Announcement

Collapse
No announcement yet.

মহৎ ভালোবাসা || ভালবাসার কথামালা || শাইখ আবু হুজাইফা আস-সুদানী হাফিযাহুল্লাহ

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মহৎ ভালোবাসা || ভালবাসার কথামালা || শাইখ আবু হুজাইফা আস-সুদানী হাফিযাহুল্লাহ

    💞💞💞ভালবাসার কথামালা💞💞💞


    শাইখ আবু হুজাইফা আস-সুদানী হাফিযাহুল্লাহ



    প্রকাশকাল: ১৪৪৪ হিজরী মোতাবেক ২০২২ ঈসায়ী



    প্রকাশক: বাইতুল মাকদিস

    🌹🌹🌹মহৎ ভালোবাসা🌹🌹🌹


    পূর্ণাঙ্গ ভালোবাসা ও পরিপূর্ণ আত্মবিলোপ থেকে যা প্রকাশ পায়, তাকেই ইবাদত বলে। আর কিতাল হলো, আল্লাহর নৈকট্য লাভের সর্বোচ্চ মাধ্যম।
    আল্লাহ তায়ালা বলেন-
    يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ أَذِلَّةٍ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ أَعِزَّةٍ عَلَى الْكَافِرِينَ يُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ
    অর্থ: “তিনি তাদেরকে ভালোবাসেন এবং তারাও তাকে ভালোবাসেন, তারা মুমিনদের প্রতি সদয়, আর কাফিরদের প্রতি কঠোর, তারা আল্লাহর রাহে কিতাল করে।” (সূরা মায়েদা: ৫৪)

    ভালোবাসা একটি ইলাহী (ঐশী) বন্ধন।
    আল্লাহর মহত্ত্ব ও তাযীম বেষ্টিত ভালোবাসা।
    তুমি যখন এই ভালোবাসার স্বাদ আস্বাদন করবে, তার আলোসমূহ তোমার হৃদয়ের অলি-গলিতে ছড়িয়ে যাবে, আল্লাহর মাইয়্যতের (সান্নিধ্যের) উষ্ণতা তুমি হৃদয়ে অনুভব করবে। তখনই তুমি তোমার রবের সাক্ষাতের তাড়নায় ব্যাকুল হবে, তাঁর জান্নাতের দিকে উড়ে যাবার জন্য ডানা ঝাপটাবে, রবের ভালোবাসা তোমার হৃদয় সিংহাসনে আসন গেড়ে বসবে, তোমাকে নিয়ে যাবে এই পৃথিবী থেকে দূরে বহু দূরে, মালায়ে আলার (সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ সমাবেশঃ আল্লাহর দরবারে ফেরেশতাদের সমাবেশের) নিকটবর্তী কোন স্থানে। তোমার মন তখন এই নশ্বর পৃথিবীকে ঘৃণা করতে থাকবে। আল্লাহর সাক্ষাত লাভের নেশায় ব্যাকুল হয়ে ঘুরে বেড়াবে।
    আল্লাহর রাস্তায় কিতাল করা, কল্যাণের পথ। এর মাধ্যমে তুমি এই দুনিয়ার মায়া থেকে বের হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে ধাবিত হবে। এটি এমন একটি দরজা যার চাবি হলো, পরিচ্ছন্ন ভালোবাসা। অনন্য ভালোবাসা। এমন একটি আলোদানি যা অন্তর আলোকিত করে। চেহারায় সেই আলোকরশ্মি ফুটে উঠে। এমন বৃষ্টি যা মুষলধারে প্রেরণা বর্ষণ করে। দুনিয়া এবং দুনিয়ার ময়লা থেকে অন্তরকে ধুয়ে মুছে পরিচ্ছন্ন করে। হৃদয়ের গভীরে আল্লাহর ভালোবাসার বীজ বপন করে, দুনিয়ার মোহ ঝেঁটিয়ে বিদায় করে। তখন তুমি এই পৃথিবীকে ঘৃণা করতে থাকো, আর আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাত লাভের নেশায় মত্ত থাকো।
    এই ভালোবাসা প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিস্ময়ের। এই ভালোবাসা থাকলে, তাঁর রাহে জীবন লুটানো খুবই সাধারণ বিষয়। এই ভালোবাসা তোমার মাঝে কিতালের আনন্দের বীজ বপন করে। যুদ্ধকে তৃপ্তি লাভের মাধ্যম বানায়। ময়দানে ময়দানে ঘুরে বেড়ানোর নেশা জাগিয়ে তোলে। আল্লাহর রাহের কিতাল তোমার স্বভাবজাত ভালোবাসায় পরিণত হয়। ভালোবাসাই তোমাকে কিতালে টেনে নিয়ে যায়। আত্মত্যাগ আর আত্মোৎসর্গের জ্বলন্ত অঙ্গারে তুমি গড়াগড়ি খেতে থাকো। এক যুদ্ধ থেকে ফারেগ হবার আগেই আরেক ময়দানের খোঁজে তুমি দিশেহারা হও। এক যুদ্ধের ধুলাবালি ঝেড়ে ফেলার আগেই আরেক ময়দানের দিকে ঘোড়া হাঁকাও।
    এটি এক মহৎ ভালোবাসা। যার কারণে কিতালের রুক্ষ মরুভূমি পরিণত হয় সবুজ উদ্যানে। যেখানে তুমি খুঁজে পাও আনন্দ, প্রশান্তি, স্বস্তি ও সুসংবাদ। তাই রবের প্রতি তোমার ভালোবাসা যত প্রগাঢ় হবে, কিতালের মাঝে তুমি ততই আনন্দ ও প্রশান্তি খুঁজে পাবে। এটাই প্রমাণ করবে, তোমার রব তোমার উপর অনুগ্রহ করেছেন। তিনি তোমাকে সেই সৌভাগ্যবান প্রেমিক মুজাহিদদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যাদের ব্যাপারে তিনি তাঁর পাক কালামে ঘোষণা দিয়েছেন-
    يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ
    অর্থ: তিনি তাদেরকে ভালোবাসেন, আর তারাও তাকে ভালোবাসে। (সূরা মায়েদা: ৫৪)


