PDA

View Full Version : ইমাম মাহদীর আগমন ২০১৯ থেকে ২০২৪ মধ্যেই হতে পারে !!



Ahmad Faruq M
10-07-2017, 01:58 AM
-------------------------

Ahmad Faruq M
10-07-2017, 02:01 AM
-----------------------

khalid bin walid
10-07-2017, 07:09 AM
------------------------

আবু মুহাম্মাদ
10-07-2017, 12:39 PM
কাজী ইবরাহীম এই খানে সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ন লেচতার দিয়েছে।

আফওয়ান, উনি এখানে সুন্দর লেকচার দেন নি। বরং সৌদি ও ন্যাট্যো বাহিনীকে ইমাম মাহদীর বাহিনী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

কালো পতাকা
10-07-2017, 06:29 PM
এ সব শায়ক দের যদি জিহাদের কথা বলেন তাহলে বলবে জিহাদ করতে হলে শেখ হাসিনার অনুমতি লাগবে কাজী ইব্রাহীম সহ সমস্ত আহলে হাদীস ও সালাফী আলেমদের ভূল এুটি গুলৈা পাবেন এই লিংকে
সংশয় নিরসন
আকিদা ও জিহাদ সংক্রান্ত সংশয় নিরসন
https://www.youtube.com/channel/UCXm...qWEmzalnYk4pPg
এদর লেকচার গুলো ফোরামে না দেওয়াটাই উওম

কালো পতাকা
10-07-2017, 06:32 PM
এ সব শায়ক দের যদি জিহাদের কথা বলেন তাহলে বলবে জিহাদ করতে হলে শেখ হাসিনার অনুমতি লাগবে কাজী ইব্রাহীম সহ সমস্ত আহলে হাদীস ও সালাফী আলেমদের ভূল এুটি গুলৈা পাবেন এই লিংকে
সংশয় নিরসন
আকিদা ও জিহাদ সংক্রান্ত সংশয় নিরসন
https://www.youtube.com/channel/UCXmGXjCzlqWEmzalnYk4pPg
facebook.com/ClarificationOfTheDoubts

এদর লেকচার গুলো ফোরামে না দেওয়াটাই উওম

Khalid Islambuli
10-07-2017, 08:15 PM
কাজী ইব্রাহিম সাহেহব গর্ব ভরে বলেন যে তিনি সালমানের কাছে গিয়ে বলেছেন - আপনি এগিয়ে যান (ইয়েমেনের যুদ্ধের ব্যাপারে) আমরা আপনার সাথে আছি।

উনি আনুগত্যপন্থিদের মানহাজের অনুসরণ করেন। ফিতানের আলোচনা খুব সহজে মানুষকে প্রভাবিত করে। তাই অনেকে ফিতান নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু এই ভূখণ্ডের ফিতনা নিয়ে, সবচেয়ে বড় ফিতনা শিরক নিয়ে তাদের বলতে দেখা যায় না।

Ahmad Faruq M
10-08-2017, 03:32 AM
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান
ভাই, উনার ব্যাপারে পরিস্কার করে দেওয়া জন্যে। তবে এমটা হতে পারে কিনা যে, উনি ২০১৭ সালে পরিবর্তন হয়েছেন আকিদা মানহজের দিক থেকে ? কারন উনি ইদানিং এই আলোচনা গুলো বেশি করছেন। আল্লাহু আ'লাম।

abu mumtahina
10-08-2017, 07:09 AM
ভাই তিনি কোন লেকচারে বলেছেন যে "সৌদি ও ন্যাট্যো বাহিনীকে ইমাম মাহদীর বাহিনী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।" ? আমি তো লেকচারটা কয়েকবার শুনেছি। কোন লিংক আসে কি? জানালে উপক্রিত হতাম।

khalid-hindustani
10-08-2017, 08:55 AM
ভাই একদম শুরুতে যে তার যে কয়টি ভিডিও লীঙ্ক দেয়া হয়েছিলো তার সবগুলোই আমি ডাউনলোড করে রেখেছি।
এই লেকচারগুলোর সবগুলো এখনো শুনতে পারিনি। ৩/৪ টা শুনেছি। তাতে আমার মনে হয়েছে যে উনি ইমাম মাহদি আ: যে এসে একদল রেডি মুজাহিদের নেতৃত্ব দিবেন সেই বিষয়গুলো আলোচনায় হয়তো আনেন নি।

তবে সবগুলো লেকচারের লিঙ্ক টেক্সট কেটে দেয়াটা মনে হয় ঠিক হলো না। যেমন এই উম্মতের বয়স ১০০০+৫০০ সামথিং হাদিস সম্বলিত যে লেকচারটি ছিলো সেটা বাকি ৪৮/৫০ বছরের জন্য অনেক বড় একটি দলিল
এবং যাকে স্বপ্নে দেখানো হয়েছে হাফেজ্জি হুজুর তাকে বলেছেন ২০১৯ এ ইমাম আল মাহদী (আ:) এর বয়স ১৯ হবে এই লেকচারের লিঙ্কটিও রাখা দরকার ছিলো মনে হয়।

কারণ বিভ্রান্ত ব্যক্তিদের সঠিক কথাগুলোতে আমরা শুনতে পারি। সবলেকচারের লিঙ্ক ডিলেট না করে দিয়ে বরং ভিডিওর অংশ বিশেষ কেটে গুরুত্বপূর্ণ যেটুকু সকল ভাইয়ের দেখার উপযুক্ত/ জরুরী সেটা ফোরামে দেয়া যেতে পারে।

