Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ#| ২৪ রবিউস সানী ১৪৪৪ হিজরী।। ২০ নভেম্বর, ২০২২ ঈসায়ী।

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ#| ২৪ রবিউস সানী ১৪৪৪ হিজরী।। ২০ নভেম্বর, ২০২২ ঈসায়ী।

    শায়েখ খালেদ আর-রাশেদের কারাদণ্ড পুনরায় বৃদ্ধি করলো সৌদি সরকার


    ফটোঃ DOAM।


    সৌদি আরবের প্রখ্যাত শায়েখ খালেদ আর-রাশেদের কারাদণ্ড আবারও বৃদ্ধি করেছে গাদ্দার সৌদি সরকার। এর আগে তিনি একবার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ করেছিলেন। তবে চলমান কারাদণ্ড শেষ হবার আগেই ফের কারাদণ্ড বৃদ্ধি করে তাঁকে মোট ৪০ বছরে কারাদণ্ড দিলো সৌদি সরকার।

    যে কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়:

    তাঁর পৃথিবী কাঁপানো দুটি ভাষণ হচ্ছে ‘ইয়া উম্মাতা মুহাম্মাদ’ ‘হে মুহাম্মাদ (ﷺ) এর উম্মত’! ও ‘রআইতুন নাবিয়্যা ইয়াবকী’ ‘আমি নবীজীকে কাঁদতে দেখেছি’। ক্রুসেডার ডেনমার্ক যখন রাসুল (ﷺ) এর শানে ব্যাঙ্গাত্মক কার্টুন প্রচার করে, তখন শায়েখ এ ভাষণগুলো প্রদান করেন।

    এ সকল ভাষণে তিনি মুসলিম উম্মাহকে সম্বোধন করে হৃদয় ছোঁয়া, জ্বালাময়ী বক্তৃতার মাধ্যমে সর্বস্তরের মুসলিমদের ডেনমার্ক ও তাদের সমর্থনকারী দেশের পন্য বয়কটের উদাত্ত আহ্বান জানান। পাশাপাশি সৌদি আরবের শাসকদেরও আহ্বান করেন, যেন অনতিবিলম্বে ডেনমার্কের দূতাবাস বন্ধ করে তাদের সাথে সবরকম দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়।

    তাঁর এ ভাষণের পর হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা রাজধানী রিয়াদ অভিমুখে যাত্রা করেন। এর মাস খানেকের মধ্যে ২০০৬ সালের ১৯ মার্চ পবিত্র মক্কায় হজ্ব পালন শেষ করার সাথে সাথেই শায়েখকে বন্দী করা হয়। প্রথমে তাঁকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। এই পাঁচ বছর পরিবারের সদস্যদের সাথে তাঁর যোগাযোগ ছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আর অবর্ণনীয় নির্যাতনের কথা তো বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এই দণ্ডের মেয়াদ শেষ হলে, তাঁর দণ্ড আরও পনেরো বছর বাড়িয়ে দেয় গাদ্দার সৌদি শাসকরা। এখন, এই পনের বছরের মেয়াদ শেষ হবার আগেই আরও ২০ বছর কারাদণ্ড বৃদ্ধি করা হলো।

    সৌদি রাজতন্ত্রের ইসলামি সাইনবোর্ডের ভেতরের কদাকার চিত্রের স্বরূপ বোঝার জন্য শুধু শায়খ খালিদ আর রাশেদের উদাহরণই যথেষ্ট।

    গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে ছেলের সাথে শায়েখের হাস্যোজ্জ্বল ছবি। ফাইল ফটো।


    সৌদির তাগুত শাসকগোষ্ঠীর রোষানলে পড়ে আরো বহু সংখ্যক উলামায়ে কেরাম কারাগারে বন্দী জীবন কাটাচ্ছেন। তাদের মধ্যে প্রখ্যাত শায়খ ড. নাসের আল ওমরকেও ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩০ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে সৌদি শাসকগোষ্ঠী।

    শায়েখ ড. নাসের আল-ওমর। ফাইল ফটো।

    শায়খ নাসের আল-ওমর এর অপরাধ ছিল তিঁনি সৌদি আরবে নতুন শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলতেন। সেই সাথে সৌদি আরবে ক্রুসেডার আমেরিকান সেনাবাহিনী উপস্থিতির বিরুদ্ধেও সরব ছিলেন। ১৯৯০ সালে আরবের ভূমিতে আমেরিকান সেনা আগমনের বিষয়টি আরব ভূমির জন্য সবচেয়ে বড় ভুল বলে উল্লেখ করতেন তিনি। এসব কারণে গত ২০১৮ সালে সম্মানিত এই বয়োজ্যেষ্ঠ আলেমকে গ্রেফতার করে দালাল সৌদি প্রশাসন। এরপর ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হলেও পরবর্তীতে আরও ২০ বছর বাড়িয়ে ৩০ বছর করা হয়।

