مؤسسة الشهداء
আশ শুহাদা মিডিয়া
Ash Shuhada Media
تـُــقدم
পরিবেশিত
Presents
الترجمة البنغالية
বাংলা অনুবাদ
Bengali Translation
بعنوان:
শিরোনাম:
Titled:
عیدِ سعید الاضحیٰ پر عالیقدر امیرالمؤمنین
شیخ القرآن والحدیث مولوی ھبۃ اللہ اخندزادہ صاحب حفظہ اللہ تعالیٰ کا تہنیتی پیغام
আমীরুল মু’মিনীন, শাইখুল কুরআন ওয়াল হাদীস,
মৌলভী হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা (হাফিজাহুল্লাহ) এর পক্ষ থেকে
১৪৪৭ হিজরির পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ‘অভিনন্দন বার্তা’
From the Ameerul Mu’minin, Shaikhul Qur’an Wal Hadith,
Mawlavi Hibbatullah Akhundzada (Hafizahullah),
On the occasion of the Blessed Eid-ul-Adha of the year 1447 Hijri,
A ‘Message of Congratulations’

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমীরুল মুমিনীন শায়খুল কুরআন ওয়াল হাদীস মৌলভি হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ—এর
শুভেচ্ছা বার্তা!
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ
ﷲ أکبر ﷲ أکبر، لا إله إلا ﷲ وﷲ أکبر، ﷲ أکبر وللّٰه الحمد.
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوذُ بِاللّٰهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَّهْدِهِ اللَٰهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُّضْلِلْ فَلاَ هَادِىَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ. اما بعد: فاعوذ بالله من الشيطان الرجیم -
قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
“(হে মুহাম্মদ ﷺ!) আপনি তাদের বলে দিন, ‘নিশ্চয়ই আমার নামায, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও মরণ—সবই কেবল বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহ তাআলার জন্য নিবেদিত।” (সূরা আল-আনআম, ০৬:১৬২, আয়াতের অনুবাদ তাফসীরে কাবুলি অনুসরণে করা হয়েছে।)
وَأَتِمُّوا الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لِلَّهِ .... الآیة.
“আর তোমরা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই হজ ও উমরাহ পূর্ণ করো।” (সূরা আল-বাকারাহ, ০২: ১৯৬, আয়াতের অনুবাদ তাফসীরে কাবুলি অনুসরণে করা হয়েছে।)
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ.
“অতএব, আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যেই নামায আদায় করুন এবং কুরবানী করুন।” (সূরা আল-কাউসার ১০৮:০২, আয়াতের অনুবাদ তাফসীরে কাবুলি অনুসরণে করা হয়েছে।)
عَن أنس بن مالک رضی ﷲ تعالی عنه قَالَ: ضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِكَبْشَيْنِ أَمْلَحَيْنِ أَقْرَنَيْنِ ذَبَحَهُمَا بِيَدِهِ وَسَمَّى وَكبر قَالَ: رَأَيْته واضعا قَدَمَهُ عَلَى صِفَاحِهِمَا وَيَقُولُ: «بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أكبر» متفق عليه.
