Announcement

Collapse
No announcement yet.

পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ - ঊনত্রিংশ পর্ব

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পাঠচক্র- ৫১ || ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১- বিজয়ের সোপান ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ - ঊনত্রিংশ পর্ব


    আল হিকমাহ মিডিয়া পরিবেশিত
    ফিকর ও মানহাজ সিরিজ – ০১
    বিজয়ের সোপান
    ।। শাইখ আবু উবাইদা আলমাকদিসি ।।
    [আব্দুল্লাহ খালিদ আল-আদাম] রহিমাহুল্লাহ– ।।
    –।।থেকে- ঊনত্রিংশ পর্ব



    জিহাদ কেন প্রয়োজন?


    সর্বশক্তিমান আল্লাহ তা’আলা তাঁর পথে জিহাদ করাকে শরীয়তের অন্তর্ভুক্ত করেছেন জিহাদের নির্দেশ দিয়েছেন তাঁর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টারত তাওহীদবাদী বান্দাদের ওপর এই বিধানকে ফরজ করেছেন; একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনে। তাওহীদবাদীদের জন্য সে প্রয়োজন ভুলে থাকার কোনো সুযোগ নেই। এই জিহাদ ব্যতীত আল্লাহর জমিনে কখনোই নিরঙ্কুশভাবে আল্লাহর ইবাদাত হবে না। কখনোই আল্লাহর একক সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে না। এ বিধান পরিত্যাগ করার ফলে জাহেলিয়াত মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে, আর মানব প্রবৃত্তি শৃঙ্খলা মুক্ত হয়ে বিদ্রোহে লিপ্ত হবে।

    তাওহীদবাদী এই উম্মাহর বর্তমান অবস্থা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলে নিশ্চিতভাবে এটি স্পষ্ট হবে যে, জুলুম- নির্যাতন, লাঞ্ছনা-গঞ্জনা, ক্রুসেডারদের আগ্রাসন ইত্যাদি মিলিয়ে উম্মাহ্ যে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, তা হলো ফরজে আইন এই বিধান পরিত্যাগের অনিবার্য পরিণতি। উম্মাহর বর্তমান এই অবস্থা জিহাদ ছেড়ে দেয়ার স্বাভাবিক কুফল। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করছেন-

    إِلَّا تَنفِرُوا۟ يُعَذِّبْكُمْ عَذَابًا أَلِيمًا وَيَسْتَبْدِلْ قَوْمًا غَيْرَكُمْ وَلَا تَضُرُّوهُ شَيْئًا وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

    ‘যদি বের না হও, তবে আল্লাহ তোমাদের মর্মন্তুদ আযাব দেবেন এবং অপর জাতিকে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করবেন। তোমরা তাঁর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না আর আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান। [1]

    ইবনুল আরাবী বলেন, এই মর্মন্তুদ আযাব দেওয়া হবে দুনিয়াতে শত্রুর আগ্রাসনের মাধ্যমে আর আখিরাতে জাহান্নামের মাধ্যমে।

    শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ বলেন, প্রত্যেকটি প্রজন্মের প্রতি এটি ঐশী সম্বোধন। এই আয়াতে আল্লাহ তা’আলা জানিয়ে দিচ্ছেন, যে ব্যক্তি নির্দেশিত জিহাদ থেকে বিরত থাকবে, আল্লাহ তাকে শাস্তি দেবেন এবং তার বদলে এমন লোকদেরকে আনবেন, যারা জিহাদের দায়িত্ব পালন করবে। আর এমনটাই হলো বাস্তবতা।

    আমরা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ'র জন্য উদ্বুদ্ধ করি আমরা এর দিকে আহ্বান করি এই দায়িত্ব পালনকারীদের কাফেলায় যুক্ত হওয়ার জন্য ইসলামের সৈনিক যুবকদেরকে অনুপ্রাণিত করি এর পেছনে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কারণ এবং মহৎ উদ্দেশ্য কাজ করে। তারমধ্যে কিছু হলো:

    ১) যেন একমাত্র আল্লাহর ইবাদাত করা হয়কুরআনের আইন যেন বাস্তবায়িত হয়...

    আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন-

    وَقَٰتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ ٱلدِّينُ كُلُّهُۥ لِلَّهِ فَإِنِ ٱنتَهَوْا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ بَصِيرٌ

    ‘তোমরা কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকো, যতক্ষণ না ফিতনা বাকী থাকবে এবং দ্বীন সম্পূর্ণভাবে আল্লাহ তা’আলার জন্যেই (নির্দিষ্ট) হয়ে যাবে, অতঃপর, যদি তারা নিবৃত্ত হয়, তবে আল্লাহ তা’আলাই হবেন তাদের কার্যকলাপের পর্যবেক্ষণকারী।
    [2]
    সাইয়্যেদ কুতুব রহিমাহুল্লাহ উক্ত আয়াতের তাফসীরে বলেছেন, “-وَقَٰتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ ٱلدِّينُ كُلُّهُۥ لِلَّهِ - [3] শুধু বিশেষ একযুগে নয়, বরং সর্বযুগে এটি জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ'র সীমানা। মানবগোষ্ঠী তাদের জন্য আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সম্মান কখনই লাভ করতে পারে না মানুষ পৃথিবীতে পুরোপুরি স্বাধীনতা কখনই লাভ করতে পারে না, যতক্ষণ না আল্লাহর সর্বময় শাসন ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে আর তিনি ব্যতীত অন্য কোনো বাদশাহর বিচার কার্যকর থাকবে নামহৎ এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে মু’মিনদের দল লড়াই করে…”

    ইবনে জারীর তাবারী উক্ত আয়াতের তাফসীরে লিখেন, অতএব, তোমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করো যতক্ষণ শিরক নির্মূল না হয়ে যায়, একমাত্র আল্লাহর ইবাদাত না করা হয়, ভূপৃষ্ঠ থেকে আল্লাহর বান্দাদের ওপর আপতিত এ বিপদ দূর না হয় এবং সর্বময় শাসন আল্লাহর জন্য প্রতিষ্ঠিত না হয়, সর্বপ্রকার ইবাদাত উপাসনা আর আরাধনা একনিষ্ঠভাবে এক আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত না হয় আর তিনি ছাড়া অন্য সব কিছুর ইবাদাত বিলুপ্ত না হয়…”

    তলোয়ার ও জবানের দ্বারা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ করা না হলে ফিতনা ব্যাপক আকার ধারণ করে। এতে করে শিরক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে জাহেলিয়াতের বিধি-বিধান কার্যকর হয় আর এই দ্বীনের নিদর্শনাবলী ভূলুণ্ঠিত হয়। তবে কিছু ব্যতিক্রম ঘটলে তা আল্লাহর ইচ্ছায়।

    ২) জিহাদ ও আল্লাহর পথে বের হবার ব্যাপারে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল -এর নির্দেশ পালনের জন্য

    আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন-

    ٱنفِرُوا۟ خِفَافًا وَثِقَالًا وَجَٰهِدُوا۟ بِأَمْوَٰلِكُمْ وَأَنفُسِكُمْ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ ذَٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ

    ‘তোমরা বের হও স্বল্প বা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে এবং জিহাদ করো আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে, এটি তোমাদের জন্যে অতি উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পারো [4]

    ইমাম তাবারী উক্ত আয়াতের তাফসীরে লিখেন, “এ বিষয়ে দশটি মতামত রয়েছে। প্রথমটি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: তোমরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পৃথকভাবে বের হও।

    দ্বিতীয় মতামতটিও ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং কাতাদা থেকে বর্ণিত: উদ্যমতা না থাকুক বা থাকুক সর্বাবস্থায় তোমরা বের হও।

    তৃতীয় মত: দারিদ্র সচ্ছলতাসর্বাবস্থায় তোমরা বের হওএমন মত দিয়েছেন মুফাসসির মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহ

