PDA

View Full Version : কী অপরাধ ছিল আফগানের হাফেজদের? বিশ্বকে আল্লামা বাবুনগরীর প্রশ্ন



khalid-hindustani
04-05-2018, 12:16 PM
আফগানিস্তানের কুন্দুস প্রদেশের দাশ্তেআর্চি জেলার পাঠান বাজার এলাকায় মাদরাসায়ে উমরিয়্যাহ এর হাফেজ ছাত্রদের সনদ প্রদান ও দস্তারবন্ধী অনুষ্ঠান চলাকালে আমেরিকার সন্ত্রাসী বিমান হামলায় শতাধিক আফগান নিরীহ শিশু-কিশোর হাফেজে কুরআন শাহাদাত বরণ করেছেন। এই বর্বরতম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী।

আজ এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বসন্ত্রাসের মোড়ল আমেরিকার প্রতি ধিক্কার ও ঘৃনা জানাচ্ছি। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী জালিমদের হাতে শাহাদাত বরণকারী আফগানিস্তানের মজলুম শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। হাফেজদের অনুষ্ঠানে বিমান হামলায় ঘটনায় আমরা শোকাহত ও মর্মাহত।

আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী বিশ্ব বিবেকের কাছে প্রশ্ন করে বলেন, কি অপরাধ ছিল এই নিষ্পাপ শিশু হাফেজদের? এত ব্যাপক শিশু হত্যা অতীতে দেখিনি।

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে পাকিস্তানে এক মালালা আহত হওয়ায় সারা বিশ্বের মানবতার ধ্বজাধারীরা চেচিয়ে ওঠেছিল। ফ্রান্সের একটি নাইট ক্লাবে বোমা হামলা হলে তখন বিশ্ব মিড়িয়া তাদের ঘুম হারাম করে ফেলেছিল। অথচ আজ আফগানিস্তানে শতাধিক হাফেজ শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করার পরও তারা বোবা শয়তান হয়ে বসে আছে।

মানবাধিকারের বুলি আওড়িয়ে মুসলমানদের রক্ত নিয়ে এরা হোলি খেলায় মেতে উঠেছে। এরা মানবতার ধোঁকাবাজ প্রবক্তা। বিশ্ব সন্ত্রাসী আমেরিকার বিরুদ্ধে মুসলিম মিল্লাতকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জালিম ট্রাম্প মার্কিন মুল্লুকের ক্ষমতায় এসে মানবতার বিরুদ্ধে একের পর এক জঘন্যতম বর্বর লোমহর্ষক ঘটনার জম্ম দিয়ে যাচ্ছে। কুন্দুজ ট্রাজেডি তার বাহিনীর নতুন সংযোজন।


তিনি বিশ্ব মুসলিমদের প্রতি কুন্দুজের শহীদ হাফেজ শিশুদের রক্তের প্রতিটি ফোটার বদলা নেওয়ার জন্য শহাদাতের তামন্না নিয়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীকে প্রতিহত করার আহবান জানান।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আল্লাহর পবিত্র কুরআনের হাফেজদের শাহাদাতে রক্তের বিনিময়ে আফগানিস্তানের মাঠিতেই বিশ্ব সন্ত্রাসী আমেরিকার কবর রচিত হবে এবং আল্লাহর কুরআনের বিধান জারী হবে ইনশাআল্লাহ।

কালো পতাকা
04-05-2018, 12:52 PM
আল্লাহর পবিত্র কুরআনের হাফেজদের শাহাদাতে রক্তের বিনিময়ে আফগানিস্তানের মাঠিতেই বিশ্ব সন্ত্রাসী আমেরিকার কবর রচিত হবে এবং আল্লাহর কুরআনের বিধান জারী হবে ইনশাআল্লাহ।
ভাই উনার লেকচার টি সম্ভব হলে দিয়েন ইনশাআল্লাহ হেফাজতে ইসলামী ভাইদের অাল্লাহ তায়ালা গাজওয়ায়ে হিন্দের জন্য কবুল করুন আমিন

