ইসলাম ও গণতন্ত্র
।।মাওলানা আসেম উমর রহিমাহুল্লাহ।।
এর থেকে–অষ্টাবিংশ পর্ব
।।মাওলানা আসেম উমর রহিমাহুল্লাহ।।
এর থেকে–অষ্টাবিংশ পর্ব
সতর্কবাণী
জিহাদে হিন্দের এই ফযিলত কেবল তারাই পাবে যারা আল্লাহর দ্বীনকে বুলন্দ করার জন্য হিন্দুস্তানে জিহাদ করবে। আর যদি কেউ নিছক জাতীয় অথবা দেশপ্রেমের কারণে যুদ্ধ করে, তারা এই ফযিলত পাবে না।
সুতরাং হিন্দুস্তানের হে মুসলমানেরা! রহমাতুল্লিল আলামীন যেই জিহাদের এত ফযিলত বর্ণনা করেছেন, সেই জিহাদ করা কতই না সৌভাগ্যের বিষয়! আল্লাহ তায়ালা আপনাদেরকে এই সুযোগ দান করেছেন, আপনারা এই ফযিলত হাসিল করুন। আর হযরত আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুর বাক্যমালা বলছে- যারা এই জিহাদে শহীদ হবে, তারা উত্তম শহীদদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর যারা গাজী হয়ে ফিরবে, তাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দেয়া হবে।
দিল্লির জামে মসজিদের ‘আযমত’ আপনাদের অতীত স্মৃতিকে তাজা করে যে এই মাটিতে হিন্দুদের মন্দিরের ঘুণ্টি এবং শিঙ্গার বিজয় নয় বরং তাকবিরের ধ্বনিই চুতুর্দিকে গুঞ্জরিত হওয়া উচিত... ।
জামে মসজিদের সামনের লালকিল্লা হিন্দুদের হাতে তোমাদের পরাজিত হওয়া এবং দাঙ্গায় কচুকাটা হওয়ার কারণে রক্তাশ্রু ঝরাচ্ছে। যেই কিল্লায় ব্যালথাকারের পূর্বপুরুষ তোমাদের আসলাফের নিকট জীবন ভিক্ষার জন্য আসত, আজ সেই লাল কিল্লাকে তোমাদের তরুণদের জন্য টর্চারসেলে রূপান্তর করা হয়েছে... ।
তোমাদের বিজয়ের প্রতীক কুতুব মিনার, তোমাদেরকে কি এ কথা বোঝানোর জন্য যথেষ্ট নয় যে, যেই জমিনে একবার মুসলমানদের কদম পড়ে, সেখানে অহর্নিশ মসজিদের শাসনই থাকা উচিত। মসজিদ এবং মসজিদওয়ালাদেরই সেখানে বিজয়ী এবং শাসক থাকা উচিত? কারণ তারাই শুধু আল্লাহকে মানে। বাকি সবাই আল্লাহদ্রোহী। সুতরাং আল্লাহদ্রোহীরা কখনো আল্লাহবিশ্বাসীদের উপর শাসন করতে পারে না, রাজত্ব করতে পারে না। আল্লাহর দুশমনেরা আল্লাহর দোস্তদের থেকে অধিক সম্মানিত হতে পারে না। তোমরা রক্তপাত ও মৃত্যুর ভয় কেনো কর? তোমরা তো সেই জাতি যারা পানিপথে একাধিকবার ময়দান শোভিত করেছ...।
আল্লাহ তোমাদেরকে জ্ঞান-বুদ্ধি দান করেছেন। তোমরা নিজেরাই ফয়সালা কর যে, পানিপথের রক্তপাত ভালো ছিল নাকি গুজরাট, আহমাদাবাদ, দিল্লী ও আসামে ঘটে যাওয়া দাঙ্গা...?
হিন্দুদের সামনে মাথা নতকারীরাই বেশি জ্ঞানী, নাকি যারা শামেলীর ময়দানে গিয়ে কালের ফেরাউনের সামনে সিনাটান করে দাঁড়িয়েছিল...?