আমি আরো ভেবে ছিলাম এই পোস্টে কমেন্ট শাহ নেয়ামত উল্লাহ রহ ভবিষ্যতবাণি. দাজ্জাল ও বালকের ভিডিও (যেটা ইসাবা মিডিয় বাংলা পরিবেশনা করেছিলো) এবং এই সংক্রান্ত হাদীসগুলো কোনটার ক্ষেত্রে কতটুকু পাক্ষিক/সাংঘর্ষিক এই সবগুলো মিলিয়ে এনালাইসিসের মতো একটা পোস্ট হিসেবে এটাকে রেডি করা যাবে।

khalid-hindustani
10-08-2017, 08:59 AM
-------------------------------

khalid-hindustani
10-08-2017, 09:04 AM
------------------------------------------

khalid-hindustani
10-08-2017, 09:34 AM
-------------------------------------------

Khalid Islambuli
10-08-2017, 09:21 PM
সম্মানিত ভাই এধরনের ভবিষ্যতবাণী কোন নিশ্চিত জ্ঞান দেয় না। আর না-ইবা এর মাধ্যমে সঠিক পথ খুজে পাবার নিশ্চয়তা পাওয়া সম্ভব। এটা সত্য যে এধরনের বিষয়াদি খুব সহজে মানুষের মনোযোগ আকর্ষন করে, এবং উদ্বুদ্ধ করে। তবে যারা এগুলোকে বেশি প্রাধান্য দেয় তাদের মধ্যে স্পষ্ট বিধানের বদলে অস্পষ্ট ঘটনাবলীর নানা ধরনের বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাস্তবতা বুঝার প্রবণতা কাজ করে। যা তাদেরকে ভুল পথে নিয়ে যায়। বাগদাদি জামাত এটার উৎকৃষ্ট উদাহরন। ইমরান নজর হোসেন - এর সমর্থকরাও। আমরা জিহাদের কাফেলার সদস্য হতে চাই কারন এটা ফরজ ইবাদত। মাহদি আজকে থেকে ৫০০ বছর পর আসলেও এ সত্য বদলাবে না। শাহ নেয়ামতউল্লাহর কাসিদা ভুল হলেও এটা বদলাবে না। স্পষ্ট জিনিস ফেলে অস্পষ্টের অনুসরণ করা উচিৎ না। বিশেষ করে এই কাসিদাট। কারন ইলহাম, কাশফ এবং এই কাসিদার সনদ ও মতনের ব্যাপারে নিশ্চিত হবার কোন সুযোগ আমাদের নাই। কিন্তু সুরা আনফাল, সুরা তাওবাদ, সুরা নিসার আয়াতগুলো আমাদের জন্য পরিস্কার। ইনা-র হাদিস আমাদের জন্য পরিস্কার।

মানুষকে এই কাসিদা দেখিয়ে উদ্বুদ্ধ করলে তাকে অবশ্যই একইসাথে ফরজিয়াতের সঠিক বুঝ দেওয়া উচিৎ। মাহদির অপেক্ষা বা গাযওয়া এ হিন্দ আসন্ন - এটা জানা কোন কাজে আসবে না, যদি জেনে বুঝে আমি হাত গুটিয়ে বসে থাকি। আর বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এটাই হয়। এধরনের ভবিষ্যৎবাণী কেন্দ্রিক দাওয়াহ মানুষকে সক্রিয় করে না।

আল্লাহ আমাদের উত্তম পথ ও পদ্ধতি গ্রহনের তৌফিক দান করুন।

khalid-hindustani
10-09-2017, 06:58 AM
সম্মানিত ভাই এধরনের ভবিষ্যতবাণী কোন নিশ্চিত জ্ঞান দেয় না। আর না-ইবা এর মাধ্যমে সঠিক পথ খুজে পাবার নিশ্চয়তা পাওয়া সম্ভব। এটা সত্য যে এধরনের বিষয়াদি খুব সহজে মানুষের মনোযোগ আকর্ষন করে, এবং উদ্বুদ্ধ করে। তবে যারা এগুলোকে বেশি প্রাধান্য দেয় তাদের মধ্যে স্পষ্ট বিধানের বদলে অস্পষ্ট ঘটনাবলীর নানা ধরনের বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাস্তবতা বুঝার প্রবণতা কাজ করে। যা তাদেরকে ভুল পথে নিয়ে যায়। বাগদাদি জামাত এটার উৎকৃষ্ট উদাহরন। ইমরান নজর হোসেন - এর সমর্থকরাও। আমরা জিহাদের কাফেলার সদস্য হতে চাই কারন এটা ফরজ ইবাদত। মাহদি আজকে থেকে ৫০০ বছর পর আসলেও এ সত্য বদলাবে না। শাহ নেয়ামতউল্লাহর কাসিদা ভুল হলেও এটা বদলাবে না। স্পষ্ট জিনিস ফেলে অস্পষ্টের অনুসরণ করা উচিৎ না। বিশেষ করে এই কাসিদাট। কারন ইলহাম, কাশফ এবং এই কাসিদার সনদ ও মতনের ব্যাপারে নিশ্চিত হবার কোন সুযোগ আমাদের নাই। কিন্তু সুরা আনফাল, সুরা তাওবাদ, সুরা নিসার আয়াতগুলো আমাদের জন্য পরিস্কার। ইনা-র হাদিস আমাদের জন্য পরিস্কার।

মানুষকে এই কাসিদা দেখিয়ে উদ্বুদ্ধ করলে তাকে অবশ্যই একইসাথে ফরজিয়াতের সঠিক বুঝ দেওয়া উচিৎ। মাহদির অপেক্ষা বা গাযওয়া এ হিন্দ আসন্ন - এটা জানা কোন কাজে আসবে না, যদি জেনে বুঝে আমি হাত গুটিয়ে বসে থাকি। আর বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এটাই হয়। এধরনের ভবিষ্যৎবাণী কেন্দ্রিক দাওয়াহ মানুষকে সক্রিয় করে না।

আল্লাহ আমাদের উত্তম পথ ও পদ্ধতি গ্রহনের তৌফিক দান করুন।

আপনার কথার বাস্তবতা কিছু বুঝতে পারছি। আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে সঠিকভাবে অবিচল রাখুন।

