سبحان الله، الحمد لله، لا إله إلا الله، الله أكبر، لا حول ولا قوة إلا بالله
اللهم اغفر لي وارحمني واهدني وعافني وارزقني
اللهم صل وسلم على نبينا محمد، اللهم صل وسلم على نبينا محمد
[৬৭:৭] আল মুল্ক
إِذا أُلقوا فيها سَمِعوا لَها شَهيقًا وَهِيَ تَفورُ
যখন তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তারা তার বিকট শব্দ শুনতে পাবে। আর তা উথলিয়ে উঠবে।
এখানে বিকট শব্দটা জাহান্নামের উত্তপ্ত আগুন করবে, বুঝার বিষয় এর আগেও আমি আপনি এই আয়াত তেলাওয়াত করেছি, এই আয়াতের অর্থ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু চিন্তা করুন এটা থেকে আমাদের কোনো অনুভব হয়নি, আমরা কেমন জানি একাডেমিক পড়াশোনা করেছি, সামান্য কিছু দুনিয়ার প্রয়োজন মিটানোর জন্য, اللهم اغفر لي
এখানে জাহান্নামের এই বিকট শব্দ হবে এবং ওই সকল জাহান্নামিদের প্রশ্ন করবে
[৬৭:৮] আল মুল্ক
تَكادُ تَمَيَّزُ مِنَ الغَيظِ كُلَّما أُلقِيَ فيها فَوجٌ سَأَلَهُم خَزَنَتُها أَلَم يَأتِكُم نَذيرٌ
ক্রোধে তা ছিন্ন-ভিন্ন হবার উপক্রম হবে। যখনই তাতে কোন দলকে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তার প্রহরীরা তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবে, ‘তোমাদের নিকট কি কোন সতর্ককারী আসেনি’?
তোমাদেরকে আমার ভয়াবহতা নিয়ে কি কেউ সর্তক করেনি? তোমরা কি আমার ভিতরে হুংকার সম্পর্কে এর আগে শুননি? তাহলে কিসে তোমাদের আজকে এখানে প্রবেশ করিয়েছে,
[৬৭:৯] আল মুল্ক
قالوا بَلى قَد جاءَنا نَذيرٌ فَكَذَّبنا وَقُلنا ما نَزَّلَ اللَّهُ مِن شَيءٍ إِن أَنتُم إِلّا في ضَلالٍ كَبيرٍ
তারা বলবে, ‘হ্যাঁ, আমাদের নিকট সতর্ককারী এসেছিল। তখন আমরা (তাদেরকে) মিথ্যাবাদী আখ্যায়িত করেছিলাম এবং বলেছিলাম, ‘আল্লাহ কিছুই নাযিল করেননি। তোমরা তো ঘোর বিভ্রান্তিতে রয়েছ’।
[৬৭:১০] আল মুল্ক
وَقالوا لَو كُنّا نَسمَعُ أَو نَعقِلُ ما كُنّا في أَصحابِ السَّعيرِ
আর তারা বলবে, ‘যদি আমরা শুনতাম অথবা বুঝতাম, তাহলে আমরা জ্বলন্ত আগুনের অধিবাসীদের মধ্যে থাকতাম না’।
জাহান্নামিরা যখন ক্ষুধার্ত হবে তখন তাদেরকে খেতে দেওয়া হবে গরম টগবগ করা উত্তপ্ত পানি, তারা কত ভয়ংকর ক্ষুধার্ত হবে, যে তারা এই পানীয় পান করবে আর সাথে সাথে তাদের নাড়িভুড়ি ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে, গলে পায়ুপথে বাইর হতে থাকবে, একটু চিন্তা করুন দুনিয়ায় সামান্য টুকু গরম পানি মুখে দিতে গেলে আমাদের কি পরিমাণ কষ্ট হয়ে যায়, আর সেখানে উত্তপ্ত গরম পানি!!