পদ-পদবী ও ক্ষমতা নিয়ে যারা মুসলমানদেরকে গোলাম বানিয়েছে, তারা তোমাদের আইডল, নাকি যারা তোমাদের আযাদী ও ইজ্জতের জন্য ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলেছেন… কালাপানিতে জীবন কাটিয়েছেন... জ্বলন্ত লৌহদন্ডের ছেঁকা সহ্য করেছেন... যারা তাদের মাদরাসাকে হুমকির মধ্যে ফেলেছেন... নিজেদের পদ কুরবানি করেছেন... সহায় সম্পত্তিহারা হয়েছে... কিন্তু এরপরও কাফেরদের গোলামী কবুল করেননি???
বল, কারা তোমাদের আইডল, কারা তোমাদের আদর্শ...!
দুর্বলতা তো তোমাদের আপত্তি হতে পারে না। তোমরা তো এখনো মাইসুরের বাঘকে ভোলোনি... ৷ নিঃশ্বাস চলাচলের নাম তো জীবন নয়... । জীবন তো সম্মান ও আত্মসম্মানের নাম। এ দুটো যদি থাকে আর নিঃশ্বাস ফুরিয়ে যায়, জাতি তবু মরে না, চিরদিনের জন্য অমর হয়ে থাকে... । কিন্তু এ দুটি যদি মারা যায়, তবে সে জাতি বেঁচে থেকেও মৃত... যদিও হাজার বছর নিঃশ্বাস চলাচল করে'।
তোমাদের গুরুজন শেরে মাইসুর তো তোমাদেরকে এই রহস্যই বুঝাতে চেয়েছেন। ভারতীয় পুলিশের বেয়েনেটের ছায়ায় কয়েকটা শারিরীক ইবাদত করার নামই যদি ধর্মের স্বাধীনতা হয়, তবে দিল্লি এবং লক্ষনৌ'র সেসব আল্লাহওয়ালাদেরও এই স্বাধীনতা ছিল, যারা ঘর-বাড়ি ছেড়ে বালাকোটে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শাহাদতের পিয়ালা পান করেছেন, দূর দেশে সমাধিস্থ হয়েছেন...!
হে যুবক ভাইয়েরা! তোমরা কি বাবরী মসজিদের শাহাদতের দিনকে ভুলতে পারবে? এর পরে ঘটে যাওয়া দাঙ্গা... প্রতিটি ঘরে ঘরে তোমাদের যুবকদের লাশ আর লাশ... হিন্দুদের বিজয়ের দিন... একটু স্মরণ কর! সেদিন হিন্দুদের কেমন আনন্দের দিন ছিল...! মনে হচ্ছিল তারা তোমাদের থেকে হাজার বছরের গোলামীর বদলা নিচ্ছে...। না কখনোই না...। তোমরা ভুলতে চাইলেও সেই দিনের কথা ভুলতে পারবে না...। নিজেদেরকে ধোঁকা দিয়ো না...। সেই স্পৃহার কথা স্মরণ কর যখন তোমরা ভারতীয় পুলিশের গুলির সামনে সিনা টান করে অগ্রসর হচ্ছিলে...। সেই জাগরণ... সেই উদ্যম... সেই ক্রোধ... সেই ঝড়... যা তোমাদের বক্ষে জেগেছিল, তা আবার জাগাতে হবে... । তাদেরকে জিহাদের মাত্র একটা স্ফুলিঙ্গ দেখাতে হবে...। জি হ্যাঁ...! গোটা বিশ্বের মুসলমান আজ এই কুফরি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। আফগানিস্তানকে দেখো... । তালেবান শুধু আল্লাহর মদদের উপর ভরসা করে দুনিয়ার প্রভু আমেরিকা এবং তাদের প্রযুক্তিকে তুষ/ভূষি বানিয়ে দিয়েছে...। গোটা বিশ্বের মুসলমান এই পবিত্র মাটি থেকে জিহাদ শিখেছে এবং নিজ নিজ দেশে আল্লাহ্র নিযাম ও আইনকে বুলন্দ করার জন্য জিহাদের ময়দান জীবন্ত করেছে। জিহাদের ময়দান এখন হিন্দের মুসলমানদের অপেক্ষায়....হিন্দের নওজোয়ানদের অপেক্ষায়... ।
