মুরতাদকে হত্যা করার জন্য শর্ত:
মুরতাদকে হত্যা করার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। উক্ত শর্ত পাওয়া না গেলে তাকে হত্যা করা হবে না। এ রকম শর্ত দুই প্রকার: এক. এমন কিছু শর্ত, যা পাওয়া না গেলে মুরতাদই বলা যাবে না। দুই. এমন শর্ত, যার কারণে মুরতাদ হওয়া সত্বেও তাকে হত্যা করা যাবে না।
প্রথম প্রকার শর্ত:
যে সকল শর্ত পাওয়া না গেলে মুরতাদ হবে না, এরকম শর্ত হচ্ছে—
এক. বোধশক্তি থাকা। পাগল, মানসিক বিকারগ্রস্থ এবং একেবারে অবুঝ শিশু থেকে কোনো কুফুর প্রকাশ হওয়ার কারণে তারা মুরতাদ হবে না।
দুই. চেতন থাকা: অবচেতনভাবে কোনো কুফুরি কথা বা কাজ প্রকাশ পেলে মুরতাদ হবে না। সুতরাং নেশাগ্রস্থ কিংবা ঘুমন্ত ব্যক্তি থেকে কোনো কুফুর প্রকাশ পাওয়া গেলে মুরতাদ বলা যাবে না।
তিন. ইচ্ছাকৃত হওয়া: ভুলে কোনো কুফুরি করলে কিংবা একটা শব্দ বলতে গিয়ে কুফুরি শব্দ উচ্চারিত হয়ে গেলে মুরতাদ হবে না।
চার. স্বেচ্ছায় করা: অর্থাৎ কারো পক্ষ থেকে বাধ্য না হওয়া। তাই বাধ্য হয়ে কোনো কুফুরি কথা বা কাজ করে ফেললে মুরতাদ হবে না। -বাদায়েউস সানায়ে: ৯/৪৩৭ (দারুল হাদীস); আল-বাহুরুর রায়েক: ৫/১২৯ (দারুল কিতাবিল ইসলামী); রদ্দুল মুহতার: ৪/২২৪ (দারুল ফিকর)
দ্বিতীয় প্রকার শর্ত:
যে শর্তসমূহ পাওয়া না গেলে ব্যক্তি মুরতাদ হওয়া সত্বেও হত্যা করা যাবে না, এমন শর্ত হচ্ছে—
এক. প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া: নাবালক যেহেতু শাস্তির উপযোক্ত নয়, তাই সে মুরতাদ হলে হত্যা করা যাবে না।
দুই. ইসলাম গ্রহণের পদ্ধতি বিবেচনা করা: কেউ স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করার পরে মুরতাদ হলে তাকে হত্যা করা হবে। পক্ষান্তরে যদি কাউকে ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়, তাহলে পরবর্তীতে সে স্বেচ্ছায় মুরতদ হলেও তাকে হত্যা করা হবে না।
তিন. ইসলাম ও ইরতিদাদের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া: যখন কোনো ব্যক্তির মুসলিম হওয়া এবং পরবর্তীতে মুরতাদ হওয়া—উভয়টি নিশ্চিতভাবে জানা যাবে, তখন তাকে হত্যা করা হবে। পক্ষান্তরে যদি কারো ব্যাপারে শুধু ধারণার ভিত্তিতে মুসলিম থাকার বিষয় জানা যায় কিংবা মুরতাদ হওয়ার বিষয়ে সন্দেহ হয়, তাহলে তাকে হত্যা করা হবে না।
উপর্যুক্ত শর্তসমূহ পাওয়া না গেলে মুরতাদকে হত্যা করা হবে না। তবে তাকে বন্দি করে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া হবে এবং ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হবে। -মাবসূতে সারাখসী: ১০/১২৩ (দারুল মা’রেফা); ফাতহুল কাদীর: ৬/৯০ (ইলমিয়্যাহ); রদ্দুল মুহতার: ৪/২৪৫ (দারুল ফিকর)
