আল হিকমাহ মিডিয়া পরিবেশিত
ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১
বিজয়ের সোপান
।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি ।।
[আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ– ।।
–।।থেকে- চতুর্থ পর্ব
ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১
বিজয়ের সোপান
।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি ।।
[আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ– ।।
–।।থেকে- চতুর্থ পর্ব
দ্বিতীয় কারণ:
ইহুদি-খ্রিস্টানদের সাথে বন্ধুত্ব, মাত্রাতিরিক্ত পন্থায় তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ, মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদেরকে সাহায্য দান এবং তাদের সাহায্য নিয়ে মুজাহিদদের ক্ষতিসাধন।
আল্লাহ তা’আলা তাঁর কিতাবে বিভিন্ন জায়গায় আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, কাফেরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এই কালিমা তথা ঈমান ভঙ্গের একটি অন্যতম কারণ, যা স্পষ্ট কুফরী। এর দ্বারা একজন ব্যক্তি ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُونَ إِلَيْهِم بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوا بِمَا جَاءَكُم مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُونَ الرَّسُولَ وَإِيَّاكُمْ أَن تُؤْمِنُوا بِاللَّهِ رَبِّكُمْ إِن كُنتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِي سَبِيلِي وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِي تُسِرُّونَ إِلَيْهِم بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ وَمَن يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيلِ ﴿الممتحنة: ١﴾
‘মু’মিনগণ, তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা তো তাদের প্রতি বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাও, অথচ তারা যে সত্য তোমাদের কাছে আগমন করেছে, তা অস্বীকার করছে। তারা, রাসূলকে ও তোমাদেরকে বহিষ্কার করে এই অপরাধে যে, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস রাখো। যদি তোমরা আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্যে এবং আমার পথে জিহাদ করার জন্যে বের হয়ে থাকো, তবে কেনো তাদের প্রতি গোপনে বন্ধুত্বের পয়গাম প্রেরণ করছ? তোমরা যা গোপন করো এবং যা প্রকাশ করো, তা আমি ভালোভাবেই জানি। তোমাদের মধ্যে যে এটা করবে, সে সরলপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যাবে’।[1]
শাইখ আস-সাদী রহিমাহুল্লাহ উক্ত আয়াতে কারীমার তাফসীরে লিখেন- “এ জাতীয় আয়াতে কাফের, মুশরিক ও বিজাতীয়দের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনের ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে”।
ঘোষণা করা হয়েছে যে, এ জাতীয় কার্যকলাপ ঈমান বিধ্বংসী, মিল্লাতে ইবরাহীমের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং সুস্থ জ্ঞানেরও বিরোধী। সুস্থ জ্ঞানের বিচার হলো, শত্রুকে পরিপূর্ণরূপে বর্জন করা। কারণ যে শত্রু, শত্রুতার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি করে না, প্রতিমুহূর্তে সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ক্ষতিসাধনের ফিকিরে থাকে। কেমন করে এবং কোন যুক্তিতে তাকে বর্জন না করা যেতে পারে? তাই, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন : - آمَنُوا অর্থাৎ তোমরা তোমাদের ঈমানের দাবী অনুযায়ী কাজ করো। সে লক্ষ্যে যারা ঈমান এনেছে, তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করো এবং যারা ঈমানের সঙ্গে শত্রুতা করেছে তোমরাও তাদের প্রতি শত্রুতা পোষণ করো। কারণ, তারা আল্লাহর শত্রু এবং মু’মিনদের শত্রু। وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُونَ إِلَيْهِم بِالْمَوَدَّةِ - অর্থাৎ তাদের বন্ধুত্বের পথে অগ্রসর হয়ো না এবং বন্ধুত্বের কারণগুলো সংঘটিত করো না। কারণ, বন্ধুত্ব স্থাপন হয়ে গেলে তোমাদের দিক থেকে তাদেরকে সাহায্য সহযোগিতাও শুরু হয়ে যাবে। যার ফলে তোমরা ঈমানের গণ্ডি থেকে বের হয়ে কাফেরদের দলভুক্ত হয়ে যাবে।
কাফেরকে বন্ধু বানানো সাধারণ ভদ্রতারও খেলাপ। একজন মু’মিন কীভাবে তাঁর চিরশত্রুকে বন্ধু বানাতে পারেন, যে কিনা প্রতি মুহূর্তে তাঁর অনিষ্ট কামনা করে? তাঁর রব এবং তাঁর অভিভাবকের বিরোধিতা করে? যে রব তাঁকে কল্যাণ দান করতে চান? যে রঁব তাকে কল্যাণের পথে চলতে আদেশ দান করেন এবং উৎসাহ প্রদান করেন?
কাফেরদের প্রতি শত্রুতা পোষণে মু’মিনদেরকে অনুপ্রাণিত করার মত আরও একটি বিষয় হলো এ কথা চিন্তা করা যে, কাফেররা মু’মিনদের নিকট যে সত্য এসেছে তা অস্বীকার করে। এর চেয়ে বড় বিরোধিতা কী হতে পারে যে, তারা আমাদের ধর্মকে অস্বীকার করে এবং দাবি করে যে, তোমরা পথভ্রষ্ট এবং বিপথগামী?”
