PDA

View Full Version : গণতন্ত্র ও ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের পদ্ধতিঃ মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী



hadid_bd
07-15-2017, 07:27 PM
গণতন্ত্র ও ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের পদ্ধতি সম্পর্কে প্রখ্যাত মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলীপুরীর বয়ান
===
ইসলামের প্রবর্তক হলেন মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ। আর গণতন্ত্রের প্রবর্তক হলো আব্রাহাম লিংকন।
মুহাম্মাদূর রাসুলুল্লাহ সাঃ এবং আব্রাহাম লিংকনে যেই পরিমান ব্যবধান ইসলামি নির্বাচন পদ্ধতি আর গনতান্ত্রিক নির্বাচন পদ্ধতিতে
সেই পরিমান আকাশ পাতাল ব্যবধান।

ইসলামের বিধান মতে, সরকার নির্বাচনের পদ্ধতি হলো সর্বপ্রথম হবে সিলেকশন সিস্টেম। অসম্ভব হলে আসবে ইলেকশন সিস্টেম।
কোরআনের নির্বাচনের পদ্ধতি হলো যোগ্যতার ভিত্তিতে, আর আব্রাহাম লিংকনের নির্বাচনের পদ্ধতি হলো অশিক্ষিত জনগনের মনের ইচ্ছার ভিত্তিতে।
যাকে ইচ্ছা তাকে নির্বাচিত করবে।

ইসলামী রাষ্ট্রের সরকারী কর্মকর্তা হওয়ার জন্য ৪টা যোগ্যতার দরকার।
১/ ইসলামী আইনঃ অন্যদের তুলনায় ইসলামের আইন বেশি জানা।
২/ ইসলামী আইন পালনে অন্যদের চেয়ে অগ্রগামী হবেন।
৩/ জনগনকে নিয়ন্ত্রনে রাখার সক্ষমতা থাকতে হবে।
৪/ নতুন সমস্যা সমাধানের উদ্ভাবনী শক্তিসম্পন্ন থাকতে হবে।

কোরআনের বিধান মতে সিলেকশন আগে, ইলেকশন পরে।
কোরআনের বিধান মতে যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচন হয়, জনগনের ইচ্ছায় ভিত্তিতে নয়।
আব্রাহাম লিংকনের গণতন্ত্র মতে, যোগ্যতার ভিত্তিতে সিলেকশন হয় না, জনগনের ইচ্ছার ভিত্তিতে ইলেকশন হয়।

এই হলো ইসলামী সরকার নির্বাচনে আর আব্রাহাম লিংকনের সরকার নির্বাচনের ব্যবধান।

বর্তমান দুনিয়ায় অর্ধশতেরও বেশি মুসলিম রাষ্ট্র আছে। এর মধ্যে অল্প কয়েকটা হচ্ছে রাজতন্ত্র। রাজার পুত্র রাজা হবে। ইলেকশনও নাই, সিলেকশন ও নাই। ইসলাম ও গণতন্ত্রও নাই। আর বাদবাকী সবগুলি মুসলিম রাষ্ট্র। আব্রাহাম লিংকনের গণতন্ত্র মোতাবিক সরকার নির্বাচিত হয়।

আব্রাহাম লিংকনের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নির্বাচন কোরআনের আইন মতে হারাম। আলেমরা সরকারের চাপে পড়ে বাধ্য হয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন করেন।
আলেমদের হারাম কাজে বাধ্য করার জন্য সরকার শাস্তি পাবে।

কোরআনের বিধান মতে দেশ শাসিত হওয়ার জন্য আগে কোরআনের বিধানের অনুসারী(আখিরাতমুখী) জনগণ তৈরি করতে হবে।
কোরআনের বিধানের অনুসারী জনগনই কোরআনের বিধান দিয়ে দেশ শাসনকারী সরকার বানাবে।
দাওয়াতে তাবলীগের দ্বারা কোরআনের আইনের অনুসারী জনগণ তৈরি হবে।

ইসলামী রাষ্ট্রের ফাউন্ডেশন ইসলামের অনুসারী জনগণ। ইসলামের অনুসারী জনগণ তৈরি হবে দাওয়াতে তাবলীগ দ্বারা। ইসলামের অনুসারী জনগণ ইসলামী সরকার তৈরি করবে।
সেই সরকার ইসলামের আইন অনুযায়ী দেশ শাসন করবে।

[হুজুরের বয়ান থেকে অনুলিখন]