মহিলা মুরতাদের বিধান:
মহিলা মুরতাদকে হত্যা করা হবে কি’না—এ ব্যাপারে ইমামদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও মুহাম্মদ রহ. সহ অনেক সালাফের মতে মহিলা মুরতাদকে হত্যা করা হবে না। বরং তাকে বন্দি করে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া হবে এবং ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হবে। -মাবসূতে সারাখসী: ১০/১০৮ (দারুল মা’রেফা); বাদায়েউস সানায়ে: ৯/৪৪০ (দারুল হাদীস); ফাতহুল কাদীর: ৬/৬৭ (ইলমিয়্যাহ); রদ্দুল মুহতার: ৪/২৪৫ (দারুল ফিকর)
হাদীসে এসেছে,
“মুআয বিন জাবাল রাদি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইয়েমেনে পাঠানোর সময় বলেছিলেন, কোনো পুরুষ ইসলাম থেকে ফিরে (মুরতাদ হয়ে) গেলে তাকে (তাওবা করার) দাওয়াত দিবে। যদি তওবা করে, তাহলে তা গ্রহণ করবে। আর যদি তওবা না করে, তাহলে তাকে হত্যা করবে। আর কোনো মহিলা ইসলাম থেকে ফিরে (মুরতাদ হয়ে) গেলে তাকে (তওবা করার) দাওয়াত দিবে। যদি তওবা করে, তবে তা গ্রহণ করবে। আর যদি (তাওবা করতে) অস্বীকার জানায়, তাহলে তাকে বারবার তাওবা করার কথা বলবে।” -মু’জামে কাবীর: ২০/৫৩
ইবনে আব্বাস রাদি. বলেন,
“মহিলারা মুরতাদ হলে তাদেরকে হত্যা করা হবে না। বরং তাদেরকে বন্দি করে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া হবে এবং ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হবে।” -মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ: ২৯৫৯৯; সুনানে দারাকুতনী: ৩৪৫৮; সুনানে বায়হাকী: ১৬৯৫৪
বাস্তবিক হিজড়ার বিধানও মহিলার মত। মুরতাদ হওয়ার কারণে তাকে হত্যা করা হবে না। -রদ্দুল মুহতার: ৪/২৪৫ (দারুল ফিকর)
বিপরিতে ইমাম মালিক, শাফেয়ী, আহমদ রহ. সহ অনেক সালাফের মত হচ্ছে, পুরুষের মত মহিলাকেও হত্যা করা হবে। সুতরাং দায়িত্বশীল সর্বদিক বিবেচনা করে, হত্যা করা মাসলাহাত মনে করলে হত্যা করতে পারবেন। -আল-মুগনী: ৯/৩ (মাকতাবুল কাহেরা); মাবসূতে সারাখসী: ১০/১১০ (দারুল মা’রেফা); মুনতাদাল আসইলাহ: সুওয়াল নং: ২৯৬০ [2]
উল্লেখ্য, উপরিউক্ত বিধান স্বাভাবিক মুরতাদ মহিলার ক্ষেত্রে। তবে মহিলা যদি শাতিমে রাসূল, যাদুকর কিংবা ফেতনাবাজ হয়, তাহলে তাকে হত্যা করা হবে। [3]
[3] উক্ত মাসআলা দলীলসহ বিস্তারিত সামনে আসছে ইনশাআল্লাহ।
আগের পর্ব:
ফিকহুল জিহাদ; পর্ব ২২ ➤ মুরতাদকে তাওবার অবকাশ দেওয়ার বিধান এবং মুরতাদের তাওবা করার পদ্ধতি:
- https://dawahilallah.com/forum/%E0%A...A6%A4%E0%A6%BF
মুরতাদকে হত্যা করার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। উক্ত শর্ত পাওয়া না গেলে তাকে হত্যা করা হবে না। এ রকম শর্ত দুই প্রকার: এক. এমন কিছু শর্ত, যা পাওয়া না গেলে মুরতাদই বলা যাবে না। দুই. এমন শর্ত, যার কারণে মুরতাদ হওয়া সত্বেও তাকে হত্যা করা যাবে না।
