PDA

View Full Version : ইমাম মাহদী আগমনের সকল আলামত শেষ যে কোনো সময় চুড়ান্ত যুদ্ধ শুরু হবে আপনি প্রস্তুত তো?



কালো পতাকা
09-06-2017, 04:37 PM
পূথিবীতে ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে জুলুম অথ্যাচার বেড়ে যাবে আর এমন একটা ঘর বাড়ী থাকবে না যে জুলুমের শিকার হবে না দেখুন এর বাস্তবতা সমাজে দেখা যাচ্ছে আ্জকের মুসলিমদের অবস্থা দেথে কুফফাররা ভাববে মুসলিমদের শেষ করে ফেলবে আজকে জুলুম অত্যাচারের কিছু হাদীস বলব
সহীহ মুসলিমের একটা হাদীস থেকে একটি বিষয় বুজতে পারলাম যা ভাইদের সাথে শেযার করব ইনশাআল্লাহ ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে ইরাকে একটা অবরোধ হবে (ইরাকের অবরোধ টা অনেক আগেই সমাপ্ত হয়ে যায় এই অবরোধে অনেক মুসলিম নিয়ত হয়েছে)
( হাদীসটি মাওলানা আসেম উমর এর ইমাম মাহদী দাজ্জাল বই থেকে দেখে নিবেন) এর পরপরই শামে একটি অবরোধ হবে (এই অবরোধের পরই ইমাম মাহদীর নেতৃত্বে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে) অনারবদের পক্ষ থেকে
কিছু দিন আগে সিরিয়া একটি অবরোধের শিকার হয় ( আল্লাহই ভালো জানেন এটিই কি সেই অবরোধ কিনা)অবরোধের কিছু চিএ দেখুন
সিরিয়ার আল গুতা নগরীর অবরোধের কিছু চিএ
https://www.dawahilallah.com/showthread.php?8491
(https://www.dawahilallah.com/showthread.php?8491)
http://i.cubeupload.com/33HyzX.png
http://i.cubeupload.com/38hklg.png
http://i.cubeupload.com/HhpDoq.png
http://i.cubeupload.com/6mpGxl.png

কালো পতাকা
09-06-2017, 04:44 PM
হাদীসে উল্লেখ আছে ইমাম মাহদীর সময় মুজাহিদ গণ আবারোও ঘোড়া ব্যাবহার করবেন দেখুন ওসামা বিন লাদেন এবং শামের মুজাহিদ গন ঘোড়া ব্যাবহার করছেন
http://i.cubeupload.com/vLqHyV.png
http://i.cubeupload.com/hxJW2E.png
শায়ক ওসামা বিন লাদেন শহীদ হন( ইনশাআল্লাহ) ০২ মে ২০১১ পাকিস্তানের অ্যাবোটোবাদে শায়ক ওসামা বিন লাদেনের ছোট বেলার স্বপ্ন থেকে জানা যায় শায়ক ওসামার পর যে নেতৃত্ব টা আসবে তা হচ্ছে ইমাম মাহদীর নেত্বত্ব( আল্লাহই ভালো জানেন) পড়ুন শায়ক ওসমার সেই স্বপ্নটি
http://i.cubeupload.com/4YgPfq.png
http://i.cubeupload.com/IyJRF9.png

আবু জাবের
09-07-2017, 07:08 AM
কথার ধরণ দেখে বুঝা যাচ্ছে এখানে কিছু লিংক দেয়া ছিল ।কিন্তু 'কাল পতাকা 'ভাই আমিতো লিংকগুলো দেখতে পাচ্ছি না ।যেমন,বলা হয়েছে, "পড়ুন শায়খ ওসামার স্বপ্নটি",,,,,"অবরোধের কিছু চিত্র দেখুন",,,,,এগুলোর পরে হয়তবা কোন লিংক ছিল যা আমি দেখতে পাচ্ছি না ।আর হ্যাঁ ,আমি কিন্তু মোবাইল ইউজার,এ কথাটি মাথায় রেখেই উত্তর পাব বলে আশাবাদি।

কালো পতাকা
09-07-2017, 11:36 AM
পিকচার গুলো নস্ট হয়ে যাওয়ার কারনে নতুন একটি ভিডিও লিংক এবং একটি পিডিএফ বইয়ের লিংক দেওয়া হলো-

ভিডিও ডাওনলোড লিংক:-http://www.mediafire.com/file/7n7j87rzz0s1hvg/seletir_sopno.mp4/file

পিডিএফ ডাওনলোড *লিংক:

-সরাসরি ডাইনলোড করুন (https://blackflagseriesinbangla.files.wordpress.com/2013/12/e0a696e0a78be0a6b0e0a6bee0a6b8e0a6bee0a6a8-e0a6a5e0a787e0a695e0a787-e0a695e0a6bee0a6b2e0a78b-e0a6aae0a6a4e0a6bee0a695e0a6be.pdf)
or
http://www.mediafire.com/file/vfzusvz17xcrwck/%25E0%25A6%2596%25E0%25A7%258B%25E0%25A6%25B0%25E0 %25A6%25BE%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6 %25B0_%25E0%25A6%25A5%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%259 5%25E0%25A7%2587_%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25BE%25 E0%25A6%25B2%25E0%25A7%258B_%25E0%25A6%25AA%25E0%2 5A6%25A4%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%2 5BE.pdf/file[/QUOTE]



শায়খ উসামা বিন লাদিন এর আগমন ইমাম মাহদী আগমনি বার্তা বহন করে
https://dawahilallah.com/showthread.php?11954

কালো পতাকা
11-05-2017, 10:22 PM
http://i.cubeupload.com/Nn0zZX.png
ইমাম মাহদী আসার পূর্বে ইয়েমেনের একটি শক্তিশালী বাহীনী তৈরী হবে
আল কায়েদার এই গ্রুপ গুলো এত দিনের যুদ্ধের বছর গুলোতে লড়াই করে যাচ্ছে , এটা অসম্ভব তাদের কে সরিয়ে দেয়া, কারন তারা সবাই স্বাধীন ভাবে শুধুমাত্র আদর্শের ভিত্তিতে একত্রিত হয়েছে । এমনকি তাদের একটি নির্দিষ্ট জায়গা আছে , যদিও তাদের পাহাড় পর্বতে লুকাতে হয়।
ভবিষৎবাণীকৃত ইয়েমেনের আবিয়ানে ১২,০০০ মুসলি:ম যোদ্ধা এখন জড় হচ্ছে
আহমাদ থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন যে রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্ ও তার রাসুলকে সাহায্য করার জন্য আদেন আবিয়ান থেকে বার হাজার লোক বের হয়ে পড়বে, যারা আমার এবং তাদের সময়ের মধ্যে সর্বোত্তম লোক।
ইয়েমেনের আনসার আল শারিয়াহ (AQAP) আদেন আবিয়ান প্রদেশে অবস্থান করছে এবং ইতিমধ্যে তাদের বার হাজার লোক বিশিষ্ট এক আর্মি গঠন করা হয়েছে, ঠিক যেমনটি রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন। http://i.cubeupload.com/VadaQe.png ইমাম মাহদী আসার পূর্বে শামে একটি শক্তিশালী বাহীনী তৈরী হবে http://i.cubeupload.com/bnF9BN.png আব্দুল্লাহ ইবন হাওয়ালাহ (রা.) আল্লাহর রাসুল (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে উনি বলেছেনঃ পরিস্থিতি তারকাজের ধারা অনুযায়ী চলতে থাকবে যতক্ষণ না তোমরা তিনটি বাহিনীতে পরিণত হওঃ একটি বাহিনী শামের, এবং একটি বাহিনী ইয়েমেনের আর আরেকটি ইরাকের। ইবন হাওয়ালাহ (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল (সাঃ)! যদি আমি সেই দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকি তবে আমার জন্য একটি নির্ধারন করে দিন। আল্লাহর রাসুল(সাঃ) উত্তর দিলেন, তোমার শামে যাওয়া উচিত হবে কারন এটি আল্লাহর ভূমিদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম, এবংউনার সব চেয়ে ভালবান্দারা ই সে খানে জড়ো হবে! এবং যদি তুমি তানা চাও তবে তোমার ইয়েমেনে যাওয়া উচিত এবং সেখান কার কূপ থেকে পানি পান করা উচিত ।কারন আল্লাহ আমাকে নিশ্চিত করেছেন যে উনি শাম এবং তার মানুষের উপর খেয়াল রাখবেন! (ইমাম আহমেদ ৪/১১০, আবু দাউদ ২৪৮৩) হাদিস অনুসারে তিনটি সেনাবাহিনী তৈরি হবে , যার মধ্যে একটি সেনাবাহিনী
১) শামে
২)ইরাকে
৩)ইয়েমেনে
অপরটি খোরাসানে ( আফগানস্থান ও তার চার পাশে ) যদিও এই ব্যাপারে মতানৈক্য আছে, পৃথিবীর সবাই এই বাস্তবতা অনুভব করেছে ) আল কায়েদা ও তার সহযোগী সংগঠন গুলো আজ চারটি জায়গাতেই উপস্থিত
ইমাম মাহদীর আর্বিভাবে পূর্বে সৈাদীর বাদশা তিনপুএ রত্ন-ভাণ্ডারের কাছে তিন জন খলীফা-সন্তান যুদ্ধ করতে থাকবে। বর্তমানে এ ধরনের পরিবেশ তৈরী হয়ে আছে
ওবান (রা :)থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সা:) বলেন: তোমাদের রত্ন-ভাণ্ডারের কাছে তিনজন খলীফা-সন্তান যুদ্ধ করতে থাকবে। কেউই দখলে সফল হবে না। প্রাচ্য থেকে তখন একদল কালো ঝাণ্ডা-বাহী লোকের আবির্ভাব হবে। তারা এসে তোমাদেরকে নির্বিচারে হত্যা করবে। ছাওবান বলেন-অতঃপর নবীজী কি যেন বললেন, আমার ঠিক স্মরণ নেই। এরপর নবীজী বললেন-যখন তোমরা তা দেখতে পাবে, অখন তাঁর কাছে এসে বায়াআত হয়ে যেয়ো! যদিও তা করতে তোমাদের হামাগুড়ি দিয়ে বরফের পাহাড় পাড়ি দিতে হয়!!
(ইবনে মাজা)

খলীফা-সন্তান: অর্থাৎ তিনজন সেনাপতি। সবাই বাদশার সন্তান হবে। পিতার রাজত্বের দোহাই দিয়ে সবাই ক্ষমতা দাবী করবে।
রত্ন-ভাণ্ডার: কাবা ঘরের নিচে প্রোথিত রত্নও
উদ্দেশ্য হতে পারে। নিছক রাজত্বও উদ্দেশ্য হতে পারে। কারো কারো মতে রত্ন বলতে এখানে ফুরাত নদীর উন্মোচিত স্বর্ণ-পর্বত উদ্দেশ্য।

ইবনে কাছীর (রহ: )বলেন: মাহদীকে প্রাচ্যের নিষ্ঠাবান একটি দলের মাধ্যমে শক্তিশালী করা হবে। তারা মাহদীকে সহায়তা করবে এবং মাহদীর রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করবে। তাদের পতাকাও কালো বর্ণের হবে। এটা গাম্ভীর্যের প্রতীক। কারন, নবী করীম (সা:) এর পতাকাও কালো ছিল। নাম ছিল উকাব।
ইমাম-মাহাদী-ও-তার-আগমন-পূর্ব-আলামত-সমূহ
https://82.221.139.217/showthread.php?6375

মহানবী সা: এর কথার বাস্তবতা দেখুন এই পোস্টে
https://82.221.139.217/showthread.php?8114

কালো পতাকা
01-27-2018, 06:33 PM
ইমাম মাহদী আগমনের কিছু পূর্বে একটি দলের আত্বপ্রকাশ তারা বয়সে তরুন হবে তাদেরর নামাজ ও রোজা আমাদের থেকে অনেক উওম ইসলামের প্রথম বাতিল দল খারেজী।রাসুল (সঃ) এর ওফাতের পর হযরত আলি (রাঃ) এর খিলফাতকালে এই দলটির উথান হয়।এই দলটি সম্পর্কে আল্লাহ তার রাসুল (সঃ) কে আগে ভাগেই জানিয়েছিলন,এবং রাসুল (সঃ) সাহাবীদের নিকট এই দলটি সম্পর্কে বিস্তারিত ভবিষ্যত বাণী করে যান যাতে উম্মাতে মুহাম্মাদি (সঃ) সচেতন হতে পারে।কয়েক দশক পরেই রাসুল (সঃ) এর ভবিষ্যৎ বাণী সত্য প্রমাণিত হয় এবং খারেজিদের আত্বপ্রকাশ ঘটে।এরপর যুগ যুগ ধরে এই খারেজীরা মুসলিমদের মধ্যে ফিতনা ফাসাদ করেই যাচ্ছে।হযরত আলি (রাঃ) এর জামানা থেকে আজও পৃথিবিতে খাওরাজ বিদ্যমান।খারেজিদের হাতেই খোলাফায়ে রাশেদা শহীদ হয়।খারেজিদের হাতেই ১৪০০ বছর ধরে চলমান খিলাফার পতন হয়,খারেজীদের কারনেই বর্তমানে খিলফার যে সূর্য পুনরায় জেগে উঠেছিল তা অস্তমিত হওয়ার পথে।
খারেজি নামকরণঃ খারেজী আরবি শব্দ যা এসেছে খারাজা থেকে,যার অর্থ বেরিয়ে পড়া মূলত যারা কোরআন ও হাদিসের পথ থেকে বেরিয়ে পড়ে তাদেরকে খারেজী বলা হয়।এজন্যও খারেজী বলা হয় করন তারা বেরিয়ে পড়েছে হত্যার উদ্দেশে সমকালীন সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মানুষকে।এছাড়াও যারা ( লোক বা গুষ্টি বা দল ) ইসলামের পক্ষে কাজ করে বা করার জন্য চেষ্টা করে ,কিংবা ইসলামকে পূর্ণ বা আংশিক ভাবে মেনে চলে তাদেরকে যারা কাফের মনে করে তাদের তাদের কে খারেজী বলা হয়।
খারেজীর আত্মপ্রকাশঃ
জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ হতে বর্ণীত ,এক লোক রাসুল মুহাম্মদ (সঃ) এর কাছে জেরানা নামক স্থানে দেখা করেন। জেরানা নামক স্থানটি হল সেই জায়গা যেখানে রাসুল মুহাম্মদ (সঃ) হুনায়নের যুদ্ধে প্রাপ্ত গনিমতের মাল বণ্টন করছিলেন ।সাহাবী বেলাল (রঃ) এর কাপড়ের উপর রুপার টুকরা গুলো রাখা ছিল। নবীজি সেইখান থেকে মুষ্টি বদ্ধ ভাবে মানুষকে দান করছিলেন। তখন উপস্থিত ঐ লোক বললঃ- হে মুহাম্মদ আপনি আল্লাহ্কে ভয় করুন ও ইনসাফ করুন
রাসুল মুহাম্মদ (সঃ) বলেনঃ ধ্বংস তোমার জন্য ।আমি যদি ইনসাফ না করি তবে কে ইনসাফ করবে? আল্লাহর শপথ! তোমরা আমার পর এমন কোন ব্যক্তি পাবে না যে আমার চেয়ে অধিক ন্যায় পরায়ণহবে।সাথে সাথে ওমর (রঃ) (মতান্তরে খালিদ বিন ওয়ালিদ ) বলেন হে রাসুল আপনি অনুমতি দিন আমি এই মুনাফিককে হত্যা করি। রাসুল মুহাম্মদ (সঃ) বলেনঃ না, আমি আল্লাহ্র কাছে আশ্রয় চাই । যদি এমন কর তবে মানুষ বলবে আমি আমার সাহাবীদের হত্যা করি ।ঐ লোক চলে যাওয়ার পর ,তিনি আরও বলেন, এই লোকটা ও তার কিছু সঙ্গী থাকবে যারা কোরআন পড়বে কিন্তু কোরআন তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা ইসলাম থেকে এমন ভাবে বের হয়ে যাবে, যেমন তীর ধনুক থেকে বের হয়ে যায়।[মুসলিম শরীফ][নাসায়ী শরীফ পৃষ্ঠা ৩০৮]
এই লোকের বংশধর ও অনুসারীরাই হচ্ছে খারেজি।এরা কেমন হবে কি করবে রাসুল (সাঃ) এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলে যান।
মুসলিম উম্মাহকে সতর্ক করে রাসুল মুহাম্মদ (সঃ) বলেন,অদূর ভবিষ্যতে আমার উম্মতের মধ্যে মতানৈক্য ও ফিরকা সৃষ্টি হবে।এমন এক সম্প্রদায় বের হবে যারা সুন্দর ও ভাল কথা বলবে।আর কাজ করবে মন্দ।তারা কোরআন পাঠ করবে-তা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না।তারা দ্বীন অর্থাত্ ইসলাম থেকে এমনিভাবে বেরিয়ে যাবে,যেভাবে তীর শিকারী থেকে বেরিয়ে যায়।তারা সৃষ্টির সবচেয়ে নিকৃষ্ট।ঐ ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ যে তাদের সাথে যুদ্ধ করবে এবং যুদ্ধে তাদের দ্বারা শাহাদাত বরণ করবে।তারা মানুষকে আল্লাহর কিতাব(কোরআন)-এর প্রতি দাওয়াত দেবে,অথচ তারা আমার কোন আর্দশের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়।যে ব্যক্তি তাদের বিরুদ্ধে লড়বে সে অপরাপর উম্মতের তুলনায় আল্লাহ তায়ালার অনেক নিকটতম হবে।সাহাবায়ে কেরাম বললেন,হে আল্লাহর রাসুল (দঃ)! তাদের চিহ্ন কি? হুজুর করীম (দঃ) উত্তরে বললেন,অধিক মাথা মুন্ডানো।(আবু দাউদ শরীফ,পৃষ্ঠা ৬৫৫,মিশকাত শরীফ,পৃষ্ঠা ৩০৮)
মুহাম্মদ (সঃ) আরো বলেন, শেষ যামানায় একদল তরুণ বয়সী নির্বোধ লোকের আবির্ভাব ঘটবে, যারা সর্বোত্তম কথা বলবে। তারা ইসলাম থেকে এত দ্রুত গতিতে বের হয়ে যাবে, যেমন তীর ধনুক থেকে বের হয়ে যায়। তাদের ঈমান তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তোমরা তাদেরকে যেখানেই পাবে সেখানেই হত্যা করবে। কারণ যে তাদেরকে হত্যা করবে তার জন্য ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট নেকী রয়েছে।
[বুখারী হা/৩৬১১, ৫০৫৭, ৬৯৩০; মুসলিম হা/২৫১১; আবূদাঊদ হা/৪৭৬৭; নাসাঈ হা/৪১০২; মিশকাত হা/৩৫৩৫]
অন্য বর্ণনায় আছে, রাসুল মুহাম্মদ (সঃ) বলেন, তোমরা তাদের সালাতের তুলনায় তোমাদের সালাতকে তুচ্ছ মনে করবে, তাদের সিয়ামের তুলনায় তোমাদের সিয়ামকে এবং তাদের আমলের তুলনায় তোমাদের আমলকে তুচ্ছ জ্ঞান করবে। তারা মুসলমানদেরকে হত্যা করবে এবং মূর্তিপূজকদের ছেড়ে দিবে। [বুখারী হা/৫০৫৮; মুসলিম হা/২৪৫৩ ও ২৪৪৮; মিশকাত হা/৫৮৯৪]
মূসা ইবনে ইসমাইল(র)..ইউসায়ের ইবনে আমর(রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাহল ইবনে হুনায়েফ (রা) কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি নবী(সা)কে খারিজীদের সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন কি? তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি। আর তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সা.) তাঁর হাত ইরাকের দিকে বাড়িয়েছিলেন যে, সেখান থেকে এমন একটি কাওম বের হবে যারা কুরআন পড়বে সত্য, কিন্তু তা তাদের গলদেশ অতিক্রম করবেনা। তারা ইসলাম থেকে বেরিয়ে য়াবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়।
(সহিহ বুখারী, খন্ড ৮, অধ্যায় ৮৪, হাদিস ৬৮)
মুসনাদে আহমাদের অন্য বর্ণনায় এসেছে, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাঃ বর্ণনা করেছেন যে, পূর্ব দিক থেকে আমার উম্মতের মধ্যে এমন একদল লোকের আবির্ভাব ঘটবে যারা কোরান তেলাওয়াত করবে কিন্তু কোরানের বানি তাদের কণ্ঠনালি অতিক্রম করবে না। যত বারই তাদের কিছু অংশের প্রাদুর্ভাব দেখা যাবে ততবারই তারা ধ্বংস (হত্যা করা) হয়ে যাবে। এভাবে রাসুল সাঃ দশ বার বলার পরে বলেন, যত বারই তাদের কিছু অংশের আবির্ভাব হবে ততবারই তারা ধ্বংস (হত্যা করা) হয়ে যাবে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদেরই একটি গোষ্ঠীর মধ্যে দাজ্জালের আবির্ভাব হয়।
খারেজী সম্প্রদায় উত্থানের সূচনা:
রাসুল (সাঃ) এর অফাতের পর রাসুল (সঃ) এর সকল ভবিষ্যত বানী সত্য প্রমানিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত খারেজীদের আত্ব প্রকাশ ঘটে।হিজরি ৩৭ সালে একটি কাহিনী খারেজীদের সম্পর্কে সকল ধারণা স্পষ্ট হয়।
হযরত আলী (রঃ) শাসনের সময় ইসলামের খলিফার নির্ধারণের মুসলমানরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে ।একটি দল হল হযরত আলী (রঃ) এবং অন্য দল হল মুয়াবিয়া (রাঃ)। ক্রমে অবস্থা রক্তক্ষয়ীতে রুপ লাভ করে (৬৫৭ সালের জুলাই মাসে আলীর সাথে মুয়াবিয়ার সিফফিন নামক স্থানে যুদ্ধ হয়) , তখন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধের জন্য হযরত আলী (রঃ) দুই জন বিচারক নিয়োগ দিলেন ,একজন হযরত আলী (রঃ) পক্ষ থেকে অন্য জন মুয়াবিয়ার (রাঃ) পক্ষ থেকে।সিফফীন যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর শাম ও ইরাকের সকল সাহাবীদের ঐক্যমত্যে বিচারব্যবস্থা পৃথকীকরণ এবং আলী (রা:) এর কূফায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তখনই খারেজী সম্প্রদায় আলী (রা:) থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে হারূরা প্রান্তরে এসে বসতি স্থাপন করে। সেনাবাহিনীতে তাদের সংখ্যা আট হাজার ছিল।বিচ্ছিন্নতার সংবাদ পেয়ে হযরত আলী (রা:) ইবনে আব্বাস (রা:)-কে তাদের কাছে পাঠান। ইবনে আব্বাস (রা:) বুঝিয়ে শুনিয়ে তাদের থেকে দুই হাজারকে আলী (রা:) এর অনুসরণে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন। অতঃপর আলী (রা:) কুফার মসজিদে দাড়িয়ে দীর্ঘ ভাষণ দিলে মসজিদের এক কোনায়- লা হুকমা ইল্লা লিল্লাহ (আল্লাহ্র বিধান ছাড়া কারো বিধান মানি না, মানব না) স্লোগানে তারা মসজিদ ভারী করে তুলে। আলী (রা:) এর দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়- আপনি বিচারব্যবস্থা মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন?! আল্লাহ্র বিধানে অবজ্ঞা প্রদর্শনের দরুন আপনি মুশরেক হয়ে গেছেন!!
খারেজীদের বক্তব্য , হযরত আলী (রঃ) বিচারের দায়িত্ব মানুষের উপর নেস্ত করেছেন, কিন্তু বিচারের মালিক আল্লাহ্।আল্লাহ্ ছাড়া কারোও ফয়সালা মানা যাবে না ।সিদ্ধান্ত তো আল্লাহ্ ছাড়া কারোর নয় (إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ ৬:৫৭)।
এই আয়াতের হুকুম ভংগ করেছেন। তাই বিচারক নিয়োগ কুরআন পরিপন্থী । সুতরাং আপনি কুফরি করেছেন এবং আপনি কাফের হয়ে গেছেন ,আপনাকে তওবা করে পুনরাই ইসলাম গ্রহন করতে হবে। ।অথচ সত্য হল মানুষের মধ্যে ফয়সালার জন্য মানুষকেই বিচারক হতে হবে।আর ফয়সালা হবে আল্লাহ্র আইন অনুসারে ।এই খারিজীরা নিজেদের নির্বুদ্ধিতা ধর্মীয় গোঁড়ামিতে রূপদান করে এবং মুসলমানদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সূচনা করে।
তখন আলী (রা:) বললেন- তোমাদের ব্যাপারে আমরা তিনটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি:
১. মসজিদে আসতে তোমাদের আমরা বারণ করব না।
২. রাষ্ট্রীয় সম্পদ থেকে তোমাদের বঞ্চিত করব না।
৩. আগে-ভাগে কিছু না করলে আমরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না।
কিছুদিন পর সাধারণ মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষ করত: তারা আব্দুল্লাহ্ বিন খাব্বাব বিন আরিত (রা:)-কে হত্যা করে তার স্ত্রীর পেট ফেড়ে দু-টুকরা করে দেয়।আলী (রা:) জিজ্ঞাস করেন, আব্দুল্লাহ্কে কে হত্যা করেছে? জবাবে তারা- আমরা সবাই মিলে হত্যা করেছি- স্লোগান দিতে থাকে। এরপর আলী (রা:) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেন। নাহরওয়ান অঞ্চলে তাদের সাথে মুসলমানদের তুমুল যুদ্ধ হয়। যুদ্ধ সমাপ্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে খারেজীরা পরাজিত হয় খারেজি সম্প্রদায়ের ফেতনাও সাময়িক ভাবে খতম হয়ে যায়।
পরজিত খারেজিদের বংশধর ও অনুসারীরা এরপরেও বিভিন্য সময় আত্বপ্রকাশ করে এবং ফিতনা ফাসাদ বাধাতে উদ্যত হয়।
খারেজিদের কিছু বৈশিষ্ট্যঃ
*. খারেজিদেরউতপত্তি হবে পূর্ব দিক থেকে (রিয়াদ ইরাক ও তৎসংলগ্ন অঞ্চল)
*. তারা বয়সে হবে নবীন ও তরুণ যারা নিজেদের অনেক জ্ঞ্যানী ভাববে।
*. খারেজিরা মুসলমানদেরকে যেকোনো গুনাহের (বিশেষ করে গুনাহে কবিরা ) জন্য কাফের বলে সম্বোধন করে।এবং সামান্য ব্যাপারে কুফরের ফতোয়া দেয়।
*. তারা মুসলমানদের হত্যা করবে শুধু মাত্র ধর্মীয় মতের অমিলের (কিভাবে ইবাদত / শাসন করা হবে এই বিষয়ে ) কারনে। কিন্তু তারা কাফের , মুশরিক , কবর ও মূর্তি পূজারী দের ছেড়ে দিবে
*.তারা মুসলিমদের প্রতি হবে কঠোর কাফেরদের প্রতি হবে নমনীয়।
*. তারা কথায় কথায় মুসিলমদের তাকফীর করবে।(বিদাতি কাফের বলে সম্বোধন করবে)।
*. তারা হবে ইবাদতে অন্যদের চেয়ে অগ্রগামী কিন্তু নিজদের ইবাদতের জন্য হবে অহংকারী।
*. তারা কুরান পড়বে কিন্তু কুরান বুঝবেনা বরং উল্টোটা বুঝবে।
*. তারা সর্বোত্তম কথা বলবে কিন্তু সর্ব নিকৃষ্ট কাজ করবে।
*. কুরানের যেসব আয়াত কাফের জন্য প্রজজ্য তা তারা অজ্ঞ মুসলিমদের উপর প্রয়োগ করবে।
*. পৃথিবীতে সব সময়ই খারেজি আকিদার লোক থাকবে এবং সর্বশেষ এদের মধ্য থকেই দাজ্জালের আবির্ভাব হবে

