Announcement

Collapse
No announcement yet.

ব্রেকিং নিউজ ! হিন্দুস্তানের চূড়ান্ত লড়াই

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • ব্রেকিং নিউজ ! হিন্দুস্তানের চূড়ান্ত লড়াই

    ব্রেকিং নিউজ ! হিন্দুস্তানের চূড়ান্ত লড়াই অতি নিকটে !!!-১

    বাংলাদেশের হিন্দুরা দেশ ছেড়ে যাচ্ছে কেন?
    ডেস্ক রিপোর্ট «
    ২৩ অক্টোবর ২০১৫, ১৬:৪৫ অপরাহ্ন

    ঢাকা: বাংলাদেশে সরকারি আদমশুমারি অনুযায়ী হিন্দু জনসংখ্যা প্রতি বছরই কমছে। বাংলাদেশে ধর্মীয় বৈষম্য ও নির্যাতনের মুখে এদের বেশিরভাগই ভারতে চলে যাচ্ছে বলে বলা হচ্ছে।
    বাংলাদেশ সরকারের সর্বশেষ আদম শুমারি অনুযায়ী গত দশ বছরে সারা দেশ থেকে প্রায় নয় লাখ হিন্দু বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র গোপালগঞ্জ থেকেই চলে গেছে প্রায় ১৮ হাজার হিন্দু।
    হিন্দুদের দেশ ছাড়ার কারণ খুঁজতে গোপালগঞ্জের এক হিন্দু অধ্যূষিত গ্রামে গিয়েছিলেন বিবিসির আবুল কালাম আজাদ।
    গোপালগঞ্জ জেলার উলপুর গ্রামের কালীমন্দিরের পুরোহিত সন্তোষ কুমার ভট্টাচার্য। জমিদার হিমাংশু রায়ের রেখে যাওয়া বাড়িতেই জন্ম তার। সপরিবারে এই পুরোনো বাড়িতেই এখনো বসবাস করছেন।
    সন্তোষ কুমার ভট্টাচার্য বলছিলেন, এক সময় উলপুর গ্রামটি ছিল শত ভাগ হিন্দু অধ্যুষিত। কিন্তু এখন হিন্দুদের সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে, গ্রামের জনসংখ্যার বেশিরভাগই মুসলিম।
    ‘হিন্দুদের যাওয়ার গতি দেখে মনে হচ্ছে এখনো অনেকে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও যাবে’, জানান তিনি।
    কিন্তু কারণটা আসলে কি? কেন হিন্দুরা দেশ ছাড়ছেন? ‘কারণ... হয়তো এখানে তাদের স্বাধীনতা নেই। সেটাই মনে করে।’
    গ্রামের বাজারে কাঁচি হাতে চুল কাটায় ব্যস্ত নরসুন্দর নিখিল সরকার। গত ৪০ বছর ধরে এটাই তার পেশা। তিনি জানান, মূলত নিরাপত্তার কথা ভেবেই অনেকেই ভারতে পাড়ি জমানোর একটা পথ খোলা রাখেন
    ‘মনে করেন যে এই পাশেও আছে, আবার হয়তো ওই পাশেও (ভারতে) ছেলে-পেলে পাঠায়ে দেছে, ভাই-বেরাদার পাঠায়ে দেছে। অহনে এখানে যারা আছে, তারা শান্তিতে নাই, একটা দোটানার মধ্যে আছে।’
    এই শান্ত সবুজ গ্রামটার বিভিন্ন পাড়ায় চোখে পড়বে অনেক পুরনো দালান-কোঠা। আভিজাত্যের ছাপ স্পষ্ট এসব বাড়ি ঘরে। এক সময়ের হিন্দু জমিদার এবং সম্ভ্রান্ত অনেক হিন্দু পরিবার তাদের এসব ভিটে-বাড়ি ফেলে একদিন পাড়ি জমিয়েছিলেন ভারতে।
    ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর এই দেশ ছাড়ার হিড়িক শুরু হয়েছিল। সেই ধারা এখনো থামেনি।
    উলপুর দক্ষিণপাড়ার রায় বাড়িতে বসে এই সমস্যা নিয়ে কথা হচ্ছিল কয়েকজন গৃহিনীর সঙ্গে।
    ‘ভবিষ্যতে চলে যাওয়ার ইচ্ছে আছে। ছেলে-মেয়ে বড় হচ্ছে। এদের ছেলে-মেয়েদের আর এদেশে রাখার ইচ্ছে নাই’, বলছিলেন একজন।
    ‘আমারও ওই একই কথা। আমাগো দিন তো চলি গেল। কিন্তু আমাগো যে নাতি-পুতি, এগো ভবিষ্যত তো এই জায়গায় হবি না,’ বললেন তার সঙ্গে থাকা আরেক জন।
    আলাপে আলাপে উঠে আসে তাদের নিরাপত্তাহীনতা আর আতংকের বিষয়গুলি।
    দেশ ছাড়ার এরকম ইঙ্গিত থাকলেও ভারতে স্থায়ীভাবে চলে যাওয়ার আগে কেউই বিষয়টি প্রকাশ করতে চান না।
    বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতা কাজল দেবনাথ জানান, কিভাবে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমছে।
    ‘১৯৫১ সালে যে আদমশুমারি ছিল তাতে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২২ শতাংশ। ১৯৭৪ সালের আদমশুমারিতে এটা নেমে আসলো ১৪ শতাংশে। আর সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে এটা নেমে এসেছে ৮.৪ শতাংশে।’
    ‘দেশ ছাড়া কোন সমাধান নয়। আমাকে আমার মাতৃভূমিতে শক্ত করে দাঁড়াতে হবে। আমার কথাটি শক্ত করে বলতে হবে।’
    পূজার ঢোল বাজছে, সারা দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ পূজায় শামিল হয়েছেন। এবার পূজা মণ্ডপের সংখ্যাও বেড়েছে অনেক। কিন্তু এই আনন্দের মাঝেও সবাই জানেন, প্রতি বছর মণ্ডপে পূজারির সংখ্যা কমছে, হারিয়ে যাচ্ছে অনেক চেনা মুখ।

  • #2
    লিঙ্কঃ

    Comment

    Working...
    X