Announcement

Collapse
No announcement yet.

ফিকহুল জিহাদ; পর্ব ২৫ ➤ শাতিমে রাসূলকে হত্যা করা প্রসঙ্গ:

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • ফিকহুল জিহাদ; পর্ব ২৫ ➤ শাতিমে রাসূলকে হত্যা করা প্রসঙ্গ:

    শাতিমে রাসূলকে হত্যা করা প্রসঙ্গ:
    কেউ আল্লাহর রাসূলকে গালি দিলে কিংবা তাঁর শানে বেয়াদবি-মূলক বা কূরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করলে, সে মুরতাদ হয়ে যাবে এবং তাকে হত্য করা ওয়াজিব এ ব্যাপারে ইমামদের মাঝে কোনো মতভেদ নেই বরং শাতিমে রাসূল কাফের হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার কিংবা সন্দেহ করলে ঈমান চলে যাবে -আস-সারিমুল মাসলূল: পৃ: ৪ (আল-হারাসুল ওয়াতানি); আস-সাইফুল মাসলূল: পৃ: ১২০ (দারুল ফাতহ); রদ্দুল মুহতার: ৪/২৩২ (দারুল ফিকর)
    ইমাম মুহাম্মদ বিন সুহনূন রহ. বলেন,
    أجْمَعَ الْعُلمَاءُ أَنَّ شَاتِمَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُتَنَقِّصَ لَه كَافِرٌ، وَالْوَعِيدُ جَارٍ عَلَيْهِ بِعَذَابِ اللَّهِ لَه، وَحُكْمُه عِنْدَ الأمَّةِ قَتْلٌ. وَمَنْ شَكَّ فِيْ كُفْرِه وَعَذَابِه كَفَرَ.اهــــ -الشفا بتعريف حقوق المصطفى للقاضي عياض (2/ 429)، ط. دار الحديث

    “উলামায়ে কেরাম এ ব্যাপারে ঐক্যমত— যে রাসূলকে গালি দিবে; তাঁর ব্যাপারে খারাপ মন্তব্য করবে, সে কাফের আল্লাহর পক্ষ থেকে তাকে শাস্তি দেওয়ার যে কঠোর ধমকি দেওয়া হয়েছে, তা কার্যকর হবে উম্মাহর নিটক তার বিধান হচ্ছে, তাকে হত্যা করা যে তার কুফুর ও শাস্তির ব্যাপারে সন্দেহ করবে, সেও কাফের হয়ে যাবে” -আশ-শিফা লিল-ইয়ায: ২/৪২৯ (দারুল হাদীস)
    ইমাম ইবনুল মুনযির রহ. বলেন,
    أجمع عوام أهل العلم على أن من سب النبي صلى الله عليه وسلم القتل.اهــــ -الإشراف على مذاهب العلماء (8/ 60)، ط. مكتبة مكة الثقافية