হে নওজোয়ান! সে সব ভীতুদের কথায় কান দিয়ো না যারা হিন্দুস্তানের শক্তির ভয় দেখায়। জিহাদের শক্তি যদি আমেরিকাকে নাকানি-চুবানি খাওয়াতে পারে, তবে হিন্দুদের মত ভীতুরা তোমাদের সামনে কয় দিন দাঁড়াতে পারবে? তা ছাড়া এই বাহু তো তোমাদেরকে বহুবার পরীক্ষা করেছে! এরা শুধু অসহায় দুর্বল শিশু, নারী এবং বৃদ্ধ মুসলমানদেরকে মারতে পারে...। হিন্দু মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে তালেবান এবং ইসলামের মুজাহিদদের মোকাবেলা করা শিক্ষা দেয়নি... । মনে রেখো, হিন্দু একটি ধূর্ত দুশমন। যারা তোমাদেরকে ধূর্ত শ্লোগান দ্বারা তোমাদেরকে গোলাম বানিয়ে রেখেছে। ময়দানে এরা তোমাদের মোকাবেলা করতে পারবে না।
জাগো...! জাগো...! আল্লাহর জন্য জাগো...! হিন্দুদের গোলামীর শৃঙ্খল থেকে বের হওয়ার জন্য। ইজ্জতের রাস্তায় বেরিয়ে আসো... । দিল্লি হিন্দুদের নয়, তোমাদের...।
সেখানে হিন্দুদের তরঙ্গা নয়, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঝাণ্ডা উড়বে। আমাদের প্রিয়তম নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যতবাণী বাস্তবায়নের সময় সন্নিকটে। তোমরা হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে জিহাদ করবে আর হিন্দুনেতাদেরকে জিঞ্জির পরাতে থাকবে। তোমাদের বুযুর্গ-গুরজন নেয়ামতুল্লাহ শাহ অলি রহমাতুল্লাহি আলাইহির ভবিষ্যতবাণী-সীমান্ত প্রদেশ এবং উপজাতি কবিলার আত্মমর্যাদাবোধওয়ালা মুসলমান বাহাদুর বাঘের মত উঠবে এবং দিল্লি, দক্ষিণ, পাঞ্জাব এবং গোটা ভারতকে জয় করবে... । জি হ্যাঁ, সীমান্ত ও উপজাতি অঞ্চলে- ইনশাআল্লাহ লশকর তৈয়ার হচ্ছে, যারা গোটা উপমহাদেশে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরীয়ত প্রবর্তন করবে।
হে হিন্দুস্তানের যুবকেরা! আমাদের সবার মনিব প্রিয়তম নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কথা বলেছেন, তা অবশ্যই সত্য প্রমাণিত হবে। সমস্ত হিন্দু শক্তি এবং ভারতের এসব টেকনোলজি আমার প্রিয়তম সত্য নবীর কথাকে ভূল প্রমাণিত করতে পারবে না। হিন্দুস্তানের মাটিতে আবারও মুহাম্মাদে আরাবীর ঝান্ডা উড়বে । মুজাহিদরা এই মাটি জয় করবেন। তারা এখানে আবার ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা করবেন... ।
