PDA

View Full Version : মুর্তাদ শাসক ও উম্মাহর কর্তব্য



আল-ফোরকান মিডিয়া
02-14-2018, 08:35 PM
♦ মুর্তাদ শাসক ও উম্মাহর কর্তব্য ♦
______^=======================^_____
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের অধিকাংশ শাসকরা যে মুর্তাদ সেটা এখন কোন নতুন কথা নয়।আলহামদুলিল্লাহ. হক্বপন্থী উলামায়ে কেরামগণের তেজোদৃপ্ত কলম অনেক অাগে থেকেই তা লিখে অাসছে। তারা জালিমের রক্তচক্ষুকে ভায় না করে মরণপন লড়াই করে এদেরকে মুর্তাদ বলে ঘোষণা দিয়েছে।

তথাপিও কিছু ফিতনাবাজ অালেমদের বিভ্রান্তির কারণে কিংচিৎ আলোচনা করার প্রয়োজন অনুভব হল। এদের অবস্থা কতইনা খারাপ! যারা এসকল মুর্তাদদের কুফুরী কাজকে তাওহীদ হিসেবে প্রমান করার জন্য আধাজল খেয়ে নেমেছে। তাদের সাফাই গেয়ে গেয়ে মুখে ফেনা তুলছে। সমান্য দুনিয়া অর্জনের জন্য শুধু নিজেদের ইলমকে গোপন রেখেই ক্ষেন্ত হয়নি বরংচ এটাকে এখন অপব্যাখ্যার কাজে ব্যয় করছে। [মাআযাল্লাহ্]

এবার তবে আসল কথায় ফিরে আসি। এসকাল গদ্দার শাসকদের মুর্তাদ হওয়ার বহু কারণ রয়েছে। তন্মধ্যে কিছু তুলে ধরা হল।

(১)তারা ঈমান আনার পূর্ব শর্ত পুরণ না করার কারণে কাফের। ঈমানের রোকন অর্থাৎ মূল ভিত্তি দুটি। এক( لا الٰه ) কোন প্রভু নেই। এর দ্বারা সমস্ত বাতিল মা'বুদদেরকে অস্বীকার করা বুঝানো হচ্ছে।
আর দ্বিতীয় ( الا الله.) আল্লাহ ব্যতীত। অর্থাৎ এর দ্বারা আল্লাহর উপরই ঈমান আনা বুঝানো হচ্ছে।
আর এ বিষয়টিকেই আল্লাহ (সুব.)কোরআন মাজিদে উল্লেখ করে বলেন:
فمن يكفر بالطاغوة ويئمن بالله فقد استمسك بالعروة الوثقىٰ . (بقرة ٢٥٦)
অর্থ :
অতপর যে ব্যক্তি তাগুতকে অস্বিকার করল এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনয়ন করল তবে সে এক মযবুত হাতল আক্রে ধরল। (সূরা বাকারা ২৫৬)
আমরা জানি এসকল শাসকরা ত্বাগুতকে অস্বীকার করে নাই, তাই তারা কাফের। কেননা মক্কার মুশরিকরাওতো আল্লাহকে প্রভু মানত কিন্তু তারপরেও তাদের ঠিকানা চির জাহান্নম কেন? কেননা তারা ত্বাগুতকে অস্বীকার করে নাই। এবারে প্রশ্ন হতে পারে যে ত্বাগুত কারা? ইমাম মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব রহ. বলেন:
"ত্বাগুত হল ওই মা'বু, সরদার বা মুরব্বী, আল্লাহ ব্যতীত যাদের ইবাদাত করা হয় এবং তারা এতে সন্তুষ্ট। (মাজমুআতুত তাওহীদ পৃ৯)
আর বর্তমান যুগে সর্বাপেক্ষা বড় তাগুত হল আমিরিকা,ব্রিটেন, চিন, রাশিয়া ও ইত্যাদী পাওয়ারফুল কুফুরি রাস্ট্রগুলো। কেননা তাদের বানানো সংবিধানেরই ইবাদাত করছে এসকল শাসকেরা। যার ফলে সুদ,ঘুশ,যিনা ইত্যাদি জিনিষকে তারা বৈধ সাব্যস্থ করছে। এবং তারা এতে সন্তুষ্টুও বটে।

