PDA

View Full Version : জিহাদের আয়াত সমূহ



Sultan mahmud
10-24-2015, 03:26 PM
জিহাদ সম্পর্কিত কোরআন এর
সকল
আয়াতের রেফারেন্স!!
জিহাদ করার সুস্পষ্ট আদেশ ও
না
করার পরিনতি-
২:১৫৪,২:১৯০-১৯৪,
২:২১৬,২:২৪৪,৩:১৪২,১৯৫, ৪:৭১-৭৬,
৪:৭৭-৭৮, ৪:৯৫, ৪:১০০,৮:১২-১৬,৮
:৩৯-৪০, ৯:১৯-২০, ৯:২৯, ৯:৩৮-৪২,
৯:৪৪-৪৯,৯:৭৩,৯:৮১-৮৯,৯:৯৩,
৯:৯৫-৯৬,
৯:১১১, ৯:১২৩,
২২:৩৯,২৫:৫২, ৪৭:৪-৮,
৪৭:২০-২১,৪৭:৩১-
৩৬,৪৮:১৬-১৭,৬১:৪, , ৬১:১০-১৪,
৬৬:৯
জিহাদকারী সৈনিকদের
সাহার্যকারী আল্লাহ্ স্বয়ং-
৩:১৩, ৩:১১১, ৪:৪৫, ৮:৫-১০,
৮:১১-১৯,৯:২৫-২৬, ২৪:৫৫, ২৯:৬৯,
৩৩:৯-১০,৪০:৫১,
৪৮:৪-৭,৬৭:২০,
জিহাদ কার বিরুদ্ধে কেন
এবং
কার জন্য-
২:২২১৬, ২:২১৮, ৯:২৯, ২৬:৬৯, ২৯:৬
জিহাদকারীদের সাথে
নামাজিদের তুলনা-
৯:১৯-২১
জিহাদ কালীন সর্তকতা ও
করনীয়- ৪:৮০-৮৪, ৯:৩-৬
জিহাদ ঘোষনার জন্য
নির্জাতিত
মানুষের প্রার্থনা-
২:২৪৬, ৩:১৯৫, ৪৭:২০
জিহাদ থেকে অনুপস্থিত
থাকার
জন্য নানা রকম বাহানা-
৯:৪২-৪৯, ৯:৮৬-৯৩, ৪৮:১১
জিহাদ থেকে পার্থিব
উন্নতি
প্রধান্য পেলে তার পরিনতি-
৯:৩৮-৪২
জিহাদ থেকে বিরত থাকার
হকদার কে-
৯:৯১-৯২,৪৮:১৬-১৭
জিহাদে অনিচ্ছুক তিন
জনের
অনুতাপ ও ক্ষমা লাভ-
৯:১১৮
জিহাদে অনিচ্ছুক মানুষ পশুর
অধম-
১০০:১-৬
জিহাদে অনিচ্ছুকদের পরিচয়

পরিণতি-
৯:৩৯-৪২,৯:৯০-৯৩, ৯:৯৪-৯৬
জিহাদে অবিশ্বাস
কারীরা
আল্লাহর সাহায্য পাবেনা-
৪৮:২২-২৩
জিহাদে অর্থ সাহার্য করা

না
করার ফলালফল-
২:২৪৫, ৮:৬০, ৯:২০-২২, ৯:৪১,
৪৭:৩৮,৫৭:১০,৫৭:১১-১২,৬১:১০-১২,
৬৪:১৭
জিহাদে আল্লাহ্
মুজাহিদদের
কিভাবে সাহায্য করেন-
৩:১২৬-১২৭,৩:১৫০-১৫৫,
৮:৪২-৪৫,২৭:১৬-২০, ৩৩:৯
জিহাদে ইমানদার ও
মুনাফিকদের
পার্থক্য নির্নয় হয়-
৩:১৫৬-১৬৮, ৩:১৭৩-১৭৫, ৮:৪৭,
৩৩:১০-১৫