বাংলার উসামা
10-09-2017, 11:00 AM
কাজী ইব্রাহিম সাহেব জুলম জিহাদ বললেন , অথচ আন্তর্জাতিক মুজাহিদীনদের চোখে দেখেন না -

khalid-hindustani
10-09-2017, 12:59 PM
সহিহ হাদীস যাচাই প্রয়োজন এবং ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

১৫০০ হিজরীর পর আর মুসলিমদের পৃথিবীতে থাকার কথা নয়।
এর হাদীস সহীহ কিনা তা যাচাই করতে হবে।

[উল্লেখ্য ফোরামে ইমাম মাহদীর আগমন ২০১৯ থেকে ২০২৪ মধ্যেই হতে পারে !! (https://82.221.139.217/showthread.php?7929-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A 6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%AA-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A 6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%21%21) শির্ষক পোস্টে কাজী ইব্রাহীম সাহেবের কয়েকটি ভিডিও লেকচার লিঙ্ক দেয়া হয়েছিলো যেখানে একটি স্বপ্নের কথা উল্লেখ করা হয়েছিলো যে, তার ছোটো ভাইয়ের বন্ধুকে স্বপ্ন দেখানো হয়েছে হাফেজ্জী হুজুর তাকে বলছে ২০১৯ সালে ইমাম আল মাহদীর বয়স ৪০ হবে।
১) যেহেতু এটা স্বপ্ন তাই ভাইদের পরামর্শ এটাকে আমি চিন্তার বিষয় হিসেবে পরিহার করলাম।
২) নাম্বারে শাহ নেয়ামতুল্লাহ (রহ.)-এর কাশফ ও ইলহাম’র মাধ্যমে প্রাপ্ত ভবিষৎবাণী ! (http://markajomar.com/?p=1769) এটি কমে্ট করে আবার কেটে দিলাম ভাইদের পরামর্শে যেহেতু এটি একটি ভবিষতবানীমূলক কবিতা এবং কুরআন হাদীসের ন্যায় স্ট্রং-স্পষ্ট কোনো দলিল নয় তাই।
৩) দাজ্জাল ও বালকের (https://www.youtube.com/watch?v=rFy2F5XoPBc) ভিডিওটিও চিন্তার বিষয় হিসেবে পরিহার করলাম যেহেতু এটিই সত্যি ঘটনা কিনা তা আমরা শিউর না এবং এটা যাচাই করাও আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

কিন্তু

৪) ডা. কাজী ইব্রাহীমে যে কয়টি লেকচার ইমাম মাহদীর আগমন ২০১৯ থেকে ২০২৪ মধ্যেই হতে পারে !! (https://82.221.139.217/showthread.php?7929-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A 6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%AA-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A 6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%21%21) এই পোস্টের শুরুতে দেয়া হয়েছিলো তার মাঝে উনি একটি লেকচারে দুটি হাদিসের সহীহ রেফারেন্স দিয়ে উম্মতের হায়াত ১৫০০ বছর বলছেন। সেই হিসেবে আর বাকি ৪৯ বছরের মাঝে ইমাম মাহদী আ. ও ঈসা আ. এর বিষয়গুলো ঘটে যাবে বলে উনি উল্লেখ করতেছেন। আমি উপরে ০৩ টি বিষয়কে বাদ দিলেও এটাকে সহজে বাদ দিতে পারছি না। কারণ হাদিস সহীহ কিনা এটা যাচাই ও এর ব্যাখ্যা আলেমদের থেকে না জেনে বিষয়টাকে ছেড়ে দেয়া আমি ভুল বলেই মনে করছি। বক্তব্য কাজী ইব্রাহীম আর যেই দিয়ে থাক না কেনো।

আমি শুধু দয়া করে আলমদের থেকে এই হাদীসগুলোর ব্যাখ্যা ও হাদীস সহিহ কিনা তা জানতে চাই।
এটা এজন্যও জরুরী যে, তিনি মানুষকে আবার সহীহ হাদিসের নামে বিভ্রান্ত করতেছেন কিনা সেটাও আমাদের ক্লিয়ার হওয়া প্রয়োজন রয়েছে উম্মাহর স্বার্থেই।

আমি আশা করবো আলেম ভাইদের মধ্যে থেকে কেউ নিরপেক্ষভাবে ঠান্ডা মাথায় সময় নিয়ে আমাকে সবিস্তারে লিখিত উত্তর জানাবেন।

