। চলমান বছরের ঈদসহ আগামী ২০১৮ কিংবা ২০১৯ সালের দুই ঈদের মধ্যবর্তী কোনো সময়ে হিন্দুদের ব্যাপক হামলার মধ্য দিয়ে গযওয়াতুল হিন্দের চূড়ান্ত পর্ব শুরু হতে পারে। তাই আগামী রোযার ঈদ পর পর কুরবানীর ঈদ শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সময় ভাইদেরকে বিশেষভাবে চোখ-কান খোলা রাখার আহ্বান জানাই। খুরাসানী বাহিনীও মুজাহিদদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবে। আলহামদুলিল্লাহ বর্তমানে খুরাসানী বাহিনী যে অবস্থায় আছে, তারা ইচ্ছা করলে হিন্দের মুজাহিদ ভাইদের সাহায্যের জন্য একটা কাফেলা পাঠাতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

২০১৭-২০১৯ এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হতে পারে। সেক্ষেত্রে ২০২৩-২৪ এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বিজয় সাধিত হবে ইনশাআল্লাহ। ইনশাআল্লাহ এই সময় মুজাহিদ ভাইয়েরা মোদী ও হাসিনাসহ বড় বড় মুশরিক ও তাগুত নেতাদেরকে বন্দি করে নিয়ে শামে যাবে। কারণ সেই সময় শাম মুজাহিদদের বড় মারকাজে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ। আর সেই আলামত তো এখনই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বন্দীদেরকে শামে নিয়ে যাওয়ার এই হাদীস দ্বারা পরোক্ষভাবে একথাও বুঝে আসে যে, ঐ সময় হিন্দুস্তান থেকে শাম পর্যন্ত সম্পূর্ণ এলাকা মুজাহিদদে নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
২০২৩-২৪ সালে যদি ইমাম মাহদীর আত্মপ্রকাশ হয়ে যায়, তাহলে তার সাত কিংবা নয় বছরের মাথায় দাজ্জালের আবির্ভাব হবে। সেক্ষেত্রে ২০২৫-৩২ সালের মধ্যে দাজ্জালের আবির্ভাব হতে পারে। এটা সম্ভবও বটে। কারণ তখন ২০০৪ সালে ফিলিস্তীনে জন্ম নেওয়া দাজ্জালের সাথে মুনাজারা করনেওয়ালা সেই শিশুর বয়স ২৫-২৮ হয়ে যাবে। আর যদি তাই হয়, তাহলে ঐ সময় ঈসা আ. এর আগমনও হবে। ঈসা আ. এর আগমনের অর্থই হল, পৃথিবীময় ইসলামের পূর্ণাঙ্গ বিজয় সাধিত হওয়া । আর ইসলামের বিজয় সাধিত হওয়ার ৭-১০ বছরের মধ্যে মুমিনদেরকে আল্লাহ তাআলা পৃথিবী থেকে উঠিয়ে নিবেন। এর মধ্যে কিয়ামতের অন্যান্য বড় বড় আলামতও প্রকাশ পেয়ে যাবে। এরপর এক পর্যায়ে কিয়ামত সংগঠিত হবে।

৬. ঈসা আ. এর অবতরণ যদি ২০৩০-৩২ এর মধ্যে হয়, তাহলে এর বছর খানেকের মধ্যেই পৃথিবীময় ইসলাম কায়েম হয়ে যাবে । সেক্ষেত্রে দুনিয়া থেকে মুমিনদের উঠিয়ে নেয়ার সময়টা ২০৩৮-৩৯ হতে পারে।