কালো পতাকা
01-27-2018, 06:35 PM
খারেজি চিনার উপায়ঃ
১. হযরত আলী(রাঃ):
অতীতের খারেজী সম্প্রদায়রা ইসলামের ৪র্থ খলিফা হযরত আলী(রাঃ) মুশরিক এমনকি কাফির বলতেও দ্বীধাবোধ করত না। খারেজী সম্প্রদায়ের সাথে উনার বিশাল যুদ্ধে উনি এদের পরাজিত করেন। তাই খারেজি সম্প্রদায়রা উনার প্রশংসামূলক যে সব সহীহ হাদীস আছে সেগুলোকে জাল-যয়ীফ হিসেবে প্রচারণা চালায় এবং যারা উনার প্রশংসা করে তাদেরকে শিয়া-সূফী মনে করে। অতীতের খারেজী সম্প্রদায়রা উনার বিরোধীতা করত directly আর এখনকার খারেজিরা করে indirectly।
২.ইমাম হাসান হোসেন (রাঃ)
রাসুল (সঃ) এর দৌহিত্র জান্নাতের পুরুষদের সর্দার ইমাম হাসান হোসেন খারেজিদের চোখের কাটা।অতীতের খারেজিরা ডাইরেক্টলি ইমাম হাসান হোসেনের বিষাদগার করত। বর্তমান খারেজীরা তাদের বিষাদগার করার সাহস পাই না বটে তবে তাদের প্রশংসাকারীদের কশিয়া বলে অভিহিত করে।
৩ .খারেজীরা আমীরে মুয়াবিয়া (রাঃ) কে কাফের মনে করে কিন্তু তার ছেলে ইয়াজিদকে পাক্কা মুসলিম মনে করে।কারন মুয়াবিয়ার (রাঃ) এর সাথে খারেজিদের যুদ্ধ হয়েছিল,আবার ইয়াজিদ খারেজিদের জানের দুশমন ইমাম হাসান হোসেনকে হত্যা করেছিল।খেয়াল করলে দেখবেন খারেজিরা ইয়াজিদের নামের পাশে (রাঃ)! লাগায়।
৪.ইমাম আবু হানিফা(রঃ):
উ নার সাথে খারেজী-মুতাজিলা সম্প্রদায়ের অনেক বাহাস হয়েছিল। সে সবের একটি বাহাসেও খারেজীরা উনার সাথে পেরে উঠে নি। তাই খারেজীরা উনাকে পছন্দ করত না ও উনার নামে বানোয়াট কথা ছড়াত। আজকের খারেজি সম্প্রদায়ের অনেকেই উনাকে পছন্দ করে না ও উনার নামে বানোয়াট কথা ছড়ায়।
৫. ইমাম আশআরী (রঃ) এবং ইমাম মাতরুদী(রঃ):
ইমাম আশআরী(রঃ) এর সম্পূর্ণ নাম ইমাম আবু আল-হাসান আল-আশআরি(রঃ) এবং পরবর্তিতে তিনি ইমাম আহমদ বিন হাম্বল(রঃ) এর পাশাপাশি ৩য় শতাব্দীর মুজাদ্দিদ হিসেবে স্বীকৃত পান সমস্ত আলেমগণের নিকট।ইমাম আশারী(রঃ) এক সময় খারেজী-মুতাজিলা ছিলেন। কিন্তু পরবর্তিতে তিনি এই সম্প্রদায়ের আক্বীদা যে কতটা ভ্রান্ত তা বুঝতে পেরে এদের সংস্পর্শ তো ত্যাগ করেনই সেই সাথে এদের বিরুদ্ধে বই লিখে এদের আক্বীদা সংক্রান্ত সমস্ত ভ্রান্ত মতবাদকে খন্ডন করে অসংখ্য বই রচণা করেন। ইমাম মাতরুদী(রঃ) ও ঠিক একই কাজ করেছিলেন। যার কারণেই খারেজী-মুতাজিলারা উনাকে একদমই পছন্দ করত না।
আজকের খারেজি সম্প্রদায়ের অনেকেই উনাকে পছন্দ করে না; উল্টা ইসলামী আক্বীদাগুলোকে নিজেদের সুবিধামত কখনও আশআরী আক্বীদা, আবার কখনওবা মাতরুদী আক্বীদা হিসেবে আখ্যায়িত করে সাধারণ মানুষদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করে চলেছে।বর্তমান জামানার খারেজিরা এই দুই মহান ঈমামের নাম শুনলেই চে চে করে উঠে।
বর্তমান জামানার খারেজীঃ
উপরে উল্লেখিত খারেজিদের ইতিহাস খারেজিদের বৈশিষ্টের সাথে বর্তমান ও কিছুকাল পূর্বে যাদের হুবহ মিল আছে তারাই হল এযুগের খারেজি।লক্ষনীয় বিষয় যে খারেজিদের সাথে কারো সাধারণ বিশিষ্ট মিলে গেলেই সে খারেজি নয়,তবে এই গুণ পরিহার্য।তবে একজন মুসলিমের জন্য খারেজি হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে কুফুরি/ব্দাত করার কারনে সে পাইকারি হারে মুসলিমদের কাফের/বিদাতি বলবে।এবং কাফেরদের রেখে মুসলিমদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে।শাষকের ভুলের কারনে শাষকেরর বিরুধ্যে যুদ্ধ না করে মুসলিম সম্রাজ্যের বিরুধ্যে যুদ্ধ করবে।
অনেকেই জানেন বর্তমান সৌদি রাজতন্ত্রে জন্ম হয়ছে খিলফাতের বিরুদ্ধ্যে যুদ্ধ করে,মুসলিম সম্রাজ্য ভেঙ্গে খান খান করে।যারা জানেন না তারাএই নোটের শেষে দেয়া সৌদি রাজতত্রের জন্ম ইতিহাস নিয়ে আমার আগের নোটটা পরে জেনে নিয়েন।বর্তমান জামানায় খারেজী দেখতে হলে সৌদি রাজন্ত্র ও এর সমর্থক গোষ্ঠী নামধারী আলেম উলামাদের দেখলেই যথেষ্ট।এরা কথায় কথায় মুসলিমদের কাফের বিদাতি ফতোয়া দেয়।এখানে উল্লেখ্য যে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা হচ্ছে অজ্ঞতা বশত বা জেনেশুনে কেউ কবিরা গুনাহ বা বিদাত করলেই কেউ কাফের বা বিদাতি নয়।তবে তার তওবা করা আবশ্যক।
এছাড়াও সৌদি রাজারা কাফেরদের প্রতি কি পরিমান নমনীয় ও মুসলিমদের প্রতি কি পরিমান কঠোর তা সকলেরি জানাশুনা,এগুলি বলার প্রয়োজন বোধ করছি না।
মুসলিমদের জানের দুশমান আমেরিকাহচ্ছে সৌদিদের প্রভু।এরা আল্লহর পরিবর্তে আমেরিকাকে প্রভু বানিয়ে বহু আগেই ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে গেছে।
ইরাক ও সিরিয়া সাম্প্রতিককালে খারেজিদের আবির্ভাব হয়েছে যারা isis নামে পরিচিত প্রথমদিকে আমিও এদের মুজিহিদ ভেবে ভুল অরেছিলাম।
আমি নিজেও এদের অনেক প্রচারণা করেছি।কিন্তু এদের আসল রুপ প্রকাশিত হয়ছে সাম্প্রতিককালে।এরা বাসার আল আসাদকে বাদ দিয়ে সিরিয়ার অন্য গ্রুপের মুজাহিদদের হত্যা করা শুরু করেছে যার সুস্পষ্ট প্রমান আছে।সারা বিশ্বের মুজাহিদদের প্রানপিয় তানজিম আল কায়েদা ইতিমধ্যে এদের গোমরা প্রথভষ্ট খারেজি ঘোষণা করেছে।এরা আহলুল আকদের সমর্থন না নিয়ে খিলফা ডিক্লেয়ার করেছে এবং তাদের অবৈধ খিলফা যারা মানতে অস্বীকার করছে তাদের ব্রাশ ফায়ার করছে ইরাক ও সিরিয়াতে।আপনারা জানেন পাশেই ইজরায়েল ফিলিস্তিনি মুসলিম হত্যা,আসাদ সিরিয়াতে সুন্নি হত্যা করছে।সেদিকে তাদের ভ্রুক্ষেপ নেই তারা নেমেছে মুসলিম হত্যা করে বায়াহ আদায় করতে ।
খারেজিদের মুল বৈশিষ্ট্য কাফেরদের ছেড়ে দেই মুসলিমদের হত্যা করে isis এর মধ্যে সুষ্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয়।

মসজিদে আই এস তরুনদের নামাজের ফটো দেখুন-

উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বুজা যা্চ্ছে আই এস উথান এটা হচ্ছে ইমাম মাহদীর আগমনের অন্যতম একটি আলামত রাসুল সা: হাদীস অনুযায়ী বুজা যাচ্চে উক্ত দলটি হচ্ছে আই-এস মানে দায়েস আর এটিই হচ্ছে উম্মতে জন্য ইবলিশ শয়তানের শেষ পেরেক উক্ত দলটির পরপরই ইমাম মাহদীর আগমন ঘটবে এবং সমস্ত বিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে আফগানিস্তান/ শাম/ইরাক সহ বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধ ক্ষেএ গুলো একের পর এক খুলে যাবে যে লক্ষন টি বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে


যে কোনো সময় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্বে আমাদের আগে থেকেই প্রস্তুতি গ্রহন করতে হবে জিহাদের প্রস্তুতি হিসেবে এথানে জিহাদী ট্রেনিং সংক্রান্ত কিছু পিডিএফ বই এর লিংক দেওয়া হলো-

কালো পতাকা
01-27-2018, 07:11 PM
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZLSGH7ZMqGbsQUTB8Sajio7SCAuN7kkaRT7
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZ6jGH7ZmUV92Kx3qvFn2pHNU9yl9XPhfyvk
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZAjGH7ZQvzLLY9EhA8pyerCmvLljk2OOQ1y
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZajGH7ZtDOG03XHHNRRmIz0NrL0afelGY07
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZajGH7ZtDOG03XHHNRRmIz0NrL0afelGY07
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZbuGH7ZolTGxXjY6CJCofSlxhSuWYpBA2E7
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZbuGH7ZolTGxXjY6CJCofSlxhSuWYpBA2E7
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZiuGH7ZsXcXxuV0U7yWpYaw5zbIqJdOaLw7
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZVfGH7Zj7k1lKnDd47OhIlBQSXbdJG9g3GX

কালো পতাকা
02-18-2018, 12:14 AM
মুফতি কাজী ইব্রাহীম সাহেব তার একটি লেকচারে বলেন ইমাম মাহদী আগমনের কিছু পূর্বে আমেরিকার সাথে রাশিয়ার যুদ্ধ হবে তার লেকচার টি হলো আগে শুনুন
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZDHTR7ZYGqjIUruN2JxzKNjf2Av7ke0V1ay(আল্ লাহ তায়ালা উনাকে হেদায়েত দান করুক)

এই হাদীসের আলোকে দেখুন দাওয়াইল্লাহ ফোরমে প্রকাশিত আমেরিকার রাশিয়ার যুদ্ধের ভিডিও
মার্কিন ও রাশিয়ান মাঝে আজ তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয় দেখুন ভিডিওটি
(http://মার্কিন ও রাশিয়ানমাঝে আজ তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয় দেখুন ভিডিও টিhttps://82.221.139.217/showthread.php?8988)
https://82.221.139.217/showthread.php?8988

কালো পতাকা
02-18-2018, 07:46 AM
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুল আমেরিকা অথবা রাশিয়া দখল করবে পরে তাদের কাছ থেকে মুজাহিদিনরা দখল করবে আর এর সপ্তম বছরে দাজ্জাল আত্নপ্রকাশ করবে বর্তমানে এ ধরনের পরিসিস্থিতি তৈরী হচ্ছে
সিরিয়ার উত্তরে কুর্দি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নেটো জোটের দুই সদস্য তুরস্ক এবং আমেরিকার সৈন্যরা এখন মুখোমুখি, এবং পরিস্থিতি বিপজ্জনক।
সিরিয়ার মানবিজ শহরে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি মিলিশিয়া ওয়াইপিজি, যাদের আঙ্কারা সন্ত্রাসী হিসাবে গণ্য করে, তাদের ওপর সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি দিয়েছে তুরস্ক।
http://www.1newsbd.com/2018/02/17/251862
যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে: মার্কিন এ্যাডমিরাল
http://www.1newsbd.com/2018/02/17/251765
উপরোক্ত আলোচনা প্রেক্ষিতে বলা যায় আমাদের খলিফা ইমাম মাহদী অতি শ্রীঘ্রই আত্নপ্রকাশ করবেন ইনশাআল্লাহ
বর্তমান সব কিছ

কালো পতাকা
03-06-2018, 11:35 PM
২০১৮/২০১৯ ইমাম মাহদীর আগমন করতে পারে দাওয়াইল্লাহ ফোরামের একটি গবেষণামূলক পোস্ট
https://82.221.139.217/showthread.php?7929
https://dawahilallah.com/showthread.php?11591