(২)তারা আল্লাহ প্রদত্ব শরীয়াত নিয়ে ঠাট্টা- বিদ্রুপ করার কারণে তারা কাফের।
তারা আল্লাহর আইনকে স্বহস্তে নিজেদের ও নিজেদের প্রভুদের বানানো আইন- ক্বানুনের নিচে অবস্থান দিয়েছে। কোরআনের আদেশ ও নিষেধ সমুহকে ইহুদী, খ্রিষ্টান ও নাস্তিকদের সলা পরামর্শের দ্বারা রদ করেছে। আবার বলছে... "কোরআন আমাদের সংবিধান। একে আমরা মানি।" কিতাবুল্লাহর সাথে এর চেয়ে বড় বিদ্রুপ আর কি হতে পারে??? আল্লাহ তা'লা বলেন:
قل ابالله واٰياتهٖ ورسولهٖ كنتم تستهزئون<٦٥ >.لا تعتذروا قد كفرتم بعد إيمانكم....<٦٦>
অর্থ:
(হে রাসূল!) আপনি তাদেরকে বলেন: তোমরা কি আল্লাহ ও তার রাসূল এবং তার নিদর্শনসমুহের সাথে ঠাট্টা বিদ্রুপ করতে ছিলে? তোমরা কোন উযর দেখিয়না, তোমরা ঈমান আনার পরেও কাফের হয়ে গিয়েছ। (সূরা তাওবা ৬৫-৬৬)

(৩)কাফেরদের সাথে তারা অন্তরংজ্ঞ বন্ধুত্ব রাখার কারণে তারা কাফের। মহান আল্লাহ বলেন:
ومن يتولّهم منكم فانه منهم.
(اي في دينهم وملّةهم)
অর্থ:
আর তোমাদেন মধ্য থেকে যে তাদের অনুসরণ করবে সে তাদেরই একজন। [তাদের দ্বীনের ও গোষ্ঠিরই একজন।] (সূরা মা'ইদাহ ৫১)
আর তাদেরকে (কাফেরদেরকে) বন্ধুরুপে গ্রহণ করার সুরাত সম্পর্কে উলামায়ে কিরামগণ বলেছেন:
و من اعظم الولاية المناصرة بالقول وبالسنان وباللسان...
তাদেরকে বন্ধুরুপে মেনে নেয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হল: তাহাদেরকে যবান ও অস্র-শস্র দ্বারা সাহায্য করা। আর সমস্ত বিশ্ব জানে এসকল মুর্তাদরা তাহাদের প্রভুদের কথায় কিভাবে মুজাহিদদের বিরুদ্ধে অস্র-শস্র দিয়ে সাহায্য করে আসছে।

(৪)গণতন্ত্রকে দ্বীন হিসেবে মেনে নেয়ার কারণে তারা কাফের। কেননা এটি নিজেই একটি ধর্ম। অনেকে বলে "ইসলাম আর গনতন্ত্র একই জিনিষ। গনতন্ত্র হচ্ছে ইসলামের সূরা পদ্ধতি।" আসলে জিনিসটা এমন নয়। কেননা ইসলামের মূল ভিত্তি হল কিতাবুল্লাহ, আর গনতন্ত্রের মূল উৎস হল জনগন। গণতন্ত্রের অধিকাংশ মানুষ যদি মায়ের সাথে যিনার আবদার করে তবে এই গনতন্ত্র কিতাবুল্লাহকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে সেটাকেই প্রধান্য দিবে। এই গঠনতন্ত্র আর দ্বীনে মুহাম্মাদী কখনই এক হতে পারে না যেমন নাকি রাত আর দিন এক হতে পারেনা।
আর এসম্পর্কে কোরআনে মাজিদের বিধান হল:
و من يبتغ غير الاسلام دينا فلن يُقبل منه.
অর্থ:
যে ব্যক্তি ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন দ্বীনকে মেনে নিল তার থেকে কোন কিছুকেই গ্রহণ করা হবেনা। (আলি ইমরান৮৫)
অনেক মুসলিম ভাইরা গণতন্ত্রের দ্বারা ধোকা খেয়ে থাকেন, তাহারা বলেন অধিংশ মানুষ যদি ইসলাম চায় তবেতো আর কোন সমস্যা নেই! অামি বলি এতেও সমস্যা আছে, কেননা এটাও তাদের অনুমতিক্রমে মানা হচ্ছে আল্লাহর বিধান হিসেবে নয়। তাই এটাও তাদের ইবাদাতের মধ্যেই শামিল।