প্রিয় ভ্রাতাগণ! এটা নিছক আমার একটা ধারণা। এর পক্ষে আমার কোনো দলীল নেই। তবে বিশ্ব পরিস্থিতি যেভাবে দ্রুততার সাথে পরিবর্তন হচ্ছে, তাতে এই ধারণাটাকে একেবারে অমূলক বলা যায় না। যাই হোক এই লেখা দ্বারা উদ্দেশ্য হল, যারা ইসলামের বিজয় সম্পর্কে নিরাশায় ভুগছেন, তিমির রজনী শেষ হচ্ছে বলে যারা হতাশ, তাদের অন্তরে আশা জাগানো এবং গযওয়াতুল হিন্দের প্রস্তুতি গ্রহণ সম্পর্কে সচেতন করা। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে মুজাহিদ হিসাবে কবুল করুন। ভাই হিন্দুস্তানের কাফের মুশরিকদের বেড়ী বেধে শামে নেয়ার পর সেখানে মুজাহিদীনরা ঈসা আঃ কে দেখতে পাবেন-- সুতরাং আমার মনে হয় ইমাম মাহদী আঃ খুব শীঘ্রই আত্মপ্রকাশ করতে পারেন, কেননা ঐ পর্যন্ত রাস্তায় সব ভূমি বিজয় ইমাম মাহদীই করবেন বিইজনিল্লাহ। যেমন কন্সটানটিনোপল। আল্লাহ আমাকে এবং সব মুজাহিদ ভাইদেরকে এই বরকতময় যুদ্ধে নিজের জান মাল সর্বস্ব দিয়ে জিহাদ করার তাওফিক দিন--আমিন

শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ (রহ.) ভবিষ্যদ্বাণীর ৩৭ নং লা্ইনে বলা হয়েছে
37/ এর পর যাবে ভেগে নারকিরা

পাঞ্জাব( কাশ্মির)

কেন্দ্রের

ধন- সম্পদ অাসিবো তাদের, দখলে

মুমিনদের।

38/ অনুরুপ হবে পতন একটি শহর মুমিনদের

তাহার ধন- সম্পদ যাবে দখলে হিন্দুদের।

39/ হত্যা, ধংসযগ্য সেখানে চালাইবে

তারা ভারি

ঘরে ঘরে হবে ঘোরার কারবালা ক্রন্দন

অাহাজারি।

40/মুসলিম নেতা অথচ বন্ধু কাফের তলে

তলে

মদদ করিবে সে অরিকে সে এক পাপ

চুক্তির ছলে।

41/ প্রথমে তাহার শীন অহ্মর থাকিবে

বিদ্যমান

এবং শেষেতে নূন অহ্মর থাকিবে

বিরাজমান

ঘটিবে তখন এসব ঘটনা মাঝখানে দু;

