আমাদেরও রয়েছে ঘরবাড়ি, আছে পরিবার-পরিজন। জগতের আয়েশ-আরাম সম্পর্কে আমরা ভালো করেই জানি।
যদি অক্ষম ও দুর্বল ব্যক্তিরাও কাজকর্ম করতে পারে, তাহলে আমরা কেন পারব না?
জীবনধারণের জন্য আসবাব-সামগ্রীর প্রয়োজনীয়তা আমাদেরও রয়েছে।
কিন্তু, যখন উম্মতের নাযুক হালত দেখি, তাদের লাঞ্ছনা ও অপদস্থতা দেখি, তখন অন্তর ব্যথিত হয়ে ওঠে।
একদিকে কাফিরদের জুলুমের পাহাড় আমাদের মুসলিম ভাইবোনদের ওপর পতিত হচ্ছে,
অপরদিকে মুসলিম নামধারী তাগুত শাসকেরা দীনের পথে চলা ব্যক্তিদের প্রত্যেক পদে পদে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন ফিতনার জন্ম দিচ্ছে।
এসব দেখে কীভাবে ঘরে বসে আরাম করতে পারি?
পরিবার-পরিজনের সাথে আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত থাকতে পারি?
কীভাবে পারি দুনিয়ার ধোঁকায় পড়ে থাকতে?
না, আমরা পারব না। উম্মতের আগামীকে গড়ার জন্য আমাদের বর্তমানকে কুরবান করে দেবো।
উম্মতের আনন্দের জন্য আমাদের আনন্দকে বিসর্জন করে দেবো।
উম্মতকে এই নাযুকতা থেকে রক্ষা করতে শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত জিহাদ করে যাবো।
যতক্ষণ না উম্মতের বোনদের হারানো ইজ্জত ফিরিয়ে আনতে পারব, ততক্ষণ পর্যন্ত আরামের যিন্দেগী আমাদের জন্য বোঝা।
যদি অক্ষম ও দুর্বল ব্যক্তিরাও কাজকর্ম করতে পারে, তাহলে আমরা কেন পারব না?
জীবনধারণের জন্য আসবাব-সামগ্রীর প্রয়োজনীয়তা আমাদেরও রয়েছে।
কিন্তু, যখন উম্মতের নাযুক হালত দেখি, তাদের লাঞ্ছনা ও অপদস্থতা দেখি, তখন অন্তর ব্যথিত হয়ে ওঠে।
একদিকে কাফিরদের জুলুমের পাহাড় আমাদের মুসলিম ভাইবোনদের ওপর পতিত হচ্ছে,
অপরদিকে মুসলিম নামধারী তাগুত শাসকেরা দীনের পথে চলা ব্যক্তিদের প্রত্যেক পদে পদে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন ফিতনার জন্ম দিচ্ছে।
এসব দেখে কীভাবে ঘরে বসে আরাম করতে পারি?
পরিবার-পরিজনের সাথে আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত থাকতে পারি?
কীভাবে পারি দুনিয়ার ধোঁকায় পড়ে থাকতে?
না, আমরা পারব না। উম্মতের আগামীকে গড়ার জন্য আমাদের বর্তমানকে কুরবান করে দেবো।
উম্মতের আনন্দের জন্য আমাদের আনন্দকে বিসর্জন করে দেবো।
উম্মতকে এই নাযুকতা থেকে রক্ষা করতে শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত জিহাদ করে যাবো।
যতক্ষণ না উম্মতের বোনদের হারানো ইজ্জত ফিরিয়ে আনতে পারব, ততক্ষণ পর্যন্ত আরামের যিন্দেগী আমাদের জন্য বোঝা।