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আরও ইরশাদ করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ قَدْ يَئِسُوا مِنَ الْآخِرَةِ كَمَا يَئِسَ الْكُفَّارُ مِنْ أَصْحَابِ الْقُبُورِ ﴿الممتحنة: ١٣﴾
‘মু’মিনগণ, আল্লাহ যে জাতির প্রতি রুষ্ট, তোমরা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো না। তারা পরকাল সম্পর্কে নিরাশ হয়ে গেছে যেমন কবরস্থ কাফেররা নিরাশ হয়ে গেছে’। [2]
ইমাম ইবনে কাসীর রহিমাহুল্লাহ উক্ত আয়াতের তাফসীরে লিখেন-
“আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা সূরার শেষাংশে কাফেরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে নিষেধ করছেন, যেমনিভাবে সূরার প্রথমাংশে নিষেধ করেছেন। অতএব, তিনি বলেন - يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ - অর্থাৎ ইহুদি খ্রিস্টানসহ আরো যত কাফের গোষ্ঠী রয়েছে; যাদের ওপর আল্লাহ তা’আলা ক্রোধান্বিত, যাদেরকে তিনি লা'নত দিয়েছেন, আল্লাহর সঙ্গে যাদের রয়েছে দূরত্ব— তাদের তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। কীভাবে তোমরা তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করতে পারো? তাদেরকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে পারো? তারা তো আখিরাতের ব্যাপারে নিরাশ হয়ে গিয়েছে। আখিরাতের জন্য যে সমস্ত নেয়ামত এবং প্রতিদানের ফয়সালা আল্লাহ তা’আলা করে রেখেছেন, তারা তা থেকে নিরাশ হয়ে গিয়েছে!”
আল্লাহ তা’আলা আরও ইরশাদ করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَىٰ أَوْلِيَاءَ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ﴿المائدة: ٥١﴾
‘হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদি ও খৃস্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করবে না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না’।[3]
ইমাম তাবারী রহিমাহুল্লাহ নিজ তাফসীর গ্রন্থে মুফাসসিরদের একাধিক উক্তি উদ্ধৃত করার পর লিখেছেন-
“সর্বাধিক বিশুদ্ধ বক্তব্য হলো, আল্লাহ তা’আলা সর্বশ্রেণীর মু’মিনদেরকে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ﷺ প্রতি ঈমান আনয়নকারীদের পরিবর্তে ইহুদি-খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু বানানো ও অন্তরঙ্গ হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আল্লাহ্, তাঁর রাসূল ﷺ এবং মু’মিনদের বিপরীতে যে ব্যক্তি তাদেরকে বন্ধু, অভিভাবক ও সাহায্যকারীরূপে গ্রহণ করবে, আল্লাহ্, তাঁর রাসূল ﷺ ও মু’মিনদের বিরুদ্ধে দলবদ্ধতায় সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল ﷺ এমন ব্যক্তির ব্যাপারে সম্পূর্ণরূপে দায়মুক্ত’।
আল্লাহ তা’আলা নিজ কিতাবের অন্যত্র ইরশাদ করেন-
لَّا يَتَّخِذِ ٱلْمُؤْمِنُونَ ٱلْكَٰفِرِينَ أَوْلِيَآءَ مِن دُونِ ٱلْمُؤْمِنِينَ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ فَلَيْسَ مِنَ ٱللَّهِ فِى شَىْءٍ إِلَّآ أَن تَتَّقُوا۟ مِنْهُمْ تُقىٰةً وَيُحَذِّرُكُمُ ٱللَّهُ نَفْسَهُۥ وَإِلَى ٱللَّهِ ٱلْمَصِيرُ ﴿آلعمران: ٢٨﴾
‘মু’মিনগন যেন অন্য মু’মিনকে ছেড়ে কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে। যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না। তবে যদি তোমরা তাদের পক্ষ থেকে কোনো অনিষ্টের আশঙ্কা করো, তবে তাদের সাথে সাবধানতার সাথে থাকবে। আল্লাহ তা’আলা তো বরং তাঁর নিজের ব্যাপারেই তোমাদের ভয় দেখাচ্ছেন এবং সবাইকে তাঁর কাছে ফিরে যেতে হবে’।[4]
ইমাম তাবারী রহিমাহুল্লাহ এই আয়াতে কারীমার তাফসীরে লিখেন-
“আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কাফেরদেরকে সাহায্যকারী, সহযোগিতাকারী ও বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে সকল মু’মিনকে নিষেধ করেছেন। এ কারণেই ইয়াত্তাখিজি (يَتَّخِذِ) শব্দটি মাকসুর (مكسور) হয়েছে। কারণ নাহি (نهي) হওয়ার কারণে উক্ত শব্দটি জযম (جزم) এর স্থানে রয়েছে।[5] নিষেধাজ্ঞা সূচক ক্রিয়াপদের শেষ অক্ষরে জযম (ْ) দেয়া হয়ে থাকে।) তবে ইয়াত্তাখিজি (يَتَّخِذِ) শব্দটির শেষ অক্ষর জাল (ذ) এর পরবর্তী অক্ষরেও সুকুন (سكون) তথা ইয়াত্তাখিজি (يَتَّخِذِ) জযম হওয়ার কারণে ইজতিমায়ে সাকিনাইন (اجتماع ساكنين) এর ফলে জাল (ذ) এ জের দেওয়া হয়েছে। আয়াতের অর্থ হলো: হে মু’মিনগণ! তোমরা কাফেরদেরকে এমন সাহায্যকারী ও সহযোগী বানিও না যে, তাদেরকে তাদের ধর্মীয় বিষয়ে সাহায্য করবে। মুসলিমদের বিরুদ্ধে তাদেরকে সহযোগিতা করবে এবং তাদেরকে মুসলিমদের গোপন তথ্য সরবরাহ করবে। যে ব্যক্তি এমনটা করবে, فَلَيْسَ مِنَ ٱللَّهِ فِى شَىْءٍ -এ অংশের দ্বারা উদ্দেশ্য হল, আল্লাহর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল এবং নিজ ধর্ম ত্যাগের কারণে ও কুফরের সীমায় পা রাখার কারণে তার সঙ্গেও আল্লাহর সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল। إِلَّآ أَن تَتَّقُوا۟ مِنْهُمْ تُقىٰةً- তবে সেই অবস্থা ব্যতিক্রম, যখন তোমরা তাদের অধীনে থাকো। আর এ কারণে তোমরা নিজেদের প্রাণের ভয় করো। তাই, তোমরা মুখে তাদের প্রতি বন্ধুত্ব প্রকাশ করো এবং মনে মনে শত্রুতা পোষণ করো। এমন অবস্থাতেও তোমরা, তারা যে কুফরের ওপর প্রতিষ্ঠিত, তা সমর্থন করো না এবং কোনো কাজ দ্বারা তাদেরকে কোনো মুসলিমের বিরুদ্ধে সাহায্য করো না।”
বর্তমান মুসলিম শাসকদের অবস্থা চিন্তা করলে হতবাক হয়ে যেতে হয়। তারা ইহুদি খ্রিস্টানসহ অন্যান্য কাফের গোষ্ঠীর সাথে সম্ভাব্য সকল পন্থায় বন্ধুত্ব করছে। তাদের বিমান ঘাঁটিগুলো ক্রুসেডারদের অবাধ বিচরণক্ষেত্রে পরিণত হয়ে আছে। যা ব্যবহার করে তারা মুসলিমদেরকে হত্যা করছে। এসব বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করে ক্রুসেডাররা নিরীহ মুসলিমদের ওপর বোমা ফেলছে। নামধারী মুসলিম শাসকদের মালিকানাধীন ভূমিগুলো কাফের সেনাবাহিনীর অভয়ারণ্যে পরিণত হয়ে আছে। এগুলোকে নিরাপদ ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করে তারা মুসলিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, ইসলাম, মুসলিম, জিহাদ এবং মুজাহিদদের বিরুদ্ধে কাফেরদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে এই মুরতাদ গোষ্ঠী সরাসরি আগ্রহের সাথে অংশগ্রহণ করেছে। দুর্ভোগ তাদের জন্য! শত দুর্ভোগ তাদের জন্য!!
এই মুরতাদ গোষ্ঠী পবিত্র ভূমি ফিলিস্তিনের ওপর আগ্রাসী ইহুদি তৎপরতাকে সমর্থন করছে। তারা ইহুদিদের রক্ষার জন্য দুর্ভেদ্য প্রাচীর হয়ে, নিষ্ঠাবান পুলিশ হয়ে এবং বিশ্বস্ত প্রহরী হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। ধ্বংস তাদের জন্য!!
এ সমস্ত শাসকবৃন্দ আল্লাহর শত্রুদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপনের যে সমস্ত পন্থা অবলম্বন করেছে, রিদ্দা'র যে সমস্ত কারণ তাদের মাঝে সংঘটিত হয়েছে, সেগুলো গণনা করতে গেলে রাত পার হয়ে যাবে। হতবাক হয়ে আমরা আবিষ্কার করব, ঈমান-ভঙ্গের এমন কোনো কারণ অবশিষ্ট নেই, যা তাদের মাঝে পাওয়া যায় না। তারা কুফরে এমনভাবে জড়িয়ে পড়েছে যে, প্রত্যাবর্তনের আশা আদতে দুরাশার শামিল।
এই আলোচনা আমরা এখানেই শেষ করতে চাই। ইনশা আল্লাহ হেদায়েত প্রত্যাশী ব্যক্তির সঠিক পথের দিশা খুঁজে পাবার জন্য এতোটুকু আলোচনায় যথেষ্ট । আর আল্লাহ তা’আলাই সঠিক পথের দিশা দানকারী।
[1] সূরা মুমতাহিনা; ৬০: ১
[2] সূরা মুমতাহিনা; ৬০ : ১৩
[3] সূরা আল মায়েদা; ৫: ৫১
[4] সূরা আলে ইমরান, ৩: ২৮
[5] আরবি ব্যাকরণের বিশেষ একটি নিয়মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।