কালো পতাকা
03-06-2018, 11:42 PM
প্রকূত ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে ভূয়া মাহদীর আর্বিভাব হবে

ভোর দুই প্রকার
১/ প্রকূত ভোর
২/ মিথ্যা ভোর
মিথ্যা ভোর ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে কাবায় একজন ভূযা মাহদীর আর্বিভাব ঘটবে যা হয়েছে ২০ নভেম্বর ১৯৭৯ সালে ফজরের সময় জুহাইমান আলও তাইবীনামক একব্যক্তি অস্ত্র ও লোক বল নিয়ে আকস্মিক ভাবে বাইতুল্লাহ র দখল নিয়ে নেয়।
ভূয়া মাহদী সর্ম্পকে বিবিসি বাংলার একটা খবর দেখুন ইনশাআাল্লাহ


ইতিহাসের সাক্ষী: সশস্ত্র জঙ্গিরা যেভাবে অবরোধ করেছিল কাবা শরিফ


http://i.cubeupload.com/gb4Gok.png

কালো পতাকা
03-06-2018, 11:44 PM
সৌদি আরবের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় একটি ঘটনা হচ্ছে ১৯৭৯ সালে পবিত্র মক্কা নগরীতে কট্টরপন্থী সুন্নীদের অবরোধ। ইসলামের পবিত্রতম স্থান কাবা এবং একে ঘিরে তৈরি মসজিদ আল হারাম বা হারাম শরিফ অবরোধ করেছিল একটি সালাফিপন্থীগোষ্ঠী । তাদের দখল থেকে মক্কাকে মুক্ত করতে যে তীব্র লড়াই চলে, তাতে নিহত হয় শতশত মানুষ। সেই ঘটনা নিয়ে ইতিহাসের সাক্ষীর এ বারের পর্ব:

কালো পতাকা
03-06-2018, 11:53 PM
১৯৭৯ সালের ২০শে নভেম্বর। ইসলামী বর্ষপঞ্জীতে এই দিনটির একটা প্রতীকী তাৎপর্য রয়েছে।

একটা নতুন শতাব্দীর শুরু সেদিন, হিজরী ১৪০০ সালের প্রথম দিন। পবিত্র মক্কা নগরীর মসজিদ আল হারাম, বা হারাম শরিফ সেদিন হাজার হাজার মানুষে পরিপূর্ণ।

সারা পৃথিবীতে থেকে আসা মুসলিমরা সেদিনের ফজরের নামাজে যোগ দেয়ার অপেক্ষায়। মসজিদটি তৈরি করা হয়েছে চতুস্কোণ কাবা-কে ঘিরে। এটি হচ্ছে ইসলামের পবিত্রতম স্থান।

ফজরের নামাজ মাত্র শেষ হতে চলেছে। হঠাৎ সাদা কাপড় পরা প্রায় শ'দুয়েক লোকজন অস্ত্র হাতে বেরিয়ে এলো নামাজীদের মধ্য থেকে। এই অস্ত্র তারা আগেই সেখানে পাচার করে নিয়ে এসেছিল।

কয়েকজন অস্ত্রধারী গিয়ে অবস্থান নিল ইমামের চারপাশে। ইমাম যখন তার নামাজ শেষ করলেন, অস্ত্রধারীরা মাইক্রোফোনের নিয়ন্ত্রণ নিল। তারপর তারা মাইকে এমন এক ঘোষণা দিল, যা শুনে হতবাক হয়ে গেল সবাই।

অস্ত্রধারীদের একজন মাইকে বলছিল, "আমরা আজ ইমাম মাহদীর আবির্ভাব ঘোষণা করছি। তিনি বিশ্বে ন্যায় বিচার এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করবেন। যে বিশ্ব এখন অন্যায়-অত্যাচার এবং অশান্তিতে ভরে গেছে।"http://i.cubeupload.com/i27qV5.png

কালো পতাকা
03-06-2018, 11:59 PM
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, ইমাম মাহদী বিশ্বে আবির্ভূত হবেন ইসলামকে পুনরুদ্ধার করতে। কেয়ামতে আগে দাজ্জালের শাসনকে উৎখাত করে ইমাম মাহদী বিশ্বে ইসলামকে পুনপ্রতিষ্ঠা করবেন। কেয়ামতের পূর্বে বিশ্ব ধ্বংস হওয়ার আগে ঘটবে এই ঘটনা।

সেদিন মক্কায় এই ঘোষণা যারা শুনছিলেন তাদের মধ্যে ছিলেন এক মাদ্রাসা ছাত্র, যিনি মাত্রই তার হজ্জ্ব শেষ করেছেন।

"আমরা খুব অবাক হয়েছিলাম যখন নামাজের পর পরই কিছু লোক হারাম শরিফে মানুষের উদ্দেশে কথা বলার জন্য মাইক্রোফোনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিল। তারা বলছিলে, মাহদী পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই মানুষ খুশি হয়েছিল যে, যিনি পৃথিবীকে বাঁচাবেন, সেই ত্রাতা, তিনি আত্মপ্রকাশ করেছেন।"

"মানুষ ছিল খুবই উৎফুল্ল। তারা জোরে 'আল্লাহু আকবর' ধ্বনি দিচ্ছিল।"

যে সশস্ত্র গ্রুপটি সেদিন কাবা এবং হারাম শরিফের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল, তারা ছিল সালাফিপন্থী একটি কট্টর সুন্নী গোষ্ঠী। তাদের নেতা ছিলেন এক বেদুইন, জোহাইমান আল ওতাইবি।

মসজিদের মাইকে জোহাইমান আল ওতাইবি ঘোষণা দিলেন, ইমাম মাহদি সেখানে তাদের মাঝেই আছেন।

তার এই ঘোষণার পর সশস্ত্র গ্রুপটির মধ্য থেকে একজন সামনে এগিয়ে এলেন। তিনি জোহাইমানের সম্পর্কিত ভাই। তাঁর নাম মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল কাহতানি। জোহাইমান দাবি করলেন, এই মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল কাহতানিই হচ্ছেন ইমাম মাহদী। যিনি আসবেন বলে ইসলামে আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে।

তারপর যোহাইমান সামনে এগিয়ে আসলো এবং ইমাম মাহদীর প্রতি তাঁর আনুগত্য ঘোষণা করলো। সে লোকজনকে বিশ্বাস করাতে সক্ষম হলো যে, ইনিই হচ্ছেন মাহদী। তখন সবাই মাহদীর সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের আনুগত্য প্রকাশ করতে শুরু করলো।

সেদিন ঘটনার সময় মসজিদের ঠিক বাইরে ছিলেন আরেক মাদ্রাসা ছাত্র আবদুল মোনায়েম সুলতান। কী ঘটছে তা জানতে তিনি মসজিদের ভেতরে ঢুকলেন।

"হারাম শরিফের ভেতর সশস্ত্র লোকজন দেখে লোকজন খুব অবাক হয়ে গেল। সেখানে এরকম দৃশ্য দেখতে তারা অভ্যস্ত নয়। কোন সন্দেহ নেই যে, এই দৃশ্য দেখে সবাই স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল। এটা ছিল খুবই আপত্তিকর একটি ঘটনা।"
http://i.cubeupload.com/5pN0nq.png

কালো পতাকা
03-07-2018, 12:01 AM
বিদ্রোহীদের নেতা জোহাইমান পবিত্র কাবাকে ঘিরে একটি অবরোধ তৈরির নির্দেশ দিলেন। মসজিদের মিনারগুলিতে জোহাইমান বন্দুকধারীদের অবস্থান নেয়ার নির্দেশ দিলেন, যাতে কেউ হামলা করলে তাদের প্রতিরোধ করা যায়।

সৌদি পুলিশ বাহিনীর একটি দল প্রথম এগিয়ে এলো কী ঘটছে দেখতে। বন্দুকধারীদের দৃষ্টিতে সৌদি শাসকগোষ্ঠী হচ্ছে দুর্নীতিগ্রস্থ, নৈতিকভাবে দেউলিয়া এবং পাশ্চাত্য দ্বারা কলুষিত। কাজেই সৌদি পুলিশকে দেখা মাত্র তারা গুলি চালাতে শুরু করলো। অনেকেই নিহত হলো। শুরু হলো কাবা এবং হারাম শরিফকে ঘিরে অবরোধ।

মার্ক হেমলি তখন সৌদি আরবের মার্কিন দূতাবাসে একজন 'পলিটিক্যাল অফিসার' হিসেবে কাজ করেন। তার দফতর ছিল জেদ্দায়। ঘটনার পরই সৌদি সরকার এই খবর প্রচারের উপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। খুব কম লোকই জানতো কারা কী কারণে মসজিদ দখল করেছে। একজন মার্কিন হেলিকপ্টার পাইলটের কাছ থেকে ঘটনার প্রতি মূহুর্তের বিবরণ পাচ্ছিলেন হেমলি। হেলিকপ্টারটি মক্কার আকাশে চক্কর দিচ্ছিল। এতে ছিল সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা।

"যে বন্দুকধারীরা গুলি করছিল, তাদের হাতে খুবই ভালো অস্ত্র ছিল। বেশ ভালো ক্যালিবারের বন্দুক। তারা বেশ কিছু লোককে গুলি করে মেরে ফেলতে সক্ষম হয়।"

"বন্দুকধারীদের মোকাবেলায় প্রথম চেষ্টাটা ছিল খুবই কাঁচা। অল্প সংখ্যাক ন্যাশনাল গার্ড এবং সামরিক বাহিনীর সদস্য প্রথম সেখানে গিয়েছিল। তারা বেশ সাহসী প্রচেষ্টা চালায়, কিন্তু তাদের সাথে সাথেই গুলি করে মেরে ফেলা হয়।"

সৌদি সরকার এরপর সেখানে হাজার হাজার সৈন্য এবং কমান্ডো পাঠায় মসজিদ পুনর্দখলের জন্য। পাঠানো হয় সাঁজোয়া যান। মক্কার আকাশে উড়তে থাকে যুদ্ধ বিমান।

কাবা এবং হারাম শরিফের ভেতরে সামরিক অভিযান চালানোর জন্য সৌদি রাজপরিবার দেশটির ধর্মীয় নেতাদের কাছে অনুমতি চাইলেন। পরবর্তী কয়েকদিনে সেখানে তীব্র লড়াই শুরু হলো। সৌদি সরকারি বাহিনী একের পর এক হামলা চালাতে লাগলো। মসজিদের একটি অংশ বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হলো।

আবদুল মোনায়েম সুলতান বর্ণনা দিচ্ছিলেন সেই লড়াইয়ের।

"সারা রাত ধরেই গোলাগুলি আর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। পরদিন ভোর পর্যন্ত এভাবে গোলাগুলি চললো। হারাম শরিফের মিনার লক্ষ্য করে গোলা ছোঁড়ার দৃশ্যও আমি দেখেছি। মক্কার আকাশে সার্বক্ষণিকভাবে হেলিকপ্টার চক্কর দিতে দেখেছি।"

মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল কাহতানি এই লড়াইয়ের পুরোভাগে ছিলেন। নিজের চোখে তা দেখেছেন আবদুল মোনায়েম সুলতান।

কালো পতাকা
03-07-2018, 12:03 AM
http://i.cubeupload.com/mBKV2Q.png
"আমি মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল কাহতানিকে দৌড়াদৌড়ি করে নিহত সেনাদের অস্ত্র কুড়িয়ে নিতে দেখেছি। এসব অস্ত্র তিনি তাদের হাতে তুলে দিচ্ছিলেন, যারা তাদের অস্ত্র হারিয়েছে। বা যাদের গুলি ফুরিয়ে গেছে।"

"দ্বিতীয় দিন আমি তার চোখের নীচে দুটি ছোট আঘাতে চিহ্ন দেখলাম। তার পরনের জোব্বায় গুলি লেগে যেন ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল। তার বিশ্বাস ছিল, তিনি নিজেকে যে কোন বিপদের সামনে দাঁড় করাতে পারেন, কারণ তিনি নাকি অমর। কারণ তিনি হচ্ছেন মাহদী।"

আবদুল মান্নান সুলতান সেই লড়াইয়ের মধ্যে বিদ্রোহীদের নেতা জোহাইমেনকেও কাছ থেকে দেখার সুযোগ পান:

"আত্মরক্ষার জন্য আমরা কাবা'র পেছনে গিয়ে আশ্রয় নিলাম। কারণ ঐ জায়গাটা অনেক বেশি নিরাপদ ছিল। তিনি সেখানে বড়জোর আধঘন্টা বা ৪৫ মিনিটের মতো ঘুমালেন। তার মাথা ছিল আমার পায়ের ওপর। তাঁর স্ত্রী পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী সারাক্ষণই পাশে ছিলেন, এক মূহুর্তের জন্যও তাকে ছেড়ে যাননি। কিন্তু লড়াই যখন তীব্র হয়ে উঠছিল, তখন গোলাগুলির প্রচন্ড শব্দে তিনি জেগে উঠেন। তাকে ডাকছিল তার সহযোদ্ধারা। তিনি অস্ত্র নিয়ে তাদের দিকে এগিয়ে গেলেন।"

সৌদিরা এর মধ্যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল মসজিদ পুনর্দখলের। বলছিলেন মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তা মার্ক হেমলি।

"সৌদি বাহিনীর কিছু এপিসি মূল মসজিদ চত্ত্বরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করছিল। তারা ঢুকতেও পেরেছিল। কিন্তু জোহাইমানের লোকজন বেশ ভালো কৌশল নিয়েছিল। তাদের কাছে মলোটভ ককটেল ছিল। তারা মলোটভ ককটেল ছুঁড়ে পারে এই এপিসির ওপর।"

শেষ পর্যন্ত সৌদি বাহিনীর সাঁজোয়া গাড়ি মসজিদ চত্বরে ঢুকলো। তারা মসজিদের দ্বিতীয় তলার গ্যালারিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিল। বেশিরভাগ বন্দুকধারী জঙ্গী তখন মসজিদের ভুগর্ভের করিডোরে গিয়ে আশ্রয় নিল। সেই অন্ধকার জায়গা থেকেই তারা পরবর্তী কয়েকদিন ধরে লড়াই করে গেল।

লড়াই আরও তীব্র হয়ে উঠলো। সৌদি সরকারি বাহিনী তীব্র গোলা বর্ষণ শুরু করলো। এই প্রচন্ড গুলির মুখে সবাই ভূগর্ভস্থ কামরায় গিয়ে আশ্রয় নিতে বাধ্য হলো।

কিন্তু তারপরই খবর আসলো, এই কথিত ইমাম মাহদী নিজেই গুলিবিদ্ধ এবং মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। অথচ তিনি যদি সত্যিই মাহদী হন, এমনটি হওয়া অসম্ভব!

সেই সময়ের ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন আবদুল মোনায়েম সুলতান।

"মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ তখন দ্বিতীয় তলায়। যখন তার গায়ে গুলি লাগে, তখন লোকজন চিৎকার করে বলতে থাকে, ইমাম মাহদী আহত হয়েছেন! ইমাম মাহদী আহত হয়েছেন! কেউ কেউ তাঁর দিকে দৌড়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, তাঁকে উদ্ধারের জন্য। কিন্তু প্রচন্ড গোলাগুলির জন্য কেউ আগাতে পারছিল না। ফলে বাধ্য হয়ে তাদের পিছু হটতে হয়। কিছু লোক নিচে যায় জোহেইমানকে দেখতে। আমি তাকে জানালাম, ইমাম মাহদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কিন্তু জোহেইমান সবাইকে বললেন, লোকের কথা বিশ্বাস করো না। ওরা আসলে দলত্যাগী বিশ্বাসঘাতক!"

মক্কাকে ঘিরে এই অবরোধের অবসানের জন্য সৌদিরা তখন ফরাসী সামরিক অধিনায়কদের সঙ্গে শলাপরামর্শ শুরু করলো। ফরাসী বিশেষ বাহিনীর এই অধিনায়কদের গোপনে সৌদি আরবে পাঠানো হয়। তারা পরামর্শ এবং অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সাহায্য করছিল। এরা মসজিদের ভুগর্ভে যেখানে জঙ্গীরা লুকিয়ে আছে, সেখানে বিপুল পরিমাণ সিএস গ্যাস ছাড়ার পরামর্শ দিল।

আবদুল মোনায়েম সুলতান নিজেও তখন সেই গ্যাস হামলার শিকার হন।

"সেখানে বাতাসে তীব্র কটু গন্ধ পাচ্ছিলাম আমরা, সেখানে থাকাটা খুবই কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। হয়তো পোড়া টায়ারের গন্ধ, কিংবা যারা মারা গেছে, তাদের দেহের পচা গন্ধ ভাসছিল সেখানে। সেই সঙ্গে সেখানে ঘুটঘুটে অন্ধকার। আমরা বুঝতে পারছিলাম, আমরা মৃত্যুর দুয়ারে পৌঁছেছি। গ্যাসে আমাদের শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছিল। আমি জানিনা, কিভাবে আমি সেখান থেকে বেঁচে গেলাম।"

শেষ পর্যন্ত যে জঙ্গীরা বেঁচে ছিল, তারা আত্মসমর্পণ করলো। এই অবরোধ চলেছিল দুই সপ্তাহ ধরে।

পরে জঙ্গীদের নেতা জোহেইমান সহ ৬৩ জনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। অন্যদের জেল হয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষ নিহত তথাকথিত ইমাম মাহদী লাশের একটি ছবি প্রকাশ করে। শত শত মানুষ ঐ যুদ্ধে নিহত হয়েছিল। আহত হয়েছিল প্রায় এক হাজার। হারাম শরিফের বড় একটি অংশই এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবে পবিত্রতম অংশ, কাবা অক্ষত ছিল।

"লড়াইয়ের পর মসজিদের অবস্থা দেখে আমার মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আমার মনে হচ্ছিল, যেন আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ইসলামের এই পবিত্রতম মসজিদে কেমন করে এটা ঘটতে পারলো। এরকম একটা মসজিদকে কিভাবে তারা যুদ্ধক্ষেত্র পরিণত করতে পারলো। আর সবচেয়ে বেশি যেটা খারাপ লাগছিল, যে মসজিদে এত লোক আসতো, সেটা এখন একেবারে ফাঁকা!"