“হযরত আনাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিখুঁত ও লম্বা শিংবিশিষ্ট সাদা-কালো রঙের দুটি দুম্বা কুরবানী করেছেন। ‘বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার’ পাঠ করে তিনি নিজ হাতে সেগুলো জবাই করেন। হযরত আনাস রাদিআল্লাহু আনহু আরও বলেন, ‘আমি দেখেছি, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুম্বার পাঁজরে তাঁর মোবারক পা রেখেছেন এবং মুখে ‘বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার’ পড়ছেন।’ (সহীহ বুখারী, হাদীস: ৫৫৬৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১৯৬৬)
মোদ্দাকথা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদা-কালো রঙের শিংওয়ালা দুটি দুম্বা কুরবানী করেছেন। তিনি নিজ হাতে সেগুলো জবাই করেন। জবাইয়ের সময় তিনি ‘বিসমিল্লাহ’ ও তাকবীর পাঠ করেন এবং দুম্বাগুলোর পাঁজরের ওপর আপন মোবারক পা রাখেন।
অন্য একটি হাদীস শরীফে এসেছে:
عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ ﷲ -صلى ﷲ عليه وسلم- قَالَ « مَا عَمِلَ آدَمِىٌّ مِنْ عَمَلٍ يَوْمَ النَّحْرِ أَحَبَّ إِلَى ﷲ مِنْ إِهْرَاقِ الدَّمِ إِنَّهَا لَتَأْتِى يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقُرُونِهَا وَأَشْعَارِهَا وَأَظْلاَفِهَا وَإِنَّ الدَّمَ لَيَقَعُ مِنَ ﷲ بِمَكَانٍ قَبْلَ أَنْ يَقَعَ مِنَ الأَرْضِ فَطِيبُوا بِهَا نَفْسًا»
“হযরত আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘কুরবানীর দিন রক্ত প্রবাহিত করার (কুরবানী করা) চেয়ে অন্য কোনো আমল আল্লাহ তাআলার কাছে অধিক প্রিয় নয়। কিয়ামতের দিন কুরবানীর পশুটি তার শিং, লোম ও ক্ষুরসহ উপস্থিত হবে। কুরবানীর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা আল্লাহ তাআলার দরবারে কবুল হয়ে যায়। সুতরাং, তোমরা অত্যন্ত আনন্দচিত্তে এই কুরবানী আদায় করো।” (সুনানে তিরমিযী, হাদীস: ১৪৯৩; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস: ৩১২৬)
হে আফগানিস্তানের মুমিন ও মুজাহিদ জনতা এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমার মুসলিম ভাইয়েরা!
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ!
শুরুতেই আপনাদের সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক মোবারকবাদ। মহান আল্লাহ তাআলা আপনাদের যাবতীয় ইবাদত, কুরবানী, হজ, দান-সদকা ও অন্য সকল নেক আমল কবুল করে নিন।
আমার শ্রদ্ধেয় আফগান ভাইয়েরা!
এটি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে অশেষ হামদ ও শুকরিয়া আদায়ের এক অপূর্ব মুহূর্ত! এমন এক প্রশান্তিকর সময়ে আমরা ঈদুল আযহা উদযাপন করছি, যখন এক সুশৃঙ্খল ইসলামী শরীয়ত ব্যবস্থার ছায়াতলে আমরা নিরাপদ ও শান্তিময় জীবন অতিবাহিত করছি।
মানুষের এই পার্থিব জীবনের মূল লক্ষ্যই তো আল্লাহ জাল্লা জালালুহুর দাসত্ব করা। তাঁর ইবাদতে নিজেকে গভীরভাবে সঁপে দেওয়া, দ্বীনের প্রতিটি বিধান অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলা এবং ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় নিজেকে পরিপূর্ণরূপে বিলীন করে দেওয়াই আমাদের ব্রত। এই মহান লক্ষ্যের প্রতি আমাদের বিশেষ নজর রাখা উচিত; কেননা, প্রকৃত সাফল্য ও সৌভাগ্যের চাবিকাঠি তো এখানেই লুকিয়ে আছে।
আপনারা জানেন, ইসলামী ইমারতের শাসনাধীনে আফগানিস্তানের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার আজ শরীয়তের আলোয় সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। আজ কেউ চাইলেই অন্যের ওপর জুলুম তথা নিপীড়ন চালাতে পারে না। যেকোনো ধরনের অবিচারকে কঠোর হাতে দমন করে মজলুমের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