তাই এই ফযিলত অর্জন করার জন্য, নিজেকে এই জিহাদে শরিক করার জন্য, জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়। জিহাদের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ কর। জিহাদ ফরযে আইন হওয়ার সুরতে জিহাদের প্রশিক্ষণ নেয়া প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরয। হিন্দুস্তানের উপর জিহাদ আজ ফরয হয়নি, ইংরেজরা যেদিন হিন্দুস্তান দখল করে, সে দিনই ফরযে আইন হয়েছে। এরপর হিন্দুদের হাতে মুসলমানদের রক্তপাত এই ফরযকে আরও মজবুত করেছে। এরপরও যদি কারো সন্দেহ থেকে থাকে তো বাবরি মসজিদের শাহাদত তো সব দলিলই পূর্ণ করে দিয়েছে...।
আমাদেরকে গণহত্যা করা অথবা আমাদেরকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা…আমাদের সহায় সম্পত্তি লুট করা কিংবা আমাদের বোন মেয়েদের সম্ভ্রমহানি করা... এগুলো কয়েকজন কট্টোরপন্থি হিন্দুদের কাজ নয়। এগুলোর সাথে ভারতী রাষ্ট্র অর্থাৎ ইন্টিলিজেন্স, বুরোক্রেসি (Bureaucracy-আমলাতন্ত্র), পুলিশ এবং সেনাবাহিনী- সবাই জড়িত। আমাদের ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ বাধার জন্য কখনো কংগেস আমাদের শুভাকাঙ্খি হয়ে ময়দানে আসে । কখনো অন্য কোনো দলকে সামনে আনা হয়। মনে রাখবেন, الكفر ملة واحدة সমস্ত কাফের এক ও অভিন্ন। সুতরাং এরা শুধু ধোঁকা দেয়ার জন্য মায়াকান্না করে। তা ছাড়া ভেতরে ভেতরে সবাই আমাদেরকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য অথবা আমাদের রক্তধারাকে হিন্দু বানানোর জন্য এক।
আপনারা খুব ভালো করেই জানেন যে, হিন্দুরা এমন নীচু শত্রু, শক্তিই যাদের একমাত্র ভাষা । কমজোর শক্রদের সাথে দলিল-প্রমাণ বা সংলাপ করা তাদের ধাতে নেই। যে মার খাচ্ছে তাকে আরো মারো... যে দলিত হচ্ছে তাকে আরো নিম্পেষিত কর...। এগুলোর দ্বারা তারা খুব তৃপ্তি পায়, সুখ অনুভব করে। তোমরা কি ভারতের প্রাচীন বাসিন্দাদের অবস্থা দেখোনি? হিন্দুরা প্রথমে তাদের উপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায়, তাদের অসংখ্য মানুষকে হত্যা করে। বাকিদেরকে জোরপূর্বক হিন্দু বানায়। তাদের জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য তাদের ইতিহাসকেই বিকৃতি করে ফেলেছে। শেষে তাদেরকে সুইপার এবং চামার সাব্যস্ত করে অচ্ছুত বানিয়ে রেখেছে। তারা যখন এই অবস্থানকেই অবচেতনভাবে মেনে নিয়েছে এবং ব্রাহ্মণরা যখন নিশ্চিত হয়েছে যে, বিদ্রোহের আর কোনো লক্ষণ নেই, এবার তারা এদের জন্য কয়েকটি ক্ষেত্রে চাকরি কোটা এবং কিছু সুযোগ সুবিধা দিয়েছে... । যারা তাদের ধর্মও গ্রহণ করে নিয়েছে, তাদের সাথেই ব্রাহ্মণদের এই আচরণ। এবার আপনারা আপনাদের ব্যাপারে তাদের ঘৃণা এবং দুশমনির মান পরিমাণ অনুমান করতে পারেন। এরা হল মুসলমানদের আদি দুশমন... । আমাদের আর তাদের ইতিহাসই হল শক্রতার ইতিহাস... ৷