প্রথম প্রকার শর্ত:
যে সকল শর্ত পাওয়া না গেলে মুরতাদ হবে না, এরকম শর্ত হচ্ছে—
এক. বোধশক্তি থাকা। পাগল, মানসিক বিকারগ্রস্থ এবং একেবারে অবুঝ শিশু থেকে কোনো কুফুর প্রকাশ হওয়ার কারণে তারা মুরতাদ হবে না।
দুই. চেতন থাকা: অবচেতনভাবে কোনো কুফুরি কথা বা কাজ প্রকাশ পেলে মুরতাদ হবে না। সুতরাং নেশাগ্রস্থ কিংবা ঘুমন্ত ব্যক্তি থেকে কোনো কুফুর প্রকাশ পাওয়া গেলে মুরতাদ বলা যাবে না।
তিন. ইচ্ছাকৃত হওয়া: ভুলে কোনো কুফুরি করলে কিংবা একটা শব্দ বলতে গিয়ে কুফুরি শব্দ উচ্চারিত হয়ে গেলে মুরতাদ হবে না।
চার. স্বেচ্ছায় করা: অর্থাৎ কারো পক্ষ থেকে বাধ্য না হওয়া। তাই বাধ্য হয়ে কোনো কুফুরি কথা বা কাজ করে ফেললে মুরতাদ হবে না। -বাদায়েউস সানায়ে: ৯/৪৩৭ (দারুল হাদীস); আল-বাহুরুর রায়েক: ৫/১২৯ (দারুল কিতাবিল ইসলামী); রদ্দুল মুহতার: ৪/২২৪ (দারুল ফিকর)
দ্বিতীয় প্রকার শর্ত:
যে শর্তসমূহ পাওয়া না গেলে ব্যক্তি মুরতাদ হওয়া সত্বেও হত্যা করা যাবে না, এমন শর্ত হচ্ছে—
এক. প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া: নাবালক যেহেতু শাস্তির উপযোক্ত নয়, তাই সে মুরতাদ হলে হত্যা করা যাবে না।
দুই. ইসলাম গ্রহণের পদ্ধতি বিবেচনা করা: কেউ স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করার পরে মুরতাদ হলে তাকে হত্যা করা হবে। পক্ষান্তরে যদি কাউকে ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়, তাহলে পরবর্তীতে সে স্বেচ্ছায় মুরতদ হলেও তাকে হত্যা করা হবে না।
তিন. ইসলাম ও ইরতিদাদের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া: যখন কোনো ব্যক্তির মুসলিম হওয়া এবং পরবর্তীতে মুরতাদ হওয়া—উভয়টি নিশ্চিতভাবে জানা যাবে, তখন তাকে হত্যা করা হবে। পক্ষান্তরে যদি কারো ব্যাপারে শুধু ধারণার ভিত্তিতে মুসলিম থাকার বিষয় জানা যায় কিংবা মুরতাদ হওয়ার বিষয়ে সন্দেহ হয়, তাহলে তাকে হত্যা করা হবে না।
উপর্যুক্ত শর্তসমূহ পাওয়া না গেলে মুরতাদকে হত্যা করা হবে না। তবে তাকে বন্দি করে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া হবে এবং ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হবে। -মাবসূতে সারাখসী: ১০/১২৩ (দারুল মা’রেফা); ফাতহুল কাদীর: ৬/৯০ (ইলমিয়্যাহ); রদ্দুল মুহতার: ৪/২৪৫ (দারুল ফিকর)
মহিলা মুরতাদের বিধান:
