PDA

View Full Version : উম্মাহ ও মুজাহিদিন নিউজ- সোম ও মঙ্গলবার , ২০/২১ নভেম্বর ২০১৭ ইংরেজি,



কালো পতাকা
11-21-2017, 01:34 PM
[FONT=arial]বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম
http://i.cubeupload.com/GNUQDU.png
খোরাসান
[SIZE=6][B]আফগানিস্তানের দুই-তিন দিনে ৭০-এর অধিক মুরতাদ সেনা আহত-নিহত, শত্রুদের হামলায় শিশু,মহিলা ও বৃদ্ধসহ ১০ বেসামরিক নাগরিকের শাহাদাত বরণ

আফগানিস্তানের হেলমান্দের কর্তৃপক্ষ বলেছেন, গত পরশু রাতে মারাজা পুলিশ এডমিনিস্ট্র্যাশন সেন্টারের ভেতরে প্রবেশ করে ইকরামা জাহিদ কান্দাহারি নামের একজন মুজাহিদ শত্রু বাহিনীর উপর গুলিবর্ষণ শুরু করেছিল, এতে ঐ মুজাহিদ শহিদ হওয়ার পূর্বে কতিপয় বন্দুকধারীকে নিহত এবং আহত করেছে। অপারেশন করার জন্য একই প্রদেশের মারজাহ জেলার দারাব চাররাহি এলাকায় পৌঁছা বিদেশী গুরুদের মদদপ্রাপ্ত শত্রুবাহিনী গতপরশু পড়ন্ত বিকেলে মুজাহিদগণের আই ই ডি হামলার কবলে পড়ে। এতে শত্রুদের একটি এপিসি ধ্বংস হয় , ভেতরে থাকা সকল বন্দুকধারী নিহত এবং আহত হয়। শত্রুরা ঐ জেলায় শহিদী হামলা হওয়ার দাবি তুলেছে যা মিথ্যা, কেননা আমরা গতপরশু রাতে ঐ জেলায় কোন শহিদী হামলা করিনি। হেলমান্দের সানজিন জেলার হাজী আমিন আকা শেইলি এলাকায় ৮২-আর্টিলারি গোলাবর্ষণের মাধ্যমে একটি চেকপোস্টের টাওয়ার ধ্বংস করলে কমপক্ষে ২ পুতুলসেনা নিহত হয়েছে বলে জানা যায়।অনুরূপভাবে, শনিবারে ঐ কথিত জেলার খুমারি মানদা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আরো ২ পুতুলসেনা নিহত হয়েছিল।
আরেকটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়,গতকাল সকাল আটটার দিকে ঐ একই জেলার তরি শাহ এলাকায় যথাসময়ের পূর্বেই মুজাহিদগণের একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে ৪ শত্রু সদস্য নিহত হয়। ঐ এলাকায়ই গতকাল ভোরে একটি চেকপোস্টের সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বন্দুকধারী নিহত হয়েছে। গত পরশু রাতে হেলমান্দের কাযাকি জেলার গান্দাম রেজ এলাকায় নিরীহ জনতার কম্পাউন্ডে বোমা হামলা করে বিদেশী শত্রুরা, এতে হতাহত ব্যতীত ধ্বংস হয়ে যায় ৩টি কম্পাউন্ড।একইভাবে, নাওজাদ জেলার বাঘগি এলাকায় গত পরশু স্থানীয় সময় বিকাল ৫টার দিকে বিদেশী শত্রুদের ড্রোন গ্রাম্যলোকের উঠোনকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে, এতে জনগণের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তাছাড়া, পাইলটবিহীন বিমান হামলায় মূসা কালা জেলার কেন্দ্রের নিকটে গত পরশু রাতে ৭ জন বেসামরিক জনতার উঠোন ধ্বংস করা হয়। এতে একটি পরিবারের শিশু, মহিলা এবং বৃ্দ্ধসহ ১০ জন বাসিন্দা শহীদ হয়েছেন (আল্লাহ তাদেরকে কবুল করুন)।
এদিকে হেরাত প্রদেশের শিন্দান্দ জেলা থেকে আসা রিপোর্ট জানিয়েছে যে, গত পরশু রাতে হামলা করার জন্য ঐ জেলার শারা আবাদ এলাকায় পৌঁছা দেশীয় শত্রুদের সাহায্যপ্রাপ্ত বিদেশী শত্রুরা একটি শহিদী হামলার কবলে পড়েছে। এতে ২ বিদেশী, ৩ এএসপি বন্দুকধারী এবং এক অনুবাদক নিহত হয়েছে। হামলাকারী মুজাহিদও শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করেছেন। উল্লেখ্য যে যৌথ শত্রুবাহিনী ঐ জেলায় এ পর্যন্ত করা তাদের সাম্প্রতিক হামলাসমূহে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।