ইদের

ধিক্কার দেবে বিশ্বের লোক যালেম হিন্দুদের।

37 নং লাইনে বলা হয়েছে, হিন্দস্তানের যুদ্ধের পুর্বে মুসলিমরা সর্বপ্রথম ভারতের কাছ থেকে একটি এলাকা দখল করে নেবে। এটা হচ্ছে পাকিস্তান সিমান্তলঘ্ন পান্জাব ও জম্মু কাশ্মির এলাকাটা। কারন হল পাকিস্তান সরকার লস্করে তইয়েবা সহ বেশ কিছু জিহাদি গ্রুপকে প্রষিহ্মন দিচ্ছে জম্মু কাশ্মির কে ভারতের দখল থেকে মুক্ত করার জন্য। একই সাথে কাশ্মিরের স্থানীয় মুজাহিদ, আল কায়দা ,তালেবান সহ অার অনেক জিহাদি গ্রুপ ব্যপক অাকারে প্রস্তুতুতি নেওয়া শুরু করেছে। 38 ও 39 নং লাইনে বলা হয়েছে , মুসলিমরা যখন কাশ্মির দখল নেবে এর পরই হিন্দুরা মুসলিমদের একটি এলাকা দখলে নেবে। এবং সেখানে ব্যাপক হত্যা ধংসযগ্য চালাবে। মুসলমানদের ধনস্পদ ভারত সরকার লুটপাটের মাদ্ধমে নিয়ে নেবে মুসলিমদের ঘরে ঘরে কারবালার ন্যায় রুপধারন করবে কিন্তু অাপনি কি জানেন? মুসলিমদের যে দেশটা ভারত সরকার দখলে নিয়ে এ ধরনের হত্যা ধংসযগ্য চালাবে সেটা কোন দেশ? হা সেটা অাপনার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। ব্যাপারটা স্পষ্ট ক্লিয়ার করা হয়েছে 40 ও 41 নং লাইনে মুসলিমদের দেশটা ভারত সরকার দখলে নেওয়ার কারন হল মুসলিমদের শাসক এমন একজন ব্যাক্তি হবেন যে নামধারী মসলমান হবে, কিন্তু গোপনে গোপনে হিন্দুবান্ধব হবে। মুসলিমদের ধংস করার জন্য ভারত সরকাররের সাথে গোপনে পাপ চুক্তি করবে। ইসলাম ধংসকারি এই শাসককে চিনার উপাই হল তার নামের প্রথম অহ্মর হবে (শ ) এবং শেষের অহ্মর হবে (ন ) এবার বলুন এই শাসক কি অামাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়? তার সাথে কি উপরের সমস্ত অালামত কি মিলে যাচ্ছে না? হা 100% মিলে যাচ্ছে। অার এসব ঘটনা ঘটবে দুই ইদের মাঝে। যেটা হতে পারে অাগামি ইদ থেকে দুই তিন বছরের মদ্ধে।এটাই রাসুলুল্লাহ সা. এর ভবিষতবানী 58 লাইনের এই কবিতাটি ফার্সি ভাষায় 1158 সালে লেখা হয়েছিল


HIND_AQSA ভাই দাওয়াইলল্লাহ ফোরামে একটি কাশ্মীরের একটি ইংরেজী খবর দেন তা হল
কাশ্মীর:
সু-সংবাদ গ্রহণ করুন!
কাশ্মীরী হিজবুল মুজাহিদীনরা তালেবান মুজাহিদীনের অনুসারী, তারা কাশ্মীরে শরিয়াতের জন্য জিহাদ করছেন বলে এক বিবৃতিতে দাবী করেছেন, এজন্য তাহারা ব্লাক পতাকা ইউজ করেন । তাহারা গাজওয়া হিন্দের জন্য এগিয়ে যাচ্ছেন। আলহামদুলিল্লাহ্
বিবৃতির লিংক =======
Mujahid Burhan Musaib (Dawood from HMT, Srinagar) addressing people in Pulwama.
بسم الله الرحمان الرحيم
اسلام عليكم و رحمة الله و بركاته
In the evening of 7 April, 2017, Mujahideen visited the grave of Shaheed Naseer Pandit at Kareemabad, Pulwama. There, one Mujahid namely Burhan Musaib made the following speech to a huge gathering of people. He replaced ‘Jeeve Jeeve Pakistan’ with ‘Jeeve Jeeve Taliban’ and called for raising of Black Flags with Kalimah instead of Pakistani flag. Read below the English translation of this bayaan of pure Haqq and let it sink in your heart.
We have been calling you but where are you sleeping? I was ill but came here to remind you that our Naseer Bhai, Khalid Bhai, Babar Bhai, Burhan are alive but what has happened to you? When someone is martyred, you are in the lead and when a PDP guy comes, that time also you are in the lead. Listen: I have come to remind you that India is an oppressor and that today or tomorrow it will have to leave from (Kashmir). But only when we remain united and support Islam, only then will we be successful. We love Pakistan because it was created in the name of Islam but there is no Islam there right now. And hence we are unhappy with it (Pakistan). We have to do Jihad against Pakistan as well. We have to do Jihad against India as well. We have risen for Islam. We have taken up arms for Islam and not for any country or nationalism.
We want that there Islamic Shairiah must be implemented here (Kashmir), there should be system of Quran here. And not the system of Kufr. For that give your blood, life and money. Will you give? {crowd..InshaAllah}
If you want Islamic Shariah and love RasoolAllah(SAW), then where is the Sunnah on your(faces)? If the youth love RasoolAllah(SAW), then where is the sunnah on your(faces)? Who offered Namaaz this time? My dear friends, I want to remind you about regularity of Prayers and about regularity of studying the Quran. We will succeed in our Jihad, only when we strengthen our relation with Allah. How can we succeed if there is no relation between us and Allah? And Listen, we have risen for Jihad in Kashmir for the implementation of Islamic Shariah and not for any country, or any Tanzeem or any nation. We have risen up for Islam only and tomorrow we have to go to India also and implement Islamic Shariah there also. There is no Islamic shariah in Pakistan and we will implement Islamic Shariah there also. Why did I ask you to shout slogans for Taliban? Because Taliban wants Islamic Shariah in Pakistan. We must love Taliban. And listen carefully my youth: This (Jihad) is about Shariat or Shahadat. We want Islamic shariah and in Islamic Shariah there is no Pakistani Flag because there is no Kalima written on it.
RasoolAllah(SAW) said that in the end times when Ghazwa-e-Hind will take place, Mujahideen will carry black flags inscribed with Kalima. Is there Kalima written on the Pakistani flag? Then why do you fly this flag?? Make Islamic flags. Make black flags and write Kalima on it and fly these flags only. I want you to remember, Burhan Musaib wants you to remember that when I become a Martyr, whoever waves the Pakistani flag that time, He will be my enemy. Did you listen?!
We will not leave, no one should intercept us. I know some would have called the Army. I ask the youth to be determined and courageous. Nothing will happen to us but by the permission of Allah. Remember our sister Neelofar, who would have cried and asked for help from any youth. O youth, Allah will ask you about your life and what you did with it. What will you answer then? That you wasted your life chasing girls? This life is temporary. So, I request you (audio unclear)…Now I will take your leave.