    “সকল ইমাম এ ব্যাপারে একমত, যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিবে, তার শাস্তি হচ্ছে হত্যা করা।” -আল-ইশরাফ ৮/৬০ (মাকতাবাতু মাক্কাহ আস-সাকাফিয়্যাহ)
    কাযী ইয়ায রহ. (৫৪৪ হি.) বলেন,
    اعْلَمْ -وَفَّقَنَا اللَّهُ وَإِيَّاكَ- أَنَّ جَمِيعَ مَنْ سَبَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَوْ عَابَهُ، أَوْ أَلْحَقَ بِهِ نَقْصًا فِي نَفْسِهِ أَوْ نَسَبِهِ أَوْ دِينِهِ أَوْ خَصْلَةٍ مِنْ خِصَالِهِ، أَوْ عَرَّضَ بِهِ، أَوْ شَبَّهَهُ بِشَيْءٍ عَلَى طَرِيقِ السَّبِّ لَهُ أَوِ الْإِزْرَاءِ عَلَيْهِ أَوِ التَّصْغِيرِ لِشَأْنِهِ، أَوِ الْغَضِّ مِنْهُ وَالْعَيْبِ لَهُ، فَهُوَ سَابٌّ لَهُ.
    وَالْحُكْمُ فِيهِ حُكْمُ السَّابِّ يُقْتَلُ. وَلَا نَسْتَثْنِي فَصْلًا مِنْ فُصُولِ هَذَا الْبَابِ عَلَى هَذَا الْمَقْصِدِ، وَلَا نَمْتَرِي فِيهِ تَصْرِيحًا كَانَ أَوْ تَلْوِيحًا.
    وَكَذَلِكَ مَنْ لَعَنَهُ، أَوْ دَعَا عَلَيْهِ، أَوْ تَمَنَّى مَضَرَّةً لَهُ، أَوْ نَسَبَ إِلَيْهِ مَا لَا يَلِيقُ بِمَنْصِبِهِ عَلَى طَرِيقِ الذَّمِّ، أَوْ عَبَثَ فِي جِهَتِهِ الْعَزِيزَةِ بِسُخْفٍ مِنَ الْكَلَامِ وَهَجْرٍ ومنكر من القول وزور، أو عَيَّرَهُ بِشَيْءٍ مِمَّا جَرَى مِنَ الْبَلَاءِ وَالْمِحْنَةِ عَلَيْهِ، أَوْ غَمَصَهُ بِبَعْضِ الْعَوَارِضِ الْبَشَرِيَّةِ الْجَائِزَةِ وَالْمَعْهُودَةِ لَدَيْهِ.
    وَهَذَا كُلُّهُ إِجْمَاعٌ مِنَ الْعُلَمَاءِ وَأَئِمَّةِ الْفَتْوَى مِنْ لَدُنِ الصَّحَابَةِ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِم إِلَى هَلُمّ جَرّا.اهــــ -الشفا بتعريف حقوق المصطفى للقاضي عياض (2/ 428)، ط. دار الحديث

    “জেনে রাখো —আল্লাহ আমাকে ও তোমাকে তাওফিক দান করুন— যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিবে; তাঁর দোষ বর্ণনা করবে; অথবা তাঁর ব্যক্তিগত, বংশীয়, দ্বীনদারি বা তাঁর যেকোনো বিষয়ে ত্রুটি আরোপ করবে; ইনিয়ে-বিনিয়ে তাকে দোষারূপ করবে; কিংবা তাঁকে গালি দিয়ে, অবজ্ঞা করে, তাঁর মর্যাদা ছোট করে অথবা তাকে হেয় ও দোষারোপ করে কোনো কিছুর সাথে তাঁকে তুলনা করবে, এমন প্রত্যেক ব্যক্তি শাতিম (ও কাফের) হিসেবে গণ্য হবে।
    এমন ব্যক্তির বিধান হচ্ছে, শাতিমের বিধান—হত্যা করা আমরা উক্ত বিধান থেকে এ অধ্যায়ের কোনো অংশই আলাদা করব না এবং এ ব্যাপারে স্পষ্ট কিংবা ইঙ্গিতে—কোনোভাবেই কোনো সন্দেহ করব না
    এমনিভাবে যে রাসূলকে অভিশাপ দিবে; তাঁর বিরুদ্ধে বদদোয়া করবে; তাঁর কোনো ক্ষতি কামনা করবে; নিন্দাসূচকভাবে তাঁর শানে অনুপযোগী কিছু সন্বোধন করবে; অশালীন, অশ্লীল, অশোভন ও মিথ্যা কথাবার্তার মাধ্যমে তাঁকে অবজ্ঞা করবে; তাঁর ওপর আপতিত কোনো বিপদ বা কষ্ট নিয়ে তাঁকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবে; কিংবা মানবীয় স্বাভাবিক বৈধ কোনো কারণে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করবে (সেও শাতিম ও কাফের হিসেবে বিবেচিত হবে)।
    উপরিউক্ত প্রতিটি বিষয় সাহাবায়ে কেরাম রাযিয়াল্লাহু আনহুম থেকে এ পর্যন্ত সকল উলামা ও ইমামদের ঐক্যমত বিষয়” -আশ-শিফা লিল-ইয়ায: ২/৪২৮ (দারুল হাদীস)
    উপরিউক্ত সকল বিধান আল্লাহ, ফেরেশতা ও অন্য নবী-রাসূলকে দেওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। -আশ-শিফা লিল-ইয়ায: ২/৪৮৮ (দারুল হাদীস); আস-সাইফুল মাসলূল: পৃ: ৪৩৩ (দারুল ফাতহ); রদ্দুল মুহতার: ৪/২৩৫ (দারুল ফিকর)