শরীয়তের আদালতগুলো পুরোপুরি সক্রিয় করার মাধ্যমে সমাজে পবিত্র ইসলামী বিধান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি, ‘সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ’ (আমর বিল মারূফ ওয়া নাহী আনিল মুনকার)—এই মহান দায়িত্বটি আজ কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং বাস্তব জীবনে তার প্রয়োগ ঘটছে। শরীয়তের সুস্পষ্ট নীতি অনুযায়ী সমাজ সংস্কারের এই অবিরাম প্রচেষ্টা প্রতিনিয়ত চলছে।
তবুও, আমাদের সম্মানিত উলামায়ে কেরাম, আমর বিল মারূফ এবং দাওয়াত ও ইরশাদ বিভাগের দায়িত্বশীল ভাইদের প্রতি আমার আহ্বান—আপনারা সাধারণ মানুষের কাছে দ্বীনের জরুরি মাসআলাগুলো পৌঁছে দিতে আরও তৎপর হোন। বিশেষ করে নামাযের মতো ফরয বিধান এবং দ্বীনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলুন। তাদের অন্তরকে দ্বীনের দিকে আরও বেশি আকৃষ্ট করুন।
সমাজের ইয়াতীম, বিধবা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) এবং অসহায় দরিদ্র মানুষদের অধিকার আদায় ও সহায়তায় ইসলামী ইমারত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে আফগানিস্তানের বিত্তবান ভাইদের কাছেও আমার বিনীত অনুরোধ—আপনারা সমাজের এই পিছিয়ে পড়া অংশটিকে ভুলে যাবেন না। তাদের সার্বিক দেখাশোনা ও সহায়তায় আপনারা আপন হৃদয়কে প্রসারিত করুন।
বিশ্বমঞ্চে, বিশেষ করে অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রের সাথে ইসলামী ইমারত সবসময়ই শরীয়তের নীতিমালার আলোকে সুস্থ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। আর এই লক্ষ্যে আমরা আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত আন্তরিকভাবেই পালন করে আসছি।
আমি ইসলামী ইমারতের দায়িত্বশীল ভাইদেরকে বিশেষভাবে নির্দেশ দিচ্ছি—আপনাদের ওপর অর্পিত এই গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সর্বদা আল্লাহ তাআলার আদেশ-নিষেধের কথা মাথায় রাখবেন। শরীয়তের পবিত্র আলোয় জনগণের সেবা, নিরাপত্তা ও কল্যাণে নিজেদের উজাড় করে দিন। সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে কখনোই আপনাদের দরজা বন্ধ করে রাখবেন না; বরং হাসিমুখে ও দ্রুততম সময়ে তাদের কাজগুলো সম্পন্ন করে দিন।
খবরদার! ক্ষমতার মোহে পড়ে কারও ওপর সামান্যতম জুলুম করা থেকে নিজেদের আত্মাকে বাঁচিয়ে রাখবেন। ইতিহাস সাক্ষী, পৃথিবীতে যে-ই জুলুম করেছে, সে যত বড় ক্ষমতাধরই হোক না কেন- মহান আল্লাহ তাকে চূড়ান্ত লাঞ্ছনা ও পরাজয়ের স্বাদ আস্বাদন করিয়েছেন।
নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ভাইদের প্রতি আমার নির্দেশ—বিশেষ করে ঈদের এই আনন্দের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বস্তি, সেবা ও সার্বিক নিরাপত্তার দিকে সর্বোচ্চ খেয়াল রাখুন। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং ঈদকে নির্বিঘ্ন করতে সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপই আপনারা গ্রহণ করুন।
পাশাপাশি, যে সকল মুহাজির ভাই দেশে ফিরে আসছেন, সংশ্লিষ্ট সকল দায়িত্বশীল যেন তাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেন। তাদের জমি বণ্টন, যাতায়াত এবং পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা যেন নিশ্চিত করা হয়।
আমার প্রিয় আফগান ভাইয়েরা!
