Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ#| ২৮ রজব, ১৪৪৫ হিজরী।। ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ#| ২৮ রজব, ১৪৪৫ হিজরী।। ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ ঈসায়ী

    আরও একজন ইসরায়েলি সৈন্যের মৃত্যু, বাড়ছে যুদ্ধ ফেরত ইসরায়েলিদের সংক্রমণ


    গাজা উপত্যকায় দখলদার সৈন্যদের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও একজন সৈন্যের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে।

    ইসরায়েলি মিডিয়াগুলি বলেছে, একজন ইসরায়েলি রিজার্ভ সৈন্য গাজা উপত্যকায় আঘাতের কারণে মারা গেছে। নিহত সৈনিকের প্রাথমিক আঘাতের পরে একটি গুরুতর ছত্রাকের সংক্রমণ ঘটে, এরপর তাকে বিশেষ চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে মারা যায়।

    ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ বাহিনির সাথে তীব্র সংঘর্ষের মধ্যে দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় একজন সৈন্য নিহত হয়েছে। নিহত সৈনিক হারেল ব্রিগেডের ৯২৪ তম ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিল।

    ইসরায়েলি মিডিয়া জানুয়ারির শুরুতে জানিয়েছিল, গাজা যুদ্ধের শুরু থেকে তাদের প্রায় ১,৬০০ সৈন্য আহত হয়েছে। আর এখন ইসরায়েলি স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, গাজার যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সৈন্যদের পায়ে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।

    উল্লেখ্য, গাজা উপত্যকায় স্থল আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে নিহত ইসরায়েলি সৈন্যের সংখ্যা বর্তমানে ২২০ ছাড়িয়েছে। আর ইসরায়েলি মিডিয়া অনুসারে, ৭ অক্টোবর থেকে নিহত সৈন্যের সংখ্যা ৫৬০ এরও বেশি।


    তথ্যসূত্র:
    1. IOF admits death of soldier during confrontations in Gaza
    http://tinyurl.com/cnju5m5s


  • #2
    বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত তিন


    গত ৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে আমেরিকান দখলদার বাহিনীর একটি শক্তিশালী ড্রোন হামলায় তিন জন নিহত হয়েছে। ড্রোনটি পূর্ব বাগদদের মাশতাল পাড়ার একটি প্রধান সড়কে অবস্থিত একটি গাড়িতে আঘাত হানে ফলে গাড়িতে থাকা তিনজন আরোহী প্রাণ হারায়।

    বুধবার রাতের এই ড্রোন হামলাটি বাগদাদের মাশতাল এলাকার আশপাশে হয়। হামলার জেরে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণও ঘটে। মূলত ব্যস্ত রাস্তায় একটি চলন্ত গাড়ির ওপর সুনির্দিষ্ট এই হামলা চালায় আমেরিকান দখলদার বাহিনী এবং এতে করে গাড়িটি জ্বলন্ত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
    মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলার সময় কাতাইব হিজবুল্লাহ নামক সংগঠনের একজন নেতা সহ আরো দুই জন ঐ গাড়িতে ছিল। হামলায় তাদের তিনজনই মারা যায়।

    আর মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছে যে তাদেরকে হামলা সম্পর্কে আগে থেকে অবহিত করা হয়নি।

    মার্কিন ড্রোন হামলার পর সেখানে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের ‘যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় শয়তান’ বলে স্লোগান দিতে শোনা যায়। পরে ইরাকের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাস্থলে সোয়াত দল পাঠায়।
    বিশ্লেষকদের মতে, এরকম হামলা ইরাকি সরকার প্রধানদের আরও ক্ষুব্ধ করবে।

    এর আগে ইরাক ও সিরিয়ার প্রায় চব্বিশটি স্থানে হামলা চালিয়েছে আমেরিকান দখলদার বাহিনী। এতে অনেক বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে এবং ধ্বংস হয়েছে অনেক আবাসিক ভবন।


    তথ্যসূত্র:
    http://tinyurl.com/3n982rcf

    Comment

    Working...
    X