এই ঘটনার পর সৌদি রাজপরিবার অতিমাত্রায় কট্টর রক্ষণশীল ইসলামের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তারা সব ধরণে সংস্কার বন্ধ করে দেয়। জিহাদে উৎসাহ যোগাতে শুরু করে।

মক্কার ওপর এই দুঃসাহসিক হামলা পরবর্তী বছরগুলোতে ওয়াহাবী জঙ্গীদের নতুন প্রজন্মকে আরও অনেক নতুন হামলায় অনুপ্রাণিত করেছিল।
তথ্যসূএ:-http://www.bbc.com/bengali/news-42124824

কালো পতাকা
03-07-2018, 12:52 AM
ভূয়া মাহদী সর্ম্পকে একটা ডকুমেন্টারী ভিডিও টি দেখুন ইনশাআল্লাহ

ডাওনওলাড লিংক:- https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZ3XNL7ZLTW2gh8qPykGq0eJIwT4UjdISPAX (https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZ3XNL7ZLTW2gh8qPykGq0eJIwT4UjdISPAX)

আই এস এর উথান ও আইএস এর দ্বারা মুজাহিদিনদের হত্যা ইমাম মাহদী আগমনের অন্যতম একটা আলামত
দেখুন ভিডিও টিতে
ডাওনলোড লিংক:
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZNJNL7ZKAKkUJeUyKuvFsssvhTJmYmHWqOX

কালো পতাকা
03-07-2018, 12:54 AM
প্রকূত ভোর:- ভূয়া আই এস আর ভূয়া ইমাম মাহদীর পর আসল মুজাহিদিন ও আসল ইমাম মাহদী আসবে কিন্তু অবস্থাটা হবে এরকম একজন রাখাল আর বাঘের মত একটা একজন যুবক সর্বদাই চিৎকার করে মানুষ কে বলতো বাঘ আসছে!! বাঘ আসছে! কিন্তু যখন সত্যিকার বাঘ আসল ছেলেটি চিৎকার করল কিন্তু লোকজন আসলনা অবশেষে ছেলেটিকে বাঘে এসে খেয়ে ফেলল কিন্তু কেউ টের পেল না

আই এস আর ভূয়া মাহদী উভয়কেই বলা হয় জঙ্গি কিন্তু একটা হচ্ছে প্রকূত জঙ্গি আর একটা হচ্ছে মিথ্যা জঙ্গী এখন প্রকূত জঙ্গী আসবে কিন্তু আফসোস অল্প কয়েকজন লোক ইমাম মাহদীর সাথী হবে আর প্রশাসনের অনেক লোক মাহদী সর্ম্পকে বলে থাকে যে ইমাম মাহদীর বিষযটি জঙ্গীদের বিশ্বাস এটা আমাদের বিশ্বাস নই আরে বোকা গোয়েন্দা আর র*্যাব এর কুওা বেনজীর আহমেদ চল যাই আফগানিস্তানের খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দলের সাথে যুদ্ধ করবি চল সাহস থাকলে আস পারবেনা বাংলাদেশে অল্প একটু অপেক্ষা কর আমরা আসছি----------- ইনশাআল্লাহ

কালো পতাকা
03-07-2018, 12:58 AM
আইএস এর উপর ধারাবাহিক সফল অভিযান করে চালিয়ে নিজেদের হিরু মনে করছিস কিন্তু আসল প্রকূত মাহদীকে সামনে আসার পূর্বে দুটো বিষয় পড়ে আসবে এটা তোমাদের জন্য দাওয়াত

১/ প্রকূত কালো পতাকা বাহী দলের সফলতার চিএ
দেখুন নিয়মিত দাওয়াইল্লাহ ফোরামে

২/ আফগানিস্তানে ও শামে আল্লাহর অলৌকিক নিদর্শণ
https://islamiboi.wordpress.com/2015/05/12/afghanistane_dekha_allahr_nidorshon/

তারপরও মুজাহিদিনদের সাথে মোকাবেলার ইচ্ছা থাকে তাহলে অপেক্ষা কর আমার আসছি অচিরেই ----

কালো পতাকা
03-07-2018, 01:16 AM
পিডিএফ বই কা'বার সেই মিথ্যা মাহাদী ইমাম মাহদীর দ্রুত আগমনের বার্তা দিয়ে গিছে 1979
ডাওনলোড লিংক: http://www10.zippyshare.com/v/AmaWsbAl/file.html
তথ্যসূএ: দাওয়াইলল্লাহ

তারেক-বিন-জিয়াদ
03-08-2018, 08:26 AM
ইমাম মাহদী আগমনের ধারাবাহিক আলোচনা গুলো চালিয়ে যান ইনশাআল্লাহ

কালো পতাকা
03-09-2018, 11:27 AM
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে সমস্ত বিশ্বের মুসলিমরা যুদ্ধ সেক্টর গুলোতে শক্তিশালী হবে আলহামদুল্লিাহ বর্তমানে খোরাসান /আফগানিস্তান/ সোমালিয়া/সিরিয়া/ ইয়েমেন/ইরান সহ সমস্ত বিশ্বের যুদ্ধ সেক্টর গুলোতে শক্তিশালী হয়েছে আলহামদুল্লিাহ সমস্ত বিশ্বে অচিরেই ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ আমরা আই এস খারেজী নই আমরা ভূয়া মাহদীর সৈনিক নই আমরা হচ্ছি আসল ইমাম মাহদীর সৈনিক আসন্ন দ্বীন গুলোতে তার প্রমাণ পাবে কূফফাররা ইনশাআল্লাহ
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে অনেক মুসলিম রা শামে হিজরত করবে দেখুন অনেক মুসলিমরা বর্তমানে শামে হিজরত করছে মুসলিম উম্মাহ কে রক্ষা করার জন্য
https://82.221.139.217/showthread.php?9292

কালো পতাকা
03-09-2018, 12:00 PM
তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ ও দাজ্জাল ইমাম মাহদি আঃ এর আগমন
ভাই! কেউ যদি এ বইটা ডাউনলোড করার লিংক দিতেন উপকৃত হতাম ইংশা আল্লাহুতায়ালা

http://i.cubeupload.com/ptpW8i.png

বইট ডাওনলোড লিংক:- https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZlak47Z8ybzR7c4pS7mlKEmERsR9uhcdJLy

কালো পতাকা
03-25-2018, 01:52 PM
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে পবিএ আত্বাকে শহীদ করা হবে


http://i.cubeupload.com/6qPn6m.png
http://i.cubeupload.com/jAO07H.png
http://i.cubeupload.com/C625KO.png
http://i.cubeupload.com/tQvwRc.png
সম্প্রতি আফগানিস্তানে আমেরিকান বিমান হামলায় শতাধিক হাফেজ ছাএদের হত্যা করা হয়েছে পবিএ আত্বাকে শহীদ করার এই আলামত গুলো প্রমাণ করছে ইমাম মাহদীর আগমন অতি নিকটে

https://82.221.139.217/showthread.php?9474
ভাই নিম্নে ইমাম মাহদী/দাজ্জাল / ঈসা আ: কিছু গুরত্বপূর্ন হাদীস দেওয়া হলো তবে এখানে জাল জঈফ হাদীস থাকতে পারে এর জন্য আরো গবেষণা করা প্রয়োজন
ইমাম মাহদী
ডাওনলোড লিংক:- https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZSxXQ7ZYFGzybmhuPyFJGNA9DBHcuUHhPvk
দাজ্জাল
ডাওনলোড লিংক:-https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZPxXQ7Z1x64GSITaHQdBG7jw57pARq22lJX
ঈসা আ: এর আগমন
ডাওনলোড লিংক: https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZIxXQ7ZNLsFMz6W2N8J2vV03bj52RAbmqsk
বি:দ্র: হাদীস গুলো সংগূহিত ভূল এুটি গুলো পরিহার করুন সঠিক গুলো গ্রহণ করুন

কালো পতাকা
03-30-2018, 04:53 PM
শায় নিয়ামতউল্লাহ ভবিষৎবাণীটি পিডিএফ বই
http://www49.zippyshare.com/v/U6vOwe9D/file.html
(http://www49.zippyshare.com/v/U6vOwe9D/file.html)
এবং ফিলিস্তিনের টিবি চ্যানেল নিম্নোক্ত খবর কে অনেকে ইমাম মাহদী আগমনের নিকট অতি নিকটে মনে করে ২০০৮ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারী প্যালেস্টাইনের টিভি চ্যানেল আল আকসা (Al Aqsa TV) তে সেখানকার একজন আলেম ঈসা বাদওয়ান এক সাক্ষাতকারে এক বিস্ময়কর তথ্য দেন। যা নিশ্চিতভাবে মুসলিম জাহানের জন্য ভাবার বিষয় এবং সতর্কবার্তা। এখানে সাক্ষাতকারের অংশটি তুলে ধরছি।
.
ঈসা বাদওয়ানঃ একজন লোক, যাকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি এবং বিশ্বাস করি, সঙ্গত কারণেই আমি তার নাম বলতে চাচ্ছি না তো তিনি একদিন রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে একজন বৃদ্ধ স্ত্রীলোক তাকে থামালো এবং ঐ স্ত্রীলোককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করল। কারণ, ঐ বৃদ্ধার মেয়ে ঐ হাসপাতালে সন্তান প্রসব করেছে। লোকটি ঐ বৃদ্ধার অনুরোধটি রাখল এবং তাকে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে হাসপাতালের বাইরে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করল। এক ঘণ্টা পরে ঐ বৃদ্ধা তার মেয়ে এবং মেয়ের নবজাতক শিশু পুত্রকে নিয়ে বের হয়ে গাড়িতে উঠল। যখন তারা গাড়িতে উঠল, তখন ঐ নবজাতক সবাইকে অবাক করে দিয়ে সালাম দিল। আমরা অবাক হয়ে সালামের উত্তর দিলাম।
.
সাক্ষাতকার গ্রহণকারীঃ নবজাতক কথা বলে উঠল?
.
ঈসা বাদওয়ানঃ হ্যাঁ, নবজাতক শিশুটি। এবং আমরা এটা শায়খ নিজারসহ অন্যান্য আলেমকে জানিয়ে ছিলাম তখন। তো লোকটি যা বলল তা হল যে, শিশুটি বলল, আমিই হলাম সেই বালক যাকে দাজ্জাল হত্যা করবে, এরপরে আর কাউকে সে হত্যা করতে পারবে না।
.
এবং আমরা হাদিস থেকে জানি যে, দাজ্জাল যাকে হত্যা করে জীবিত করবে এবং আবার হত্যা করবে কিন্তু পরে আর জীবিত করতে পারবে না। সে হবে একজন যুবক। যাকে শ্রেষ্ঠ শহীদ বলা হয়েছে। আর যুবক বলতে ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সকেই বুঝায়। আমি মনে করি, এই ঘটনা আমাদের জন্য অনেক খুশির খবর বহন করে। কারণ, আমরা হাদিস থেকে জানি যে, দাজ্জালের আগমন ঘটবে ইমাম মাহদির উপস্থিতিতে ইস্তাম্বুল জয়ের পর।
.
সাক্ষাতকার গ্রহণকারীঃ এখন সেই বাচ্চার কি অবস্থা?
.
ঈসা বাদওয়ানঃ হ্যাঁ, এখন আমরা আলেমরা তাকে চিনি। এবং আমরা তার খেয়াল রাখছি। আমি সব মানুষকে এবং সব আলেমদেরকে জানাতে চাই যে, বিজয় অতি নিকটে। ইমাম মাহদি হয়তো এখন আমাদের মাঝেই অবস্থান করছে (এই বাচ্চার জন্মের উপর ভিত্তি করে) ইনশাআল্লাহ। প্যালেস্টাইনবাসী, খুব শিগগিরই এ বিজয়ের সাক্ষী হবে এবং এই ধর্মকে (ইসলামকে) ও এর আলোকে ছড়িয়ে দিবে। (সাক্ষাতকারের অংশ বিশেষ শেষ)
.
এই শিশুটির জন্ম হয় ২০০৪ সালে। আর উদ্বিগ্নের বিষয় হল, ২০০৮ সালে এই সাক্ষাতকার জন সম্মুখে প্রকাশ হবার কয়েক মাস পর ২০০৮/২০০৯ সালে ইসরাইল রাসায়নিক গ্যাস প্রয়োগ ও বোম্বিং শুরু করে ১৪০০ শিশু হত্যা করে এবং প্রায় ৪০০০ শিশুকে আহত করে। শুধু তাই নয়, ইসরাইল এই সাক্ষাতকারে উল্লেখিত আলেম শেখ নিজারকে হত্যার উদ্দেশ্যে সাক্ষাতকারের ১১মাস পরে এফ ১৬ বিমান দিয়ে ২০০০ পাউন্ডের বোমা নিক্ষেপ করে। যার ফলে শায়খ নিজার তার চার স্ত্রী ও এগার সন্তানসহ শহীদ হন। শায়খ নিজার ছিলেন গাজার অন্যতম প্রভাবশালী আলেম। তিনি মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইমাম সাউদ বিশ্ববিদ্যালয় হতে দ্বীনশিক্ষা লাভ করেন। এর পাশাপাশি তিনি ইসরাইলের সাথে যুদ্ধরত আল কাসসাম মুজাহিদ ব্রিগেডের একজন দায়িত্বশীল কমান্ডারও ছিলেন।
.
.
যদি ২০০৪ জন্ম গ্রহণকারী এই বাচ্চাই যদি সেই সে যুবক হয়, তবে সে ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সী যুবক হবে ২০২৫ থেকে ২০২৯ সালে। দাজ্জাল দুনিয়াতে আত্মপ্রকাশের পর ৪৩৯ দিন বা এক বছরের একটু বেশি সময় অবস্থান করবে এবং এই সময়ের মধ্যে যুবককে হত্যা করবে। মহাযুদ্ধের সপ্তম বছরে যেহেতু দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হবে, তাতে মহাযুদ্ধের সম্ভাব্য সাল আসে ২০১৮ থেকে ২০২২। আর মহাযুদ্ধ ইমাম মাহদির উপস্থিতিতেই হবে। যা হোক, এগুলো সবই শুধু ঐ বাচ্চার দাবীর উপর ভিত্তি করে হাদিসের মাধ্যমে গণনা। কিন্তু একমাত্র আল্লাহই ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানেন। তবে, অবশ্যই সতর্ক বিশ্বাসী বান্দা হিসাবে আমরা আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলোকে হাদিসের আলোকে বিশ্লেষণ করব এবং সজাগ দৃষ্টি রাখবো হাদিসে বর্ণিত মুসলিম ভূখণ্ড গুলোর বর্তমান পরিস্থিতির উপর। কারন ইতিমধ্যেই হাদিসে উল্লেখিত সব এলাকাতেই কুফফারদের সাথে মুজাহিদদের লড়াই চলছে। আর হাদিস বিশ্লেষন করে অনেক মুহাদ্দিসগনই বলছেন হয়তো ইমাম মাহদির জন্ম হয়ে গেছে। কোন জিহাদরত দলে অপরিচিত সাধারন মুজাহিদ অবস্থায় আছেন। (আল্লাহই তা ভালো জানেন)
.
তাই বিজয় খুব সন্নিকটে ইনশাআল্লাহ।
নবী (সাঃ) বলেনঃ এই ব্যক্তি হবে পৃথিবীতে সেদিন সবচেয়ে মহা সত্যের সাক্ষ্য দানকারী মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুল ফিতান।


থাকেন তবে এগুলোকে আমরা দেখে রাখব বেশী গুরুত্ব দিব গাজওয়া হিন্দের নিম্নোক্ত হাদীস গুলোকে ইনশাআল্লাহ
***** https://82.221.139.217/showthread.php?7963 (https://82.221.139.217/showthread.php?7963)

কালো পতাকা
03-30-2018, 08:57 PM
ইমাম মাহদী এমন একটা সময় আসবে যখন সমস্ত বিশ্বের মুসলিমদের কোনো সাহায্য কারী খাকবেনা

উদাহরনস্বরূপ বলা যেতে পারে রোহিঙ্গা/কাশ্মির/আফগানিস্তান/সিরিয়া/আসাম/বাংলাদেশের কথা



রোহিঙ্গা:- ভাইয়েরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের দেশের দিখে তাকিয়ে দেখুন নিজ দেশ থেকে বিতারিত হয়ে বাংলাদেশে এসেছে তাদের বাড়ী ঘর সম্পদ সব কিছু ফেলে রেখে এসেছে যারা রয়ে গেছে তাদের অবস্থা অনেক ভয়ানক তাদের বাড়ী ঘর ফেলে রেখেছে তাদের অবস্থা খুবই খারাপ আজকে বাংলাদেশের ভিতরে একে অন্যকে রোহিঙ্গা বলে গালি দিচ্ছে যারা রোহিঙ্গা না আর যারা প্রকূত রোহিঙ্গা তাদের অবস্থা কেমন এটা আপনার বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন এই অবস্থায় আমরা সামান্য পরিমাণ সদকা দেওয়া ব্যতীত আর কিছুই করতে পারছিনা রোহিঙ্গাদের এই অবস্থায় ইমাম মাহদীকে আল্লাহ তায়ালা পাঠাবেন ইনশাআল্লাহ



কাশ্মির: কাশ্মির নিযে ভারত পাকিস্তান বিরোধ পূর্ব খেকে প্রায়ই সাধারন মুসলিমদের অবস্থা সেখানে করুন

সিরিয়া: আজকে সিরিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখুন সমস্ত কুফফাররা এক যোগে সিরিয়া দামেস্কের গুতা প্রান্তরে হামলা চালিযেছে আমরেকিা রাশিয়া সহ বড় বড় রাস্ট্রে এক জোট হয়ে হামলা চালিয়েছে কারন তারা জানে এই জাযগাতে ইমাম মাহদী যুদ্ধের হেড কোয়াটার হবে আজকে সিরিয়ার মুসলিমদের জন্য আমরা না পারছি সাহায্য করতে না পারছি হিজরত করতে বর্তমানে সিরিয়ার গুতা প্রান্তরের মুসলিম রা এক ভয়ানক অবস্থায় দিন যাপন করছে এ ধরনের একটা পরিস্থিতি ইমাম মাহদী আগমন অতি নিকটে এটা বলা য়ায কারণ সিরিয়ার সব মুসলিম যদি ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে ইমাম মাহদী এসে কাকে রক্ষা করবে আপনার বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল এই পরিস্তিতি টা দেখে আমরা বলতে পারি ইমাম মাহদী অতি নিকটে।


আসাম : আসামে ৩ কোটি ২০ লাখের বেশি লোক বাস করে, যার তিন ভাগের এক ভাগই মুসলিম।এনআরসির কর্মকর্তা প্রতীক হাজেলা, যিনি নাগরিকত্ব শনাক্তকরণের সঙ্গে জড়িত, বুধবার আলজাজিরাকে বলেছেন, শনিবার যে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে তাতে আসামে বসবাসরত প্রায় ৪৮ লাখ লোক তাদের যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।আসামের অর্থ ও স্বাস্থ্য বিষয়ক মন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বুধবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এনআরসির তালিকায় যাদের নাম নেই তাদের অবশ্যই বিতাড়ন করা হবে।’ কিন্তু কোথায় তাদের বিতাড়ন করা হবে সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি। আসামের মুসলিমদের অবস্থা রোহিঙ্গাদের মতো হতে চলেছে এই পরিস্থিতিতে কে তাদের পাশে দাড়াবে সমস্ত বিশ্বের মুসলিমদের এই দূর অবস্থায় ইমাম মাহদী নিকটবর্তী হওয়ার অন্যতম একটা আলামত


বাংলাদেশ: অন্য দেশগুলোর ন্যায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে আজকে চেয়ে দেথুন বাংলাদেশের উপজেলা কর্মকর্তা কাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে মালু হিন্দু দের র*্যাব/ডিবি/পুলিশ/সাংবাদিক/দেশের শিক্ষা সেক্টর সব গুলো হিন্দু মালুরা দখল করছে বর্তমানে বাংলাদেশের সিনেমা হল গুলোতে ভারতীয় বাংলা সিনেমা চলছে মাদ্রাসা শিক্ষা কে নিয়ে চলছে গভীর চক্রান্ত আস্তে আস্তে সকল সেক্টর গুলো হিন্দুরা দখল করছে আর বাংলাদেশের প্রধান মন্তী শেখ হাসিনা হচ্ছে একজন হিন্দু বান্ধব একজন মহিলা এটা আশা করি প্রমাণের দরকার নেই অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে যদি কথনো বাংলাদেশে ভারত হামলা করে তাহলে আপনি কি করতে পারবেন বলুন দিন দিন পরিস্থিতি ভয়াবহ হচ্ছে অচিরেই বাংলাদেশ বহি:শএু কতৃক আক্রান্ত হতে পারে https://dawahilallah.com/showthread.php?9324

এ ধরনের একটা পরিস্থিতি মানে যখনি মুসলিমদের কিছু করা থাকবেনা তখনই আল্লাহর সাহায্য আসবে এই পরিস্থিতি টা বলে দিচ্ছে ইমাম মাহদীর আগমন অতি নিকটে


ফিলিস্তিন : ডোনাল ট্রাম্প ফিলিস্তিন কে ইহুদিদের রাজধানী ঘোষণা দেওয়ার পরপরই শুরু হয় মুসলিমদের উপর জুলুম মুসলিমদের কে বাড়ী ঘর থেকে বের করে দিয়ে এরা ক্লান্ত হচ্ছে না তারা মুসলিমদের প্রথম কেবলা মসজিদুল আকসাতে প্রবেশ করেছে প্রবেশ করে গান বাজনা আর নাচতেছে ইন্নালিল্লাহ এত সব কিছু ঘটছে মুসলিমদের উপর আর কথন মুসলিমদের ইমাম আসবে । ফিলিস্তিনের বর্তমান অবস্থা দেখে বলা যায় যে ইমাম মাহদীর আগমন অতি নিকটে


অন্য মুসলিম দেশ গুলো মুসলিমদের উপর জুলুম করা হচ্ছে পূুথবীর যেখানে মুসলমান সেখানে জুলুম অত্যাচার রোহিঙ্গাদের মাতো শ্রীলংকা চীন সহ সর্বএ মুসলিমরা আজ নির্যাতিত যার সব কিছু বর্ণনা দেওয়া সম্ভব নই তবে সারা বিশ্বের মুসলিমদের অবস্থা দেথে একথা নি:সন্দেহে বলা যায় ইমাম মাহদীর আগমন অতি নিকটে