আমাদের এই শরীয়ত ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। ভুলে যাবেন না, অসংখ্য শহীদের পবিত্র রক্ত, মুজাহিদীন ও অগণিত মুখলিস মুসলমানের অপরিসীম ত্যাগ আর দীর্ঘ এক সাধনার ফসল এই ব্যবস্থা! আসুন! এই অমূল্য রত্নটিকে বুকে আগলে রাখতে আমরা পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হই। নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রেখে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শত্রুর যাবতীয় নাপাক ষড়যন্ত্রকে ধূলিসাৎ করে দিই। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন এবং সর্বোপরি এই ইসলামী ব্যবস্থাকে ভালোবাসতে শিখি। আসুন, আমরা সকলে মিলে এই ব্যবস্থার স্থায়িত্ব ও মজবুতির জন্য কাজ করি এবং প্রতিষ্ঠিত শরীয়তের ওপর পাহাড়ের মতো অবিচল দাঁড়িয়ে থাকি।
পবিত্র হারামাইন শরীফাইনে উপস্থিত—আফগানিস্তানসহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আগত সকল সম্মানিত হাজীর কাছে আমার আকুল আবেদন: আপনারা এই উম্মাহর জন্য, বিশেষ করে বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা মজলুম মুসলিম ভাইদের জন্য প্রাণখুলে দোয়া করুন। আল্লাহ তাআলা যেন তাঁদেরকে ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রুদের ওপর বিজয় দান করেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে চূড়ান্ত সম্মান ও সৌভাগ্য নসিব করেন।
সবশেষে, আমি আফগানিস্তানের সকল সামর্থ্যবান ও বিত্তশালী ভাইয়ের প্রতি এবং ইসলামী ইমারতের দায়িত্বশীলদের প্রতিও উদাত্ত আহ্বান জানাই—ঈদের এই পবিত্র ও আনন্দের মুহূর্তগুলোতে ফিরে আসা মুহাজির ভাইবোন এবং অভাবী ও দরিদ্র পরিবারগুলোর কথা ভুলে যাবেন না। ঈদের এই নির্মল আনন্দে তাদেরও আপন করে নিন।
পরিশেষে, সকল মুমিন ও সম্মানিত ভাইবোনকে আবারও ঈদুল আযহার প্রাণঢালা মোবারকবাদ জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ করুন, আপনাদের প্রতিটি ঈদ যেন এমনি শান্তিময় ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়।
ওয়াসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ
আমীরুল মুমিনীন শায়খুল কুরআন ওয়াল হাদীস
মৌলভি হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা
৭/১২/১৪৪৭ হিজরী কামারি
৩/৩/১৪০৫ হিজরী শামসি
২৪/০৫/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
**************
روابط بي دي اب
PDF (448 KB)
পিডিএফ ডাউনলোড করুন [৪৪৮ কিলোবাইট]
https://mega.nz/file/5rZDAKbQ#M96X_79LDmxnpA7HU2VmPRQnF58hhsp_ItUT5tAoc mE
روابط ورد
Word (460 KB)
ওয়ার্ড [৪৬০ কিলোবাইট]
https://mega.nz/file/o3IECZzT#LRwRAZfl2MJqSxMfyn5mB2UcCL2LGpGkpsmX9FKHI _w
روابط الغلاف- ١
book Banner [3.1 MB]
বুক ব্যানার ডাউনলোড করুন [৩.১ মেগাবাইট]
https://mega.nz/file/NyYjEQRa#3shJ7bauTo1paEk2RZ_7j7BDNdWuGHAb3uBAjecHm C0
روابط الغلاف- ٢
Banner [1.4 MB]
ব্যানার ডাউনলোড করুন [১.৪ মেগাবাইট]
مع تحيّات إخوانكم
في مؤسسة الشهداء للإنتاج الإعلامي
আপনাদের দোয়ায়
আশ শুহাদা মিডিয়ার ভাইদের স্মরণ রাখবেন!
