Announcement

Collapse
No announcement yet.

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এলজিবিটি প্রমোট ও এলজিবিটি বান্ধব কার্যক্রমের খন্ডচিত্র।।

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এলজিবিটি প্রমোট ও এলজিবিটি বান্ধব কার্যক্রমের খন্ডচিত্র।।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এলজিবিটি প্রমোট ও এলজিবিটি বান্ধব কার্যক্রমের খন্ডচিত্র।।
    §

    ১. ঈদ শোভাযাত্রা ২০২৫-এ সমকামিতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত ‘ইউনিকর্ন‘ প্রদর্শন করা হয়।

    ২. নববর্ষ ২০২৫-এর ড্রোন শোতে সমকামী আন্দোলনের প্রতীক “গে এঞ্জেল” প্রদর্শন করা হয়।

    ৩. আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৫-এ মুহিন ওরফে মোহনা নামক একজন ট্রান্সজেন্ডারকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজ হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ প্রদান করেন।

    ৪. বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনায় শব্দ ও বর্ণনার মারপ্যাঁচে এলজিবিটি অন্তর্ভুক্তির সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

    ৫. উপদেষ্টা শারমিন মুরশিদ সমাজকল্যাণ তহবিল থেকে পতিতাদের ‘মর্যাদা ও স্বীকৃতিস্বরূপ’ ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন। পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিত ও সমকামী ট্রান্সজেন্ডারদের পক্ষে কাজ করা ‘নারীপক্ষ’ নামে একটি বিতর্কিত এনজিও সংস্থার হাতে এই আর্থিক প্রণোদনা তুলে দেওয়া হয়।

    ৬. ট্রান্সজেন্ডার ও পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিতদের ব্যাপক অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত তথাকথিত ‘মৈত্রীযাত্রা‘-তে সরকারঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ও সংস্কার কমিশনের সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন যেখানে সমকামিতার প্রতীক ‘গে এঞ্জেল’ এর প্রদর্শনীসহ এলজিবিটির পক্ষে প্রচারণা চালানো হয়।

    ৭. আলেম ও সচেতন নাগরিকদের শত অনুরোধ উপেক্ষা করে এলজিবিটি এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের অফিস খোলার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

    ৮. প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়- যা পরে ব্যাপক বিরোধিতার কারণে সরকার স্থগিত করতে বাধ্য হয়। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ট্রান্সজেন্ডার কোটা ঠিকই ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ৯. শ্রম আইন সংস্কারের নামে ILO C190 সনদ অনুমোদন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে পোশাক শিল্পসহ দেশের প্রত্যেক কর্মক্ষেত্রে এলজিবিটি-বান্ধব পরিবেশ তৈরি করা যাবে।

    ১০. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০২৬-এর প্রবেশপথে এলজিবিটির প্রতীক রংধনুর আদলে স্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে।

    ১১. জেন্ডার এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুবিধার্থে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ নামকরণ করা হয়েছে।

    ১২. সনদে কুরআন ও সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন বা বিধান পাশ করা হবে না এমন গ্যারান্টিসূচক কোন বক্তব্য না থাকায় ‘সাম্য’, ‘সামাজিক ন্যায়বিচার’ বা ‘Social Justice’, ‘গোষ্ঠী’, ‘সম্প্রদায়’ ইত্যাদি অসংজ্ঞায়িত পরিভাষা সমূহের মাধ্যমে পশ্চিমা সমকামী অধিকার দর্শন তথা এলজিবিটি অন্তর্ভুক্তির সুযোগকে অবারিত করা হয়েছে।

    ১৩. সংবিধান সংস্কার কমিশন সংবিধানে নারী-পুরুষের সমতার ধারায় লিঙ্গ বিষয়ক অনাবশ্যক শব্দ জুড়ে দিয়ে ট্রান্সজেন্ডার ও এলজিবিটিদেরকে লিঙ্গভিত্তিক গোষ্ঠী পরিচয়ে স্বীকৃতি প্রদানের ব্যবস্থা করেছে।

    ১৪. ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি আক্রমণাত্মক সুপারিশ সম্বলিত "নারী সংস্কার" কমিশনের প্রতিবেদন বাতিল না করে বরং সংগোপনে তা বাস্তবায়ন শুরু করে দিয়েছে।

    ১৫. জুলাই সনদের ৮ নম্বর পয়েন্টে বলা হয়েছে “সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, বাংলাদেশ একটি বহু-জাতি-গোষ্ঠী, বহু-ধর্মী, বহু-ভাষী ও বহু-সংস্কৃতির দেশ যেখানে সকল সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।” যায় মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার ও এলজিবিটিদেরকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে।

    একদিকে, পুরোনো ফ্যাসিবাদ ও তাদের দোসররা ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তির মদদে ফিরে আসার জন্য হাজারো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। অন্যদিকে, সুযোগ সন্ধানী ইসলামবিদ্বেষীরা দেশকে এলজিবিটি এজেন্ডা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ধর্মহীন করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। এমনই সঙ্কটকালে আমরা দেশের বিবেকবান, চিন্তাশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিকগণকে অধিকতর সচেতন হতে আহবান করছি।

    সংগৃহীত:



Working...
X