    শাতিমকে হত্যার জন্য শাসকের অনুমতি:
    শাতিমে রাসূলের বিধান অন্যান্য সাধারণ মুরতাদের থেকে ব্যতিক্রম। মুসলিম শাসক থাকাবস্থায় সাধারণ লোকজন মুরতাদকে হত্যা করতে পারবে না; তবে শাতিমকে হত্যা করা যাবে। এ জন্য ইমামের অনুমতি আবশ্যক নয়।
    হাদীসে এসেছে,
    عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، «أَنَّ أَعْمَى كَانَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ لَهُ أُمُّ وَلَدٍ، وَكَانَ لَهُ مِنْهَا ابْنَانِ، وَكَانَتْ تُكْثِرُ الْوَقِيعَةَ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَسُبُّهُ، فَيَزْجُرُهَا فَلَا تَنْزَجِرُ، وَيَنْهَاهَا فَلَا تَنْتَهِي، فَلَمَّا كَانَ ذَاتَ لَيْلَةٍ ذَكَرْت النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَقَعَتْ فِيهِ، فَلَمْ أَصْبِرْ أَنْ قُمْتُ إِلَى الْمِغْوَلِ، فَوَضَعْتُهُ فِي بَطْنِهَا، فَاتَّكَأْتُ عَلَيْهِ فَقَتَلْتُهَا، فَأَصْبَحَتْ قَتِيلًا، فَذُكِرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَجَمَعَ النَّاسَ وَقَالَ: «أَنْشُدُ اللَّهَ رَجُلًا لِي عَلَيْهِ حَقٌّ، فَعَلَ مَا فَعَلَ إِلَّا قَامَ» فَأَقْبَلَ الْأَعْمَى يَتَدَلْدَلُ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنَا صَاحِبُهَا كَانَتْ أُمَّ وَلَدِي، وَكَانَتْ بِي لَطِيفَةً رَفِيقَةً، وَلِي مِنْهَا ابْنَانِ مِثْلُ اللُّؤْلُؤَتَيْنِ، وَلَكِنَّهَا كَانَتْ تُكْثِرُ الْوَقِيعَةَ فِيكَ وَتَشْتُمُكَ، فَأَنْهَاهَا فَلَا تَنْتَهِي، وَأَزْجُرُهَا فَلَا تَنْزَجِرُ، فَلَمَّا كَانَتِ الْبَارِحَةُ ذَكَرَتْكَ فَوَقَعَتْ فِيكَ، فَقُمْتُ إِلَى الْمِغْوَلِ فَوَضَعْتُهُ فِي بَطْنِهَا، فَاتَّكَأْتُ عَلَيْهَا حَتَّى قَتَلْتُهَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَلَا اشْهَدُوا أَنَّ دَمَهَا هَدَرٌ» -رواه النسائي (4070) وأبو داود (4361) والطبراني في الكبير (11984) والدارقطني (3195) والبيهقي (13505). وسكت عنه أبو داود والمنذري في مختصر السنن ط. مكتبة المعارف (3/ 147)، وكذا سكت عنه ضياء الدين المقدسي في الأحاديث المختارة ط. دار خضر (12/ 157). وقال ابن عبد الهادي في المحرر في الحديث ط. دار المعرفة (ص: 618): استدل به الإمام أحمد في رواية ابنه عبد الله.اهـــ وقال الحافظ ابن حجر في بلوغ المرام ط. دار القبس (ص: 454): رواته ثقات.اهــــ

