Announcement

Collapse
No announcement yet.

Bengali Translation || কাবুলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বোমাবর্ষণ প্রসঙ্গে

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • Bengali Translation || কাবুলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বোমাবর্ষণ প্রসঙ্গে


    اداره النصر
    আন নাসর মিডিয়া
    An Nasr Media

    پیش کرتے ہیں
    পরিবেশিত
    Presents

    بنگالی ترجمہ
    বাংলা অনুবাদ
    Bengali Translation

    عنوان:
    শিরোনাম:
    Titled

    پاکستانی فوج کی طرف سے کابل میں ہونے والی بمباریوں کی بابت

    কাবুলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বোমাবর্ষণ প্রসঙ্গে

    Regarding the Bombings Carried Out in Kabul by the Pakistani Army!





    پی ڈی ایف
    PDF (443 KB)
    পিডিএফ ডাউনলোড করুন [৪৪৩ কিলোবাইট]






    https://mega.nz/file/ywYjnRZC#auHoj4...kLPm9nkjyNIzfu Mo


    ورڈ
    WORD (176 KB)
    ওয়ার্ড ডাউনলোড করুন [১৭৬ কিলোবাইট]








    بينر
    banner [180 KB]
    ব্যানার [১৮০ কিলোবাইট]









    اپنی دعاؤں میں ہمیں یاد رکھيں
    اداره النصر براۓ نشر و اشاعت
    القاعدہ برِّ صغیر
    আপনাদের দোয়ায়
    আন নাসর মিডিয়ার ভাইদের স্মরণ রাখবেন!
    আল কায়েদা উপমহাদেশ
    In your dua remember your brothers of
    An Nasr Media
    Al-Qaidah in the Subcontinent​





    কাবুলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বোমাবর্ষণ প্রসঙ্গে

    الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على سيد الأنبياء والمرسلين وعلى آله وصحبه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين، أما بعد
    সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী ও রাসূলদের সর্দার, তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবায়ে কেরাম এবং কিয়ামত পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণকারীদের ওপর।
    হামদ ও সালাতের পর:
    ১৬ ও ১৭ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যবর্তী রাতে, যখন পাকিস্তানে পবিত্র রমজান মাসের সাতাশতম রজনী (শবে কদর) চলছিল, তখন পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানগুলো আফগানিস্তানের ইসলামি ইমারাতের রাজধানী কাবুলে মাদকাসক্তদের একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে বোমাবর্ষণ করে। এর ফলে প্রায় পাঁচশ (৫০০) মানুষ শহীদ হন এবং আরও কয়েকশ মানুষ আহত হন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!
    আমরা কঠোরতম ভাষায় এই জঘন্য অপরাধের নিন্দা জানাচ্ছি। সাধারণ মানুষের ওপর, বিশেষ করে হাসপাতাল ও জনাকীর্ণ স্থানে এমন গণহত্যা অত্যন্ত ভয়াবহ একটি অপরাধ। এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ কেবল আমেরিকা ও ইসরায়েলের মতো নিষ্ঠুর এবং রক্তপিপাসু অত্যাচারীদের স্বভাবের সাথেই মানানসই।
    এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে আমরা কিছু সত্য ও বাস্তব চিত্র আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই:
    • গত প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ চলছে।
    • এই যুদ্ধে আফগানিস্তানের ইসলামি ইমারাতের অবস্থান দিনের আলোর মতো স্পষ্ট এবং তা সম্পূর্ণ সত্য ও ন্যায়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
    • অন্যদিকে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের হাতের পুতুল সরকারের অবস্থান অস্পষ্ট, দাসত্বসুলভ এবং সম্পূর্ণ বাতিলের ওপর নির্ভরশীল।
    • রমজান মাসের আগে থেকেই পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী এমন সব সংবাদ বিবৃতি দিচ্ছিল যে, তারা শিগগিরই আফগানিস্তানের ইসলামি ইমারাতে হামলা চালাবে। এর স্বপক্ষে তারা সন্ত্রাসীদের মদদ দেওয়ার একটি অস্পষ্ট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ব্যাপক অপপ্রচার চালাচ্ছিল।
    কাতার, তুরস্ক এবং সৌদি আরবে আফগানিস্তানের ইসলামি ইমারাত এবং পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে যেসব আলোচনা হয়েছে, পরিস্থিতি সম্পর্কে যারা অবগত আছেন তারা সেগুলোর বিস্তারিত খুব ভালো করেই জানেন। ওই আলোচনাগুলোতে উঠে আসা কথাবার্তা এবং অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় আমেরিকার সাথে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বর্তমান চরম ঘনিষ্ঠতা থেকে এটি স্পষ্ট যে, পঁচিশ বছর আগের সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ (War on Terror)-এর মতো পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আজ আবারও একটি নতুন ভাড়াটেকেটে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে। তারা আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মুসলিম জনগণকে নির্বিচারে হত্যা করতে চায় এবং রাজনৈতিক, সামরিক, কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক—সব দিক থেকেই একটি দুর্বল ও ভঙ্গুর আফগানিস্তান দেখতে চায়।
    মার্কিন সংস্থাগুলোর আশীর্বাদপুষ্ট প্রভাবশালী পাকিস্তানি ব্যক্তিত্বদের ফাঁস হওয়া (লিকড) চিঠিপত্র থেকে এটা পরিষ্কার যে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দুষ্কৃতিকারী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বাগরাম বিমানঘাঁটি বুঝিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি, ইসলামি ইমারাতের মুজাহিদদের হাতে গনিমত হিসেবে আসা মার্কিন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম পুনরুদ্ধার করে আমেরিকার হাতে তুলে দেওয়ার সেবাদাস হিসেবে তারা নিজেদের নিয়োজিত করেছে।
    আমেরিকায় পাকিস্তানি সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সম্মানে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজ, ট্রাম্পকে মূল্যবান খনিজ সম্পদ দেওয়ার ব্যাপারে আসিম মুনিরের প্রস্তাব এবং ট্রাম্পের পক্ষ থেকে তাকে ফেভারিট ফিল্ড মার্শালখেতাব প্রদান—এসব কিছু অকাট্যভাবে প্রমাণ করে যে, পারভেজ মোশাররফের মতোই আসিম মুনিরও পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব সবদিক থেকে বিক্রি করে দিয়েছেন। এই দেশ বিক্রির সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো বোর্ড অব পিস’-এ ইসরায়েল ও আমেরিকার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাকিস্তানের যোগ দেওয়া এবং ফিলিস্তিনের জিহাদকে সমূলে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রের অংশীদার হওয়া।
    এই হলো সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং রূঢ় বাস্তবতা, যার ফলস্বরূপ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং আমেরিকার ইশারায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গত বছরও আফগানিস্তানের জনাকীর্ণ স্থান, বিশেষ করে রাজধানী কাবুলের বেসামরিক জনগণের ওপর হামলা চালিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছিল। তিন সপ্তাহ আগেও ঠিক একই বাস্তবতার আলোকে মার্কিন মিশনে অংশ নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কাবুল ও কান্দাহারের বিভিন্ন জনাকীর্ণ স্থানে হামলা চালিয়ে পুনরায় যুদ্ধ বাঁধিয়ে দেয়, যা এখনো চলছে। গত রাতে কাবুলের একটি হাসপাতালে চালানো পৈশাচিক হামলাই হলো এই জঘন্য যুদ্ধের সবচেয়ে নিকৃষ্ট রূপ।
    اللهم اهدنا فيمن هديت وعافنا فيمن عافيت وتولنا فيمن توليت وبارك لنا فيما أعطيت وقنا شر ما قضيت إنك تقضى ولا يقضى عليك وإنه لا يذل من واليت ولا يعز من عاديت تباركت ربنا وتعاليت
    হে আল্লাহ! আপনি যাদের হেদায়েত দিয়েছেন, তাদের সাথে আমাকেও হেদায়েত দিন। যাদের নিরাপত্তা দিয়েছেন, তাদের সাথে আমাকেও নিরাপত্তা দিন। আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের সাথে আমারও অভিভাবক হোন। আমাকে যা দিয়েছেন, তাতে বরকত দিন। আপনি যা ফয়সালা করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করুন। নিশ্চয়ই ফয়সালা আপনিই করেন, আপনার ওপর ফয়সালা চাপানোর কেউ নেই। আপনি যার সাথে বন্ধুত্ব করেছেন, সে কখনো অপমানিত হয় না এবং আপনি যার সাথে শত্রুতা করেছেন, সে কখনো সম্মানিত হতে পারে না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি বরকতময় ও সুমহান।