নিচে ডা. কাজী ইব্রাহীমের ঐ লেকচারের একটি অংশ বিশেষ আমার উত্তর পাওয়ার সুবিধার্থে উল্লেখ করে দেয়া হলো।]
-------------------------------------------------------
ইবনে আব্বাস থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে
ইবন আব্বাস বলেছেন-
আদ দুনইয়া সাবআতু আইয়ামিন
দুনিয়ার বয়স সাত দিন। মানব জাতির পৃথিবীতে বয়স ০৭ দিন। ১দিন সমান সমান ১০০০ বছর। কারণ (ওয়া ইন্না ইওয়ামিল ইনদা রব্বিকা কা আলফি সানাতিম মিমমা তাউদদুন) তোমার রবের কাছে একদিন তোমাদের গণনার ১০০০ বছরের সমান।
তো দুনিয়ার ইবনে আব্বাসের কথামতে ০৭ দিন। ০৭ দিনের প্রতিদিন ১০০০ বছর।
(ওয়া হুয়া ... সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা ফী আখিরিহা ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই ৭ দিন অর্থাত ৭ হাজার বতসরের শেষ সহস্রে পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছেন।
শেষ দিনে পৃথিবীতে এসেছেন। একজন সাহাবী স্বপ্নে দেখেছেন, যদিও সেই হাদীসটি যয়ীফ, কিন্তু ইবনে আব্বাসের এই বক্তব্যটি সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে। ইবনে আব্বাস থেকে
এক সাহাবী বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ, আমি হঠাত আপনাকে দেখলাম একটি মিম্বরের উপরে, (....... দারাজাত,) মিম্বরে সাতটি সিড়ি আছে। সাতটি স্টেপ আছে সেখানে। (ওয়া আনতা ফী আলা হা দারাজা ) আপনী সেই সাতটির সর্বোচ্চটার উপরে দাড়িয়ে আছেন। নবী (সা.) এর তাবীল করলেন যে, দুনিয়া ৭০০০ বছর। আমি শেষ হাজারের মধ্যে পৃথিবীতে এসেছি।
এই হাদীসের সনদে দুর্বলতা থাকলেও ইবনে আব্বাসের থেকে বর্ণিত যে বক্তব্য যে, দুনিয়া ৭০০০ বছর অর্থাত মানব জাতির এখানে ৭০০০ বছর বয়স এই বক্তব্যটি একেবারে সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে। এর মধ্যে কোনো দুর্বলতা নেই।
তাহলে এখানে ১০০০ এর মতো বয়স পেলাম। আবার আর একটি বর্ণনায় এসেছে হাসান সেটি হাসান সনদে বর্ণিত। সেখানে নবী (সা.) বলেছেন।
(ইন্নি লা আরজু আল্লা তাজিযা উম্মাতি ইনদা রব্বিহা আনি ওয়াখখিরাহুম নিসফি ইওয়ামিন) আমি আশা করি আমার উম্মত তাদের রবের কাছে অর্ধদিবস পেতে তারা অক্ষম হয়ে যাবে না। ( ......... ওয়া মা নিসফি যালিকাল ইয়াওম), সাদ ইবনে আবী ওয়াক্কাসকে প্রশ্ন করা হলো যে, ঐ অর্ধ দিবসের পরিমাণ কত? তিনি বললেন (খামসুন ইয়াতাসানতীন) ৫০০ বছর।
তাহলে নবীজি এসেছেন এক-সপ্তসহশ্রে, একহাজারের মেয়াদ নিয়ে এসেছেন আর বাকি ৫০০ বছর
বাড়তি এই উম্মতকে দেয়া হলো। বোনাস, মোট ১৫০০ বছর, এই উম্মতের মোট বয়স হবে। ১৫০০ বছরের মধ্যে তারা পৃথিবী থেকে চলে যাবে বলে এই দুটো হাদীস বক্তব্য দিচ্ছে।
সহীহ বুখারির (ইন্নামা বাকাউকুম ফীমা.. সানাবা কুবলাকুম মিনাল উমাম কামা বাইনা সালাতিল আসরি ইলা গুরুবি শামস)
৫-৬ বার এই হাদীসটি সহীহ বুখারীতে এসেছে যে, তোমাদের পৃথিবীতে অবস্থান ইহুদী-খৃস্টানদের তুলনায় সেটা হবে আসর থেকে মাগরীব। তো ইহুদী জাতি ছিলো ফজর থেকে যোহর পর্যন্ত, সেখানে ছিলো ১৫০০ বছর। অর্ধদিবস পর্যন্ত তারা ছিলো ১৫০০ বছর। তাহলে বাকি অর্ধ দিবসেও ১৫০০ বছর থাকবে । এই অর্ধ দিবসের ১৫০০ বছরের মধ্যে ১০০০ বছর আমরা নিয়েছি বাকি ৫০০ বছর কিছু সামথিং এটা খৃস্টানরা নিয়েছে। ১০০০ আমাদের ভাগে পড়েছে। সহীহ বুখারীতে বর্ণিত এই হাদীস থেকেও এই উম্মতের টুটাল হায়াতের একটি ধারণা স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়।
টুটাল ১৫০০ বছর। ৫০০ বছর বোনাস যেহেতু দিয়েছে। তো ১৫০০ বছর তাহলে যদি হয় তাহলে এই হিজরী শতাব্দি হলো এই উম্মতের শেষ শতাব্দী। পৃথিবীর শেষ শতাব্দী না।
পৃথিবীর ধ্বংস আরো পড়ে হবে। কাফেরদের উপরে হবে। ..... আকাশ ভেঙে পড়ে। গ্রহ-নক্ষত্র খসে পড়বে। সাগর-মহাসাগর একাকার হয়ে প্রবাহিত হয়ে যাবে গোটা বিশ্বে। আগুন ধরে যাবে। (ওয়া ইযাল বিহারু সুজ্জিলাত) পৃথিবীতে সাগরের বুকে আগুন ধরে যাবে গোটা পৃথিবী জুড়ে।
এই ভয়াবহ বিপর্যয় গুলো আল্লাহ মুমিনদেরকে ভোগাবেন না। মুমিনরা আল্লাহর প্রিয় বান্দা। এই প্রিয় বান্দারা একজন থাকলেও আল্লাহ এই বিপর্যয় ঘটাবেন না। এটা কাফেরদের উপরে বয়ে যাবে। সেটা নিয়ে আমাদের চিন্তা করার বিষয় নয়। আমাদের চিন্তা এই শতাব্দি নিয়ে।
এই শতাব্দী মুসলিম উম্মাহর, মুসলিম জাহানের সেই.../...শেষ শতাব্দি। এর মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই। কোনো সন্দেহ নেই। এই হাদীসগুলো থেকে যেটা বুঝা যায়।
এখন হয়তো ২/৪ বছরের কিছু বেশকম হতে পারে। যদি হিসাবে আমাদের কিছু বেশ-কম হয়। কিন্তু ১০০০ বছর আর ৫০০ বছরের ২টি বর্ণনা দুটি সহীহ গ্রহণযোগ্য।
তো ১৫০০ বছর যদি এই উম্মতের হায়াত হয় ১৪৫১ বছর চলে গেছে, আরো ৪৯ বছর। সেই ৪৯ বছরের মধ্যে ৪০ বছর ঈসা (আ.) এর হুকুমত, বিশ্ব শাসন তিনি করবেন। আর ৭ থেকে ৯ বছর ইমাম মাহদি (আ.) বিশ্ব শাসন করবেন।
তাহলে যদি ৭ বছর হয়, তাহলে ৪৭ আগামী ২ বছরের মধ্যে ইমাম মাহদী আসতে হয়। যদি ৯ বছর ধরি তাহলে তো একেবারে ইমিডিয়েট চলে আসতে হয়। ওয়াল্লাহু আলাম। আগামী ১/২ বছরের মধ্যে ২০১৮/২০১৯ বা এর কাছাকাছি ২/৪ টা বছরের মধ্যেই এই সব দৃশ্য আমাদের সামনে চলে আসবে এটা আমাদের জোরালো ধারণা। ইলমে তাকরিবী, ইলমে তাহদিদী না।
অনেকে সমালোচনা করেন যে সুনির্ধারিত ভাবে কিভাবে বলেন। না, সুনির্ধারিত আমরা বলছি না যে এই সময়েই ঘটবে। ঘটতে পারে, আল্লাহু আ’লাম। ঘটতে পারে, ঘটার জোরালো সম্ভাবনা আছে। দলিল প্রমাণগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কিন্তু সুনির্ধারিত দিন-তারিখ, গায়েবের কোনো বিষয়ে আমরা কেউ বলতে পারি না। হ্যা, কিন্তু ইলমে তাকরিবি তো আল্লাহ দিয়েছেন। (লা আল্লাস সা আতা তাকুনু করিবা)