(৫)আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে নিজেদের বানানো বিধান দ্বারা বিচার-ফায়সালাহ করার কারণে তারা কাফের। সমস্ত পৃথিবীর সৃষ্টিকর্ত আল্লাহ। তাই বিধান দানের ক্ষমতা একমাত্র তারই। আল্লাহ বলেন:
ان الحكم الا للٰه.
অর্থ :
বিধান দানের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ তা'লারই।
(সূরা...)
আর এসমস্ত শাসকরা আল্লাহর বিধান বাদ দিয়ে নিজের ও নিজের প্রভুদের বিধান দ্বারা রাস্ট্র চালচ্ছে। আল্লাহ বলেন:
ام لهم شركاء شرعولهم من الدين مالم يئذ به الله.
অর্থ:
তাহাদের (এসমস্ত শাসকদের) কি এমন কোন শরিক (দেবতা বা প্রভু) আছে যাহারা তাদেরকে দ্বীনের ঐ সমস্ত বিষয়ে অনুমতি দিয়েছে যার অনুমতি আল্লাহ তাদেরকে দেয়নি???(সূরা আন'আম ১২১)
হ্যা এসমস্ত শাসকদের এমন দেবতাও আছে এবং তারা এদের প্রভুদের সেই বিষয়গুলোকেও গ্রহণ করেছে। এদের প্রভু হল কাফেরদের পাওয়ারফুল রাস্ট্রগুলো। আর এরা তাদেরকে সুধ,ঘুস, যিনা ইত্যাদি বিষয়ে অনুমতি দিয়েছে যার অনুমতি আল্লাহ দেয়নি।
এত দলীলের কোন প্রয়োজন ছিল না। ইমানদারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট দলিলই যথেষ্ঠ।
এখনও যদি কার কাছে সুস্পষ্ট না হয় তবে কি আর করার?? দ্বিপ্রহরের আলোকে কোন অন্ধ রাতের অাঁধার বললে কি সেটা রাত হয়ে যাবে!!!!???
♦ সংসয় নিরাষন♦
দরবারী আলেমরা কিছু সংসয় ছড়িয়ে থাকে। আমরা ইনশাআল্লাহ সংক্ষেপে তার উত্তর দেয়ার চেষ্ট করব।
★তাদের সংসয়★
(১)এসমস্ত শাসকদের কুফুরকেতো ইবনে আব্বাস (রা.) ছোট কুফর বলেছেন!
(২)এরাতো কালিমা পাঠ করে?
(৩)এরাতো সালাত ক্বায়েম করে ও সিয়াম পালন করে?
(৪)কোন মুসলিমকে তাকফির করলে সেটাতে নিজের দিকেই ফিরিয়া আসে! তাই এদেরকে কাফের বলা যাবেনা।
(৫)এদেরকে তাকফির করে কি লাভ?
★আমাদের উত্তর★
(১)ইবনে আব্বাস রা. এই কথাটা উপরে উল্যেখ্যিত গুন বিশিষ্ট কোন শাসক সম্পর্কে বলেনি।
(২)এর উত্তর উপরে এই শাসকদের কাফের হওয়ার প্রথম কারণেই আছে।
(৩) তারা শিরক করার কারণে সকল আমল বাতিল,
আল্লাহ বলেন:
لئن اشركت ليحبطن عملك ولتكونن من الخاسرين.
অর্থ:
আর যদি তুমি শিরক কর তবে তোমার সমস্ত আমল বাতিল হয়ে যাবে এবং নিশ্চয় তুমি খতিগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা যুমার ৬৫)
(৪) যারা হক্বিকতে কাফের না তাদেরকে কাফের বললে এই হুকুম। সমস্ত স্থানে নয়। যদি এমনই হত তবে খোলাফায়ে রাশিদ্বীন সহ অনেক সাহাবীদের কাফের হওয়া সব্যস্ত হয় আর এটা অসম্ভব।
(৫)এদেরকে তাকফির করার উপর রয়ে গেছে শরীয়তের অনেক বিধান। যেমন বিবাহ, বন্ধুত্ব ও শত্রুতা ইত্যাদী অনেক বিষয়।
♦উম্মাহর কর্তব্য♦
ইসলামী শরীয়ত অনুসারে কাফের কখনোই মুসলমানদের শাসক হতে পারে না। মুসলিম দেশের কোনো শাসক যদি শাসনভার গ্রহণের পর মুরতাদ হয়ে যায়, তাহলে সে অপসারিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে জিহাদ চালিয়ে যাওয়া এবং তার স্থানে একজন ন্যায়পরায়ণ মুসলমান ইমাম নিযুক্ত করা মুসলমান জনসাধারণের উপর ওয়াজিব। আর যদি শাসক জালিম হয়, ইমামে আজম আবূ হানীফা (রাদিঃ) সহ অন্যান্য একাধিক নেককার সালাফদের মত অনুসারে তার বিরুদ্ধে কিতাল করে তাকেও অপসারণ করা ওয়াজিব। তবে জমহুরের মতানুসারে সুস্পষ্ট কুফর প্রকাশ পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কিতাল করা ওয়াজিব নয়।
মহান আল্লাহ তাআলা বলেন:
وعدالله الذين آمنوا وعملوا الصالحات ليستخلفنهم في الارض.
অর্থ:
যারা মু'মিন এবং সৎকর্মশীল আল্লাহ তাদেরকে যমিনের প্রেসিডেন্ট বানানোর ওয়াদাহ দিয়েছেন।
( সূরা... )
মহান আল্লাহ তাআলা বলেন:
"ولا ينال عهدي الظالمين"
যালিমরা আমার ওয়াদাপ্রাপ্ত হয় না। (সূরা বাকারা: ১২৪)
মহান আল্লাহতাআলা বলেন:
وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّى لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ كُلُّهُ لِلَّهِ فَإِنِ انْتَهَوْا فَإِنَّ اللَّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ بَصِيرٌ

আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকো যতক্ষণ না ফেতনা শেষ হয়ে যায়; এবং সমস্ত দ্বীন শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। অতঃপর যদি তারা বিরত হয়ে যায়, তবে আল্লাহ তাদের কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন। (সূরা আনফাল,আয়াত:৩৯)
যখন কিছু দ্বীন হবে আল্লাহ তাআলার জন্য আর কিছু হবে গাইরুল্লাহর জন্য, তখন কিতাল ওয়াজিব হবে যতক্ষণ না সম্পূর্ণ দ্বীন শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্য হয়ে যায়।

উবাদা বিন সামেত (রাদিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
دعانا النبي صلى الله عليه و سلم فبايعناه فقال فيما أخذ علينا أن بايعنا على السمع والطاعة في منشطنا ومكرهنا وعسرنا ويسرنا وأثرة علينا وأن لا ننازع الأمر أهله إلا أن تروا كفرا بواحا عندكم من الله فيه برهان) باب وجوب طاعة الأمراء في غير معصية وتحريمها في المعصية صحيح مسلم(
আমাদেরকে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ডাকলেন এবং আমরা তাঁর নিকট বাইআত হলাম। অতঃপর তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের থেকে যে বিষয়ে বাইআত নিলেন: তা হলো আমরা আমাদের ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, সুখে-দুঃখে এবং আমাদের উপর যদি অন্য কাউকে প্রাধান্য দেয়া হয় তথাপিও শুনবো ও আনুগত্য করবো এবং আমরা শাসকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তবে যদি তোমরা কোন স্পষ্ট কুফর দেখতে পাও, যার ব্যাপারে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে প্রমাণ বিদ্যমান থাকে। (মুসলিম শরীফ, অধ্যায়-ওজূবু তআতিল উমারা, হাদীস নং-৪৮৭৭)
যদি শাসকদের থেকে আমরা কোনো স্পষ্ট কুফর দেখতে পাই, তাহলে তারা আমাদের জন্য আর বৈধ্য শাসক হিসাবে বাকি থাকবে না। বরং তাদেরকে অপসারণ করে মুসলিম শাসক নিয়োগ দিতে হবে, যদিও তারা অন্য সকল ধর্মীয় বিধান পালন করে ও দ্বীন ত্যাগের ইচ্ছা না করে। কেননা হাদীসের মাঝে বলা হয়েছে, যদি তোমরা কোনো স্পষ্ট কুফর দেখতে পাও সুতরাং এখানে আমাদের দেখতে পাওয়াই যথেষ্ট, তাদের স্বীকারোক্তির কোনো প্রয়োজন নেই।
আল্লাহ আমাদের সকলকে তার দ্বীনকে জেনে বুঝে তার সন্তুষ্টির জন্য আমাল করার তাওফিক দান করুন। আমিন,,,, والحمد لله رب العٰلمين.