কালো পতাকা
04-05-2018, 01:16 PM
ইমাম মাহদী আগমনের কিছূ পূর্বে পবিএ আত্বাকে শহীদ করা হবে আফগানিস্তানে নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা করা এ ধরনের গঠনা প্রমাণ করছে যে ইমাম মাহদীর আগমন অতি নিকটে ইনশাআল্লাহ http://i.cubeupload.com/6qPn6m.png
http://i.cubeupload.com/jAO07H.png
http://i.cubeupload.com/C625KO.png
http://i.cubeupload.com/tQvwRc.png

মাওলানা আসেম উমর এর ইমাম মাহদী দাজ্জাল তূতীয় বিশ্ব যুদ্ধ বই থেকে সংগূহিত

khalid-hindustani
04-05-2018, 04:39 PM
আমি যে বছর হাফেজ হই ১৯৯৮ সালে সম্ভবত, আমার পরিবারের প্রায় সবাই আমার মাদরাসার (https://www.rokomari.com/book/124116/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A 6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A 7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B9%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A 6%BE%E0%A6%B0?ref=srac_p4) মাহফিলে হাজির হয়েছিল। মা-বাবা, বোন, চাচি এমনকি আমার বৃদ্ধ দাদিও ভ্যানে চড়ে চলে এসেছিল আমাকে পাগড়ি প্রদানের শুভমুহূর্ত দেখার আশায়।
আমরা যারা পুরো কুরআন হেফজ করে হাফেজ হয়েছিলাম, মাহফিলের আগে থেকেই সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি পরে অব্যক্ত উত্তেজনায় মাদরাসার এখানে সেখানে ছুটে বেড়াচ্ছি। আমাদের সবারই বয়স ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে, মাথায় সাদা পাগড়ি বাঁধার অপেক্ষায় সাদা সারসের মতো কখনো মাদরাসার দফতরে, কখনো মসজিদে, কখনোবা মঞ্চের পেছনে ছোটাছুটি করছি।
একটু পরই হাজার হাজার মানুষের সামনে মঞ্চ থেকে আমাদের নাম ঘোষণা করা হবে, প্রধান অতিথি আমাদের মাথায় সাদা পাগড়ি পরিয়ে দেবেন, হাফেজরা তো বটেই, সবার পরিবারের সদস্যরাও ঢিবঢিব হৃদয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন কখন আসবে সেই শুভক্ষণ?
হাজারো উপস্থিতির সামনে যখন তাদের সন্তানের নাম ঘোষণা করা হবে, গর্বে বুকটা স্ফীত হয়ে যাবে সবার। কুরআনে হাফেজের মা-বাবা হওয়া, এ কি কম গর্বের বিষয়? মঞ্চের সামনে বসে বাবা-ভাই-দাদা অপেক্ষা করছিলেন, মহিলা প্যান্ডেলে অপেক্ষা করছিলেন মা-বোন-চাচি-দাদি..!
গত ২ এপ্রিল ঠিক এমনই একটা মাহফিল চলছিল আফগানিস্তানের (https://www.rokomari.com/book/61780/%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A 6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AE%E0%A 6%BE%E0%A6%A8?ref=srac_p2) কুন্দুজ প্রদেশের দাশতে আরচি এলাকার একটি মাদরাসায়। মাদরাসার হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ি প্রদান উপলক্ষে মাদরাসা সংলগ্ন মসজিদে জড়ো হয়েছিলেন প্রায় হাজারখানেক মানুষ, যাদের অধিকাংশই হাফেজ ছাত্রদের অভিভাবক, এলাকার সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং মাদরাসাসংশ্লিষ্ট লোকজন।