Ahmad Faruq M
10-10-2017, 11:34 AM
ভাই, এই ব্যাপারে নিচের ফাতওয়া টা দেখতে পারেন । নিচে আরবী লিঙ্ক ও দেওয়া আছে।

Falseness of the reports narrated concerning how long this world will last

I heard that some scholars said that the Day of Resurrection would happen before the year 1500 AH, and they quoted some ahaadeeth of the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) as evidence. Is this view correct?.
Published Date: 2011-03-26
Praise be to Allaah.

The view referred to in the question was suggested by al-Suyooti (may Allah have mercy on him) in his book al-Haawi, 2/249-256, in which he said that this world would last for seven thousand years and that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) was sent at the end of the sixth millennium.

The end of the sixth millennium means half way through it. Based on that the lifespan of this ummah is more than one thousand years and less than 1500 years.

He said: “The period cannot be fifteen hundred years at all.”

I.e., the period must be less than fifteen hundred years.

Then he mentioned the ahaadeeth and reports which he quoted as evidence to support that, some of which are Israa’eeliyyaat (reports from Jewish sources) which cannot be taken as evidence, and some of the rest are da’eef (weak), and the scholars ruled that they are lies and fabrications (mawdoo’).

The evidence that this view is false includes the following:

1 – If this view were correct, then everyone would know when the Hour is to begin. This goes against what is mentioned in the verses of the Qur’aan and the ahaadeeth of the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) which definitely state that the time of the Hour is known to no one except Allaah. Allaah says (interpretation of the meaning):

“People ask you concerning the Hour, say: ‘The knowledge of it is with Allaah only. What do you know? It may be that the Hour is near!’”

[al-Ahzaab 33:63]

Ibn Katheer said (6/527):

Here Allaah tells His Messenger (peace and blessings of Allaah be upon him) that he has no knowledge of the Hour and that if people ask him about that, he should refer the matter to Allaah (i.e., say that only Allaah knows that).

Al-Shanqeeti said (6/604):

It is known that innama (translated here as “only”) conveys the meaning of exclusivity, so what the verse means is that the Hour is known only to Allaah alone.

And Allaah says (interpretation of the meaning):

“They ask you (O Muhammad) about the Hour — when will be its appointed time?

You have no knowledge to say anything about it.

To your Lord belongs (the knowledge of) the term thereof?

You (O Muhammad) are only a warner for those who fear it”

[al-Naazi’aat 79:42-45]

Ibn Katheer (4/736) said:

i.e., knowledge of that is not given to you or to anyone else in creation, rather the matter is to be referred to Allaah, for He is the One Who knows exactly when it will happen.

Al-Sa’di said: Because knowledge of the Hour serves no religious or worldly purpose of people, rather their interests lie in its being hidden from them, the knowledge of that has been concealed from all of creation and Allaah has kept that knowledge to Himself. He says (interpretation of the meaning):

“To your Lord belongs (the knowledge of) the term thereof?”

[al-Naaz’iaat 79:44]

The ahaadeeth which indicate that the time of the Hour is known only to Allaah include the famous hadeeth of Jibreel in which it says that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said to Jibreel, when he asked him about the Hour: “The one who is asked about it does not know more than the one who is asking.” Narrated by Muslim, 8.

2 – These reports which al-Suyooti (may Allaah have mercy on him) quoted as evidence were classed as da’eef (weak) by the scholars, and indeed they ruled that they were lies.

Ibn al-Qayyim said in al-Manaar al-Muneef (1/80), where he mentions the ways in which a hadeeth may be known to be mawdoo’:

“(one of these ways is): if the hadeeth goes against the clear meaning of the Qur’aan, such as the hadeeth which says that this world will last for seven thousand years and that we are now in the seventh millenium. This is one of the most obvious of lies. Because if it were correct then everyone would know that there was only two hundred and fifty-one years left until the Resurrection from our time [i.e., the time of Ibn al-Qayyim]. But Allaah says (interpretation of the meaning):

“They ask you about the Hour (Day of Resurrection): “When will be its appointed time?” Say: “The knowledge thereof is with my Lord (Alone). None can reveal its time but He. Heavy is its burden through the heavens and the earth. It shall not come upon you except all of a sudden.” They ask you as if you have a good knowledge of it. Say: “The knowledge thereof is with Allaah (Alone)…”

[al-A’raaf 7:187]

Ibn Katheer said in al-Nihaayah fi’l-Fitan wa’l-Malaahim (1/25):

There is no (sound) ahaadeeth in which the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) defined when the Hour would be, rather he mentioned some of its portents and signs.