In your dua remember your brothers of
Ash Shuhada Media
আশ শুহাদা মিডিয়া
Ash Shuhada Media
تـُــقدم
পরিবেশিত
Presents
الترجمة البنغالية
বাংলা অনুবাদ
Bengali Translation
بعنوان:
শিরোনাম:
Titled:
عیدِ سعید الاضحیٰ پر عالیقدر امیرالمؤمنین
شیخ القرآن والحدیث مولوی ھبۃ اللہ اخندزادہ صاحب حفظہ اللہ تعالیٰ کا تہنیتی پیغام
আমীরুল মু’মিনীন, শাইখুল কুরআন ওয়াল হাদীস,
মৌলভী হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা (হাফিজাহুল্লাহ) এর পক্ষ থেকে
১৪৪৭ হিজরির পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ‘অভিনন্দন বার্তা’
From the Ameerul Mu’minin, Shaikhul Qur’an Wal Hadith,
Mawlavi Hibbatullah Akhundzada (Hafizahullah),
On the occasion of the Blessed Eid-ul-Adha of the year 1447 Hijri,
A ‘Message of Congratulations’

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমীরুল মুমিনীন শায়খুল কুরআন ওয়াল হাদীস মৌলভি হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ—এর
শুভেচ্ছা বার্তা!
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ
ﷲ أکبر ﷲ أکبر، لا إله إلا ﷲ وﷲ أکبر، ﷲ أکبر وللّٰه الحمد.
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوذُ بِاللّٰهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَّهْدِهِ اللَٰهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُّضْلِلْ فَلاَ هَادِىَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ. اما بعد: فاعوذ بالله من الشيطان الرجیم -
قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
“(হে মুহাম্মদ ﷺ!) আপনি তাদের বলে দিন, ‘নিশ্চয়ই আমার নামায, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও মরণ—সবই কেবল বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহ তাআলার জন্য নিবেদিত।” (সূরা আল-আনআম, ০৬:১৬২, আয়াতের অনুবাদ তাফসীরে কাবুলি অনুসরণে করা হয়েছে।)
وَأَتِمُّوا الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لِلَّهِ .... الآیة.
“আর তোমরা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই হজ ও উমরাহ পূর্ণ করো।” (সূরা আল-বাকারাহ, ০২: ১৯৬, আয়াতের অনুবাদ তাফসীরে কাবুলি অনুসরণে করা হয়েছে।)
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ.
“অতএব, আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যেই নামায আদায় করুন এবং কুরবানী করুন।” (সূরা আল-কাউসার ১০৮:০২, আয়াতের অনুবাদ তাফসীরে কাবুলি অনুসরণে করা হয়েছে।)
عَن أنس بن مالک رضی ﷲ تعالی عنه قَالَ: ضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِكَبْشَيْنِ أَمْلَحَيْنِ أَقْرَنَيْنِ ذَبَحَهُمَا بِيَدِهِ وَسَمَّى وَكبر قَالَ: رَأَيْته واضعا قَدَمَهُ عَلَى صِفَاحِهِمَا وَيَقُولُ: «بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أكبر» متفق عليه.