মহিলা মুরতাদকে হত্যা করা হবে কি’না—এ ব্যাপারে ইমামদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও মুহাম্মদ রহ. সহ অনেক সালাফের মতে মহিলা মুরতাদকে হত্যা করা হবে না। বরং তাকে বন্দি করে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া হবে এবং ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হবে। -মাবসূতে সারাখসী: ১০/১০৮ (দারুল মা’রেফা); বাদায়েউস সানায়ে: ৯/৪৪০ (দারুল হাদীস); ফাতহুল কাদীর: ৬/৬৭ (ইলমিয়্যাহ); রদ্দুল মুহতার: ৪/২৪৫ (দারুল ফিকর)
হাদীসে এসেছে,
عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ حِينَ بَعَثَهُ إِلَى الْيَمَنِ: «أَيُّمَا رَجُلٍ ارْتَدَّ عَنِ الْإِسْلَامِ فَادْعُهُ، فَإِنْ تَابَ فَاقْبَلْ مِنْهُ، وَإِنْ لَمْ يَتُبْ فَاضْرِبْ عُنُقَهُ، وَأَيُّمَا امْرَأَةٍ ارْتَدَّتْ عَنِ الْإِسْلَامِ فَادْعُهَا، فَإِنْ تَابَتْ فَاقْبَلْ مِنْهَا، وَإِنْ أَبَتْ فَاسْتَتِبْهَا» -رواه الطبراني في الكبير (20/ 53). وقال الهيثمي في مجمع الزوائد ط. مكتبة القدسي (6/ 263): وفيه راو لم يسم، قال مكحول: عن ابن لأبي طلحة اليعمري، وبقية رجاله ثقات.اهــــ
قال الراقم: لفظ الطبراني "عن ابن أبي طلحة اليعمري" لا "ابن لأبي طلحة" كما قال الهيثمي. والمعروف بابن أبي طلحة هو معدان بن أبي طلحة اليعمري كما قال ابن معين. وثقه ابن سعد والعجلي وابن حبان، وهو من رجال مسلم. ينظر: تهذيب التهذيب ط. دار الفكر (10/ 205) وإعلاء السنن ط. إدارة القرآن (12/ 611) [1]
“মুআয বিন জাবাল রাদি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইয়েমেনে পাঠানোর সময় বলেছিলেন, কোনো পুরুষ ইসলাম থেকে ফিরে (মুরতাদ হয়ে) গেলে তাকে (তাওবা করার) দাওয়াত দিবে। যদি তওবা করে, তাহলে তা গ্রহণ করবে। আর যদি তওবা না করে, তাহলে তাকে হত্যা করবে। আর কোনো মহিলা ইসলাম থেকে ফিরে (মুরতাদ হয়ে) গেলে তাকে (তওবা করার) দাওয়াত দিবে। যদি তওবা করে, তবে তা গ্রহণ করবে। আর যদি (তাওবা করতে) অস্বীকার জানায়, তাহলে তাকে বারবার তাওবা করার কথা বলবে।” -মু’জামে কাবীর: ২০/৫৩
ইবনে আব্বাস রাদি. বলেন,
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: لاَ يُقْتَلْنَ النِّسَاءُ إِذَا هُنَّ ارْتَدَدْنَ عَنِ الإِسْلاَمِ، وَلَكِنْ يُحْبَسْنَ وَيُدْعَيْنَ إِلَى الإِسْلاَمِ، وَيُجْبَرْنَ عَلَيْهِ. -رواه ابن أبي شيبة (29599) والدارقطني (3458) والبيهقي في السنن (16954) وأبو يوسف في الخراج ط. المكتبة الأزهرية (ص: 197) ومحمد في الآثار ط. دار النوادر (588).ـ
قال الراقم: رواه أبو يوسف في الخراج ومحمد في الآثار عن أبي حنيفة عن عاصم بن أبي النجود عن أبي رزين عن ابن عباس. وتابع أبا حنيفة عن عاصم: أبو مالك النخعي عند الدارقطني (3213)، والثوري عند عبد الرزاق (18731). وعاصم هو: ابن بهدلة أحد السبعة القراء. وقال الذهبي في ميزان الاعتدال ط. دار المعرفة (2/ 357): هو حسن الحديث. خرج له الشيخان لكن مقرونا بغيره لا أصلا وانفرادا.اهـــــ