জিহাদে ইমানদারগণ বিজয়ি
হলে
মুনাফিকরা কি বলে-
৮:৪৯
জিহাদে কখন মুজাহিদদের
পরাজয় হয়-
৩:১৫২-১৫৩,৩:১৬৫, ৮:১১
জিহাদে বন্ধিদের সাথে
ব্যবহার
বিধি-
৮:৬৭, ৮:৭০-৭১, ৯:৫-৬, ৪৭:৪
জিহাদে বিজয়
সংখ্যাধিক্যের উপর নির্ভর
করেনা-
২:২৪৯-২৫১, ৮:৪৬-৪৮,
৮:৫৯-৬০,৮:৬৫-৬৬
,৯:২৫-২৬
জিহাদে ভিত হয়ে সন্ধি
প্রার্থনা
করা নিষিদ্ধ-৪৭:৩৫
জিহাদে গনিমতের মালের
বন্টন
বিধি-
৮:১, ৮:৪১, ৮:৬৯, ৪৮:১৫, ৪৮:২০-২১,
৫৯:৬-৮
জিহাদে মৃত্যুর ভয়
অবাঞ্চিত-
২:২৪৩
জিহাদে যোগদান করতে
দেয়া
হয়নি কাদেরকে-৯:৪৩-৪৭
জিহাদে জন্য পোশাক ও
অস্ত্র
নির্মান করার আদেশ-
১৬:৮১, ২১:৮০, ৩৪:১০-১১, ৫৭:২৫
জিহাদের ময়দান থেকে
পলায়ন
কারীর পরিনাম-
৪:১০৪, ৮:১৫-১৬, ৮:৪৫-৪৭,
৮:৬০-৬২,
জিহাদের সময় কাফের ও
মুনাফিকদের সম্পর্কে বিশেষ
বিধি-৪:৮৯-৯১,
জিহাদের সময় ধৈর্য ধারন
করা
আবশ্যক-
৩:১৪৬-১৪৮,৩:১৯১-১৯৫, ৪:৯৫-৯৬,
৯:১৯-২০
জিহাদের সৈনীকদের
শ্রেষ্টত্ব
মর্যাদা ও পুরস্কার-
৩:১৪৬-১৪৮, ৩:১৯১-১৯৫,
৪:৯৪-৯৬,৯:১৯-২০, ৬১:৪
হিন্দুস্তানের চুড়ান্ত যুদ্ধ
সম্পর্কিত সহীহ হাদীস সমূহঃ
রাসুল(সা) একদিন পূর্ব দিকে
তাকেয়ে বড় বড় করে নিশ্বাস
নিচ্ছিলেন, এমন অবস্থায় এক
সাহাবি জিজ্ঞাস করল,
ইয়া রাসুল আল্লাহ্,আপনি এমন
করছেন কেন ?
রাসুল (সাঃ) বললেন আমি
পূর্বদিক
থেকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি ।
সাহাবি (রাঃ) জিজ্ঞাস
করলেন,
ইয়া রাসুল (সঃ) কিসের
বিজয়ের
গন্ধ পাচ্ছেন?
রাসুল(সাঃ)বললেন পূর্বদিকে
মুসলিম ও মুশরিক( যারা
মূর্তিপূজা
করে)
তাদের মাঝে একটি যুদ্ধ হবে,
যুদ্ধটা হবে অসম ,
মুসলিম সেনাবাহিনী
সংখ্যায়
খুব কম থাকবে,
এবং মুশরিকরা থাকবে
সংখ্যায়
অধিক।
মুসলিমরা এতে মারা যাবা
যে
রক্তে মুসলিমদের পায়েয়
টাঁকুনু
পর্যন্ত ডুবে যাবে।
মুসলিম রা তিন ভাগে বিভক্ত
থাকবে,
এক সাথে এত বড় মুশরিক
সেনাবাহিনী দেখে ভয়
পেয়ে
পালাবে।
রাসুল(সাঃ) বললেন তারাই
হল
জাহান্নামি।
আর এক ভাগ এর সবাই শহীদ
হবেন।
শেষ ভাগ এ যারা থাকবে,
তারা আল্লাহ্ আর উপর ভরসা
করে
যুদ্ধ করে যেতে থাকবে ,
এবং শেষ পর্যন্ত জয় লাভ
করবেন।
রাসুল (সাঃ) বলেছেন এই
যুদ্ধ,
বদরের যুদ্ধের সমতুল্য।
সুবাহান আল্লাহ।
উনি এই কথাও বলেছেন,
মুসলিম রা যে যেখানেই
থাকুক
না কেন , সবাই যেন ওই যুদ্ধে
অংশগ্রহণ করে।
হযরত সাওবান (রাঃ) হতে
বর্ণিত
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ(সা)
বলেছেন আমার উম্মতের দুটি
দলকে আল্লাহ তায়ালা
জাহান্নাম থেকে মুক্ত ও
স্বাধীন করে দিবেন। একদল হল,
যারা হিন্দুস্থান তথা
ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে।
আরেক দল হল,
যারা শেষ জামানায় হযরত
ঈসা
ইবনে মারিয়ম (আ)এর সঙ্গী
হবে।
(নাসায়ী শরীফ খন্ড-১,পৃষ্ঠা-১
৫২
ও তাবরানী)
এই হাদীসটি অন্য বর্ণনায়
এভাবে
এসেছে, রাসুল (সা) বলেছেন,
আমার উম্মতের দুটি দলকে
আল্লাহ তায়ালা
জাহান্নামের আগুন থেকে