“হযরত আনাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিখুঁত ও লম্বা শিংবিশিষ্ট সাদা-কালো রঙের দুটি দুম্বা কুরবানী করেছেন। ‘বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার’ পাঠ করে তিনি নিজ হাতে সেগুলো জবাই করেন। হযরত আনাস রাদিআল্লাহু আনহু আরও বলেন, ‘আমি দেখেছি, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুম্বার পাঁজরে তাঁর মোবারক পা রেখেছেন এবং মুখে ‘বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার’ পড়ছেন।’ (সহীহ বুখারী, হাদীস: ৫৫৬৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১৯৬৬)
মোদ্দাকথা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদা-কালো রঙের শিংওয়ালা দুটি দুম্বা কুরবানী করেছেন। তিনি নিজ হাতে সেগুলো জবাই করেন। জবাইয়ের সময় তিনি ‘বিসমিল্লাহ’ ও তাকবীর পাঠ করেন এবং দুম্বাগুলোর পাঁজরের ওপর আপন মোবারক পা রাখেন।
অন্য একটি হাদীস শরীফে এসেছে:
عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ ﷲ -صلى ﷲ عليه وسلم- قَالَ « مَا عَمِلَ آدَمِىٌّ مِنْ عَمَلٍ يَوْمَ النَّحْرِ أَحَبَّ إِلَى ﷲ مِنْ إِهْرَاقِ الدَّمِ إِنَّهَا لَتَأْتِى يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقُرُونِهَا وَأَشْعَارِهَا وَأَظْلاَفِهَا وَإِنَّ الدَّمَ لَيَقَعُ مِنَ ﷲ بِمَكَانٍ قَبْلَ أَنْ يَقَعَ مِنَ الأَرْضِ فَطِيبُوا بِهَا نَفْسًا»
“হযরত আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘কুরবানীর দিন রক্ত প্রবাহিত করার (কুরবানী করা) চেয়ে অন্য কোনো আমল আল্লাহ তাআলার কাছে অধিক প্রিয় নয়। কিয়ামতের দিন কুরবানীর পশুটি তার শিং, লোম ও ক্ষুরসহ উপস্থিত হবে। কুরবানীর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা আল্লাহ তাআলার দরবারে কবুল হয়ে যায়। সুতরাং, তোমরা অত্যন্ত আনন্দচিত্তে এই কুরবানী আদায় করো।” (সুনানে তিরমিযী, হাদীস: ১৪৯৩; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস: ৩১২৬)
হে আফগানিস্তানের মুমিন ও মুজাহিদ জনতা এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমার মুসলিম ভাইয়েরা!
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ!
শুরুতেই আপনাদের সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক মোবারকবাদ। মহান আল্লাহ তাআলা আপনাদের যাবতীয় ইবাদত, কুরবানী, হজ, দান-সদকা ও অন্য সকল নেক আমল কবুল করে নিন।
আমার শ্রদ্ধেয় আফগান ভাইয়েরা!
এটি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে অশেষ হামদ ও শুকরিয়া আদায়ের এক অপূর্ব মুহূর্ত! এমন এক প্রশান্তিকর সময়ে আমরা ঈদুল আযহা উদযাপন করছি, যখন এক সুশৃঙ্খল ইসলামী শরীয়ত ব্যবস্থার ছায়াতলে আমরা নিরাপদ ও শান্তিময় জীবন অতিবাহিত করছি।
মানুষের এই পার্থিব জীবনের মূল লক্ষ্যই তো আল্লাহ জাল্লা জালালুহুর দাসত্ব করা। তাঁর ইবাদতে নিজেকে গভীরভাবে সঁপে দেওয়া, দ্বীনের প্রতিটি বিধান অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলা এবং ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় নিজেকে পরিপূর্ণরূপে বিলীন করে দেওয়াই আমাদের ব্রত। এই মহান লক্ষ্যের প্রতি আমাদের বিশেষ নজর রাখা উচিত; কেননা, প্রকৃত সাফল্য ও সৌভাগ্যের চাবিকাঠি তো এখানেই লুকিয়ে আছে।
আপনারা জানেন, ইসলামী ইমারতের শাসনাধীনে আফগানিস্তানের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার আজ শরীয়তের আলোয় সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। আজ কেউ চাইলেই অন্যের ওপর জুলুম তথা নিপীড়ন চালাতে পারে না। যেকোনো ধরনের অবিচারকে কঠোর হাতে দমন করে মজলুমের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