He also said (2/28):

With regard to the statements in the books of the Israa’eeliyyeen and the People of the Book which suggest that this world will last for a certain number of millennia, more than one of the scholars have stated that these are mistaken, and it comes as no surprise that they were mistaken. There is a hadeeth which says, “This world is one of the weeks of the Hereafter” but its isnaad is not saheeh either. The same applies to every hadeeth which states a specific time for the Day of Resurrection – none of their isnaads can be proven.

Al-Sakhaawi said in al-Maqaasid al-Hasanah (p. 444):

Everything that has been narrated describing a specific time for the Day of Resurrection either has no basis at all or its isnaad cannot be proven.

3 – What al-Suyooti himself said indicates that this view is false.

He mentions that the Mahdi will appear after twelve hundred years, but fourteen hundred years have passed and the Mahdi has not appeared yet.

He says that people will remain for one hundred and twenty years after the sun rises from the west, then the Hour will begin. This means that the sun should have been rising from the west for more than twenty years!

He says that the Dajjaal will appear after one hundred years, and the Messiah ‘Eesa ibn Maryam will come down and kill him, and he will remain after that for forty years, but here we are in the last century – according to what he says, and the Dajjaal has not appeared and the Messiah ‘Eesa ibn Maryam has not yet come down.

He says that several of the major signs such as the Dajjaal, the descent of ‘Eesa and the rising of the sun from the west will happen more than two hundred years before the Hour begins.

All of these things indicate that this view is false, and that knowledge of the Hour should be referred to Allaah, and Allaah commands us (interpretation of the meaning):

“People ask you concerning the Hour, say: ‘The knowledge of it is with Allaah only. What do you know? It may be that the Hour is near!’”

[al-Ahzaab 33:63]

And Allaah knows best.

english link-
https://islamqa.info/en/33689

Arabic ink:-
https://islamqa.info/ar/33689

কালো পতাকা
10-11-2017, 11:49 PM
বাংলা ইংরেজী আরবী দলীল ভিওিক আলোচনা তাই পিডিএফ আকারে থাকলে সবাই উপকূত হবেন ইনশাআল্লাহ
ইমাম মাহদীর আগমন ২০১৯ থেকে ২০২৪ মধ্যেই হতে পারে পিডিএফ বই
http://www33.zippyshare.com/v/ZWectWXB/file.html

salahuddin aiubi
10-12-2017, 10:01 AM
আহমাদ ফারুক ভাই যে ফাতওয়ার আরবি লিংকটা দিয়েছেন, তা পড়ে বুঝতে পারলাম যে, এ হাদিস ও তার ব্যাখ্যা নিয়ে বহু আগেই বিতর্ক হয়েছে এবং মুহাক্কিক উলামায়ে কেরাম এটাকে বাতিল বলেছেন।

আসলে আমি যখন এটা শুনেছি, তখন মনে অনেক দ্বিধা-দ্বন্ধ সৃষ্টি হয়েছিল। আমি এই চিন্তা করছিলাম যে, এই হাদিসটার বিষয়ে কি পূর্ববর্তী উলামাদের কোন বক্তব্য নেই? তারা হাদিসের কিতাবের শরাহ করার ক্ষেত্রে এই হাদিসের কি ব্যাখ্যা করেছেন, বা এর ব্যাপারে কি বলেছেন? আমি চিন্তা করেছিলাম, হাদিসটার শব্দ দিয় সার্চ দিলেই তো শামেলায় পেয়ে যাবো। কিন্তু পরে বিষয়টা মন থেকে হারিয়ে গিয়েছে। আলহামদু লিল্লাহ, এখন আহমাদ ফারুক ভাইয়ের ফাতওয়াটা পেয়ে মনটা প্রশান্ত হল।

আল্লাহ ভাইকে উত্তম জাযা দান করুন

khalid-hindustani
10-12-2017, 11:05 AM
ভাই এ পর্যন্ত যতটুকু দেখতে পেলাম ইংলিশ ও আরবী। বাংলা মূলত বুঝতে আমার জন্য বেশি সহজ।
তারপরও ইংলিশ পরে যতটুকু বুঝতে পারলাম যে তাতে বলা হয়েছে, কিয়ামতের নির্দিষ্ট সময় আল্লাহই ভালো জানেন। এবং বলা হয়েছে যে সংক্রান্ত বিষয়ে যে সকল কথাবার্তা রয়েছে তা বহু পূর্বে থেকেই ভুল প্রমাণিত হয়ে এসেছে। একমাত্র আল্লাহই ভালৌ জানেন কখন ইমাম মাহদী ও ঈসা আ. আসবেন। আর কেউ না।
এবং এখানে আরো উল্লেখ করা হয়েছে এই ১৫০০ বছরের সংক্রান্ত হাদীসগুলো দুর্বল। আমি ইংরেজী পড়ে যতটুকু বুঝেছি।

কিন্তু এখানে এতটুকুই যথেষ্ট নয় বলেই মনে হয়। বরং এটা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন যে, এই হাদীসগুলোকে কেনো সহীহ বা কিসের ভিত্তিতে যয়ীফ বলা হচ্ছে। দুনো পক্ষের বক্তব্যই আমাদের শুনে দেখা প্রয়োজন।