    উল্লেখ যে, বর্তমানে সৌদি আরবে যারাই ইসলাম ও মুসলিমদের পক্ষে কথা বলে এবং সৌদির জালেম প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের দ্বীন বিধ্বংসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেন, তাদেরকেই কারাগারে নিক্ষেপ করছে ইহুদি মায়ের সন্তান খ্যাত মুহাম্মদ বিন সালমান। অন্যদিকে যারা মুহাম্মদ বিন সালমানের পক্ষে কথা বলছে এবং তার কুকর্মের পক্ষে সাফাই গাইছে, সেইসব নামধারী দালাল আলেমদেরকে মুহাম্মদ বিন সালমান উচ্চ পদমর্যাদার আসনে সমাসীন করছে; পবিত্র হজের খুৎবা দিতে কিংবা কাবার ঈমাম হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে।

    আল্লাহ তা’আলা সারাবিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় জালিমের কারাগারে বন্দী হওয়া আলিমদের ও মুসলিমদের মুক্তিকে ত্বরান্বিত করুন; তাঁদেরকে ইসলামের পথে অটল রাখুন। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।


    তথ্যসূত্র:

    ১। BREAKING! Saudi Authorities Increase Prison Sentence of Sheikh Khaled Al-Rashed For Second Time – https://tinyurl.com/5n879skb

    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  • #2
    ফিলিস্তিনি ভেবে ইহুদিকে গুলি করে খুন করলো সন্ত্রাসী ইসরাইলি বাহিনী

    ভিডিও স্ক্রিনশট।


    ফিলিস্তিনিদের হত্যা করতে দখলদার ইসরাইলের কোন কারণ প্রয়োজন হয় না। যখন যাকে ইচ্ছা খুন করছে। সন্ত্রাসী ইসরাইলকে এজন্য কারো কাছে কৈফিয়তও দিতে হয় না। ফলে অভিশপ্ত ইসরাইলি সেনাবাহিনী এতোটাই বেপরোয়া হয়েছে যে, চলতি বছর খুনের হার অতীতের সব রেকর্ড পার করেছে।

    তাদের বেপরোয়া ভাবের একটি নমুনা চিত্র হচ্ছে ফিলিস্তিনি ভেবে এক ইসরাইলি ইহুদি নাগরিককে খুন করা। গত ১৪ নভেম্বর ইসরাইলের তেল আবিবে এ ঘটনা ঘটে।

    ইসরাইলি গণমাধ্যমের সূত্রে জানা যায়, তেল আবিবের একটি বাস স্টেশনে ৪০ বছর বয়সী এক ইহুদি হাঁটছিল। এ সময় ইসরাইলি সেনাবাহিনী তাকে একজন অস্ত্রধারী ফিলিস্তিনি হিসেবে সন্দেহ করে এবং সাথে সাথেই গুলি করে। এতে ঐ ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়। পরে তারা জানতে পারে যে ঐ ব্যক্তি আসলে একজন ইহুদি। তারপর ইসরাইলি সেনারা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। তখন ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করে।

    এভাবে ইসরাইলি দখলদার সেনারা প্রতিদিনই অন্যায়ভাবে কোন কারণ ছাড়াই ফিলিস্তিনিদের হত্যা করছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত সন্ত্রাসী ইসরাইলের গুলিতে প্রায় ২০০ ফিলিস্তিনি খুন হয়েছেন। আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন আরও হাজার হাজার ফিলিস্তিনি।

    ইহুদি নাগরিক খুনের এ ঘটনা দিবালোকের মতো স্পষ্ট প্রমাণ বহন করছে যে, সন্ত্রাসী ইসরাইল অন্যায়ভাবে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইতিহাসের বর্বরোচিত আগ্রাসন চালাচ্ছে। তবে ইসরাইলকে থামানোর জন্য জাতিসংঘ বা পশ্চিমা বিশ্ব এখন যেমন এগিয়ে আসছে না, ভবিষ্যতেও আসবে না। এছাড়া নামধারী মুসলিম শাসকগোষ্ঠীও এগিয়ে আসবে না। এজন্য ফিলিস্তিনসহ সকল নির্যাতিত মুসলিম উম্মাহকে নিরাপত্তা দিতে মুসলিমদেরকেই এগিয়ে আসতে হব।

    তথ্যসূত্র:

    ১। Israel soldier kills man at bus station reportedly mistaken for attacker – https://tinyurl.com/3ek8byh6

    ২। ভিডিও লিংক – https://tinyurl.com/4fcfy5vr
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আল্লাহ তা’আলা সারাবিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় জালিমের কারাগারে বন্দী হওয়া আলিমদের ও মুসলিমদের মুক্তিকে ত্বরান্বিত করুন; তাঁদেরকে ইসলামের পথে অটল রাখুন। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।
      “ধৈর্যশীল সতর্ক ব্যক্তিরাই লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত।”-শাইখ উসামা বিন লাদেন রহ.

      Comment


      • #4
        আল্লাহ তা’আলা সারাবিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় জালিমের কারাগারে বন্দী হওয়া আলিমদের ও মুসলিমদের মুক্তিকে ত্বরান্বিত করুন; তাঁদেরকে ইসলামের পথে অটল রাখুন। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।

        Comment

        Working...
        X