খবর ছিল, এ মাহফিল উপলক্ষে তালেবানের কয়েকজন শীর্ষ নেতাও উপস্থিত হয়েছেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তালেবানের এই শীর্ষ নেতাদের হত্যা করতে আফগান বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার মাহফিলস্থলে বোমা ও গুলিবর্ষণ করে। মুহূর্তে মসজিদে উপস্থিত মাদরাসাছাত্র, তাদের অভিভাবক, সাধারণ মুসল্লিসহ প্রায় ১০১ জন নিরীহ ব্যক্তি নিহত হন।
তালেবানের কোনো শীর্ষনেতা নিহত হয়েছেন কি-না, সে খবর এখন পর্যন্ত আফগান অফিসিয়াল বা কোনো নিউজ এজেন্সি নিশ্চিত করতে পারেনি।
উল্লেখ্য, এই চপার হেলিকপ্টারটি আফগান সরকারকে দান করেছিল ভারতীয় সরকার এবং এর কারিগরি সহযোগিতা দিয়ে আসছিল মার্কিন বাহিনী।
দুই
একবার চিন্তু করুন, এই বোমা হামলা যদি ১৯৯৮ সালে আমার পাগড়ি প্রদান মাহফিলে করা হতো আর সেই হামলায় আমার বাবা-মা-বোন-দাদি নিহত হতেন এবং ভাগ্যক্রমে আমি বেঁচে যেতাম, তাহলে আমার করণীয় কী হতো?
একজন আফগানি বা একজন তালেবান হিসেবে নয়, আমি আপনাকে একজন মাছে-ভাতে বাঙালি হিসেবেই জিজ্ঞেস করছি আপনার পরিবারের চারজন সদস্যকে আপনার চোখের সামনে বিনা দোষে বোমায় ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে থাকতে দেখার পর মনে মনে আপনি কী শপথ নিতেন?
আপনার কি ইচ্ছা হতো না এই বোমা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে? জীবনের শেষদিন পর্যন্ত হলেও আপনি সেই হত্যাকারীদের খুঁজে বেড়াতেন, আপনার স্বজন হত্যার প্রতিশোধ নিতে তাদেরও হত্যা করার অভিপ্রায় কোনোদিনই আপনি ভুলতে পারতেন না।
অ্যামেরিকান অ্যাসাসিন নামে একটা গল্পের বিষয়ে জানি। যার শুরুতেই দেখা যায়, গল্পের নায়ক তার বাগদত্তাকে নিয়ে একটি সমুদ্রসৈকতে অবকাশ যাপন করছিলো। হঠাৎ সেখানে একদল জঙ্গি হামলা করে এবং নায়কের বাগদত্তা ক্রসফায়ারে নিহত হয়।
পরবর্তীতে বাগদত্তা হত্যার প্রতিশোধ নিতে সাধারণ একজন যুবক থেকে সে যোগ দেয় সিআইএ-র গোপন মিশনে। দীর্ঘ ট্রেনিংয়ের পর সে সেইসব জঙ্গিকে হত্যা করে যারা তার বাগদত্তাকে হত্যা করেছিল।
আপনারা অনেকেই হয়তো হলিউডের এমন গল্পের সঙ্গে পরিচিত। হলিউডের অধিকাংশ অ্যাকশন সিনেমাতে দেখা যায়, নায়কের স্ত্রী-সন্তান বা বান্ধবীকে ভিলেন হত্যা করে। সেই হত্যার প্রতিশোধ নিতে নায়ক প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে একে একে হত্যা করে তার হত্যাকারীদের। কতো উদাহরণ চান?
হলিউডের এমন হাজার হাজার গল্প, উপন্যাস মুভি রয়েছে যেখানে নায়ক তার প্রিয়জন হত্যার প্রতিশোধ নিতে ডজন ডজন ভিলেনকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং যারাই এই হত্যাদৃশ্য দেখে থাকেন তারাই মনে করেন, এমনটিই তো হওয়ার কথা ছিল।
এ প্রতিশোধ নেয়া নায়কের ওপর অন্যতম ফরজ দায়িত্ব। নায়ক যতো নৃশংস কায়দায় ভিলেনকে হত্যা করতে পারে, দর্শক/পাঠক ততো বেশি হাততালি দেয়। এর চেয়ে ন্যায়বিচার আর হতে পারে না, রক্তের বদলে রক্ত! খুনের বদলা খুন!
তিন