    চতুর্থ মত হচ্ছে: বার্ধক্যে হোক কিংবা যৌবনেএটি বলেছেন মুফাসসির হাসান রহিমাহুল্লাহ

    পঞ্চম মতামত হচ্ছে: অবসরে হোক কিংবা ব্যস্ততায়এটি যায়েদ ইবনে আলী এবং হাকাম ইবনে ঊতাইবা'র বক্তব্য।

    ষষ্ঠ বক্তব্য হচ্ছে: পরিবার-পরিজন থাকুক বা না থাকুকএর প্রবক্তা হলেন যায়েদ ইবনে আসলাম।

    সপ্তম মত হচ্ছে: পছন্দের সম্পত্তি থাকুক বা না থাকুকএর প্রবক্তা হলেন ইবনে যায়েদ।

    অষ্টম মত হচ্ছে: পায়ে হেঁটে হোক কিংবা ঘোড়ায় চড়েএর প্রবক্তা হলেন আওযায়ী।

    নবম মতামত হচ্ছে: অগ্রগামী দলের সঙ্গে বের হও কিংবা মূল দলের সঙ্গে।

    দশম মতামত হচ্ছে: বীরত্ব নিয়ে হোক কিংবা কাপুরুষতা নিয়েএটি বর্ণনা করেছেন নাককাশ। স
    ব মিলিয়ে আয়াতের সাধারণ অর্থে সকল মানুষকে বের হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে, অর্থাৎ তোমরা বের হও, চাই বের হওয়াটা তোমাদের জন্য সহজ হোক কিংবা কঠিন।

    আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন-

    كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَّكُمْ وَعَسَىٰٓ أَن تَكْرَهُوا۟ شَيْـًٔا وَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ وَعَسَىٰٓ أَن تُحِبُّوا۟ شَيْـًٔا وَهُوَ شَرٌّ لَّكُمْ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ﴿البقرة: ٢١٦﴾

    ‘তোমাদের ওপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়। তোমাদের কাছে হয়ত কোনো একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়ত বা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে তা অকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা জান না। [5]

    ইমাম ইবনে কাসীর বলেন, উক্ত আয়াত আল্লাহ কর্তৃক মুসলিমদের ওপর জিহাদ ওয়াজিব হবার ঘোষণা। অর্থাৎ তারা যেন শত্রুর অনিষ্ট থেকে ইসলামের সীমানাকে রক্ষা করে” যুহরী বলেন, ‘একজন ব্যক্তি যুদ্ধ করুক কিংবা বসে থাকুক তার ওপর জিহাদ ওয়াজিব বসে থাকা ব্যক্তির কাছে সাহায্য চাওয়া হলে সাহায্য করা, সহযোগিতা করতে বলা হলে সহযোগিতা করা এবং বের হতে বলা হলে বের হওয়া ওয়াজিব। আর যদি তাকে প্রয়োজন না হয়, তবে সে বসে থাকবে। আমি বলব, এ কারণেই সহীহ হাদীসে এসেছে,

    « من مات ولم يغز ، ولم يحدث نفسه بغزو ، مات ميتةٍ جاهلية »

    যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল যে, সে যুদ্ধ করেনি অথবা যুদ্ধের ব্যাপারে আকাঙ্ক্ষা করেনি, তবে সে এক প্রকার জাহেলিয়াতের ওপর মৃত্যুবরণ করল।

    রাসূলুল্লাহ মক্কা বিজয়ের দিন বলেন,

    «لَا هِجْرَةَ بَعْدَ الْفَتْحِ وَلَكِنْ جِهَادٌ وَنِيَّةٌ وَإِذَا اسْتُنْفِرْتُمْ فَانْفِرُوا»

    “(এই শহর) বিজিত হবার পর আর কোনো হিজরত নেই কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যত রয়েছে। যখন তোমাদেরকে বের হতে বলা হয় তখন তোমরা বের হয়ে যাও।[6]

    শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেন, জিহাদ বিমুখতা মুনাফিকদের চরিত্রের অংশ। রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেন-

    «مَنْ ماتَ ولم يغْزُ ، ولم يُحَدِّثْ نفْسَهُ بغزْوٍ مات على شُعْبَةٍ منَ نفاقٍ» رَوَاهُ مُسْلِمٌ.