musanna
02-14-2018, 09:21 PM
গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। নতুন সাথীরা ভালো করে পড়ে নিয়েন।

musanna
02-15-2018, 08:40 AM
জনগণ চাইলে ইসলাম কায়েম হবে??? নাউজুবিল্লা। একজন সে যদি চাই তাহলে ইসলামী হুকুমত কায়েম হবে, অন্যতায় হবে না। তাহলে সে কেমনে মুসলিম হলো???

murabit
02-15-2018, 10:04 AM
অনেক মুসলিম ভাইরা গণতন্ত্রের দ্বারা ধোকা খেয়ে থাকেন, তাহারা বলেন অধিংশ মানুষ যদি ইসলাম চায় তবেতো আর কোন সমস্যা নেই!
অামি বলি এতেও সমস্যা আছে, কেননা এটাও তাদের অনুমতিক্রমে মানা হচ্ছে আল্লাহর বিধান হিসেবে নয়। তাই এটাও তাদের ইবাদাতের মধ্যেই শামিল।
এর পরো জনগন যদি আল্লাহপ্রদত্ব ইসলাম ছেড়ে এই দিজিটাল ইসলাম ও চেয়েই বসে তাহলেও গনতন্ত্রের কুশিলবদের কাছে সেটি কে মুরছির মতো মুর্চ্ছাকবলিত এবং ধ্বংস করতে সময় লাগবেনা।
তাহলে এই গনতন্ত্রের নির্বাচনে যারা ইসলাম চায় তারা বিভ্রান্তিতে আছে , আর যারা তাদের বিশ্বস্ত এই গনতান্ত্রিক নির্বাচনে ও ইসলাম পন্থিদের বাদ দিয়ে অন্যদের দলে শামিল হচ্ছে, তারা অন্যদের ভোট দিচ্ছে, তাদের এই ভোটের অর্থ কি এই নয় যে যদিও জামাত , হেফাযত , চরমুনাই , ক্ষমতায় গেলে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবে তবে অর্থনৈতিক ভাবে আমরা পিছিয়ে পড়বো ... । এইজন্য ইসলাম চাইনা টাকা চাই সমৃদ্ধি চাই , দুনিয়া চাই । এইসব দায়ি নামাজি হাজিরা ...কি পরিষ্কার কুফরিতে লিপ্ত হচ্ছেনা ? আর এদেরকে এই কুফরিতে লিপ্ত করার কারন এই গণতান্ত্রিক ইসলাম পন্থিরা । তাহলে দেখুন এই দিক থেকেও এইসব ইসলাম পন্থিরা সাধারন মানুষের জন্য কত বড় ফিতনা হয়ে দাড়িয়েছে ।এদের দ্বারা ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হোক নাহোক কিন্তু ইমানের সামান্য লেশ ও যাদের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা ছিলো সেটিকে তারা ধুয়ে মুছে ছাফ করে দিয়ে গেলো , আম জনসাধারন কে ইসলাম চায়না বলে প্রমানিত করে দিলো । আবার সেই ইসলাম বর্জন কারি সরকার , সংবিধান , জনগন , এসব ইসলাম পন্থিদের কাছে ও পবিত্র, মান্যবর, পরম আদরনিয়, সুবহানাল্লাহ! দাজ্জাল এসে বেশী কিছু আর কি করতে হবে এখনই উলটা পথ কে সুজা মনে করার এই স্তর সৃষ্ট হয়ে আছে।