এজন্য আলেমদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যেনো তারা আমাদর নিকট স্পষ্ট করে দেন যে এটার সহীহ হওয়ার ভিত্তি কি, অথবা এই হাদীস দুটো ঠিক কোন পয়েন্টে যয়ীফ। (মানে এগুলৌ কি যয়ীফ হাদিসে লিপিবদ্ধ / কোনো রাবীর সমস্যা / ইত্যাদী ইত্যাদি আরো যত কারণ থাকতে পারে)।

তাহলে আমাদের নিকট একদম দিনের আলোর মত ক্লিয়ার হয় যে, আসলেই কি এই হাদীসদুটো সহহী বা যয়ীফ । এবং এটাও ক্লিয়ার হয় যে দুর্বল হাদীস/মওযু হাদীসকে আবার সহীহ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছি কিনা।

উপরের ইংলিশ আলোচনায় আমি শুধু সারমর্ম বুঝতে পেরেছি। কিন্তু হাদীসদুটো ঠিক কোন পয়েন্ট দুর্বল/ মাওযু হবে সেটা ক্লিয়ার নয়।

সোজা স্পষ্ট কথায় বললে দাড়ায়। যদি বলা হয় যে এই দলিলে ঠিক নেই। আমি মানতে রাজী। আমি শুধু জানতে চাচ্ছি যে এই দলিলের ঠিক কোন জায়গায় ভুল। একটু স্পষ্ট আকারে ডিটেইলস ভাবে আলেমদের নিকট থেকে।