Video link : Brother Burhan musaib's speech to a huge gathering of people at Kreemabad
HIND_AQSA ======================
কাশ্মীর
বিবৃতির লিংক bangla kare dilam dowa karben jjak,,,,,
মুজাহিদ বোরহান মুসাবি (হুমায়ূন, শ্রীনগর থেকে দাউদ) পল্লবায় মানুষকে সম্বোধন করে।
بسم الله الرحمان الرحيم
اسلام عليكم و رحمة الله و بركاته
7 এপ্রিল, ২017 সন্ধ্যা 7 টায় মুজাহিদীন কেরামবাদে ফুলবাড়ীর শহীদ নাসির পন্ডিতের কবরে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি মুজাহিদ, যার নাম বুরহান মুসাইব, একটি বিশাল জনসাধারণের সমাবেশে নিম্নলিখিত বক্তৃতা করেন। তিনি 'জিভ জেভের পাকিস্তান'কে' জিভ জেভের তালেবান 'দিয়ে বদলি করেন এবং পাকিস্তানের পতাকা পরিবর্তে কালিমা'র সাথে ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। নিখুঁত হাক্কের এই বাইয়ানের ইংরেজী অনুবাদ নীচের পড়ুন এবং এটি আপনার হৃদয় মধ্যে ডুবা যাক।
আমরা আপনাকে ডাকছি কিন্তু আপনি কোথায় ঘুমাচ্ছেন? আমি অসুস্থ ছিলাম কিন্তু এখানে এসেছি আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে আমাদের নাশির ভাই, খালিদ ভাই, বাবর ভাই, বুরহান জীবিত কিন্তু আপনার কি হয়েছে? যখন কেউ শহীদ হয়, আপনি নেতৃত্বের মধ্যে আছেন এবং যখন পিডিপি লোক আসে, তখনও আপনি নেতৃত্বের মধ্যে আছেন শুনুন: আমি আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে এসেছি যে ভারত একটি অত্যাচারী এবং আজ বা আগামীকাল এটি কাশ্মির থেকে চলে যেতে হবে। কিন্তু যখন আমরা একতাবদ্ধ থাকি এবং ইসলাম সমর্থন করি, তখনই আমরা সফল হব। আমরা পাকিস্তানকে ভালোবাসি কারণ এটি ইসলামের নামে তৈরি করা হয়েছে কিন্তু বর্তমানে সেখানে কোন ইসলাম নেই। এবং তাই আমরা এটি থেকে অসন্তুষ্ট (পাকিস্তান)। আমরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জিহাদও করতে চাই। আমাদের পাশাপাশি ভারতের বিরুদ্ধে জিহাদও করতে হবে। আমরা ইসলামের জন্য বেড়েছি আমরা ইসলামের জন্য অস্ত্র নিয়েছি এবং কোন দেশ বা জাতীয়তাবাদের জন্য নয়।
আমরা চাই যে ইসলামী শরীয়াহ এখানে (কাশ্মীর) প্রয়োগ করা আবশ্যক, এখানে কুরআনের ব্যবস্থা থাকা উচিত। এবং কুফার পদ্ধতি নয় যে জন্য আপনার রক্ত, জীবন এবং অর্থ দিতে। তুমি কি দেবে? {Crowd..InshaAllah}