শরীয়তের আদালতগুলো পুরোপুরি সক্রিয় করার মাধ্যমে সমাজে পবিত্র ইসলামী বিধান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি, ‘সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ’ (আমর বিল মারূফ ওয়া নাহী আনিল মুনকার)—এই মহান দায়িত্বটি আজ কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং বাস্তব জীবনে তার প্রয়োগ ঘটছে। শরীয়তের সুস্পষ্ট নীতি অনুযায়ী সমাজ সংস্কারের এই অবিরাম প্রচেষ্টা প্রতিনিয়ত চলছে।
তবুও, আমাদের সম্মানিত উলামায়ে কেরাম, আমর বিল মারূফ এবং দাওয়াত ও ইরশাদ বিভাগের দায়িত্বশীল ভাইদের প্রতি আমার আহ্বান—আপনারা সাধারণ মানুষের কাছে দ্বীনের জরুরি মাসআলাগুলো পৌঁছে দিতে আরও তৎপর হোন। বিশেষ করে নামাযের মতো ফরয বিধান এবং দ্বীনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলুন। তাদের অন্তরকে দ্বীনের দিকে আরও বেশি আকৃষ্ট করুন।
সমাজের ইয়াতীম, বিধবা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) এবং অসহায় দরিদ্র মানুষদের অধিকার আদায় ও সহায়তায় ইসলামী ইমারত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে আফগানিস্তানের বিত্তবান ভাইদের কাছেও আমার বিনীত অনুরোধ—আপনারা সমাজের এই পিছিয়ে পড়া অংশটিকে ভুলে যাবেন না। তাদের সার্বিক দেখাশোনা ও সহায়তায় আপনারা আপন হৃদয়কে প্রসারিত করুন।
বিশ্বমঞ্চে, বিশেষ করে অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রের সাথে ইসলামী ইমারত সবসময়ই শরীয়তের নীতিমালার আলোকে সুস্থ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। আর এই লক্ষ্যে আমরা আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত আন্তরিকভাবেই পালন করে আসছি।
আমি ইসলামী ইমারতের দায়িত্বশীল ভাইদেরকে বিশেষভাবে নির্দেশ দিচ্ছি—আপনাদের ওপর অর্পিত এই গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সর্বদা আল্লাহ তাআলার আদেশ-নিষেধের কথা মাথায় রাখবেন। শরীয়তের পবিত্র আলোয় জনগণের সেবা, নিরাপত্তা ও কল্যাণে নিজেদের উজাড় করে দিন। সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে কখনোই আপনাদের দরজা বন্ধ করে রাখবেন না; বরং হাসিমুখে ও দ্রুততম সময়ে তাদের কাজগুলো সম্পন্ন করে দিন।
খবরদার! ক্ষমতার মোহে পড়ে কারও ওপর সামান্যতম জুলুম করা থেকে নিজেদের আত্মাকে বাঁচিয়ে রাখবেন। ইতিহাস সাক্ষী, পৃথিবীতে যে-ই জুলুম করেছে, সে যত বড় ক্ষমতাধরই হোক না কেন- মহান আল্লাহ তাকে চূড়ান্ত লাঞ্ছনা ও পরাজয়ের স্বাদ আস্বাদন করিয়েছেন।
নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ভাইদের প্রতি আমার নির্দেশ—বিশেষ করে ঈদের এই আনন্দের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বস্তি, সেবা ও সার্বিক নিরাপত্তার দিকে সর্বোচ্চ খেয়াল রাখুন। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং ঈদকে নির্বিঘ্ন করতে সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপই আপনারা গ্রহণ করুন।
পাশাপাশি, যে সকল মুহাজির ভাই দেশে ফিরে আসছেন, সংশ্লিষ্ট সকল দায়িত্বশীল যেন তাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেন। তাদের জমি বণ্টন, যাতায়াত এবং পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা যেন নিশ্চিত করা হয়।
আমার প্রিয় আফগান ভাইয়েরা!