তো, মিস্টার আমেরিকা, আপনাদের হিরো প্রতিশোধ নিলে সেটা জাস্টিস, সে আমেরিকান অ্যাসাসিন, সে হিরো; আর আফগান, ইরাকি, সিরীয়, প্যালেস্টাইনীয়, কাশ্মিরি কেউ প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য হাতে অস্ত্র তুলে নিলে সে হয়ে যায় টেরোরিস্ট! কতো বড় মিথ্যুক আপনারা!
নিজেরা বিশ্ববাসীকে টনকে টন মুভি-উপন্যাস গিলিয়ে বলছেন, কিল ফর রিভেঞ্জ-প্রতিশোধের জন্য হত্যা মহাপুণ্য। আর ১৬ বছর ধরে আফগানিস্তানে সাত লাখ মানুষ খুন করার পর সেখানকার কেউ প্রতিশোধ নিতে চাইলে তাকে বলবেন সন্ত্রাসী!
সিরিয়ায় দশ লাখ মানুষ হত্যার পর কোনো সিরীয় নিজের সন্তান হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে ব্রতী হলে তার জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ব্যারেল বোমা! ইরাকের নাবালক কিশোর নিজের মায়ের হত্যার প্রতিশোধে অস্ত্র তুলে নিলে তাকে বলছেন আত্মঘাতী কিশোর। এ কেমন অসভ্য সভ্যতা নির্মাণ করছেন আপনারা? এটাই ন্যায়বিচার?
এই ন্যায়বিচারের বাণী ভরে দিয়েই প্রতিদিন টনকে টন বোমা ফেলছেন আফগান, সিরিয়া আর ইরাকে? বাহ! আপনাদের বুকে থাকলে সেটা প্রাণ, আর আফগানদের বুকে থাকলে সেটা কেবল নিশ্বাস মাত্র! এতোই সস্তা মুসলিমদের প্রাণ?
আমেরিকান কোনো সৈন্য বাগদাদে ইরাকিদের হত্যা করতে এসে নিহত হলে তাকে নিয়ে সিনেমা বানানো হয় অ্যামেরিকান স্নাইপার এবং সেই সিনেমাকে আপনারা অস্কারেও ভূষিত করেন।
আর ব্লাডি আফগানদের নিয়ে বানানো সিনেমা হয় জিরো ডার্ক থার্টি, যেখানে আফগানি মানেই খুনে, নৃশংস মানুষ! বিশ্ববাসীকে মিডিয়া আর চলচ্চিত্র দিয়ে মগজ ধোলাই করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
আমেরিকার দুজন মানুষ খুন হলে প্রতিটা মিডিয়ার হেডলাইন হয় সে খবর। আর আফগানিস্তানে ১০০ জন তাজা প্রাণ বোমায় ছিন্নভিন্ন হয়ে গেলো, অথচ সিএনএন-এ এ সংক্রান্ত কোনো নিউজই পেলাম না, একটা লাইন পর্যন্ত না!
আজকের যে কিশোরের চোখের সামনে কুন্দুজ ম্যাসাকার হলো, সেই কিশোর যদি কাল কাবুল বিমানবন্দরে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ ঘটায়, তখন কাকে আপনি দোষ দিবেন? সে যদি প্রতিশোধের চাপা আগুন বুকে লুকিয়ে একদিন আমেরিকার কোনো শহরের নাইটক্লাবে গিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায়, সে প্রতিশোধকে আপনি কীভাবে বিচার করবেন?
আজকের আমেরিকা কি নিজেই এই সন্ত্রাসের জন্ম দিচ্ছে না? একেকজন মানুষের হত্যাকাণ্ড অন্তত পাঁচজনকে প্রতিশোধ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। তাহলে? কীভাবে আপনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে পারেন?
এই নৃশংস পদ্ধতিতে পৃথিবী থেকে কোনোদিন কি সন্ত্রাস নির্মূল সম্ভব, যেখানে একের হত্যায় প্রতিশোধ নিতে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে পাঁচজন? ১০০ জনের জানাজা থেকে শপথ গ্রহণ করছে বেঁচে থাকা আর ৫০০ জন। কীভাবে আপনি সন্ত্রাসবাদকে সমূলে উৎপাটন করবেন?