যদি আপনি ইসলামী শরিয়া চান এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে ভালোবাসেন, তাহলে আপনার (মুখ) সুন্নাত কোথায়? যদি যুবক রসুল আলেহ (সাঃ )কে ভালবাসে, তাহলে আপনার (মুখ) সুন্নাত কোথায়? এই সময় নামানজ কে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল? আমার প্রিয় বন্ধুরা, আমি নিয়মিতভাবে প্রার্থনা এবং কুরআন অধ্যয়ন করার নিয়মিততা সম্পর্কে আপনাকে স্মরণ করতে চাই। আমরা আমাদের জিহাদ সফল হবে, শুধুমাত্র যখন আমরা আল্লাহর সাথে আমাদের সম্পর্ক জোরদার আমাদের ও আল্লাহর মধ্যে কোন সম্পর্ক থাকলে আমরা কিভাবে সফল হতে পারি? এবং শুনুন, আমরা কাশ্মিরের জিহাদে ইসলামী শরিয়াহ বাস্তবায়নের জন্য বেড়ে উঠেছি, কোনও দেশের জন্য নয়, তানজীমের বা কোন জাতির জন্য। আমরা কেবলমাত্র ও আগামীকালই ইসলাম গ্রহণের জন্য উঠে পড়েছি এবং আমাদের সেখানেও যেতে হবে এবং সেখানে ইসলামী শরিয়াহও প্রয়োগ করবো। পাকিস্তানে কোন ইসলামী শরিয়া নেই এবং আমরা সেখানে ইসলামী শরিয়াহ প্রয়োগ করবো। আমি কেন তালেবানদের জন্য স্লোগান দিতে বললাম? কারণ তালেবান পাকিস্তানের ইসলামী শরিয়া চায়। আমাদের অবশ্যই তালেবানকে ভালবাসতে হবে আর সাবধানে আমার যৌবনের কথা শুনুন: এই (জিহাদ) শরিয়ত বা শাহাদাত সম্পর্কে। আমরা ইসলামী শরিয়া এবং ইসলামী শরিয়াতে কোনও পাকিস্তানি পতাকা চাই না কারণ এতে কোন কালিমা লেখা নেই।
রাসুলুল্লাহ (সা।) বলেন যে শেষ সময়ে গাজওয়া-ই-হিন্দ সংঘটিত হবে, মুজাহিদীন কালিমার সাথে খোদিত কালো পতাকা বহন করবে কালীমা কি পাকিস্তানি পতাকায় লিখিত আছে? তাহলে কেন আপনি এই পতাকা উড়ে? ইসলামী পতাকা তৈরি করুন। কালো পতাকা তৈরি করুন এবং এটিতে কলিমা লিখুন এবং এই পতাকাগুলি শুধুমাত্র উড়ে। আমি আপনাকে স্মরণ করতে চাই, বুরহান মুসাইব আপনাকে স্মরণ করতে চান যে আমি শহীদ হয়ে যাব, যে সময় যে পাকিস্তানি পতাকা ঢেলে দেয়, সে আমার শত্রু হবে। তুমি কি শুনেছিলে?!
আমরা ছেড়ে যাব না, কেউ আমাদের আটকানো উচিত নয় আমি জানি কিছু সেনাবাহিনী বলা হবে। আমি যুবকদের দৃঢ় এবং সাহসী হতে চাই। আমাদের কিছুই হবে না কিন্তু আল্লাহর অনুমতির দ্বারা। আমাদের বোন নিলফারকে স্মরণ করিয়ে দিন, যারা কোনও যুবককে সাহায্যের জন্য আহ্বান জানাতে চেয়েছিল। হে যুবক, আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের প্রাণের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করবেন এবং তোমরা তা দিয়ে যাচ্ছ। তাহলে আপনি কি উত্তর দেবেন? আপনি আপনার জীবন পশ্চাদ্ধাবন মেয়েরা নষ্ট? এই জীবন অস্থায়ী। সুতরাং, আমি আপনাকে অনুরোধ (অডিও অস্পষ্ট) ... এখন আমি আপনার ছুটি নিতে হবে