কালো পতাকা
03-30-2018, 09:04 PM
ভাইয়েরা অামি নিজ উদ্যোগে এই পোস্টটি করি ইমাম মাহদী সংক্রান্ত হাদীস কালেক্ট করে এখানে দিয়েছি আলহামদুল্লিাহ ভাইদের ব্যাপক সারা পেয়েছি আলহামদুল্লিাহ যেহেতু পোস্ট টি আমার নিজ উদ্যোগে করেছি তাই ভূল এুটি গুলো ক্ষমার দূষ্টিতে দেখবেন ইমাম মাহদী আগমন অতি নিকটে ধরনের কোনো বিষয় জানা থাকে তাহলে এখানে শেয়ার করুন সকলে উপকূত হবে ইনশাআল্লাহ

কালো পতাকা
04-13-2018, 12:32 PM
বর্তমানে সিরিয়ার অবস্থা ইমাম মাহদী আগমনের সুসংবাদ বহন করছে ইনশাআল্লাহ

আল্লাহু আকবার,আল্লাহু আকবার। প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো চৌদ্দশ বছর পূর্বে ভবিষ্যৎ বাণী করে বলেছিলেন,একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না, এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেন, সেই আমীর বা নেতাই সত্য।

বন্ধুগণ! মজার ব্যাপার হল শামের যুদ্ধটা শুরু হয়েছিল শিশুদের খেলা দিয়েই।কিছু ছোট ছেলেরা খেলা করে দেয়ালে জালিম বাশারের ছবি অংকন করেছিল।এ ছবি অংকনকে কেন্দ্র করে ঐ পাড়ায় জালিম বাশার ভয়ংকর অত্যাচার শুরু করে।নির্যাতিত জনাতাও জুলুমের বিপরীতে প্রতিবাদ শুরু করে।একপর্যায়ে প্রতিবাদে গোটা দেশ উত্তাল উঠে।সৈরাচারী বাশার নিরস্ত্র জনাতার উপর ভারি নিক্ষেপ করে।জনতাও তা প্রতিরোধ করতে থাকে।একপর্যায়ে তা এক ভয়ংকর যুদ্ধে রুপ ধারণ করে।ছয় বছর ধরে যুদ্ধ চলছে।যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে ননা।অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে আল্লাহর খলিফা মাহদী আঃ ছাড়া এ যুদ্ধ বন্ধ হবে না।আল্লাহই ভাল জানে।
এই শিশুরাই কি সেই সকল শিশু, যাদের খেলার ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভবিষ্যৎ বাণী করেছিলেন?
তবে কি এই শিশুরাই আল্লাহর খলিফা মাহদী আঃ এর আগমনের সুসংবাদ দিচ্ছে?
https://82.221.139.217/showthread.php?9524
এ হাদিসটি নুয়াইম বিন হাম্মাদ এর আল-ফিতান গ্রন্থে রয়েছে।তিনি হাদিসটিকে "ইমাম মাহদী আঃ আগমনের সর্বশেষ নিদর্শন " এ শিরোনামে উল্লেখ করেছেন।নিচে হাদিসটি নাম্বারসহ উল্লেখ করা হল।

___________________________________
نعيم بن حماد - ٩٧٣
حدثنا ابن
المبارك وعبد الرزاق عن معمر
عن رجل عن سعيد بن المسيب قال تكون فتنة كان أولها
لعب الصبيان كلما سكنت من جانب طمت من جانب
فلا تتناهى حتى ينادي مناد من السماء
ألا أن الأمير فلان وفتل ابن المسيب يديه حتى إنهما لتنقصان فقال ذلكم الأمير حقا
ثلاث مرات
হাদিস - ৯৭৪
সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন একটা যুদ্ধ হবে। যার শুরুতে থাকবে ছোটদের খেলাধুলা। (ছোটদের খেলা থেকেই যুদ্ধ শুরু হবে।) যুদ্ধটি এমন হবে যে, এক দিক দিয়ে থামলে আরেক দিক দিয়ে (যুদ্ধের আগুণ) প্রজ্জলিত হয়ে উঠবে। যুদ্ধ শেষ হবে না, এমতবস্থায় আকাশ থেকে এক সম্বোধনকারী সম্বোধন করে বলবে- অমুক ব্যক্তি নেতা। আর ইবনুল মুসাইয়িব তার দুই হাত গুটাবেন ফলে তার হাত দুটো সংকুচিত হয়ে যাবে। অতপর তিন বার বললেন সেই আমীর বা নেতাই সত্য।
[আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৯৭৩ ]
নুয়াইম বিন হাম্মাদ গ্রন্থের ইমাম মাহদী সংক্রান্ত আরো হাদীস পেতে ভিজিট করুন নিম্নোক্ত সাইটে
শেষ যামানা এবং শেষ যামানার ফেতনা নিয়ে হাদীস পড়ুন
https://habibur.com/kitab/nuaim/ (https://habibur.com/kitab/nuaim/)

কালো পতাকা
04-26-2018, 10:52 AM
অডিও লেকচার (১২.০৩ এমবি)ইমাম মাহদীর আগমন তি নিকটে আপনি প্রস্তুতি নিচ্ছেনতো (Don't Miss) অডিও লেকচার
ডাওনলোড লিংক:https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZPM9Y7ZnA7CHm13vvV904vLsaDk847dCO9k

khalid-hindustani
05-01-2018, 08:32 AM
সম্মানিত ভাইদের কাছে একটি বিষয় জানতে চাই।এই যে হাদীসে এসেছে" ৩জন খলিফাপুত্র"এর মিসদাক সৌদি তাগুতী সরকার কিভাবে হবে?এ ছাড়াও মাহদী বিষয়ক আরেকটি হাদীসে যে এসেছে-একজন খলিফার মৃত্যুর পর তার সন্তানদের মধ্যে পরবর্তী খলিফা নির্ধারণ নিয়ে মতবিরোধ হবে"এসব হাদীসের আরবী লফজে কি খলিফা শব্দ ব্যাবহৃত হয়েছে??যদি হয়ে থাকে গাহলে কি মাহদী আসার আগেই খিলাফা কায়েম হওয়াটা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত? নাকি এ হাদীসগুলোতে খলিফা বলতে শুধুমাত্র শাসক বোঝানো হয়েছে-যার মিসদাক বর্তমান সৌদী তাগুত শাসকরাও হতে পারে?

https://i.cubeupload.com/OeuCF2.jpg

নুয়াইম বিন হাম্মাদের কিতাবুল ফিতান থেকে - পিডিএফে ৩৭ নং পৃষ্ঠা

http://i.cubeupload.com/dp4ESS.jpg

নুয়াইম বিন হাম্মাদের কিতাবুল ফিতান থেকে - পিডিএফে ৩২ নং পৃষ্ঠা

মাঝে খান থেকে আইএসের স্বঘোষিত খিলাফতের কি হবে তাহলে?

কালো পতাকা
05-09-2018, 06:03 AM
যে বছরে এই অলৌকিক কান্ড ঘটবে সেই বছরই ইমাম মাহদীর আবির্ভাব ঘটবে।
(মেশকাত শরীফ)
আল্লাহু আকবার দেখুন সম্প্রতি খোরাসানে একজন মুজাহিদ শহীদ হয়েছে মূত্যূর পূর্বে ভাই যে শহীদ হয়েছে তার প্রমাণ হিসেবে দাফন করার পূর্বে একজন মুজাহিদিন এর হাত কে চেপে ধরেছেন
দেখুন ভিডিও টি
ডাওনলোড লিংক:-https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZYAXh7Zd5RRM0Y67GuAOySYUTVWnXuGhoCy
(https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZYAXh7Zd5RRM0Y67GuAOySYUTVWnXuGhoCy)
পূর্ব প্রকাশিত একটি বই
http://i.cubeupload.com/fMLtY3.png

ডাউনলোড (https://islamiboi.wordpress.com/2015/05/12/afghanistane_dekha_allahr_nidorshon/)

আল্লাহু আকাবার সমস্ত বিশ্বের মুজাহিদিনরা জেগে উঠেছে মুজাহিদিন মাঝে অলৌকিক কান্ড গুলো পূর্ব থেকে এখন বেশী বেশী দেখা যাচ্ছে এটাই প্রমাণ করছে ইমাম মাহদীর আগমন অতি নিকটে ইনশাআল্লাহ

কালো পতাকা
06-12-2018, 11:58 PM
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে পবিএ আত্বাকে শহীদ করা হবে


http://i.cubeupload.com/6qPn6m.png
http://i.cubeupload.com/jAO07H.png
http://i.cubeupload.com/C625KO.png
http://i.cubeupload.com/tQvwRc.png
সম্প্রতি আফগানিস্তানে আমেরিকান বিমান হামলায় শতাধিক হাফেজ ছাএদের হত্যা করা হয়েছে পবিএ আত্বাকে শহীদ করার এই আলামত গুলো প্রমাণ করছে ইমাম মাহদীর আগমন অতি নিকটে

https://82.221.139.217/showthread.php?9474
ভাই নিম্নে ইমাম মাহদী/দাজ্জাল / ঈসা আ: কিছু গুরত্বপূর্ন হাদীস দেওয়া হলো তবে এখানে জাল জঈফ হাদীস থাকতে পারে এর জন্য আরো গবেষণা করা প্রয়োজন
ইমাম মাহদী
ডাওনলোড লিংক:- https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZSxXQ7ZYFGzybmhuPyFJGNA9DBHcuUHhPvk
দাজ্জাল
ডাওনলোড লিংক:-https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZPxXQ7Z1x64GSITaHQdBG7jw57pARq22lJX
ঈসা আ: এর আগমন
ডাওনলোড লিংক: https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZIxXQ7ZNLsFMz6W2N8J2vV03bj52RAbmqsk
বি:দ্র: হাদীস গুলো সংগূহিত ভূল এুটি গুলো পরিহার করুন সঠিক গুলো গ্রহণ করুন

উপরোক্ত লিংক গুলো সমস্যা করায় নতুন করে লিংক তৈরী করে দেওয়া হলো-
ইমাম মাহদী.docx (https://www56.zippyshare.com/v/5U2KLZ12/file.html)




https://www56.zippyshare.com/v/5U2KLZ12/file.html




(https://www56.zippyshare.com/v/5U2KLZ12/file.html)

https://www.sendspace.com/file/9n4qc7

(https://www.sendspace.com/file/9n4qc7)

ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ) এর আগমণ.docx (https://www56.zippyshare.com/v/EwtNnpQB/file.html)
https://www56.zippyshare.com/v/EwtNnpQB/file.html
https://www.sendspace.com/file/0pqq5w
(https://www.sendspace.com/file/0pqq5w)
দাজ্জাল সর্ম্পকীত হাদীস.docx (https://www.sendspace.com/file/gx2hng)

https://www.sendspace.com/file/gx2hng
(https://www.sendspace.com/file/gx2hng)
https://www19.zippyshare.com/v/tmcYaVTD/file.html

(https://www19.zippyshare.com/v/tmcYaVTD/file.html) ইমাম মাহদী কোন দিন আগমন করবেন?????










(https://www19.zippyshare.com/v/tmcYaVTD/file.html)
https://dawahilallah.com/showthread.php?10082

কালো পতাকা
07-13-2018, 09:23 AM
ইমাম আল মাহদীর আগমণী সংবাদের একটি বিস্ময়কর কিতাব হইল কিতাব আল ফিতান, নুয়াইম বিন হাম্মাদের । তাহাতে তোবাই (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, ভবিষ্যতে বায়তুল্লায় (অর্থাৎ কাবা শরীফে) আশ্রয় নিবেন একজন আশ্রয় প্রার্থী । সে নিহত হইবে । তারপর প্রায় তেত্রিশ বছর কাটিয়া যাইবে । তারপর আরেক আশ্রয়প্রার্থী কাবা শরীফে আশ্রয় গ্রহন করিবে । তুমি যদি তাহাকে পাইয়া যাও তবে তাহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিও না । কেননা যে তাহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিবে, সে মাটির নীচে তলাইয়া যাইবে । ১৯৭৯ সালের কথা আমরা জানি, সেই বছর এক তরুণের নেতৃত্বে অনেক লোক কাবা শরীফে আশ্রয় নিয়াছিল । পনের দিন ব্যাপী অনেক যুদ্ধ হইয়াছিল, অনেক মানুষ নিহত হইয়াছিল । পরে তাহারাও নিহত হইয়াছিল । হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলিয়াছেন যে, হাদীসে ব্যবহৃত “বোরয়াহ” শব্দের অর্থ কম-বেশী তেত্রিশ বছর । সেই ১৯৭৯ সালের পরে এখন ২০১৮ সাল । এখন তেত্রিশ থেকে চল্লিশ বছরের মধ্যে আর কেউ কাবা শরীফে আশ্রয় নেন নাই । কিন্তু সময় ঘনাইয়া আসিয়াছে । ১৯৭৯ সাল থেকে হিসাব করিলে আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে এই ঘটনা ঘটিতে পারে বলিয়া এই হাদীস থেকে বুঝা যায় । কিতাবুল ফিতানের ৯৩৫ নাম্বার হাদীস এটি, তোবাই বর্ণিত । এইগুলি সাহাবায়ে কেরাম এবং তাবেঈনদের আছার, হাদীসে মওকুফ, হাদীসে মকতুহ । কিন্তু এইগুলো গায়েবের সংবাদ হিসাবে কোন না কোন ভাবে তাহারা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট থেকে শুনেছেন বলেই বর্ণনা করিয়াছেন । ইমাম মাহদীর আগমণের একটি প্রধান আলামত হইল, তাহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আসা একটি বিশাল বাহিনী ৭০ হাজার সৈন্যবিশিষ্ট আধুনিক মারণাস্ত্রে সজ্জিত একটি বিশাল বাহিনীকে মক্কা এবং মদীনার মধ্যবর্তী বাইদাহ ময়দানে মাটি গ্রাস করিয়া নিবে । আল্লাহ তাহাদেরকে মাটির নীচে তলাইয়া দিবেন । এই ঘটনা যখন জানাজানি হইবে তখন সিরিয়ার মুসলমানগণ ইমাম মাহদীর দলে যোগদান করিবেন, ইরাকের ওলি আউলিয়াগণ ইমাম মাহদীর হাতে হাত দিয়া আনুগত্যের শপথ নিবেন । তখন সারা দুনিয়ায় ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের কথা ছড়াইয়া পড়িবে । ইমাম মাহদী যখন আগমণ করিবেন তখন সারা দুনিয়ায় যোগ্যতাসম্পন্ন কোন নেতা থাকিবেন না । কোটি কোটি মানুষ যাহার কথায় উঠাবসা করে এমন যোগ্যতাসম্পন্ন কোন নেতাই তখন পৃথিবীতে থাকিবে না । আল্লাহ তায়ালা সমগ্র মানবজাতির অন্তরে ইমাম মাহদীর প্রতি ভালবাসা ঢালিয়া দিবেন । মানুষ ইমাম মাহদীকে ছাড়া আর কিছুই বুঝিবে না ।
-অধ্যাপক মুফতী কাজী ইব্রাহিম
আলেম ভাইদের নিকট কিতাবুল ফিতানের এই হাদীস টির সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই ইংশাআল্লাহ

কালো পতাকা
07-18-2018, 12:17 AM
গোয়ান্তানামোর বন্দী সাথীদের কিছু স্বপ্ন
আব্দুর রহীম মুসলিম দোসত। আফগান মুজাহিদ। গোয়ান্তানামো কারাগারে বন্দী ছিলেন প্রায় সাড়ে তিন বছর। মুক্তি পেয়ে কারা জীবন নিয়ে লিখেছেন চমৎকার এক বই।
গোয়ান্তানামো কি টূটি যিনজীরে-নামে যার উর্দূ অনুবাদ বের হয়েছে। পশতু ভাষায় লেখা মূল বইটি বিক্রি হয় আড়াই লাখ কপি। আর উর্দু অনুবাদটি বিক্রি হয় বিশ হাজার কপি।
বইটিতে লেখক গোয়ান্তানামোর বন্দী সাথীদের বেশ কিছু চমকপ্রদ স্বপ্ন উল্লেখ করেছেন।
স্বপ্নগুলো তাঁদের জন্য এবং আমাদের সবার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বুশরা-সুসংবাদ।
লেখকের ভাষায়ই স্বপ্ন গুলো উল্লেখ করছি।

01 - তুমি হকের উপর আছো

স্বপ্নটি দেখেছেন এক আরব মুজাহিদ। তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ঠিক সেই অবয়বে দেখেছি যা হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমাদের উপর কাফেরদের জুলুম নির্যাতনের কথা বললাম। শুনে তিনি বললেন, এটা নিয়ে তুমি দুঃচিন্তা করো না। কারণ, তুমি হকের উপর আছো। ওরা শীঘ্রই ধ্বংস হয়ে যাবে।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে তখন সাদা দুটি পাথর ছিল। তার একটি এই মাত্র কাফেরদের উপর নিক্ষেপ করেছেন। আরেকটি তাঁর হাতেই আছে।
আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, ওদের উপর আমি প্রথম হামলাটি করেছি। এতেও তারা যদি সঠিক পথে না আসে তাহলে শীঘ্রই দ্বিতীয় হামলাটিও করবো। তখন তারা সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যাবে।
ভিতরেরই এক মুজাহিদ ভাই স্বপ্নটির ব্যাখ্যায় বলেছেন, 9/11 এর হামলার মাধ্যমে কুফরের সরদার আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থা অর্ধেক ভেঙে পড়েছে। বাকিটুকু ইনশাআল্লাহ ইমাম মাহদি এবং হযরত ঈসা আ.র সময় হবে।
------------------------------------------

-সে তোমাদের আমীর

এক ভাই বলেছেন, আমি দেখেছি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে দাঁড়ানো। তাঁর সঙ্গে আরো একজন লোক দাঁড়ানো। যার চেহারা সহ পুরো শরীর কাপড় দিয়ে ঢাকা। সেই লোকটির দিকে
ইশারা করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কে বললেন, সে তোমাদের আমীর।
ভিতরের এক মুজাহিদ ভাই এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, তিনি হলেন হযরত ইমাম মাহদি। যিনি বর্তমানে আমাদের মাঝেই আছেন। তবে আমরা তাঁকে চিনতে পারছিনা।
আলো ভাইদের স্বপ্ন
https://dawahilallah.com/showthread.php?10193
উপরোক্ত স্বপ্ন গুলো থেকে বুজা যাচ্ছে যে ইমাম মাহদীর আগমন অতি নিকটে (https://dawahilallah.com/showthread.php?10193)

khalid-hindustani
07-18-2018, 07:24 PM
ইমাম আল মাহদীর আগমণী সংবাদের একটি বিস্ময়কর কিতাব হইল কিতাব আল ফিতান, নুয়াইম বিন হাম্মাদের । তাহাতে তোবাই (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, ভবিষ্যতে বায়তুল্লায় (অর্থাৎ কাবা শরীফে) আশ্রয় নিবেন একজন আশ্রয় প্রার্থী । সে নিহত হইবে । তারপর প্রায় তেত্রিশ বছর কাটিয়া যাইবে । তারপর আরেক আশ্রয়প্রার্থী কাবা শরীফে আশ্রয় গ্রহন করিবে । তুমি যদি তাহাকে পাইয়া যাও তবে তাহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিও না । কেননা যে তাহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিবে, সে মাটির নীচে তলাইয়া যাইবে । ১৯৭৯ সালের কথা আমরা জানি, সেই বছর এক তরুণের নেতৃত্বে অনেক লোক কাবা শরীফে আশ্রয় নিয়াছিল । পনের দিন ব্যাপী অনেক যুদ্ধ হইয়াছিল, অনেক মানুষ নিহত হইয়াছিল । পরে তাহারাও নিহত হইয়াছিল । হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলিয়াছেন যে, হাদীসে ব্যবহৃত বোরয়াহ শব্দের অর্থ কম-বেশী তেত্রিশ বছর । সেই ১৯৭৯ সালের পরে এখন ২০১৮ সাল । এখন তেত্রিশ থেকে চল্লিশ বছরের মধ্যে আর কেউ কাবা শরীফে আশ্রয় নেন নাই । কিন্তু সময় ঘনাইয়া আসিয়াছে । ১৯৭৯ সাল থেকে হিসাব করিলে আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে এই ঘটনা ঘটিতে পারে বলিয়া এই হাদীস থেকে বুঝা যায় । কিতাবুল ফিতানের ৯৩৫ নাম্বার হাদীস এটি, তোবাই বর্ণিত । এইগুলি সাহাবায়ে কেরাম এবং তাবেঈনদের আছার, হাদীসে মওকুফ, হাদীসে মকতুহ । কিন্তু এইগুলো গায়েবের সংবাদ হিসাবে কোন না কোন ভাবে তাহারা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট থেকে শুনেছেন বলেই বর্ণনা করিয়াছেন । ইমাম মাহদীর আগমণের একটি প্রধান আলামত হইল, তাহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আসা একটি বিশাল বাহিনী ৭০ হাজার সৈন্যবিশিষ্ট আধুনিক মারণাস্ত্রে সজ্জিত একটি বিশাল বাহিনীকে মক্কা এবং মদীনার মধ্যবর্তী বাইদাহ ময়দানে মাটি গ্রাস করিয়া নিবে । আল্লাহ তাহাদেরকে মাটির নীচে তলাইয়া দিবেন । এই ঘটনা যখন জানাজানি হইবে তখন সিরিয়ার মুসলমানগণ ইমাম মাহদীর দলে যোগদান করিবেন, ইরাকের ওলি আউলিয়াগণ ইমাম মাহদীর হাতে হাত দিয়া আনুগত্যের শপথ নিবেন । তখন সারা দুনিয়ায় ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের কথা ছড়াইয়া পড়িবে । ইমাম মাহদী যখন আগমণ করিবেন তখন সারা দুনিয়ায় যোগ্যতাসম্পন্ন কোন নেতা থাকিবেন না । কোটি কোটি মানুষ যাহার কথায় উঠাবসা করে এমন যোগ্যতাসম্পন্ন কোন নেতাই তখন পৃথিবীতে থাকিবে না । আল্লাহ তায়ালা সমগ্র মানবজাতির অন্তরে ইমাম মাহদীর প্রতি ভালবাসা ঢালিয়া দিবেন । মানুষ ইমাম মাহদীকে ছাড়া আর কিছুই বুঝিবে না ।
-অধ্যাপক মুফতী কাজী ইব্রাহিম
আলেম ভাইদের নিকট কিতাবুল ফিতানের এই হাদীস টির সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই ইংশাআল্লাহ