বরং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদ প্রসারে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা যদি কেউ পালন করে থাকে, তবে সেটা এককভাবে আমেরিকার অবদান।


মানুষ হত্যার এই মিথ্যা যুদ্ধ আর কতোদিন চালাবেন আপনারা? জঙ্গিবিমান, চপার হেলিকপ্টার আর ড্রোন থেকে স্কাড মিসাইল ছুড়ে যতো মানুষকে হত্যা করেছেন আপনারা, হিসাব রাখুন, এই প্রত্যেক নিহত ব্যক্তির জীবন্ত বংশধররা আমেরিকাকে ঘৃণাই করবে শুধু। সেটা বছরের পর বছর, যুগ যুগ ধরে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলতে থাকবে।
মানুষ হত্যার যে ঘৃণ্য পন্থা আপনারা আবিষ্কার করেছেন, দেখবেন, একদিন এই দানব আপনাদের ঘরে গিয়ে আপনাদেরই তাড়িয়ে ফিরবে।
আজকের আফগানরা হয়তো নিঃস্ব, রিক্ত, দরিদ্র; কিন্তু একদিন তারাও অর্জন করতে পারে অটোমেটিক মারণাস্ত্র। একদিন হয়তো স্কাড ক্ষেপণাস্ত্রভর্তি ড্রোন ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে উড়ে উড়ে শনাক্ত করতে থাকবে সন্ত্রাসীরা কোথায় কোথায় ঘাপটি মেরে আছে।

salahuddin aiubi
04-06-2018, 06:38 AM
আল্লাহর পবিত্র কুরআনের হাফেজদের শাহাদাতে রক্তের বিনিময়ে আফগানিস্তানের মাঠিতেই বিশ্ব সন্ত্রাসী আমেরিকার কবর রচিত হবে এবং আল্লাহর কুরআনের বিধান জারী হবে ইনশাআল্লাহ।
ভাই উনার লেকচার টি সম্ভব হলে দিয়েন ইনশাআল্লাহ হেফাজতে ইসলামী ভাইদের অাল্লাহ তায়ালা গাজওয়ায়ে হিন্দের জন্য কবুল করুন আমিন

জি ভাই! উনার লেকচারটি সম্ভব হলে দিয়েন ইংশাআল্লাহ

অশ্বারোহী
04-06-2018, 08:08 AM
হে আল্লাহ! এই জালেমদেরকে শায়েস্তা করার জন্য আমাদেরকে কবুল করুন!