ভিডিও লিংক: খৃস্টানদের একটি বিশাল সমাবেশে ভাই বোরহান মুসাবির বক্তব্য

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে মুজাহিদ হিসাবে কবুল করুন। আমরা প্রত্যেকে যেন দুই হাজার কাফের-তাগুত সৈনিক হত্যা করে শহিদ হতে পারি। অসহায় ও নিরিহভাবে যেন শহীদ না হই। আমীন।
বন্ধুর পথের মুসাফির হে!
সময় বেশি নেই
গুছিয়ে লও নিজেকে ফের।
আল্লাহই ভাল জানেন
পরিশেষে বলা যায় যে,শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ (রহ.) ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী
হিন্দস্তানের যুদ্ধের পুর্বে মুসলিমরা সর্বপ্রথম ভারতের কাছ থেকে একটি এলাকা দখল করে নেবে। এটা হচ্ছে পাকিস্তান সিমান্তলঘ্ন পান্জাব ও জম্মু কাশ্মির এলাকাটা। কারন হল পাকিস্তান সরকার লস্করে তইয়েবা সহ বেশ কিছু জিহাদি গ্রুপকে প্রষিহ্মন দিচ্ছে জম্মু কাশ্মির কে ভারতের দখল থেকে মুক্ত করার জন্য। একই সাথে কাশ্মিরের স্থানীয় মুজাহিদ, আল কায়দা ,তালেবান সহ অার অনেক জিহাদি গ্রুপ ব্যপক অাকারে প্রস্তুতুতি নেওয়া শুরু করেছে। 38 ও 39 নং লাইনে বলা হয়েছে , মুসলিমরা যখন কাশ্মির দখল নেবে এর পরই হিন্দুরা মুসলিমদের একটি এলাকা দখলে নেবে। এবং সেখানে ব্যাপক হত্যা ধংসযগ্য চালাবে। মুসলমানদের ধনস্পদ ভারত সরকার লুটপাটের মাদ্ধমে নিয়ে নেবে মুসলিমদের ঘরে ঘরে কারবালার ন্যায় রুপধারন করবে কিন্তু অাপনি কি জানেন? মুসলিমদের যে দেশটা ভারত সরকার দখলে নিয়ে এ ধরনের হত্যা ধংসযগ্য চালাবে সেটা কোন দেশ? হা সেটা অাপনার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। ব্যাপারটা স্পষ্ট ক্লিয়ার করা হয়েছে 40 ও 41 নং লাইনে মুসলিমদের দেশটা ভারত সরকার দখলে নেওয়ার কারন হল মুসলিমদের শাসক এমন একজন ব্যাক্তি হবেন যে নামধারী মসলমান হবে, কিন্তু গোপনে গোপনে হিন্দুবান্ধব হবে। মুসলিমদের ধংস করার জন্য ভারত সরকাররের সাথে গোপনে পাপ চুক্তি করবে। ইসলাম ধংসকারি এই শাসককে চিনার উপাই হল তার নামের প্রথম অহ্মর হবে (শ ) এবং শেষের অহ্মর হবে (ন ) এবার বলুন এই শাসক কি অামাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়? তার সাথে কি উপরের সমস্ত অালামত কি মিলে যাচ্ছে না? হা 100% মিলে যাচ্ছে। অার এসব ঘটনা ঘটবে দুই ইদের মাঝে। যেটা হতে পারে অাগামি ইদ থেকে দুই তিন বছরের মদ্ধে।এটাই রাসুলুল্লাহ সা. এর ভবিষতবানী 58 লাইনের এই কবিতাটি ফার্সি ভাষায় 1158 সালে লেখা হয়েছিল