    যেকোনো ধরনের সীমান্ত, অঞ্চল, জাতি বা রাষ্ট্রীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে যে বিষয়টি সারা বিশ্বের মুসলমানদের এক সুতোয় গাঁথে, তা হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই)। এই লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-ই হলো মুসলমানদের পারস্পরিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি এবং অন্য যেকোনো পার্থিব স্বার্থের চেয়ে শক্তিশালী এক অমোঘ সত্য।
    নিঃসন্দেহে এই যুদ্ধের একদিকে রয়েছে আফগানিস্তানের ইসলামি ইমারাত এবং অন্যদিকে রয়েছে কালিমা পাঠকারী একটি সেনাবাহিনী; কিন্তু এটি মূলত সত্য ও মিথ্যার যুদ্ধ। একদিকে রয়েছে আমেরিকাকে পরাজিতকারী বিজয়ী দল, আর অন্যদিকে রয়েছে আমেরিকার হয়ে যুদ্ধ করা আসিম মুনিরের সেনাবাহিনী। পাকিস্তানের প্রতিটি সেনাসদস্যের এটি খুব ভালোভাবে জেনে রাখা উচিত যে, তাদের জাতীয় স্বার্থ এবং অফিসারদের সেনাপ্রধানের নির্দেশের চেয়ে আল্লাহর শরিয়ত এবং আল্লাহর বিধানের গুরুত্ব অনেক বেশি স্রষ্টার অবাধ্য হয়ে কোনো সৃষ্টির আনুগত্য করা কিছুতেই বৈধ হতে পারে না
    ফকিহ ও মুহাদ্দিস হযরত মাওলানা মুফতি নিজামুদ্দীন শামজাই শহীদ (রহ.) আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে আমেরিকার সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ (War on Terror)-এর অংশ হওয়া সেনাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ফতোয়ায় বলেছিলেন, “যদি কোনো সেনাসদস্যকে একজন মুসলমান হত্যা এবং কোর্ট মার্শালের মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে হয়, তবে তার উচিত কোর্ট মার্শালকেই বেছে নেওয়া” সুতরাং পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রতিটি সেনাসদস্য এবং যুদ্ধবিমান পরিচালনাকারী প্রতিটি জিডি পাইলটের উচিত মুসলমানদের ওপর গণহত্যা চালানোর যেকোনো নির্দেশ দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করা অন্যথায় কাবুলের হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে শহীদ হওয়া পাঁচশো মানুষের রক্তের দায়ভার প্রতিটি সেনাসদস্যের ঘাড়ে বর্তাবে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা স্পষ্টভাবে ইরশাদ করেছেন:
    وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ خَلِدًا فِيهَا وَغَضِبَ اللهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُ وَأَعَدَّ لَهُ عَذَابًا عَظِيمًا
    আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মুমিনকে হত্যা করে, তার শাস্তি হলো জাহান্নাম, যেখানে সে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তার ওপর ক্ষুব্ধ হবেন, তাকে অভিশাপ দেবেন এবং তার জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন এক ভয়াবহ শাস্তি। (সূরা নিসা: ৯৩)
    আমরা এখানে পাকিস্তানের ধর্মপ্রাণ মানুষ, বিশেষ করে ধর্মীয় নেতৃত্ব, ওলামায়ে কেরাম এবং ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি যে,
    • এখন সময় এসেছে সত্য প্রতিষ্ঠা এবং তা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করার মুখ ও কলম দিয়ে, মসজিদের মিনার ও মিম্বর থেকে সত্য প্রচারের এই তো সময় আল্লাহর কাছে নিজের দায়বদ্ধতা পূরণের এবং সাধারণ মানুষের সামনে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার এটাই মোক্ষম সময়
    • ধর্মীয় নেতৃত্বের দায়িত্ব হলো পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর এই নির্মম জুলুম রুখে দিতে দৃঢ়চিত্তে সোচ্চার হওয়া প্রকৃত উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সঠিক সত্যকে অনুধাবন করা পাকিস্তান আজও পারভেজ মোশাররফের জ্বালানো সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’-এর লেলিহান শিখায় দগ্ধ হচ্ছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে এই নতুন অপরাধ করা থেকে এবং আফগানিস্তানের ইসলামি ইমারাতের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ভাড়াটেকেটে বাহিনীতে পরিণত হওয়া থেকে বিরত রাখুন তা না হলে পাকিস্তানি জেনারেলদের ট্রাম্প প্রকল্পএবং উপজাতীয় অঞ্চল ও বেলুচিস্তানে তাদের ভুল নীতির কারণে পাকিস্তান এমন এক ভয়ংকর আগ্নেয়গিরির কবলে পড়বে, যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে
    • ধর্মীয় নেতৃত্বের পবিত্র শরয়ি দায়িত্ব হলো, পাকিস্তান দখলকারী এই জালেম, অবৈধ এবং মার্কিন নিয়ন্ত্রিত দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থাকে সমূলে উৎপাটন করা সেই পাকিস্তান, সেই নেজামে মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং সেই দারুল ইসলামের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সম্পূর্ণ শরয়ি ভিত্তিতে সুসংগঠিতভাবে প্রস্তুতি, দাওয়াত এবং জিহাদভিত্তিক এমন এক সৎ আন্দোলন, সংগ্রাম ও বিপ্লব গড়ে তোলার মেহনত করতে হবে, যার জন্য ১৯৪৭ সালে ছয় লাখ মানুষ অকাতরে নিজেদের প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছিলেন যে পাকিস্তান ছিল পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতাদের লালিত স্বপ্ন, যে পাকিস্তানের অর্থ, উদ্দেশ্য এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহএবং মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরিয়ত বাস্তবায়ন!

    اللهم انصر من نصر دين محمد صلى الله عليه وسلم واجعلنا منهم واخذل من خذل دين محمد صلى الله عليه وسلم ولا تجعلنا منهم، آمين يا رب العالمين
    হে আল্লাহ! যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দ্বীনকে সাহায্য করে, আপনি তাকে সাহায্য করুন এবং আমাদের তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আর যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দ্বীনকে লাঞ্ছিত করে, আপনি তাকে লাঞ্ছিত করুন এবং আমাদের তাদের অন্তর্ভুক্ত করবেন না। আমিন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক!
    وآخر دعوانا أن الحمد للہ رب العالمین وصلی اللہ تعالیٰ علی نبینا الأمین!
    আর আমাদের শেষ কথা হলো, সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহ তায়ালা আমাদের বিশ্বস্ত নবীর ওপর দরুদ বর্ষণ করুন।
    _____________________________
    অনুবাদপ্রকাশনা
    আপনাদের দোয়ায় মুজাহিদ ভাইদের ভুলবেন না!
Working...
X