ফারাহ প্রদেশের বালা বালুক জেলার গঞ্জ আবাদ এলাকায় গত পরশু রাতে একটি ভাড়াটে চেক পোস্টে হামলা করেন মুজাহিদগণ। ঐ হামলা শত্রুদের সাহায্যকারী ট্যাংক পৌঁছালে আরো তীব্রতা লাভ করে্, এতে দুটি ট্যাংক ধ্বংস হয় , ৮ পুতুলসেনা নিহত এবং আরো ৬ সেনা আহত হয়। জানা গেছে যে ঐ অপারেশনে দুইজন মুজাহিদও আহত হয়েছেন।
সারিপুল সেন্টারের নিকটে গত পরশু সন্ধ্যা বেলায় একটি বন্দুকযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে যা মধ্যরাত পর্যন্ত স্থায়ী হয়।এতে মারাত্মকভাবে আহত হয় ২ জন প্রধান শত্রু কমান্ডারসহ ৪ পুতুলসেনা। চেকপোস্টটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।
বাদঘিসের কাদিস জেলার গুলচেইন এলাকায় হামলা করার জন্য পৌঁছা শত্রুবাহিনী গতপরশু রাতে মুজাহিদগণের হামলার শিকার হয়েছে। ঐ যুদ্ধ প্রায় ৪ ঘন্টা যাবৎ স্থায়ী হয়। এতে দুটি ভাড়াটে ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে, নিহত হয়েছে ৫ পুতুল সেনা এবং আরো ১০ সেনা মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার পর বাকিরা পলায়ন করতে বাধ্য হয়। একটি রেঞ্জার পিকআপ, ১০ টি মোটরবাইক, একটি যোগাযোগ রেডিও , ২ টি গ্যালাক্সি মোবাইল , পিকেএম গান রোডের ৫টি বক্স , মর্টারের ১০০ রাউন্ড গোলা এবং অন্যান্য যুদ্ধ সামগ্রী মুজাহিদগণ গণিমত লাভ করেছেন। এই হামলায় ২ জন মুজাহিদ আহত হওয়ার পাশাপাশি আরো দুইজন শাহাদাত বরণ করেছেন। একই প্রদেশের মারঘাব জেলার যাহ খাওযা এলাকায় একটি শত্রু চেকপোস্টে মুজাহিদগণের হামলায কমপক্ষে দুই শত্রু বন্দুকধারী নিহত এবং আরো একজন আহত হয়েছে।
লুগার প্রদেশের চারখ জেলায় রবিবারে মুজাহিদগণের গেরিলা হামলায় ৩ শত্রু সেনা নিহত হয়েছে। রিপোর্ট জানিয়েছে, ঐ হামলায় মুজাহিদগণের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কাবুল প্রদেশের বাগরামি জেলায রবিবারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামরিক সেনা বহনকারী একটি যানবাহনকে একটি রাস্তাপার্শস্থ বোমা বিস্ফোরণ আঘাত করে এতে এক অফিসার নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছে।
খোশত প্রদেশের আলিশির জেলায় শত্রু সেনাদের একটি দলকে গেরিলা হামলা করেছেন ইসলামী ইমারতের মুজাহিদগণ। এতে ঐ বন্দুকযুদ্ধে ২ পুতুলসেনা নিহত হয়েছে ।ঘটনাটি ঘটেছে সোমবারে(গতকাল)
উত্তর বল্খ প্রদেশের খাস বলখ জেলায় শনিবার রাতে একটি স্থানীয় মিলিশিয়ার সাথে সম্পর্কিত একটি পোস্টে মুজাহিদগণ হামলা করলে ২ শত্রুসেনা নিহত হওয়ার পাশাপাশি ৩ জন আহত হয়েছে।
ওয়ার্ডাক প্রদেশের প্রাদেশিক রাজধানীতে একটি সামরিক ইউনিটে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ বহনকারী একটি যানবাহন পুঁতে রাখা একটি রাস্তা পার্শ্বস্থ বোমা বিস্ফোরণের শিকার হয়। এতে দুই পুলিশসদস্য নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছে। ঘটনাটি সংঘটিত হয় রবিবারে।