HIND_AQSA ভাই দাওয়াইলল্লাহ ফোরামে কাশ্মিরের যে খবরটি প্রকাশ করলেন এতে বুঝা যাচ্ছে কাশ্মির অতি শ্রীগ্রই মুজাহিদ রা দখল করবেন ইনশাল্লাহ এর পর পরই অবস্থা্ করুন হবে



বি:দ্র: শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ (রহ.) ভবিষ্যদ্বাণীটি আমরা দেখে রাখব আমাদের সামনে গাজওয়া হিন্দের যে হাদীস গুলো অছে এগুলোর গুরুত্ব দিব বেশী

ইলম ও জিহাদ
05-26-2017, 12:27 AM
শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ (রহ.) ভবিষ্যদ্বাণীটি আমরা দেখে রাখব আমাদের সামনে গাজওয়া হিন্দের যে হাদীস গুলো অছে এগুলোর গুরুত্ব দিব বেশী

========================================

ঠিক বলেছেন। কারণ কুরআন হাদীসই মূল দলীল।

bokhtiar
05-26-2017, 03:50 AM
শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ (রহ.) ভবিষ্যদ্বাণীটি আমরা দেখে রাখব আমাদের সামনে গাজওয়া হিন্দের যে হাদীস গুলো অছে এগুলোর গুরুত্ব দিব বেশী

========================================

ঠিক বলেছেন। কারণ কুরআন হাদীসই মূল দলীল।




জি গাজওয়ায়ে হিন্দের জন্য প্রস্তুত নেওয়া হলো বর্ত্মান কাজগুলোর শ্রেষ্ট কাজ।

murabit
05-26-2017, 09:20 AM
ইউছুফ আলাইহিচ্ছালামের খরিদারদের লিষ্টে নাম উঠানোর জন্য যদি বৃদ্ধা সুতার গুছা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে
তাহলে গাজ্বওয়াতুলহিন্দের কাফেলায় নাম লেখানোর জন্য এইটুকু সামর্থ ও কি আমাদের নেই। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্বয়ং তত্বাবধানে চালিতে যুদ্ধকে বলা হয় গাজ্বওয়া আর সাহাবিদের (রঃ) দ্বারা পরিচালিত যুদ্ধ কে বলা হয় সারিয়্যা , হিন্দুস্তানের যুদ্ধ কে স্বয়ং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাজ্বওয়া বলেছেন, এই কারনে কোন কোন মুহাদ্দিছ বলেছেনঃ এতে প্রতিয়মান হয় যে "এই গাজওয়ায় অংশগ্রহণকারিগণ বদরে অহুদে অংশগ্রহনকারিদের মত হাশরের মাঠে রাসুল সাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লামের বিশেষ সান্যিধ্য লাভে ধন্য হবেন ইনশাআল্লাহু তায়ালা"।

salahuddin aiubi
05-26-2017, 02:45 PM
এই কারনে কোন কোন মুহাদ্দিছ বলেছেনঃ এতে প্রতিয়মান হয় যে "এই গাজওয়ায় অংশগ্রহণকারিগণ বদরে অহুদে অংশগ্রহনকারিদের মত হাশরের মাঠে রাসুল সাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লামের বিশেষ সান্যিধ্য লাভে ধন্য হবেন ইনশাআল্লাহু তায়ালা"।