কালো পতাকা
11-17-2017, 06:05 PM
সৈাদী তাগুত বাদশার সমর্থন কারী আলেমের কথা গুলো আমাকে অবাক করে তখন উনার লেকচার টা আমি নোট করি উনার লেকচার লিখে ফোরামে প্রকাশ করলাম মডারেট ভাইদের প্রতি অনুরোধ রইল এই লিখা টুকু ডিলেট করবেন না শুধুমাএ গবেষণার জন্য অংশটুকু রেখে দিবেন
উনি যা বলেন তা হলো-
আখিরতের একদিন দুনিয়ার এক হাজার বছরের সমান কুল্লু ইওমিদিন আলফি সানাতিন ৭ দিনের একদিন এক হাজার বছরের সমান তা হলে মানুষ পূথিবীতে খাকবে ৭ হাজার বছর নবী (সা কে পাঠানো হয়েছে শেষ সহস্রে মধ্যে অথ্যাৎ নবীজী ১ হাজার বছর হায়াত নিয়ে এসেছেন । প্রত্যেক মানুষের ব্যাক্তিগত একটা হায়াত আছে । ঠিক তেমনি পূথিবীর একটা হাযাত আছে সহীহ বুখারী তে একটা হাদীস ৫-৬ বার আসছে এই হাদীসে বলা হয়েছে তোমাদের আগে যে ইহুদী খ্রিস্টান জাতী চলে গেছে তাদের তুলনায় তোমরা পূথিবীতে এসেছ আসর থেকে মাগরিব টাইম সময পর্যন্ত। ইহুদীদের তাওরাত দেওয়া হয়েছে তারা ফজর থেকে জোহর পর্যন্ত আমল করার সুযোগ পেয়েছে তারা মোট এক ক্বিরাত পাবে এক ক্বিরাত হচ্চে উহুদ পাহাড় সমান । ইহুদীরা জোহর পর্যন্ত সময় পেয়েছে বলে আমরা সেই সময় টা পাব না তারপর ইনজীল উলারাদেরকে ইনজীল দেওয়া হয়েছে তারা জোহর থেকে আসর পর্যন্ত সময় পাবে সেই সময় টা তারা আল্লাহর আইন মানত এবং আল্লাহ বিধি-বিধান মেনে চলত তারপর তারা বিদায় নেই।তারাও এক ক্বিরাত এক ক্বিরাত করে পেয়েছে । তারপর আসর টাইমে আমাদের কে কুরআন দেওয়া হয়েছে তাহলে আমরা সময় পাব আসর থেকে মাগরিব।তাহলে দুই ক্বিরাত দুই ক্বিরাত করে আমরা সময পাব ইন. এই তিন জাতী সর্ম্পকে রাসুল সা: এই হাদীস টি একে বারে সহীহ হাদীস টি বুখারীতে ৫/৬ বার এসেছে হাদীসটি বুখারীতে বর্নন করেছেণ।
ইহুদীরা যে ফজর থেকে জোহর থেকে আমল করেছেন তাদের ফজর থেকে জোহর পর্যন্ত টাইম ছিল ২,০০০ থেকে ২,১০০ বছর । ২,১০০ বছর সময় টা ঐতিহাসিক ভাবে প্রমাণিত । তাহলে একটা দিনে অর্র্ধেক যদি
২,১০০ বছর হয় তাহলে বাকী অর্ধেকে তো আরো ২,১০০ বছর হবে। মুসা: এর জান্নাতী এই জাতি ছিল ২,১০০ বছর পরে আসলেন ঈসা: দুনিযাতে আসলেন কথাটি মনোযোগ দিয়ে বুজবেন কারণ বিষযটি খুবই গুরুত্বপূর্ন ও কিযামতের সাথে সমূক্ত তো তাই
কাজী ইব্রাহীম বুখারী ক্লাশ সিস্টেমে মাহফিল টি করেছিল
উনি শ্রোতাদের কিছু প্রশ্ন করেছিল তা হলো
প্রশ্ন: ইহুদীরা দুনিয়াতে কতদিন ছিল
শ্রোতা: ২১০০ বছর
প্রশ্ন: একটা দিনের অর্ধেক ২১০০ বছর হলে বাকী অর্ধেক কত?
শ্রোতা: ২১০০ বছর
বাকী অংধেকের মধ্যে যেহেতু খ্রিস্টান ও মুসলিম জাতি। সালমান ফারসী বর্ণনা করেন যে এটিও সহীহ বুখারীর বর্ণনা যে, ঈসা আ: মহানবী সা: পর্যন্ত সময় ছিল ৬০০ বছর তাহলে দ্বিতীয় অর্ধ দিবস হচ্ছে ২,১০০ বছর এর মধ্যে
কাজী ইব্রাহীম : ২১০০ থেকে ৬০০ বছর বুখারীর বর্ণণা অনুযায়ী নিয়েছে খ্রিস্টানরা ২১০০ থেকে ৬০০ গেলে কত থাকে?
শ্রোতা: ১৫০০ বছর
এই ১৫০০ বছর হচ্চে মুমিনদের হায়াত মুসলিমদের জাতীয় আয়াত তবে কিয়ামত অনেক দূরে কিয়ামত কখন হবে এটা আল্লাহ ছাড়া কেই বলতে পারবে না এটা আল্লাহই ভালো জানে।
সিংঙ্গার ফুৎকার এর আগে মূদু বাতাস প্রেরণ করবেন আল্লাহ তায়ালা ঈসা: আগমনের শেষ সময়ে ঐ বাতাস প্রেরণ করা হবে ঐ বাতাস মুমিনদের বগল তলে অনুভূতি সূষ্টি করবে এতে সকল মুমিন মারা যাবে তখর পূথিবী তে আল্লাহর নাম নেওয়ার মত কেউ থাকবেনা তখন পুথিবী পুনরায় অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়বে ।
আমেরিকা যখন কোনো জায়গা হামলা করলে তাদের লোকদের শরীয়ে নেয় ঠিক তেমনি কিযামত সংঘটিত শুরু হওয়ার পুর্বে আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের সরিয়ে নিবেন
এখন এই উম্মতের টোটাল আয়াত হচ্ছে বুখারী বর্ণনা অনুযায়ী ১৫০০ বছর বুখারী ইবনে আব্বাস বর্নণা অনুযায়ী ১০০০ বছর আর আবু দাউদের সাদ ইবনে ওয়াক্কাস হাদীস অনুসারে ৫০০ বছর বোনাস দিয়েছে এই উম্মত কে
কাজী ইব্রাহীম : তাহলে টোটাল কত?
শ্রোতা: ১৫০০ বছর
অতএব বুঝা যাচ্ছে বুখারী বর্ননা অনুযায়ী,
২১০০ *নিয়েছে ইহুদীরা
বাকী অর্ধেক নিয়েছে মুসলিম আর খ্রিস্টানরা
এর মধ্যে ৬০০ বছর খ্রিস্টান আর ১৫০০ বছর হচ্চে মুসলিমরা
১৫০০ বছরের মধ্যে ১৪৫১ চলে গেছে বর্তমানে ১৪৩৮ হিজরী চলছে এর মধ্যে মাক্কী ১৩ বছর যুগ করলে মোট ১৪৫১ বছর হয তাহলে মুসলিমরা আর ৪৯ বছর পূথিবীতে আছে আল্লাহই ভালো জানেন এট্ মূলত বুখারীর ব্যাখ্যা অনুযায়ী একটা পরিসংখ্যান
কাজী ইব্রাহীম আরো বলেন, ৪৭ বছর মুসলিমর স্বর্ন তবে যুগ পাবে কিয়ামত আরো অনেক দূরে উনি আরো বলেন
২/১ বছরের মধ্যে ইমাম মাহদীর আত্বপ্রকাশ
৭/৮ বছর ইমাম মাহদী রাজত্ব করবে
৪০ বছর ইসা: রাজত্ব করবে
মানে আর সময় নেই
উনি সর্বশেষে বলেন ৪৯ বছর মুমিনদের হাযাত এটা উনার একটা হিসাব বাকী আল্লাহই ভালো জানেন তবে সুনিদিষ্ট ইলম আল্লাহর হাতে
উনি উনার বাবাকে নিয়ে যে কথাটি বলেন তা হলো:-
আমার বাবা আব্দুল গণি(রাহি বলেন যে, পূথিবীতে মুমিনদের হায়াত ১৫০০ হিজরী এর বেশী হবার কথা নয় উনার বাবা বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ আলেম দের হাদীসের ইলম শিক্ষা দেন উনার বাবা হানাফী মাজহাবের বড় আলেম ছিল
বি:দ্র: এই লেখাটি নিয়ে সমালোচনা করার দরকার নেই কারণ আমরা কাজী ইব্রাহীম এর কথা আর শাহ নিয়ামত উল্লাহ এর ভবিষৎ বানী গুলো দেথে রাখব আমাদের মূল দলীল হচ্ছে গাজওয়া হিন্দের হাদীস

khalid-hindustani
11-18-2017, 10:46 AM
হুমম। হাদীসগুলো আসলেই আলেমদের পক্ষ থেকে গবেষণা হওয়া উচিত।
আমি পূরে এই থ্রেডে "আলেমদের সহায়তা চাই। সহিহ হাদীস যাচাই ও তার ব্যাখ্যা প্রয়োজন।" শীর্ষক একটি কমেন্ট করেছিলাম।
কিন্তু এখনো আমি আলেমদের পক্ষ থেকে উত্তরের প্রতীক্ষায় বসে আছি।

আমাদের তো জানা প্রয়োজন ছিলো এই হাদীসগুলোর সঠিকতা যাচাই ও তার ব্যখ্যা কি রকম।

কালো পতাকা
11-18-2017, 11:01 PM
২০২৪ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ
আনোয়ার আওলাকির এই ভিডিও টা দেখুন ইনশাআল্লাহ
ডাওনলোড লিংক:-
https://www.youtube.com/watch?v=BjoYAmAmynI (https://www.youtube.com/watch?v=BjoYAmAmynI)

salahuddin aiubi
11-20-2017, 07:07 AM
আহমাদ আলহিন্দি ভাই থেকে এই বিষয়ে শিকড়সন্ধানী বক্তব্য আশা করছি।