পাকতিয়া প্রদেশের রাজধানী গার্ডিজ শহরে একটি শত্রু সেনাবহরে সোমবারে হামলা করেন মুজাহিদগণ । ঐ যুদ্ধে একটি যানবাহন ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি আহত হয় দুই পুতুলসেনা।
আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে মুজাহিদগণের হামলায় শত্রুদের বহুসংখ্যক হতাহতের শিকার, ১১ বন্দুকধারীর শত্রুশিবির পরিত্যাগ।

উরুযগানে চিনারটু জেলার গুলখার এবং কুহনা কালা এলাকার সেয়াহ চবে চলমান অপারেশন মানসুরিতে মুজাহিদগণ গতপরশু রাতে কয়েকটি শত্রু চেকপোস্টে হামলা করেছেন। এই হামলায় শত্রুদেরকে পলায়ন করতে বাধ্য করার পর মুজাহিদগণ চারটি চেকপোস্টের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং অনেক সামরিক সামগ্রী গণিমত লাভ করেন।
ঐ এলাকায় অন্য আরেকটি চেকপোস্ট মুজাহিদগণের অবরোধে রয়েছে যেটার বিস্তারিত বিবরণ পরে প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ।
ফারাহ প্রদেশের ফারাহ রড জেলার বাজার এলাকায় চলমান অপারেশন মানসুরিতে গত রাতে মুজাহিদগণ কয়েকটি শত্রু চেকপোস্টের উপর আক্রমণ করেছেন। প্রায় চার ঘন্টা যাবৎ স্থায়ী হওয়া ঐ যুদ্ধে তিনটি চেকপোস্ট মুজাহিদগণের নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ১৫ পুতুলসেনা নিহত হয়েছে, ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং একটি ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে। মুজাহিদগণ ৩টি পিকে মেশিনগান, ২টি আরপিজি লাঞ্চার, ৭টি রাইফেল, একটি যানবাহন এবং অন্যান্য গোলাবারুদের একটি ভাণ্ডার ঐ পোস্টগুলো থেকে পুনরুদ্ধার করেছেন।
জানা গেছে ঐ লড়াইয়ে একজন মুজাহিদও আহত হয়েছেন। পরবর্তীতে, শত্রুরা পূর্বের মতই এলাকাটি বসবাসরত সাধারণ জনতার উপর বোমাহামলা শুরু করে, এতে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।
বাদঘিসের মারঘাব জেলার ঘুরটু এলাকায় গত পরশু রাতে একটি শত্রু চেকপোস্ট মুজাহিদগণ হামলা করেছেন। এতে, একটি তীব্র বন্দুকযুদ্ধে কমপক্ষে ২ বন্দুকধারী আশংকাজনক আহত হয়েছে।এদিকে প্রদেশটির এবি কামারি জেলা থেকে আসা একটি রিপোর্ট জানিয়েছে যে গত পরশু রাতে মোবারক শাহ এলাকায় দুটি শত্রু চেকপোস্ট থেকে শত্রুরা পালিয়ে যাওয়ার পর মুজাহিদগণের নিয়ন্ত্রণে আসে।অনুরূপভাবে, ১০ জন স্থানীয় মিলিশিয়া তাদের ভুল বুঝতে পেরে মুজাহিদগণের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে এবং মুজাহিগণের হাতে ১০টি রাইফেলসহ আরো অন্যান্য সামগ্রী তুলে দিয়েছে।
এদিকে হেলমান্দের নাওজাদ কেন্দ্রীয় জেলার নিকটে গতপরশু স্থানীয় সময় সকাল দশটার দিকে এদেশের ভাড়াটে সৈনিকদের মদদে বিদেশী যোদ্ধারা অপরাধীদের জন্য মুজাহিদগণের গড়া একটি কারাগারে হামলা করেছে, সে সময় তারা ঐ এলাকা থেকে পালিযে যাওয়ার পূর্বে বিভিন্ন অপরাধের সাজাপ্রাপ্ত ৪১ বেসামরিক বন্দীকে অপহরণ করেছে । হেলমান্দের রাজধানী লশকরগাহের পিডি৪ এ গতপরশু স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এক বন্দুকধারী নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছে। গত পরশু বিকাল বেলায় শত্রুবাহিনী তাদের গুরু আমেরিকানদের সাথে অপারেশন করার জন্য মারজাহ জেলার ক্যাম্প এলাকায় যাওয়ার সময় তাদের দুটি এপিসি মুজাহিদগণের আই ই ডি বিস্ফোরণের কবলে পড়ে এবং ধারণা করা হচ্ছে এতে কতিপয় শত্রুসেনা নিহত বা আহত হয়েছে।
