প্রিয় উপস্থিতি!
জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে মুমিন আল্লাহর সন্তুষ্টি তালাশ করে। তার প্রতিটি কাজ, প্রতিটি কথা, প্রতিটি চিন্তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই নিবেদিত হয়। মানুষের সন্তুষ্টি অর্জনের ফিকির তার থাকে না। বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে গিয়ে সে মানুষের অসন্তুষ্টি খুশি মনে বরণ করে নেয়। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন,
.
কোনো কাজ সম্পাদন কিংবা বর্জনের ব্যাপারে মুমিনের একমাত্র মানদণ্ড হলো-এই কাজে আমার আল্লাহ সন্তুষ্ট আছেন কিনা! আল্লাহর আনুগত্যের প্রশ্নে সে কোনো মাখলুককে ভয় পায় না। কারণ সে জানে মাখলুকের কিছুই করার ক্ষমতা নেই।
.
রাসুল ﷺ মু'আয বিন জাবাল রা. কে নাসিহাহ করতে গিয়ে বলেন,
وَاعْلَمْ أَنَّ الْأُمَّةَ لَوْ اجْتَمَعَتْ عَلَى أَنْ يَنْفَعُوك بِشَيْءٍ لَمْ يَنْفَعُوك إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ لَك، وَإِنْ اجْتَمَعُوا عَلَى أَنْ يَضُرُّوك بِشَيْءٍ لَمْ يَضُرُّوك إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَيْك
"জেনে রেখো,যদি গোটা জাতিও তোমার কোনো উপকার করার জন্য একত্রিত হয়,তবে ততটুকু উপকারই করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার তাকদিরে লিখে রেখেছেন। আর গোটা জাতি তোমার কোনো ক্ষতি করার জন্য সমবেত হয়,তবে ততটুকু ক্ষতিই করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার তাকদিরে লিখে রেখেছেন।" [তিরমিজি:২৪৫৩]
.
তাই মুমিন আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে কারো পরোয়া করে না। পরিবার,সমাজ,রাষ্ট্র- কাউকেই না! পরিবার যদি তাকে আল্লাহর নাফরমানি করতে বলে সে তা মেনে নেয় না। সমাজ যদি তাকে হারামে লিপ্ত হতে বাধ্য করে সে সমাজকে ছুড়ে ফেলে। রাষ্ট্র যদি তার ওপর কুফরি আইন চাপিয়ে দেয় সে তা প্রতাখ্যান করে। এই পৃথিবীতে মুমিনের ওপর কারো কর্তৃত্ত্ব চলে না! সে কেবল আল্লাহরই গোলামী করে। তাঁর সামনেই কেবল মাথা নত করে।তাঁর আইন-ই মেনে চলে। কাউকে আইন পাশের সে অধিকার দেয় না। সে জানে - আল্লাহর বিধানকে অগ্রাহ্য করে আইন প্রণয়নের অধিকার কারো নেই। আল্লাহর হারামকৃত বস্তু কেউ হালাল করতে পারে না। আল্লাহর হালালকৃত বস্তু কেউ হারাম করতে পারে না। আল্লাহর বিধানের সামনে রাষ্ট্র কেন; পুরো পৃথিবীকেও সে পায়ের নিচে রাখে! কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টিই তার কাম্য। আল্লাহর ভালোবাসাই তার চূড়ান্ত লক্ষ্য।
.