    “ইবনে আব্বাস রাদি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে এক অন্ধ ব্যক্তির একটি উম্মে ওয়ালাদ (যে দাসী থেকে বাচ্ছা হয়েছে) ছিল উক্ত দাসী থেকে তার দুটি সন্তান জন্মেছিল। সে প্রায়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে কটূক্তি ও গালাগাল করত। অন্ধ ব্যক্তি তাকে ধমক দিলে ও নিষেধ করলে, সে বিরত হত না। (অন্ধ ব্যক্তি বলেন) একরাতে সে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আলোচনা তোলে তাঁর শানে কটূক্তিমূলক কথা বলতে লাগলতখন আমি সহ্য করতে না পেরে, একটি সরু ধারালো তরবারি হাতে নিয়ে তার পেঠে আঘাত করি এবং চাপ দিয়ে তাকে হত্যা করে ফেলি। সকালে তাকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। বিষয়টি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পৌঁছলে, তিনি লোকদের সমবেত করে বললেন, যার উপর আমার কোনো অধিকার আছে, তাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি, সে যে কাণ্ড ঘটিয়েছে, সে যেন দাঁড়িয়ে যায়। তখন অন্ধ ব্যক্তি ঝুলতেঝুলতে এগিয়ে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এ কাণ্ড ঘটিয়েছি! সে আমার উম্মে ওয়ালাদ ছিল। সে আমার সাতে খুবই সদয় ও কোমল আচরণ করত। তার থেকে আমার মুক্তার মত ফুটফুটে দুটি বাচ্ছা আছে। কিন্তু সে আপনাকে অনেক কটূক্তি ও গালাগাল করত। আমি তাকে ধমক ও বারণ করলে, সে বিরত হত না। গতরাতে সে আপনার আলোচনা উঠিয়ে কটূক্তি করতে থাকে। তখন আমি একটি সরু ধারালো তরবারি হাতে নিয়ে তার পেঠে আঘাত করি এবং চেপে ধরে তাকে হত্যা করে ফেলি। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা সাক্ষী থাকো, উক্ত দাসীর রক্তের কোনো মূল্য নেই।” –সুনানে নাসায়ী: ৪০৭০; সুনানে আবু দাউদ: ৪৩৬১ হাফেজ ইবনে হাজার রহ. বলেন, সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য
    উক্ত ঘটনায় অন্ধ সাহাবী রাসূলের অনুমতি ছাড়া শাতিমকে হত্যা করেছেন; কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে কোনো ধরনের আপত্তি করেননি।
    ইমাম আবু জাফর তাহাবী রহ. (৩২১ হি.) বলেন,
    مَنْ سَبَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ كَافِرًا وَاجِبًا عَلَى أُمَّتِهِ قَتْلُهُ أُمِرُوا بِذَلِكَ أَوْ لَمْ يُؤْمَرُوا بِذَلِكَ.اهــــ -شرح مشكل الآثار (12/ 413)، ط. مؤسسة الرسالة

    “যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিবে, সে কাফের হয়ে যাবে এবং তাকে হত্যা করা উম্মতের উপর ওয়াজিব; তাদেরকে (শাসকের পক্ষ থেকে) হত্যা করার ব্যাপারে আদেশ করা হোক কিংবা না হোক” –শরহে মুশকিলিল আসার: ১২/৪১৩ (মুআসসাসাতুর রিসালা)
    তদ্রূপ মহিলা মুরতাদকে হত্যা করা যাবে না তবে মহিলা শাতিমকে হত্যা করা হবে -শরহুস সিয়ারিল কাবীর: ৪/১৮৮ (ইলমিয়্যাহ); রদ্দুল মুহতার: ৪/২১৬ (দারুল ফিকর)