আস সালামু আলাইকুম।
ভাই এই হাদিসটা কিতাবুল ফিতান পিডিএফের কত নং পেজে আছে।
আমি কিতাবুল ফিতান পড়ে পড়ে কিছু কিছু বিষয় ফোরামে পোস্ট করার জন্য মার্ক করে রেখেছিলাম। কিন্তু ইদানীং কাজের বেশি ব্যস্ততায় ফিতান বইটা ধরার সময় পাচ্ছি না।
বেশ চমতকার ও প্রয়োজনীয় একটি বই।
ভাই অনুগ্রহপূর্ক হাদীসটা কত নং পেজে আছে উল্লেখ করে দিলে ভালো হতো।

কালো পতাকা
08-09-2018, 11:43 AM
আস সালামু আলাইকুম।
ভাই এই হাদিসটা কিতাবুল ফিতান পিডিএফের কত নং পেজে আছে।
আমি কিতাবুল ফিতান পড়ে পড়ে কিছু কিছু বিষয় ফোরামে পোস্ট করার জন্য মার্ক করে রেখেছিলাম। কিন্তু ইদানীং কাজের বেশি ব্যস্ততায় ফিতান বইটা ধরার সময় পাচ্ছি না।
বেশ চমতকার ও প্রয়োজনীয় একটি বই।
ভাই অনুগ্রহপূর্ক হাদীসটা কত নং পেজে আছে উল্লেখ করে দিলে ভালো হতো।
প্রিয় ভাই এটা মূল কিতাব কিতাবুল ফিতানের ৯৩৫ নাম্বার হাদীস এটি, তোবাই বর্ণিত এই কিতাব টা মূল অংশটি দিতে পারতেছিনা আফওয়ান তবে মুফতি কাজী ইব্রাহীম একটি জুমআয় উক্ত কিতাব টি এনে খুতবা দিয়েছিল দেথুন ভিডিও টি
ডাওনলোড (https://www.youtube.com/watch?v=OhxI56AjOM8)
আলো তথ্য পেতে ভিজিট করুন নিম্নোক্ত সাইটে
https://bashirmahmudellias.wordpress.com/feed/ (https://bashirmahmudellias.wordpress.com/feed/)

khalid-hindustani
08-10-2018, 07:47 PM
আল্লাহ মুফতি কাজী ইব্রাহীমকে পরিপূর্ন হেদায়েতের উপর দাখিল করুন। তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
এবং তাকে ইমাম আল মাহদীর সাথী হওয়ার তওফীক দান করুন যদি তিনি ততদিন পর্যন্ত হায়াতে বেঁচে থাকেন।

কালো পতাকা
08-24-2018, 11:09 PM
আল্লাহ মুফতি কাজী ইব্রাহীমকে পরিপূর্ন হেদায়েতের উপর দাখিল করুন। তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
এবং তাকে ইমাম আল মাহদীর সাথী হওয়ার তওফীক দান করুন যদি তিনি ততদিন পর্যন্ত হায়াতে বেঁচে থাকেন।
আমিন মহান আল্লাহ তায়ালা উনাকে জিহাদের সঠিক ধারণা দান করুক আমিন
আল্লাহু আকবার একটা বিষয় ভাইয়েরা সাধারণ একটা পোস্ট ৩০ হাজার উপর ভাইয়েরা দেখেছে এ থেকে বুজা যাচ্ছে ভাইয়েরা ইমাম মাহদী বিষয়ে জানতে চাই আপনারা ইমাম মাহদীকে নিয়ে বেশী বেশী পোস্ট কমেন্ট করুন আমিন

কালো পতাকা
09-03-2018, 12:28 AM
কাবার ইমাম কে গ্রেফতার ইমাম মাহদী আগমনের বার্তা বহন করেন
https://b.top4top.net/p_9753arcg1.png
যে কারণে গ্রেফতার হলেন কাবার ইমাম আসুন জেনে নেই
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZItnD7ZB95c9cUeENfz5TVaIwxIKBwWDBf7
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে কাবার ইমাম এর মতো বড় বড় শায়কদের গ্রেফতার ও হত্যা করা হবে এই সংক্রান্ত হাদীস টি আসুন জেনে নেই
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZR6nD7ZETOkO1gTbbjhMmbIWUmoghTnnkb7
আসুন সকলে কাবার ইমাম এর জন্য দোয়া করি এবং ইমাম মাহদী আগমনী বার্তাটি সকলের কাছে পৌছে দেই
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZg6nD7ZeeCXlUsYzQVz8B1FmACwF5XRe1yk

কালো পতাকা
09-04-2018, 11:09 PM
কাবার ইমাম কে গ্রেফতার ইমাম মাহদী আগমনের বার্তা বহন করেন
https://b.top4top.net/p_9753arcg1.png
যে কারণে গ্রেফতার হলেন কাবার ইমাম আসুন জেনে নেই
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZItnD7ZB95c9cUeENfz5TVaIwxIKBwWDBf7
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে কাবার ইমাম এর মতো বড় বড় শায়কদের গ্রেফতার ও হত্যা করা হবে এই সংক্রান্ত হাদীস টি আসুন জেনে নেই
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZR6nD7ZETOkO1gTbbjhMmbIWUmoghTnnkb7
আসুন সকলে কাবার ইমাম এর জন্য দোয়া করি এবং ইমাম মাহদী আগমনী বার্তাটি সকলের কাছে পৌছে দেই
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZg6nD7ZeeCXlUsYzQVz8B1FmACwF5XRe1yk
ইমাম মাহদীর আগমণী বার্তার উদাহরণ একজন আলেমের মূত্যু
https://c.top4top.net/p_97742kyf1.png
সৌদি আরবে শায়েখ সালমান আল-উদাহ -এর মৃত্যুদণ্ড!!
সৌদি আরবের তাগুত ক্রিমিনাল স্পেশিয়াল কোর্ট শায়েখ সালমান আল-উদাহ-এর গোপন বিচার শুরু করেছে বলে জানিয়েছে অনলাইন সংবাদ সংস্থা ‘ডকুমেন্টিং অপ্রেশন এগেইন্সট মুসলিমস্’ । এখন পর্যন্ত তারা শায়েখের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাস’-এর ৩৭টি অভিযোগ আরোপ করেছে! ঐ সকল অভিযোগের কারণে শায়েখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা বলেছে জেনারেল প্রসিকিউশন!
-------------------------------------------------

কোন অভিযোগ ছাড়াই সৌদি কারাগারে ১ বছর অতিবাহিত শায়েখ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল মিগবিলের!
সৌদি আরবের তাগুত সরকার নিজেদের অন্যায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং পশ্চিমাধাঁচে দেশ তৈরির লক্ষ্যে সম্প্রতি হক্বপন্থী উলামায়ে কেরামকে ব্যাপক ধরপাকড় অভিযান চালিয়েছিল। এরই প্রেক্ষিতে তারা কোনপ্রকার অভিযোগ ব্যতীতই কোন কোন উলামায়ে কেরামকে গ্রেফতার করে। এরকমই একজন ছিলেন আল-মুথান্নাবে অবস্থিত (কাসিম) হিফজুল কুরআন সংঘের প্রধান শাঈখ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-মিগবিল। শায়েখকে কোন অভিযোগ ছাড়াই সৌদি সরকার গ্রেফতার করে ১ বছর যাবৎ কারাগারে বন্দী করে রেখেছে বলে জানিয়েছে অনলাইন বার্তা সংস্থা ডকুমেন্টিং অপ্রেশন এগেইন্সট মুসলিমস্ ।
তথ্য সূএ: http://gazwah.net/?p=14010

কালো পতাকা
09-09-2018, 06:51 AM
কাবার ইমাম কে গ্রেফতার ইমাম মাহদী আগমনের বার্তা বহন করেন
https://b.top4top.net/p_9753arcg1.png
যে কারণে গ্রেফতার হলেন কাবার ইমাম আসুন জেনে নেই
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZItnD7ZB95c9cUeENfz5TVaIwxIKBwWDBf7
ইমাম মাহদী আগমনের পূর্বে কাবার ইমাম এর মতো বড় বড় শায়কদের গ্রেফতার ও হত্যা করা হবে এই সংক্রান্ত হাদীস টি আসুন জেনে নেই
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZR6nD7ZETOkO1gTbbjhMmbIWUmoghTnnkb7
আসুন সকলে কাবার ইমাম এর জন্য দোয়া করি এবং ইমাম মাহদী আগমনী বার্তাটি সকলের কাছে পৌছে দেই
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZg6nD7ZeeCXlUsYzQVz8B1FmACwF5XRe1yk



https://i.imgur.com/wDUkN15.jpg

তাগুত সস্ত্রাসী সৌদি সরকার শাঈখ ড:সালমান আল-উদাহ, শাঈখ ড:আওয়াদ আল-কারনী, শাঈখ ড:আলী আল-ওমানী কে মিথ্যা মামলার আসামী বানিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আসুন আমরা সবাই মহান আল্লাহর নিকট এই মহান শাঈখদের মুক্তির জন্য দোয়া করি এবং এসকল তাগুতদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াই। [সূত্র: ডকুমেন্টিংঅপ্রেশনএগেইন্সট মুসলিমস্(DOAM)]

সূত্র: http://gazwah.net/?p=14067




শাঈখ নাঈফ আল-শাহাফীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে সৌদি ক্রিমিনাল কোর্টে গোপনে বিচার অনুষ্ঠান
সৌদি ক্রিমিনাল কোর্ট বিশেষজ্ঞ গোপনে শাঈখ নাঈফ আল-শাহাফীর(গ্রেফতার হয়েছেন ২১/০৯/২০১৭ ইং তারিখে)বিচার অনুষ্ঠিত করেছে। যেটি পাবলিক প্রসিকিউশ দ্বারা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়
http://gazwah.net/?p=14103
(http://gazwah.net/?p=14103)
সৌদি কর্তৃপক্ষ শাঈখ মুহাম্মদ আল-শানায়ারকে গ্রেফতার করে পরিবারের সাথে যোগাযোগ নিষিদ্ধ ঘোষণা
সৌদি কর্তৃপক্ষ শাঈখ মুহাম্মদ আল-শানায়ার(গ্রেফতার হয়েছেন ১২/০৯/২০১৭ইং তারিখে)কে এ বছরের এপ্রিল মাস থেকে তার পরিবারের সাথে যেকোনো প্রকারের যোগাযোগ নিষিদ্ধ ঘোষণা ক
http://gazwah.net/?p=14090

সৌদি আরবে আল-হাঈর জেলখানায় শাঈখ আব্দুল আজিজ আল-তারিফ কে অত্যাচারের ফলে অসুস্থ
http://gazwah.net/?p=14087

কালো পতাকা
09-09-2018, 07:00 AM
[QUOTE=কালো পতাকা;37600]
ইমাম মাহদীর আর্বিভাবে পূর্বে সৈাদীর বাদশা তিনপুএ রত্ন-ভাণ্ডারের কাছে তিন জন খলীফা-সন্তান যুদ্ধ করতে থাকবে। বর্তমানে এ ধরনের পরিবেশ তৈরী হয়ে আছে
ওবান (রা :)থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (সা:) বলেন: তোমাদের রত্ন-ভাণ্ডারের কাছে তিনজন খলীফা-সন্তান যুদ্ধ করতে থাকবে। কেউই দখলে সফল হবে না। প্রাচ্য থেকে তখন একদল কালো ঝাণ্ডা-বাহী লোকের আবির্ভাব হবে। তারা এসে তোমাদেরকে নির্বিচারে হত্যা করবে। ছাওবান বলেন-অতঃপর নবীজী কি যেন বললেন, আমার ঠিক স্মরণ নেই। এরপর নবীজী বললেন-যখন তোমরা তা দেখতে পাবে, অখন তাঁর কাছে এসে বায়াআত হয়ে যেয়ো! যদিও তা করতে তোমাদের হামাগুড়ি দিয়ে বরফের পাহাড় পাড়ি দিতে হয়!!
(ইবনে মাজা)

খলীফা-সন্তান: অর্থাৎ তিনজন সেনাপতি। সবাই বাদশার সন্তান হবে। পিতার রাজত্বের দোহাই দিয়ে সবাই ক্ষমতা দাবী করবে।
রত্ন-ভাণ্ডার: কাবা ঘরের নিচে প্রোথিত রত্নও
উদ্দেশ্য হতে পারে। নিছক রাজত্বও উদ্দেশ্য হতে পারে। কারো কারো মতে রত্ন বলতে এখানে ফুরাত নদীর উন্মোচিত স্বর্ণ-পর্বত উদ্দেশ্য।

ইবনে কাছীর (রহ :)বলেন: মাহদীকে প্রাচ্যের নিষ্ঠাবান একটি দলের মাধ্যমে শক্তিশালী করা হবে। তারা মাহদীকে সহায়তা করবে এবং মাহদীর রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করবে। তাদের পতাকাও কালো বর্ণের হবে। এটা গাম্ভীর্যের প্রতীক। কারন, নবী করীম (সা:) এর পতাকাও কালো ছিল। নাম ছিল উকাব।

সৌদিবাদশাহ , তিন ছেলের মতবিরোধ ইমাম মাহদী আগমনের ইঙ্গিত ?
https://www.youtube.com/watch?v=-ba8KeXPupg
সৌদি আলেমদের উপর অমানবিক অত্যাচার চলছে যা ইমাম মাহদীর আগমনি বার্তা বহন করে
দেখুন ভিডিও টি ইংশাআল্লাহ
(https://www.youtube.com/watch?v=-ba8KeXPupg)
(https://www.youtube.com/watch?v=-ba8KeXPupg)Video!! গদিরখেলা-২ কেন বন্ধি করা হচ্ছে সৌদি আলেমদের
https://archive.org/details/GodirKhe...heSaudiAlemder (https://archive.org/details/GodirKhela2KenoBondhiKoraHoccheSaudiAlemder)



(https://www.youtube.com/watch?v=-ba8KeXPupg)

কালো পতাকা
09-30-2018, 08:51 AM
সৌদি আলেমদের বর্তমান অবস্থা
https://archive.org/details/GodirKhe...heSaudiAlemder
ও শায়ক ওসামার স্বপ্নটি (পিডিএফ দেখতে ডাওনলোড লেখাতে ক্লিক করুন ডাওনলোড (https://blackflagseriesinbangla.wordpress.com/2013/12/19/%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a7%a7-%e0%a6%96%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a 6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%be/) )ইমাম মাহদী আগমনের ইঙ্গিত বহন করে এছাড়াও শায়খ নিয়ামত উল্লাহ এর ভবিষৎ বাণীকেে ইমাম মাহদী আগমনের ইঙ্গিত বহর করলেও এটা নিয়ে বিতর্ক আছে

জম্মু কাশ্মিরে মুজাহিদিনরা সংগঠিত হচ্ছে জম্মু কাশ্মির কে নিয়ে শাহ নিয়ামতউল্লাহ ভবিষৎবাণীটি হলো-
তার কবিতার ৩৭ নং বলা হয়েছে
https://d.top4top.net/p_1002b6vjs1.png
https://a.top4top.net/p_1002kfohj1.png
https://c.top4top.net/p_10020g68s1.png
কবিতাটির শেষ লাইনে বলা হয়েছে ইমাম মাহদীর কথা
কবিতার ৫৭ নং বলা হয়েছে
https://d.top4top.net/p_1002lbuvq1.png
https://f.top4top.net/p_100245ere1.png
বাংলাদেশর বর্তমান হিন্দুদের আগ্রাসন চলছে যে কোনো সময় হামলা হতে পারে
ভারতীয় সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড দখলের আহ্বান!
https://dawahilallah.com/showthread.php?10225
বাংলাদেশে হিন্দুদের জয়জয়কার, এক মহাদুর্যোগের পদধ্বনি আপনি শুনছেন তো?
https://dawahilallah.com/showthread.php?7184
বাংলাদেশের মুসলিমদের উপর আক্রমনের ইঙ্গিত এবং বাংলাদেশ দখলের ইঙ্গিত
https://dawahilallah.com/showthread.php?9324
যুদ্ধের প্রস্তুতি হিন্দু জনগোষ্ঠী।



https://dawahilallah.com/showthread.php?10425
তবে গাজওয়া হিন্দের হাদীস গুলো আমরা গুরুত্ব দিব তবে এটা শুধু দেখে রাখবো আল্লাহ তায়ালা আমাদের ভূল গুলো ক্ষমা করুন আমিন
হিন্দু মালাউনরা মুসলিমদের ধ্বংস করার জন্য একএ হচ্ছে হে মুসলিম তোমি কি এখনো ঘুমিয়ে থাকবে
https://my.pcloud.com/publink/show?code=XZ7gP47Zf6mnKfHKBHVpSMITEtFlob8Ovy8k





স্বপ্নে ইমাম মাহদীকে মহানবী সা: নির্দেশ দিচ্ছেন দুইটি কথা মুসলমানদের মধ্যে প্রচার করার জন্
https://www.dawahilallah.com/showthread.php?11151

সত্যের ডাক
09-30-2018, 08:10 PM
ভাই বর্তমান সময়ের সাথে মিলগুলো আরো স্পষ্ট ভাবে আলেম ও গবেষকদের মত সহ বল্লে ভালো হবে
জাযাকাল্লাহ ভাই

সত্যের ডাক
09-30-2018, 08:20 PM
ভাই বর্তমান সময়ের সাথে মিলগুলো আরো স্পষ্ট ভাবে আলেম ও গবেষকদের মত সহ বল্লে ভালো হবে
জাযাকাল্লাহ ভাই

হুদহুদ পাখি
11-09-2018, 09:03 PM
masallah kalo potaka vai apner ai post teke imam mahdi somporke onek kuchu jante parlam

বদর মানসুর
12-05-2018, 10:38 PM
মাশা-আল্লাহ! আঁখী ফিল্লাহ।
বারাকাল্লাহু ফিকা।
আঁখী ফিল্লাহ...! হাফেজ্জী হুজুর রহ. এর ইমাম মাহদী আ. এর জন্ম সম্পর্কে একটি কাশফের ঘটনা শুনেছিলাম।
সেটি যদি একটু দিতেন,তাহলে অনেক ভালো হতো।

মো আলি
12-06-2018, 07:14 AM
আল্লাহ আমাদেরকে পরিপূর্ণ ভাবে প্রস্তুত হওয়ার তৌফিক দান করুন, আমিন

কালো পতাকা
01-12-2019, 12:57 PM
https://d.top4top.net/p_1002euker1.png
https://d.top4top.net/p_1003qebhw1.png
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি ওসামাকে একজন ইসলামী জ্ঞান সম্পন্ন ব্যাক্তির কাছে নিয়ে গেলাম এবং তাকে পুরো ব্যাপারটি খুলে বললাম। তিনি অবাক হয়ে তাকালেন এবং বললেন , এই কি আপনার সেই সন্তান
https://b.top4top.net/p_1003ogonj1.png
https://e.top4top.net/p_1003o7d7i1.png