আমার ভাইয়েরা ধোঁকা খেয়ো না... প্রতারিত হয়ো না...! ক্ষমতা তাদের হাতে। তাদের পলিসি হল, শিক্ষা ব্যবস্থার উপর ব্রাহ্মণদের নিয়ন্ত্রণ...। এই ময়দানে তারা তোমাদেরকে কখনোই সামনে এগুতে দিবে না। উপরে উঠতে দিবে না। তোমরা মুসলমান হয়ে কি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি হতে পার? সেনাবাহিনীর গুরুতৃপূর্ণ পদে কি তোমাদের স্থান হয়? এ ক্ষেত্রেও তারা তোমাদেরকে ধোঁকা দেয়। গুরুতৃপূর্ণ কিছু উচ্চপদে মুসলমান নামধারী কাদিয়ানীদেরকে বসায়। যাতে মুসলমানরা তৃপ্ত থাকে, নিশ্চিন্ত থাকে। অথচ যাদেরকে ডিসপ্লে করা হয় এরা তো হিন্দুদের থেকেও নিকৃষ্ট, হিন্দুদের থেকেও বড় মারাত্মক। যারা মুসলমানদের মত নাম ধারণ করলেও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুশমন এবং প্রিয় নবীজির সাথে ধৃষ্টতাকারী। এদের ঘরে ঘরে মন্দির, এরা মুসলমান হতে পারে কি করে?
এজন্য ব্রাহ্মণদের গোলামি থেকে মুক্তি, ভারতীয় জুলুম থেকে আযাদী এবং নিজেদের হারানো সম্মান ও প্রতাপ ফিরে পাওয়ার পথ একটাই- যা ইমামুল আম্বিয়া হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বলে দিয়েছেন। এই উম্মতের যিল্লতির কারণ জিহাদ ত্যাগ করা। যত দিন পর্যন্ত এরা আবার জিহাদের ময়দানে ফিরে না আসবে, তত দিন পর্যন্ত এদের যিল্লতি ও লাঞ্ছনার বিভিষিকা দূর হবে না।
ওই দেখো...! মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি খিত্তা থেকে জিহাদের ডাক তোমাদেরকে পয়গাম দিচ্ছে, মুসলিম উম্মাহর নতুন ভোর উদয় হয়েছে। শরীরে বিস্ফোরক বেঁধে কাফেরদের সারির ভেতর প্রবেশকারী আত্মমর্যাদাশীল বোনেরা তোমাদের আত্মমর্যাদাকে জাগিয়ে দিচ্ছে যে, হে হিন্দুস্তানের ভাইয়েরা! আল্লাহ তায়ালা জিহাদের ভেতর এমন শক্তি রেখেছেন, কাফেরদের বিয়াল্লিশটি দেশ মিলেও তার মোকাবেলা করতে পারবে না। প্রভুত্বের দাবিদার আমেরিকা তার অত্যাধুনিক ড্রোন এবং স্যাটেলাইট থাকা সত্ত্বেও তার হেডকোয়ার্টার পেন্টাগন এবং কাবুলে বেসক্যাম্প বাগরামকে রক্ষা করতে পারে না...। মাত্র কয়েকজন ফিদায়ী নওজোয়ান আল্লাহর মদদে তা ধ্বংস করতে পারে।
ইয়ামান এবং সিরিয়াকে দেখো...! দজলা ও ফুরাতের (ইরাক) মাটি থেকে ভেসে তোমাদের মুজাহিদ ভাই, অস্ত্র সজ্জিত হয়ে, হাতের তালুতে জীবন নিয়ে, জান্নাতের বিনিময়ে জীবন বিক্রেতা... । নওল কিশোরও রয়েছে, তারুণ্যদীপ্ত যুবকও রয়েছে, তোমাদের মা-বোনেরাও রয়েছে, রয়েছে শুভ্র শশ্রুর এই উম্মতের বয়জেষ্ঠরাও...। সবাই তোমাদের অপেক্ষায় রয়েছে। এরা সবাই হিন্দের মুসলমানদের সাথে রয়েছে। মুহাম্মাদের রবের কসম! একবার