وأبو رزين اسمه مسعود بن مالك، ثقة تابعي أخرج له مسلم. كما في موافقة الخبر الخبر لابن حجر ط. مكتبة الرشد ( 2/ 174)، وقد حسن الحافظ ابن حجر –في الموضع المذكور- حديثا، وعاصم وأبو رزين من رواته.ـ
“মহিলারা মুরতাদ হলে তাদেরকে হত্যা করা হবে না। বরং তাদেরকে বন্দি করে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া হবে এবং ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হবে।” -মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ: ২৯৫৯৯; সুনানে দারাকুতনী: ৩৪৫৮; সুনানে বায়হাকী: ১৬৯৫৪
বাস্তবিক হিজড়ার বিধানও মহিলার মত। মুরতাদ হওয়ার কারণে তাকে হত্যা করা হবে না। -রদ্দুল মুহতার: ৪/২৪৫ (দারুল ফিকর)
বিপরিতে ইমাম মালিক, শাফেয়ী, আহমদ রহ. সহ অনেক সালাফের মত হচ্ছে, পুরুষের মত মহিলাকেও হত্যা করা হবে। সুতরাং দায়িত্বশীল সর্বদিক বিবেচনা করে, হত্যা করা মাসলাহাত মনে করলে হত্যা করতে পারবেন। -আল-মুগনী: ৯/৩ (মাকতাবুল কাহেরা); মাবসূতে সারাখসী: ১০/১১০ (দারুল মা’রেফা); মুনতাদাল আসইলাহ: সুওয়াল নং: ২৯৬০ [2]
উল্লেখ্য, উপরিউক্ত বিধান স্বাভাবিক মুরতাদ মহিলার ক্ষেত্রে। তবে মহিলা যদি শাতিমে রাসূল, যাদুকর কিংবা ফেতনাবাজ হয়, তাহলে তাকে হত্যা করা হবে। [3]
ـ[1] تنبيه: هذا الحديث أورده الحافظ ابن حجر في الدراية ط. دار المعرفة (2/ 136) معزيا للطبراني، وقال: إسناده ضعيف. وذكره في فتح الباري ط. دار الفكر (12/ 272) أيضا، ولكن بلفظ "فإن عادت وإلا فاضرب عنقها"، ولم يعزه لأحد، وقال: سنده حسن.اهــــــ قال الشيخ ظفر أحمد العثماني في إعلاء السنن ط. إدارة القرآن (12/ 611): والحق أن الحديث واحد، وقد وهم الحافظ في لفظه، والراجح من اللفظ ما ذكره الزيلعي، والحافظ نفسه في الدراية، والمحقق في فتح القدير، والحافظ الهيثمي في مجمع الزوائد، وسنده حسن، كما قاله الحافظ في الفتح.اهــــ
ـ[2] المبسوط للسرخسي (10/ 110)
والمرتدة التي قتلت كانت مقاتلة، فإن أم مروان كانت تقاتل وتحرض على القتال، وكانت مطاعة فيهم، وأم فرقة كان لها ثلاثون ابنا، وكانت تحرضهم على قتال المسلمين، ففي قتلها كسر شوكتهم، ويحتمل أنه كان ذلك من الصديق رضي الله عنه بطريق المصلحة والسياسة.اهـــــ
[3] উক্ত মাসআলা দলীলসহ বিস্তারিত সামনে আসছে ইনশাআল্লাহ।
আগের পর্ব:
ফিকহুল জিহাদ; পর্ব ২২ ➤ মুরতাদকে তাওবার অবকাশ দেওয়ার বিধান এবং মুরতাদের তাওবা করার পদ্ধতি:
- https://dawahilallah.com/forum/%E0%A...A6%A4%E0%A6%BF