হিফাজত করবেন। একদল হল,
যারা
হিন্দুস্থান তথা
ভারতের বিরুদ্ধে জিহাদ
করবে।
আরেক দল হল,
যারা শেষ জামানায় হযরত
ঈসা
ইবনে মারিয়ম (আ)এর সঙ্গী
হবে।
(মুসনাদে আহমাদ
হাদিস-২২২৯৫,
খ-১৬পৃষ্ঠা-২৯৫, বায়হাকী
খ-৯,পৃষ্ঠা-১৭৬,নাসায়ী শরীফ
জিহাদ অধ্যায়)
হযরত আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত।
রাসূল(সা) বলেছেন,
এ উম্মতের মধ্যে একটি মিশন
সিন্ধু
ও হিন্দুস্থান তথা ভারতের
দিকে পরিচালিত হবে।
আমি যদি এ অভিযান পেয়ে
যাই
এবং জিহাদ করে শহীদ হতে
পারি তাহলে এমনটিই করব।
আর যদি জীবিত ফিরে আসি
তাহলে আমি মুক্ত স্বাধীন,
আবু হুরায়রা হয়ে যাব।
আল্রাহ আমাকে দোযখের
আগুন থেকে মুক্ত করে দিবেন।
(মুসনাদে আহমদ,হাদিস-৮৮০৮,
খ-৯ পৃষ্ঠা-১১)
হযরত আবু হুরায়রা আরও বর্ণনা
করেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে
ভারতের বিরুদ্ধে অভিযান
পরিচালনার ওয়াদা
নিয়েছিলেন।
আমি যদি এ অভিযান পেয়ে
যাই
আহলে আমি যেন আমার জান-
মাল এতে ব্যয় করি।
আর যদি আমি এ যুদ্ধে নিহত হই
তাহলে সর্বশ্রেষ্ঠ শহীদরুপে
পরিগনিত হব।
আর যদি জীবিত ফিরে আসি
তাহলে আমি জাহান্নাম
থেকে
মুক্ত আবু হুরায়রা হয়ে যাব।
(মুসনাদে আহমাদ,হাদিস-৭১২
৮, খ-৬পৃষ্ঠা-৫৩৩, সুনানে কুবরা,
ইমাম নাসায়ী হাদিস ২/৪৩৮৩
খ-৩ পৃষ্ঠা-২৮)
আলোচ্য হাদিস সমূহে
ভারতের
বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ গ্রহনকারী
মুসলিমদের মর্যাদা বর্ণিত
হয়েছে।
অর্থাৎ যে মুসলিম ভারতের
বিরুদ্ধে
লড়াই করে নিহত হবে সে হবে
শ্রেষ্ঠ শহীদ।
আর যে মুসলিম লড়াই করে
জীবিত ফিরে আসবে,
সে হবে জাহান্নাম হতে মুক্ত
স্বাধীন মুসলিম।
এ থেকে আরও প্রতিয়মান হয়
যে,
যদি কোন মুসলিম
ভারতপন্থিদের
হাতে নিহত হয় সেও শ্রেষ্ঠ
শহীদের মর্যাদা লাভ করবে।
আর যদি কোন মুসলিম কোন
ভারতপন্থির হাতে
নির্যাতিত
হবে,
জখমী হবে তাহলে সেও
জাহান্নাম
হতে মুক্তি লাভ করবে
ইনশাআল্লাহ।
উনি বলেছেন খোরাসান
অঞ্ছল
থেকে কালেমা সম্বলিত
পতাকাবাহী এক দল এই যুদ্ধ শুরু
করবে।
পূর্ব দিকে আমরাও ও পড়ি ,
একসময়
আমরাও খোরাসানের
অন্তর্ভুক্ত
ছিলাম যা এখন নেই।
আল্লাহ্ আমাকে ও আমাদের
যেন
ওই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার
তৌফিক
দান করেন ।
আমীন।

(collected)

কাল পতাকা
10-24-2015, 05:13 PM
যাজাকাল্লাহ আখি ,
একটু সন্দর করে দিলে ভাল হত না?

Ahmad Faruq M
10-24-2015, 06:55 PM
জাযাকাল্লাহ আখি। আল্লাহ তায়ালা আপনার এই খেদমতকে কবুল করুন।
ফেইস বুক বা কোন সাইট থেকে সরাসরি এই ফোরামে পোষ্ট না করে সুন্দর করে পেইজ সেট আপ করে পোষ্ট দিলে ভালো হয়।
সকলকে এই ফোরামে পোষ্ট এর স্ট্যান্ডার্ড মান বঝায় রেখে পোষ্ট দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

Sultan mahmud
10-24-2015, 10:52 PM
ইনশাআল্লাহ উওম বিষয় বস্থু অবলম্বন করা হবে....................................