একই প্রদেশের গেরিশক জেলার নাহর সিরাজ অঞ্চলের মকতব এলাকায় গত পরশু রাতে মুজাহিদগণের সাথে বন্দুকযুদ্ধে কমপক্ষে ৫ পুতুলসেনা নিহত হয়েছে।ঐ সময়ই, একই জেলার চার গুল পাম্প এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনের অধিক সেনা নিহত হয়েছে।পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে আরো শত্রুসেনা পৌঁছালে আই ই ডি বিস্ফোরণের কবলে পড়ে এবং তাদের একটি এপিসি ধ্বংস হয়ে ভেতরে থাকা সব বন্দুকধারী নিহত এবং আহত হয়েছে।
গেরিশকের হাজী আব্দুল আজিজ পাম্প এলাকায় এক শত্রু আরোহী একজন স্নাইপারের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত পরশু রাতে।
কান্দাহারের মাইওয়ান্দ জেলার কালা শামির এলাকায় গত পরশু সকালে একটি ভাড়াটে প্রহরীদল বোমা হামলার শিকার হলে তাদের কমপক্ষে দুই পুতুলসেনা নিহত এবং আরো একজন আহত হয়েছে।
শনিবারে ফারিয়াবের চিলগাজী জেলার সীমান্তে ইসমাইল ইবনে আঘা মুহাম্মদ নামের একজন বন্দুকধারী তার ভুল বুজতে পেরে শত্রুবাহিনী ত্যাগ করেছে।
হেরাতের রাবাত সাংগী জেলার যাকা তুথ এলাকায় গতকাল মধ্যাহ্নে একজন স্নাইপারের হামলায় এক বন্দুকধারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে।

খোরাসানে শত্রুদের নিজেদের মাঝে গুলাগুলি , বন্ধু সেঁজে মুজাহিদীনের সাথে শত্রুর যোগদান।।

আফগানিস্তানের নিমরুজ প্রদেশের দেলারাম জেলার ঘাজি এলাকায় চলমান অপারেশন মানসুরিতে গত পরশু রাতে হেরাত রোড়ের পাশে অবস্থিত একটি ভাড়াটে চেক পোস্টে মুজাহিদগণ হামলা করেন। শেষ রাত পর্যন্ত স্থায়ী হওয়া ঐ হামলায় কথিত ঐ চেকপোস্টটি পদদলিত করা হয়, এতে শত্রুরা ৭টি মরদেহ , ১টি রেঞ্জার, েএকটি এপিসি, একটি SPG9 বন্দুক, একটি মর্টার টিউব, একটি Dshk বন্দুক, ১টি আরপিজি লাঞ্চার, ১টি স্নাইপার বন্দুক, ৩টি রাইফেল, ২৫টি আরপিজি লাঞ্চার রাউন্ড, ১টি যোগাযোগ রেডিও , ২৫টি গ্রেনেড এবং আরো অন্যান্য সামগ্রী ময়দানে ফেলে পালিয়ে যায়।জানা গেছে এই যুদ্ধে মুজাহিদগণের কেউ হতাহতের শিকার হননি।
ফারিয়াবের কর্তৃপক্ষ বলেছেন, স্থানীয় এক মিলিশিয়া শারাফ মোকাতিল তার ভুল বুজতে পেরে মুজাহিদগণের সামনে তার অস্ত্রশস্ত্র সমর্পণ করেছে । ঘটনাটি ঘটেছে যোমা বাজার জেলার দাহ নো এলাকায় গতকাল সন্ধ্যায়। জানা গেছে, তিনি মুজাহিদগণের হাতে একটি রেঞ্জার পিকআপ , ১টি আরপিজি লাঞ্চার, ১টি পিকেএম মেশিনগান এবং ৭টি রাইফেলও হস্তান্তর করেছেন।
আরেকটি রিপোর্ট জানিয়েছে, কুখ্যাত শত্রু কমান্ডার কাজিম গত পরশু রাতে পশতুন কট জেলার কুরা এলাকায় মুজাহিদগণের একটি গেরিলা হামলায় নিহত হয়েছে। প্রদেশটির খাইবার জেলার আলম লাইক এলাকায় গত পরশু রাতে একজন গ্রাম্যলোক নাসরুল্লাহের বাড়ি লুটপাট করার পর এএলপি সেনাদল একটি হালকা কম্পাউন্ড স্থাপন করেছে।