    “যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল যে, সে যুদ্ধ করেনি অথবা যুদ্ধের বাসনা করেনি, তবে সে নিফাকের একটি শাখার ওপর মৃত্যুবরণ করল।”[7]

    ইমাম মুসলিম হাদীসটি সংকলন করেছেন। আল্লাহ তা’আলা সূরা বারাআ[8] নাযিল করেছেন, যার আরো একটি নাম হচ্ছে— 'فاضحة' যার অর্থ: লজ্জাজনক বা কলঙ্কজনক। কারণ হলো, এই সুরা মুনাফিকদেরকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে।

    রাসূলুল্লাহ - ইরশাদ করেন-

    «أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَشْهَدُوا أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ وَيُقِيمُوا الصَّلَاةَ وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ فَإِذَا فَعَلُوا ذَلِكَ عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَقِّ الْإِسْلَامِ وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ»

    আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যাতে আমি লোকদের বিরুদ্ধে লড়াই করি যতক্ষণ না তারা এই সাক্ষ্য প্রদান করে যে, 'আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল', এবং যতক্ষণ সালাত কায়েম, যাকাত আদায়এই কাজগুলো তারা না করে। যদি তারা এসব করে তবে ইসলামের খাতিরে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া তারা আমার থেকে নিজেদের রক্ত (প্রাণ) ও সম্পদ নিরাপদ করে ফেলল। আর এমতাবস্থায় তাদের হিসাব একমাত্র আল্লাহ তা’আলার হাতে ন্যস্ত।[9]

    জিহাদে সক্ষম প্রতিটি মুসলিমের ওপর বর্তমান যুগে জিহাদ ফরজে আইন। আল্লাহ্ তা’আলা যে ব্যক্তির শরীয়াসম্মত ওযর রয়েছে, সে ব্যতীত অন্য কেউ এই ফরজে আইন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি লাভ করতে পারে না। আমাদের আরও জানা উচিত যে, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার পর আগ্রাসী শত্রুকে প্রতিহত করার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো আমল নেই। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ এমনটাই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তিনি লিখেন, আর প্রতিরোধ যুদ্ধ, তা হচ্ছে নিজেদের সম্মান এবং আল্লাহর দ্বীন রক্ষার্থে শত্রুকে প্রতিরোধ করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকার। অতএব, এটি সর্বসম্মতিক্রমে ওয়াজিব। কারণ দ্বীন ও দুনিয়া ধ্বংস করে দেয় যে আগ্রাসী শত্রু, ঈমান আনার পর এমন শত্রুকে প্রতিহত করার চেয়ে বড় দায়িত্ব আর কিছু নেইএক্ষেত্রে কোন শর্ত প্রযোজ্য নয়। বরং সাধ্য অনুযায়ী প্রতিরোধ গড়ে তোলা আবশ্যক। এ বিষয়ে আমাদের আলেমগণ এবং অন্যান্য সকলের সুস্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে”


    [1] সূরা আত-তওবা;০৯: ৩৯
    [2] সূরা আল-আনফাল; ০৮: ৩৯
    [3] তোমরা কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকো, যতক্ষণ না ফিতনা বাকী থাকবে এবং দ্বীন সম্পূর্ণভাবে আল্লাহ তায়ালার জন্যেই (নির্দিষ্ট) হয়ে যাবে।
    [4] সূরা আত- তাওবা;০৯: ৪১
    [5] সূরা আল- বাকারা;০২: ২১৬
    [6] সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ২৬৩১
    [7] সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৫০৪০
    [8] সূরা তাওবাহ
    [9] সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ২৫





    আরও পড়ুন
Working...
X