বয়ানের ইউটিউব লিংকঃ https://www.youtube.com/watch?v=ORtj0hD2hHY

salahuddin aiubi
07-21-2017, 09:43 AM
জাযাকাল্লাহ!
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন! এই বয়ানটা আমাদের বিষয়টাকে সমর্থন করেছে। গণতন্ত্রপন্থী আলেমদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব থেকেই তাদের কর্মপন্থার বিরুদ্ধে পরিস্কার আলোচনা।

karimul islam
07-21-2017, 12:02 PM
যার যতটুকু কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী হবে ততটুকু মানা যাবে এর বেশি নয়।
এখানে ওলিপুরী সাহেবের ইলেকশন ও সিলেকশন শব্দ ব্যবহার না করে ইসলামের পারিভাষিক
শব্দ ব্যবহার জরুরী ছিলো।এভাবে ব্যবহারের ফলে মানুষ বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন।
*আলেমদের সরকার গণতন্ত্র করতে বাধ্য করছে কথাটা চরম ভুল ও এ কথাটি এ পর্যায়ের যে,
ওলিপুরী সাহেব পরিপুর্ণভাবে হক্ব না বলে আলেমদের কাছেও বাহবা পেতে চাচ্ছেন আবার আল্লাহর
পাকরাও থেকেও বাচতে চাচ্ছেন।এভাবে বলা হক্ব প্রকাস নয়।
*চরমোনাইর ছাত্র আন্দোলন,খেলাফত মজলিস এরকম যারা ইসলামী গণতান্ত্রিক দল আছে
তারা কেউই সরকারের চাপে পড়ে গণতন্ত্র করেনা।
*বরং এ নাপাক রাজনীতিকে তারা সওয়াবের কাজ মনে করে।কেউ কেউ তো একে জিহাদই বলে দিয়েছে
আর জিহাদকে বলেছে সন্ত্রাস।নায়ুযুবিল্লাহ।
*দাওয়াতে তাবলীগের দ্বারা কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠার জন্য লোক তৈরী হবে এ কথাটিও স্পষ্ট নয়।
এটি কোন দাওয়াতে তাবলীগের মাধ্যমে হবে।তাদের দাওয়াতের বিষয়বস্তু কি হবে?বর্তমান প্রচলিত তাবলীগ তো চলছে
কিন্তু ইসলামী আইনের জন্য এর মাধ্যমে কতজন সৈনিক তৈরী হয়েছে?
তাদের কতজন জিহাদের সমর্থক হয়েছে?
একজনও নয়।যারা হয়েছেন তারা তাবলিগি ভাইদের মেহনতে হননি।
মুজাহিদ ভাইদের কঠোর পরিশ্রমের ফলে হয়েছে।
*সুতরাং সব স্পষ্ট করে বলা দরকার।এমন অস্পষ্ট করে বলার কারনে কিছু বিষয়ে জনমনে
বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
(বয়ানটি ডাউনলোড করতে কত এমবি দরকার জানালে ভালো হয়।কারন পুর্ণ বয়ানটি শুনা দরকার)

hadid_bd
07-21-2017, 03:49 PM
এমপি৪ ভিডিও ৩১.৫ এমবি।
৩জিপি ভিডিও ২০এমবি'র মত এবং অডিও ডাউনলোড করলে ১৫'র মত হবে।।

মরু সাইমুম
09-26-2017, 07:05 PM
আরে ভাই ......, যারা জিহাদ বুঝে না তাদের থেকে এর চেয়ে আর বেশি কি আশা করা যায়। এটাই যে বলছে তাও তো বেশি বলে ফেলেছে।

Musafir
09-27-2017, 08:33 AM
তাবলিগের মাধ্যমে ইসলামি শ্বাষনের কর্মি তৈরি হবে !!!! হাসি পাচ্ছে ।
তাবলিগের অনেক সাথীদের মাঝে ই বিকৃত দ্বীন দেখতে পাচ্ছি ।

murabit
09-27-2017, 08:13 PM
যার যত টুকু ভাল তার থেকে সে টুকু নেয়া যায় , আসলে তাঁরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে এক পর্যায়ের ইজতিহাদি খাতায় পড়ে আছেন।
তাঁদের জন্য ইজতিহাদি ভুল হলেও অন্যের জন্য অনুসরন জায়েজ নেই , কিন্তু অনেকে তাই করছে , আল্লাহ তায়ালা মাফ করেন।