বাদঘিসের এবি কামারি জেলার গাইহিস্তান এলাকায় গতকাল মধ্যাহ্নে শত্রুদের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধে এক ভাড়াটে কমান্ডার নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে আরো একজন।
পৃথকভাবে, সাং আতিশ জেলার পশতা আওয়ার এলাকায় একজন বন্দুকধারী আব্দুল মানান ইবনে শামসুল্লাহ তার ভুল বুজতে পেরে শত্রুশিবির ত্যাগ করেছেন। আরেকটি ঘটনা ঘটেছে কাদিস জেলার এডমিনিস্ট্র্যাশন সেন্টারে। মুজাহিদগণ সেখানে ঝটিকা হামলা করে শত্রু বাহিনীর মারাত্মক ক্ষতি সাধন করেন, যাইহোক শত্রুদের হতাহতের পরিমাণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হেলমান্দের সানজিন জেলার খাক কারেজ এলাকায় গত পরশু রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বন্দুকধারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। একইভাবে, গেরিশক এবং সানজিন জেলার মধ্যবর্তী তরি শাহ এলাকায় গতকাল সকালে একটি চেকপোস্টের সামনে আরেক পুলিশ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে।
এদিকে দাইকোন্দি প্রদেশে সিয়াদুল্লাহ কারজি নামের এক এন ডি এস এজেন্ট মুজাহিদগণের হামলার শিকার হয়ে পালাতে বাধ্য হয় , মুজাহিদগণ তার একটি রাইফেল ও একটি পিস্তল জব্দ করেন। ঐ বন্দুকধারী কিছুদিন আগে মুজাহিদগণের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল, তবে সে গোপনে শত্রুদের থেকে অস্ত্রশস্ত্র গ্রহণ করত কিন্তু মুজাহিদগণ তাদের চক্রান্ত ধরে ফেলেন । যাইহোক, শত্রুরা মুজাহিদগণের মাঝে যুদ্ধের দাবি তুলেছে যা চরম মিথ্যা । কেননা সে ছিল এক এজেন্ট, যে কিনা তার বিদ্বেষপূর্ণ লক্ষ্যের জন্য কোনভাবে মুজাহিদগণের সাথে যোগ দিয়েছিল।
জাবুলের শ্যাজয় জেলার লানযাখেল এলাকায় মুজাহিদগণ একটি শত্রু প্রহরীদলের উপর গতকাল স্থানীয় সময় সকাল নয়টার দিকে হামলা করেন। এতে, শত্রুদের ৩ পুতুলসেনা নিহত এবং আরো দুইজন আহত হয়েছে আর বাকিরা একটি রাইফেল ও অন্যান্য সামগ্রী ফেলে রেখে পলায়ন করতে বাধ্য হয়েছে।
হেরাতের রাবাত সাংগি জেলার গুল বাঘ এলাকায় গত পরশু রাতে একটি চেক পোস্টে শত্রুদের উপর মুজাহিদগণ হামলা করলে শত্রুদের কমপক্ষে ৪ পুতুলসেনা নিহত এবং আরো ৬ জন আহত হয়েছে।
ঐ অপারেশনে ২জন মুজাহিদ আহত হয়েছেন এবং আরো একজন শাহাদাত বরণ করেছেন।
পৃথকভাবে, গত পরশু রাতেই কুশকি কুহনা জেলার তংগী এলাকায় একটি বন্দুক যুদ্ধে ৩টি শত্রু ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে , এতে নিহত হয়েছে ২ পুতুলসেনা এবং আরো ৪ জন হয়েছে আহত।


ইরান
কঠোর প্রশিক্ষণ শেষ করলো আনসার আল ফুরকানের একদল যোদ্ধা!
http://i.cubeupload.com/f10FZk.png
অতি সম্প্রতি ইরানের বেলুচিস্তান অঞ্চলের মরুভুমি থেকে কঠোর প্রশিক্ষণ শেষ করলো আনসার আল ফুরকানের একদল যোদ্ধা, রাফেজি ইরানের বিরুদ্ধে অনেক দিন ধরে লড়াই চালিয়ে আসছেন আল কায়েদার অনুসারী এই জিহাদি গ্রুপটি। ইরানে শরিয়াহ শাসন কায়েম করা ও শিয়াদের নৃশংসতা থেকে সুন্নি মুসলমানদের রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। আল ফারুক মিডিয়া প্রশিক্ষণরত যোদ্ধাদের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে-

