Announcement

Collapse
No announcement yet.

শ্রম আইনে ইসলামবিরুদ্ধ পরিভাষার প্রয়োগ, সরকারিভাবে "ট্রান্সজেন্ডার" প্রোমোট করার এক ঘৃণিত নীলনকশা।।

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • শ্রম আইনে ইসলামবিরুদ্ধ পরিভাষার প্রয়োগ, সরকারিভাবে "ট্রান্সজেন্ডার" প্রোমোট করার এক ঘৃণিত নীলনকশা।।

    শ্রম আইনে ইসলামবিরুদ্ধ পরিভাষার প্রয়োগ, সরকারিভাবে "ট্রান্সজেন্ডার" প্রোমোট করার এক ঘৃণিত নীলনকশা।।


    এদেশের ৯১% মানুষের ধর্ম ইসলাম নারী ও পুরুষের বাইরে অন্য কোন লিঙ্গের স্বীকৃতি দেয় না। হিজড়াগণ ইসলামে লিঙ্গ প্রতিবন্ধী নারী বা পুরুষ হিসেবে গণ্য হন এবং একজন নারী বা পুরুষের মতোই সম্পত্তির উত্তরাধিকার ও অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালে একটি গেজেটের মাধ্যমে হিজড়া জনগোষ্ঠীকে ‘হিজড়া লিঙ্গ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সে হিসেবে সরকারিভাবে লিঙ্গ তিনটি নারী, পুরুষ ও হিজড়া। কিন্তু বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষদিকে জারিকৃত বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ ,২০২৫ অনুসারে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ সম্প্রতি সংশোধিত হয়েছে যেখানে কোন প্রকার সংজ্ঞা প্রদান না করেই ‘জেন্ডার’, ‘জেন্ডার পরিচয়‘, ‘লিঙ্গ পরিচয়’, ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি‘ এই পরিভাষাগুলো ব্যবহৃত হয়েছে।

    জেন্ডার পরিচয়ঃ
    ‘জেন্ডার পরিচয়‘ বা ‘লিঙ্গ পরিচয়’ এমন একটি ধারণা যেখানে নারী-পুরুষের বাইরেও আরো অনেক লিঙ্গ পরিচয়ের স্বীকৃতি দেওয়া হয় যেমন ‘ট্রান্সজেন্ডার‘। কোন প্রকার লিঙ্গ-প্রতিবন্ধিতা না থাকা সত্ত্বেও, সকল জন্মগত নারী নিজেকে মনে মনে পুরুষ মনে করে এবং বেশভূষাও সাজসজ্জায় নিজেকে পুরুষ হিসেবে প্রকাশ করে বা যে সকল জন্মগত পুরুষ নিজেকে মনে মনে নারী মনে করে এবং বেশভূষাও সাজসজ্জায় নিজেকে নারী হিসেবে প্রকাশ করে তাদেরকে ট্রান্সজেন্ডার বলা হয়।

    যে কারণে এই পরিভাষা ইসলাম-বিরুদ্ধঃ
    সারাবিশ্বের উলামায়ে কেরাম একমত যে ‘ট্রান্সজেন্ডারবাদ একটি কুফরী মতবাদ‘। বাংলাদেশের ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর ‘জাতীয় মুফতি বোর্ড’ ছাড়াও বিশ্বের সকল বড় বড় প্রতিষ্ঠান ট্রান্সজেন্ডারবাদকে কুফরী আখ্যায়িত করেছেন

    জেন্ডার অভিব্যক্তিঃ
    পোশাক, সাজসজ্জা বা আচরণের মাধ্যমে নিজের জেন্ডার পরিচয় প্রকাশ করাকে জেন্ডার অভিব্যক্তি বলা হয়। ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’-কে স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ হচ্ছে নারীকে পুরুষের বেশভূষা ও সাজসজ্জা এবং পুরুষকে নারীকে নারীর বেশভূষা ও সাজসজ্জা গ্রহণের অধিকার প্রদান করা।

    যে কারণে এই পরিভাষা ইসলাম-বিরুদ্ধঃ
    ইসলামে নারীর জন্য পুরুষের বেশভূষা ও সাজসজ্জাগ্রহণ এবং পুরুষের জন্য নারীর বেশভূষা ও সাজসজ্জা গ্রহণ হারাম এবং অভিশাপের কাজ।

    ইবনু আব্বাস রদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ সব পুরুষকে লা’নত করেছেন, যারা নারীর বেশ ধারণ করে এবং ঐ সব নারীকে (লা’নত করেছেন) যারা পুরুষের বেশ ধারণ করে। সহিহ বুখারিঃ হাদিস নং ৫৩৫৩ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

    বর্তমান শ্রম আইনের কোথাও ‘জেন্ডার’, ‘জেন্ডার পরিচয়’ বা ‘লিঙ্গ পরিচয়’, ‘জেন্ডার অভিব্যক্তি’, ‘বৈষম্যমূলক জেন্ডার সংবেদনশীলতা’, ‘জেন্ডারভিত্তিক অন্যান্য আচরণ’ এই পরিভাষাগুলোর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। যদি এই পরিভাষাগুলোর পশ্চিমা অর্থকে গ্রহণ করা হয়, তাহলে তা হবে আইনগতভাবে ইসলামের বিরুদ্ধাচরণ।

    কোন মুসলিম নামধারী পুরুষ শ্রমিক যদি লিপস্টিক ঠোঁটে লাগিয়ে শাড়ি পড়ে প্রতিষ্ঠানে আসে ইসলামের বিধান অনুযায়ী মুসলিম মালিকের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব (নাহি আনিল মুনকার) যে সে এটার প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করবে। কিন্তু অসংজ্ঞায়িত পরিভাষার সুযোগ নিয়ে এই শ্রম আইন ধর্মীয় এই দায়িত্বকে ‘জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা ও হয়রানি‘ হিসেবে চিহ্নিত করে মালিকের ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ ক্ষুণ্ণ করতে পারে।


    সংগৃহীত ও পরিমার্জিত:
    Last edited by Rakibul Hassan; 1 day ago.

Working...
X