khalid-hindustani
04-06-2018, 08:43 AM
আফগানিস্তানের কান্দুজ শহরের একটি মাদরাসায় হিফজুলকুরআন সমাপনকারী হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে আমেরিকান বর্বর ড্রোণ হামলায় নিহত শতাধিক শিশুর হত্যাকাণ্ডের খবর ইতিমধ্যে বিশ্ববাসী জেনে গেছে ৷ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদটি প্রচার, ও বিভিন্ন মহল থেকে এর প্রতিবাদ হলেও, যেই গুরুত্ব ও ক্ষোভের সাথে এর প্রচার ও প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ ছিল, সেটি হয়নি ৷ এর কারণ সম্ভবত এটিই যে, এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘাতক হল আমেরিকা আর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে মাদরাসার তালেবেএলেমরা ৷ মুসলিম উম্মাহর অবিসংবাদিত রাহবার কায়েদে জমিয়ত মাওলানা ফজলুর রহমানের ভাষায় ফুটে উঠেছে সেই নির্মম সত্যটি ৷ তিনি বলেছেন, যখন কোনো স্কুলে হামলা হয়, তখন সবাই আমার কান্নার সঙ্গী হয়, কিন্তু যখন মাদরাসার ছাত্রদের হত্যা করা হয়, তখন আমাকে একাই কাঁদতে হয় ৷ সত্যিই, আজকে যদি হামলাকারীর মুখে দাড়ী আর মাথায় টুপি থাকত, তাহলে সন্ত্রাসবাদ নামে সারা বিশ্বজুড়ে শুরু হতো তোলপাড় ৷ কিন্তু যখন ক্লিনসেভ্ড আমেরিকানরা কুরআনের নিস্পাপ টুপিওয়ালা বুলবুলগুলোকে হত্যা করল তখন যেন ওদের মুখে কুলুপ আটা হয়েছে ৷http://worldbangla.com/files/uploads/2018/04/22853040_1711897332215095_5919213458587718247_n-1.jpg (http://worldbangla.com/files/uploads/2018/04/22853040_1711897332215095_5919213458587718247_n-1.jpg) বিশ্ববাসীর সামনে আজ ওদের স্বরূপটা তুলে ধরা দরকার ৷ মিডিয়ার একচোখা নীতিও মানুষের বুঝবার সময় এসেছে ৷ কোথায় আজকে সেই মিডিয়া যারা মালালাকে নিয়ে কান্নার রোল তুলেছিল? ওরা কি আফগান হাফেজ শিশুদেরকে নিয়ে হৃদয়বিদারক কোনো হিস্টোরির কভারেজ দিবে?http://worldbangla.com/files/uploads/2018/04/29790829_1012309818918353_5329410748675624335_n-300x225.jpg (http://worldbangla.com/files/uploads/2018/04/29790829_1012309818918353_5329410748675624335_n.jp g)
কুরআন হিফজের আনন্দে ফুলের মত নিস্পাপ শিশুরা উদ্বেলিত ছিল, উৎসবের আমেজ ছিল তাদের পোশাক পরিচ্ছদে, ড্রোনের অভিশপ্ত বারুদ সেই আনন্দ কেড়ে নিয়ে সজ্জার পোশাককে ভিজিয়ে দিল বুকের তাজা খুনে, এ মর্মান্তিক রক্তলাল উপাখ্যান কি ছাপানো হবে প্রথম আলোর প্রথম পাতাজুড়ে?

তবে ওরা যাই করুক, আমাদেরকে বলে যেতে হবে আমাদের কথা ৷ আমরা প্রতিবাদ জানাবো এই বর্বরতার ৷ আমরা চিৎকার করে ক্ষোভ জানাবো এই হিংস্রতার ৷ পৃথিবীর মানুষ সবাই কিন্তু অন্ধ আর বধির নয় ৷ বিক্ষুব্ধ শান্তিকামী মানুষের প্রচণ্ড ঘৃণার বহ্নিশিখায় জালিমের মসনদ জলেপুড়ে ছারখার হবেই ৷ আজ নয় তো কাল!

আগামী শুক্রবার ৬ই এপ্রিল সকাল নয়টায় মোহাম্মাদপুর আল্লাহ করিম মসজিদের সামনে থেকে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে ইনশাআল্লাহ ৷
ফেসবুক থেকে

khalid-hindustani
04-06-2018, 08:48 AM
ভাই আমি ভিডি্ও খুজে পাচ্ছি না। যদি কেউ খুজে পেয়ে থাকেন তাহলে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো

আলোর মিনার
04-06-2018, 10:46 AM
আল্লাহ তা'য়ালা এমন করে প্রতিটি বিষয়ই বোঝার তাউফিক দান করুন ৷