http://i.cubeupload.com/cOsCmN.png
http://i.cubeupload.com/KjEr4T.png

কালো পতাকা
11-21-2017, 01:36 PM
http://i.cubeupload.com/vJLeZJ.png
http://i.cubeupload.com/OqYc5u.png
http://i.cubeupload.com/nCAVeH.png
http://i.cubeupload.com/x46wg0.png

কালো পতাকা
11-21-2017, 01:40 PM
http://i.cubeupload.com/vRnX7E.png
http://i.cubeupload.com/RoJt9z.png
বাংলাদেশ
বাংলাদেশ সীমান্তে গম চাষ নিষিদ্ধ করেছে ভারত
ভারতের কৃষি দপ্তর জানিয়েছে যে আগামী দুই বছর বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় গম চাষ করা যাবে না। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে গমের ফসলে হুইট ব্লাস্ট নামের একটি ছত্রাক রোগ ছড়িয়ে পড়ার পরে কৃষি বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে ওই রোগ ভারতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত অঞ্চলের যেসব এলাকায় এবছর গম চাষ করেছিলেন, তা ইতিমধ্যেই জ্বালিয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তার জন্য মোট চার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়েছে কৃষকদের।
পশ্চিমবঙ্গের দুটি জেলা নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদের ওপরে কৃষি দপ্তরের বিশেষ নজর দিচ্ছে কারণ সেখান থেকেই ভারতে রোগ ছড়ানোর সবথেকে বেশী সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।
মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ ও সীমান্তবর্তী এলাকা হরিহরপাড়ার জন প্রতিনিধি মোশারফ হোসেন বলছিলেন, গত মরসুমে শুধু আমাদের মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় ৪৮০ হেক্টর জমিতে বোনা গম এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার পাঁচটি ব্লকে এই সমস্যা দেখা দিয়েছিল। ওই ফসল নষ্ট করে দিতে হয়েছে। প্রথমে কৃষকরা বুঝতেই চাইছিলেন না, কিন্তু পরে সরকারী ব্যবস্থায় সেই সব গম নষ্ট করা হয়েছে। ক্ষতিপূরণও দিয়েছি আমরা।
গত বছর বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলেও একইভাবে গমের ফসল নষ্ট করা হয়েছে রোগ আটকাতে। আর পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকায় পরের দুবছর যাতে কেউ গম চাষ না করেন, তার জন্য সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রচার।
কৃষিবিজ্ঞানীরা মনে করছেন ভারত- বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে চোরাইপথে আক্রান্ত গমের বীজ ভারতে প্রবেশ করে থাকতে পারে।
হরিয়ানার কারনালে কেন্দ্রীয় গম ও বার্লি গবেষণা ইন্সটিটিউটের কৃষিরোগ বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক দেবেন্দর পাল সিংয়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম হুইট ব্লাস্ট রোগটি দক্ষিণ আমেরিকায় দেখা যায়, কিন্তু সেটি এই অঞ্চলে এলো কী করে?