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে প্রকৃত মুমিন হওয়ার তাওফিক দিন। আল্লাহর সন্তুষ্টির স্বার্থে পুরো পৃথিবীকেও যেন চ্যালেন্জ করতে পারি সেই হিম্মত আমাদের দান করুন। আমীন। ইয়া রব্বাল 'আলামীন।
[শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিযাহুল্লাহর লেকচারের শ্রুতিলিখন]
জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে মুমিন আল্লাহর সন্তুষ্টি তালাশ করে। তার প্রতিটি কাজ, প্রতিটি কথা, প্রতিটি চিন্তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই নিবেদিত হয়। মানুষের সন্তুষ্টি অর্জনের ফিকির তার থাকে না। বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে গিয়ে সে মানুষের অসন্তুষ্টি খুশি মনে বরণ করে নেয়। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন,
مَنِ الْتَمَسَ رِضَاءَ اللَّهِ بِسَخَطِ النَّاسِ كَفَاهُ اللَّهُ مُؤْنَةَ النَّاسِ وَمَنِ الْتَمَسَ رِضَاءَ النَّاسِ بِسَخَطِ اللَّهِ وَكَلَهُ اللَّهُ إِلَى النَّاسِ
"যে ব্যক্তি মানুষকে অসন্তুষ্ট করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে, মানুষের অসন্তুষ্টির কারণে তার যে ক্ষতি হয় এই ক্ষতিপূরণের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট হয়ে যান। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে মানুষের সন্তুষ্টি অর্জন করে আল্লাহ তায়ালা তাকে মানুষের কাছেই সোপর্দ করে দেন।" [সুনানে তিরমিজি:২৪১৪]
"যে ব্যক্তি মানুষকে অসন্তুষ্ট করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে, মানুষের অসন্তুষ্টির কারণে তার যে ক্ষতি হয় এই ক্ষতিপূরণের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট হয়ে যান। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে মানুষের সন্তুষ্টি অর্জন করে আল্লাহ তায়ালা তাকে মানুষের কাছেই সোপর্দ করে দেন।" [সুনানে তিরমিজি:২৪১৪]
কোনো কাজ সম্পাদন কিংবা বর্জনের ব্যাপারে মুমিনের একমাত্র মানদণ্ড হলো-এই কাজে আমার আল্লাহ সন্তুষ্ট আছেন কিনা! আল্লাহর আনুগত্যের প্রশ্নে সে কোনো মাখলুককে ভয় পায় না। কারণ সে জানে মাখলুকের কিছুই করার ক্ষমতা নেই।
.
রাসুল ﷺ মু'আয বিন জাবাল রা. কে নাসিহাহ করতে গিয়ে বলেন,
وَاعْلَمْ أَنَّ الْأُمَّةَ لَوْ اجْتَمَعَتْ عَلَى أَنْ يَنْفَعُوك بِشَيْءٍ لَمْ يَنْفَعُوك إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ لَك، وَإِنْ اجْتَمَعُوا عَلَى أَنْ يَضُرُّوك بِشَيْءٍ لَمْ يَضُرُّوك إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَيْك
"জেনে রেখো,যদি গোটা জাতিও তোমার কোনো উপকার করার জন্য একত্রিত হয়,তবে ততটুকু উপকারই করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার তাকদিরে লিখে রেখেছেন। আর গোটা জাতি তোমার কোনো ক্ষতি করার জন্য সমবেত হয়,তবে ততটুকু ক্ষতিই করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার তাকদিরে লিখে রেখেছেন।" [তিরমিজি:২৪৫৩]
.
তাই মুমিন আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে কারো পরোয়া করে না। পরিবার,সমাজ,রাষ্ট্র- কাউকেই না! পরিবার যদি তাকে আল্লাহর নাফরমানি করতে বলে সে তা মেনে নেয় না। সমাজ যদি তাকে হারামে লিপ্ত হতে বাধ্য করে সে সমাজকে ছুড়ে ফেলে। রাষ্ট্র যদি তার ওপর কুফরি আইন চাপিয়ে দেয় সে তা প্রতাখ্যান করে। এই পৃথিবীতে মুমিনের ওপর কারো কর্তৃত্ত্ব চলে না! সে কেবল আল্লাহরই গোলামী করে। তাঁর সামনেই কেবল মাথা নত করে।তাঁর আইন-ই মেনে চলে। কাউকে আইন পাশের সে অধিকার দেয় না। সে জানে - আল্লাহর বিধানকে অগ্রাহ্য করে আইন প্রণয়নের অধিকার কারো নেই। আল্লাহর হারামকৃত বস্তু কেউ হালাল করতে পারে না। আল্লাহর হালালকৃত বস্তু কেউ হারাম করতে পারে না। আল্লাহর বিধানের সামনে রাষ্ট্র কেন; পুরো পৃথিবীকেও সে পায়ের নিচে রাখে! কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টিই তার কাম্য। আল্লাহর ভালোবাসাই তার চূড়ান্ত লক্ষ্য।
.
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে প্রকৃত মুমিন হওয়ার তাওফিক দিন। আল্লাহর সন্তুষ্টির স্বার্থে পুরো পৃথিবীকেও যেন চ্যালেন্জ করতে পারি সেই হিম্মত আমাদের দান করুন। আমীন। ইয়া রব্বাল 'আলামীন।
[শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিযাহুল্লাহর লেকচারের শ্রুতিলিখন]