শায়খ উসামা বিন লাদিন এর আগমন ইমাম মাহদী আগমনি বার্তা বহন করে
https://dawahilallah.com/showthread.php?11954
পিকচার গুলো নস্ট হয়ে যাওয়ার কারনে নতুন একটি ভিডিও লিংক এবং একটি পিডিএফ বইয়ের লিংক দেওয়া হলো-

ভিডিও ডাওনলোড লিংক:-http://www.mediafire.com/file/7n7j87rzz0s1hvg/seletir_sopno.mp4/file

পিডিএফ ডাওনলোড *লিংক:-সরাসরি ডাইনলোড করুন (https://blackflagseriesinbangla.files.wordpress.com/2013/12/e0a696e0a78be0a6b0e0a6bee0a6b8e0a6bee0a6a8-e0a6a5e0a787e0a695e0a787-e0a695e0a6bee0a6b2e0a78b-e0a6aae0a6a4e0a6bee0a695e0a6be.pdf)
or
http://www.mediafire.com/file/vfzusvz17xcrwck/%25E0%25A6%2596%25E0%25A7%258B%25E0%25A6%25B0%25E0 %25A6%25BE%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6 %25B0_%25E0%25A6%25A5%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%259 5%25E0%25A7%2587_%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25BE%25 E0%25A6%25B2%25E0%25A7%258B_%25E0%25A6%25AA%25E0%2 5A6%25A4%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%2 5BE.pdf/file

কালো পতাকা
03-06-2019, 08:03 AM
ইমাম মাহদীর আগমন সম্পর্কিত ৫ টি স্বপ্নের বর্ণনা
https://dawahilallah.com/showthread.php?12612

video tir ইংরেজি সাব-টাইটেল karbo inshallah

কালো পতাকা
03-30-2019, 09:29 AM
ইমাম মাহদীর তালাশ ! ভাইয়েরা সময় অল্প, জেগে উঠুন, অলসতা ছাড়ুন।

https://dawahilallah.com/showthread.php?12848

ইমাম মাহদী বিষয়ক একটা গুরুত্বপূর্ণ পিডিএফ বই

লিংক : https://dawahilallah.com/showthread.php?13598-&%232476;&%232439;-(pdf)-%91&%232474;&%232509;&%232480;&%232468;&%232495;&%232486;&%232509;&%232480;&%232497;&%232468;-&%232480;&%232494;&%232489;&%232509;&%232476;&%232494;&%232480;%92-&%232488;&%232495;&%232480;&%232495;&%232460;-&%232534;&%232535;-&%232478;&%232497;&%232488;&%232482;&%232495;&%232478;-&%232441;&%232478;&%232509;&%232478;&%232494;&%232489;&%232509;*&%232480;-&%232474;&%232509;&%232480;&%232468;&%232495;&%232486;&%232509;&%232480;&%232497;&%232468;-&%232480;&%232494;&%232489;&%232509;&%232476;&%232494;&%232480;&%232503;&%232480;-&%232438;&%232455;&%232478;&%232472;&%232435;-&%232536;&%232534;&%232536;&%232534;-&%232488;&%232494;&%232482;-&%232439;-&%232453;&%232495;-&%232488;&%232503;&%232439;-&%232474;&%232509;&%232480;&%232468;&%232496;&%232453;&%232509;&%232487;&%232495;&%232468;-&%232453;&%232509;

Abdullah ibn Unais
04-25-2019, 06:04 AM
ভাই এই Training এর ভিডিও লিংক গুলো এখন কাজ করে না। ভাই ভিডিও গুলোর নতুন লিংক দেন।

nazir as sams
05-31-2019, 04:49 PM
ও আল্লাহ। আপনি আমাদেরকে যাবতিও ফেত্না থেকে হেফাজত করেন।।।
আসলেই ভয়াবহ হালত।।

কালো পতাকা
01-15-2020, 06:51 PM
সহিহ হাদিসের আলোকে ইমাম মাহদীর পরিচয়


ইমাম মাহদীর নাম

عن عبد الله، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تذهب الدنيا حتى يملك العرب رجل من أهل بيتي يواطئ اسمه اسمي. رواه الترمذي (2230) وأحمد: (3573)
وقال الترمذي: هذا حديث حسن صحيح. وقال الشيخ أحمد شاكر في تعليقه على مسند أحمد (3/494) : إسناده صحيح.
وقال الإمام أبو بكر بن العربي في عارضة الأحوذي 9/ 77 بعد أن ذكر عدة أحاديث في المهدي وصفته وأنه من ولد فاطمة: والذي يصح من هذا كله أنه يملكها رجل من أهل بيته يواطئ اسمه اسمه.
وأورد الإمام القرطبي في التذكرة ص 701 حديث أنس بن مالك الذي أخرجه ابن ماجه (4039) وفيه: ولا المهدي إلا عيسى ابن مريم ثم ضعفه، وقال: والأحاديث عن النبي صلى الله عليه وسلم في التنصيص على خروج المهدي من عترته من ولد فاطمة ثابتة أصح من هذا الحديث فالحكم لها دونه.
ونقل القرطبي في التذكرة ص 701 عن أبي الحسن محمد بن الحسين بن إبراهيم السجستاني الآبري قوله: قد تواترت الأخبار واستفاضت بكثرة رواتها عن المصطفى يعني المهدي، وأنه من أهل بيته وأنه سيملك سبع سنين، وأنه يملأ الأرض عدلا، يخرج مع عيسى عليه السلام، فيساعده على قتل الدجال بباب لد بأرض فلسطين، وأنه يؤم هذه الأمة وعيسى صلوات الله عليه يصلي خلفه. وأبو الحسن الآبري هذا وصفه الحافظ الذهبي في السير 16/299 بقوله: الإمام الحافظ محدث سجستان بعد ابن حبان.
وقال شيخ الإسلام ابن تيمية في منهاج السنة النبوية 8/254: الأحاديث التي يحتج بها على خروج المهدي أحاديث صحيحة، رواها أبو داود والترمذي وأحمد وغيرهم من حديث ابن مسعود وغيره.
وكذلك قال تلميذه الإمام ابن القيم في المنار المنيف ….ص 148: (كذا في تعليق الشيخ شعيب الأرنؤوط على سنن أبي داود: 6/339)


আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দুনিয়া ধ্বংস হবে না যতক্ষণ না আমার পরিবার হতে একজন বাদশাহ হবে, যার নাম আমার নামের সাথে মিলবে। -সুনানে তিরমিযি, ২২৩০ মুসনাদে আহমদ, ৩৫৭৩

হাদিসের মান:-
ইমাম তিরমিযি, ইবনুল আরবী, কুরতুবী, ইবনে তাইমিয়াহ, ইবনুল কাইয়িম এবং শায়েখ আহমদ শাকের হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন। বরং হাফেয আবুল হাসান সিজিস্তানী বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুতাওয়াতির সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, মাহদীর আগমণ ঘটবে, সে আহলে বাইত থেকে হবে, সাত বছর রাজত্ব করবে, যমিনকে আদল-ইনসাফ দ্বারা পূর্ণ করে দিবে।” (সুনানে তিরমিযি, ২২৩০ আরেযাতুল আহওয়াযী, ৯/৭৭ আততাযকিরাহ, পৃ: ৭০১ মিনহাজুস সুন্নাহ, ৮/২৫৪ আলমানারুল মুনিফ, পৃ: ১৪৩ ও ১৪৬ সুনানে আবী দাউদের টীকা, শায়েখ শুয়াইব আরনাউত, ৬/৩৩৯)


পিতার নাম

عبد الله بن مسعود رضي الله عنه: أنَّ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم، قال: لوْ لَمْ يَبْقَ مِنَ الدنيا إلا يوم واحد لطوّل الله ذلك اليومَ حتى يبعثَ الله فيه رجلاً مِنِّي - أو من أهل بيتي - يواطيء اسمُه اسمي، واسمُ أبيه اسمَ أبي، يملأُ الأرضَ قِسْطاً وعدلاً، كما مُلئت ظُلماً وجَوْراً. رواه أبو داود: (4282). وقال الشيخ شعيب في تعليقه على سنن أبي داود(6 : 337): (صحيح لغيره، وهذا إسناد حسن من أجل عاصم -وهو ابن أبي النجود- فهو صدوق حسن الحديث، وباقي رجاله ثقات. فطر: هو ابن خليفة، وزائدة: هو ابن قدامة، وسفيان: هو الثوري، ويحيى: هو ابن سعيد القطان .... وقال ابن الجوزي في العلل المتناهية 2/861: إسناده حسن. وفي المهدي أحاديث صالحة الأسانيد أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: يخرج مني رجل، -ويقال: من أهل بيتي- يواطئ اسمه اسمي، واسم أبيه اسم أبي ....(

আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যদি দুনিয়ার মাত্র একদিনও বাকী থাকে, তবুও আল্লাহ তায়ালা সেদিনকে দীর্ঘ করতে থাকবেন, যতক্ষণ না তিনি আমার পরিবার হতে একজন বাদশাহ বানাবেন, যার নাম হবে আমার নামের মত আর তার পিতার নাম হবে আমার পিতার নামের মত। সে যমিনকে আদল ও ইনসাফে পূর্ণ করে দিবে, যেরুপ তা অন্যায়- অবিচারে পূর্ণ ছিল।” -সুনানে আবী দাউদ, ৪২৮২; ৫/২১৫ ইসলামী ফাউন্ডেশন।

হাদিসের মান:- ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ, ইবনুল কাইয়িম, যাহাবী আলবানী রহ. হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন। ইমাম ইবনুল জাওযী, শুয়াইব আরনাউত আব্দুল আলীম বুস্তাভী হাসান বলেছেন। (আলইলালুল মুতানাহিয়াহ, ২/৮৬১ মিনহাজুস সুন্নাহ, ৮/২৫৫ আলমানারুল মুনিফ, পৃ: ১৪৩ ও ১৪৬ সুনানে আবী দাউদের টীকা, শায়েখ শুয়াইব আরনাউত, ৬/৩৩৭ আলমাহদিউল মুন্তাযার, পৃ: ২৭৮)


ইমাম মাহদীর বংশপরিচয়


أم سلمة رضي الله عنها قالت: سمعتُ رسولَ الله صلى الله عليه وسلم يقول: المهدِيُّ من عِترتي من ولدِ فاطمةَ. أخرجه أبو داود (4284) وقال الشيخ شعيب في تعليقه على سنن أبي داود: إسناده ضعيف لضعف زياد بن بيان. قال البخاري في "تاريخه الكبير" 3/ 346: في إسناده نظر، ونقله العقيلي في "الضعفاء" 2/ 76 عن البخاري وأقره عليه. وقال الذهبي في "المغني في الضعفاء": لم يصح خبره. وقال المنذري في "اختصار السنن" 6/ 160 بعد أن نقل كلام العقيلي: وقال غيره: وهو كلام معروف من كلام سعيد بن المسيب، والظاهر أن زياد بن بيان وهم في رفعه.
وقال الشيخ أحمد بن محمد بن الصديق الغماري : سكت عليه الحاكم والذهبي في التلخيص، وهو حديث صحيح أو حسن، كما حكم به الحُفّاظ، إذ رجاله كلهم عدول أثبات، أما سعيد بن المسيب فلا تسأل عن جلالته وإتقانه، فإنه رأس علماء التابعيين وفردهم وفاضلهم وفقيههم.
وأما علي بن نفيل فقد أثنى عليه أبو المليح، وقال أبو حاتم لا بأس به، وذكره ابن حبان في الثقات، ولم يتكلم فيه أحد بجرح.
وأما زياد بن بيان فقال البخاري: قال عبد الغفار: حَدَّثَنَا أبو المليح سمع زياد بْن بيان - وذكر من فضله، وقال النسائي: ليس به بأس، وذكره ابن حبان في الثقات، وقال: كان شيخا صالحا.
وأما أبو المليح الرقي فقال أحمد بن حنبل: ثقة، ضابط لحديثه، صدوق، وقال أبو حاتم: يكتب حديثه. وقال الدارقطني: ثقة. وكذا قال عثمان الدارمي عن ابن معين، وذكره ابن حبان في الثقات.
وأما من دونه فلا نطيل بذكر توثيقهم لكثرتهم وشهرة الحديث عن أبي المليح، فقد رواه عنه عبد الله بن جعفر الرقي، وأحمد بن عبد الملك وعبد الله بن صالح، وعمرو بن خالد الحراني، فحال سند الحديث على ما ترى من الجودة والصحة، فالحديث صحيح خصوصا مع انضمام الشواهد. (إبراز الوهم المكنون من كلام ابن خلدون، ص: 500 ط. الترقي، 1347 هـ).
وقال الشيخ عبد العليم البستوي بعد تفصيل طرق الحديث وبيان أحوال رجاله : إذا نظرنا في رجال الإسناد لا نرى فيهم مغمزا، فكلهم من الذين يُحتج بأمثالهم لدى العلماء، أما كلام العقيلي في علي بن نفيل بأنه لا يُتابع عليه، فلا حاجة إلى المتابعة. وأما قول البخاري في ترجمة زياد بن بيان: في إسناده نظر فليس جرحا في الراوي، ولكنه يرى النظر في إسناد الرواية، ولم أجد من فسَّر وجه النظر هذا سوى ما أشار إليه ابن الجوزي من أنه كلام معروف لسعيد بن المسيب، وأن زياد بن بيان وهم في رفعه، وذكره المنذري أيضا دون أن يسمي قائله، وسيأتي كلام ابن المسيب هذا في الآثار (برقم 17) وإسناده بمجموع طرقه حسن. إذن فليس هو أحسن حالا من هذا الإسناد حتى يكون علة لتضعيف هذا الحديث. ولا منافاة بين الروايتين، فهذا القول من الأمور الغيبية التي لا يقول بها ابن المسيب رحمه الله إلا إذا كان عنده خبر صحيح من الصادق الأمين صلى الله عليه وسلم، لا سيما، وأن ابن المسيب لم يعرف برواية الإسرائيليات، ولا الأخذ من أهل الكتاب، فقول ابن المسيب جاء جوابا على استفسار عن المهدي، وهل هو حق أم لا، فأوضح بأنه حق، وأنه من ولد فاطمة. وجاءت رواية علي بن نفيل هذه، فبينت الخبر الذي اعتمد عليه ابن المسيب رحمه الله في فتاواه، فكلا الخبرين عنه صحيح، والله أعلم.
وقد سكت عليه أبو داود، وقال في رسالته إلى أهل مكة: وما لم أذكر فيه شيئا فهو صالح، وبعضها أصلح من بعض.
وأورده السيوطي في الجامع الصغير ورمز له بالصحة.
وقال العزيزي في السراج المنير بشرح الجامع الصغير إسناده حسن.
وقال الألباني في سلسلة الأحاديث الضعيفة والموضوعة: هذا سند جيد رجاله كلهم ثقات، وله شواهد كثيرة ...


উম্মে সালামাহ রাযি. হতে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মাহদী আমার ঔরসজাত ফাতেমার বংশ থেকে হবে।” -সুনানে আবু দাউদ, ৫/২১৫।

হাদিসের মান:- ইমাম বুখারী, হাফেয উকাইলী, মুনযিরি ও যাহাবী রহ. হাদিসটিকে যয়ীফ বলেছেন। শুয়াইব আরনাউত এ মতটিই গ্রহণ করেছেন। আল্লামা সিরাজুদ্দীন আযীযী (মৃ: ১০৭০) শায়েখ আহমদ গুমারী, (মৃ: ১৩৮০) শায়েখ আলবানী ও ডক্টর আব্দুল আলীম বুস্তাভী (মৃ: ১৪৩৭ হি.) হাদিসটিকে হাসান বলেছেন। -ইবরাযুল ওয়াহমিল মাকনুন, পৃ: ৫০০ আলমাহদিউল মুন্তাযার, পৃ: ২২৬

মূলত হাদিসটির সনদ হাসান পর্যায়ের। তবে হাদিসের রাবীদের মাঝে মতভেদ হয়েছে। কেউ হাদিসটিকে রাসুলের হাদিস রুপে বর্ণণা করেছেন। কেউ তাবেয়ী সাঈদ বিন মুসাইয়িবের নিজস্ব বাণীরুপে। তবে হাদিসটি রাসুলের বাণী হোক বা সাঈদ বিন মুসাইয়িবের সর্বাবস্থায় তা দলিল হওয়ার যোগ্য। কেননা ইমাম মাহদি ফাতেমা রাযি. এর সন্তান হওয়া ভবিষ্যতের বিষয়, যা সাঈদ বিন মুসাইয়িব আন্দাযে ধারণা করে বলতে পারেন না। বরং এ বিষয়টি তিনি কোন সাহাবীর সূত্রে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস থেকে জেনেছেন এটাই স্বাভাবিক। তবে তিনি সূত্র উল্লেখ না করে এবং রাসুলের বাণী হিসেবে না বলে এমনিই বলে দিয়েছেন। তো এটা বেশি থেকে বেশি সাঈদ বিন মুসাইয়িবের মুরসাল হাদিস হবে। আর সাঈদ বিন মুসাইয়িবের মুরসাল হাদিসও মুহাদ্দিসদের নিকট গ্রহণযোগ্য। (দেখুন, আততামহিদ, হাফেয ইবনে আব্দুল বার, ১/৩০ আলমুকিযাহ, হাফেয যাহাবী, পৃ: ৩৮ কাওয়ায়েদ ফি উলুমিল হাদিস, যফর আহমদ উসমানী, পৃ: ১৫১)

ডক্টর আব্দুল আলীম বুস্তাভী রহ. বলেন, সাইদ বিন মুসাইয়িব কখনো এটাকে রাসুলের হাদিস হিসেবে বর্ণণা করেছেন আর কখনো তার নিকট মাহদির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি সূত্র উল্লেখ না করে ফতোয়াপ্রদানের মত বলে দিয়েছেন যে, মাহদী ফাতেমার সন্তানদের মধ্য থেকে হবে। তাই যারা হাদিসটিকে রাসুলের হাদিস হিসেবে বর্ণণা করেছেন তাদেরটাও সহিহ আর যারা সাইদ বিন মুসাইয়িবের নিজস্ব বাণী হিসেবে বর্ণণা করেছেন তাদেরটাও সহিহ। -আলমাহদিউল মুন্তাযার, পৃ: ২২৬

তাছাড়া মাহদির ফাতেমী বা সাইয়েদ হওয়ার বিষয়ে একাধিক হাদিস রয়েছে যার দ্বারা আলোচ্য হাদিসটি আরো শক্তিশালী হয়, সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে,

عن أبي إسحاق، قال: قال علي، ونظر إلى ابنه الحسن، فقال: إن ابني هذا سيد، كما سماه النبي صلى الله عليه وسلم، وسيخرج من صلبه رجل يسمى باسم نبيكم صلى الله عليه وسلم يشبهه في الخلق، ولا يشبهه في الخلق، ثم ذكر قصة: يملأ الأرض عدلا. رواه أبو داود، (4290) وقال الشيخ شيعب: (6/347) : إسناده ضعيف لإبهام شيخ أبي داود فيه، وأبو إسحاق -وهو عمرو بن عبد الله السبيعي- رأى عليا رضي الله عنه، ولم تثبت له رواية عنه.
وأخرجه نعيم بن حماد في "الفتن" (1113) عن غير واحد، عن إسماعيل بن عياش، عمن حدثه، عن محمد بن جعفر، عن علي بن أبي طالب. وفي إسناده مبهمون كما ترى.

