শাযারাত মিন তারিখিল কায়েদাহ এর প্রাথমিক পাণ্ডুলিপি দেখে শায়খ আইমান আয-যাওয়াহিরী লিখেছিলেন—
‘প্রিয় ভাই আমার, আল্লাহ আপনার হাতে ও কলমে বরকত দিন। আপনার কলমের আঁচড়ে জীবন্ত হয়ে ওঠা অতীতের অজস্র সুন্দর স্মৃতি আর আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়া শহীদানের কথা মনে করে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। তারা ছিলেনই এমন মানুষ, যাদের বিয়োগ-বেদনায় অশ্রুবিসর্জন করা উচিত। এ বই আমাকে অন্য এক জগতে নিয়ে গিয়েছে, যেখানে বাস্তবেই একসময় ছিলাম। আপনার এই লেখা আমার সুপ্ত স্মৃতিগুলোকে জাগিয়ে দিয়েছে, ভাবাবেগকে নাড়া দিয়েছে। আমি গর্বিত, আফগান জিহাদে অংশগ্রহণ করতে পেরে৷ আমি গর্বিত, মৌলবী ইউনুস খালিস, মৌলবী জালালুদ্দীন হক্কানী, ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ আর মোল্লা উমরের পতাকাতলে জিহাদ করতে পেরে। শায়খ উসামা বিন লাদেন রহ. ও তার পূণ্যবান সাথিদের মতো ক্ষণজন্মা বিরল ব্যক্তিদের সাথে ভাই-ভাই হয়ে একসাথে থাকতে পেরে আমি গর্বিত। আল্লাহ তাঁদের সবার ওপর রহমত বর্ষণ করুন৷ সৌভাগ্যবান তারা, যারা তাঁদের সাথে থেকেছেন, মিলেমিশে কাজ করেছেন, তাঁদের সাহচর্যে ধন্য হয়েছেন। আল্লাহ তাআলা আপনার এই প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। প্রতিটি শব্দের বিনিময়ে আপনার আমলনামায় আজর ও সওয়াব দান করুন। (শায়খ) খুবাইব সুদানী ও তার সঙ্গীদের যাপিত জীবনের স্মৃতিচারণ হিসেবে লেখা আপনার এই রচনাটি আল-কায়েদার ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে চিরকাল রয়ে যাবে। আল্লাহ তাআলা আপনাদের সকলের প্রতি রহমত নাযিল করুন।’