    ******


    🎤 চলবে... ইনশা আল্লাহ
    Last edited by Munshi Abdur Rahman; 3 hours ago.
    “ধৈর্যশীল সতর্ক ব্যক্তিরাই লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত।”-শাইখ উসামা বিন লাদেন রহ.

  • #3
    জাযাকাল্লাহু খাইরান মুহতারাম ভাই।

    Comment


    • #4
      মাশা-আল্লাহ! সত্যিই ভাববার মত....
      আল্লাহ তাআ'লা আমাদেরকে প্রকৃত প্রেমিক হওয়ার তাওফিক দান করুন, আমিন!
      হয় শাহাদাহ নাহয় বিজয়।

      Comment


      • #5
        হে আল্লাহ তোমার নৈকট্য প্রাপ্ত বান্দা বানাও, তার জন্য যা যা করতে হয় তা করার তাউফিক দান কর।

        Comment


        • #6
          জাযাকাল্লাহু খাইরান, মুহতারাম ভাই।

          Comment


          • #7
            وَعَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى إِذَا أَرَادَ بِعَبْدٍ خَيْرًا اسْتَعْمَلَهُ» . فَقِيلَ: وَكَيْفَ يَسْتَعْمِلُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «يُوَفِّقُهُ لِعَمَلٍ صَالِحٍ قَبْلَ الموتِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
            -[৫] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নিশ্চয় নবী (সা.) বলেছেন : আল্লাহ তা’আলা যখন কোন বান্দার কল্যাণ কামনা করেন তখন তাকে ভালো কাজে নিয়োজিত করেন। প্রশ্ন করা হলো- হে আল্লাহর রসূল! কিরূপে তার দ্বারা ভালো কাজ করান? তিনি (সা.) বললেন : মৃত্যুর আগে তাকে ভালো কাজ করার তাওফীক দান করেন। (তিরমিযী
            পৃথিবীর রঙ্গে রঙ্গিন না হয়ে পৃথিবীকে আখেরাতের রঙ্গে রাঙ্গাই।

            Comment

            Working...
            X