আবু ইসহাক সাবিয়ী রহ. বলেন, আলী রাযি. হাসান রাযি. এর দিকে তাকিয়ে বলেন, “আমার এ ছেলেকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাইয়েদ-নেতা বলেছেন। অচিরেই তার বংশে এমন একব্যক্তি জন্মগ্রহণ করবে যার নাম হবে তোমাদের নবীর অনুরূপ। স্বভাব-চরিত্রে সে নবীজির মতই হবে তবে তার দৈহিক গড়ন নবীজি থেকে ভিন্ন হবে। সে আদল-ইনসাফ দ্বারা পৃথিবীকে পূর্ণ করে দিবে।” -সুনানে আবু দাউদ, ৪২৯০; ৫/২১৭


হাদিসের মান:- হাদিসের রাবী আবু ইসহাক সাবিয়ী রহ. আলী রাযি. এর যমানা পাননি। তাই হাদিসটি মুরসাল। আর আবু ইসহাক সাবিয়ীর মুরসাল হাদিস মুহাদ্দিসদের নিকট যয়ীফ। তাছাড়া ইমাম আবু দাউদ হাদিসের সনদে তার শায়খের নাম উল্লেখ করেননি। বরং এভাবে বলেছেন, حدثت عن هارون بن المغيرة অর্থাৎ আমার নিকট হারুন বিন মুগীরার সূত্রে হাদিস বয়ান করা হয়েছে। (দেখুন, সুনানে আবু দাউদ, তাহকীক শায়েখ শুয়াইব ৬/৪৪৭ তাদরীবুল রাবী, হাফেয সুয়ুতী, ১/২৩২)

তবে হাদিসটি পূর্বে বর্ণিত হাদিসটির শাহেদ-সমর্থক হওয়ার যোগ্য। সুতরাং এ হাদিস ও পূর্বের হাদিস মিলিয়ে প্রমাণ হয়, ইমাম মাহদী সাইয়েদ বা আলী রাযি. এর বংশধর হবেন। কিন্তু যেহেতু হাদিসটি এককভাবে যয়ীফ তাই এই হাদিসের আলোকে ইমাম মাহদী হাসান রাযি. এর বংশধর হওয়া প্রমাণিত হয় না। বরং তিনি হুসাইন রাযি. এর বংশধরও হতে পারেন। যদিও ইমাম ইবনুল কাইয়িম ও ইবনে কাসীর রহ. উল্লিখিত হাদিসের কারণে বলেছেন, “মাহদী হাসান রাযি. এর বংশধর হবেন।” আর এর অন্তর্নিহিত কারণ হিসেবে ইবনুল কাইয়িম উল্লেখ করেছেন, “যেহেতু হাসান রাযি. আখেরাতের সওয়াবের আশায় মুসলমানদের ঐক্যের লক্ষ্যে খেলাফতের দাবী ত্যাগ করেছিলেন, তাই আল্লাহ তায়ালা এর প্রতিদান স্বরুপ তার বংশধরদের মধ্য হতে মাহদীকে রাজত্ব দান করবেন। এটাই আল্লাহ তায়ালার রীতি, যে আল্লাহর জন্য কোন কিছু ত্যাগ করে আল্লাহ তাকে বা তার বংশধরকে তার চেয়ে উত্তম জিনিষ প্রদান করেন।” -দেখুন, আলমানারুল মুনিফ, পৃ: ১৫১ আননিহায়া ফিল ফিতান, 1/55


ইমাম মাহদীর দৈহিক গড়ন

عن أبي سعيد الخدري، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: المهدي مني أجلى الجبهة، أقنى الأنف، يملأ الأرض قسطا وعدلا، كما ملئت جورا وظلما، يملك سبع سنين. أخرجه أبو داود. (4285) وقال الشيخ شعيب في تعليقه على مسند أحمد (6 : 342) : (جيد بهذا اللفظ، سهل بن تمام بن بزيع -وإن كان ضعيفا- متابع -وعمران القطان - وهو ابن داور- حسن الحديث، وقد روي حديثه هذا من وجه آخر حسن في المتابعات، سيأتي ذكره. وذكر ابن الجوزي هذا الحديث في "العلل المتناهية" (1443) ثم قال 2/ 861: لا بأس به. وجود إسناده ابن قيم الجوزية في "المنار المنيف" ص 144. وصححه الحاكم 4/ 557، لكن تعقبه الذهبي بقوله: عمران ضعيف. قلنا: القول قول من قوى هذا الحديث، لأن عمران لم ينفرد به. أبو نضرة: هو المنذر ابن مالك بن قطعة.
وأخرجه الطبراني في "غريب الحديث" 2/ 191 من طريق عفان بن مسلم، والحاكم 4/ 557 من طريق عمرو بن عاصم الكلابي، كلاهما عن عمران القطان، بهذا الإسناد.
وأخرجه أحمد (11130)، وأبو يعلى (1128)، وابن حبان (6826) من طريق مطر بن طهمان الوراق، عن أبي الصديق الناجي، عن أبي سعيد الخدري. وهذا إسناد حسن في المتابعات.
قال الراقم عفا الله عنه: أما عمران القطان فقد قال الشيخ عوامة في تعليقه على مصنف ابن أبي شيبة (21 : 81) : (وثقه غير واحد، ومشاه آخرون، وممن وثقه تلميذه عفان ...) وقال الحافظ في التقريب (ص 429) : (صدوق يهم، و رمي برأى الخوارج). وقد حسَّن الترمذي حديثه في الجامع : (3934) وكذا حسَّن الحافظ حديثه في فتح الباري كما في تحفة اللبيب: (1 : 610) وقال الحافظ في التلخيص (4/335 ط. القرطبة) فيه مقال إلا أنه ليس بمتروك، وقد استشهد به البخاري، وصحح له ابن حبان والحاكم).
وقال أيضا في تهذيب التهذيب : (8 : 131 ط. دائرة المعارف النظامية، الهند، 1326هـ) قال عمرو بن علي: (كان ابن مهدي يحدث عنه وكان يحيى لا يحدث عنه، وقد ذكره يحيى يوما فأحسن الثناء عليه. وقال عبد الله بن أحمد، عن أبيه: أرجوه أن يكون صالح الحديث. وقال الدوري عن ابن معين: ليس بالقوي، وقال مرة: ليس بشيء لم يرو عنه يحيى بن سعيد. وقال الآجري، عن أبي داود: هو من أصحاب الحسن وما سمعت إلا خيرا، وقال مرة: ضعيف أفتي في أيام إبراهيم بن عبد الله بن حسن بفتوى شديدة فيها سفك الدماء، قال: وقدم أبو داود أبا هلال الراسبي عليه تقديما شديدا. وقال النسائي: ضعيف. وقال ابن عدي: هو ممن يكتب حديثه. وذكره بن حبان في الثقات. وقال أبو المنهال، عن يزيد بن زريع: كان حروريا، كان يرى السيف على أهل القبلة. قلت: في قوله: حروريا نظر ...
وقال الساجي: صدوق وثقه عفان .... وقال الترمذي: قال البخاري صدوق بهم. وقال ابن شاهين في الثقات: كان من أخص الناس بقتادة. وقال الدارقطني: كان كثير المخالفة والوهم. وقال العجلي: بصري ثقة. وقال الحاكم: صدوق).
وأما مطر بن طهمان فقد قال عنه الذهبي في السير (10 : 54 ط. الرسالة) : (الإمام، الزاهد، الصادق، ... حدث عنه: شعبة، .... وغيره أتقن للرواية منه، ولا ينحط حديثه عن رتبة الحسن. وقد احتج به: مسلم. قال يحيى بن معين: صالح. وقال أحمد بن حنبل: هو في عطاء ضعيف. وقال النسائي: ليس بالقوي. وكان يحيى القطان يشبه مطرا بابن أبي ليلى في سوء الحفظ. .... وقال محمد بن سعد: فيه ضعف في الحديث. (سير أعلام النبلاء: 1/59)
قلت: فحديث كل منهما يصلح للاحتجاج به عند الانفراد، فكيف إذا اجتمعا، وقوّٰى أحدُهما الآخرَ؟

আবু সাইদ খুদরী রাযি. হতে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মাহদী আমার বংশোদ্ভুত হবে, তার কপাল প্রশস্ত ও নাক উঁচু হবে। সে জুলুম-অত্যাচারে ভরা পৃথিবীকে আদল-ইনসাফ দ্বারা পূর্ণ করে দিবে। সে সাত বছর রাজত্ব করবে।” সুনানে আবু দাউদ, ৪২৮৫; ৫/২১৬ মুসনাদে আহমদ, ১১১৩০

হাদিসের মান:- ইমাম ইবনুল জাওযী বলেন, “হাদিসটিতে কোন সমস্যা নেই”। ইবনুল কাইয়িম হাদিসটির সনদকে ‘জাইয়িদ’ বলেছেন, যা সহিহ ও হাসানের মধ্যবর্তী স্তর। শায়েখ শুয়াইব আরনাইত হাদিসটিকে হাসান বলেছেন।

হাকেম রহ. হাদিসটিকে সহিহ বলেন, হাফেয যাহাবী তার উপর আপত্তি করে বলেন, “হাদিসের একজন রাবী ইমরান যয়ীফ,” কিন্তু শায়েখ শুয়াইব আরনাউত যাহাবী রহ. এর মত খন্ডন করে বলেন, “হাদিসটি ইমরানের একক বর্ণণা নয় বরং মুসনাদে আহমদে ‘মাতর বিন তহমানে’র সূত্রেও হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে” খোদ ইমাম যাহাবীই বলেছেন, “তার হাদিস হাসান পর্যায়ের, এর চেয়ে নিচের নয়”। ইমাম মুসলিম তার হাদিস সহিহ মুসলিমে এনেছেন। তাছাড়া ইমরানও একেবারে যয়ীফ নন, অনেক ইমাম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তাই তার হাদিস হাসান পর্যায়ের হবে, বিশেষকরে যদি তা তার একক বর্ণণা না হয়। (দেখুন, সিয়ারু আলামীন নুবালা, ১০/৫৯ তাহযীবুত তাহযীব, হাফেয ইবনে হাযার, ৮/১৩১ সুনানে আবু দাউদের টীকা, শায়েখ শুয়াইব আরনাউত, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবার টিকা, শায়েখ আওয়ামা, ২১/৮১ )

একটি প্রশ্ন:- এখানে একটি প্রশ্ন হতে পারে যে, ইমাম মাহদীর পরিচয় সংক্রান্ত সহিহ হাদিস তো একেবারেই অল্প। তাহলে এত সামান্য আলামতের ভিত্তিতে আমরা তাকে কিভাবে চিনবো?

উত্তর:- আল্লাহ তায়ালা ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের পূর্বে তাকে চিনার দ্বায়িত্ব আমাদের দেননি। বরং আল্লাহ ও তার রাসুল আমাদের যা আদেশ দিয়েছেন আমরা তা পালন করলেই ইমাম মাহদীকে পেয়ে যাবো এবং তার দলে শরিক হতে পারবো ইনশাআল্লাহ। নিচের হাদিসটি লক্ষ্য করুন,


عن جابر بن عبد الله، قال: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول: لا تزال طائفة من أمتي يقاتلون على الحق ظاهرين إلى يوم القيامة، قال: فينزل عيسى ابن مريم صلى الله عليه وسلم، فيقول أميرهم: تعال صل لنا، فيقول: لا، إن بعضكم على بعض أمراء تكرمة الله هذه الأمة. صحيح مسلم: (156) صحيح ابن حبان (6819) المنتقى لابن الجارود (1031) مسند أحمد : (14720)

“আমার উম্মতের একটি দল কিয়ামত পর্যন্ত সর্বদা হকের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকবে। পরিশেষে ইসা আলাইহিস সালাম অবতরণ করবেন। তখন ঐ দলের আমীর বলবেন, আসুন, নামাযে আপনি ইমামতি করুন। ইসা আলাইহিস সালাম উত্তর দিবেন, না, আপনারাই একে অপরের ইমাম, এটা আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এই উম্মাহর জন্য (বিশেষ) সম্মাননা।” -সহিহ মুসলিম, ৬৮১৯ সহিহ ইবনে জারুদ, ১০৩১ সহিহ ইবনে হিব্বান, ৬৮১৯ মুসনাদে আহমদ, ১৪৭২০

হাদিস থেকে সুস্পষ্টরুপে বুঝে আসে, যারা সর্বদা জিহাদ চালিয়ে যাবে তারাই ইমাম মাহদীর বাহিনী হবে, ইমাম মাহদী তাদের আমির হবেন। আর এখন যারা জিহাদী দলগুলোকে বাতিল মনে করে জিহাদ থেকে বিরত থাকছে, আল্লাহ-রাসুলের আদেশ অমান্য করে ঘরে বসে ইমাম মাহদীর আগমণের প্রতীক্ষা করছে, বস্তুত তারা ইমাম মাহদী আসলেও তার ব্যাপারে সংশয় পোষণ করবে। তাদের সবচেয়ে বড় সংশয় তো এটাই হবে যে, ইমাম মাহদী কিভাবে আলকায়েদা-তালেবানের মত ভ্রান্ত দলের আমীর হতে পারেন?!

এখন যেমন কাফের ও তাদের দোসর মুরতাদ সরকাররা জিহাদে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করছে, শরিয়তের সমস্ত দলিল উপেক্ষা করে দরবারী আলেমরা জিহাদ বিরোধী ফতোয়া দিচ্ছে, তখনও যে পরিস্থিতি এরচেয়ে ভিন্ন হবে এমন ভাবার কোন কারণ নেই।

তাছাড়া তারা যে ভাবছে, মাহদীর আগমণ ঘটলেই তারা মুহুর্তে দুনিয়ার সমস্ত ঝই-ঝামেলা পেছনে ফেলে মাহদীর সাহাযার্থ্যে ছুটে যাবে, এটা অলীক কল্পনা বৈ কিছুই নয়। জিহাদ কোন চাট্টিখানি বিষয় নয়। জিহাদের জন্য মানসিক-শারিরীক-বস্তুগত সব ধরণের পূর্বপ্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। যারা জিহাদের আকাংক্ষা পোষণ করার দাবী করে কিন্তু এর জন্য কোন প্রস্ততি গ্রহণ করে না কুরআনের সাক্ষ্য অনুযায়ী তারা মিথ্যাবাদী। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَلَوْ أَرَادُوا الْخُرُوجَ لَأَعَدُّوا لَهُ عُدَّةً (سورة التوبة : 46)
‘যদি যুদ্ধে যাবার ইচ্ছাই তাদের থাকতো তবে এর জন্য কিছু না কিছু প্রস্তুতি অবশ্যই গ্রহণ করতো’। -সুরা তাওবাহ, ৪৬

আয়াতের তাফসীরে ইমাম কুরতুবী রহিমাহুল্লাহু বলেন,

قوله تعالى : {وَلَوْ أَرَادُوا الْخُرُوجَ لَأَعَدُّوا لَهُ عُدَّةً} أي لو أرادوا الجهاد لتأهبوا أهبة السفر. فتركهم الاستعداد دليل على إرادتهم التخلف. (تفسير القرطبي 8/156 ط. دار عالم الكتب)

‘অর্থাৎ যদি তারা যুদ্ধ করতে চাইতো তাহলে সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করতো। সুতরাং তাদের প্রস্তুতি গ্রহণ না করা, যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার ইচ্ছা না থাকার দলিল’।

ইমাম জাসসাস রহিমাহুল্লাহু বলেন,

قال الله تعالى: {ولو أرادوا الخروج لأعدوا له عدة} فذمهم على ترك الاستعداد والتقدم قبل لقاء العدو.اهـ

‘আল্লাহ তায়ালা বলেন, যদি তারা যুদ্ধে বের হওয়ার ইচ্ছা করতো, তবে এর জন্য প্রস্তুতিগ্রহণ করতো।” যুদ্ধের সময় আসার পূর্বেই প্রস্তুতি গ্রহণ না করার কারণে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে তিরস্কার করেছেন’। -আহকামুল কুরআন: ৩/৮৯

আল্লামা সা’দী রহিমাহুল্লাহু (মৃত্যু: ১৩৭৬ হি.) বলেন,

يقول تعالى مبينا أن المتخلفين من المنافقين قد ظهر منهم من القرائن ما يبين أنهم ما قصدوا الخروج للجهاد بالكلية، وأن أعذارهم التي اعتذروها باطلة، فإن العذر هو المانع الذي يمنع إذا بذل العبد وسعه، وسعى في أسباب الخروج، ثم منعه مانع شرعي، فهذا الذي يعذر.
{و} أما هؤلاء المنافقون فـ {لَوْ أَرَادُوا الْخُرُوجَ لأعَدُّوا لَهُ عُدَّةً} أي: لاستعدوا وعملوا ما يمكنهم من الأسباب، ولكن لما لم يعدوا له عدة، علم أنهم ما أرادوا الخروج. (تفسير السعدي: 339 ط. مؤسسة الرسالة)


আল্লাহ তায়ালা (এ আয়াতে) বলছেন, (তাবুক) যুদ্ধে যে মুনাফিকরা অংশগ্রহণ করেনি, তাদের থেকে এমন কিছু আলামত প্রকাশ পেয়েছে, যা দ্বারা বোঝা যায় তাদের জিহাদে যাওয়ার কোন ইচ্ছাই ছিল না এবং যেসব বাহানা তারা পেশ করেছে সেগুলো একেবারেই অবান্তর। কেননা প্রকৃত উযর হলো ঐ প্রতিবন্ধকতা যা বান্দা তার সাধ্যের সবটুকু করার পর এবং যুদ্ধে যাওয়ার আসবাব-মাধ্যম অর্জনের চেষ্টা করার পর দেখা দেয়, সুতরাং এমন উযর যার রয়েছে তাকে ক্ষমা করা যায়। পক্ষান্তরে এই মুনাফিকরা যদি যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা রাখতো তাহলে তারা প্রস্তুতি গ্রহণ করতো এবং যেসব আসবাব গ্রহণ করা তাদের জন্য সম্ভব ছিলো সেগুলো গ্রহণ করতো। কিন্তু যেহেতু তারা যুদ্ধের জন্য কোন প্রস্তুতিই গ্রহণ করেনি তো বোঝা গেলো তাদের যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা একদমই ছিলো না। -তাফসীরে সা’দী: পৃ: ৩৩৯

আল্লামা শাওকানী রহিমাহুল্লাহু বলেন,

ولو أرادوا الخروج لأعدوا له عدة أي: لو كانوا صادقين فيما يدعونه- ويخبرونك به- من أنهم يريدون الجهاد معك، ولكن لم يكن معهم من العدة للجهاد ما يحتاج إليه، لما تركوا إعداد العدة، وتحصيلها قبل وقت الجهاد كما يستعد لذلك المؤمنون، فمعنى هذا الكلام: أنهم لم يريدوا الخروج أصلا، وإلا استعدوا للغزو. (فتح القدير: 2/522 ط. دار الوفاء)

“যদি তারা যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা করতো তবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতো। অর্থাৎ তারা যে দাবী করে যে, আপনার সাথে যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা তাদের ছিল, কিন্তু তাদের নিকট যুদ্ধে যাওয়ার প্রয়োজনীয় আসবাব ছিল না,- যদি তারা তাদের এই দাবীতে সত্যবাদী হতো তাহলে যুদ্ধের সময় আসার পূর্বেই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতো, যেমনিভাবে মুমিনরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। সুতরাং এ বাক্যের অর্থ হলো, তাদের যুদ্ধে যাওয়ার কোন ইচ্ছাই ছিলো না। নতুবা তারা প্রস্তুতিগ্রহণ করতো। -ফাতহুল কাদীর, ২/৫২২

সুনানে নাসায়ীর হাদিসে এসেছে, মানুষ যখন জিহাদে যাওয়ার ইচ্ছা করে তখন শয়তান তাকে নানা কুমন্ত্রণা দিতে থাকে। শয়তান বলে, তুমি জিহাদে যাবে? এতে তোমার কত কষ্ট হবে, তোমার ধনসম্পদ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তুমি যুদ্ধে নিহত হবে তখন তোমার (প্রাণপ্রিয়) স্ত্রীকে অন্য কেউ বিয়ে করবে, তোমার (কষ্টার্জিত) ধনসম্পদ অন্যরা ভাগাভাগি করে নিয়ে যাবে। -সুনানে নাসায়ী, ৩১৩৪

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে জিহাদের পথে অবিচল রাখুন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ হাদিসের উপর আমল করার তাওফিক দান করুন,

فإذا لقيتموهم فاصبروا، واعلموا أن الجنة تحت ظلال السيوف
“কাফেরদের সাথে তোমাদের মোকাবেলা হলে অবিচল থেকে (যুদ্ধ করো)। আর জেনে রাখো, জান্নাত তো তরবারীর ছায়াতলেই।” -সহিহ বুখারী, ২৯৬৬ সহিহ মুসলিম, ১৭৪২


رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ
رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

আজ এখানেই শেষ করছি, আগামীতে ইনশাআল্লাহ সহিহ হাদিসের আলোকে ইমাম মাহদীর রাজত্বকাল এবং তার রাজত্বকালে মুসলমানদের বিজয়, সমৃদ্ধি ও প্রাচূর্য এবং অন্যান্য বিবরণ তুলে ধরবো ইনশাআল্লাহ।


ইমাম মাহদী নিয়ে গবেষণামূলক একটি সাইট হচ্ছে
https://blackflagseriesinbangla.wordpress.com/

আলী ইবনুল মাদীনী
01-16-2020, 06:08 AM
ভাই!লেখাগুলো আনেক সুন্দর হয়েছে ৷ তবে মাঝে মাঝে দাড়ি,কমা ইত্যাদি দিলে বুঝতে সহজ হত ৷