একটু ভাবুন চিন্তা করুন এই যে দুনিয়ায় আমরা কত দেখি আগুনের লাভা টগবগ করে উতলিয়ে উঠে, এই যে লাবার ভিতর আমাকে আপনাকে নিক্ষেপ করা হলে তখন আমাদের কি করুন অবস্থা হবে, হায় এই কেমন আযাব, এই কেমন কষ্ট যা আমাদের মৃত করে না জীবিত রেখেই সব কিছু জ্বালিয়ে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে, হায় আমরা কেন সর্তকারির সর্তকতা অবলম্বন করি না। ইয়া আল্লাহ আপনি আমাদের প্রতি রহম করুন।
শব্দ চয়নে সর্তকতা অবলম্বনঃ-
আমাদের ভিতর বা দ্বীনদার ভাই-বোনদের ভিতর এমন মাঝে মাঝে হাসি-তামাশা করতে গিয়ে একটা কথা বলে দি অমুক জাহান্নামে গেলে আমিও জাহান্নামে যাব, তুই তো জাহান্নামে যাবি, এরা জাহান্নামে যাবে, এমন শব্দ চয়নে সর্তকতা অবলম্বন করা জরুরি, কারন জাহান্নাম কোনো হাসি-তামাশা করার কথা না, এটা অত্যন্ত ভয়ংকর শব্দ, এটা কোনো ভাবেই কাম্য করা বা এটা নিয়ে তামাশা করি উচিত না, এটা ভয় এটা আযাব, এটা কঠিন এক বাসস্থান যেখানে পুরো পৃথিবীর লোক যেতে চাইলেও আমি যেতে চাইব না, আমরা মহান রব্বুল ইজ্জাহ এর কাছে আশ্রয় চাই এই ভয়াবহ জাহান্নাম থেকে,
আমাদের এক উস্তায বলত, তিনাকে এক ব্যাক্তি প্রশ্ন করে, কিছু মানুষ বলে অমুক জাহান্নামে গেলে আমিও জাহান্নামে যাব, এটা ঠিক কথা কিনা?
তিনি উত্তরে বলেন না কখনোই নাহ, পুরো দুনিয়া জাহান্নামে গেলেও আমি যাব না, পানাহ চাই রবের কাছে তিনি আমাদের দয়া মায়া করুনা করে জান্নাত নসীব করুক, আমরা দুর্বল, আমাদের রব ছাড়া আমরা কোনো ভাবেই শক্তিশালী হতে পারি না, আমাদের রব আমাদের শক্তি, তিনি আমাদের রিযিক দান করেন, তিনি আমাদের জন্য সঠিক পথ নির্দেশনা দিয়ে প্রিয় হাবিব মুহাম্মদ মুস্তাফা সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পাঠিয়েছেন। আমরা আমাদের রাসূলের পথ গুলো পাথেয় গুলো অন্ধভাবে বিশ্বাস করি, তিনি রবের পক্ষ থেকে যা নিয়ে এসেছেন এবং যা জানিয়ে গিয়েছেন সব কিছুই আমরা পরিপূর্ণ ভাবে অন্ধের মতো বিশ্বাস করি।
--- নিজেকে জাগ্রত করার জন্য এই লেকচারটি শুনতে পারেন:
---
আমি আপনাদের অপারগ ভাই
বিঃদ্রঃ ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
اللهم اغفر لي وارحمني واهدني وعافني وارزقني
اللهم صل وسلم على نبينا محمد، اللهم صل وسلم على نبينا محمد
[৬৭:৭] আল মুল্ক
إِذا أُلقوا فيها سَمِعوا لَها شَهيقًا وَهِيَ تَفورُ
যখন তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তারা তার বিকট শব্দ শুনতে পাবে। আর তা উথলিয়ে উঠবে।
এখানে বিকট শব্দটা জাহান্নামের উত্তপ্ত আগুন করবে, বুঝার বিষয় এর আগেও আমি আপনি এই আয়াত তেলাওয়াত করেছি, এই আয়াতের অর্থ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু চিন্তা করুন এটা থেকে আমাদের কোনো অনুভব হয়নি, আমরা কেমন জানি একাডেমিক পড়াশোনা করেছি, সামান্য কিছু দুনিয়ার প্রয়োজন মিটানোর জন্য, اللهم اغفر لي
এখানে জাহান্নামের এই বিকট শব্দ হবে এবং ওই সকল জাহান্নামিদের প্রশ্ন করবে
[৬৭:৮] আল মুল্ক
تَكادُ تَمَيَّزُ مِنَ الغَيظِ كُلَّما أُلقِيَ فيها فَوجٌ سَأَلَهُم خَزَنَتُها أَلَم يَأتِكُم نَذيرٌ
ক্রোধে তা ছিন্ন-ভিন্ন হবার উপক্রম হবে। যখনই তাতে কোন দলকে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তার প্রহরীরা তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবে, ‘তোমাদের নিকট কি কোন সতর্ককারী আসেনি’?