তোমরা জিহাদের জন্য দাঁড়িয়ে যাও, দেখবে, ফিলিপাইন থেকে মারাকিশ পর্যন্ত সমস্ত মুজাহিদ তোমাদের সাথে রয়েছে। মক্কা-মদীনার রাজপুত্ররা, সিরিয়া ও ফিলিস্তিন, মিশর ও লিবিয়া, আলজেরিয়া ও মারাকিশ- সবাই একত্রিত হয়ে এদিক থেকে আসতে থাকবে, যেখান থেকে প্রতি যুগে হিন্দুস্তানে ইসলামের ঝাণ্ডা উড়ানো হয়েছে। খোরাসান, আফগানিস্তান শুধু তোমাদের আহ্বানের অপেক্ষায়। এরপর দেখবে, তোমরা যেখানে অশ্রু ফেলবে, এরা সেখানে রক্ত ঝরাবে। যে সব হাত তোমাদের নিঃস্পাপ শিশু ও নিরাপরাধ মা- বোনদেরকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে, এরা সে সব হাত কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলবে। বদর ও হুনাইনের রবের কসম! এরা নিকৃষ্ট হিন্দুদের জনবসতিকে পানিপথ বানিয়ে দিবেন। আপনারা একবার আপনাদের ভাইদেরকে ডাক দিয়ে দেখুন...। এরা তো তাদের জীবন বিক্রি করেছেই এজন্য যে, যাতে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হৃত সম্মান ফিরে পায়...। কাফেরদের গোলামী থেকে মুক্তি পেয়ে আল্লাহর বান্দা হয়। কাফেরদের জীবনব্যবস্থার সাথে বিদ্রোহ করে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনীত সত্য জীবনব্যবস্থা অনুযায়ী জীবন যাপনকারী হয়....।
আর বিলম্ব নয়...। আর একজন বোনের ওড়নায় হাত দেয়ার পূর্বেই... জেগে ওঠো...। আর একবার মুসলমানদেরকে একত্রিত কর, তেল ঢেলে জীবন্ত পুড়ে মারার পূর্বেই... তোমাদের ভাইদেরকে ডাক দাও...। হে মুহাম্মাদ বিন কাসিম ও গজনবীর সন্তানেরা...! হে আওরঙ্গজেব ও আবদালীর জানেশীনরা...! ওঠো... জেগে ওঠো...। তোমাদের যিল্লতি ও লাঞ্ছনার উপাখ্যান তো অনেক লিখিত হয়েছে।
এবার তোমরা আল্লাহ এবং তার রাসূলের দুশমনদের প্রতিটি জনবসতিকে পানিপথ বানিয়ে দাও। সময়ের দাবি আরেকটি পানিপথ মঞ্চস্থ করা। প্রিয়, এখনি ওঠো...। আল্লাহর ঘর অনেক ধ্বংস করা হয়েছে...। এটা জিহাদের যুগ... জেগে ওঠার যুগ...। জেগে ওঠো...মূর্তিভরা এ সব মন্দিরকে সোমনাথ বানিয়ে দাও...। ইবরাহীম আলাইহিস সালামের প্রিয় সুন্নাতকে যিন্দা কর। অস্ত্র হাতে নাও আর ব্রাক্ষনদের সামনে ঘোষণা কর….
تکبيرسے کانپ اٹتا ہے صنم خانہ بھارت
اٹھے تھے مسلمان جب اللہ کے سھارے
اک اک بھڑک اٹھے گی جل جاۓگا بھارت
برسےگے مری توّپ سے آتش کی شرارے
توحی کے فرزند ابھی شمشیر بکف ہیں
آئيں تو مقابل ذرا ھندو کے دلارے
ہمیں رب شہداۓ امت کی قسم ہے
بھارت کو دکھاديں گے جہنم کی نظارے
আরও পড়ুন
সপ্তবিংশ পর্ব ---------------------------------------------------------------------------------- শেষ পর্ব
Comment