আমাদের এই শরীয়ত ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। ভুলে যাবেন না, অসংখ্য শহীদের পবিত্র রক্ত, মুজাহিদীন ও অগণিত মুখলিস মুসলমানের অপরিসীম ত্যাগ আর দীর্ঘ এক সাধনার ফসল এই ব্যবস্থা! আসুন! এই অমূল্য রত্নটিকে বুকে আগলে রাখতে আমরা পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হই। নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রেখে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শত্রুর যাবতীয় নাপাক ষড়যন্ত্রকে ধূলিসাৎ করে দিই। দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন এবং সর্বোপরি এই ইসলামী ব্যবস্থাকে ভালোবাসতে শিখি। আসুন, আমরা সকলে মিলে এই ব্যবস্থার স্থায়িত্ব ও মজবুতির জন্য কাজ করি এবং প্রতিষ্ঠিত শরীয়তের ওপর পাহাড়ের মতো অবিচল দাঁড়িয়ে থাকি।
পবিত্র হারামাইন শরীফাইনে উপস্থিত—আফগানিস্তানসহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আগত সকল সম্মানিত হাজীর কাছে আমার আকুল আবেদন: আপনারা এই উম্মাহর জন্য, বিশেষ করে বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা মজলুম মুসলিম ভাইদের জন্য প্রাণখুলে দোয়া করুন। আল্লাহ তাআলা যেন তাঁদেরকে ইসলাম ও মুসলমানদের শত্রুদের ওপর বিজয় দান করেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে চূড়ান্ত সম্মান ও সৌভাগ্য নসিব করেন।
সবশেষে, আমি আফগানিস্তানের সকল সামর্থ্যবান ও বিত্তশালী ভাইয়ের প্রতি এবং ইসলামী ইমারতের দায়িত্বশীলদের প্রতিও উদাত্ত আহ্বান জানাই—ঈদের এই পবিত্র ও আনন্দের মুহূর্তগুলোতে ফিরে আসা মুহাজির ভাইবোন এবং অভাবী ও দরিদ্র পরিবারগুলোর কথা ভুলে যাবেন না। ঈদের এই নির্মল আনন্দে তাদেরও আপন করে নিন।
পরিশেষে, সকল মুমিন ও সম্মানিত ভাইবোনকে আবারও ঈদুল আযহার প্রাণঢালা মোবারকবাদ জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ করুন, আপনাদের প্রতিটি ঈদ যেন এমনি শান্তিময় ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়।
ওয়াসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ
আমীরুল মুমিনীন শায়খুল কুরআন ওয়াল হাদীস
মৌলভি হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা
৭/১২/১৪৪৭ হিজরী কামারি
৩/৩/১৪০৫ হিজরী শামসি
২৪/০৫/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
**************
روابط بي دي اب
PDF (448 KB)
পিডিএফ ডাউনলোড করুন [৪৪৮ কিলোবাইট]
https://mega.nz/file/5rZDAKbQ#M96X_79LDmxnpA7HU2VmPRQnF58hhsp_ItUT5tAoc mE
روابط ورد
Word (460 KB)
ওয়ার্ড [৪৬০ কিলোবাইট]
https://mega.nz/file/o3IECZzT#LRwRAZfl2MJqSxMfyn5mB2UcCL2LGpGkpsmX9FKHI _w
روابط الغلاف- ١
book Banner [3.1 MB]
বুক ব্যানার ডাউনলোড করুন [৩.১ মেগাবাইট]
https://mega.nz/file/NyYjEQRa#3shJ7bauTo1paEk2RZ_7j7BDNdWuGHAb3uBAjecHm C0
روابط الغلاف- ٢
Banner [1.4 MB]
ব্যানার ডাউনলোড করুন [১.৪ মেগাবাইট]
مع تحيّات إخوانكم
في مؤسسة الشهداء للإنتاج الإعلامي
আপনাদের দোয়ায়
আশ শুহাদা মিডিয়ার ভাইদের স্মরণ রাখবেন!
In your dua remember your brothers of
Ash Shuhada Media