মি. সিংয়ের কথায়, প্রথম ব্রাজিলে গমের ফলনে এই ছত্রাক রোগ দেখা যায় তারপরে সেটি দক্ষিণ আমেরিকার নানা দেশেও ছড়ায়। এটা এশিয়ার এই অঞ্চলের রোগ নয়। তবে বাংলাদেশ সম্প্রতি ওইসব দেশ থেকে সস্তার গম আমদানি করেছে কিছু চাষি হয়তো সেই গম বীজ হিসাবে ব্যবহার করেছেন আর তার থেকেই সেদেশে ওই রোগ ছড়িয়েছে।
সেইজন্যই সীমান্তের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যেই রোগটাকে বেধে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানালেন ভারতের গম ও বার্লি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান কৃষিরোগ বিশেষজ্ঞ মি. সিং।
মি. মোশারফ হোসেনও বলছিলেন যে এক শ্রেণী অসাধু বীজ ব্যবসায়ী বাংলাদেশ থেকে চোরাই পথে ছত্রাক রোগগ্রস্ত বীজ নিয়ে এসে থাকতে পারেন.. আর একবার হুইট ব্লাস্ট রোগ ছড়ালে তা শুধু ওই জমি নয়, ধীরে ধীরে অন্যান্য জমিতে বোনা গমের ফলনকেও ক্ষতি করবে, নষ্ট হবে মাটিও।
অন্যদিকে কৃষিরোগ বিশেষজ্ঞ দেভেন্দর পাল সিং বলছিলেন যে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের প্রতিটি রাজ্যেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অন্য অঞ্চলে গম চাষ খুব একটা হয় না, তাই মূল নজরটা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দুটি জেলাতেই।
সীমান্ত অঞ্চলে হুইট ব্লাস্ট রোগ ছড়িয়ে পড়ে নি, এটা নিশ্চিত করার পরে এই রোগ প্রতিরোধকারী উচ্চফলণশীল গমবীজ সেখানে প্রচুর পরিমাণে পাঠাবে কর্তৃপক্ষ। সূত্র: বিবিসি।

সৌদি আরব

সৌদি আরবে গ্রেফতার হওয়া প্রিন্সদের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন চালানো হয়েছে।
এতে অন্তত ছয়জন প্রিন্স গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর মধ্যে সাবেক বাদশাহ আব্দুল্লাহর পুত্র প্রিন্স মিতেব বিন আবদুল্লাহর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে বর্তমানে একটি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এ বিষয়ে একটি বিশেষ সংবাদ প্রকাশ করেছে।
গত ৫ নভেম্বর থেকে সৌদি আরবে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০ জনের বেশি গ্রেফতার করা হয়েছে। যার বেশিরভাগই সৌদি রাজপরিবারের সদস্য।
গ্রেফতার হওয়া এসব প্রভাবশালী সৌদি নাগরিকের ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।
আটক রাজপরিবারের সদস্যদের বিলাসবহুল রিটজ-কার্লটন হোটেলে রাখা হয়েছে।
ওই হোটেলে নেয়ার পর তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলে ডেইলি সাবাহর খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
সেখানে নির্যাতনের ফলে বেশ কয়েকজন প্রিন্স আহত হন। এর মধ্যে ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গ্রেফতার করে রিটজ-কার্লটন হোটেলে নেয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
আহত প্রিন্সদের মধ্যে সবচেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন সৌদির সাবেক বাদশাহ আব্দুল্লাহর ছেলে মিতেব বিন আব্দুল্লাহ।
খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় সংকটাপন্ন অবস্থায় তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। তার একত্রে হৃৎপিণ্ড, কিডনি ও ফুসফুসে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া তিনি উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন।
হাসপাতালের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, মিতেব যে অবস্থায় ভুগছেন তা মূলত আত্মহত্যাচেষ্টার পর যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তার সঙ্গে তুলনা করা যায়।
একসময়ের এ ক্রাউন প্রিন্সকে সৌদির পরবর্তী বাদশাহ মনে করা হতো। কিন্তু বর্তমান বাদশাহ সালমানের ছেলে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে বিপদে পড়েন তিনি।
ডেইলি সাবাহর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাসপাতালে যাদের আনা হয়েছে, তাদের প্রত্যেককে ব্যাপক মারপিট করা হয়েছে। কিন্তু কারো কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ভাঙেনি।
সৌদি গ্রান্ড মুফতির নতুন ফতোয়া: ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হারাম
http://i.cubeupload.com/U50bJ4.png

ইসলাম ও মুসলমানের চির দুশমন ইহুদিদের সাথে মুসলিমদের তথাকথিত অভিভাবক আলে সউদের সখ্যতা বেশ গাড়। শোনা যায়, ইহুদিদের মদদ ছাড়া আলে সউদের বাদশাহী নাকি এক মুহূর্তও টিকবে না। তাইতো সৌদি বাদশাহ ইহুদিদের খুশি রাখতে যা যা দরকার তার সব করতে এক পায়ে খাড়া। আর বাদশাহকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য নিযুক্ত করা আছে একাধিক চাটুকার, যাদের কাজই হলো মিথ্যার উপর সত্যের লেভেল লাগিয়ে জাতির সামনে উপস্থাপন করা।
তেমনি এক চাটুকার হলো আবদুল আজিজ আল শেখ। তিনি নাকি সৌদির বর্তমান গ্রান্ড মুফতিও!
কয়েকদিন পরপর তিনি চমক নিয়ে হাজির হন। তার চমকগুলো বেশ হাসির খোরাক হয়। এবার তিনি সাপ্লাই করলেন নতুন চমক- ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হারাম।
সম্প্রতি একটি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই গ্রান্ড মুফতি হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করেন।
এ সময় মুফতি বলেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হারাম। কোনো ইসরাইলিকে হত্যা করাও হারাম। যেহেতু হামাস এসব করছে, সে কারণে হামাস একটি সন্ত্রাসী সংগঠন।
গ্রান্ড মুফতির এই উক্তির পরিপ্রেক্ষিতে তার ভূয়সী প্রশংসা করে তাকে দাওয়াতও দেয় ইসরাইলি যোগাযোগ মন্ত্রী আয়ুব কারা।
এক টুইট বার্তায় আয়ুব কারা বলে, আমরা আবদুল আজিজ আল শেখকে অভিনন্দন জানাই। তিনি সৌদি আরবের গ্রান্ড মুফতি এবং সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। তিনি যে ফতোয়া দিয়েছেন, ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং হত্যা হারাম এজন্য তাকে অভিনন্দন।
আয়ুব কারা আরও বলে, একই সঙ্গে আমরা গ্রান্ড মুফতিকে ইসরাইল ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। তাকে আমাদের দেশে সর্বোচ্চ সম্মানিত করা হবে।

ফলে মনে করা হচ্ছে, প্রশিক্ষিত লোকজনই এসব প্রভাবশালী সৌদি নাগরিককে পিটিয়েছে। তাদের সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত বুট দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।