হে আল্লাহ! আমাকে গাযওয়াতুল হিন্দে অংশগ্রহণ করার তাওফীক দান কর এবং রাসূলুল্লাহ সা: এর সান্নিধ্য লাভ করার তাওফীক দান কর!!!
এবং যারা আমীন বলবে, তাদেরকেও তাওফীক দান কর!!

Mullah Murhib
05-26-2017, 03:04 PM
হে আল্লাহ! আমাকে গাযওয়াতুল হিন্দে অংশগ্রহণ করার তাওফীক দান কর এবং রাসূলুল্লাহ সা: এর সান্নিধ্য লাভ করার তাওফীক দান কর!!!
এবং যারা আমীন বলবে, তাদেরকেও তাওফীক দান কর!!


আমীন, ছুম্মা আমীন!

khalid-hindustani
05-26-2017, 09:46 PM
হে আল্লাহ! আপনি আমাদের সকলকে গাজওয়াতুল হিন্দে অংশগ্রহণের তাওফিক দান করুন।

Abu Huraira
05-26-2017, 09:57 PM
আল্লাহ্* আমাদেরকে গাজ্বাতুল হিন্দে অংশ গ্রহন করার তাউফিক দান করুন।

Abu Huraira
05-26-2017, 09:59 PM
আমীন, ছুম্মা আমীন

Al Akhbar Media
05-27-2017, 12:30 AM
মাসাআল্লাহ্ আখিঁ চমৎকার পোষ্ট। ইনশাআল্লাহ সেদিন বেশি দূরে নয় , যেদিন মোজাহিদিনরা হিন্দু স্থানের জালিম বাদশাহদের কে শিকল দিয় বেথে শামে নিয়ে যাবে।
ইয়া রাব্বাল *মুজাহিদিন আপনি আমাদেরকে সেই বরকতময় কাফেলায় অংশগ্রহণ করার তৌফিক দান করুন । যারা হিন্দস্থানের জালিমদের কে অপদস্ত করবেন ।

shamer pothik
09-23-2017, 12:09 PM
[quote=কালো পতাকা;32223]ইনশাআল্লাহ এই সময় মুজাহিদ ভাইয়েরা মোদী ও হাসিনাসহ বড় বড় মুশরিক ও তাগুত নেতাদেরকে বন্দি করে নিয়ে শামে যাবে।

الله أكبر ولله الحمد

tawsif ahmad
09-23-2017, 07:23 PM
ইউছুফ আলাইহিচ্ছালামের খরিদারদের লিষ্টে নাম উঠানোর জন্য যদি বৃদ্ধা সুতার গুছা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে
তাহলে গাজ্বওয়াতুলহিন্দের কাফেলায় নাম লেখানোর জন্য এইটুকু সামর্থ ও কি আমাদের নেই। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্বয়ং তত্বাবধানে চালিতে যুদ্ধকে বলা হয় গাজ্বওয়া আর সাহাবিদের (রঃ) দ্বারা পরিচালিত যুদ্ধ কে বলা হয় সারিয়্যা , হিন্দুস্তানের যুদ্ধ কে স্বয়ং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গাজ্বওয়া বলেছেন, এই কারনে কোন কোন মুহাদ্দিছ বলেছেনঃ এতে প্রতিয়মান হয় যে "এই গাজওয়ায় অংশগ্রহণকারিগণ বদরে অহুদে অংশগ্রহনকারিদের মত হাশরের মাঠে রাসুল সাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লামের বিশেষ সান্যিধ্য লাভে ধন্য হবেন ইনশাআল্লাহু তায়ালা"।