    শাতিমের তাওবা প্রসঙ্গ:
    শাতিমে রাসূল তাওবা করলে শাস্তি থেকে মুক্তি পাবে কি’না—উক্ত মাসআলায় ইমামদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে হানাফি ও শাফেয়ি মাযহাবের বিশুদ্ধ মতানুযায়ী শাতিমে রাসূল তাওবা করলে তাকে আর হত্যা করা যাবে না। বিপরিতে মালেকি ও হান্বলি মাযহাব মতে শাতিমে রাসূল তাওবা করলেও তাকে হত্যা করা হবে। -আশ-শিফা লিল-ইয়ায: ২/৪২৮ (দারুল হাদীস); আস-সাইফুল মাসলূল: পৃ: ১৭৩ (দারুল ফাতহ); রদ্দুল মুহতার: ৪/২৩৩ (দারুল ফিকর)
    ইবনে আব্বাস রাদি. বলেন,
    عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: «أَيُّمَا مُسْلِمٍ سَبَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ، أَوْ سَبَّ أَحَدًا مِنَ الْأَنْبِيَاءِ، فَقَدْ كَذَّبَ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهِيَ رِدَّةٌ، يُسْتَتَابُ، فَإِنْ رَجَعَ، وَإِلَّا قُتِلَ». -رواه حرب في «مسائله» عن ليث بن أبي سليم، قال حدثنا مجاهد، عن ابن عباس. ينظر: كتاب السنة من مسائل حرب بن إسماعيل الكرماني (ص: 337)، ط. دار اللؤلؤة؛ والصارم المسلول لابن تيمية (ص: 342)، ط. الحرس الوطني السعودي؛ وزاد المعاد لابن القيم (5/ 55)، ط. مؤسسة الرسالة. وقال ابن تيمية: وفي إسناد الحديث عنه مقال.اهــــ
    قال الراقم: لعله عرّض بكون الليث بن أبي سليم في الإسناد. قال الترمذي في جامعه (2801): قال محمد بن إسماعيل: «ليث بن أبي سليم صدوق وربما يهم في الشيء» وقال محمد بن إسماعيل: قال أحمد بن حنبل: «ليث لا يفرح بحديثه، كان ليث يرفع أشياء لا يرفعها غيره فلذلك ضعفوه»اهـــ وقال الذهبي في الكاشف (4692): ليث بن أبي سليم، ... فيه ضعف يسير من سوء حفظه، كان ذا صلاة وصيام وعلم كثير، وبعضهم احتج به، مات 138، 4 م مقرونا [أي روى له الأربعة ومسلم مقرونا].اهــــ

    “যে মুসলিম আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কিংবা অন্য কোনো নবীকে গালি দিবে, সে রাসূলকে অস্বীকার করল। এবং তা রিদ্দাহ হিসেবে বিবেচিত হবে। তাকে তাওবা করতে বলা হবে। যদি তাওবা করে ফিরে আসে, তাহলে মুক্তি পাবে; অন্যথায় হত্যা করা হবে।” –কিতাবুস সুন্নাহ মিন মাসাইলি হারব: ৩৩৭ (দারুল লু’লুআহ); আস-সারিমুল মাসলূল: ৩৪২ (আল-হারাসুল ওয়াতানী)
    তবে শাসক ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সর্বদিক বিবেচনা করে যদি মনে হয় যে, সে মূলত শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য বাহ্যিক তাওবা করেছে, তাহলে দায়িত্বশীল অন্যান্য ইমামদের মাযহাব অনুযায়ী তাকে হত্যা করতে পারবেন। -আদ্দুররুল মুখতার: ৪/২৩৬ (দারুল ফিকর)

    আগের পর্ব:

    ফিকহুল জিহাদ; পর্ব ২৪ ➤ মুরতাদকে হত্যা করা হদ নাকি তা’যীর এবং মুরতাদ হত্যার দায়িত্ব কার:
    - https://dawahilallah.com/forum/%E0%A...A6%BE%E0%A6%B0
Working...
X