তোমাদেরকে আমার ভয়াবহতা নিয়ে কি কেউ সর্তক করেনি? তোমরা কি আমার ভিতরে হুংকার সম্পর্কে এর আগে শুননি? তাহলে কিসে তোমাদের আজকে এখানে প্রবেশ করিয়েছে,
[৬৭:৯] আল মুল্ক
قالوا بَلى قَد جاءَنا نَذيرٌ فَكَذَّبنا وَقُلنا ما نَزَّلَ اللَّهُ مِن شَيءٍ إِن أَنتُم إِلّا في ضَلالٍ كَبيرٍ
তারা বলবে, ‘হ্যাঁ, আমাদের নিকট সতর্ককারী এসেছিল। তখন আমরা (তাদেরকে) মিথ্যাবাদী আখ্যায়িত করেছিলাম এবং বলেছিলাম, ‘আল্লাহ কিছুই নাযিল করেননি। তোমরা তো ঘোর বিভ্রান্তিতে রয়েছ’।
[৬৭:১০] আল মুল্ক
وَقالوا لَو كُنّا نَسمَعُ أَو نَعقِلُ ما كُنّا في أَصحابِ السَّعيرِ
আর তারা বলবে, ‘যদি আমরা শুনতাম অথবা বুঝতাম, তাহলে আমরা জ্বলন্ত আগুনের অধিবাসীদের মধ্যে থাকতাম না’।
জাহান্নামিরা যখন ক্ষুধার্ত হবে তখন তাদেরকে খেতে দেওয়া হবে গরম টগবগ করা উত্তপ্ত পানি, তারা কত ভয়ংকর ক্ষুধার্ত হবে, যে তারা এই পানীয় পান করবে আর সাথে সাথে তাদের নাড়িভুড়ি ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে, গলে পায়ুপথে বাইর হতে থাকবে, একটু চিন্তা করুন দুনিয়ায় সামান্য টুকু গরম পানি মুখে দিতে গেলে আমাদের কি পরিমাণ কষ্ট হয়ে যায়, আর সেখানে উত্তপ্ত গরম পানি!!
একটু ভাবুন চিন্তা করুন এই যে দুনিয়ায় আমরা কত দেখি আগুনের লাভা টগবগ করে উতলিয়ে উঠে, এই যে লাবার ভিতর আমাকে আপনাকে নিক্ষেপ করা হলে তখন আমাদের কি করুন অবস্থা হবে, হায় এই কেমন আযাব, এই কেমন কষ্ট যা আমাদের মৃত করে না জীবিত রেখেই সব কিছু জ্বালিয়ে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে, হায় আমরা কেন সর্তকারির সর্তকতা অবলম্বন করি না। ইয়া আল্লাহ আপনি আমাদের প্রতি রহম করুন।
শব্দ চয়নে সর্তকতা অবলম্বনঃ-
আমাদের ভিতর বা দ্বীনদার ভাই-বোনদের ভিতর এমন মাঝে মাঝে হাসি-তামাশা করতে গিয়ে একটা কথা বলে দি অমুক জাহান্নামে গেলে আমিও জাহান্নামে যাব, তুই তো জাহান্নামে যাবি, এরা জাহান্নামে যাবে, এমন শব্দ চয়নে সর্তকতা অবলম্বন করা জরুরি, কারন জাহান্নাম কোনো হাসি-তামাশা করার কথা না, এটা অত্যন্ত ভয়ংকর শব্দ, এটা কোনো ভাবেই কাম্য করা বা এটা নিয়ে তামাশা করি উচিত না, এটা ভয় এটা আযাব, এটা কঠিন এক বাসস্থান যেখানে পুরো পৃথিবীর লোক যেতে চাইলেও আমি যেতে চাইব না, আমরা মহান রব্বুল ইজ্জাহ এর কাছে আশ্রয় চাই এই ভয়াবহ জাহান্নাম থেকে,
আমাদের এক উস্তায বলত, তিনাকে এক ব্যাক্তি প্রশ্ন করে, কিছু মানুষ বলে অমুক জাহান্নামে গেলে আমিও জাহান্নামে যাব, এটা ঠিক কথা কিনা?
তিনি উত্তরে বলেন না কখনোই নাহ, পুরো দুনিয়া জাহান্নামে গেলেও আমি যাব না, পানাহ চাই রবের কাছে তিনি আমাদের দয়া মায়া করুনা করে জান্নাত নসীব করুক, আমরা দুর্বল, আমাদের রব ছাড়া আমরা কোনো ভাবেই শক্তিশালী হতে পারি না, আমাদের রব আমাদের শক্তি, তিনি আমাদের রিযিক দান করেন, তিনি আমাদের জন্য সঠিক পথ নির্দেশনা দিয়ে প্রিয় হাবিব মুহাম্মদ মুস্তাফা সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পাঠিয়েছেন। আমরা আমাদের রাসূলের পথ গুলো পাথেয় গুলো অন্ধভাবে বিশ্বাস করি, তিনি রবের পক্ষ থেকে যা নিয়ে এসেছেন এবং যা জানিয়ে গিয়েছেন সব কিছুই আমরা পরিপূর্ণ ভাবে অন্ধের মতো বিশ্বাস করি।
--- নিজেকে জাগ্রত করার জন্য এই লেকচারটি শুনতে পারেন:
---
আমি আপনাদের অপারগ ভাই
বিঃদ্রঃ ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।